ইন্দ্রজাল! শত্রুপক্ষের উপর শঙ্খচিলের মতো হামলা করতেন ইন্দ্রলাল

Indralal used to attack the enemy like a seagull

নিউজ ডেস্ক: আকাশে লিখে গিয়েছেন আরও এক ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ -অবশ্যই বিমানের কেরামতিতে। মেঘের আড়াল থেকে নেমে আসত তাঁর বিমান। শত্রুপক্ষের উপর হামলা করেই অদৃশ্য হতো নিমেষে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়ের ঘটনা। ভারতীয় বাঙালি যুদ্ধবিমান চালক ইন্দ্রলাল আকাশে ইন্দ্রজাল ছড়িয়েছিলেন।

ইন্দ্রলাল রায় এই নাম বিশ্ব আকাশ যুদ্ধের অনবদ্য সৈনিকদের তালিকায় জ্বললজ্বল করছে। তিনি সেই বিরলতম ভারতীয় যুদ্ধ বিমান চালক যাঁর নামটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি ও তাদের সহযোগী শক্তির কাছে আতঙ্কের কারণ।

শত্রুপক্ষ কি কম শক্তিশালী? তারাও তৈরি ছিল। ব্রিটিশ শাসিত ভারতীয় নাগরিক হিসেবে ইন্দ্রলাল রায় ফরাসি বিমান বহরে যোগ দেন। তাঁর উড়ান কৌশলে চমকে গিয়েছিলেন বিশ্বে প্রথম আকাশ যুদ্ধের অন্যান্য সেনাপতিরা। ঠিক যেন শঙ্খচিল। উপর থেকে হামলা করে শত্রুকে খতম করছে ইন্দ্রলালের যুদ্ধ বিমান।  অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইন্দ্রলাল রায় রোমাঞ্চপ্রিয়। সেই কারণে বেছে নিয়েছিলেন এয়ারফোর্স। ১৮৯৮ সালে কলকাতায় জন্ম হয় তাঁর।

১৯১৭ সালে তিনি রয়েল ফ্লাইং কর্পসে যোগ দেন।  সেকেন্ড লেফট্যানেন্ট হন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেল।
মেঘের আড়ালে ইন্দ্রজাল ছড়ালেন ইন্দ্রলাল

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ। কামান দাগা গোলন্দাজ ও স্থলসেনার শক্তির পাশাপাশি নৌ সৈনিকদের রমরমা। আর এই যুদ্ধেই বিশ্ব প্রত্যক্ষ করছিল আকাশ দখলের ভিন্ন লড়াই। বলা যায় সেই শুরু রণকৌশলে এয়ারফোর্সের ভূমিকা।

১৯১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে ইন্দ্রলাল রায় ফ্রান্সের পক্ষে সামরিক বিমান অভিযানে অংশ নেন। এই অভিযানে তাঁর বিমান ভেঙে পড়েছিল জার্মানির এয়ারফোর্সের হামলায়। জখম ইন্দ্রলাল রায় কে উদ্ধার করা হয়।কয়েকদিন পর সুস্থ হয়ে ফের তিনি আকাশ দখলে বিমান উড়িয়ে দিলেন।

১৯১৮ সালে ৬ জুলাই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অন্যতম দিন। দিনটি ইন্দ্রনাথ রায়ের কারণে বিখ্যাত। এই দিন তিনি ফের হামলা চালালেন জার্মানির সেনার উপরে। শুরু হলো মেঘের আড়ালে ইন্দ্রলালের নতুন ‘মেঘনাধ বধ’ কাব্য লেখার পালা। অভূতপূর্ব সেই আকাশযুদ্ধ বিশ্ব সমর ইতিহাসে লেখা রয়েছে। একা ইন্দ্রলাল রায় ধংস করেন ৯টি জার্মান যুদ্ধ বিমান। বিশ্বজুড়ে শোরগোল পড়ে গেল এই ঘটনায়।

মেঘনাধ কে বধ হতেই হবে। এই যেন ভবিতব্য।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আরও এক ঐতিহাসিক দিন ১৮ জুলাই। আকাশ যুদ্ধের সৈনিক ইন্দ্রলালের বিমান শত্রুপক্ষের ব্যুহে পড়ে যায়। আর বেরিয়ে আসতে পারেননি তিনি। জার্মান হামলায় ভেঙে পড়ে তাঁর বিমান। ডানা ভাঙা শঙ্খচিলের মতো রক্তাক্ত ইন্দ্রলাল রায়কে যখন উদ্ধার করা হয়, তখন তিনি মৃত। অবশ্য তার আগে তিনিই তৈরি করে দিয়েছেন পরবর্তী ভারতীয় বায়ু সৈনিকদের পথ।

সঙ্গমের মুহূর্তে কীভাবে অর্জুনকে পেতে চান মালাইকা, প্রকাশ্যে ফাঁস গোপন সিক্রেট

malaika arora

মালাইকা আরোরা, বলিউড হট ডিভার দাপট প্রথম থেকেই সকলের নজর কাড়ে। ছাইয়া ছাইয়া থেকে সফর শুরু। এরপর একাধিক সিনেমা, আইটেম ডান্স মালাইকার কাছে যেন ছিল বাঁ-হাতের খেল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ফিকে হয়েছে অনেক অভিনেত্রীর যৌলুস। কিন্তু কোথাও গিয়ে যেন মালাইকা আজও তরতাজা ফুরফুরে মেজাজে ধরা দিতে বেশি ভালোবাসেন। শুধু তাই নয় সমাজকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে খুল্লাম খুল্লা প্রেমেও মেতেছেন তিনি।

রীতিমতো লিভ-ইনের রয়েছেন অর্জুন কাপুরের সঙ্গে। বয়সে ফারাককে তুড়ি মেরে উড়িয়ে মালাইকা এখন হট সিজলিং প্রেমিকা। ডিনার ডেট থেকে শুরু করে ট্রিপ প্ল্যান, উইকেন্ড প্লান কোনও কিছুতেই খামতি রাখছেন না তিনি। আর সঙ্গম, তা বলাই বাহুল্য। অর্জুন এর সঙ্গে ঠিক কী ধরনের সঙ্গমে মত্ত হন তিনি তা নিয়ে মুখ খোলেননি মালাইকা।

তবে এক টকশোতে এসে নিজের সেক্স লাইফ নিয়ে কথা বলতে বিন্দুমাত্র পিছুপা হননি মালাইকা। তার থেকে যখন জানতে চাওয়া হয়, কি ধরনের পজিশনে সঙ্গমের আনন্দ তিনি সবথেকে নিয়ে থাকেন, বিন্দুমাত্র ইতঃস্তত বোধ না করে মালাইকা উত্তর দিয়ে দেন- অন টপ।

malaika

এরপরই ভাইরাল হয়ে যায় সেই সাক্ষাৎকার। মালাইকা আরোরা বরাবরই স্পষ্টবাদী। কোনও কিছুতেই খুব একটা রাখঢাক তিনি পছন্দ করেন না। তবে বেডরুমের অন্দরমহলের এই গোপন সিক্রেট তিনি এত সহজে সকলের সামনে ফাঁসি করবেন তা হয়তো আশা করেনি অনেকেই। যার ফলে মুহূর্তে চমকে উঠেছিল ভক্তমহল। আর যথারীতি তারই হাত ধরে আবারও ভাইরাল মালাইকা।

