WhatsApp-এর নতুন ফিচার, এবার নম্বর শেয়ার না করেই হবে চ্যাট

WhatsApp তার ইউজারদের জন্য এক দারুণ প্রাইভেসি-ভিত্তিক ফিচার নিয়ে আসছে, যা অ্যাপ ব্যবহারের ধরণকেই আমূল বদলে দিতে পারে। এতদিন ধরে হোয়াটসঅ্যাপে নতুন কাউকে মেসেজ পাঠাতে গেলে, বা কোনো গ্রুপে অজানা কারো সঙ্গে কথা বলার সময় নিজের মোবাইল নম্বর অন্যকে দিতেই হতো। তবে নতুন আপডেটের পর আর মোবাইল নম্বর শেয়ার করতে হবে না। মেটা-র (Meta) মালিকানাধীন সংস্থা জানিয়েছে, এবার হোয়াটসঅ্যাপ-এও Telegram এবং Signal-এর মতো ইউজারনেম-ভিত্তিক চ্যাটিং সাপোর্ট করবে।

এই ফিচার চালু হলে, ব্যবহারকারীরা নিজেদের জন্য একটি ইউনিক ইউজারনেম তৈরি করতে পারবেন, যা তাদের পরিচয় হিসেবে কাজ করবে। নতুন কোনো কনট্যাক্টের সঙ্গে কথা বলার সময় বা কোনো গ্রুপে অজানা কারোর সঙ্গে যোগাযোগ করার সময়, সামনের ব্যক্তি শুধুমাত্র ইউজারনেমটাই দেখতে পাবে, মোবাইল নম্বর নয়। এর ফলে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য আরও সুরক্ষিত থাকবে।

WhatsApp বিটা ভার্সনে মিলেছে নতুন ফিচারের ইঙ্গিত

আজ Realme C73 5G-এর প্রথম সেল, 6000mAh ব্যাটারির ফোন কিনুন মাত্র 9,999 টাকায়

WABetaInfo-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, এই নতুন ফিচারটির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে WhatsApp-এর iOS বিটা ভার্সন 25.17.10.70-এ। এই বিটা ভার্সনে ইউজারদের একটি পছন্দসই ইউজারনেম সেট করার অপশন দেওয়া হয়েছে। ইউজারনেমটি ৩ থেকে ৩০টি ক্যারেক্টারের মধ্যে হতে পারবে এবং এতে ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা, আন্ডারস্কোর ও ডট ব্যবহারের সুযোগ থাকবে।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই ফিচার

হোয়াটসঅ্যাপ মূলত এই ফিচারটি প্রাইভেসি বৃদ্ধির লক্ষ্যেই আনছে। এটি বিশেষ করে তাদের জন্য উপযোগী হবে যারা প্রফেশনাল বা পাবলিক গ্রুপে নিয়মিত অ্যাকটিভ থাকেন এবং প্রত্যেকের সঙ্গে নিজের ফোন নম্বর শেয়ার করতে চান না। এই ফিচারের ফলে হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাটিং হবে আরও নিরাপদ এবং ব্যক্তিগত। কোনো অপরিচিত ইউজারকে মেসেজ করতে গেলেও এখন আর নিজের ফোন নম্বর প্রকাশ করতে হবে না।

14 জুন পর্যন্ত বিনামূল্যে আপডেট করুন Aadhaar কার্ডের ঠিকানা, কীভাবে দেখুন

বর্তমানে এই ফিচারটি কেবলমাত্র বিটা ইউজারদের জন্য উপলব্ধ। তবে আশা করা হচ্ছে, সফল পরীক্ষার পর WhatsApp এই ইউজারনেম-ভিত্তিক ফিচারটি Android এবং iOS – দুই প্ল্যাটফর্মেই রোলআউট করবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধেই এই আপডেট সাধারণ ইউজারদের জন্য উন্মুক্ত করা হতে পারে। এটি হোয়াটসঅ্যাপের ইতিহাসে অন্যতম বড় পরিবর্তন হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

HDFC ও ICICI ক্রেডিট কার্ডে খরচের ধরনে আসছে পরিবর্তন, জানুন নতুন নিয়ম

যদি আপনি এইচডিএফসি (HDFC) অথবা আইসিআইসিআই (ICICI) ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ খবর রয়েছে। আগামী ১ জুলাই ২০২৫ থেকে এই দুটি ব্যাংক তাদের ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত চার্জ ও নিয়মাবলিতে বড়সড় পরিবর্তন আনছে, যা সরাসরি আপনার মাসিক খরচে প্রভাব ফেলতে পারে।

HDFC ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের নতুন নিয়মাবলি
HDFC ব্যাংক তাদের ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু খাতে লেনদেনের ওপর নতুন ফি আরোপ করেছে এবং কিছু ক্ষেত্রে পুরনো নিয়ম বজায় রেখেছে। বিশেষ করে অনলাইন গেমিং, থার্ড-পার্টি ওয়ালেট লোড, ইউটিলিটি বিল এবং ইনস্যুরেন্স সংক্রান্ত লেনদেনে এই পরিবর্তন প্রযোজ্য হবে।

অনলাইন গেমিং খরচের ওপর চার্জ
যদি আপনি প্রতি মাসে ₹১০,০০০-এর বেশি অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মে খরচ করেন, তাহলে সেই পরিমাণের ওপর ১% অতিরিক্ত চার্জ আরোপ করা হবে। তবে এটি সর্বোচ্চ ₹৪,৯৯৯ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকবে।

থার্ড-পার্টি ওয়ালেট লোড
যদি আপনি এক মাসে ₹১০,০০০-এর বেশি অর্থ যেমন Paytm, MobiKwik, FreeCharge অথবা Ola Money-র মতো থার্ড-পার্টি ওয়ালেটে অ্যাড করেন, তাহলে পুরো লেনদেনের ওপর ১% ফি ধার্য হবে।

ইউটিলিটি বিল পেমেন্ট
যদি আপনার ইউটিলিটি বিল পেমেন্ট এক মাসে ₹৫০,০০০ ছাড়িয়ে যায়, তাহলে অতিরিক্ত ১% চার্জ আরোপ করা হবে। তবে ইনস্যুরেন্স সংক্রান্ত লেনদেনের ক্ষেত্রে এই চার্জ প্রযোজ্য হবে না, অর্থাৎ বিমার ক্ষেত্রে আপনি বাড়তি চার্জ থেকে রেহাই পাবেন।

অন্যান্য হালনাগাদ
HDFC ব্যাংক আরও কিছু খাতে চার্জের পরিবর্তন করেছে—
ভাড়া (Rent) পেমেন্ট: আগের মতোই ১% চার্জ প্রযোজ্য থাকবে।
জ্বালানি (Fuel) খরচ: যদি প্রতি মাসে ₹১৫,০০০-এর বেশি জ্বালানির পেছনে খরচ হয়, তাহলে ১% চার্জ লাগবে। তবে এখানেও সর্বোচ্চ ফি ₹৪,৯৯৯ পর্যন্ত সীমিত।
শিক্ষা (Education)-সংক্রান্ত লেনদেন: এর ওপরও সংশোধিত ফি লাগু হবে, তবে বিস্তারিত হার নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি।

ICICI ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড পরিবর্তন
ICICI ব্যাংকও তাদের সার্ভিস চার্জ ও ব্যবহারের শর্তাবলিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে, যা ক্রেডিট কার্ড হোল্ডারদের খরচের ধরনকে প্রভাবিত করবে।

নগদ জমা, চেক ও ড্রাফট সংক্রান্ত ফি
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নগদ অর্থ, চেক, ডিমান্ড ড্রাফট অথবা পে অর্ডার জমার ক্ষেত্রে প্রতি ₹১,০০০-এর জন্য ₹২ চার্জ প্রযোজ্য হবে।
ন্যূনতম চার্জ: ₹৫০
সর্বোচ্চ চার্জ: ₹১৫,০০০

আগে যেখানে ₹১০,০০০ পর্যন্ত ডিপোজিটে ₹৫০ ফি ধার্য ছিল, এখন সেখানে প্রতিটি ₹১,০০০-এ চার্জ আরোপ করা হচ্ছে। ফলে বড় অংকের জমায় গ্রাহকদের অতিরিক্ত অর্থ গুণতে হবে।

ATM ব্যবহারে নতুন নিয়ম
অন্যান্য ব্যাংকের এটিএমে তিনটি ফ্রি লেনদেনের পর:

আর্থিক লেনদেন: ₹২৩ ফি
অআর্থিক লেনদেন (Non-financial): ₹৮.৫০ ফি
এই পরিবর্তনের ফলে যারা ঘনঘন এটিএম ব্যবহার করেন, তাদের জন্য এটি উল্লেখযোগ্য খরচে পরিণত হবে।

লাউঞ্জ অ্যাক্সেসে পরিবর্তন
আগে কিছু নির্দিষ্ট ICICI ক্রেডিট কার্ডে বিনামূল্যে ডোমেস্টিক এয়ারপোর্ট লাউঞ্জ অ্যাক্সেস দেওয়া হত। এখন থেকে শুধুমাত্র সেই কার্ডহোল্ডাররাই এই সুবিধা পাবেন, যারা পূর্ববর্তী কোয়ার্টারে কমপক্ষে ₹৭৫,০০০ খরচ করেছেন।

অর্থাৎ, যদি আপনি এক ত্রৈমাসিকে এই পরিমাণ খরচ না করেন, তাহলে আগামী তিন মাসের জন্য বিনামূল্যে লাউঞ্জ ব্যবহার করতে পারবেন না।

এই পরিবর্তনগুলি সাধারণ গ্রাহকদের উপরে সরাসরি প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে যারা অনলাইন গেমিং, ওয়ালেট লোড, বা উচ্চ পরিমাণে ইউটিলিটি বিল পেমেন্ট করেন, তাদের জন্য এই নতুন চার্জ একটি বড় ধাক্কা হতে পারে। একইভাবে, ICICI ব্যাংকের ATM ও লাউঞ্জ অ্যাক্সেস সংক্রান্ত পরিবর্তনও রোজকার ব্যাংকিং ব্যবহারে অসুবিধা সৃষ্টি করতে পারে।

তাই আপনার যদি HDFC বা ICICI ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড থাকে, তবে এখনই এই নতুন নিয়মগুলি ভালো করে বুঝে নেওয়া জরুরি, যাতে আপনি অপ্রত্যাশিত চার্জ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারেন এবং খরচের পরিকল্পনায় সচেতন থাকতে পারেন।

লোন নেওয়া এখন আরও সহজ, আরবিআইয়ের সিদ্ধান্তে কমবে সুদের হার

রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া (RBI) আবারও রেপো রেট কমিয়ে ৫০ বেসিস পয়েন্ট কমিয়েছে, যা দেশের কোটি কোটি ঋণগ্রহীতার জন্য অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক খবর। এই সিদ্ধান্তের ফলে হোম লোন, অটো লোন এবং পার্সোনাল লোন নেওয়া আরও সস্তা হবে। একইসঙ্গে, যারা ইতিমধ্যেই ঋণ নিয়েছেন, তাদের মাসিক EMI-ও কিছুটা হ্রাস পাবে।

বর্তমানে, এই নতুন রেপো রেট কেটে ৬ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ৫.৫০ শতাংশ। এটি COVID-19 মহামারির পর RBI-র তৃতীয়বারের মতো সুদের হার হ্রাস করার সিদ্ধান্ত। ২০২০ সালের মে মাস থেকে ২০২২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত রেপো রেট ছিল ৪ শতাংশ। এরপর ধাপে ধাপে ২০২২-এর এপ্রিল থেকে ২০২৩-এর ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই হার বাড়িয়ে ৬.৫ শতাংশে পৌঁছে যায়। গত দুই বছর এই হার অপরিবর্তিত রাখার পর এবার আবার তা কমানো হল।

হোম লোন EMI-তে সরাসরি প্রভাব
রেপো রেট কমানোর সরাসরি প্রভাব দেখা যাবে হোম লোন EMI-তে। ধরুন, আপনি HDFC ব্যাংক থেকে ৫০ লক্ষ টাকার হোম লোন নিয়েছেন ৩০ বছরের জন্য, ৮.৭০ শতাংশ সুদে।

  • বর্তমান EMI: ₹৩৯,১৩৬
  • নতুন সুদের হার (৮.২০%) অনুযায়ী EMI: ₹৩৭,৩৪৬
  • প্রতি মাসে সাশ্রয়: ₹১,৭৯০
  • বার্ষিক সাশ্রয়: ₹২১,৪৮০

যদিও মাসে ₹৯০০ থেকে ₹১৮০০-এর মতো সাশ্রয় শুনতে সামান্য মনে হতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদে অর্থাৎ ৩০ বছরের ঋণ মেয়াদে এই ছোট ছোট সাশ্রয় কয়েক লক্ষ টাকায় পৌঁছে যায়। এটি একটি বাস্তবিক এবং গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক স্বস্তি।

