মহালয়া কি শুভ? সবাই ‘শুভ মহালয়া’ বলে কেন?

mahalaya

অনুভব খাসনবীশ: মহালয়ার (mahalaya) দিন থেকেই শুরু হয়ে গেল বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের ‘কাউন্টডাউন’! সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়াল উপচে পড়ল ‘শুভ মহালয়ার’ শুভেচ্ছা বার্তায়। মহালয়া কি সত্যিই ‘শুভ’ দিন? প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে অনেকের মনে।

হিন্দু রীতি অনুসারে মহালয়া হল—প্রয়াত তথা শ্রদ্ধেয় প্রিয় পূর্বপুরুষদের জলদান বা তর্পণ করার সর্বশ্রেষ্ঠ তিথি। তাঁদের স্মৃতি স্মরণ করার দিন। তপর্ন মন্ত্রে বলা হয়ে থাকে, “যে বান্ধবা অবান্ধবা বা, যে অন্য জন্মনি বান্ধবাঃ। তে তৃপ্তিং অখিলাং যান্ত, যে চ অস্মৎ তোয়-কাঙ্খিণঃ।” অর্থাৎ বন্ধু ছিলেন অথবা জন্মজন্মান্তরে বন্ধু ছিলেন তাঁদের জলের প্রত্যাশা তৃপ্তিলাভ করুক। কিন্তু শ্রাদ্ধের দিনকে ‘শুভ’ বলা যায় কি না, প্রশ্ন তা নিয়েই। আবার তর্পণ শব্দটির ব্যুৎপত্তি হয়েছে তৃপ ধাতুর থেকে। তৃপ + অনট, অর্থাৎ তৃপ্তিসাধন। যা অশুভ না ভাবা কাম্য।

দিনটিকে ‘শুভ’ হিসেবে ধরা হবে কি না, তার নির্দিষ্ট কোনও উল্লেখ বা শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না। পণ্ডিতদের মতে, পঞ্জিকায় কোনও দিনকেই আলাদা করে ‘শুভ’ বলা নেই। এই ঘটনা নিয়ে মহাভারতের একটি জনপ্রিয় আখ্যান রয়েছে। ‘মহাভারত’ অনুসারে, দাতা কর্ণের মৃত্যুর পর তাঁর আত্মা স্বর্গে অবস্থান কালে তাঁকে সোনা এবং বিভিন্ন রত্নদ্রব্য খাদ্য হিসাবে দেওয়া হয়। বিস্মিত কর্ণ যমরাজকে (মতান্তরে দেবরাজ ইন্দ্রকে) জিজ্ঞেস করলেন, তাঁর প্রতি ওই রকম ব্যবহারের কারণ কী?

যমরাজ বললেন, — ‘হে কর্ণ, তুমি জীবনভোর শুধু শক্তির আরাধনা করে গেছ। কখনও নিজের পূর্বপুরুষের কথা ভাবনি, তাঁদের প্রয়াত আত্মাকে খাদ্য-পানীয় দাওনি। তাই পুণ্যফলে তুমি স্বর্গে আসতে পারলেও খাদ্য-পানীয় পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হওনি। সেই জন্যেই তোমার প্রতি এই ব্যবহার।

কর্ণ বললেন— “হে ধর্মরাজ! এতে আমার দোষ কোথায়? জন্ম মুহূর্তেই আমার মা আমাকে ত্যাগ করেন। সূত বংশজাত অধিরথ ও তাঁর স্ত্রী আমাকে প্রতিপালন করেন। তার পর আমার শৌর্য দেখে দুযোর্ধন আমাকে আশ্রয় দেন। কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ আরম্ভের আগের দিন প্রথমে কৃষ্ণ ও তার পরে মাতা কুন্তী এসে আমার জন্ম ও বংশ পরিচয় জানিয়ে দেন।” কর্ণ স্বীকার করেন, তিনি পিতৃপুরুষ সম্পর্কে অবহিত ছিলেন না। সেই কারণে তিনি পিতৃপুরুষকে অন্ন এবং জল দান থেকে বিরত ছিলেন।

কর্ণকে এক পক্ষকাল সময় দেওয়া হয় মর্ত্যলোকে গিয়ে পিতৃপুরুষের উদ্দেশে জল দান করে পিতৃপুরুষের তৃষ্ণা নিবারণের জন্য। এই সময়কাল ছিল পিতৃপক্ষ, ১৬ দিন। যমের (বা ইন্দ্রের) নির্দেশে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপ্রতিপদ তিথিতে কর্ণ আবার মর্ত্যে ফিরে এসে এক পক্ষ কাল থেকে পিতৃপুরুষকে তিল-জল দান করে পাপস্খলন করলেন। এই বিশেষ পক্ষকাল সময়কে শাস্ত্রে পিতৃপক্ষ বলা হয়েছে। পিতৃপক্ষের শেষ দিন হল মহালয়া।

হিন্দুশাস্ত্র অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তির বাৎসরিক শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে পূর্বপুরুষের উদ্দেশ্যে দান করা জলে তাঁদের তৃষ্ণা নিবারণ হয়। যাঁরা পূর্বপুরুষের বাৎসরিক শ্রাদ্ধানুষ্ঠান করতে সক্ষম হন না। তাঁরা পিতৃপক্ষে পূর্বপুরুষকে জল দান করতে পারেন। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে মহালয়ার পর প্রতিপদে যে বোধন হয় সে সময়ও সংকল্প করে দুর্গা পূজা করা যায়। একে বলে প্রতিপদ কল্পরম্ভা। সর্বশেষে একটিই কথা বলা যায়, মহালয়া শুভ না অশুভ তা নিয়ে তর্ক চললেও, ‘হ্যাপি’ কখনোই নয়।

Afghanistan: কাবুলের গুরুদোয়ারায় ‘তালিবান হামলা’, মুসলিম রক্ষীরা পণবন্দি

Gurdwara Karte Parwan of kabul

নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানের তালিবান জঙ্গি শাসকদের বিরুদ্ধে ফের সংখ্যালঘুদের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। সংবাদ সংস্থা UNI জানাচ্ছে, কয়েকজন বন্দুকধারী কাবুলের শিখ ধর্মীয়স্থান গুরুদোয়ারা কারতে পারওয়ানে ঢুকে লুঠ করে।

