পেগাসাস অতীত, ত্রিপুরা ইস্যুতে সংসদ কাঁপানোর পরিকল্পনা তৃণমূলের

আইপ্যাকের টিমকে হোটেল–বন্দি করা থেকে শুরু করে ছাত্রনেতাদের উপর হামলা, পরে গ্রেফতার। এই সবকিছু নিয়েই এবার কেন্দ্রকে কোণঠাসা করতে মরিয়া রাজ্যের শাসকদল।

449
mamata banarjee

নিউজ ডেস্ক: পেগাসাস ইস্যুতে সংসদে কোণঠাসা ভারতীয় জনতা পার্টি। প্রতিদিনই রীতিমতো যুদ্ধের মেজাজে কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করছে বিরোধীরা। সেই ধারা বজায় রাখতে গিয়েই সাসপেন্ডও হয়েছিলেন ছয় তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ। এবার অবশ্য আক্রমণের বিষয় বদলাচ্ছেন তারা। অগ্নিগর্ভ ত্রিপুরা নিয়েই এবার ঝড় তোলা হবে সংসদের বাদল অধিবেশনে।

আরও পড়ুন বিজেপির বাংলা ভাগ ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাংলাপক্ষের সমাবেশ

গত সপ্তাহে অভিষেক ত্রিপুরা সফরের সময় বিমানবন্দরের কাছে দলীয় পতাকা লাগাতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন দেবাংশু, সুদীপ রাহারা। ফের সোনামুড়া এলাকায় ত্রিপুরার দায়িত্বপ্রাপ্ত ছাত্রনেতা সুদীপ রাহার গাড়িতে ইট ছোঁড়া হয়। তাঁর মাথায় ইটের আঘাত লেগে মাথা ফেটে যায় তার। সুদীপের সঙ্গে থাকায় আক্রান্ত হন দুই ছাত্রনেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য ও জয়া দত্তও। যাবতীয় ঘটনায় অভিযোগের তির সেখানকার শাসকদলের নেতা, কর্মীদের দিকেই।

পরে আবার কারফিউ চলাকালীন মিছিল করতে গিয়ে গ্রেফতার হন তৃণমূলের নেতারা। যদিও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পৌঁছানোর পর খোয়াই চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত থেকে জামিন পান যুব তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য, জয়া দত্ত এবং সুদীপ রাহারা। ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পান তাঁরা।

আরও পড়ুন আগরতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে হামলা কাঠগড়ায় বিজেপি

এবার সংসদে পরপর ত্রিপুরায় কিভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের উপর আক্রমণ করা হয়েছে তা নিয়েই সরব হবেন সাংসদরা। আইপ্যাকের টিমকে হোটেল–বন্দি করা থেকে শুরু করে ছাত্রনেতাদের উপর হামলা, পরে গ্রেফতার। এই সবকিছু নিয়েই এবার কেন্দ্রকে কোণঠাসা করতে মরিয়া রাজ্যের শাসকদল।

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সৌগত রায়ের কথায়, ‘‌ত্রিপুরায় ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটছে। গণতন্ত্র বলে কিছুই নেই। আমরা পার্টি। শেষ দেখে ছাড়ব। আমাদের যুব নেতাদের উপর যেভাবে হামলা হয়েছে, তারপর তাঁদের যেভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে, তা গণতন্ত্রের অপমান।’‌ তৃণমূলের রাজ্য নেতা কুণাল ঘোষও জানিয়েছেন, ”ত্রিপুরায় গণতন্ত্র ধ্বংস। তরুণ তুর্কীদের উপর কুৎসিত হামলা চলছে। বিজেপির বিদায় শুধু সময়ের অপেক্ষা।”