পার্সোনাল লোন EMI-তেও সাশ্রয়:
একই প্রভাব দেখা যাবে পার্সোনাল লোন EMI-তেও। ধরুন, ৫ লক্ষ টাকার একটি পার্সোনাল লোন নেওয়া হয়েছে ১২ শতাংশ সুদে ৫ বছরের জন্য।

  • বর্তমান EMI: ₹১১,১২২
  • নতুন সুদের হার (১১.৫০%) অনুযায়ী EMI: ₹১০,৯৬৩
  • প্রতি মাসে সাশ্রয়: ₹১৫৯
  • বার্ষিক সাশ্রয়: ₹১,৯০৮

যদিও পার্সোনাল লোনে EMI সাশ্রয় হোম লোনের তুলনায় তুলনামূলকভাবে কম, তবুও এটি ঋণগ্রহীতার সামগ্রিক বাজেট ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

ব্যাংক কীভাবে রেপো রেট কাটকে কার্যকর করবে?
এই EMI সাশ্রয় কিন্তু পুরোপুরি নিশ্চিত নয়, কারণ প্রতিটি ব্যাংক তাদের নিজস্ব প্রক্রিয়ায় রেপো রেট কমানোর প্রভাব গ্রাহকের ওপর প্রয়োগ করে। ঋণের সুদের হার মূলত দুটি অংশে বিভক্ত— MCLR (Marginal Cost of Funds based Lending Rate) এবং স্প্রেড।

RBI যখন রেপো রেট কমায়, তখন ব্যাংকগুলোর MCLR কমার সম্ভাবনা থাকে, কারণ তারা কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে কম হারে ঋণ নিতে পারে। তবে স্প্রেড বা মার্জিনটি প্রত্যেক ব্যাংকের নিজস্ব নীতি অনুসারে নির্ধারিত হয়, এবং এখানেই ভিন্নতা দেখা দিতে পারে। কিছু ব্যাংক সম্পূর্ণ রেপো রেট কাটের সুবিধা গ্রাহকদের দেয়, আবার কিছু ব্যাংক সীমিত পরিমাণে ছাড় দেয়।

নতুন ঋণগ্রহীতাদের জন্য সুখবর
যারা বর্তমানে হোম, অটো বা পার্সোনাল লোন নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য এই রেপো রেট হ্রাস একটি সুবর্ণ সুযোগ। সুদের হার কম হওয়ায় তাদের ঋণের EMI তুলনামূলকভাবে কম থাকবে, যা তাদের ঋণ গ্রহণের সিদ্ধান্তকে আরও সহজতর করে তুলবে। এর ফলে রিয়েল এস্টেট, অটোমোবাইল এবং কনজিউমার ডিউরেবল পণ্য খাতে চাহিদা বাড়তে পারে।

কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?
অর্থনীতিবিদদের মতে, RBI-র এই পদক্ষেপ ভারতের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার একটি প্রয়াস। ঋণের খরচ কমলে ভোক্তারা আরও বেশি খরচ করতে পারবেন, যার ফলে বাজারে লেনদেন বাড়বে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক গতি ফিরে আসবে।

তবে বিশেষজ্ঞরা এটাও বলছেন, EMI-তে সুবিধা পেতে হলে গ্রাহকদের তাদের ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে হবে তারা কতটা রেপো রেট কাটের সুবিধা পেয়েছেন। অনেক সময় ব্যাংকগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সুদের হার হ্রাস করে না, গ্রাহকদের আবেদন করতে হতে পারে।

RBI-র সাম্প্রতিক রেপো রেট কমানোর সিদ্ধান্ত দেশের ঋণগ্রহীতাদের জন্য এক বড় স্বস্তির নিঃশ্বাস। হোম ও পার্সোনাল লোনের ক্ষেত্রে EMI কমে যাওয়া মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের মাসিক বাজেট পরিচালনায় সাহায্য করবে। যদিও চূড়ান্ত EMI সাশ্রয় নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সিদ্ধান্তের ওপর, তবুও সামগ্রিকভাবে এটি দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

আজ Realme C73 5G-এর প্রথম সেল, 6000mAh ব্যাটারির ফোন কিনুন মাত্র 9,999 টাকায়

Realme C73 5G সম্প্রতি ভারতের বাজারে লঞ্চ হয়েছে। এই মডেলটিকে “১০,০০০-এর কমে ভারতের ব্যাটারি চ্যাম্পিয়ান” হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয়, আজ থেকেই ফোনটি Flipkart-এ প্রথমবারের মতো সেলের জন্য উপলব্ধ হয়েছে। শক্তিশালী ব্যাটারি, উচ্চ রিফ্রেশ রেট ডিসপ্লে ও আকর্ষণীয় দামে আসা এই ফোন বাজেট ইউজারদের জন্য বেশ লাভজনক একটি বিকল্প হতে চলেছে।

Realme C73 5G দাম ও অফার

ভারতে Realme C73 5G দুটি ভ্যারিয়েন্টে লঞ্চ হয়েছে। এর 4GB RAM + 64GB স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টের দাম রাখা হয়েছে ১০,৪৯৯ টাকা এবং 4GB RAM + 128GB স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টের দাম ১১,৯৯৯ টাকা। তবে ফার্স্ট সেল অফারের অধীনে ৫০০ টাকার ইনস্ট্যান্ট ব্যাঙ্ক ডিসকাউন্ট পাওয়া যাচ্ছে, যার ফলে ফোনটি মাত্র ৯,৯৯৯ টাকায় উপলব্ধ হয়েছে।

14 জুন পর্যন্ত বিনামূল্যে আপডেট করুন Aadhaar কার্ডের ঠিকানা, কীভাবে দেখুন

পারফরম্যান্স ও ডিসপ্লে

C73 5G-তে রয়েছে MediaTek Dimensity 6300 5G চিপসেট, যা এই দামে একটি শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল 5G অভিজ্ঞতা প্রদান করে। ফোনটিতে দেওয়া হয়েছে 120Hz রিফ্রেশ রেটযুক্ত Eye-Care ডিসপ্লে, যা দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পরও চোখে চাপ কম পড়তে সাহায্য করে। এই ফোনটি তিনটি রঙে পাওয়া যাচ্ছে – জেড গ্রিন, ক্রিস্টাল পার্পল এবং অনিক্স ব্ল্যাক।

ফোনটির অন্যতম আকর্ষণ হল ৬০০০mAh ব্যাটারি, যা ১৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে। দৈনন্দিন ব্যবহারে বা বিনোদনের জন্য এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ব্যাকআপ প্রদান করে। কোম্পানির দাবি অনুযায়ী, ফোনটি একবার চার্জে ৪৬.৬ ঘণ্টা পর্যন্ত কলিং, ১৭.৯ ঘণ্টা ইনস্টাগ্রাম ব্রাউজিং এবং ১৩.৩ ঘণ্টা পর্যন্ত গেম খেলার সুযোগ দেয়।

ছবির জন্য, C73 5G-তে ৫০ মেগাপিক্সেল প্রাইমারি ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে, যা এই দামের মধ্যে ভালো মানের ছবি তুলতে সক্ষম। সেলফি এবং ভিডিও কলের জন্য ১৬ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। যদিও এতে আলাদা করে আল্ট্রা-ওয়াইড বা ম্যাক্রো লেন্স নেই, তবে মূল ক্যামেরাটিই যথেষ্ট ভালো পারফরম্যান্স দিচ্ছে।

6GB ব়্যাম ও 200MP ক্যামেরা সহ আসছে নতুন ফোল্ডেবল ফোন

প্রসঙ্গত, Realme C73 5G বাজেটের মধ্যে একটি সম্পূর্ণ প্যাকেজ অফার করছে। বিশাল ব্যাটারি, 5G সাপোর্ট, 120Hz ডিসপ্লে এবং উন্নত ক্যামেরা – সব মিলিয়ে এটি যারা কম দামে একটি ভাল পারফরম্যান্স ফোন খুঁজছেন তাদের জন্য একটি আদর্শ পছন্দ হতে পারে। আজ থেকেই Flipkart-এ এই ফোনটি বিশেষ অফারে কেনা যাচ্ছে।

নতুন প্রজন্মের Mahindra Bolero-র টেস্টিং শুরু, এদেশে প্রথমবার ধরা পড়ল ক্যামেরায়

নতুন প্রজন্মের Mahindra Bolero-র টেস্টিং চলছে জোরকদমে। সম্প্রতি ভারতেরে রাস্তায় এই জনপ্রিয় এসইউভি-র (SUV) দেখা গিয়েছে। তবে মডেলটি আপাদমস্তক ক্যামোফ্লেজে মোড়ানো অবস্থায় ধরা দিয়েছে। টেস্ট মিউলের ছবি ইতিমধ্যেই অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। জানা যাচ্ছে, এই নতুন SUV-টি পুরনো বোলেরোর ক্লাসিক রেট্রো ডিজাইনকে বজায় রেখেই আরও আধুনিক নকশার সঙ্গে বাজারে আনবে মাহিন্দ্রা।

এই নতুন প্রজন্মের বোলেরো (Mahindra Bolero) গড়ে উঠবে একেবারে নতুন প্ল্যাটফর্মের উপর ভিত্তি করে। যেটির বিস্তারিত মাহিন্দ্রা প্রকাশ করতে পারে ১৫ আগস্ট, স্বাধীনতা দিবসের। সেই সঙ্গে একটি নতুন মডিউলার মনোকক চ্যাসিসের সম্ভাবনাও রয়েছে, যেটি ভবিষ্যতের অন্যান্য গাড়িতেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

Mahindra Bolero-র নকশায় থাকছে আধুনিকতা ও রেট্রোর সমন্বয়

যদিও SUV-টি পুরোপুরি ক্যামোফ্লাজ করা ছিল, তবুও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডিজাইন উপাদান নজরে এসেছে। সামনের দিকে দেখা গেছে নতুন স্টাইলের মাহিন্দ্রা গ্রিল, যেখানে রয়েছে ভার্টিক্যাল স্ল্যাটস এবং তার দুই পাশে রয়েছে হেডল্যাম্প ইউনিট। হেডল্যাম্প গুলি রেক্ট্যাঙ্গুলার ইউনিটই থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে, যদিও ক্যামোফ্লাজে রাউন্ড কাটআউট দেখা গেছে। এছাড়াও SUV-টির ফ্ল্যাট বনেট এবং কিছুটা কোণাকুণি আকৃতির বাম্পার ডিজাইনও নজর কেড়েছে।

গাড়ির সাইড প্রোফাইলে আগের চেয়ে অনেকটা পরিপাটি ডিজাইন দেখা গেছে। স্কোয়্যার্ড-অফ ফ্লেয়ার্ড হুইল আর্চ, ফ্লাশ-সিটিং ডোর হ্যান্ডল এবং প্রোমিনেন্ট রিয়ার হাঞ্চ SUV-টির নতুন চেহারাকে আরও আকর্ষণীয় করেছে। পিছনের দিকে আগের মতোই সাইড-ওপেনিং টেইলগেট থাকছে বলে মনে করা হচ্ছে এবং সেখানে স্পেয়ার হুইলের জায়গা থাকলেও এই মডেলে সম্ভবত কোনো সেন্সর মডিউল বসানো হয়েছে।

নতুন ফিচার ও আকর্ষণীয় দামে বাজারে এল Verna-র নয়া SX+ ট্রিম

যদিও নতুন প্রজন্মের প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি, তবে শোনা যাচ্ছে এটি একটি মডুলার মনোকক প্ল্যাটফর্ম হতে পারে যা ভবিষ্যতে হাইব্রিড প্রযুক্তিকে সাপোর্ট করতে সক্ষম হবে। মাহিন্দ্রা আগামী দিনে তাদের গাড়িতে হাইব্রিড টেকনোলজি প্রয়োগ করতে আগ্রহী বলে বিভিন্ন রিপোর্টে জানানো হয়েছে।

মাহিন্দ্রা তাদের পুরনো বোলেরো মডেলকে স্করপিও ক্লাসিকের মতোই রেটেইন করতে পারে, যেটি মূলত গ্রামীণ বাজারের জন্য খরচ-সাশ্রয়ী অপশন হিসেবে থাকবে। অপরদিকে নতুন প্রজন্মের বোলেরো মডেলটি বোলেরো নিও-র জায়গা নিয়ে আরও প্রিমিয়াম এবং আপমার্কেট SUV হিসেবে বাজারে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। নতুন এই SUV-টির কনসেপ্ট ভার্সনের প্রথম ঝলক আমরা পেতে পারি আগামী ১৫ আগস্টে, যেখানে মাহিন্দ্রা তাদের নতুন প্ল্যাটফর্ম এবং ভবিষ্যতের প্রোডাক্ট লাইনআপ সম্পর্কে দিকনির্দেশ দিতে পারে।

KTM 390 Duke কিনলেই 10 বছরের ওয়ারেন্টি, অফার কিন্তু সীমিত সময়ের

প্রসঙ্গত, নতুন প্রজন্মের মাহিন্দ্রা বোলেরো (Mahindra Bolero) শুধুমাত্র ডিজাইন বা প্রযুক্তির দিক থেকেই নয়, ব্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজির ক্ষেত্রেও এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে চলেছে। গ্রামীণ ও শহুরে উভয় বাজারেই আলাদা করে টার্গেট করে মাহিন্দ্রা তাদের বোলেরো ব্র্যান্ডকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে চাইছে। নতুন প্ল্যাটফর্মের ওপর তৈরি এই SUV কেমন হয় এবং এতে ঠিক কী কী ফিচার থাকে, তা জানার জন্য আগ্রহে অপেক্ষা করছে গাড়িপ্রেমীরা।

আগামীকাল RBI-র রেট কাট ঘোষণা, বিনিয়োগকারীদের জন্য কী বার্তা?

রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার (RBI) মনিটারি পলিসি কমিটির (MPC) বৈঠক শুক্রবার, ৬ জুন শেষ হতে চলেছে। তার আগেই বিভিন্ন শিল্পমহলে তৈরি হয়েছে তীব্র উত্তেজনা ও প্রত্যাশা। বাজার বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকদের মতে, রিজার্ভ ব্যাংক এবার রেপো রেট ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে ৬ শতাংশ থেকে ৫.৭৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে পারে। তবে স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া (SBI)-র মতে, এই অনিশ্চয়তার আবহে RBI একটি ‘জাম্বো রেট কাট’ অর্থাৎ ৫০ বেসিস পয়েন্ট পর্যন্ত কমানোর কথা ভাবতে পারে, যাতে ঋণচক্রে গতি আনা যায়।

মুদ্রানীতির সিদ্ধান্তের আগে অর্থনীতির অবস্থা
বর্তমান দেশের আর্থিক পরিস্থিতি যথেষ্ট স্থিতিশীল। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, এবং প্রবৃদ্ধির গতি বজায় আছে। এই অবস্থায় রিজার্ভ ব্যাংকের সামনে একটি সুস্পষ্ট সুযোগ তৈরি হয়েছে, যাতে তারা ঋণ নেওয়ার খরচ কিছুটা কমিয়ে অর্থনৈতিক গতি আরও বাড়াতে পারেন।

রেট কাটের প্রত্যাশায় ঋণদাতারা
Bondbazaar-এর প্রতিষ্ঠাতা সুরেশ দারক বলেছেন, “২৫ বেসিস পয়েন্ট রেট কাট খুবই সম্ভব। এর মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা হবে, এবং মূল্যস্ফীতিও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। রিজার্ভ ব্যাংক হয়তো তাদের ‘accommodative stance’ বজায় রাখবে।” তিনি আরও বলেন, রেট কাটের ফলে বন্ড মার্কেটে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যাবে, কারণ সুদের হার কমলে বন্ডের দাম বাড়ে এবং বিনিয়োগকারীদের রিটার্নও বেড়ে যায়।

MSME, আবাসন ও স্বাস্থ্যখাতে সুবিধা
ব্যাংক অফ বরোদার মুখ্য অর্থনীতিবিদ মদন সাবনাভিসও বলেন, “মুদ্রানীতির স্বস্তিদায়ক অবস্থান ও চলমান আর্থিক তরলতার ভিত্তিতে ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমানোর সম্ভাবনা প্রবল।” এর ফলে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাবে MSME সেক্টর, গ্রামীণ এলাকা ও স্বল্প আয়ভিত্তিক সংস্থা ও গ্রাহকরা।

Moneyboxx Finance-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা দীপক আগরওয়াল মনে করেন, “রেট কাট ছোট উদ্যোগগুলির জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক হবে। এতে কর্মসংস্থান ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির পথে একধাপ এগিয়ে যাবে দেশ।”

আবাসন ও হেলথকেয়ার খাতে উদ্দীপনা
আবাসন শিল্পের জন্য এই রেট কাট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। Colliers India-এর গবেষণা প্রধান বিমল নাদার বলেন, “তৃতীয়বারের মতো যদি রেট কাট হয়, তাহলে মধ্যবিত্ত ও সাশ্রয়ী হাউজিং সেগমেন্টে চাহিদা বাড়বে। ডেভেলপারদেরও কম সুদের হার সুবিধা দেবে।”

CarePal Money-এর চিফ বিজনেস অফিসার সাহিল লক্ষ্মণন বলেন, “স্বাস্থ্যখাতে অর্থায়নের ব্যয় কমে গেলে সাধারণ মানুষের পক্ষে চিকিৎসা খাতে ঋণ গ্রহণ সহজতর হবে, যা স্বাস্থ্যখাতের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে উৎসাহিত করবে।”

ভোক্তা ও ঋণগ্রহীতাদের জন্য স্বস্তির খবর
AUM Wealth-এর প্রতিষ্ঠাতা অমিত সুরি বলেন, “বর্তমানে যারা পার্সোনাল লোন কিংবা ক্রেডিট কার্ড ঋণের বোঝা বইছেন, তাদের উচিত এই পরিস্থিতিতে প্রিপেমেন্ট কিংবা কনসলিডেশনের দিক ভাবা। ফ্লোটিং রেট হোম লোন যাঁদের আছে, তাঁদের মাসিক EMI ধীরে ধীরে কমবে।”

বিনিয়োগকারীদের জন্য পরামর্শ
Centricity WealthTech-এর প্রতিষ্ঠাতা দলের সদস্য বিনায়ক মাগোত্রা বলেন, “RBI-এর রেট কাটের ফলে সবচেয়ে আগে লাভবান হবে NBFC ও ব্যাঙ্কিং সেক্টর। এর পর পর্যায়ক্রমে উপকৃত হবে কনজাম্পশন সেক্টরের বিভিন্ন অংশ, যেমন: কনজ্যুমার ডিউরেবল, ডিসক্রিশনারি, রিটেইল, হোটেল, এয়ারলাইন্স, ই-কমার্স ও অটো।”

তিনি আরও যোগ করেন, “বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বড় নামগুলোর দিকে ঝোঁকানো উচিৎ, কারণ ছোট কোম্পানিগুলির ভ্যালুয়েশন এখন অনেকটাই চড়া। ICICI, HDFC-এর মতো বড় প্রাইভেট ব্যাঙ্ক, Bajaj Finance-এর মতো মানসম্পন্ন NBFC, Voltas, Mahindra & Mahindra, InterGlobe Aviation, Ventive Hospitality, এবং নেতৃস্থানীয় রিটেইল ব্র্যান্ড — এই সংস্থাগুলিতে বিনিয়োগ করা নিরাপদ।”

বিনিয়োগকারীদের জন্য Dos & Don’ts

Do’s:

  • নিয়মিত SIP চালিয়ে যাওয়া
  • বড় নামগুলিতে ফোকাস করা
  • টপ-ডাউন ও বটম-আপ দুই দিক থেকে সংস্থার বিশ্লেষণ

Don’ts:

  • ক্যাশ ফ্লো দুর্বল এমন সেক্টরে বিনিয়োগ এড়ানো
  • বাজার হঠাৎ পড়লে লাম্প সাম বিনিয়োগ না করা
  • অ্যাসেট অ্যালোকেশন অবহেলা না করা

দেশের সামগ্রিক আর্থিক চিত্র বর্তমানে যথেষ্ট ইতিবাচক। RBI যদি আগামীকাল ৬ জুন একটি রেট কাটের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তা কেবলমাত্র ব্যবসায়িক পরিবেশকেই চাঙা করবে না, পাশাপাশি মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের জনগণের আর্থিক ভারসাম্যেও স্বস্তি এনে দেবে। এখন সমস্ত নজর কেন্দ্রীভূত RBI গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রা ও MPC-র চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে।

14 জুন পর্যন্ত বিনামূল্যে আপডেট করুন Aadhaar কার্ডের ঠিকানা, কীভাবে দেখুন

ভারতে আধার (Aadhaar) কার্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়পত্র এবং এটি সর্বদা আপডেট থাকা অত্যন্ত জরুরি। ভারতীয় ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি (UIDAI) সম্প্রতি ঘোষণা করেছে যে, আধার কার্ডে ঠিকানা (Address) পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা যাবে। এই বিশেষ সুবিধাটি মূলত তাদের জন্য প্রযোজ্য, যারা গত ১০ বছরে আধার ডেটা আপডেট করেননি। এই ফ্রি আপডেট সুবিধা ১৪ জুন ২০২৫ পর্যন্ত উপলব্ধ থাকবে, এরপর এটি বন্ধ হয়ে যাবে।

UIDAI প্রথম এই সুবিধা চালু করেছিল মার্চ ২০২৩-এ। সেই সময়ে নির্ধারিত সময়সীমা ছিল ১৪ জুন ২০২৪। পরে এর মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে আরও এক বছর পর্যন্ত। তাই যাদের এখনও আধার কার্ডে ঠিকানা আপডেট করা বাকি, তারা যেন ১৪ জুনের আগেই এটি সম্পন্ন করে নেন।

6GB ব়্যাম ও 200MP ক্যামেরা সহ আসছে নতুন ফোল্ডেবল ফোন

কীভাবে ঘরে বসে অনলাইনে Aadhaar-এর ঠিকানা পরিবর্তন করবেন?

UIDAI-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট uidai.gov.in অথবা myAadhaar পোর্টাল-এ গিয়ে অনলাইনে এই কাজ সহজেই করা যাবে। প্রথমে ১২ সংখ্যার আধার নম্বর ও ক্যাপচা কোড দিয়ে OTP-এর মাধ্যমে লগইন করতে হবে। এরপর ‘Address Update’ ট্যাবে গিয়ে ‘Update Aadhaar Online’ অপশন সিলেক্ট করুন।

এরপর ‘Proceed to Update Aadhaar’-এ ক্লিক করে ‘Address’ অপশন নির্বাচন করুন এবং নতুন ঠিকানা লিখুন। যেটি অবশ্যই আপনার ঠিকানার প্রমাণপত্রের (POA) সাথে মিলতে হবে। পাসপোর্ট, ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড, বা ভাড়ার চুক্তিপত্র (Rent Agreement)-এর মতো বৈধ ঠিকানার প্রমাণপত্র স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।

একবার সমস্ত তথ্য সঠিকভাবে যাচাই করে জমা দেওয়ার পর, আপনি একটি Service Request Number (SRN) পাবেন যার মাধ্যমে আপনি আপনার আপডেট স্টেটাস ট্র্যাক করতে পারবেন। এই পুরো প্রক্রিয়ায় কোনও ধরনের ফি নেওয়া হচ্ছে না।

প্রসঙ্গত, UIDAI-এর এই পদক্ষেপ দেশের নাগরিকদের জন্য একটি বড় সুবিধা। যারা এখনো আধার কার্ডে (Aadhaar) তাদের ঠিকানা আপডেট করেননি, তাদের জন্য এটা এক সুবর্ণ সুযোগ। ঘরে বসেই সহজ অনলাইন প্রক্রিয়ায় বিনামূল্যে আধার ঠিকানা আপডেট করা সম্ভব হচ্ছে, যা বিশেষ করে বয়স্ক ও কর্মব্যস্ত নাগরিকদের জন্য অনেকটাই সহায়ক। তবে, সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে না পারলে, পরে এর জন্য ফি গুনতে হতে পারে। তাই দেরি না করে আজই আধার কার্ড আপডেট করে নিন।

6GB ব়্যাম ও 200MP ক্যামেরা সহ আসছে নতুন ফোল্ডেবল ফোন

Honor Magic V5 লঞ্চের জন্য প্রস্তুত। Honor তাদের পরবর্তী ফোল্ডেবল এই স্মার্টফোন বাজারে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। যদিও এখনও ফোনটির অফিসিয়াল লঞ্চের তারিখ ঘোষণা করা হয়নি, তবে সম্প্রতি এই ডিভাইসটি বেঞ্চমার্কিং প্ল্যাটফর্ম Geekbench-এ দেখা গিয়েছে। গিকবেঞ্চ লিস্টিং অনুসারে, ফোনটির মডেল নম্বর MHG-AN00 এবং এটি 16GB LPDDR5x RAM, Snapdragon 8 Gen 3 Elite প্রসেসর এবং Android 15 অপারেটিং সিস্টেম সহ আসবে। গিকবেঞ্চের সিঙ্গেল কোর টেস্টে ফোনটি ২৯৭৬ পয়েন্ট এবং মাল্টিকোর টেস্টে ৮৮৯২ পয়েন্ট অর্জন করেছে।