UNI সংবাদ সংস্থার সঙ্গে কথা বলেছেন আফগানি নাগরিক গুরনাম সিং। তিনি কাবুলে থাকেন। গুরনাম সিং জানিয়েছেন, ওই গুরুদোয়ারায় জনা পনের বন্দুকধারী ঢুকে ভাঙচুর চালায়। সিসিটিভি ভেঙে দেওয়া হয়। গুরুদোয়ারার তিন রক্ষী বাধা দেন। তাদের পরে বন্দি করে নিয়ে যায় হামলাকারীরা।

আফগান নাগরিক গুরনাম সিং বলেছেন, গুরুদোয়ারার রক্ষীরা কেউ শিখ নন। তাঁরা মুসলমান ধর্মাবলম্বী। তাদের জীবন সংশয়ে। কারণ অপহরণের পর থেকে আর খোঁজ নেই ওই তিন রক্ষীর।

গুরদোয়ারায় হামলাকারীরা সরকারে আসা তালিবান জঙ্গি বলেই মনে করা হচ্ছে। এই হামলাকারীরা ৫০ হাজার আফগানি টাকা লুঠ করেছে। এছাড়াও ওই গুরুদোয়ারায় ভাঙচুর করেছে।

পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগের। আফগানি সংখ্যালঘু শিখ সম্প্রদায় স্থানীয় তালিবান প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এদিকে গুরুদোয়ারা আক্রান্ত হওয়ার সংবাদে আন্তর্জাতিক শিখ সংগঠনগুলি প্রবল ক্ষুব্ধ। তাদের তরফে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে আফগানি শিখদের নিরাপত্তা নিয়ে তালিবানদের সঙ্গে কথা বলার অনুরোধ করা হয়।

সম্প্রতি এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত আফগানি ওষুধ ব্যবসায়ীকে কাবুলের রাস্তায় অপহরণ করে তালিবান জঙ্গিরা। তার এখনও কোনও খোঁজ নেই। এক শিখ ধর্মাবলম্বীকে খুন করা হয়েছে আগেই।

আয় বহির্ভুত সম্পত্তি থাকার অভিযোগে গ্রেফতার রাজ্য পুলিশের বহিস্কৃত ডিআইজি

DIG Rounak Ali Hazarika

নিউজ ডেস্ক, গুয়াহাটি: আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তি, ‘বিভিন্ন উপায়ে’ রোজগারের অভিযোগে গ্রেফতার করা হলো অসম পুলিশের ডিআইজি রৌনক আলি হাজারিকাকে। তাঁর সরকারি আবাসনে তল্লাশি চালায় মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ ভিজিল্যান্স দল। তাঁকে আগেই সাসপেন্ড করা হয়েছে অন্য একটি অভিযোগে।

ধৃত পুলিশ কর্তা রৌনক আলি হাজারিকার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তিনি বিভাগীয় অনুমতি না নিয়েই বিভিন্ন সময়ে বিদেশ গিয়েছেন। এই ব্যয়বহুল যাত্রা তিনি কী করে করলেন তারও তদন্ত চলছে।

তদন্তে উঠে এসেছে, রৌনক আলি যখন ডিআইজি (বর্ডার) পদে ছিলেন, তখনই তিনি বারবার বিদেশ গিয়েছেন অনুমতি না নিয়ে।

সাসপেন্ড হওয়া পুলিশ কর্তা রৌনক আলি হাজারিকার রোজগারেও বিস্তর অসঙ্গতি ধরা পডেছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। গুয়াহাটির হেংরাবাড়ি এলাকা ওই পুলিশ কর্তার বাড়িতে তাল্লাশি অভিযান চালায় মুখ্যমন্ত্রীর ভিজিল্যান্স দল। এর নেতৃত্বে ছিলেন এস পি আর কলিতা। যদিও ভিজিল্যান্স দলের তরফে বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তির পূর্ণ বিবরণ দেওয়া হয়নি।

এদিকে রৌনক আলি হাজারিকার গ্রেফতারির ঘটনায় লাগছে রাজনৈতিক রং। কারণ তিনি রাজ্যে কংগ্রেস সরকারের আমলে পদন্নোতি পেয়েছিলেন। অসমে এখন বিজেপি জোট সরকার।

Assam: ‘উস্কানিমূলক’ মন্তব্যের কারণে কংগ্রেস MLA শেরমন আলির পুলিশি হেফাজত

ssam congress mla Sherman Ali Ahmed

নিউজ ডেস্ক: ‘উস্কানিমূলক মন্তব্যের’ কারণে অসমের বিতর্কিত বিধায়ক শেরমন আলির (Sherman Ali Ahmed) পুলিশি হেফাজত হয়েছে। আদালতের নির্দেশে দু দিনের পুলিশি হেফাজত হয়। শেরমন আলির বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি অসমের (Assam) প্রায় চার দশক পুরনো একটি ঘটনায় বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর প্রসঙ্গ তুলে লাগাতার গোষ্ঠী ভিত্তিক ‘উস্কানিমূলক মন্তব্য’ করছিলেন।

সম্প্রতি রাজ্যের দরং জেলায় গরুখুঁটি গ্রামে সংখ্যালঘুদের উচ্ছেদ ঘিরে বিক্ষোভ হয়। সেই বিক্ষোভে পুলিশ গুলি চালায়। এক ব্যক্তির মৃতদেহের উপর এক চিত্রগ্রাহকের নৃশংস লাফ মারা, মৃতদেহ পা দিয়ে আঘাত করা ঘিরে দেশ জুড়ে বিতর্ক চলছে। সেই চিত্রগ্রাহকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধেও উস্কানিমূলক ব্যবহার করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

অসমের বাঘবর বিধানসভার কংগ্রেস (Congress) বিধায়ক শেরমন আলির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি গরুখুঁটির এই ঘটনার পর দরং জেলার প্রায় চার দশক পুরনো একটি ঘটনায় ৮ জনের মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে ‘সাম্প্রদায়িক মন্তব্য’ করছিলেন। এই বিধায়কের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অন্তত ২৮টি অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

অসমের বিরোধী দল কংগ্রেস। দলের তরফে বিধায়ক শেরমন আলির কাছে জবাবদিহির চিঠি পাঠানো হয়। তারপরেই গুয়াহাটির বিধায়ক আবাস থেকে গ্রেফতার হন শেরমন আলি। অসম প্রদেশ কংগ্রেসের অভিযোগ, এই বিধায়ক বিজেপির এজেন্টের মতো ভূমিকা নিয়ে ‘সাম্প্রদায়িক উস্কানি’ দিচ্ছিলেন।

