5.3 C
London
Saturday, December 3, 2022
Homeনগর দর্পণ১৫০ যাত্রীর প্রাণ বাঁচানো পাইলট নওশাদের মরদেহ ঢাকায় নামল বিমান থেকেই

Latest Posts

১৫০ যাত্রীর প্রাণ বাঁচানো পাইলট নওশাদের মরদেহ ঢাকায় নামল বিমান থেকেই

- Advertisement -

নিউজ ডেস্ক: সেটা ছিল পাঁচ বছর আগের কথা ১৪৯ যাত্রী আর সাতজন ক্রুর জীবন বাঁচিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন নওশাদ। এক রোমহর্ষক উড়ানের জন্য পেয়েছিলেন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। বিমান বাংলাদেশের পাইলট নওশাদ কাইয়ুমের মরদেহ নাগপুর থেকে ঢাকায় পৌঁছাল। গত সোমবার নাগপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি।

বৃহস্পতিবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রয়াত ক্যাপ্টেন নওশাদের মরদেহ ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ক্যাপ্টেন নওশাদের দেহ যথাযোগ্য মর্যাদায় তাঁর সহকর্মী ও বিমান বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ নামিয়ে আনেন। এদিনই তাঁর দেহ সমাধিস্থ করা হবে৷

- Advertisement -

গত বৃহস্পতিবার ওমান থেকে বাংলাদেশ যাওয়ার পথে ভারতের আকাশে পৌঁছেই গুরুতর অসুস্থ হয়েছিলেন বিমান বাংলাদেশের পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ। হৃদরোগে তিনি আক্রান্ত হয়েছিলেন। সহকারি পাইলটের SOS অ্যালার্ট পেয়ে কলকাতা বিমানবন্দর এটিসি দ্রুত সেই বিমান নাগপুরে অবতরণ করাতে সাহায্য করেছিল। বেঁচে যান যাত্রীরা। তবে অসুস্থ পাইলট নওশাদ কাইউম চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাগপুরেই প্রয়াত হন।৷

Biman Bangladesh Pilot Who Suffered Heart Attack Mid-Air is dead

সেই রোমহর্ষক উড়ান: পাইলট নওশাদের হাতে ঝুলছিল দেড়শতাধিক জীবন
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জানিয়েছে পাঁচ বছর আগের কথা। ২০১৬ সালের ২২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিমানের বিজি-১২২ ফ্লাইটে ক্যাপ্টেন ছিলেন নওশাদ। ওমানের রাজধানী মাস্কট বিমানবন্দর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। মাস্কট থেকে টেক অফ করার সময়ে রানওয়েতে বিমানের টায়ার ফেটে যায়। উপায় ছিলো না। বিমান নিয়ে উড়তে হয়েছিল ক্যাপ্টেন নওশাদকে।

এই ঘটনার পরপরই মাইক্রোফোনে যাত্রীদের আতঙ্কিত না হতে বলেন ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইয়ুম। তিনি ও বিমানের ফার্স্ট অফিসার মেহেদী হাসান বুঝতে পারছিলেন কী ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। ১৮ টন জ্বালানি আর বিমানটির ওজন ৬০ টন। সব মিলিয়ে ৭৮ টন ওজনের বিশাল বিমানের জরুরি অবতরণ করাও অসম্ভব। একটু এদিক সেদিক হলেই বিস্ফোরণ ঘটবে। এই উদ্বেগ নিয়েই টানা পাঁচ ঘণ্টার পথ পাড়ি দিয়ে চট্টগ্রামের বদলে সেদিন অতি দক্ষতার সঙ্গে ঢাকায় বিমানটি জরুরি অবতরণ করানোর বার্তা পাঠান। ঢাকা বিমান বন্দরেই জরুরি ভিত্তিতে সবরকম ব্যবস্থা করা হয়। অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে বিমানটি অবতরণ করিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন নওশাদ। জীবন রক্ষা পায় দেড়শ যাত্রীর।

এই ঘটনার পরে, ২০১৭ সালে ক্যাপ্টেন নওশাদকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে প্রশংসাপত্র পাঠিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ক্যাপ্টেন রন অ্যাবেল। সেই ঢাকা বিমানবন্দরে ক্যাপ্টেন নওশাদের দেহ নামল, সেই বিমান বাংলাদেশ থেকেই।

- Advertisement -

Video News

Top News Headlines

Latest Posts

Don't Miss