Bangladesh: মমতা দি জিত্যা গেল…খবরে নজর বাংলাদেশিদের

678
mamata-hasina

News Desk: ওপার বাংলার রাজধানী কলকাতার ভোট ফলাফলে নজর রেখেছেন বাংলাদেশবাসী। ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহি, রংপুর সর্বত্র খবরের ব্রেকিং কলকাতা সিটি কর্পোরেশনের (কলকাতা পুরসভা) প্রায় সবটাই শাসক অনুকূলে। খবরে নজর রাখা বাংলাদেশি বিশেষত পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তবর্তী জেলা উপজেলাগুলিতে আলোচনা মমতা দি জিত্যা গেল…।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর কেন্দ্রের উপনির্বাচনে জয়ের দিনও একইভাবে বাংলাদেশের নজরে ছিলেন। রাজধানী ঢাকা সহ সব বিভাগের সংবাদপত্রের ওয়েব সংস্করণ, টিভি চ্যানেল ও ওয়েব পোর্টালের শিরোনামটিও দখল করেছিলেন মমতা।

বাংলাদেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপরিচিত। তবে সমালোচিতও। কারণ, তাঁর অনড় অবস্থানে ‘তিস্তা পানি বন্টন’ (জল বন্টন) হয়নি। যদিও ভারত সরকার আগ্রহী এই চুক্তিতে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি দৌত্য ব্যর্থ হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘না’ মনোভাবে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর যুক্তি, শুখা মরশুমে তিস্তার জল এমনিতেই কম থাকে, তখন কোনওভাবেই প্রতিবেশি দেশে দেওয়া সম্ভব নয়। তবে ঢাকার যুক্তি, তিস্তা আন্তর্জাতিক নদী হওয়ায় আন্তর্জাতিক নিয়মে এই জলের অংশীদার বাংলাদেশ।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস জমানার আগে বামফ্রন্ট জমানায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর উদ্যোগে ও কূটনৈতিক অবস্থানে ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা জল বণ্টন চুক্তি হয়। সেই কারণে প্রয়াত জ্যোতি বসুর বিশেষ কদর এখনও ঢাকার রাজনৈতিক মহলে। তবে পশ্চিমবঙ্গে বামেদের এখন ভোটের ভাঁড়ে মা ভবানী। বিধানসভা নির্বাচনে শূন্য হয়ে গিয়েছে বামেরা।

ঢাকায় আলোচনা, যেহেতু ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদী তিস্তা চুক্তিতে আগ্রহী ছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন হলে সেই চুক্তির সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে গত বিধানসভা ভোটে বিপুল জয়ের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টানা তিনবার সরকার ধরে রেখেছেন। তাঁর অবস্থান বদলাবে না। ফলে তিস্তা চুক্তি এখন দুরাশা।

এত সবের পরেও মমতার খবরেই নজর বাংলাদেশের। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তে থাকা রংপুর, রাজশাহি, খুলনার মফস্বলে চলছে চর্চা।