Bangladesh Border: আন্তর্জাতিক সীমান্তে গুলি চালানোর হুঁশিয়ারি বাংলাদেশের

bangladesh army

নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক সীমান্তে বেচাল দেখলেই সরাসরি গুলি চালানোর হঁশিয়ারি দিল বাংলাদেশ (Bangladesh) সরকার। তীব্র আলোড়ন ছড়াতে শুরু করেছে। প্রতিবেশি দেশের সরকারকে এমন হুঁশিয়ারি দেওয়ায় কূটনৈতিক বিতর্ক বড় আকার নিতে চলল বলেই মনে করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় মানব পাচার, মাদক চোরাচালান, আগ্নেয়াস্ত্র পাচার রুখতে বাংলাদেশ সরকার কড়া ভূমিকা নিতে চলেছে। বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন মঙ্গলবার সিলেটে এক অনুষ্ঠান থেকে প্রতিবেশি মায়ামমারের সামরিক সরকারকে হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, চোরাচালান রোধে প্রয়োজনে সীমান্তে গুলি চালানো হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ হয়েছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এখন থেকে গুলি চালাব।

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভারত সরকারের দেওয়া অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তর অনুষ্ঠান হয়। এখানে ছিলেন ভারতের হাইকিশনার বিক্রম দেরাইস্বামী। অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী জানান,  আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, মায়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তে কখনও গুলি চালাব না। এখন থেকে গুলি চালাব।

bangladesh army

বাংলাদেশের সঙ্গে দুটি দেশ ভারত ও মায়ানমারের আন্তর্জাতিক সীমান্ত। এর মধ্যে মায়ানমারের সঙ্গে ২৭০ কিলোমিটার স্থল সীমান্ত। বাকি ৯৪ শতাংশ আন্তর্জাতিক সীমান্ত ভারতের সঙ্গে।

বাংলাদেশ সরকারের দাবি, মায়ানমার থেকে সীমান্তবর্তী চট্টগ্রাম বিভাগ দিয়ে মাদক, মানব পাচার ও অস্ত্র চোরাচালান হয়। বারবার সেদেশের সরকারকে জানিয়ে কোনও কাজ হচ্ছে না। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কড়া ভূমিকা নেবে ঢাকা।

মায়ানমার এখন সামরিক শাসনে। বাংলাদেশ সরকারের ‘গুলি চালানো’ হুঁশিয়ারির পর বর্মী সেনা পরিচালিত সরকারের প্রধান জেনারেল মিন অন হ্লাইং ( Min Aung Hlaing ) কী প্রতিক্রিয়া দেন তার দিকে তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল। তাঁর হুকুমেই চলতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি মায়ানমারের নির্বাচিত সরকারের সর্বচ্চো নেত্রী আউং সান সু কি সহ মন্ত্রীদের বন্দি করা হয়। সামরিক অভ্যুত্থানের পর বর্মী সেনা ক্ষমতা দখল করেছে।

অন্যদিকে সু কি আমলেই মায়ানমারে হয়েছে রোহিঙ্গা গণহত্যা। লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগে ঢুকেছেন। তাদের ফিরিয়ে নিতে মায়ানমার সরকারকে বারবার বলেছে বাংলাদেশ। রোহিঙ্গা শিবিরে মাদক, অস্ত্রের চোরাচালান হচ্ছে বিস্তর। সম্প্রতি রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ খুন হন। এর জেরে পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত।

Lakhimpur Kheri: গ্রেফতার কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, আরও বিতর্কে বিজেপি

priyanka gandhi Arrested

নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে খুনের ঘটনায় ভাইরাল ভিডিও উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর (priyanka gandhi) বিরুদ্ধে।

১৪৪ ধারা ভাঙার অভিযোগে  সীতাপুরে গান্ধী পরিবারের কন্যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সীতাপুর গেস্ট হাউসকেই সাময়িক জেল বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। পরপর নাটকীয় মুহূর্ত চলছে লখনউয়ের রাজনীতিতে। সেই ধাক্কা লাগছে দেশের সর্বত্র।

লখিমপুর খেরিতে কৃষকের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার ঘটমায় উত্তর প্রদেশ ও কেন্দ্রের বিজেপি সরকার প্রবল বিতর্কে। মঙ্গলবার কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী একটি ভাইরাল ভিডিও দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তুলোধনা করেন। ওই ভিডিও তিনি টুইট করেন। এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একটি এসইউভি গাড়ি পিছন থেকে এসে কৃষকদের পিষে দিয়ে চলে গেল।

অভিযোগ, এই গাড়ি চালিয়ে কৃষকদের মেরেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রের পুত্র আশিস মিশ্র। মৃত ৯ জন। এদের মধ্যে ৬ জন কৃষক ও একজন সাংবাদিক। জানা গিয়েছে দুজন নাকি সেই গাড়ির আরোহী। ঘটনাস্থলে গুলি চলেছে। এক মৃত কৃষকের দেহে গুলির আঘাত রয়েছে। জানা গিয়েছে উত্তেজিত কৃষকরা ওই গাড়ি আগুন ধরান। পালাতে গিয়ে দুই আরোহী মারা যায়। তবে মূল অভিযুক্ত আশিস মিশ্র অধরা।

AIKS Leader

লখিমপুর খেরিতে এই ‘কৃষক গণহত্যা’র প্রতিবাদে অ-বিজেপি দলগুলি প্রবল সরব। কংগ্রেস শাসিত ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে দেখা করতে লখনউ আসেন। তাঁকে বিমান বন্দরে আটকে দেয় উত্তর প্রদেশ পুলিশ। ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিমান বন্দরেই বসে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন।
এদিকে লখিমপুর খেরিতে যেতে গিয়ে বাধাপ্রাপ্ত হন তৃ়ণমূল কংগ্রেস সাংসদরা। সাংসদ সুস্মিতা দেব সহ বাকিদের আটকে দেয় পুলিশ। যদিও তারা দাবি করেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

