প্যান-আধার-ড্রাইভিং লাইসেন্স করাতে করোনা টিকাকরণের শংসাপত্র আবশ্যিক

সম্প্রতি বেশ কয়েকটি রাজ্যে এ ধরনের নিয়ম চালু হয়ে গিয়েছে

301
Coroner's Vaccination

News Desk: দেশের প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ যাতে করোনার টিকাকরণে এগিয়ে আসেন তার জন্য বিশেষ কিছু পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্র। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি রাজ্যে এ ধরনের নিয়ম চালু হয়ে গিয়েছে। সূত্রের খবর, আগামী দিনে প্যান কার্ড (PAN Card), আধার কার্ড (Aadhar Card), ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট বা রেশন কার্ডের মত জরুরি কাজ করাতে গেলে কোভিড টিকাকরণের শংসাপত্র দাখিল করা আবশ্যিক করার পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার।

ইতিমধ্যেই উত্তরপ্রদেশ (Utter Pradesh), কর্নাটক (Karnataka), গুজরাত (Gujrat), মিজোরাম (Mizoram)-সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে এই নিয়ম চালু করে দেওয়া হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ সরকার বিভিন্ন জেলা প্রশাসনকে দেওয়া নির্দেশে জানিয়েছে, ড্রাইভিং লাইসেন্স করাতে যারা আবেদন করবে তাদের অবশ্যই করোনার টিকাকরণের শংসাপত্র দাখিল করতে হবে। যদি কারও কাছে টিকাকরণের শংসাপত্র না থাকে তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ড্রাইভিং লাইসেন্সের ছাড়পত্র দেওয়া যাবে না। যতক্ষণ না সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি টিকাকরণের শংসাপত্র দাখিল করছেন ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাবেন না।

তবে শুধু রাজ্যের পরিবহণ দফতরে নয়, প্রতিটি দফতরকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ Yogi Adityanath)। জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জেলায় নির্মাণ কাজের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিকদেরও টিকাকরণ আবশ্যিক করার কথা বলা হয়েছে। যোগী সরকার তার নির্দেশে জানিয়েছে, কোনও শ্রমিকের যদি টিকাকরণের শংসাপত্র না থাকে তবে তাকে কাজে নিয়োগ করা যাবে না। উত্তরপ্রদেশ ছাড়াও গুজরাত, কর্নাটক এবং মেঘালয়েও একই ধরনের নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

প্রতিটি রাজ্যেই বলা হয়েছে, প্যান কার্ড, রেশন কার্ড, আধার কার্ড, এমনকী পাসপোর্ট করাতে গেলেও টিকাকরণের শংসাপত্র দাখিল করা আবশ্যিক। পাশাপাশি বিভিন্ন দোকানদার ও ফুটপাতে যারা ব্যবসা করেন তাদেরও টিকা নেওয়ার আবশ্যিক করা হয়েছে। একইভাবে ট্যাক্সি বা ক্যাব চালকদেরও টিকাকরণের শংসাপত্র থাকা বাধ্যতামূলক। মনে করা হচ্ছে, এই নির্দেশ ঠিক ভাবে কার্যকর হলে প্রতিটি মানুষকেই টিকা নিতে হবে। না নিলে তাঁরা কখনওই এ ধরনের জরুরি কাজগুলি করতে পারবেন না।

কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের ১০০ কোটি মানুষকে টিকার দুটি ডোজ দিতে চান। সেই লক্ষ্য পূরণে যাতে কোন সমস্যা না হয় তার জন্যই কেন্দ্র গোটা দেশে এই সিদ্ধান্ত জারি করার পরিকল্পনা নিয়েছে।