কেবল ডাবের জলেই স্টানিং লুক, প্রিয়ঙ্কার হট ফিগারের রহস্য কোথায়

priyanka

ডায়েট প্ল্যানিং মানেই সারা দিন ব্যালন্স করে বুঝে খাবার খাওয়া। নিজেকে ফিট রাখতে সেলেব মহল প্রতিটা মুহূর্তে নিজের পার্ফেক্ট ডায়েট মেনে চলেন। প্রিয়ঙ্কার ক্ষেত্রে বিষয়টা আরও গুরুতর। কারণ একটাই। পিগি চপস ও নিক জোনাসের সম্পর্কের সমীকরণ। ১০ বছরের ছোট স্বামীর পাশে বেমানান নন তো প্রিয়ঙ্কা! ট্রোলারদের খোরাক হতে নারাজ। তাই নিজের যত্নে কোনও রকমের খামতি রাখেন না প্রিয়ঙ্কা। 

আর তাই ফিগার ধরে রাখতে পিগি চপসের খাবারে সিক্রেটেই বাজিমাত। সকাল থেকে রাত তাঁর পাতে কী কী পদ থাকে জেনে নিন

priyanka

ব্রেকফাস্টে প্রিয়ঙ্কার চাই এক গ্লাস দুধের সঙ্গে ওট মিল খান। অথবা দুটো ডিম খান। লাঞ্চে খান দুটি রুটি, ডাল ও সবজি। বারোটার মধ্যে প্রিয়ঙ্কা দুপুরে খাবার খেয়ে থাকেন। সন্ধের জলখাবার হিসেবে টার্কি স্যান্ডউইটচ ও স্যালাড খান। শরীরচর্চার পর হালকা খাবার খেয়ে থাকেন তিনি।

ডিনারে সুপ, গ্রিলড চিকেন বা ফিশ খান। রাতে আটটার মধ্যে খাবার খেয়ে থাকেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। এছাড়া প্রতি দু ঘণ্টা অন্তর নারকেলের জলের সঙ্গে বাদাম খান তিনি। এতে শরীর চরতাজা থাকে ও রিফ্রেশ হয়ে যান পিগি চপস। শরীরকে হাইড্রেটেড রাখার জন্য অনেকটা জল খান। এতে ত্বকও ভালো থাকে।

সানবার্ন-ত্বকের স্পট মুহূর্তে হবে দূর, মধুর ম্যাজিকে হয়ে উঠুন বিউটিফুল

skin

মধুর গুণাগুণ সম্পর্কে আমরা অনেকেই ওয়াকিবহাল। তা সে মিষ্টি হিসাবেই হোক বা রূপচর্চার উপাদান হিসাবেই হোক না কেন। রূপচর্চায় প্রয়োগ করুন মধু, মিলবে মসৃণ সুন্দর ত্বক। 

রূপচর্চায় মধুঃ-

সান বার্ন কমায়ঃ– মধু ও অ্যালোভেরা জেলের মিশ্রণ ত্বকের রোদে পোড়া অংশে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩ বার করে অন্তত ২ মাস ব্যবহার করলে উপকার মিলবে।

ত্বকের দাগ দূর করেঃ– এক চামচ মধু ও এক চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে ত্বকের ক্ষত জায়গায় লাগান এবং ম্যাসাজ করুন। তারপর গরম জলে তোয়ালে ভিজিয়ে বেশ কিছুক্ষণ ভাপ নিন। ঠান্ডা হয়ে গেলে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

honey

চুলের ঔজ্জ্বল্য বজায় রাখেঃ– মধু ও জলের মিশ্রণ সপ্তাহে একবার চুলে লাগিয়ে রেখে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চুলের ঔজ্জ্বল্য বজায় থাকে।

হেয়ার কন্ডিশানার হিসাবেঃ– নারিকেল তেল ও মধুর মিশ্রণ ২০ মিনিট চুলে লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। তা অবশ্যই কন্ডিশানার হিসাবে উপকার দেবে।

ত্বকের রুক্ষতা দূর করেঃ– টকদই ও মধুর মিশ্রণ নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বকের রুক্ষতা দূর হয়।

ত্বকের ঔজ্বল্য বজায় রাখেঃ– মুলতানি মাটি ও মধুর মিশ্রণ ত্বকের পক্ষে সব থেকে উপকারি। সপ্তাহে অন্তত ৩ বার এই মিশ্রণ ব্যবহার করলে উপকার মিলবেই।

 

করণ জোহরের ফ্রেমে টোটা রায়চৌধুরীকে, স্ক্রিন শেয়ার করবেন রণবীর-আলিয়ার সঙ্গে

tota

বর্তমানে বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে রোহিত সেন নামেই অধিক পরিচিত টোটা রায়চৌধুরী। বেশ কিছু বাংলা সিনেমায় তার অভিনয় দর্শকদের ভালোবাসা কুড়িয়েছে। তবে এবার পাড়ি বলিউডে। কিন্তু এটাই প্রথম নয়। এর আগেও সুজয় ঘোষ এবং প্রদীপ সরকারের পরিচালনায় বলিউডে কাজ করেছেন টোটা। তবে এবারে বড় প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারে করণ জোহরের সিনেমায় অভিনয় করতে দেখা যাবে টোটাকে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী করণ জোহরের পরবর্তী সিনেমা ‘রকি আওর রানি কী প্রেম কাহিনি’ তে অভিনয় করতে দেখা যাবে তাকে। এই সিনেমায় মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন রণবীর এবং আলিয়া। সিনেমায় টোটার চরিত্র নেহাতি ছোট নয়, বরং গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করবেন তিনি। ফলত এখন থেকেই বেশ কয়েকবার মুম্বইতে পাড়ি দিয়েছেন ছোট পর্দার রোহিত সেন। আগামী সেপ্টেম্বর থেকেই এই সিনেমার শুটিং শুরু হবে। তাই এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করে দিয়েছেন টোটা। এই ছবির কারণে বেশ কিছুদিন টোটাকে মুম্বই থাকতে হবে। তাই এখন আপাতত কোনও বাংলা সিনেমায় হাত দিচ্ছেন না তিনি।

এখন প্রশ্ন হলো কীভাবে টোটা এতো বড় একটা সুযোগ পেলেন। এর প্রধান কারণ হল নেটফ্লিক্স-এ মুক্তি পাওয়া ‘অনকহি’ ছিবিতে টোটার দুর্দান্ত অভিনয়। টোটার এই অভিনয় দেখে করণ জোহর তাকে ‘রকি আওর রানি কী প্রেম কাহিনি’ ছবির অডিশনের জন্য ডেকে পাঠান। অডিশনে টোটার অভিনয় করণ এবং তার টিমের সবাইকে মুগ্ধ করে। এরপরই টোটাকে করণ সিনেমার জন্য সই করিয়ে নেন।

ভারতের বাজারে লঞ্চ করলো ওপ্পো রেনো ৬ সিরিজের দুটি ফোন

oppo reno 6

ভারতের বাজারে লঞ্চ হয়েছে ওপ্পো রেনো ৬ সিরিজের দুটি স্মার্টফোন। তার মধ্যে একটি ওপ্পো রেনো ৬ ৫জি এবং অন্যটি ওপ্পো রেনো ৬ প্রো ৫জি স্মার্টফোন। আপাতত একটিই র‍্যাম কনফিগারেশনে ভারতে লঞ্চ করেছে ওপ্পো রেনো ৬ সিরিজের এই দুটি ফোন। অসাধারণ কিছু ফিচারের সঙ্গে এই ফোন দুটির দামও বেশ নাগালের মধ্যে।

১) ভারতে ওপ্পো রেনো ৬ ৫জি এবং ওপ্পো রেনো ৬ প্রো ৫জি ফোনের দাম

১. ৮ জিবি র‍্যাম এবং ১২৮ জিবি স্টোরেজের কনফিগারেশনে ওপ্পো রেনো ৬ ৫জি ফোনের দাম করা হয়েছে ২৯,৯৯০ টাকা।
২. ওপ্পো রেনো ৬ প্রো ৫জি ফোনের ১২ জিবি র‍্যাম এবং ২৫৬ জিবি স্টোরেজ কনফিগারেশনে দাম ৩৯,৯৯০ টাকা।