Honor Magic V5 – ডিসপ্লে ও ডিজাইনে নজর কেড়েছে

ফোনটি একটি ফোল্ডেবল ডিজাইন নিয়ে আসছে, যার আউটার ডিসপ্লে হবে ৬.৪৫ ইঞ্চির OLED প্যানেল এবং ইনার ডিসপ্লে বা মূল ফোল্ডেবল স্ক্রিনটি হবে বিশাল ৮ ইঞ্চি। দুটি স্ক্রিনেই ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট থাকবে বলে জানা গিয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের জন্য আরও মসৃণ ভিজ্যুয়াল এক্সপেরিয়েন্স নিশ্চিত করবে।

Samsung Galaxy S25 Ultra-তে চলছে 12000 ছাড়, রয়েছে 200MP ক্যামেরা ও 12GB ব়্যাম

স্পেসিফিকেশন

এই ফোল্ডেবল ফোনটি 1TB পর্যন্ত UFS 4.0 স্টোরেজ নিয়ে আসতে পারে, যা ব্যবহারকারীদের জন্য দ্রুত ডেটা এক্সেস ও পর্যাপ্ত মেমোরি সুবিধা দেবে। ব্যাটারির দিক থেকে ফোনটিতে থাকবে একটি ৬১০০mAh ব্যাটারি, যা ৬৬W ফাস্ট চার্জিং ও ৫০W ওয়্যারলেস চার্জিং সমর্থন করবে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

Honor Magic V5-এ ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা সেটআপ দেখা যেতে পারে। এতে থাকবে একটি ৫০ মেগাপিক্সেল OIS মেইন লেন্স, একটি ৫০ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা-ওয়াইড সেন্সর, এবং একটি চমকপ্রদ ২০০ মেগাপিক্সেল পেরিস্কোপ টেলিফটো লেন্স। এই লেন্স ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা দুর্দান্ত জুম ও পোর্ট্রেট ফটোগ্রাফির সুবিধা পাবে।

ফোনটিতে IPX8 রেটিংযুক্ত জলরোধী ক্ষমতা থাকবে, যার ফলে এটি জল ছিটেফোঁটা প্রতিরোধে সক্ষম হবে। সিকিউরিটির জন্য এতে থাকবে সাইড-মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর। অনুমান করা হচ্ছে, এই ফোনটি চীনে জুন মাসের শেষের দিকে লঞ্চ হতে পারে। অন্যদিকে, Honor আগামী জুলাই মাসে তাদের ফ্লিপ ফোন Magic V2 Flip-ও বাজারে আনতে পারে, যাতে থাকবে Snapdragon 8 Gen 3 প্রসেসর।

দুই ডিসপ্লের নতুন ফোল্ডেবল ফোন, জুলাইয়ে লঞ্চের জল্পনা

প্রসঙ্গত, Honor Magic V5 হতে চলেছে একটি হাই-এন্ড ফোল্ডেবল স্মার্টফোন, যেখানে থাকবে অত্যাধুনিক হার্ডওয়্যার, বিশাল স্ক্রিন, বিশাল স্টোরেজ, ও সেরা ক্যামেরা প্রযুক্তি। প্রিমিয়াম ফোনের বাজারে এটি Samsung ও Vivo-র ফোল্ডেবল সিরিজের সঙ্গে কড়া প্রতিযোগিতায় নামতে প্রস্তুত। Honor-এর এই নতুন ইনোভেশন প্রযুক্তিপ্রেমীদের জন্য এক বড় চমক হতে চলেছে।

নতুন ফিচার ও আকর্ষণীয় দামে বাজারে এল Verna-র নয়া SX+ ট্রিম

Hyundai Verna SX+ লঞ্চ হয়েছে ভারতের বাজারে। হুন্ডাই মোটর ইন্ডিয়া (Hyundai Motor India) তাদের জনপ্রিয় কমপ্যাক্ট সেডান Verna-র নতুন ভ্যারিয়েন্টটি দুটি ট্রান্সমিশন অপশনে এনেছে। যথা – ম্যানুয়াল SX+ এবং IVT SX+। এগুলির দাম রাখা হয়েছে যথাক্রমে ১৩.৭৯ লক্ষ ও ১৫.০৪ লক্ষ টাকা (এক্স-শোরুম)। ম্যানুয়াল সংস্করণটি Verna EX ভ্যারিয়েন্টের ঠিক ওপরে স্থান পেয়েছে। আবার IVT সংস্করণটি SX ট্রিমের ঠিক পরে অবস্থান করছে।

Hyundai Verna SX+ এ থাকছে আধুনিক ফিচার ও উন্নত ইঞ্জিন

নতুন Verna SX+ ট্রিমে সংযোজন হয়েছে কিছু প্রিমিয়াম ফিচার যা এর আগের ভ্যারিয়েন্টগুলোতে ছিল না। এতে থাকছে ৮-স্পিকার Bose সাউন্ড সিস্টেম, লেদার সিট আপহোলস্টারি, সামনের ভেন্টিলেটেড ও হিটেড সিট, সামনের পার্কিং সেন্সর, এবং LED হেডল্যাম্প। এছাড়া আগের ভ্যারিয়েন্টগুলির সব স্ট্যান্ডার্ড ফিচারও বজায় রাখা হয়েছে।

KTM 390 Duke কিনলেই 10 বছরের ওয়ারেন্টি, অফার কিন্তু সীমিত সময়ের

এই ভ্যারিয়েন্টটি চালিত হয় ১.৫ লিটার MPi পেট্রোল ইঞ্জিন দ্বারা, যা ১১৩.৪ বিএইচপি পাওয়ার এবং ১৪৩.৮ এনএম টর্ক উৎপন্ন করে। ইঞ্জিনটি সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ৬-স্পিড ম্যানুয়াল গিয়ারবক্স অথবা ইন্টেলিজেন্ট ভ্যারিয়েবল ট্রান্সমিশন (IVT) অপশন।

Hyundai Verna SX+ এর সঙ্গে Hyundai আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ আপডেট এনেছে। কোম্পানি তাদের একাধিক মডেলের জন্য Wired to Wireless Adapter উন্মোচন করেছে, যার মাধ্যমে এখন Apple CarPlay এবং Android Auto-র ওয়্যারলেস কানেক্টিভিটি সম্ভব হবে।

এই নতুন অ্যাডাপ্টারটি Grand i10 Nios, Exter, Verna, Aura, Venue এবং Venue N Line মডেলগুলিতে ব্যবহার করা যাবে। এর আগে এই একই ফিচার Hyundai Alcazar-এ দেওয়া হয়েছিল। অ্যাডাপ্টারটি USB পোর্টে প্লাগইন করে ব্যবহার করতে হবে এবং এটি গাড়ির ইনফোটেইনমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে নেভিগেশন, মিউজিক স্ট্রিমিং, ওয়্যারলেস কল এবং ভয়েস কমান্ডের সুবিধা দেবে। এতে গাড়ির স্মার্ট ফিচার ব্যবহার আরও সুবিধাজনক হবে ব্যবহারকারীদের জন্য।

প্রসঙ্গত, Hyundai Verna SX+ তাদের প্রিমিয়াম লুক, আধুনিক ফিচার এবং আরও উন্নত কানেক্টিভিটির সঙ্গে মিড-রেঞ্জ গ্রাহকদের জন্য একটি আকর্ষণীয় প্যাকেজ। যারা স্টাইল এবং প্রযুক্তির সঙ্গে কম বাজেটে একটি সেডান কিনতে চাইছেন, তাদের জন্য এই নতুন Verna SX+ হতে পারে আদর্শ বিকল্প। উপরন্তু, নতুন ওয়্যারলেস অ্যাডাপ্টারের কারণে Hyundai ব্যবহারকারীরা আরও স্মার্ট ও সহজ কানেক্টিভিটি উপভোগ করতে পারবেন।

Samsung Galaxy S25 Ultra-তে চলছে 12000 ছাড়, রয়েছে 200MP ক্যামেরা ও 12GB ব়্যাম

Samsung Galaxy S25 Ultra-এর ওপর বড়সড় ছাড় চলছে। সংস্থা তাদের এই প্রিমিয়াম ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনে লোভনীয় ডিসকাউন্টের ঘোষণা করেছে। যারা একটি হাই-এন্ড এবং ফিচার-সমৃদ্ধ স্মার্টফোন কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য এটি দারুণ সুযোগ। সংস্থা এই ফোনের ওপর ১২,০০০ টাকার সরাসরি ডিসকাউন্ট দিচ্ছে, যা কোনো শর্ত ছাড়াই প্রযোজ্য। এই বিশেষ অফারটি ১৪ জুন ২০২৫ পর্যন্ত Samsung-এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট এবং Amazon-এ উপলব্ধ থাকবে।

Samsung Galaxy S25 Ultra – মূল্য ও EMI অপশন

Samsung Galaxy S25 Ultra-এর লঞ্চ প্রাইস ছিল ১,২৯,৯৯৯ টাকা। বর্তমানে এটি ১,১৭,৯৯৯ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে, অর্থাৎ ১২,০০০ টাকার সরাসরি ছাড় দেওয়া হচ্ছে। যারা একবারে পুরো টাকা দিতে না চান, তাদের জন্য রয়েছে ২৪ মাস পর্যন্ত নো-কস্ট EMI-র সুবিধা। মাসিক কিস্তি হিসেবে গ্রাহকদের ৩,২৭৮ টাকা করে দিতে হবে। এই EMI অপশন HDFC Bank, Bajaj Finserv, IDFC First Bank, TVS Credit, HDB Financial Services এবং Samsung Finance-এর মাধ্যমে পাওয়া যাবে।

Samsung Galaxy S25 Ultra-এর স্পেসিফিকেশন ও ফিচারস

Galaxy S25 Ultra ফোনে রয়েছে Qualcomm Snapdragon 8 Elite চিপসেট, যা বর্তমান বাজারে মোবাইলের জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী চিপগুলোর মধ্যে অন্যতম। ফোনটিতে ৬.৯ ইঞ্চির QHD+ AMOLED ডিসপ্লে দেওয়া হয়েছে, যার রিফ্রেশ রেট ১২০Hz LTPO টেকনোলজির সঙ্গে আসে এবং পিক ব্রাইটনেস ২,৬০০ নিটস পর্যন্ত। এর বেজেল আগের তুলনায় আরও পাতলা এবং ডিজাইনও বেশি প্রিমিয়াম। ফোনটি টাইটেনিয়াম বডি এবং Corning Gorilla Armor 2 প্রটেকশন-সহ আসে। ওজনে এটি S24 Ultra-এর তুলনায় হালকা, মাত্র ২১৮ গ্রাম।

দুই ডিসপ্লের নতুন ফোল্ডেবল ফোন, জুলাইয়ে লঞ্চের জল্পনা

ফোনটির অন্যতম আকর্ষণ এর ২০০ মেগাপিক্সেল প্রাইমারি ক্যামেরা। এর পাশাপাশি রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা-ওয়াইড সেন্সর, ১০ মেগাপিক্সেল টেলিফটো লেন্স (৩x জুম) এবং ৫০ মেগাপিক্সেল পেরিস্কোপ টেলিফটো (৫x জুম)। ফোনটিতে S Pen সাপোর্ট রয়েছে, যা মাল্টিটাস্কিং ও প্রোডাক্টিভিটির জন্য খুবই কার্যকর।

Galaxy S25 Ultra-তে রয়েছে ৫,০০০mAh ব্যাটারি, যা দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহারের উপযোগী। তাছাড়া এতে Samsung-এর সর্বাধুনিক AI ফিচারস যেমন Now Brief ও Generative Edit দেওয়া হয়েছে, যা দৈনন্দিন কাজকে অনেক সহজ ও স্মার্ট করে তোলে।

প্রসঙ্গত, Samsung Galaxy S25 Ultra এখন শুধুমাত্র একটি স্মার্টফোন নয়, বরং একটি প্রিমিয়াম এক্সপেরিয়েন্স। যারা একটি ফ্ল্যাগশিপ পারফরম্যান্স, টপ-নচ ক্যামেরা এবং এআই ইন্টিগ্রেশন খুঁজছেন, তাদের জন্য এই অফার একটি সোনার সুযোগ। তবে মনে রাখতে হবে, অফারটি শুধুমাত্র ১৪ জুন ২০২৫ পর্যন্তই প্রযোজ্য। তাই ইচ্ছুক ক্রেতারা দেরি না করে আজই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

শিয়ালদহ-লালগোলা রুটে ট্রেন চালাতে মহা বিপাকে রেল

শিয়ালদহ-লালগোলা (Sealdah Lalgola) রুটে ট্রেন চালানো নিয়ে তীব্র সমস্যায় পড়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। ২২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রুটে নিয়ম অনুযায়ী মেমু (MEMU) ট্রেন চালানো বাধ্যতামূলক হলেও, পর্যাপ্ত মেমু রেকের অভাবে কার্যত হাঁসফাঁস করছে শিয়ালদহ ডিভিশন।