লখিমপুর খেরি যেতে গিয়েছিলেন উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ সিং যাদব। তাঁকে সহ সমাজবাদী পার্টির নেতাদের আটকে দেয় পুলিশ। ভিডিও বার্তায় রাজ্যের বিজেপি সরকারের প্রবল সমালোচনা করেছেন অখিলেশ। সরব অপর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী।

তবে যোগী সরকারের পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে লখিমপুর খেরিতে ঢুকেছেন বাম সংগঠন সারা ভারত কৃষক সভার নেতৃত্ব। তাঁদের পৌঁছে যাওয়া নিয়ে তীব্র শোরগোল। কী করে এমন সম্ভব হলো এই বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলির।

Bangladesh: মমতার প্রিয় ‘খেলা হবে’ স্লোগান, শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের ‘না’

mamata banerjee sheikh hasina

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ থেকেই ধার করা ভোট স্লোগান ‘খেলা হবে’ পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সৌজন্যে জনগণের মুখে মুখে। আর বাংলাদেশের (Bangladesh) ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়ে দিলেন ‘নির্বাচন নিয়ে খেলা হবে না’।

বিরোধীদের প্রতি বার্তায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তথা বাংলাদেশের সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি সব দলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন।

সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্যতম বিরোধী দল বিএনপি নেতৃত্ব বারবার নির্বাচনে রিগিং অভিযোগ ও সুষ্ঠু ভোট পদ্ধতির দাবি তুলেছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হুঁশিয়ারি দেন, সরকারের আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন দিয়ে এবার ‘নির্বাচন-নির্বাচন খেলা’ মানবে না বিএনপি। তিনি বলেন, বিএনপি এমন নির্বাচন চায় যেখানে জনগন ভোট দিতে পারবে। ইভিএম দিয়ে কারচুপি সহ ভোট জালিয়াতির জবাব দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

বি়এনপি মহাসচিবের এই মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, কোনও নির্বাচন নির্বাচন খেলা হবে না। নির্বাচনের মতোই নির্বাচন হবে। নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ যেহেতু শেষ হয়ে আসছে, রাষ্ট্রপতি সবাইকে নিয়েই একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন।

‘খেলা হবে’ স্লোগান পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে তীব্র আলোচিত। তবে এই শব্দকে একসময় তুমুল জনপ্রিয় করেছিলেন বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ওসমান। সেই স্লোগান পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটে ঝড় তুলেছিল।

তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করে বিজেপি যোগ দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামের জনসভায় ‘খেলা হবে’ শব্দ ব্যবহার করেন। এর পরেই বীরভূম জেলার তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল তাঁর নিজস্ব ভঙ্গীতে বলতে থাকেন ‘খেলা হবে’।

পরে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে প্রচারে গিয়ে পায়ে আঘাত পান। তাঁর প্লাস্টার করা পা-এর ছবি দেখিয়ে তৃণমূল প্রচার করেছিল ‘ভাঙা পায়ে খেলা হবে’। বিপুল ভোটে জিতে টিএমসি পশ্চিমবঙ্গে তিনবার সরকার গড়েছে। এবার

উপনির্বাচনের আবহে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল বলছেন, ‘শুধু খেলা হবে না, ভয়ঙ্কর খেলা হবে’। তাঁর বাচন রীতি অনেকটা বাংলাদেশের এমপি শামীম ওসমানের মতো।

Lakhimpur Kheri : যোগী পুলিশের সাথে লুকোচুরি, বাম নেতৃত্ব ঢুকলেন ‘কৃষক গণহত্যা’র কেন্দ্রে

aiks leaders have reached lakhimpur kheri

নিউজ ডেস্ক: ঠিক যেন গোয়েন্দা কাহিনীর প্লট। চোরাপথে এ ওর পিছনে ছুটছে। অনেকটা তেমনই করে গেঁয়ো পথ ধরে মুখ্যমন্ত্রী যোগীআদিত্যনাথের পুলিশের ‘আঁখ মে ধুল’ (চোখ এড়ানো) ছিটিয়ে ‘কৃষক গণহত্যা’র কেন্দ্র উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে ঢুকলেন বাম কৃষক সংগঠনের নেতারা। সারা ভারত কৃষকসভার (AIKS) নেতারা ঢুকতেই এলাকাবাসী ভিড় করে এগিয়ে আসেন। শুরু হয় নিহতদের পরিবারের কান্না।

aiks leaders have reached lakhimpur kheri

সিপিআইএম (CPIM) ও সিপিআই (CPI) দুই দলের কৃষক সংগঠন কৃষকসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর কড়া পুলিশি পাহারা এড়িয়ে লখিমপুর খেরিতে কৃষক নেতারা ঢুকতে পারলেন। প্রতিনিধি দলে আছেন কৃষক সভার কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডিপি সিং, উত্তর প্রদেশ রাজ্য সম্পাদক মুকুট সিং, কৃষক নেতা চন্দ্রপাল সিং সহ অন্যান্যরা।

এই রক্তাক্ত লখিমপুর খেরি ঢুকতে গিয়ে কংগ্রেস(INC) নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী পুলিশের ঘেরাটোপে আটকে পড়েন। তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সাংসদ সুস্মিতা দেব সহ বাকি প্রতিনিধিরা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে যাচ্ছিলেন। তাঁদেরও আটকে দেওয়া হয়। তবে টিএমসি প্রতিনিধিরা দাবি করেছেন তারা লখিমপুর খেরি ঢুকেছিলেন। উত্তর প্রদেশের পূর্বতন দুই শাসক দল সমাজবাদী পার্টি(SP) ও বহুজন সমাজপার্টির (BSP) প্রতিনিধিরাও রাজ্য পুলিশের ঘেরাটোপে আটকে পড়ে ঘটনাস্থলে যেতে পারেননি। বিজেপির (BJP) বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েছেন দুই দলের নেতা প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ সিং যাদব ও মায়াবতী।

aiks leaders have reached lakhimpur kheri

অভিযোগ, লখিমপুর খেরিতেই কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের কৃষি আইনের বিরোধিতা করে কৃষক জমায়েত চলছিল। সেই জমায়েতের উপর গাড়ি চালিয়ে পিষে মারা হয়েছে কয়েকজনকে। চলেছে গুলি। মোট মৃত ৯ জন। মৃতদের ৬ জন কৃষক। একজন সাংবাদিক আর দুজন হামলাকারী গাড়িতে ছিল।

