সন্ত্রাসবাদ: রাষ্ট্রসংঘে পাক-প্রধানমন্ত্রীকে ‘বধ’ করলেন ‘ভারত কি বেটি’ স্নেহা দুবে

0
432

নিউজ ডেস্ক: দেশের বিরুদ্ধে তোলা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরানের খানকে যোগ্য জবাব দিল ভারত৷ ইমরানের দেশকে সন্ত্রাসবাদের সংরক্ষক এবং পাক-সংখ্যালঘু দমনকারী বলে অভিনহত করল ভারত৷ রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ভাষণে বরাবরের মতো কাশ্মীরের সুর গেয়েছেন এবং নিজেকে সন্ত্রাসের সবচেয়ে বড় শিকারি বলে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু, যথারীতি পাকিস্তান আবারও ভারতের কাছ থেকে উপযুক্ত জবাব পেল। ভারতের প্রথম সচিব স্নেহা দুবে ((India First Secretory Sneha Dubey) পাকিস্তানকে রাইট টু রিপ্লাই (Right to Reply) -এর আওতায় উপযুক্ত জবাব দিয়েছেন।

স্নেহা দুবে৷ পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে কড়া ভাষায় তিরস্কার করে রীতিমতো ‘হিরোইন’ হয়ে গিয়েছেন ভারতবাসীর কাছে৷ ভারত-বিরোধী কার্যকলাপে পাকিস্তানের অবস্থান বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরেছেন৷ তিনি বলেন, এই প্রথম নয় যে একজন পাক নেতা রাষ্ট্রসংঘের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আমার দেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভুল প্রোপাগান্ডা ছড়াল। তিনি বলেন, যে এরা (পাকিস্তান) সন্ত্রাসের সমর্থক। মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসী ওসামা বিন লাদেন পাকিস্তানে আশ্রয় পেয়েছিলেন। পাকিস্তান তাকে শহিদের মর্যাদা দিয়েছে। তারা (পাকিস্তান) বাড়িতে শুধুমাত্র একজন জঙ্গি লালন পালন করে, যাতে সে তার প্রতিবেশীদের ক্ষতি করতে পারে। স্নেহা দুবে কটাক্ষ করে বলেন, আমরা শুনতে পাই পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের শিকার। আসলে, অগ্নিসংযোগকারী পাকিস্তান মুখোশ পরে নিজেকে অগ্নিনির্বাপক হিসেবে বর্ণনা করছে।

India First Secretory Sneha Dubey

পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীকে কড়া ভাষায় জবাব দেওয়ার পরেই দেশবাসী জানতে চাইছে কে এই স্নেহা দুবে?
সারা বিশ্বের সামনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে তিরস্কার করা স্নেহা ২০১২ ব্যাচের আইএফএস অফিসার৷ প্রথমবারের চেষ্টাতেই তিনি ইউপিএসসিতে সাফল্য পেয়েছিলেন। আইএফএস হওয়ার পর তিনি বিদেশ মন্ত্রকে নিযুক্ত হন৷ ২০১৪ সালে মাদ্রিদে ভারতীয় দূতাবাসে তাঁকে পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে তিনি রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে ভারতের প্রথম সচিব। স্নেহা জেএনইউ থেকে পড়াশোনা করেছেন। তিনি সেখান থেকে এমএ এবং এমফিল করেছেন। তিনি গোয়াতে প্রাথমিক শিক্ষা করেন এবং তারপর পুনের ফার্গুসন কলেজ থেকে স্নাতক হন। তিনি তাঁর পরিবারের প্রথম সিভিল সার্ভিস অফিসার।

রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে ভারতের প্রথম সচিব স্নেহা দুবে বলেন, “অনেক দেশ জানে যে পাকিস্তানের জঙ্গিদের আশ্রয় দেওয়ার ইতিহাস রয়েছে৷ তাদের সক্রিয়ভাবে সমর্থন করা হচ্ছে। এটা তাদের নীতি। এটি এমন একটি দেশ, যারা সন্ত্রাসীদের সমর্থন, অস্ত্র সরবরাহ এবং আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত।

প্রসঙ্গত, ইমরান খান এবার নিউইয়র্কে আসেননি। তিনি নিজেই পাকিস্তান থেকে তাঁর ভার্চুয়াল ভাষণের সময় কাশ্মীর ইস্যু উত্থাপন করেছিলেন। তিনি বলেন, পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে শান্তি চায়৷ দক্ষিণ এশিয়ায় স্থায়ী শান্তি জম্মু ও কাশ্মীর বিরোধের সমাধানের উপর নির্ভর করে।