Afganistan: বাবা পঞ্জশিরের রেসিসট্যান্স বাহিনীর সদস্য, শিশুকে খুন করল Taliban

907
old look of taliban militant
পুরোনো তালিবান বাহিনী৷ সেই আলখাল্লা পরা৷

নিউজ ডেস্ক: পঞ্জশিরের মূল সদর শহর সহ বিভিন্ন নগর, জেলা থেকে হটে গিয়েছে জুনিয়র মাসুদের আফগান রেজিস্ট্যান্স ফোর্স। ৩৪তম প্রদেশ হিসেবে পাঞ্জশিরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তালিবানরা (Taliban)। ঘোষণা করে দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারেরও। কিন্তু তারপরেও যেন নর্দান অ্যালায়েন্সের চিন্তা যাচ্ছে না তালিবানদের মাথা থেকে।

আরও পড়ুন ফরমান জারি: দাড়ি কাটলেই ভয়ঙ্কর শাস্তি দেবে তালিবান

এবার নর্দান অ্যালায়েন্সের ভয়েই নৃশংসভাবে এক শিশুকে খুন করল তালিবানরা। কারণ তাদের সন্দেহ, ওই শিশুর বাবা পঞ্জশিরে রেসিসট্যান্স ফোর্সের সদস্য। খবরটি টুইটারে প্রকাশ করেছে ‘‌পঞ্জশির অবজার্ভার’‌ নামে একটি সংবাদ মাধ্যম। কয়েকদিন আগেই এই জঙ্গি সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই জারি থাকবে জানিয়েছিল আফগান রেজিস্ট্যান্স ফোর্স।

আফগানিস্তানে পঞ্জশির অন্যতম একটি এলাকা, যেখানে মানুষ এই ভয়ঙ্কর জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের পতাকা তুলেছিল। নর্দান অ্যালায়েন্সের প্রাক্তন কমান্ডার আহমেদ শাহ মাসুদের শক্ত ঘাঁটি পঞ্জশির, রাজধানী কাবুলের খুব কাছেই এই উপত্যকাটি৷ এখানে প্রায় ১ লক্ষ ৭০ হাজার মানুষের বসবাস৷ এলাকাটি এতটাই বিপজ্জনক যে, ১৯৮০ থেকে ২০২১ পর্যন্ত তালিবানদের কব্জায় আসেনি এই উপত্যকাটি৷ শুধু তাই নয়, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীও এই এলাকায় শুধুমাত্র বিমান হামলা চালিয়েছে৷ তারা কখনও কোনও পদাদিক বাহিনী পাঠানোর সাহস দেখাতে পারেনি৷

জুলাই মাসের শুরুতে যখন তালিবান আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশে আক্রমণ শুরু করে, তখন তারা প্রতিরোধ ছাড়াই অনেক জায়গা জিতে নেয়। বলা হচ্ছে, আফগান ন্যাশনাল আর্মির সৈন্যদের মধ্যে খবর ছড়িয়েছিল যে, শীর্ষ সামরিক কমান্ডাররা তালিবানদের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। যোগাযোগের অভাব এবং অস্ত্রের অভাবও সৈন্যদের বিশ্বাস করতে বাধ্য করেছিল। এই কারণে আফগান সেনাবাহিনীর জওয়ানরা অনেক এলাকায় একটিও গুলি খরচ না করে তালিবানদের কাছে আত্মসমর্পণ করে।

প্রসঙ্গত, ক্ষমতায় আসার পরেই তালিবান ঘোষণা করেছিল, নয়ের দশকের মতো কট্টর পথে হাঁটবে না তারা। কিন্তু তারপর থেকেই ক্রমশ উলটো ছবিটা পরিস্কার হয়েছে। মহিলাদের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে, এবার প্রকাশ্যে হত্যা করা হল শিশুকেও।