নিয়মের খাঁড়া ও রেলের অস্বস্তি
রেল মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিকা অনুযায়ী, যেকোনও ১৫০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে লোকাল ট্রেন চালাতে গেলে সেই ট্রেনে যাত্রীদের জন্য শৌচালয় থাকা আবশ্যক। সাধারণত EMU (Electric Multiple Unit) রেকগুলিতে শৌচালয়ের ব্যবস্থা না থাকায়, এই ধরনের দীর্ঘ রুটে সেগুলো চালানো নিয়মবিরুদ্ধ। অথচ, শিয়ালদা-লালগোলা রুটে EMU ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছিল রেল, কারণ হাতে নেই পর্যাপ্ত MEMU রেক।

কৃষ্ণনগরে ‘বাথরুম’ বিরতি? উঠেছিল আপত্তির ঝড়
যাত্রীদের অসুবিধার কথা মাথায় রেখে রেলের পরিকল্পনা ছিল, কৃষ্ণনগর স্টেশনে ট্রেন আধঘণ্টা দাঁড় করানো হবে যাতে যাত্রীরা শৌচকাজ সারতে পারেন। কিন্তু এই পরিকল্পনা নিয়ে ওঠে প্রবল আপত্তি। গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন কৃষ্ণনগরের একটি প্ল্যাটফর্ম আধঘণ্টা দখল করে রাখা কীভাবে সম্ভব, প্রশ্ন তোলে অপারেশনাল বিভাগ। অন্যদিকে যাত্রীদের পক্ষ থেকেও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়, কারণ দীর্ঘ যাত্রার মাঝে এই ধরনের বিরতি অপ্রত্যাশিত এবং সময় নষ্টের কারণ।

EMUs বাতিল, আবার MEMU-তেই ভরসা – এবার শুরু নতুন সমস্যার
শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা বাতিল করে আবারও MEMU ট্রেনে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিয়ালদহ ডিভিশন। কিন্তু সমস্যা এখানেই—ডিভিশনের হাতে এখন পর্যাপ্ত MEMU রেক নেই। উত্তরপ্রদেশে কুম্ভ মেলার জন্য পাঠানো হয়েছে চারটি রেক। একটি রেক শিয়ালদহ ডিভিশনে সংস্কারের কারণে ব্যবহারযোগ্য নয়। একটি রেক শিয়ালদহ-সিউড়ি রুটে চালানো হচ্ছে। এছাড়াও শিয়ালদহ-গোড্ডা রুটে ব্যবহৃত হচ্ছে দুটি MEMU রেক।

এই পরিস্থিতিতে শিয়ালদা-লালগোলা রুটে নতুন করে MEMU ট্রেন চালানোর জন্য রেক পাওয়া কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠেছে। রেলকর্তাদের বক্তব্য, “যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তা বজায় রেখে রেল পরিষেবা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। কিন্তু রেকের সঙ্কটে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।”

রেলের মুখে বেকায়দা স্বীকারোক্তি
শিয়ালদহ ডিভিশনের এক আধিকারিক স্বীকার করেছেন, “এখন আমাদের হাতে MEMU রেক নেই বললেই চলে। বাইরে পাঠানো হয়েছে কিছু রেক, আবার কিছু রেক সংস্কারের মধ্যে রয়েছে। এমতাবস্থায় নতুন করে MEMU ট্রেন চালানো অত্যন্ত কঠিন।” এই অবস্থায় বিকল্প কোনও পরিকল্পনা হাতে নেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও জানানো হয়েছে।

যাত্রীদের কপালে দুর্ভোগ
এই রুটের হাজার হাজার নিত্যযাত্রী, যাঁদের মধ্যে বড় অংশ ছাত্র, চাকুরিজীবী ও ব্যবসায়ী, তাঁরা পড়েছেন ঘোর বিপাকে। প্রায় ২২৭ কিলোমিটারের এই দীর্ঘ রুটে যদি নিয়ম অনুযায়ী ট্রেন পরিষেবা না পাওয়া যায়, তবে সাধারণ মানুষের যাতায়াত কার্যত অচল হয়ে পড়বে।

রেলের অভ্যন্তরীণ সমন্বয়হীনতা এবং পরিষেবা পরিচালনার জটিলতা আরও একবার প্রকাশ্যে এসেছে শিয়ালদা-লালগোলা রুটে ট্রেন চালানোর সমস্যার মধ্য দিয়ে। এখন দেখার বিষয়, রেল কীভাবে এই সংকটের সমাধান করে এবং কবে থেকে স্বাভাবিক ট্রেন পরিষেবা পুনরায় চালু করতে পারে। আপাতত যাত্রীদের কপালে শুধুই দুর্ভোগ আর অনিশ্চয়তা।

বাঙালি প্রধান বেঙ্গালুরুতে সংকটে পেয়িং গেস্ট বাণিজ্য, রুজির টানাটানিতে হাজারো পরিবার

Bengaluru PG Crisis: দক্ষিণ ভারতের শহর বেঙ্গালুরু, যা এক সময় ছিল দেশের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের প্রাণকেন্দ্র, আজ সেখানেই গভীর সংকটে পড়েছে পেয়িং গেস্ট (PG) ব্যবসা। বিশেষ করে বাঙালি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে এই সংকট আরও প্রকট। বহু বাঙালি পরিবার, যাঁরা PG ব্যবসার মাধ্যমে রুজি-রুটির ব্যবস্থা করেছিলেন, তাঁরা আজ চরম অনিশ্চয়তার মুখে।

ধুঁকছে PG, ধাক্কা খাচ্ছে রুটি-রুজি
মারাঠাহল্লি, হেব্বাল, সারজাপুর, হোয়াইটফিল্ড—এইসব এলাকায় বহু বাঙালি পরিবার বিগত এক দশকে PG ব্যবসা গড়ে তুলেছিলেন। প্রযুক্তি ক্ষেত্রে কর্মরত হাজারো তরুণ-তরুণী, ছাত্রছাত্রীরাই ছিলেন তাঁদের প্রধান ভাড়াটে। কিন্তু করোনা পরবর্তী সময়ে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ালেও, ২০২৫ সালে আবার নতুন করে ভেঙে পড়েছে সেই ব্যবস্থা। Deccan Herald-এর এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, PG ব্যবসায় গড়ে ২৫% আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। এর জেরে একাধিক ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অনেক মালিক তাঁদের ঘর ফাঁকা পড়ে থাকতে দেখে হতাশ হয়ে পড়েছেন।

IT ছাঁটাই, কঠোর নিয়ম এবং জলের মতো খরচে বিপর্যয়
বেঙ্গালুরুর তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে ব্যাপক ছাঁটাই, নাগরিক সংস্থা BBMP-র কঠোর নিয়ম, এবং জল, বিদ্যুৎ, পরিষেবা খরচ বেড়ে যাওয়ায় PG চালানো কার্যত অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাঁদের একাধিক শাখা আছে, তাঁরা কোনওভাবে টিকে থাকলেও, একক মালিকানাধীন PG-গুলির অবস্থা খুবই খারাপ। শহরের নানা প্রান্তে প্রতিটি এলাকায় কমপক্ষে দু’টি PG বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন PG ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অরুণ কুমার ডি টি।

PG-তে খুন, তারপরেই কড়া অভিযান
২০২৪ সালের আগস্টে এক PG-তে খুনের ঘটনা বেঙ্গালুরু শহরকে নাড়িয়ে দেয়। এরপর BBMP ও পুলিশ একযোগে অভিযান শুরু করে। শুধু মহাদেবপুরা এলাকাতেই প্রায় ১০০টিরও বেশি PG বন্ধ করে দেওয়া হয়। অভিযোগ—বেশিরভাগেরই বৈধ ট্রেড লাইসেন্স ছিল না, সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যবিধিও মানা হচ্ছিল না। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে, বহু বেঙ্গালুরুর গলিপথে গড়ে ওঠা PG হোস্টেল অবৈধ ঘোষণা করে সিল করে দেওয়া হয়। নতুন নিয়মে বলা হয়েছে—৪০ ফুট চওড়া রাস্তার কম এলাকায় PG চালানো যাবে না, যা অনেক এলাকাতেই কার্যত অসম্ভব।

“চলবে না তো বন্ধ করো”, বাস্তব বলছে—বাঙালির ঘর বন্ধ
বাঙালি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে বহু PG তৈরি হয়েছিল বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই। অনেকেই ভাড়া নেওয়া ফ্ল্যাট বা বাড়িকে PG-তে রূপান্তর করেছিলেন। এখন সেই সব বাড়ি তালাবন্ধ। সাইনবোর্ডে ধুলো, বারান্দায় ঝুলছে তালা। যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবসার উপর নির্ভর করতেন, তাঁদের রোজগার সম্পূর্ণ থমকে গেছে।

একটুখানি আশার আলো? শিথিলতার পথে BBMP
PG মালিকদের লাগাতার দাবির পর BBMP কিছু নিয়ম শিথিল করার কথা ভাবছে। বিশেষ করে ৪০ ফুট রাস্তায় PG চালানোর নিয়ম বদলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে বাস্তবে এখনও রেজিস্টার্ড PG-র সংখ্যা ২,৫০০-এর মধ্যেই আটকে আছে, যদিও শহরে প্রকৃত সংখ্যা বহু গুণ বেশি।

তারুণ্যের স্বপ্ন আজ আশ্রয়হীন
PG ছিল একসময় তরুণ প্রজন্মের বেঙ্গালুরু-প্রবেশের প্রথম ধাপ। আজ প্রযুক্তি কর্মী, স্টার্টআপ কর্মী, নতুন গ্র্যাজুয়েটরা সস্তায় থাকার জায়গা খুঁজে হন্যে হয়ে বেড়াচ্ছেন। শহরের ফ্ল্যাট ভাড়ার দাম যেভাবে বেড়েছে, তাতে PG-র পতন শুধু একটি বাণিজ্যিক সমস্যাই নয়, এটি সামাজিক সংকটেরও ইঙ্গিত।

PG ব্যবসার সঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে হাজারো বাঙালির জীবনযুদ্ধ
বেঙ্গালুরুর PG ব্যবসা শুধুমাত্র আবাসনের প্রশ্ন নয়—এটি বহু প্রবাসী বাঙালির জীবনধারণের মাধ্যম। সেই রোজগারের পথ যদি বন্ধ হয়ে যায়, তবে বাঙালি সমাজের এক বিশাল অংশ কর্মহীন, আশ্রয়হীন এবং দিশাহীন হয়ে পড়বে। এখন দেখার, BBMP এই সংকটের বাস্তব রূপ বুঝে কেমন পদক্ষেপ নেয়।

দুই ডিসপ্লের নতুন ফোল্ডেবল ফোন, জুলাইয়ে লঞ্চের জল্পনা

Samsung ফের ফোল্ডেবল সিরিজে নতুন চমক আনতে চলেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সংস্থা সম্প্রতি একটি টিজার প্রকাশ করেছে, যেখানে একটি নতুন প্রিমিয়াম ফোল্ডেবল ফোনের ঝলক দেখা গিয়েছে। অনুমান করা হচ্ছে, এই ফোনের নাম হতে পারে Samsung Galaxy Z Fold 7 Ultra। এটি জুলাইয়ের শুরুতে নিউ ইয়র্কে আয়োজিত হতে চলা গ্যালাক্সি আনপ্যাকড ইভেন্টে লঞ্চ করা হতে পারে। একই সঙ্গে Samsung আরও কয়েকটি ডিভাইস উন্মোচন করতে পারে। সেই তালিকায় রয়েছে – Galaxy Z Fold 7, Galaxy Z Flip 7 এবং Galaxy Z Flip 7 FE।

Samsung Galaxy Z Fold 7 Ultra – আগের সব ফোল্ডেবল ফোনের থেকেও পাতলা

Samsung-এর টিজার অনুযায়ী, এই নতুন ফোল্ডেবল ফোনটি হবে এখন পর্যন্ত তাদের সমস্ত ফোল্ড সিরিজের তুলনায় পাতলা। টিজারে সুপার স্লিম প্রোফাইলের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, যা হয়তো Galaxy Z Fold (5.6mm) এবং Fold Special Edition (4.9mm)-এর থেকেও পাতলা হতে চলেছে। এর ফলে, এটি বাজারে থাকা Vivo X Fold 3 Pro-র মতো ডিভাইসের প্রতিযোগী হয়ে উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জলের তলায় কাচের মতো ছবি! অফারে এই ফোন কেনার সুবর্ণ সুযোগ

নতুন ফোনের ডিজাইন হয়তো W25 Fold Special Edition-এর মতোই হতে পারে। এই ফোনটি গত বছর চীন এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় লঞ্চ হয়েছিল এবং এতে ছিল একটি 8 ইঞ্চির মেইন ডিসপ্লে এবং 6.5 ইঞ্চির কভার ডিসপ্লে। যদি গুজব সত্যি হয়, তবে নতুন Fold ফোনেও এমনই স্ক্রিন আকার দেখা যেতে পারে। পাশাপাশি এতে ২০০ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি ক্যামেরা এবং ১৬ জিবি র‍্যাম থাকতে পারে।

