Lakhimpur kheri: যোগীর নিষেধাজ্ঞা, ‘কৃষক গণহত্যা’ কেন্দ্রে যেতে বাধা রাহুল গান্ধীকে

314
Rahul Gandhi

নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিনিধিরা ছাড় পেলেন,তবে কেন বাধা কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi)। প্রবল বিতর্ক উত্তর প্রদেশে। আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে প্রধান গান্ধীকে। সংবাদ সংস্থা ANI জানাচ্ছে, উত্তর প্রদেশ সরকার বাতিল করেছে কংগ্রেসের তরফে লখিমপুর খেরি (Lakhimpur kheri) যাওয়ার আবেদন।

রাহুল গান্ধীর অভিযোগ, লখিমপুর খেরিতে ১৪৪ ধারা লাগু থাকায় নিয়মানুসারে ৫ জন গেলে পুলিশ আটকাতে পারে। আমরা তিনজন যাচ্ছিলাম। কেন আটকানো হয়েছে। বিরোধী দল হিসেবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া।

মঙ্গলবার দিনভর লখিমপুর খেরি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে ছিল। প্রথমে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে সেখানে ঢুকে পড়েন সারা ভারত কৃষকসভার নেতৃত্বরা। এতে হতচকিত হয়ে যায় যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসন। কী করে তারা ঢুকলেন তা নিয়ে রাজ্য পুলিশ প্রবল চাপের মুখে পড়ে। বাম কৃষক সংগঠনটির নেতৃত্বে লাগাতার কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতায় লক্ষাধিক কৃষক আন্দোলন করছেন। আন্দোলন চালাচ্ছে ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন।

লখিমপুর খেরিতে কৃষক জমায়েতের উপর গাড়ি চালিয়ে অভিযুক্ত বিজেপির হেভিওয়েট নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রের পুত্র আশিস। মৃত ৯ জন। এদের ৬ জনই কৃষক। আশিস মিশ্রকে গ্রেফতারির দাবি তুলেছেন কৃষকসভার সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ হান্নান মোল্লা।

এই দাবির পরেই উত্তর প্রদেশ সরকার পুরো এলাকা পুলিশ দিয়ে ঘিরে রাখে। সেই ঘেরাও পেরিয়ে কৃষক সভার পরে পৌঁছে যান তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিনিধিরা। তারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা দেন। বলেন, লখিমপুর খেরিতে সিঙ্গুর নন্দীগ্রামের মতো আন্দোলন করতে তৃ়ণমূল সাহায্য করবে। পশ্চিমবঙ্গে বাম জমানায় এই দুটি জমি আন্দোলনের কারণে টিএমসি রাজনৈতিক মাইলেজ পেয়ে সরকার গড়েছে। লখিমপুর খেরির রক্তাক্ত ঘটনার পর সেখানে ঢুকতে পারেননি উত্তর প্রদেশের দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব ও মায়াবতী।