২) ভারতে ওপ্পো রেনো ৬ ৫জি এবং ওপ্পো রেনো ৬ প্রো ৫জি ফোনের রং

আপাতত দুটি রং-এ ভারতের বাজারে পাওয়া যাবে ওপ্পো রেনো ৬ সিরিজের দুটি ফোন। তার মধ্যে একটি আরোরা স্টিল এবং অন্যটি স্টেলার ব্ল্যাক। ফ্লিপকার্ট, রিলায়েন্স ডিজিটাল, বিজয় সেলস, ক্রোমা, ওপ্পোর অনলাইন স্টোর এবং অন্যান্য বেশ কিছু জায়গা থেকে এই ফোন কেনা যাবে। এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ফোন কেনার ক্ষেত্রে, ট্রানজাকশন করলে ৪০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

৩) ওপ্পো রেনো ৬ ৫জি ফোনের ফিচার

১.এই ফোনটি পরিচালিত হবে Android 11-based ColorOS 11.3 দিয়ে। থাকবে ৬.৪৩ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস ফ্ল্যাট AMOLED ডিসপ্লে। যার রিফ্রেশ রেট ৯০Hz। Media Tek Dimensity ৯০০ প্রসেসরের সঙ্গে থাকছে ৮ জিবি র‍্যাম এবং ১২৮ জিবি স্টোরেজ। এই ফোনের ব্যাটারি ৪৩৩mAh। ফোনটির ওজন ১৮২ গ্রাম।
২. ওপ্পো রেনো ৬ ৫জি স্মার্টফোনের পিছনের দিকে থাকছে মোট ৩ টি ক্যামেরা। তার মধ্যে একটি ৬৪ মেগাপিক্সেলের মেন ক্যামেরা, একটি ৮ মেগাপিক্সেলের আলট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স এবং রয়েছে একটি ২ মেগাপিক্সেলেরএক্স ম্যাক্রো লেন্স। এছাড়াও ফ্রন্টে রয়েছে একটি ৩২ মেগাপিক্সেলের সেলফি শুটার।

৪) ওপ্পো রেনো ৬ প্রো ৫জি ফোনের ফিচার

১. এই ফোনটিতে রয়েছে ৬.৫৫ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস AMOLED ডিসপ্লে। এই ফোনের প্রসেসর Media Tek Dimensity ১২০০। ১২ জিবি র‍্যাম ও ২৫৬ জিবি স্টোরেজের সঙ্গে এই ফোনের ব্যাটারি ৪৫০০mAh । ফোনটির ওজন ১৭৭ গ্রাম।
২. ওপ্পো রেনো ৬ ৫জি ফোনের মতো সব সেনসরই রয়েছে এই ফোন। এছাড়াও 2 মেগাপিক্সেলের একটি অতিরিক্ত মোনো ক্যামেরাও রয়েছে। এর পাশাপাশি ফ্রন্টে রয়েছে ৩২ মেগাপিক্সেলের একটি সেলফি শুটার।

বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন কঙ্গনা-নাওয়াজ, ওটিটি প্ল্যাটফর্মে বাজবে বিয়ের সানাই

kangana ranaut

বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন কঙ্গনা রানাউত এবং নাওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী। তবে বিয়ের আয়োজন করা হবে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। আসলে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ‘টিকু ওয়েডস শেরু’ সিনেমার হাত ধরে প্রযোজক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন কঙ্গনা রানাউত। প্রযোজনার পাশাপাশি এই ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয়ও করতে দেখা যাবে তাকে। অন্যদিকে কঙ্গনার বিপরীতে অভিনয় করবেন নাওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী।

এই প্রথম বার একসঙ্গে জুটি বাঁধতে চলেছেন কঙ্গনা এবং নাওয়াজ। সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রামে নাওয়াজের একটি ছবি পোস্ট করেন কঙ্গনা। তিলি লেখেন “আপনাকে আমাদের টিমে স্বাগত স্যার”। কঙ্গনা এবং নাওয়াজ ছাড়া এই ছবিতে আর কারা অভিনয় করবেন তা নিয়ে মুখ খোলেননি তিনি। কঙ্গনার মতে এই প্রজন্মের সেরা অভিনেতাকে নিজেদের টিমে পেয়ে তিনি খুবই আপ্লুত। কিছু দিনের মধ্যেই ‘টিকু ওয়েডস শেরু’ এর শুটিং শুরু হতে চলেছে।

kangana

সূত্রের খবর অনুযায়ী ছবিটিতে নায়ক নায়িকা অর্থাৎ নাওয়াজ আর কঙ্গনার বিয়ে নিয়েই তৈরি হয়েছে গল্প। এর আগেও বড় পর্দায় প্রযোজনার কাজ করেছেন কঙ্গনা। তাঁর প্রযোজনার ছবি ‘মণিকর্ণিকা’ দর্শকদের থেকে ভালো সাড়া পেয়েছিল। এছাড়াও সিনেমাটি বক্স-অফিসে ভালো ব্যবসাও করেছিল। সেই সাফল্যের সূত্র ধরেই আবারও প্রযোজনা করছেন কঙ্গনা। তবে এবার ওটিটি প্ল্যাটফর্মে।

মণিকর্ণিকার মতো এই ছবিতেও সাফল্য পাবেন বলে আশাবাদী পর্দার কুইন। অন্যদিকে কঙ্গনার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে নাওয়াজ নিজেও বেশ খুশি। নাওয়াজের কথায় কঙ্গনা খুবই ভালো অভিনেতা। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে ভালো লাগবে। সূত্রের খবর অনুযায়ী প্রথমে এই সিনেমার জন্য প্রয়াত অভিনেতা ইরফান খানকে পছন্দ করা হয়েছিলো। তবে অভিনেতার প্রয়াণের পর নাওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীকে সই করানো হয়। সব মিলিয়ে কঙ্গনা এবং নাওয়াজের জুটি দেখার জন্য দর্শকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

শরীরি উষ্ণতায় সোশ্যাল মিডিয়া গরম, সাহসী পোশাকে ঝড় ঋতাভরীর

ঋতাভরী চক্রবর্তী। এক কথায় বলতে গেলে যাঁর লুক থেকে ফিগার, হট পোজের ঝড়ে কাবু ভক্তমহল। টলিউড থেকে বলিউড, অভিনয়গুণ তিনি নজর কেড়েছেন সকলের। গানের গলাও যে নেহাতই খারাপ নয়, মিলেছে তাঁর প্রমাণও। সদ্য ভাইরাল হয়েছে ঋতাভরীর গান। করোনার চোখরাঙানিতে রাজ্যে আংশিক লকডাউন, স্বাভাবিকভাবেই ঘরবন্দি মানুষ। ঋতাভরীরও সময় কাটছে চার দেওয়ালের মধ্যে। তবে নেটদুনিয়ায় বিকিনি শর্টে রীতিমতো নেটিজেনদের ঝড় তুলেছেন নায়িকা।