Samsung Galaxy Z Fold 7 Ultra-তে এআই ফিচার ও ভয়েস কন্ট্রোল থাকবে

Samsung Galaxy Z Fold 7 Ultra ফোনের এআই ফিচার এবং ভয়েস কন্ট্রোল মাল্টিটাস্কিং-কে বিশেষভাবে হাইলাইট করেছে। টিজারে স্পষ্ট, ব্যবহারকারীরা ভয়েস কমান্ডের সাহায্যে ফোনে একাধিক কাজ একসঙ্গে করতে পারবেন। এর ফলে প্রোডাক্টিভিটি আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশ্ববিখ্যাত টিপস্টার আইস ইউনিভার্স ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, Samsung-এর এই নতুন ফোল্ডেবল ফোন ১০ জুলাইয়ের কাছাকাছি লঞ্চ হতে পারে। উল্লেখযোগ্যভাবে, গত বছরও ঠিক একই তারিখে Samsung Galaxy Z Fold 6 এবং Z Flip 6 লঞ্চ করেছিল।

প্রসঙ্গত, Samsung Galaxy Z Fold 7 Ultra ফোনটি হতে চলেছে একটি স্লিম, স্টাইলিশ ও এআই-পাওয়ারড ফোল্ডেবল ডিভাইস, যা বাজারে Vivo-এর মতো প্রিমিয়াম ফোনগুলিকে কড়া টক্কর দিতে প্রস্তুত। যারা প্রিমিয়াম ফোল্ডেবল অভিজ্ঞতা খুঁজছেন, তাদের জন্য জুলাই মাসের এই লঞ্চ হতে পারে বহু প্রতীক্ষিত মুহূর্ত।

বাংলাদেশের বয়কটের পরেও বিদেশি পর্যটকের রেকর্ড গড়ল ভারত

India tourism growth: ২০২৪ সালের গোড়াতেই বাংলাদেশে শুরু হয়েছিল এক বিতর্কিত রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলন—”বয়কট ইন্ডিয়া মুভমেন্ট”। দেশটির কিছু রাজনৈতিক দল ও গোষ্ঠী ভারতের বিরুদ্ধে একযোগে সরব হয়। ভারতের পণ্য বয়কট, চিকিৎসা বয়কট, এমনকি ভারতের সংস্কৃতিকে অস্বীকার করার মতো প্রচার চালানো হয়। এই আন্দোলনের রাজনৈতিক প্রভাব এতটাই গভীর হয় যে, সে দেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়। গঠিত হয় একটি নতুন তদারকি সরকার।

বাংলাদেশ থেকে ভারতে আগত পর্যটকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই চিকিৎসা ও ব্যবসার কারণে একটি বড় অংশ ছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে ভারতের তরফে ভিসা প্রক্রিয়ায় কড়াকড়ি আনা হয়। ফলত, বাংলাদেশিদের ভারতে আগমন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। তখন বাংলাদেশি নেটমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে দাবি ওঠে, ভারতীয় পর্যটন খাতে নাকি তার প্রবল প্রভাব পড়বে। বলা হয়, ভারতের হাসপাতাল, হোটেল, পর্যটন সংস্থা সব বড় ক্ষতির মুখে পড়বে।

কিন্তু বাস্তবতা পুরোপুরি ভিন্ন ছবি দেখিয়েছে। ভারতের পর্যটন খাত বরং আগের তুলনায় আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ভারতে বিদেশি পর্যটকদের আগমন হয়েছে রেকর্ড ৯.৬৬ মিলিয়ন— অর্থাৎ প্রায় ৯৬ লাখ ৬০ হাজার পর্যটক এসেছেন ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে ₹২.৭ লক্ষ কোটি টাকা, যা ২০২৩ সালের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি (২০২৩ সালে তা ছিল ₹২.৩১ লক্ষ কোটি টাকা)।

এই পরিসংখ্যান একদিকে যেমন বাংলাদেশি নেতিবাচক প্রচারের জবাব, অন্যদিকে তেমনই ভারতের পর্যটন পরিকাঠামোর প্রতি বিশ্বের আস্থার প্রতিফলন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারতের পর্যটন খাতে এই বিপুল সাফল্যের পেছনে মূল ভূমিকা নিয়েছে সরকারের একাধিক উদ্যোগ। ভারতের আধ্যাত্মিক, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে যেমন ব্যাপক প্রচার চালানো হয়েছে, তেমনই পরিকাঠামো উন্নয়ন, ই-ট্যুরিস্ট ভিসা সহজীকরণ, বিমান ও রেল সংযোগ বৃদ্ধির মতো পদক্ষেপও বড় প্রভাব ফেলেছে।

২০২৫ সালে মহাকুম্ভের মতো বিশ্বমানের ধর্মীয় উৎসব ভারতে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে কয়েক লক্ষ বিদেশি পর্যটকের আগমনের সম্ভাবনা রয়েছে। তার আগে থেকেই বিশ্বজুড়ে ভারত নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই হিমালয়, কাশ্মীর, বারাণসী, অযোধ্যা, কেরালা, গোয়া, আন্দামানসহ একাধিক পর্যটন কেন্দ্রে বিদেশি পর্যটকদের সংখ্যা বেড়েছে অনেকগুণ।

বাংলাদেশি পর্যটকদের অভাব ভারতে অবশ্যই একটা শূন্যতা তৈরি করেছে, বিশেষত চিকিৎসা ও বাণিজ্য সংক্রান্ত খাতে। তবে সেই শূন্যস্থান দ্রুত পূরণ করেছে অন্যান্য দেশ— যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ফ্রান্স, জাপান, কোরিয়া, ভিয়েতনাম, অস্ট্রেলিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি।

বাংলাদেশ থেকে রাজনৈতিক বা সামাজিকভাবে ভারতবিরোধী অবস্থান নেওয়া হলেও ভারতের পর্যটন খাতকে তার কোনও স্থায়ী ক্ষতি করতে পারেনি। বরং বৈচিত্র্যে ভরা ভারতের সংস্কৃতি, উন্নত পরিকাঠামো এবং বিশ্বজনীন স্বাগত-সংস্কৃতি আজ বিশ্বের পর্যটকদের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য হয়েছে।

সব মিলিয়ে, বলা যায়— “বয়কট ইন্ডিয়া” স্লোগান যতটা গর্জেছে, ভারতের পর্যটন খাত ততটাই বজ্রের মতো জবাব দিয়েছে। ২০২৪ সালের পরিসংখ্যান সেই সত্যকেই আরও জোরালো করে তুলে ধরেছে। ২০২৫ সালে এই সাফল্যের ধারা আরও উচ্চতায় পৌঁছবে বলেই আশা করছে ভারত সরকার ও পর্যটন শিল্প।

শেয়ার বাজারের আয় ITR-এ রিপোর্ট করবেন কীভাবে? আয়কর বিশেষজ্ঞের বিশদ ব্যাখ্যা

আয়কর দফতর ২০২৪-২৫ অর্থবছরের (মূল্যায়ন বছর ২০২৫-২৬) জন্য আয়কর রিটার্ন (ITR) দাখিল প্রক্রিয়া শুরু করেছে। বর্তমানে শুধুমাত্র Excel Utilities-এর মাধ্যমে রিটার্ন দাখিলের সুযোগ চালু হয়েছে এবং ইতিমধ্যে ৮৬,৪৮২টি রিটার্ন দাখিল হয়েছে এই মাধ্যম ব্যবহার করে। অনলাইন ITR দাখিলের অপশন এখনও চালু হয়নি।

সাধারণ বেতনভুক্ত করদাতাদের জন্য বিশেষ পরামর্শ—Form 16 হাতে পাওয়ার আগে রিটার্ন দাখিল না করাই বাঞ্ছনীয়।

এছাড়াও, গত কয়েক বছরে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ব্যাপক হারে বেড়েছে। ফলে অনেক বেতনভুক্ত ব্যক্তি এখন শেয়ার বাজার থেকে আয় (যেমন—লাভ, লভ্যাংশ, F&O ট্রেডিং ইত্যাদি) সঠিকভাবে কীভাবে রিপোর্ট করবেন, তা নিয়ে বিভ্রান্তিতে রয়েছেন।

মুম্বইয়ের খ্যাতনামা চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট সুরেশ সুরানা ব্যাখ্যা করেছেন, কীভাবে ২০২৫ সালের আয়কর রিটার্নে বিভিন্ন ধরনের শেয়ার বাজারের আয় রিপোর্ট করতে হবে।

শেয়ার বাজারের আয়ের ধরন ও কর সংক্রান্ত নিয়ম

১. ডেলিভারি ভিত্তিক শেয়ার বিক্রি:
যদি ১২ মাসের বেশি সময় ধরে কোনো তালিকাভুক্ত শেয়ার ধরে রেখে বিক্রি করা হয়, তাহলে এটি দীর্ঘমেয়াদি মূলধনী লাভ (LTCG) হিসেবে গণ্য হয় এবং ১.২৫ লক্ষ টাকার বেশি লাভের উপর ১০% হারে কর (২৩ জুলাই, ২০২৪ থেকে ১২.৫%) ধার্য হয়।

১২ মাসের কম সময়ে বিক্রি করলে, এটি স্বল্পমেয়াদি মূলধনী লাভ (STCG) হিসেবে গণ্য হয় এবং ১৫% হারে কর (২৩ জুলাই, ২০২৪ থেকে ২০%) প্রযোজ্য হয়।

২. ইনট্রাডে ট্রেডিং:
এটি অনুমানভিত্তিক (speculative) ব্যবসায়িক আয় হিসেবে বিবেচিত হয় এবং ব্যক্তির প্রযোজ্য স্ল্যাব অনুযায়ী কর ধার্য হয়।

৩. Futures & Options (F&O):
এটি অ-অনুমানভিত্তিক (non-speculative) ব্যবসায়িক আয় হিসেবে গণ্য হয় এবং স্ল্যাব রেট অনুসারে কর প্রযোজ্য।

৪. লভ্যাংশ আয়:
ভারতীয় কোম্পানির কাছ থেকে পাওয়া লভ্যাংশ ‘অন্যান্য উৎস থেকে আয়’ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং ব্যক্তিগত স্ল্যাব অনুযায়ী কর প্রযোজ্য। এছাড়া Section 194 অনুযায়ী TDS কাটা হতে পারে।

কোন ITR ফর্মটি বেছে নেবেন?
ITR-1: শুধুমাত্র বেতন, একটিমাত্র গৃহ সম্পত্তি এবং অন্যান্য সাধারণ আয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এছাড়াও ১.২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত LTCG থাকলে ITR-1 ব্যবহার করা যায়।

ITR-2: শুধুমাত্র মূলধনী লাভ (STCG/LTCG) এবং বেতন বা গৃহসম্পত্তির আয়ের ক্ষেত্রে, যেখানে ব্যবসায়িক আয় নেই, সেখানে এই ফর্ম প্রযোজ্য।

ITR-3: যারা F&O বা ইনট্রাডে ট্রেডিং করেন, তাদের আয় ‘ব্যবসায়িক আয়’ হিসেবে গণ্য হওয়ায় ITR-3 ব্যবহার বাধ্যতামূলক।

ITR-4 (Sugam): যদি F&O বা ইনট্রাডে ট্রেডিং-এর টার্নওভার ২/৩ কোটি টাকার মধ্যে থাকে এবং করদাতা অনুমানভিত্তিক করপদ্ধতি (Section 44AD) গ্রহণ করেন, তাহলে ITR-4 ব্যবহার করা যায়। তবে মূলধনী লাভ থাকলে এটি ব্যবহারযোগ্য নয়।

বিভিন্ন আয় কীভাবে রিপোর্ট করবেন?