গোটা ঘটনায় মূল অভিযুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস। তাঁর পিতা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সহকারী মন্ত্রী। আরও অভিযোগ এই কারণেই আশিসকে এখনও গ্রেফতার করেনি উত্তর প্রদেশ পুলিশ। অভিযোগ আশিস মিশ্র ও তার বন্ধুরা কৃষকদের পিষে মারে।

Lakhimpur Kheri: ভিডিও প্রমাণ দিল যোগীর রাজ্যে গাড়ির চাকায় পিষে মরলেন কৃষকরা

নিউজ ডেস্ক: কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে খুন এই অভিযোগে উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradedsh) সরকারের তথৈবচ অবস্থা। আর্থিক ক্ষতিপূরণের ঘোষণা ও সরকারি চাকরি দেওয়ার বার্তা দিলেও প্রবল বিতর্কে মুখে পড়েছেন বিজেপি শাসিত সরকারের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। লখনউ সরগরম। নয়াদিল্লি থেকে গোটা দেশ জুড়ে বিতর্ক প্রবল। আর কৃষক ‘খুন’ ঘটনাস্থল লখিমপুর খেরিতে কী ঘটেছিল তার ফুটেজ ভাইরাল হয়েছে।

video proved that the farmers were crushed to death by the wheel of the car

 

সেই ফুটেজ একের পর এক বিজেপি বিরোধী নেতা নেত্রীরা টুইট করছেন। কেউ ফেসবুকে দিতে শুরু করেছেন। কংগ্রেস (INC) নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী টুইট করেন গাড়ি চাপা দিয়ে কৃষকদের পিষে মেরে ফেলার ভিডিও। তাঁর অভিযোগ, কেন অভিযুক্ত আশিস মিশ্রকে গ্রেফতার করছে না সরকার। অভিযুক্ত আশিস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রের পুত্র।

video proved that the farmers were crushed to death by the wheel of the car

সর্বভারতীয় কৃষক নেতা তথা সারা ভারত কৃষকসভার (AIKS) সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লার দাবি, অবিলম্বে আশিস মিশ্রকে গ্রেফতার করতে হবে। ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকায়েত অভিযোগ করেন, যোগী সরকার ও বিজেপি (BJP) সবকিছু ধামাচাপা দিতে চাইছে।

আরও অভিযোগ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সহকারি তথা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র বলেই আশিসকে এখনও গ্রেফতার করেনি পুলিশ। অভিযোগ আশিস মিশ্র ও তার বন্ধুরা কৃষকদের পিষে মারে।
কেন্দ্রের কৃষি নীতির বিরুদ্ধে লখিমপুর খেরিতে জমায়েত করা কৃষদের উপর এসইউভি গাড়ি চালিয়ে দেওয়া হয়। পিষে মারা যান কয়েকজন। পরে জখম আরও কয়েকজনের মৃত্যু হয়। এক সাংবাদিকের মৃত্যু হয়েছে। মোট ৯ জন মৃত। এদের ছয় জন কৃষক।

এই ভিডিও এখন বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক মহলের প্রধান অস্ত্র। তবে এই ভিডিওর সত্যতা www.ekolkata24x7 যাচাই করেনি। দেখা যাচ্ছে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর টুইট থেকে ক্রমাগত ভিডিওর লিংকটি রি টুইট করা হচ্ছে। এছাড়াও সমাজবাদী পার্টি, বিএসপি, আরজেডি, সিপিআই, সিপিআইএম সমর্থকরা এই ভিডিও পোস্ট করছেন। বিভিন্ন কৃষক সংগঠন সরাসরি অভিযোগ তুলেছে, গাড়ি চালিয়েছিল আশিস মিশ্র।

Afghanistan: গণহত্যা শুরু করল তালিবান সরকার, মৃতদেহের স্তূপে কিশোরী

Afghanistan

নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানে (Afghanistan) প্রত্যাশিতভাবেই গণহত্যা শুরু করল তালিবান জঙ্গি সরকার। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামেনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের দাবি, আফগানিস্তানে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর দায়কুন্দি প্রদেশে হাজারা সম্প্রদায়ের ১৩ সদস্যকে খুন করেছে তালিবান। নিহতদের মধ্যে মাসুমা নামে ১৭ বছরের এক মেয়ে রয়েছে।

আলজাজিরা জানাচ্ছে, গত ৩০ আগস্ট ৩০০ জন তালিবান জঙ্গি দায়কুন্দি প্রদেশের খিদির জেলায় প্রবেশ করে। সেখানে তারা আফগান ন্যাশনাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এএনএসএফ) ১১ কর্মীকে গুলি করে মেরে দেয়। এরা সবাই প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানির আমলে রক্ষী ছিলেন। স্থানীয় একটি নদীর ধারে এই গণহত্যা চালায় তালিবান। মারা হয়েছে দুজন সাধারণ আফগানিকে।

যেসব এএনএসএফ সদস্যকে মারা হয়েছে তাদের বয়স ২৬ থেকে ৪৬ বছরের মধ্যে। নিহত সবাই হাজারা সম্প্রদায়ের। এই সম্প্রদায় তালিবানের ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সরকারের সময় নির্যাতিত হয়েছিলেন।

অ্যামেনেস্টির নথিভুক্ত হাজারা সম্প্রদায়ের সদস্যদের ওপর চালানো দ্বিতীয় হত্যাকাণ্ড। এর আগে ১৯ আগস্ট প্রকাশিত অ্যামেনেস্টির প্রতিবেদনে বলা হয়, গজনি প্রদেশে হাজারা সম্প্রদায়ের অন্তত ৯ জনকে খুন করে তালিবান।

আফগানিস্তানের প্রাক্তন সংসদ সদস্য রাইহানা আজাদের অভিভাবক, ৩০ আগস্টের ঘটনা একটি গণহত্যা। অ্যামেনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড জানান, এই হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করেছে যে, তালিবান পূর্বের মতো ভয়াবহ কাণ্ড ঘটাচ্ছে।

প্রথম তালিবান সরকারের আমলে বালখ ও বামিয়ান প্রদেশে হাজারা সম্প্রদায়ের শতাধিক মানুষ খুন করে তালিবান। আমেরিকার সেনা সরে যাওয়ার পদক্ষেপ নিতেন গত ১৪ আগস্ট দায়কুন্দি প্রদেশ দখল করে তালিবান। বহু বাসিন্দা পলাতক। ১৫ আগস্ট কাবুল দখন করে তালিবান।