মন ভাল করতে স্মৃতির পাতায় চোখ রাখেন ঋতাভরীয়। এবারও তেমনটাই করেছেন। নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় থ্রো-ব্যাক ভিডিও শেয়ার করেই সাইবারবাসীর ঘুম উড়িয়েছেন বঙ্গতনয়া। হট প্যান্ট- প্রিন্টেড বিকিনিতে বিচ লুকে টলি ফ্যাশনিস্তা যেন বলিউডকেও টেক্কা দিতে প্রস্তুত।

ritabhari chakraborty

ঋতাভরী চক্রবর্তীকে নিয়ে সর্বদাই সরগরম টলিপাড়া। সোশ্যাল মিডিয়ার উত্তাপ বাড়াতে বেশ সিদ্ধহস্ত টলি কুইন। একের পর এক সাহসী ছবিতে ঘায়েল হয়েছে সাইবারবাসী অন্তর্বাসের উপর দিয়ে বেরিয়ে এসেছে ক্লিভেজের খাঁজ। ঝড়ের গতিতে ভাইরাল ঋতাভরীর বোল্ড লুক। ইনস্টাগ্রামে স্লো মোশন ভিডিও দেখেই ঘাম ঝরছে ভক্তদের। ব্যক্তিগত জীবন হোক কিংবা ফ্যাশন সবসময়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন ঋতাভরী চক্রবর্তী। টলিপাড়ার বাঙালি অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী যেন নেটদুনিয়ার হটকেক।

৯০ কোটি দেনার দায় অমিভাভের মাথায়, হাত পাততে বাধ্য বিগ বি

amitabh bachchan

অমিতাভ বচ্চন বলে কথা। যাঁর প্রতিটা পদক্ষেপে বলিউডে ঝড় ওঠে। সেই অভিনেতার আবার টাকার টান! অবিশ্বাস্য। মুম্বই শহরের বুকে তাঁর রয়েছে পাঁচ-পাঁচটি বাংলো। একের পর এক ছবির প্রস্তাব এখনও তাঁর হাতে। সেই মানুষটা টাকার জন্য হাত পাচ্ছে! বিশ্বাস করতে একটু অসুবিধে হলেও তা অবাক কাণ্ড নয়। সত্যিই এই পরিস্থিতি দিয়ে যেতে হয়েছিল বচ্চন পরিবারকে। 

এই পরিস্থিতিতে অভিষেক বচ্চনকেও ছাড়তে হয়েছিল পড়াশুনা। নিজের এক কম্পানি খুলে বসেছিলেন অমিতাভ বচ্চন। নাম দিয়েছিলেন এবিসিএল। এটাই ছবি শাহেনশার মস্ত ভুল। রীতিমত ক্ষতির মুখ দেখতে শুরু করে এই সংস্থার। মানুষের কাছে লক্ষ লক্ষ টাকা বাকি পড়তে থাকে। বাড়িতে নিত্য পাওনাদারদের ভিড়, পরিস্থিতি ক্রমেই বেসামাল হয়ে ওঠে। 

amitabh bachchan

এমনই অবস্থায় অমিতাভ সাহায্যের জন্য দরজায় দরজায় ঘুরতে শুরু করেন। প্রয়োজন অনেক টাকার। তখনই তিনি প্রস্তাব পান কউন বনেগা ক্রোড়পতীর সঞ্চালক হওয়ার। এরপর একের পর এক টাকা ফেরত দিতে শুরু করেন তিনি। হাতে ছিল না সেই সময় তেমন কোনও টাকা। ফলে ছবির জন্য কাকুতি-মিনতি করতে হয় তাঁকে। আর তৈরি হয় মহব্বতে। সেই ছবি থেকে অমিভাব পার্ট ২ সফর শুরু। এরপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি অমিতাভ বচ্চনকে। 

দয়া করে আমাকে কাজ দিন, করুন আর্তি সলমন-আমিতাভের সহ-অভিনেতার

bollywood

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছেন বলিউডে। সলমন খান এবং অমিতাভ বচ্ছনের সঙ্গে অনেক ছবিতে কাজ করেছেন বাবা খান। কিন্তু করোনা অতিমারিতে বদলে গিয়েছে সব কিছু। লকডাউনে সবকিছু খুয়িয়ে সর্বস্বান্ত বাবা। এক সময় বিগ বস-এর জল্লাদ হিসেবে বেশ নামডাক হয়েছিলো তাঁর। খবরের শিরনামেও এসেছিলেন এই অভিনেতা। তবে বলিউডের একাধিক প্রতিভাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেশি দূর পারি দিতে পারেনি।

এক সময় বডিগার্ড, ওয়ান্টেড, বীর, জানেমন-এর মতো ছবিতে সলমনের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন বাবা। অমিতাভ বচ্ছনের ডিপার্টমেন্ট ছবিতেও তাকে একটি ছোট চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায়। তবে বর্তমান পরিস্থিতি অন্য কথা বলছে। এতো বছর ধরে একাধিক ছবিতে কাজ করেও বর্তমানে কর্মহীন বাবা খান। চারিদিকে পাগলের মতো কাজ খুঁজে বেরাছেন। কিন্তু মিলছে না কোনও সুরাহা।

bollywood

মুম্বাইয়ের এক সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘এক সময় প্রচুর কাজ করেছিলাম। কিন্তু লকডাউনের পর থেকে আর কাজ পাচ্ছি না। প্রতিদিনই কাজ খুঁজতে বেরছি, তবে প্রতিবারই আমাকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে’। পেশাগত জীবনের শুরু থেকে বরাবরই নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করে এসেছেন তিনি। এর ফলেই হয়তো অন্য কোনও চরিত্রে সুযোগ পাচ্ছেন না, এমনই মত বাবার। তিনি আরও বলেন ‘সব পরিচালক, প্রযোজক, কাস্টিং পরিচালকদের আমি অনুরোধ করছি, তারা যাতে আমাকে কাজ দেন। যে কোনও চরিত্র হলেই চলবে। আমার আর কিছু চাই না’। একাধিক বার সংবাদমাধ্যমের কাছে এই করুন আর্তি করে চলেছেন বাবা খান।

দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে প্রায় ৫৮৩০ টি শূন্যপদে কর্মী নিয়োগ করা হবে

bank

দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে ক্লার্ক পদে ৫৮৩০ টি শূন্যপদে কর্মী নিয়োগ করা হবে। এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ইনস্টিটিউট অফ ব্যাংকিং পার্সোনাল সিলেকশন(ibps)। যে কোনও ভারতীয় নাগরিক এই পরীক্ষায় বসতে পারবেন। ইতিমধ্যেই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে।

১) কোন কোন ব্যাংকে কর্মী নিয়োগ করা হবে

ব্যাঙ্ক অফ বরোদা, ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া,ব্যাংক অফ মহারাষ্ট্র, কানারা ব্যাঙ্ক, সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্ক, ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাঙ্ক, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক, পাঞ্জাব এন্ড সিন্ড ব্যাঙ্ক, ইউকো ব্যাংক,ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া।

২) প্রার্থীদের বয়সগত যোগ্যতা

পরীক্ষায় বসার জন্য প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ২০ থেকে ২৮ বছরের মধ্যে। এর পাশাপাশি সংরক্ষিত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বয়সের ঊর্ধ্বসীমায় ছাড় দেওয়া হবে।

৩) প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা

ভারত সরকার অনুমোদিত যে কোনও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হতে হবে। কম্পিউটারে কোনও সার্টিফিকেট বা ডিপ্লোমা ডিগ্রি থাকতে হবে।

৪) অনলাইন পরীক্ষার পদ্ধতি

১. প্রিলিমিনারি পরীক্ষা – মোট ১০০ নম্বরে পরীক্ষা হবে। তাঁর মধ্যে ইংরেজিতে ৩০ নম্বর, নিউমেরিক্যাল এবিলিটিতে ৩৫ নম্বর এবং রিজনিং এবিলিটিতে ৩৫ নম্বর।

২. মেন পরীক্ষা – মোট ২০০ নম্বরে পরীক্ষা হবে। তাঁর মধ্যে জেনারেল/ফিনান্সিয়াল অ্যাওয়ারনেস ৫০ নম্বর, জেনারেল ইংলিশে ৪০ নম্বর, রিজনিং এবিলিটি ও কম্পিউটার aptitude ৬০ নম্বর এবং কোয়ান্টিটেটিভে aptitude ৫০ নম্বর।

