সুস্মিতার পর পীযুষ, উত্তরপূর্বে ফের কংগ্রেসের বড় মাথা মমতামুখী

265
mamata banerjee

বিশেষ প্রতিবেদন: ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন বর্ষিয়ান নেতা পীযুষকান্তি বিশ্বাস। সম্ভবত তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন তিনি।পীযুষবাবুর পদত্যাগে উত্তরপূর্বাঞ্চলে কংগ্রেসের বড় ধাক্কা। তবে তিনি নীরব।

সম্প্রতি অসমের জবরদস্ত কংগ্রেসনেত্রী তথা জাতীয় মহিলা কংগ্রেস সভানেত্রী পদ থেকে সুস্মিতা দেব কলকাতায় এসে টিএমসিতে যোগ দেন। সুস্মিতা দেব অসমের কাছাড় জেলা তথা বরাক উপত্যকার তাবড় নেত্রী। শিলচর থেকে দুবার সাংসদ হন। তিনি প্রয়াত কেন্দ্রীয় ভারি শিল্পমন্ত্রী সন্তোষ মোহন দেবের কন্যা। গান্ধী পরিবারের বিশেষ ঘনিষ্ঠ সুস্মিতা এখন মমতা শিবিরে।৷

সুস্মিতাকে দলে টানার পর ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসে ভাঙন ধরাল টিএমসি বলেই মনে করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের মু়খ্যমন্ত্রী তিনবার পরপর সরকার গড়ার পর অপর বাংলাভাষী প্রধান রাজ্য ত্রিপুরায় নজর দিয়েছেন। টিএমসি সেই লক্ষ্যে আগামী ২০২৩ বিধানসভায় ভোটে ত্রিপুরায় ঝাঁপাচ্ছে।

টিএমসির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগরতলায় সাংবাদিক সম্মেলনে বিরোধী দল সিপিআইএম ও কংগ্রেসের পাশাপাশি বিভিন্ন দলের নেতা কর্মীদের টিএমসিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।

আগেই বিজেপি ত্যাগ করে আসা সুবল ভৌমিক টিএমসিতে এসেছেন। এবার কংগ্রেসের প্রদেশ সভাপতির পদ ছাড়লেন পীযুষবাবু। তিনি সম্প্রতি টিএমসির ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক সংস্থার কর্মীদের আটক করার বিষয়ে আইনি তদারকি করেন। পীযুষবাবু রাজ্যের অন্যতম আইনজীবী।

গত বিধানসভা ভোটে ত্রিপুরায় টিএমসি ভেঙে বিজেপিতে যান ততকালীন বিরোধী কংগ্রেসের বিধায়করা। ভোটে টানা ২৫ বছরের বামফ্রন্ট সরকারের পতন হয়। টানা দু দশকের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার এখন বিরোধী নেতা। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। সরকারে বিজেপি আইপিএফটি জোট।