হাতে হাত রেখে উৎসব, এক অঙ্গনে ১৬টি দশভূজা

Durga Puja in Kolkata

বিশেষ প্রতিবেদন: একটা পূজো মণ্ডপ আর তার ছত্ৰছায়াতেই তৈরি হল ১৬টি ক্লাবের দুর্গা। যা মহালয়ার আগে পাড়ি দিল মণ্ডপের পথে। এভাবেই একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে উৎসব মহোৎসবে রূপান্তরিত করার উদ্যোগ নিল চোরবাগান সার্বজনীন।। 

আজ থেকে প্রায় ৩ মাস আগে একটা ছোট্ট পরিকল্পনা আজ মহীরুহের রূপ নিয়েছে। শহরের ১৬ টি ক্লাবের মাতৃ মূর্তি গড়ার দায়িত্ব নিয়েছে চোরবাগান। এই বছর চোরবাগানের পুজোর পরিকল্পনা “ছত্রছায়া” এবং চোরবাগান এই করোনা পরিস্থিতিতে সত্যিই ছত্রছায়া হয়ে উঠতে পেরেছে।

Durga Puja in Kolkata

লটারির মাধ্যমে নির্বাচন করা হয় পুজো উদ্যোক্তাদের। চোর বাগানের মণ্ডপ হয়ে ওঠে যেন কুমোরটুলি। নয় নয় করে তেরোটি প্রতিমা তৈরি হয় একই ডিজাইন একই আদল এবং একই জায়গায়। নিজেদের প্রতিমার পাশাপাশি অন্যদেরও। যার পোশাকি নাম দশাঙ্গনে দশভুজা। প্রতিমা তৈরির দায়িত্বে শিল্পী বিমল সামন্ত।

Durga Puja in Kolkata

টাকা না থাকলে পুজোয় সমস্যা যাদের তাদের মধ্যে লটারি করে বেছে নিয়ে তাদের পাশে চোরবাগান সর্বজনীন। ১০১ টাকার বিনিময়ে এক-একটি প্রতিমা দিচ্ছে চোরবাগান সর্বজনীন। এই তালিকায় রয়েছে ফ্রেন্ডস অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েশন, ২) সারথী, ৩) বেলেঘাটা নবালয় সংঘ ক্লাব, ৪) আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র ক্লাব, ৫) মধ্য কলকাতা বিশ্বকল্যাণ সর্বজনীন, ৬) মা আগমনী সংঘ, ৭) আদি কাম্বুলিটোলা ও শ্যামবাজার স্ট্রিট সর্বজনীন দুর্গৎসব, ৮) ভবানীপুর কিশোর সংঘ, ৯) দুর্গাপুজা বিএল ব্লক কমিটি, ১০) বেলেঘাটা সরকার বাজার বিবেকানন্দ সংঘ। এছাড়াও তিনটি বিশেষ পুজো উদ্যোগকে দেওয়া হচ্ছে প্রতিমা। আরো তিনটে ক্লাবকে আর্থিক সাহায্য। বিশেষভাবে নির্বাচিত পুজোগুলি হল, ১) কলকাতার যৌনপল্লি এলাকার দুর্বারের পুজো, ২) মেদিনীপুরের ক্লাব ভীমেশ্বরী যুব ছাত্র সংঘ, ৩) ২৮ নং পল্লি মহিলাবৃন্দ।

Durga Puja in Kolkata

এছাড়া যে সকল পুজো ১০০০১/- টাকা করে পেয়েছেন, ১) পানশিলা সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি, ২) তালবাগান আদিবাসীবৃন্দ, ৩) ২১ নং কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের। উৎসব হোক সবার। সেই বার্তা নিয়েই ছত্রছায়া হয়ে দাঁড়িয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন।

Weather update: উত্তরে কমবে বৃষ্টি, দক্ষিণে বাড়ছে গরম

নিউজ ডেস্ক: আজ মঙ্গলবার থেকেএবার উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির কমবে।এমনই পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও বৃষ্টির তেমন হওয়ার সম্ভাবনা নেই। উলটে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকবে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, “বিহার এবং সংলগ্ন এলাকায় উত্তরবঙ্গের উপরে যে নিম্নচাপ ছিল, তা অনেকটাই দুর্বল হয়ে গিয়েছে। এটিই উত্তরবঙ্গকে ঘাটতিতে থাকা বৃষ্টি দিচ্ছিল। সেটি আজ থেকে অনেকটাই কমে যাবে। আগামী ২৪ ঘন্টায় উত্তরবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। আগামী বৃষ্টি হবে শুধুমাত্র কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে”

দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। দু-একটা জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টি হলেও বিক্ষিপ্তভাবে হবে। তবে তার সম্ভাবনাও খুব কম। উল্টে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে। থাকবে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও।” কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে হয়েছে। সর্বনিম্ন ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যেতে পারে। আপেক্ষিক আর্দ্রতা বাড়ছে। আর আর্দ্রতাজনিত যে অস্বস্তি সেটাও কিন্তু বাড়বে।

শুধুমাত্র আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা মুর্শিদাবাদ ও বীরভূম জেলায়। কলকাতার তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৩৪ ও সর্বনিম্ন ২৮-এর আশেপাশে থাকবে। কলকাতায় আজ আংশিক মেঘলা আকাশ। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দু-এক পশলা হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা। জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বাড়বে।

মঙ্গলবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৫ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৬৭ শতাংশ।

এদিকে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, ৬ অক্টোবর বর্ষা বিদায় শুরু হবে দেশে। উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলি থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নেবে। বাংলায় বর্ষা-বিদায় নেয় অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে। এ বছর তা কিছুটা পিছবে বলেই আশঙ্কা।