৫) আবেদন ফি
অসংরক্ষিত প্রার্থীদের আবেদন করার জন্য ৮৫০ টাকা দিতে হবে। অন্যদিকে সংরক্ষিত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১৭৫ টাকা ধার্য করা হয়েছে।

৬) আবেদন পদ্ধতি
আবেদন করার আগে প্রার্থীর স্ক্যান করা ছবি, সই এবং বাম হাতের বুড়ো আঙ্গুলের ছাপ সঙ্গে রাখতে হবে। এবারে IBPS এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে হোমপেজে লিখিত পরীক্ষার (CRP Clerks- XI) লিংকটিতে ক্লিক করুন। সেখানে আবেদনপত্রটি যথাযথভাবে পূরণ করে, স্ক্যান করা ফটো, সই এবং বাম হাতের বুড়ো আঙ্গুলের ছাপ আপলোড করতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ দিন ১ আগস্ট ২০২১। বিস্তারিত জানার জন্য www.ibps.in লিঙ্কে ক্লিক করুন।

হয়তো একেই বলে ম্যাজিক, পান্তা ভাত আর আলু সেদ্ধর ম্যাজিক মাস্টারসেফে

master chief

বাঙালিদের কাছে পান্তা ভাত এবং আলু সেদ্ধ খুবই চেনা খারাব। তবে এই খাবার যে মাস্টারসেফ অস্ট্রেলিয়ার বিচারকদের মনমুগ্ধ করবে তা কে ভাবতে পেরেছিল। সম্প্রতি মাস্টারসেফ অস্ট্রেলিয়ার সেমিফাইনাল রাউন্ডে এই পদ রান্না করে বিচারকদের মন জয় করে নিয়েছেন বাংলাদেশের বংশদূত কিশোর চৌধুরী।

কিশোরের কথায় ‘এটি এমন খাবার যা কোনও রেস্টুরেন্টে পাবেন না’। এর আগে খিচুড়ি এবং বেগুন ভর্তা দিয়ে মন জয় করেছিলেন বিচারকদের। তারপর পান্তা ভাত দিয়ে ফাইনালে প্রবেশ করলেন কিশোর। তিন বিচারক কিশোরের রান্নার সুনামে পঞ্চমুখ। সেমিফাইনাল রাউন্ডে দুই জন প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে লড়াই করে টপ থ্রি-তে পাকাপাকি ভাবে নিজের জায়গা করে নেন ৩৮ বছরের এই প্রিন্ট বিজনেস ওম্যান। শুধু কী পান্তা ভাত! ফুচকা, চটপটি, মাছের ঝোল এর মতো একের পর এক বাঙালি রান্নায় সবার মন জয় করে নেন কিশোর। বিশেষ করে তাঁর মাছের ঝোল ডিসটি সাড়া বিশ্বের দরবারে প্রশংসা কুড়োয়।

recipe

বিশ্ববিখ্যাত শো মাস্টারসেফ অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম লড়াকু প্রতিযোগী কিশোর। তবে তাঁর জন্ম এবং বেড়ে উঠা সবই অস্ট্রেলিয়ায়। হাই স্কুলে প্রেম করে সাতপাকে বাধা পরেন কিশোর। বর্তমানে তাঁর ১১ বছরের একটি ছেলে এবং ৪ বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। মাস্টারসেফ অস্ট্রেলিয়ার সিজন ১১-এ অংশগ্রহণ করেছেন কিশোর। সব মিলিয়ে একের পর এক বাঙালি রান্নার মাধ্যমে, বলে বলে ছকা হাঁকছেন এই বাংলাদেশি তনয়া। 

বর্ষার সময় পায়ের সঠিক পরিচর্যা, ঘরোয়া টিপসেই দেখুন ম্যাজিক

foot

শরীর যতই বড় হোক না কেন তার সম্পুর্ণ ভার বহন করে আমদের দুটি পা। মস্তিষ্কের সাথে আমদের পায়ের একটি সম্পর্ক আছে, তা আমরা জানি। তার জন্য আমদের সবসময় পায়ের যত্ন নেওয়াটা অত্যন্ত জরুরী। কারণ সারাদিন অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থেকে অনেক বেশি ধকল সহ্য করে আমদের দুটি পা। আরও ভালো করে বলতে গেলে আমাদের দুটি পায়ের পাতা।

আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে যত্ন নেবেন আপনার দুটি পায়েরঃ-

  • শুকনো রাখুন- এই স্যাঁতস্যাঁতে বর্ষায় পায়ের পাতা যত সম্ভব শুকনো রাখার চেষ্টা করুন। তাতে আঙ্গুলের মাঝে হাজা বা দাদ জাতীয় রোগ হবে না।
  • বৃষ্টির জল ধুয়ে ফেলুন- বর্ষায় বাইরে ছাতা নিয়ে বেরোলে মাথা হয়তো বাঁচে তবে যাবতীয় নোংরা জলের থেকে কিন্তু পায়ের পাতাকে কেউ বাঁচাতে পারে না। তাই সবার আগে অ্যান্টিসেপ্টিক লিকুইড জলে মিশিয়ে ভালো করে পা দুয়ে ফেলুন। তারপর শুকনো করে মুছে নিন।
  • স্ক্র্যাব করুন- অনেকের সারা বছরই পায়ের চামড়া ফেটে থাকে, তাই কিছুদিন ছাড়াছাড়া পায়ের পাতা স্ক্র্যাব করুন। চামড়ায় এবং আঙ্গুলে ঢুকে থাকে নোংরা বেরিয়ে যাবে এবং ব্যাক্টেরিয়ারা পায়ে জমার সুযোগ পাবে না।
  • ময়েশ্চরাইজার- স্ক্র্যাব হয়ে গেলে ভালো করে পুরো পায়ে ময়েশ্চরাইজার লাগান। না হলে চামড়া ফেটে যাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাবে।
  • বাড়িতে থাকুন- যদি বর্ষাকালে পায়ের পাতায় কোনও দাদ-হাজার সমস্যা দেখেন তাহলে বাড়িতে থাকার চেষ্টা করুন। নাহলে বৃষ্টির জল ও রাস্তার নোংরা জলে আরও রোগ বাড়বে।
  • পা পরিষ্কার রাখুন- সময় মত নখ কেটে, পায়ে ম্যানিকিওর করে পা পরিষ্কার রাখুন।

কয়েকটি ঘরোয়া পদ্ধতি পায়ের যত্ন নেওয়ার জন্যঃ-

  • লেবু ও গুঁড়ো চা পাতা- উষ্ণ গরম জলে অর্ধেক পাতিলেবুর রস ও গুঁড়ো চা পাতা মিশিয়ে নিয়ে ২০-২৫ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন, তাতে পায়ে রক্তচলাচল সঠিকভাবে হবে, সুস্থ বোধ করবেন।
  • নুন ও বেকিং সোডা- তিন চামচ বেকিং সোডার মধ্যে একটু নুন নিয়ে উষ্ণ গরম জল ও পারলে একটু গোলাপ জল ও নারকেল তেল মিশিয়ে নিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। তারপর সেটিকে স্ক্র্যাবার হিসাবে পায়ের পাতায় ব্যবহার করুন তাতে পায়ের সুস্বাস্থ্য বজায় থাকবে।
  • টকদই ও পাকা আনারস- টকদই ও পাকা আনারস নিয়ে তার সাথে একটু চিনি মিশিয়ে পায়ে ম্যাসাজ করুন। তাতে পা কোমল ও স্বাস্থ্যকর হবে।

