WB Politics: তথাগতকে ‘জাঙ্গিয়া’ বলে টুইট কুণালের, প্রত্যুত্তরে ‘খুনখারাপি’ অভিযোগ

দিলীপ ঘোষ আরও এক কাঠি উপরে গিয়ে দলত্যাগের পরামর্শ দিয়েছেন

752
kunal-tathagata

News Desk: ‘জাঙ্গিয়া’ বনাম ‘ভাঁড়’ টুইট যুদ্ধে বঙ্গ রাজনীতি সরগরম। তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুণাল ঘোষের তীব্র শ্লেষাত্মক টুইটের প্রবল প্রতিক্রিয়া এসেছে। বিজেপি নেতা তথাগত রায়কে কটাক্ষ করেছেন কুশান ঘোষ। তারই জবাব দিয়ে প্রাক্তন রাজ্যপালের দাবি, খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

কী লিখেছেন টিএমসি নেতা কুণাল ঘোষ? টুইটে তিনি লিখেছেন, “Part 1: হা হা। রাজ্যপাল পদ শেষ হলে বাংলায় নেতা হতে এসেছিলেন তথাগত। দিলীপ ঘোষ ঢুকতে দেননি। দিলীপবাবু তো নিজে তবু বিধায়ক, সাংসদ হয়েছেন। এই ভাঁড়সম্রাট তথাগত দিলীপবাবুর জুতো নালিশের যোগ্য নন। রোজ অবসাদ থেকে বিষোদ্গার করছেন টুইটে। গেঞ্জি, জাঙ্গিয়া আর টুইট ছাড়া এটার আছেটা কী?”

এর পরেই প্রত্যুত্তর দিয়েছেন তথাগত রায়। তিনি টুইটে লেখেন, “হিন্দু যেমনি মুসলমান হলে গরু খাবার যম হয় ঠিক তেমনি এই ভাঁড়টি মমতাকে গালাগালি দিয়ে, সারদা কেসে জেলে গিয়ে, জামিন পেয়ে অতীতের পাপ স্খালন করার জন্য সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মমতাপন্থী হয়ে উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় খুনখারাপি করার হুমকি পর্যন্ত দিচ্ছে !”

বঙ্গ রাজনীতিতে এখন অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক তত্ত্বের লড়াই হয় না। এর বদলে হয় পারস্পরিক অশালীন টুইট যুদ্ধ। এমনই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাঁদের বক্তব্য, রাজ্যে গত বাম জমানায় মাঠে ময়দানে কিছু বাম নেতা যে মেঠো ভাষা ব্যবহার করতেন তা শহুরে জনজীবনে অশালীন বলে চিহ্নিত হয়েছিল। তবে বাম আমলে যে রাজনৈতিক ও আর্থ সামাজিক বিশ্লেষণ হতে তার কণামাত্র অবশিষ্ট নেই এখন।

অভিযোগ আরও, যেভাবে আর্থ-সামাজিক সমস্যার বিষয়গুলিকে এড়িয়ে গিয়ে পারস্পরিক অশালীন আক্রমণ চালাচ্ছেন শাসক ও বিরোধী দলের নেতারা তাতে সুস্থ রাজনীতি শেষ।

বিশ্লেষণে আরও উঠে আসছে, কংগ্রেস জমানার প্রসঙ্গ। সেই সময়েও এমন দেখা যায়নি। তখন ছিল তীব্র রাজনৈতিক লড়াই।

তবে গত ছয় দশকে বিস্তর পরিবর্তন হয়েছে সামাজিক দৃষ্টির। সেশ্যাল মিডিয়ায় শালীনতা গিয়েছে অস্তাচলে। তারই প্রতিফলন হচ্ছে অনবরত।

<

p style=”text-align: justify;”>কু়ণাল ঘোষ ও তথাগত রায়ের টুইট লড়াইয়ের আগে শনিবার সকালে অবশ্য বিস্ফোরক মন্তব্য করেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দলেরই নেতা তথাগত রায়কে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, বিজেপিতে থাকতে যখন এতই লজ্জা তাহলে দল ছেড়ে দিন। উনির্বাচনে বিজেপির ভরাডুবির পর ক্রমাগত তথাগত রায় টুইট করে বিজেপির কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতাদের বিরুদ্ধে নিজের রীতিতে ক্ষোভ উগরে দিতে শুরু করেছেন।