পাঁচলার বাজারে পুলিশের অভিযান, বাজেয়াপ্ত বিপুল পরিমাণ বাজি

দীপাবলিতে বাজি বিক্রি ও বাজি পোড়ানো সম্পূর্ণভাবে বন্ধ

595

News Desk: কলকাতা হাইকোর্ট স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে গত বছরের মতো এবারও দীপাবলিতে বাজি বিক্রি ও বাজি পোড়ানো সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। তারপরই সক্রিয় হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশ।

সূত্র মারফত খবর পেয়ে শনিবার পাঁচলা থানার জয়নগর বাজারে একটি দোকানে হানা দেয় হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশের এনফোর্সমেন্ট শাখার আধিকারিকরা। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে প্রায় ৩০ কেজি বাজি উদ্ধার করা হয়েছে। শব্দবাজির পাশাপাশি আতসবাজিও রয়েছে বলে জানা গেছে। পুলিশ বাজিগুলিকে বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি একটি মামলা রুজু করেছে। হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানান, এই অভিযান জারি থাকবে।

কালীপুজ এবং দীপাবলিতে বাজির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। প্রথমে গ্রীন বাজি বললেও পরে পরিবর্তন হয় নির্দেশিকা যেকোনও ধরনের বাজি পোড়ানোর উপরেই নিষেধাজ্ঞা জারি করে আদালত।

আদালতের জানিয়েছে, “বেঁচে থাকার অধিকার মৌলিক অধিকার। বৃহত্তর স্বার্থের কথা ভেবে ক্ষুদ্র স্বার্থ উপেক্ষা করতে হয়। পরিবেশ বান্ধব বাজি চিহ্নিত করার কোনও উপায় নেই পুলিসের।পুলিসের পক্ষে বাজি চিহ্নিত করা অসম্ভব। করোনা প্রতিদিন বাড়ছে। যাঁদের শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের আরও বেশি সমস্যা হতে পারে।” পাশাপাশি আদালতের নির্দেশ কোথাও কোনও বাজি বিক্রি করা যাবে না। বাজির বিজ্ঞাপনও দেওয়া যাবে না। শুধুমাত্র প্রদীপ ও মোমবাতি ব্যবহার করা যাবে। এই নজরদারি চালাবে রাজ্য।

কালীপুজয় বাজি ফাটানোর নিয়ম আগেই বেঁধে দিয়েছিল রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ। পর্ষদের তরফে জানান হয়, পরিবেশবান্ধব বাজি ফাটাতে হবে। বলা হয়েছিল কালীপুজো , দীপাবলিতে মাত্র দু’ঘণ্টা বাজি ফাটানো যাবে। কেবলমাত্র রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত বাজি ফাটানো যাবে। ছট পুজোর দিন সকালে ২ ঘণ্টা বাজি পোড়ানো যাবে।

অন্যদিকে, ময়দানে নয় রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় এবার বাজির বাজার বসবে উত্তর কলকাতা সিঁথির সার্কাস ময়দানে। শনিবারই নবান্নে মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে বৈঠক করেন সারা বাংলা আতশবাজি উন্নয়ন সমিতির চেয়ারম্যান বাবলা রায়। তাঁর দাবি, বাজার বসানোর জন্য দমকলের ছাড়পত্র ও সরকারে অনুমতি মিলেছে।