এই কিছু ঘরোয়া পদ্ধতির মাধ্যমে বর্ষাকালে নিজের ও পরিবারের সকলের পায়ের যত্ন নিন।

আপনার সন্তানের কী স্মৃতি নষ্ট হতে বসেছে, তবে অবশ্যই ডায়েট পাল্টে ফেলুন

mental health

স্মৃতিশক্তি আমাদের জন্য কতটা প্রয়োজন তা বলার অবকাশ থাকে না। ভুলে যাওয়া খুবই সাধারণ প্রক্রিয়া। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বিশ্বজুড়ে ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশ বৃদ্ধি সম্পর্কে এক ভয়ংঙ্কর তথ্য প্রদান করেছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বিশ্বে স্মৃতি শক্তি সমস্যাজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ কোটি ৭৫ লক্ষ। প্রতিবছর এই দলে যুক্ত হচ্ছে আরও ৭০ লক্ষ ৭০ হাজার মানুষ। মস্তিষ্কে থাকা বিভিন্ন উপাদানের কর্ম ক্ষমতা ধরে রাখতে কিছু বিশেষ খাদ্য আছে, তা যদি আমাদের রোজদিনের খাদ্যতালিকায় থাকে তাহলে স্মৃতিভ্রংশ হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

সেই খাদ্যগুলি সম্পর্কে জানব-

মাছ

তৈলাক্ত মাছ স্মৃতি শক্তি বাড়াতে উপকারী, যেমন- স্যামন, সার্ডিন, টুনা, ম্যাকারেল ইত্যাদি মাছ নিয়মিত খাওয়া উচিত। মাছের চর্বি মাছের চর্বিতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড আছে, যা মস্তিষ্কের গঠন ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে খুবই সহায়তা করে। অনাগত সন্তানের সুস্বাস্থ্যের এবং মস্তিষ্কের গঠনের জন্য সপ্তাহে দু তিন দিন মাছ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

টমেটো

টমেটো স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। টমেটোতে রয়েছে লাইকোপেন। যা খুবই শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। নিয়মিত স্যালাডের সাথে টমেটো খেলে তা মস্তিষ্কের জন্য বিশেষ উপকারী।

ভিটামিন ‘বিসমৃদ্ধ খাবার

ভিটামিন বি, বি-৬, বি-১২ সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খাওয়া প্রয়োজন। মাছ, মাংস, ডিম এবং শাক-সব্জিতে এগুলি প্রচুর মাত্রায় থাকে।

শষ্য জাতীয় খাবার

শষ্য জাতীয় খাবার যেমন- কাঠবাদাম, ব্রকোলি, কুমড়োর দানা মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য বিশেষ উপকারী। তাই রোজ একটু করে খাওয়া ভালো।

মধু ও দারুচিনি

মধু ও দারুচিনি স্নায়ুকে শিথিল করে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে কিছু পরিমাণ দারুচিনি নাকে নিয়ে শুকলেও স্মৃতিশক্তি বাড়ে এবং রাতে ঘুমানোর আগে শুঁকলে মানসিক চাপ কমে, ঘুম ভালো হয়।

সূর্যমূখীর বীজ

এই বীজে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-ই থাকে যা মস্তিষ্কের কার্যাবলীকে মসৃণ গতিতে পরিচালিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বেরি

স্ট্রবেরি, ব্ল্যাকবেরি, ব্লুবেরিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে যা মস্তিষ্কে সংকেত পাঠানোর পথকে শক্তিশালী করে।

বিটমূল

এর মধ্যে নাইট্রেটের পরিমাণ বেশি থাকায় এটি মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ করতে সাহায্য করে। ডিমেনশিয়া আক্রান্তদের মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ স্বাভাবিক করে।

কালো চকলেট

এর মধ্যে প্রাকৃতিক উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী উপাদান এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে। এছাড়াও এর মধ্যে থাকা ক্যাফেইন মস্তিষ্ক এবং মেজাজ ঠিক রাখে। এই খাবারগুলি অবশ্যই রোজদিনের খাদ্য তালিকায় রাখা উচিত, শুধু মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্যই নয়, সুস্বাস্থ্যের জন্যও। আর এর সাথে বিভিন্ন ধরণের ব্যায়াম এবং প্রাতঃভ্রমণ মস্তিষ্কের জন্য ভালো। আর যারা ঘরে থাকেন তারা যেকোনো ধারাবাহিক সিরিয়াল কম দেখুন।

বলিউডের খিলাড়ি অক্ষয় কুমারের না জানা কিছু ইতিহাস, জানলে আপনিও অবাক হবেন

akshay kumar

খিলাড়ি, খিলাড়ি বটে। বলিউডের প্রথম সারির সুপারস্টারদের মধ্যে তিনি অন্যতম। কখনও রোম্যান্টিক হিরো, কখনও অ্যাকশান আবার কখনো কমেডি সব অবতারেই দর্শকদেরকে মাতিয়ে রেখেছেন তিনি। অক্ষয় তাঁর ৩০ বছরের বলিউড সফরে একশোরও বেশি সিনেমায় কাজ করেছেন। তবে সুপারস্টার হয়ে ওঠার পিছনে ছিল অনেক বড় সংগ্রাম। অক্ষয় সিনেমায় কাজ করার আগে এমন অনেক কাজ করেছেন যা শুনলে আপনারা অবাক হবেন।

akshay kumar

চলুন জেনে নেওয়া যাক খিলাড়ি অক্ষয়ের জীবনের অজানা কিছু ইতিহাস।

১) অনেকেই হয়তো জানেন না অক্ষয় কুমারের আসল নাম রাজিব হারিওম ভাটিয়ার। তবে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে আসার আগে তিনি নাম বদলে অক্ষয় কুমার করুন।

২) অক্ষয় তাঁর পোর্ট ফলিও বানানোর জন্য নাম করা ফটোগ্রাফার জায়েত সেতের কাছে যান। তবে তাঁর কাছে পোর্ট ফলিও বানানোর মতো টাকা ছিল না। তাই অক্ষয় সেই ফটোগ্রাফারের সঙ্গে প্রায় দের বছর বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করেন এবং তাঁর পর নিজের পোর্ট ফলিও বানান।

৩) সবাই জানেন যে অক্ষয়ের প্রথম সিনেমা সগাদ। তবে এর আগে মহেস ভাটের আজ সিনেমাতে অক্ষয় ১০ সেকেন্ডের একটি চরিত্রে অভিনয় করেন।

৪) ১৯৯৪ সালে অক্ষয়ের ১১ টি সিনেমা রিলিজ করে। যা রেকর্ড তৈরি করে। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই ছিল বাস্তব। তবে ওই ১১ টি সিনেমার মধ্যে ৯ টি সিনেমাই ফ্লপ হয়।

৫) অভিনয় কেরিয়ারে একাধিক সিনেমা ফ্লপ হওয়ার কারণে ২০১১ সালে অক্ষয় ঠিক করেন অভিনয় ছেড়ে দিয়ে তিনি কানাডায় চলে যাবেন। যার জন্য অক্ষয় কানাডার নাগরিকত্বও নিয়েছিলেন।

৬) অক্ষয় তাঁর স্কুলের লেখাপড়া শেষ করে, মার্শালআর্ট শেখার জন্য থাইল্যান্ড যান। সেখানে নিজের হাত খরচ চালানোর জন্য তিনি একটি রেস্টুরেন্টে কাজ করতেন।

৭) একটা সময় অক্ষয় বাংলাদেশের একটি রেস্টুরেন্টে রান্নার কাজও করতেন। থাইল্যান্ডে থাকা কালীন তিনি যে রেস্টুরেন্টে কাজ করতেন সেখান থেকেই অক্ষয় রান্না শেখেন।

