0.5 C
London
Thursday, December 8, 2022
HomeUncategorizedত্রিপুরা: মমতার টার্গেট কংগ্রেস ভোট! সন্তোষমোহন কন্যা সুস্মিতায় আপ্লুত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পরিবার

Latest Posts

ত্রিপুরা: মমতার টার্গেট কংগ্রেস ভোট! সন্তোষমোহন কন্যা সুস্মিতায় আপ্লুত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পরিবার

- Advertisement -

#Susmita Dev
নিউজ ডেস্ক: বাবার ভূমিকায় কন্যা! এমনই মনে করছে ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহল। এই রাজ্য ও অসমের একসময়ের জবরদস্ত সাংসদ সন্তোষমোহন দেব কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে কংগ্রেসের অন্যতম স্তম্ভ ছিলেন। তিনিই ত্রিপুরায় প্রথমবার বাম সরকার হটিয়ে কংগ্রেসকে ক্ষমতা আনেন। সেই সন্তোষমোহন কন্যা সুস্মিতা দেব এখন আবেগ রাজনীতি হাতিয়ার করেছেন বলে শাসক বিজেপি ও বিরোধী সিপিআইএমের কটাক্ষ।

ত্রিপুরায় গত নির্বাচনগুলিতে তৃণমূলের প্রাপ্তি ০.৩ শতাংশ ভোট। এই শক্তি নিয়েই একক সংখ্যাগরিষ্ঠ বিজেপি ও রাজ্যে টানা ২৫ বছরের সরকারে থাকা সিপিআইএমের বিরুদ্ধে লড়তে নেমেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

- Advertisement -

ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিতে এখনও পর্যন্ত উত্তর পূর্বাঞ্চলের যে হেভিওয়েট মুখ টিএমসি ব্যবহার করছে তিনি প্রয়াত সন্তোষমোহন দেবের কন্যা সুস্মিতা। অসমের শিলচর থেকে দুবারের কংগ্রেস সাংসদ সুস্মিতা দেব সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন কলকাতায়। এর পরেই তাঁকে ত্রিপুরায় পাঠান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

আগরতলা পৌঁছেই সুস্মিতা দেব পুরনো দল কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বার্তা দিয়েছেন। মনে করা হচ্ছে, কংগ্রেসের ভোটব্যাংকটি তৃণমূল কংগ্রেসের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য নিয়েই যেন সুস্মিতা দেব দেখা করলেন প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী সুধীররঞ্জন মজুমদারের স্ত্রী ও পরিবারের অন্যান্যদের সঙ্গে।

তাৎপর্যপূর্ণ, সন্তোষমোহন দেব ত্রিপুরার সাংসদ থাকাকালীন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সুধীরবাবু। অসমের বরাক উপত্যকার শিলচরের নেতা সন্তোষমোহন দেব ও সুধীররঞ্জন মজুমদারের মধ্যে সখ্যতা ছিল। সুস্মিতা দেব জানান, বাবার সঙ্গে পুরনো সম্পর্কের কারণেই আমি সুধীরবাবুর বাড়ি এসেছি। নেহাত সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, রাজনৈতিক কৌশলই এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে আগরতলা ও কলকাতার রাজনৈতিক মহল। সন্তোষমোহন দেব অসমের শিলচর থেকে ৫ বার ও ত্রিপুরা থেকে ২ বার সাংসদ হন। ইন্দিরা গান্ধীর পরিবারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ শিলচরের দেব পরিবার। সেই সূত্রে সন্তোষমোহন হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় ভারি শিল্পমন্ত্রী। তাঁর নেতৃত্বে ১৯৮৯ সালে ত্রিপুরায় প্রথম বামফ্রন্ট সরকারের পতন হয়। ক্ষমতা হারার কিংবদন্তি সিপিআইএম নেতা নৃপেন চক্রবর্তী। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন সুধীররঞ্জন মজুমদার।

প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন আগরতলার গান্ধীঘাট এলাকায়। সেখানেই যান সুস্মিতা দেব। তিনি বলেন, প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী সুধীর রঞ্জন মজুমদারের পরিবারের সাথে দেখা করাটা হলো ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ। কারণ উনার পিতা ত্রিপুরা রাজ্যে তৎকালীন সময়ের সাংসদ ছিলেন। বর্তমানে ত্রিপুরা রাজ্যে যে সন্ত্রাসের বাতাবরণ চলছে তার তীব্র নিন্দা জানান তিনি।

সুস্মিতা দেব বলেছেন, গণতন্ত্রের দেশে সকলের অধিকার আছে রাজনীতি করার। জনগণের স্বার্থে যা করার তা করবেন তিনি। ত্রিপুরার স্বার্থে সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি আরও বলেন, স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসতে পারেন কংগ্রেসের নেতৃত্ব এবং কর্মীরা। তাদের সঠিক সম্মান দেওয়া হবে। তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে ত্রিপুরা রাজ্যের মূল শত্রু হলো বিজেপি। কংগ্রেসেরও শত্রু বিজেপি। রাজ্যের মাটিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে প্রতিষ্ঠা করতে ত্রিপুরার রাজনৈতিক আবেগ ও চাহিদা বুঝতে চান দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে জানান সুস্মিতা দেব।

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ছিলেন সুস্মিতা দেবের সঙ্গে। তিনি বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুনামির ঝড় ত্রিপুরা রাজ্যের মাটিতে আছড়ে পড়তে শুরু করেছে। বিজেপি’র বিদায় ঘন্টা বেজে গেছে বলে জানান তিনি। তিনি বিজেপি বিধায়ক ও প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সুদীপ রায় বর্মনকে মমতা শিবিরে ফের ফিরে আসার আহ্বান জানান।

- Advertisement -

Video News

Top News Headlines

Latest Posts

Don't Miss