Afghanistan: তালিবান-আইএস জঙ্গিদের গুলির লড়াই, মরেছে দুপক্ষের বেশ কয়েকজন

taliban and Isis militant clash near afghan capital kabul

নিউজ ডেস্ক: দু’পক্ষই বন্দুক নিয়ে মুখোমুখি গুলি চালিয়ে দিল। তালিবান ও ইসলামিক স্টেট(ISIS) এই দুই জঙ্গি সংগঠনের সংঘর্ষে মৃত কয়েকজন। আফগান রাজধানী কাবুলের কাছেই হয়েছে এই রক্তারক্তি কান্ড। কাবুলের (Kabul) এক মসজিদের সামনে বিস্ফোরণের জেরে আফগানিস্তানের শাসক তালিবান জঙ্গিরা দায়ি করে প্রতিপক্ষ ইসলামিক স্টেট জঙ্গিদের। বিস্ফোরণে দুজন মারা যান।

রয়টার্স জানাচ্ছে, রবিবার কাবুলের ঈদগাহ মসজিদের প্রবেশপথের কাছে বিস্ফোরণ ঘটানো হয় তালিবান (Taliban) সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদের মায়ের স্মরণসভায়। মসজিদে বিস্ফোরণের পরেই তালিবান জঙ্গিরা হামলা চালায় ইসলামিক স্টেটের (ISIS) একটি ডেরায়। সেই ডেরা ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি তালিবান সরকারের।

taliban and Isis militant clash near afghan capital kabul

তালিবান জঙ্গি সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছে,রবিবার কাবুলের উত্তরাঞ্চলে আইএসের বিরুদ্ধে সফল অভিযান চালানো হয়। অভিযানে আইএস জঙ্গিদের ঘাঁটি পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে থাকা সব জঙ্গিকে মেরে দেওয়া হয়েছে।

তাৎপর্যপূর্ণ আফগানিস্তানে (Afghanistan) সক্রিয় ইসলামিক স্টেট জঙ্গিদের স্থানীয় শাখা আইএসআইএস (খোরসান) গোষ্ঠী জানিয়েছে, হামলার কথা।

তালিবানও ইসলামিক স্টেট এই দুই জঙ্গি সংগঠন পরস্পর বিরোধী। আফগানিস্তানে দ্বিতীয়বার তালিবান সরকার হওয়ার পর থেকেই দুই জঙ্গি সংগঠনের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা ছিল। সেটাই শুরু হয়েছে এবার। এর জেরে আফগানিস্তানে গৃহযুদ্ধ শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Kolkata: প্রকাশ্যে মমতাকে মাতৃশক্তি হিসেবে তুলনা BJP বিধায়কের, ভাঙন স্পষ্ট

Ashis Das

নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভূমিকায় প্রবল হতাশ হয়েছেন তা খোলাখুলি জানাতে দ্বিধা নেই। তেমনই বিজেপি বিধায়ক হয়েও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) দেশনেত্রী হিসেবে মেনে নিতেও কুন্ঠা নেই। এভাবেই দলত্যাগের ইঙ্গিত স্পষ্ট করলেন ত্রিপুরায় শাসক দল বিজেপির (BJP) বিধায়ক আশিস দাস।

আশিস দাস ত্রিপুরার সুরমা (Surma vidhansabha) বিধানসভার বিধায়ক। তিনি কলকাতায় এসেছেন কিছু ব্যক্তিগত কাজে। জানিয়েছেন, কালীঘাটে পুজো দেবেন। তার পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে ভবিষ্যত কর্মসূচি জানাবেন।

আশিসবাবুর ইঙ্গিতে স্পষ্ট তিনি বিজেপি ত্যাগ করতে চলেছেন। সূত্রের খবর আরও এক ডজন বিধায়ক দ্রুত বিজেপি ছাড়বেন। ত্রিপুরায় হয় সংখ্যালঘু সরকার হবে কিংবা মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের সরকার পড়ে যাবে। এমনই আশঙ্কা সে রাজ্যের বিজেপি শিবিরে।

আগরতলা থেকে আশিস দাস কলকাতা এসে তৃণমূল কংগ্রেস ভবনে যান। তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন শুধু একটি রাজ্যের নেত্রী নন তিনি সর্বভারতীয় বিরোধী মুখ। ইন্দিরা গান্ধীর পর মাতৃশক্তির হাতেই ভারত সুরক্ষিত হবে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর সরকার দেশীয় সম্পদের বিক্রি নীতির প্রবল সমালোচনা করেন বিজেপি বিধায়ক।

ত্রিপুরায় আগামী বিধানসভা ভোটের আগে শাসক বিজেপির অভ্যন্তরে ভাঙন ক্রমে বড় হচ্ছে। সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের বিরুদ্ধে লাগাতার সুর চড়িয়ে রেখেছেন একগুচ্ছ বিধায়ক। এরা সংস্কারপন্থী বা বিদ্রোহী বলে পরিচিত। এই গোষ্ঠীর নেতা সুদীপ রায় বর্মণ। সুদীপবাবুর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর সংঘাত প্রবল।

বিজেপি বিধায়কদের বিদ্রোহী গোষ্ঠী দিল্লি গিয়ে খোদ সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার কাছে মুখ্যমন্ত্রীকে পদচ্যুত করার দাবি রাখেন। তাঁদের অভিযোগ, বিপ্লব দেব কে মুখ্যমন্ত্রী করে আগামী বিধানসভা ভোট লড়লে ত্রিপুরা থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে বিজেপি। তবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সেকথা মানেননি। বিভিন্ন রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী বদল করলেও ত্রিপুরায় বিপ্লববাবুকেই পদে বহাল রেখেছে।

গত বিধানসভা ভোটের আগে ততকালীন বিরোধী দল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে সুদীপ রায় বর্মণের নেতৃত্বে বিধায়করা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। টিএমসি হয়েছিল বিরোধী দল। পরে সেই বিধায়করা সুদীপবাবুর নেতৃত্বে়ই ফের বিজেপিতে যান। ভোটে টানা ২৫ বছরের বামফ্রন্ট শাসনের অবসান হয়। সিপিআইএম এখন বিরোধী দল।

এর মাঝে পশ্চিমবঙ্গে টানা তিনবার সরকার গড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পরেই তৃণমূল কংগ্রেস ত্রিপুরায় ফের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েছে। টিএমসি সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, ত্রিপুরায় বিজেপির প্রায় সব বিধায়ক দলত্যাগ করে ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আসতে তৈরি।