১. মূলধনী লাভ (Capital Gains):
শেয়ার কেনা ও বিক্রির বিস্তারিত (ISIN, কোম্পানির নাম, কেনা ও বিক্রির তারিখ, মূল্য, খরচ ইত্যাদি) ‘Capital Gains’ অংশে রিপোর্ট করতে হবে।

২. ইনট্রাডে ট্রেডিং (Speculative Income):
এটি ‘Profits and Gains from Business or Profession’ অংশে রিপোর্ট করতে হবে। লাভ ও ক্ষতির ভিত্তিতে মোট টার্নওভার দেখাতে হবে। ইন্টারনেট বিল, ব্রোকারেজ, অ্যাডভাইসরি ফি ইত্যাদি খরচ ডিডাকশন হিসেবে দেখানো যাবে।

যদি টার্নওভার ১ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায় (বা নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে ১০ কোটি), তবে Section 44AB অনুযায়ী ট্যাক্স অডিট প্রয়োজন হতে পারে।

৩. F&O ট্রেডিং (Non-Speculative Business Income):
F&O থেকে আয়ও ব্যবসায়িক আয় হিসেবে রিপোর্ট করতে হবে। মোট লাভ ও ক্ষতির সমষ্টি ভিত্তিতে টার্নওভার নির্ধারণ করতে হবে। Section 44AD অনুসারে ৬% বা ৮% লাভ ধরে অনুমানভিত্তিক কর প্রদান করা যেতে পারে।

৪. লভ্যাংশ আয়:
‘Income from Other Sources’ অংশে লভ্যাংশের মোট পরিমাণ রিপোর্ট করতে হবে। Form 26AS ও AIS অনুযায়ী মিলিয়ে নিতে হবে। Section 57 অনুযায়ী ২০% পর্যন্ত সুদের খরচ ডিডাকশন হিসাবে দেখানো যায়।

রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা

  • যাদের ট্যাক্স অডিট প্রযোজ্য নয়: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • যাদের ট্যাক্স অডিট প্রযোজ্য: ৩১ অক্টোবর, ২০২৫

২০২৫ সালের ITR দাখিলের ক্ষেত্রে শেয়ার বাজারে আয়কারী বেতনভুক্ত করদাতাদের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে, সঠিক ফর্ম নির্বাচন করে এবং আয় যথাযথভাবে রিপোর্ট করে রিটার্ন দাখিল করা হোক। ভুল ফর্মে দাখিল করলে রিটার্ন অবৈধ হতে পারে, এমনকি জরিমানাও ধার্য হতে পারে। তাই অভিজ্ঞ কর পরামর্শদাতার সাহায্য নেওয়া সবসময়ই বাঞ্ছনীয়।

ভারতে কারখানা নয়, শুধুই শোরুম খোলার আগ্রহ Tesla-র: ভারী শিল্পমন্ত্রী

ভারতের ইলেকট্রিক ভেহিকেলের (EV) বাজারে টেসলার (Tesla) প্রবেশ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা আলোচনা চলে আসছে। তবে কেন্দ্রীয় ভারী শিল্পমন্ত্রী এইচ. ডি. কুমারস্বামীর সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই আলোচনায় নতুন মোড় এনে দিয়েছে। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, টেসলা (Tesla) ভারতে গাড়ি উৎপাদনে আগ্রহী নয়, তাদের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র শোরুম খুলে গাড়ি বিক্রি করা।

মন্ত্রী কুমারস্বামী বলেন, “টেসলা শুধু শোরুম খুলতে চায়, ভারতে উৎপাদনের কোনও ইচ্ছা তাদের নেই।” তিনি আরও জানান, নতুন ইভি নীতির আওতায় ইতিমধ্যেই ভক্সওয়াগেন, স্কোডা, মার্সিডিজ-বেঞ্জ, হুন্দাই ও কিয়া-র মতো ব্র্যান্ডগুলি ভারতে উৎপাদনের আগ্রহ দেখিয়েছে।

ছোট গাড়িকে বাঁচান! কাতর আর্জি নিয়ে সরকারের দ্বারস্থ Alto নির্মাতা

ভারতের বাজার ‘কঠিন’, বলছে Tesla

মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই টেসলার (Tesla) চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার (CFO) বৈভব তানেজা বলেছিলেন, “ভারত একটি কঠিন বাজার”, এবং ১০০ শতাংশ আমদানি শুল্ক ক্রেতাদের মধ্যে দুশ্চিন্তা তৈরি করে। এরই প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সরকার নতুন ইভি নীতির অধীনে এই শুল্ক কমিয়ে ১৫ শতাংশে নিয়ে এসেছে, তবে এর জন্য নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে। যেমন, সংস্থাকে ভারতে অন্তত ৪,১৫০ কোটি টাকা (৫০ কোটি মার্কিন ডলার) বিনিয়োগ করে উৎপাদন শুরু করতে হবে।

এই নীতিকে ভারতের ইভি শিল্পে বিদেশি বিনিয়োগ টানার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। অনেকে আশা করেছিলেন, এই নীতির মাধ্যমে টেসলা অবশেষে ভারতে উৎপাদন শুরু করবে। তবে কুমারস্বামীর মন্তব্য সেই সম্ভাবনাকে কিছুটা ধাক্কা দিয়েছে।

ভারতে খুচরো ব্যবসার প্রস্তুতি নিচ্ছে Tesla

যদিও উৎপাদনে আগ্রহ নেই বলেই জানানো হয়েছে, তবুও টেসলা ভারতের বাজারকে একেবারে এড়িয়ে যাচ্ছে না। সাম্প্রতিক সময়ে সংস্থাটি ভারতীয় বাজারে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে এবং মুম্বাইয়ে একটি রিটেল স্পেসও বুক করেছে বলে জানা গেছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, কোম্পানিটি অন্তত বিক্রয় ও পরিষেবা কেন্দ্র খোলার পরিকল্পনায় অগ্রসর হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ভারতের ইভি নীতি নতুন করে আন্তর্জাতিক নির্মাতাদের জন্য দরজা খুলে দিয়েছে। যদিও টেসলা (Tesla) উৎপাদনে আসার ইঙ্গিত দেয়নি, তবে শোরুম ও পরিষেবার মাধ্যমে বাজারে উপস্থিতি তৈরি করতে চাইছে। এখন দেখার বিষয়, ভবিষ্যতে কোম্পানিটি ভারতীয় বাজারের চাহিদা ও সুযোগ বুঝে নীতিগত অবস্থানে পরিবর্তন আনে কী না।

ছোট গাড়িকে বাঁচান! কাতর আর্জি নিয়ে সরকারের দ্বারস্থ Alto নির্মাতা

ভারতের যাত্রীবাহী গাড়ির বাজারে দীর্ঘদিন ধরেই ছোট গাড়ি বা হ্যাচব্যাক গাড়িগুলি প্রধান ভূমিকা পালন করে এসেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই সেগমেন্ট প্রবল চাপের সম্মুখীন হচ্ছে, যার অন্যতম কারণ গ্রাহকদের চাহিদা দ্রুত SUV ও ক্রসওভারের দিকে ঝুঁকছে। এহেন পরিস্থিতিতে ভারতের সবচেয়ে বড় গাড়ি প্রস্তুতকারক মারুতি সুজুকি (Maruti Suzuki) ছোট গাড়ির বাজার রক্ষায় সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়ে দ্বারস্থ হয়েছে।

মারুতি সুজুকি বরাবরই Alto K10, S-Presso, Celerio, WagonR, Ignis মতো বহু ছোট গাড়ি বাজারে রেখেছে। তবে গত কয়েক বছরে এই গাড়িগুলির চাহিদা কমেছে। আর্থিক বছর ২০১৫-১৬-এ যেসব এন্ট্রি-লেভেল গাড়ির দাম ছিল ৫ লক্ষ টাকার নিচে, সেগুলির বিক্রি ছিল প্রায় ৯.৩৪ লক্ষ ইউনিট। অথচ আর্থিক বছর ২০২৪-২৫-এ এই সংখ্যাটি নেমে এসেছে মাত্র ২৫,৪০২ ইউনিটে।

2025 Tata Altroz facelift-এর শুরু বুকিং, ফিচারে সজ্জিত গাড়ি কতটা সাড়া ফেলবে?

বিক্রির হারে পতন, উদ্বিগ্ন Maruti Suzuki

২০২৫ সালের মে মাসে মারুতি সুজুকির Alto K10 ও S-Presso-র বিক্রি নেমে এসেছে ৬,৭৭৬ ইউনিটে, যা গত বছরের মে মাসে ছিল ৯,৯০২ ইউনিট। এছাড়াও, Baleno, Celerio, Dzire, Ignis, Swift এবং WagonR-এর মতো কমপ্যাক্ট গাড়ির সম্মিলিত বিক্রি গত মাসে ছিল ৬১,৫০২ ইউনিট, যেখানে ২০২৪ সালের একই সময়ে ছিল ৬৮,২০৬ ইউনিট। এই প্রবণতা স্পষ্টভাবে দেখাচ্ছে, ছোট গাড়ির প্রতি আগ্রহ কমে যাচ্ছে।

একসময়ে যাত্রীবাহী গাড়ির বাজারে ছোট গাড়ির অংশীদারিত্ব ছিল প্রায় অর্ধেক। FY18-এ এই হার ছিল ৪৭.৪%, FY19-এ ৪৬%, FY20-এ ৪৬.৫%। কিন্তু FY21-এ তা নেমে আসে ৪৫.৬%-এ, FY22-এ ৩৭.৫%, FY23-এ ৩৪.৪% এবং FY24-এ এসে দাঁড়ায় মাত্র ২৭.৭%। এই পতনের ধারা মারুতি সুজুকির মতো নির্মাতাদের দুশ্চিন্তায় ফেলেছে।

Toyota Fortuner Neo Drive বাজারে এন্ট্রি নিল, 48-ভোল্ট হাইব্রিড সিস্টেম বিশেষ সুবিধা দেবে

মারুতি সুজুকির (Maruti Suzuki) সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার (মার্কেটিং ও সেলস), পার্থ ব্যানার্জি একটি ভার্চুয়াল প্রেস কনফারেন্সে জানান, কঠোর নিয়ম-কানুনের কারণে ছোট গাড়ির উৎপাদন খরচ বেড়েছে, ফলে দামও বেড়েছে। যার ফলে দুই চাকার গাড়ি ব্যবহারকারী যেসব মানুষ চার চাকার গাড়িতে আপগ্রেড করতে চাইছেন, তারা এখন সেই ক্ষমতা হারাচ্ছেন।

তিনি বলেন, “যদি সরকার চায় যে দেশের গাড়ি শিল্প আরও প্রসারিত হোক, তাহলে তাদের দেখতে হবে সমস্যাটা কোথায় এবং কীভাবে এই ছোট গাড়ির বাজারকে বাড়ানো যায়। কিছু ইনসেনটিভ প্রয়োজন যাতে সাধারণ ক্রেতারা আরও বেশি সহজে চার চাকার গাড়ির দিকে এগিয়ে আসতে পারেন।”

প্রসঙ্গত, এক সময়ের অপ্রতিরোধ্য ছোট গাড়ির বাজার আজ কঠিন সময় পার করছে। SUV-এর ক্রমবর্ধমান চাহিদা, কড়া বিধিনিষেধ ও মূল্যবৃদ্ধি এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। এই অবস্থায় মারুতি সুজুকির (Maruti Suzuki) মতো বৃহৎ সংস্থা সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছে – বিশেষ প্রণোদনার মাধ্যমে যেন ছোট গাড়ির বাজারকে পুনরুজ্জীবিত করা যায় এবং সাধারণ মানুষের জন্য আরও সাশ্রয়ী বিকল্প উপলব্ধ হয়।

বিয়ের মরসুমে কলকাতায় সস্তা হল সোনা! রুপোও মধ‌্যবিত্তের হাতের নাগালে

বর্তমানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার (Gold Price)  কারণে বিনিয়োগকারীদের কাছে নিরাপদ সম্পদ হিসেবে পরিচিত সোনা ও রূপার চাহিদা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রেক্ষিতে, ভারতীয় বাজারে এই মূল্যবান ধাতু দুটির দাম এক অভূতপূর্ব উচ্চতায় পৌঁছেছে।(Gold Price)  

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে চলমান বাণিজ্যিক ট্যারিফ সংঘাত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধজনিত অনিশ্চয়তা এবং মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার নির্ধারণ সংক্রান্ত সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত—এই তিনটি প্রধান কারণের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ক্রমাগত বাড়ছে।(Gold Price)  

২০২৫ সালের জুন ২ তারিখে, মার্কিন ভিত্তিক কমেক্স গোল্ড (Comex Gold)-এর দাম ১.৭৪ শতাংশ বেড়ে $৩,৩৭৩ প্রতি আউন্সে পৌঁছেছে। একই সময়ে ভারতের এমসিএএক্স (MCX) বাজারে জুন ৫ তারিখের গোল্ড ফিউচার কন্ট্রাক্টে সোনার দাম ১.৭ শতাংশ বা ₹১,৬৩০ বেড়ে ₹৯৭,৫০৫ প্রতি ১০ গ্রামে পৌঁছেছে। এতে বোঝা যায়, বিনিয়োগকারীরা বাজারের অস্থিরতা থেকে সুরক্ষা পেতে সোনাকে বেছে নিচ্ছেন।(Gold Price)  

এছাড়াও রূপার দামও ঐতিহাসিক সীমা ছাড়িয়ে গেছে। রূপা প্রতি কেজি ₹১ লাখ ছাড়িয়ে গেছে, যা বিনিয়োগকারীদের নিরাপদ বিনিয়োগের প্রতি ঝোঁকের স্পষ্ট প্রতিফলন। জুন ৩ তারিখে মুম্বাইয়ে রূপার বুলিয়ন রেট (Gold Price)  ১,০১,১২০ প্রতি কেজি এবং এমসিএএক্স সিলভার ৯৯৯ রেট ছিল ১,০০,০৯৮ প্রতি কেজি।(Gold Price)  

মুম্বাইয়ে সোনা-রূপার বাজারদর (জুন ৩):