৮) অক্ষয়কে তাঁর একজন মার্শালআর্ট স্টুডেন্টের বাবা প্রথম একটি ফার্নিচারের বিজ্ঞাপনে মডেলিং-এর সুযোগ করে দেন। সেই বিজ্ঞাপন থেকে অক্ষয় ৫০০০ টাকা পারিশ্রমিক পান।

কোল্ড ড্রিংক খেতে পছন্দ করেন! জানুন লুকিয়ে কী কী ক্ষতি

cold drink

একটু ভালোমন্দ খওয়া হলেই কোল্ড ড্রিংক খেতেই হবে। খুব গরমে ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফিরেই, ফ্রিজ খুলে ঢক ঢক করে কোল্ড ড্রিংক খওয়া অনেকেরই অভ্যাস। এছাড়াও অনেকেই কোল্ড ড্রিংককে নিজেদের রোজকার ডায়েটের অবিছেদ্দ অঙ্গ করে নিয়েছে। যদি আপনিও তাদের মধ্যে একজন হয়ে থাকেন তাহলে সাবধান। কোল্ড ড্রিংক কিন্তু শরীরে বেশ কিছু ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এছাড়াও কোল্ড ড্রিংক পান করার কিছুক্ষণের মধ্যে ব্রেন থেকে ডোপামিন নামে একটি হরমোন নির্গত হয়। যার ফলে কোল্ড ড্রিংকের প্রতি মানুষের আসক্তি দেখা দেয়। যার ফলে বার বার কোল্ড ড্রিংক খেতে ইছা করে।
কোল্ড ড্রিংকে সাধারণত কার্বনের ওয়াটার, চিনি, রং এবং কিছু ক্ষতিকর অ্যাসিড থাকে। এই সমস্ত উপাদান আমাদের শরীরে বিভিন্ন ক্ষতির কারন হয়ে দাড়ায়।

১) কোল্ড ড্রিংকে প্রচুর পরিমাণে চিনি ব্যাবহার করা হয়। এই অতিরিক্ত চিনি খেলে শরীরে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দেখা দেয়। জানলে অবাক হবেন যে ৩০০ মিলি কোল্ড ড্রিংকে প্রায় ৪০ গ্রাম চিনি ব্যাবহার করা হয়। অর্থাৎ যখন আপনি ৩০০ মিলি কোল্ড ড্রিংক খাছেন, আপনার শরীরে প্রায় ৮ চামচ চিনি প্রবেশ করছে। যার ফলে আপনার শরীরে ব্যাপক ভাবে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি পাছে।

২) কোল্ড ড্রিংকে থাকা ফসফরিক এসিডের কারনে শরীরে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, এবং জিংক এর মতো খনিজ পদার্থ কমতে থাকে। এর ফলে হার ও মাংসপেশি দুর্বল হয়ে যায়।

৩) কোল্ড ড্রিংকে একধরণের সোডা থাকে যা খাবার হজম করতে সাহায্য করে। তবে তার পাশাপাশি এটি শরীরে রক্ত চাপ বাড়িয়ে দেয়। যার ফলে অনেক সময় মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।

৪) প্রতিদিন কোল্ড ড্রিংক পান করলে ডায়াবেটিস, আলসার, এবং হার্টএটাক এর মতো মারাত্মক রোগ হতে পারে।

৫) কোল্ড ড্রিংক খেলে অকাল বার্ধক্যের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। শুধু তাই নয় ধীরে ধীরে কোল্ড ড্রিংক মানুষের মনে হিংস্রতার প্রবণতা বাড়ায়।

ভারতের বাজারে লঞ্চ হলো Realme C11 2021

Phone

রিয়েলমি সংস্থা ভারতের বাজারে লঞ্চ করলো তাঁদের সি সিরিজের নতুন স্মার্টফোন রিয়েলমি সি১১ ২০২১। গত বছর রিয়েলমি সি১১ লঞ্চ করেছিল ভারতে। এরপর অবশ্য রিয়েলমি-এর বেশ কিছু স্মার্টফোন লঞ্চ হয়েছে ভারতে। তাঁর মধ্যে রিয়েলমি নারজো ৩০ এবং রিয়েলমি নারজো ৩০ ৫জি ফোন দুটি ভারতের বাজারে ভালো ব্যবসা করেছিল। এছাড়াও রিয়েলমি সি১১ ও সফলতা পেয়েছিল। সেই সফলতার ধারা বজায় রাখতে আবারও রিয়েলমি ভারতের বাজারে নিয়ে এলো তাঁদের বাজেট ফ্রিন্ডলি সি১১ ২০২১ স্মার্টফোন।

১) রিয়েলমি সি১১ ২০২১ ফোনের রঙ
আপাতত কুল ব্লু এবং কুল গ্রে এই দুটি রঙয়েই পাওয়া যাবে সি১১ ২০২১। রিয়েলমির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা ই-কমার্স সংস্থা ফ্লিপকার্ট এর পাশাপাশি অন্যান্য মেনলাইন রিটেল চ্যানেল থেকেও ফোনটি কেনা যাবে।

২) রিয়েলমি সি১১ ২০২১ স্মার্টফোনের ফিচার

১. রিয়েলমি সি১১ ২০২১ ফোনে রয়েছে octa-core UNISOC SC9863A প্রসেসর। এছাড়াও রয়েছে 1.6gGHz Arm Cortex-A55 প্রসেসর আর্কিটেকচার।
২. ৬.৫ ইঞ্চির ডিসপ্লের সঙ্গে রয়েছে একটি মিনি ড্রপ নচ। এখানেই রয়েছে একটি সেলফি ক্যামেরা।
৩. রিয়েলমি সি১১ ২০২১ ফোনে রয়েছে একটি সিঙ্গল ৮ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি ক্যামেরা। এর পাশাপাশি ফ্রন্টে রয়েছে ৫ মেগাপিক্সেলের একটি সেলফি শুটার।
৪. এই ফোনের ব্যাটারি ৫০০০mAh. প্রধানত ২ জিবি র‍্যাম এবং ৩২ জিবি স্টোরেজের সিঙ্গেল ভ্যারিয়েন্টে লঞ্চ করেছে এই ফোনটি।

৩) রিয়েলমি সি১১ ২০২১ ফোনের দাম
ভারতের বাজারে রিয়েলমি সি১১ ২০২১ স্মার্টফোনের দাম করা হয়েছে ৬,৯৯৯ টাকা।

বড় খবর, ভারতীয় স্টেট ব্যাংকে প্রায় ৬০০০ শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে

sbi

ভারতীয় স্টেট ব্যাঙ্ক তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী গোটা দেশ জুড়ে প্রায় ৬০০০ শূন্যপদে শিক্ষানবিস নিয়োগ করা হবে। প্রশিক্ষণের সময়সীমা থাকবে এক বছর। প্রশিক্ষণের সময় প্রতিমাসে শিক্ষানবিশ স্টাইপেন হিসেবে ১৫ হাজার টাকা পাবেন। দেশের প্রতিটি জেলা থেকেই এই নিয়োগ কর্মসূচি চলবে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ থেকে সর্বমোট ৭১৫ টি শূন্য পদে নিয়োগ করা হবে।

১. মোট শূন্যপদ – ৬১০০ টি (এসসি – ৯৭৭, এসটি – ৫৬৭, ওবিসি – ১৩৭৫, ডিডাব্লিউএস – ৬০৪, ইউআর – ২৫৭৭)।

২. আবেদনের বয়স কত যোগ্যতা – শিক্ষানবিস পদে আবেদন করার জন্য আবেদনকারীদের বয়স হতে হবে ২০ থেকে ২৮ বছরের মধ্যে। সংরক্ষিত প্রার্থীরা নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ বয়স সীমায় ছাড় পাবে।

