Bangladesh: আচমকা বাংলাদেশ জুড়ে গোয়েন্দা ও পুলিশি তৎপরতা তুঙ্গে, কেন?

দিন শুরু হয়েছে ভয় নিয়ে

666
BD-Police

News Desk: রাস্তার মোড়ে মোড়ে সশস্ত্র পুলিশ তৈরি। তৎপরতা গোয়েন্দা পুলিশ, ব়্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন ব্যাটেলি(ব়্যাব) সহ প্রশাসনিক সব মহলেই। বাংলাদেশে দিন শুরু হয়েছে আশঙ্কা নিয়ে। কেন এমন পরিস্থিতি ? জনজীবনে প্রশ্ন ও আশঙ্কা।

বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অসুস্থ। তাঁর অসুস্থতা নিয়ে গুজব ছড়িয়ে জনজীবনে অশান্তি ছড়াতে মরিয়া বিএনপি দল। পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে না যায় তার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

রাজধানী ঢাকা তো বটেই, সবকটি বিভাগ চট্টগ্রাম, রংপুর, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহের সর্বত্র পুলিশকে অতি মাত্রায় সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সব জেলা, উপজেলা ও জনবহুল এলাকায় গোয়েন্দা কর্মীরা সক্রিয়। পুলিশ বিভাগের সব ছুটি বাতিল।

দেশের অন্যতম বিরোধী দল বিএনপি। দলটির নেত্রী
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগে বিএনপি নেতৃত্ব ও জিয়া পরিবার। তাঁর অবস্থা খুবই খারাপ বলে দাবি করেছেন বিএনপি শীর্ষ নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির। আর জিয়া পরিবারের তরফে সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বিদেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে। আওয়ানী লীগ সরকার রাজি নয়।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ এই
দুটি সংস্থার আর্থিক দুর্নীতির মামলায় জেলে ছিলেন খালেদা জিয়া। কোভিড পরিস্থিতি ও তাঁর অসুস্থতার কারণে জেল থেকে বাড়িতে পাঠানো হয় বেগম জিয়াকে। তিনি কোভিড আক্রান্ত হন। এর পর থেকে বারবার অসুস্থ হয়ে পড়ছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। গত কয়েকদিন ধরে তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিয়ে যেতে মরিয়া তাঁর পরিবার। বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশে তাঁর দেশত্যাগ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আইন মেনেই দেশে চিকিতসার সুযোগ পাবেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

দলনেত্রীর উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা সরিয়ে নিতে বিএনপি দেশজুড়ে অবস্থান বিক্ষোভ করে। নাটোরের পরিস্থিতি ছিল উদ্বেগজনক। উত্তেজিত মিছিলকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। গুলি চলে। রাবার বুলেটে জখম হন অনেকে। বিএনপি নেতৃত্ব তাদের নেত্রীর জন্য গণঅবস্থানের ডাক দিয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের কর্মকর্তারা বলেছেন, খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে স্বার্থান্বেষী বিভিন্ন গোষ্ঠী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব বা অসত্য তথ্য ছড়াতে পারে এমন আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর জন্য পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে পুলিশকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।