  • সোনা (বুলিয়ন) — ৯৭,৮৩০ প্রতি ১০ গ্রা(Gold Price)  

  • সোনা (MCX) — ৯৬,৭৮১ প্রতি ১০ গ্রাম(Gold Price)  

  • রূপা (বুলিয়ন) — ১,০১,১২০ প্রতি কেজি(Gold Price)  

  • রূপা (MCX Silver 999) — ₹১,০০,০৯৮ প্রতি কেজি

হায়দরাবাদে সোনা-রূপার বাজারদর (জুন ৩):

  • সোনা (বুলিয়ন) — ৯৭,৯৮০ প্রতি ১০ গ্রাম(Gold Price)  

  • সোনা (MCX) — ৯৬,৭৮১ প্রতি ১০ গ্রাম(Gold Price)  

কলকাতায় সোনা-রূপার বাজারদর (জুন ৩):(Gold Price)  

  • সোনা (বুলিয়ন) — ₹৯৭,৭০০ প্রতি ১০ গ্রাম(Gold Price)  

  • সোনা (MCX) — ₹৯৬,৭৮১ প্রতি ১০ গ্রাম

  • রূপা (বুলিয়ন) — ₹১,০০,৯৮০ প্রতি কেজি

  • রূপা (MCX Silver 999) — ₹১,০০,০৯৮ প্রতি কেজি(Gold Price)  

বিশ্লেষকদের মতে, ফেডারেল রিজার্ভ যদি সুদের হার বৃদ্ধি করে, তাহলে তা ডলারের শক্তিশালীকরণে সাহায্য করলেও সোনার ওপর চাপ পড়তে পারে। কিন্তু বর্তমান বৈশ্বিক অস্থিরতা এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা বজায় থাকায়, সোনার দাম আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।(Gold Price)  

রূপার ক্ষেত্রেও একই পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহার এবং মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধের কারণে রূপার চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা রূপাতেও ব্যাপক আগ্রহ দেখাচ্ছেন।(Gold Price)  

2025 Tata Altroz facelift-এর শুরু বুকিং, ফিচারে সজ্জিত গাড়ি কতটা সাড়া ফেলবে?

এ বছর মে মাসে ভারতের বাজারে লঞ্চ হয়েছে 2025 Tata Altroz facelift। লঞ্চের সময় এর প্রারম্ভিক মূল্য ধার্য হয়েছিল ৬.৮৯ লক্ষ টাকা (এক্স-শোরুম)। এবারে এই প্রিমিয়াম ব্যাচব্যাক গাড়িটির বুকিং গ্রহণ শুরু করল টাটা মোটরস (Tata Motors)। উল্লেখ্য, নতুন অলট্রোজ ফেসলিফ্ট ডিজাইন ও ফিচারে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য আপডেট নিয়ে এসেছে, যা গাড়িটিকে আগের থেকে অনেক বেশি আধুনিক ও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

বহির্ভাগে গাড়িটিতে রয়েছে নতুন ডিজাইনের ডুয়েল-বিম এলইডি হেডল্যাম্প, ভ্রু-আকৃতির ডিআরএল, নতুন গ্রিল ও বাম্পার ডিজাইন, এবং আপডেটেড ১৬ ইঞ্চির অ্যালয় হুইল, যা ইভ স্টাইলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বড় একটি পরিবর্তন এসেছে সামনের দরজার ফ্লাশ-ফিটিং হ্যান্ডেল-এ, যা আগের সাধারণ হ্যান্ডেলের পরিবর্তে এসেছে। পেছনের দরজার হ্যান্ডেল আগের মতোই C-পিলারে অবস্থিত। পিছনের অংশে এখন আর মোটা টেলল্যাম্প নেই, তার পরিবর্তে দেওয়া হয়েছে নতুন ডিজাইনের স্লিম এলইডি কানেক্টেড টেলল্যাম্প যা পুরো টেলগেটের কেন্দ্রে একটি সরল রেখার মতো বিস্তৃত।

Toyota Fortuner Neo Drive বাজারে এন্ট্রি নিল, 48-ভোল্ট হাইব্রিড সিস্টেম বিশেষ সুবিধা দেবে

2025 Tata Altroz facelift: অভ্যন্তরে নতুন রঙ ও আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন

2025 Tata Altroz facelift-এর কেবিনে বেইজ ও ব্ল্যাক ডুয়াল-টোন থিম দেখা যায়। ড্যাশবোর্ডে নতুন লেয়ারড ডিজাইন এবং দু’স্পোক স্টিয়ারিং হুইল থাকছে, যার মাঝখানে আলোকিত টাটা লোগো রয়েছে। এই স্টিয়ারিং হুইলটি নেওয়া হয়েছে নতুন নেক্সন থেকে।

 

এছাড়াও রয়েছে টাচ-কন্ট্রোল এসি প্যানেল, যার মাধ্যমে এয়ার কন্ডিশনের সেটিং সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়। গুরুত্বপূর্ণ ফিচারগুলির মধ্যে আছে ১০.২৫ ইঞ্চির ফ্লোটিং ইনফোটেইনমেন্ট স্ক্রিন, ১০.২৫ ইঞ্চির ডিজিটাল ড্রাইভার ডিসপ্লে, ভয়েস কমান্ড সাপোর্টসহ সানরুফ, রিয়ার এসি ভেন্টসহ অটো ক্লাইমেট কন্ট্রোল, ক্রুজ কন্ট্রোল, পুশ বাটন স্টার্ট/স্টপ, অটো-ফোল্ডিং ওআরভিএম, এবং ৮ স্পিকার সাউন্ড সিস্টেম।

নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নতুন অলট্রোজ ফেসলিফ্টে ছয়টি এয়ারব্যাগ স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে রয়েছে ইলেকট্রনিক স্ট্যাবিলিটি কন্ট্রোল (ESC), টাইর প্রেসার মনিটরিং সিস্টেম (TPMS), ৩৬০-ডিগ্রি ক্যামেরা ব্লাইন্ড স্পট মনিটরের সাথে, সকল যাত্রীর জন্য তিন-পয়েন্ট সিটবেল্ট, এবং আইএসওফিক্স চাইল্ড সিট অ্যাঙ্করেজ।

ইঞ্জিন ও পাওয়ারট্রেন

২০২৫ সালের অলট্রোজ তিনটি ভিন্ন পাওয়ারট্রেইন বিকল্পে উপলব্ধ। ইঞ্জিনের তালিকায় আছে ১.২ লিটার ন্যাচারালি অ্যাসপিরেটেড পেট্রোল ইঞ্জিন, ১.২ লিটার পেট্রোল-সিএনজি ভ্যারিয়েন্ট এবং ১.৫ লিটার ডিজেল ইঞ্জিন। ট্রান্সমিশনের অপশন হিসেবে রয়েছে ৫-স্পিড ম্যানুয়াল গিয়ারবক্স, ৫-স্পিড এএমটি এবং ৬-স্পিড ডুয়াল ক্লাচ অটোমেটিক (DCT)।

গাড়িটি পাঁচটি ট্রিমে উপলব্ধ: Smart, Pure, Creative, Accomplished এবং Accomplished+। এই সমস্ত ট্রিমে ভিন্ন ভিন্ন ফিচার ও কনফিগারেশন উপলব্ধ থাকবে। সর্বোচ্চ ভ্যারিয়েন্টের মূল্য গিয়ে দাঁড়ায় ₹১১.৪৯ লক্ষ পর্যন্ত (এক্স-শোরুম)।

প্রসঙ্গত, 2025 Tata Altroz facelift এখন আরও আধুনিক ডিজাইন ও সেফটি ফিচার সহ বাজারে এসেছে। প্রিমিয়াম হ্যাচব্যাক ক্রেতাদের জন্য এটি হতে পারে একটি আকর্ষণীয় পছন্দ, বিশেষ করে যাঁরা ডিজাইন, ফিচার ও সুরক্ষার একটি ভালো সমন্বয় চান।

Ultraviolette Shockwave তরুণ প্রজন্মের রাতের ঘুম কাড়তে আসছে! ফাঁস ডিজাইন পেটেন্ট

বহু প্রতীক্ষিত Ultraviolette Shockwave আসছে। ভারতে আলট্রাভায়োলেট (Ultraviolette) এই ইলেকট্রিক মোটরসাইকেলের ডিজাইন পেটেন্ট দায়ের করেছে। যা মডেলটির এদেশে লঞ্চের বিষয়ে জল্পনা কয়েকগুণ বাড়িয়ে তুলেছে। স্পাই শট অনুযায়ী, বাইকটির প্রোডাকশন সংস্করণ আগের কনসেপ্ট মডেলের তুলনায় কিছুটা ভিন্ন এবং বাস্তবভিত্তিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ডিজাইনে কনসেপ্ট ভার্সনের মতো চটকদার ফর্ক কভার বা ব্রেক লিভার প্রোটেক্টর থাকছে না।

পেটেন্ট চিত্রে হেডলাইট, টেল ল্যাম্প ও টার্ন ইন্ডিকেটরের অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে এটি হয়তো একটি ট্র্যাক-ফোকাসড সংস্করণ হতে পারে, অথবা একাধিক ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে কাজ করছে আলট্রাভায়োলেট। এমনকি এটি একটি স্ট্রিট-লিগ্যাল অফ-রোডার বাইক হিসেবে আসবে বলেই জোরালো ইঙ্গিত মিলেছে।

2025 Yamaha Tricity 125 আত্মপ্রকাশ করল, আধুনিকতার মোড়কে নজর কাড়ছে তিন চাকার স্কুটার

Ultraviolette Shockwave তৈরি হয়েছে একেবারে নতুন লাইটওয়েট প্ল্যাটফর্মে, যা রোডস্টার ও অফ-রোড উভয় ধরনের বাইকের উপযোগী। এটি শুধুমাত্র একটি ট্র্যাক বাইক নয় বরং রাস্তায় চলার মতো লাইসেন্সপ্রাপ্ত একটি স্ট্রিট-লিগ্যাল অফ-রোডার হিসেবে ডিজাইন করা হয়েছে।

এই ই-বাইকে থাকছে একটি ১৪.৫ বিএইচপি ইলেকট্রিক মোটর এবং ৪ কিলোওয়াট আওয়ার ব্যাটারি, যা ১৬৫ কিমি আইডিসি রেঞ্জ দিতে সক্ষম। ০ থেকে ৬০ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিতে পৌঁছাতে সময় নেয় মাত্র ২.৯ সেকেন্ড, আর বাইকটির পিক টর্ক ৫০৫ এনএম, যা একে অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ পারফরম্যান্স দেয়। ওজন মাত্র ১২০ কেজি হওয়ায় বাইকটি হালকা ও সহজে নিয়ন্ত্রণযোগ্য। এর সর্বোচ্চ গতি হবে ১২০ কিমি প্রতি ঘণ্টা। সব মিলিয়ে এটি একেবারে একটি মজাদার ও অ্যাগাইল রাইড হিসেবে তৈরি করা হয়েছে।

Ultraviolette Shockwave-র ফিচার ও রাইডিং কনট্রোল

এই ই-বাইকে থাকছে চারটি ট্র্যাকশন কন্ট্রোল মোড, সুইচযোগ্য ডুয়াল চ্যানেল এবিএস, এবং ছয় ধাপের রিজেনারেটিভ ব্রেকিং। এটি চলে ১৯ ইঞ্চি সামনের ও ১৭ ইঞ্চি পেছনের স্পোক হুইলে, যার সঙ্গে ব্যবহার হয়েছে ৯০/৯০ R19 ও ১১০/৯০ R17 সাইজের ডুয়াল পারপাস টায়ার। বাইকটি দুটি রঙে উপলব্ধ হবে: কসমিক ব্ল্যাক ও ফ্রস্ট হোয়াইট।

Shockwave-এর অফিসিয়াল লঞ্চ হতে চলেছে ২০২৬ সালের শুরুতে। একই সময়ে Hero MotoCorp-এর Vida ব্র্যান্ড থেকেও একটি অফ-রোড ফোকাসড ইলেকট্রিক বাইক বাজারে আসতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। ফলে এই সেগমেন্টে জমজমাট প্রতিযোগিতা দেখা যাবে।

ভারতে Yamaha-র 40 বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে দারুণ পরিষেবা! 24×7 মিলবে সার্ভিস, বিস্তারিত জানুন

Ultraviolette Shockwave শুধুমাত্র একটি নতুন ই-বাইক নয়, বরং এটি ভারতের ইলেকট্রিক অফ-রোড বাইক মার্কেটকে নতুন দিশা দেখাতে চলেছে। ফিউচারিস্টিক ডিজাইন, রেসিং পারফরম্যান্স ও আধুনিক ফিচার নিয়ে বাইকটি বাজারে প্রবেশ করলে তরুণদের কাছে এটি এক আকর্ষণীয় বিকল্প হয়ে উঠবে নিঃসন্দেহে।