নজরে নীলছবি, ‘আফগান পর্নস্টার’ খুঁজে পেলেই মাথা কাটবে তালিবানরা

995

নিউজ ডেস্ক: কাবুল দখল নেওয়ার পর থেকেই নারী স্বাধীনতায় ঘোষিত অবস্থানের উল্টো পথেই হাঁটছে তালিবান। আফগান মহিলাদের ঘরেই থাকতে হবে। এমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রথমে ছেলে-মেয়ে একসঙ্গে পড়ার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা, এখন মহিলাদের কর্মস্থলে না যাওয়ার ফরমান-এরপর কী মাথা কাটার ফতোয়া? আফগানিস্তানের মহিলাদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়েছে বিস্তর। কারণ এর আগে ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত তালিবান সরকারের ভয়ঙ্কর রূপ দেখেছেন আফগানবাসী।

আরও পড়ুন পথের কাঁটা পঞ্জশির দখলের পরেই তালিবান সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা

এবার এক প্রতিবেদনে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। হন্যে হয়ে পর্ন সাইট খুঁজছে তালিবানরা। যদিও তাদের উদ্দেশ্য পর্ন ভিডিও দেখা নয়, উদ্দেশ্য সেই ভিডিও থেকে ‘আফগান পর্নস্টার’ খুঁজছে জেহাদিরা। বিশেষত নীলছবির সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের খুন করার পরিকল্পনা করেছে তারা।

আরও পড়ুন শরিয়তি আইনে চলা আফগানিস্তান থেকে উইঘুর মুসলিমদের চিনে পাঠাবে তালিবান

সরকার গঠনের পরই যৌনকর্মীদের মৃত্যুদন্ড ঘোষণা করা হতে পারে। সমস্ত পর্ন সাইটগুলিও খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছে তালিবানিরা। শরিয়তি আইন অনুযায়ী কোনও ভিনদেশী পুরুষের সঙ্গে যৌন কার্যকলাপে জড়িত হয়েছিলেন, এমন কোনও আফগান মহিলাকে পেলেই তাঁকে খুন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আফগানিস্তানে মহিলাদের মুখে এভাবেই কালি মাখাচ্ছে জেহাদিরা।

তালিবান স্পষ্ট জানিয়েছে আফগানিস্তানে শরিয়া আইন জারি চলবে। কড়া ধর্মীয় এই নিয়মকানুনে মহিলাদের জন্য ভয়ঙ্কর সব নিদান রয়েছে। এর একটু ভুল হলেই প্রকাশ্যে নিদারুণ যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি পেতে হয়। আর সময বিশেষে সেই শাস্তি হয় মাথা কেটে নেওয়া। ২০০১ সালের আগে তালিবান যখন আফগানিস্তান শাসন করত, তখনও তারা কঠোর শরিয়া আইন জারি করেছিল। শিক্ষা থেকে সম্পূর্ণ রূপে বঞ্চিত করে দেওয়া হয়েছিল মহিলাদের, ছিল না কাজ করার অধিকারও। উঁচু স্বরে কথা বলা, পুরুষ সঙ্গী ছাড়া একা বাড়ি থেকে বেরনোর মতো অপরাধেও জনসমক্ষে পাথর ছুঁড়ে হত্যা করা হত তাদের। এবারও সেই একই ছবি দেখা যাচ্ছে আফগানিস্তানে।