10.4 C
London
Monday, November 28, 2022
Homeসংবাদ বিশ্লেষণউপনির্বাচন কবে? মমতার মুখ্যমন্ত্রীর পদ হারানোর সম্ভাবনা প্রবল

Latest Posts

উপনির্বাচন কবে? মমতার মুখ্যমন্ত্রীর পদ হারানোর সম্ভাবনা প্রবল

- Advertisement -

#Mamata Banerjee
নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা ভোটে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম থেকে প্রার্থী হয়ে হেরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তবে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) বিপুল জয় পেয়েছে। সেই সুবাদে মুখ্যমন্ত্রীর পদে তিনিই আছেন। তবে বিজেপির কটাক্ষ ‘হেরো মমতা’ কতদিন এভাবে চালাবেন রাজ্য। তিনিই পশ্চিমবঙ্গের একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি সাম্প্রতিক ভোটে হেরে কুর্সিতে বসেছেন।

প্রধান বিরোধী দল বিজেপির ( BJP) এই কটাক্ষের পিছনে রয়েছে তীব্র সাংবিধানিক সংকটের ইঙ্গিত। কারণ, গত মে মাসে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তিনি বিধায়ক নন। নিয়মানুসারে পদে থাকতে হলে ৬ মাসের মধ্যে উপর্নিবাচনে (By election) জিতে আসত হবে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীকে তথা বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীকে।

- Advertisement -

বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার পর চার মাস পার হচ্ছে উপনির্বাচনের কোনও নামগন্ধ নেই রাজ্যে। তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে উদ্বেগ বাড়ছেই। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উপনির্বাচন কবে হবে?

Mamata Banerjee facing political threat

সবের মূলে করোনা সংক্রমণ। কিন্তু মমতা তথা রাজ্য সরকারও প্রতিযুক্তি দেখিয়েছে। কেন্দ্র সরকারের তথ্য, স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য দেখিয়ে তৃ়নমূল কংগ্রেস সরকারের দাবি পশ্চিমবঙ্গের করোনা সংক্রমণ এখন নিম্নগামী। এই অবস্থায় ভোট হতেই পারে।

সেপ্টেম্বরে উপনির্বাচন করাতে মরিয়া। কারণ অক্টোবর মাসে শারদীয়া উৎসব। দুর্গা পূজার সময় কোনওভাবেই নির্বাচন করানো সম্ভব নয়। সময় পার হচ্ছে দ্রুত। ৬ মাস সময়ের মধ্যে হাতে আছে দুমাস। এর মধ্যে উপনির্বাচন না হলে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পদত্যাগ করতে হবে। যেহেতু তিনি নির্বাচিত বিধায়ক নন, আর বিধান পরিষদ গঠন কেন্দ্রের সহমতির উপর নির্ভর করছে ফলে বিধান পরিষদ (MLC) সদস্য হয়ে ঘুরপথে কুর্সি রাখা সম্ভব না।

তৃ়নমূল কংগ্রেসের দাবি রাজ্যে যে সাতটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে সরকটিতেই করোনা সংক্রমণ নেই বললেই চলে। বিশেষ করে কলকাতার ভবানীপুরের পরিস্থিতি তুলে ধরছে টিএমসি। এই কেন্দ্রের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় পদত্যাগ করেছে। কেন্দ্রটিতেই ফের প্রার্থী হবেন মমতা।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, প্রবল করোনা সংক্রমণের মাঝে বিধানসভা ভোট হয়েছিল। এখন সংক্রমণ তেমন নেই, তবে বিজেপি যে করেই হোক নির্বাচন আটকে দিতে চাইছে। গণতান্ত্রিক পথ তারা নিচ্ছে না। উপনির্বাচন যাতে দ্রুত করানো হয় এমন আবেদন জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করে তৃণমূল কংগ্রেস। একইভাবে রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরেও আবেদন জানানো হয়েছে। কিন্তু কমিশন নীরব!

যদি উপনির্বাচন না হয়?
তাহলে পশ্চিমবঙ্গ অভূতপূর্ব রাজনৈতিক মোড় নিতে চলেছে বলেই মনে করছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞরা। একাংশের যুক্তি, রাজ্যে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হতে পারে।

নির্বাচন কমিশনের নিয়ম, বিধানসভা নির্বাচন শেষ হওয়ার ৬ মাসের মধ্যেই উপনির্বাচন করতে হয়। ফলে কমিশনও স্বস্তিতে নেই খুব একটা।

- Advertisement -

Video News

Top News Headlines

Latest Posts

Don't Miss