৩. আবেদনের শিক্ষাগত যোগ্যতা – আবেদনকারীদের যেকোনো অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় অথবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে যেকোনো বিষয়ে গ্রাজুয়েশন পাশ থাকতে হবে। ৩১/১০/২০২১ তারিখের মধ্যেই শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পন্ন হতে হবে।

৪. আবেদন ফি – জেনারেল/ওবিসি/ই ডাবলু এস প্রার্থীদের ক্ষেত্রে আবেদন ফি বাবদ ৩০০ টাকা জমা দিতে হবে। এস সি/এস টি/পি ডব্লিউ ডি প্রার্থীদের ক্ষেত্রে কোনো রকম আবেদন ফি লাগবে না। আবেদন ফি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৬ জুলাই ২০২১।

৫. আবেদন পদ্ধতি – প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। www.bank.sbi/careers অথবা www.sbi.co.in/careers ওয়েবসাইটে গিয়ে সরাসরি আবেদন করতে পারবেন। প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এরপর রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে আবেদন করতে হবে। আগামী ২৬ শে জুলাই ২০২১ তারিখ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। বিস্তারিত জানতে http://www.bfsissc.com লিংকে ক্লিক করুন।

নতুন নিয়মে কড়াকড়ি সৈকতশহর, দিঘায় যাওয়ার প্ল্যান করার আগে জেনে রাখুন

digha

লকডাউন শিথিল হতেই রাজ্যের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন পর্যটন প্রেমিরা। এর মধ্যে সবচে বেশি ভিড় দিঘার সমুদ্রসৈকতে। কার্যত সেই ভিড়ে লাগাম টানতে সোমবার নির্দেশিকা জারি করলো কাঁথি মহকুমা প্রশাসন। নির্দেশিকা অনুযায়ী এবার থেকে দিঘায় আসতে গেলে পর্যটকদের সঙ্গে রাখতে হবে করোনা টিকার সার্টিফিকেট। তবে করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট থাকলেও চলবে।

নয়া নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, করোনার তৃতীয় ঢেউকে প্রতিহত করতেই এই এই সিরধান্ত নিয়েছে কাঁথি প্রশাসন। কাঁথির মহকুমাশাসক আদিত্যমোহন হিরানি নির্দেশিকা জারি করে বলেন, দিঘায় আসার ৪৮ ঘণ্টা আগে করা করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট মান্যতা পাবে। তবে ৪৮ ঘণ্টার আগে করা করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট কোনও ভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না। এর পাশাপাশি হোটেলে প্রবেশের আগে প্রত্যেক পর্যটকদেরই করোনার দুটি টিকা নেওয়ার সার্টিফিকেট দেখাতে হবে। এই বিষয়ে সমস্ত হোটেলগুলিকে ইতিমধ্যেই অবগত করা হয়েছে। বিধিনিষেধ না মানলে করা ব্যাবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়ে দেন মহকুমাশাসক।

অন্যদিকে সরকারি নির্দেশিকা খতিয়ে দেখতে শনিবার বৈঠকে বসতে চলেছে হোটেল ব্যবসায়ীদের সংগঠন। প্রশাসনের তরফ থেকে সমস্ত হোটেলগুলিকে বলা হয়েছে তারা যেন পর্যটকদের করোনা রিপোর্ট সংক্রান্ত নথি নিজেদের কাছে রেখে দেন। এর পাশাপাশি হোটেলগুলিকে প্রশাসনিক নির্দেশিকা এমন ভাবে রাখতে বলা হয়েছে যাতে তা সকলে দেখতে পান। এই বিষয়ে হোটেল ব্যবসায়ী সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক বিপ্রদাস চট্টোপাধ্যায়-এর কথায়, ‘সরকারি নির্দেশিকা তো মেনে চলতেই হবে, তবে এতো কড়াকড়ি নিয়ম করলে হোটেল ব্যবসা মুখ থুবড়ে পরবে। কীভাবে সমস্ত দিক সামাল দিয়ে ব্যবসা চালানো যায় সেই নিয়েই বৈঠকে আলোচনা হবে’। প্রশাসন সুত্রের খবর পর্যটকদের ভিড় বাড়ায় সৈকত তীরবর্তী এলাকায় জীবাণুনাশক ছড়ানোর কাজ চলছে। দিঘার পাশাপাশি মন্দারমনিতেও এই নিয়ম কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে।

ভাতের মাড় ফেলে দেন, এখন থেকে ত্বক ও চুলের যত্নে কাজে লাগান

hair

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভাতের মাড় ফেলা যায়। ভাত ঝরঝরে করতে ভালোভাবে মাড় ঝরিয়ে নেন সকলেই। এছাড়াও ভাতে জমে থাকা মাড় দীর্ঘদিন খেলে, মোটা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ভাত থেকে মাড় আলাদা করেই, সেই মাড় ফেলে দেন অনেকেই। কিন্তু জানলে অবাক হবেন ত্বক এবং চুলের যত্নে ভাতের মাড়ের ভূমিকা অপরিসীম। তাই এবার থেকে ভাতের মাড়কে না ফেলে কাজে লাগান। চলুন এক নজরে জেনে নেওয়া যাক ত্বক ও চুলের যত্নে ভাতের মাড়ের ব্যবহার।

১) আপনার ত্বকে র‍্যাশ বা চুলকানির সমস্যা থাকলে, এখন থেকে ভাতের মাড়কে আপন করুন। প্রতিদিন জলের সঙ্গে ভাতের মাড় মিশিয়ে স্নান করুন। এতে চুলকানি ও র‍্যাশ এর পাশাপাশি ত্বকের জ্বালা ভাব থেকেও মুক্তি পাওয়া যাবে।

২) ভাতের মাড় ঠাণ্ডা করে তুলো দিয়ে ত্বকের ব্রণ আক্রান্ত অংশে লাগান। সপ্তাহে প্রতিদিন ৩ বার এইভাবে ত্বকের যত্ন নিন। এতে খুব সহজেই ব্রণ ও ফুসকুড়ির মতো সমস্যা দ্রুত সেরে যাবে।

৩) প্রথমে ভাতের মাড় ঠাণ্ডা করুন। এবারে খানিকটা জল মিশিয়ে পাতলা করে নিন। শ্যাম্পু করার পর চুলে এই মাড় ব্যবহার করুন। ৫ মিনিট রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন। চুলের ডগা ফেটে যাওয়ার মতো সমস্যায় এই পদ্ধতি খুবই কার্যকর। এছাড়াও এতে চুল গোড়া থেকে মুজবুত হয়।

৪) অনেকেরই রোদে কাজ করে ত্বকে ট্যান পড়ে। ভাতের মাড় ট্যান পড়া ত্বকের পক্ষে খুবই উপকারী। নিয়মিত ভাতের মাড় ত্বকের ট্যান পড়া স্থানে ব্যবহার করুন। এতে খুব সহজেই ত্বকের ট্যান-এর সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

hair

৫) ভাতের মাড় ঠাণ্ডা করে তাতে সামান্য জল মিশিয়ে নিন। এবারে তুলো দিয়ে নিয়মিত এই মাড় ত্বকে ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের জেল্লা বাড়বে ও ত্বক সতেজ থাকবে। এর পাশাপাশি ত্বকের হাইপারপিগমেন্টেশন এবং ত্বকে বয়সের ছাপ পড়া ঠেকাতে ভাতের মাড় অত্যন্ত কার্যকরী।

৬) চোখের তলায় ডার্ক সার্কেল থাকলে, ভাতের মাড় খুবই কার্যকরী। দিনে ৪ বার ত্বকের ডার্ক সার্কেলের জায়গায় ভাতের মাড় ব্যবহার করুন। কাজ করবে ম্যাজিকেরমতো। ত্বকের কালচে ভাবও দূর হবে।