Mamata Banerjee: জয়ী বিধায়ক মমতাকে অভিনন্দন বাংলাদেশ সরকারের

mamata banerjee sheikh hasina

নিউজ ডেস্ক : প্রতিবেশি দেশ ভারতের অঙ্গরাজ্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। উপনির্বাচনে রেকর্ড ভোটে জয়ী হওয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার দল তৃণমূল কংগ্রেসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস পরপর তিনবার সরকার গড়েছে। কিন্তু নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে পরাজিত হন বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে। নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে পরাজয়ের পর তিনি কলকাতার ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে প্রার্থী হন। রবিবার সেই উপনির্বাচনের ফলে রেকর্ড ভোটে জয়ী হয়েছেন মমতা।

বাংলাদেশ বিদেশমন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লেখা এক অভিনন্দন বার্তায় বিদেশমন্ত্রী আশা ব্যক্ত করেন, পারস্পরিক মঙ্গল ও উন্নয়নের স্বার্থে, আগামী দিনগুলোতে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ এবং পরিপূরক হবে।

ঢাকায় ড. মোমেন বলেন, টানা তৃতীয় মেয়াদে ভবানীপুর নির্বাচনি এলাকায় বিপুল বিজয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের প্রতি পশ্চিমবঙ্গের জনগণের অব্যাহত আস্থা ও সুগভীর বিশ্বাসের প্রতিফলন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগ্য নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের জনগণের সর্বাঙ্গীন উন্নতি ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও অব্যাহত সাফল্য কামনা করেন এবং আসন্ন দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানান বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী।

Lakhimpur Kheri: মন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ‘শুধর যাও’ গাড়িতে পিষে কৃষকদের ‘খুনের’ পর কী ঘটেছিল?

Lakhimpur Kheri

নিউজ ডেস্ক: নেপাল সীমান্ত লাগোয়া উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরির পরিস্থিতি তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ। রবিবার এখানেই গাড়ি চাপা দিয়ে কয়েকজন কৃষককে মারার অভিযোগ উঠেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিসের বিরুদ্ধে।

কী ঘটেছিল লখিমপুর খেরিতে?
www.ekolkata24x7.com আন্দোলনকারী কিছু কৃষকদের নম্বর যোগাড় করে। তারা জানান, এই এলাকায় বিজেপির সাংসদ অজয় মিশ্র সম্প্রতি কৃষি আইনের বিরোধিতাকারী কৃষকদের হুমকি দেন ‘শুধর যাও’ বলে। এর পর জমায়েত আরও বড় হতে থাকে।

Lakhimpurkheri

কুস্তি প্রতিযেগিতা শুরু হওয়ার আগে…
রবিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সহকারী রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্র নিজ এলাকায় একটি কুস্তি প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যেতে চাইলে তাঁকে রাজ্য পুলিশের তরফে সাবধান করা হয়। বলা হয়েছিল, কৃষকদের বিক্ষোভ থেকে হামলার আশঙ্কা রয়েছে। অজয় মিশ্র সেকথা মানেননি। তিনি ও উত্তর প্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশবপ্রসাদ মৌর্য লখিমপুর খেরি যান।

আচমকা আসল গাড়িটা…
রাস্তাতেই খবর আসে কৃষকদের জমায়েত বিরাট আকার নিয়েছে। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র তার কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে একটি গাড়িতে করে জমায়েতের মাঝে জোরে চালিয়ে দেয়। ঘটনাস্থলেই দু জনের মৃত্যু হয়। উত্তেজিত কৃষকরা ওই গাড়ি তাড়া করেন। তখন গুলি চালায় আশিসের বন্ধুরা। গাড়ি থেকে কোনওরকমে পালায় আশিস মিশ্র। তবে গাড়িটিতে আগুন ধরানো হয়। এর পর গাড়িটা রাস্তার ঢাল থেকে ফেলে দেওয়া হয়। গাড়িতে থাকা আশিসের তিন জন পরিচিত ও কয়েকজন কৃষক গুরুতর জখম হয়। পরে তারা মারা যায়।

টার্গেট কৃষক নেতারা ?
বেশ কয়েকজন কৃষক নেতাকে টার্গেট করা হয়েছিল। এমনই অভিযোগ, কিষাণ একতা মঞ্চ, ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন (BKU) ও সারা ভারত কৃষকসভা (AIKS) সংগঠনের।

সর্বশেষ খবর, লখিমপুর খেরিতে সরকারিভাবে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন গুলিবিদ্ধ কৃষক। আন্দোলনরত কৃষকদের দাবি মৃত ৯ জন। তবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রর দাবি, ঘটনার সময় তাঁর পুত্র ছিলেন না।

বিধানসভা ভোটের আগে লখিমপুর খেরির রক্তাক্ত ঘটনায় প্রবল উত্তপ্ত দেশ। বিজেপি (BJP) শাসিত দুই রাজ্য অসম ও উত্তর প্রদেশের পরপর হিংসাত্মক ঘটনায় উঠে এসেছে বিকৃত মানসিকতার পরিচয়। অসমের (Assam) দরং জেলার গরুখুঁটিতে পুলিশের গুলিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তির মৃতদেহে লাথি মারার বিতর্ক যেমন তেমনই উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) লখিমপুর খেরিতে কৃষদের গাড়ির চাকায় পিষে মারার ঘটনাও তীব্র বিতর্কিত।

পরিস্থিতির চাপে ও কৃষক সংগঠনগুলির ঘেরাও অভিযানের আহ্বানে প্রমাদ গুনছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সংবাদ সংস্থাগুলির খবর, লখিমপুর খেরিতে মৃতদের পরিবার পিছু ৪০-৪৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ও সরকারি চাকরি দেওয়ার ঘোষণা করল রাজ্যের বিজেপি সরকার।

তালিবান মুখপাত্রের অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করলো ‘টুইটার’

Taliban, Afghanistan

নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রে পরিণত করেছে তালিবানরা (Taliban)। এবার তাতেই বাধ সাধল টুইটার কর্তৃপক্ষ, সাময়িকভাবে ‘নিষিদ্ধ’ ঘোষণা করা হল তালিবান মুখপাত্রের টুইটার অ্যাকাউন্ট। তালিবানের মুখপাত্র জাবিদুল্লাহ মুজাহিদের টুইটার অ্যাকাউন্ট আপাতভাবে নিষিদ্ধ বলে দেখা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন Afghanistan: তালিবান শাসনে ভীষণ বিপদে ৪০০০ মহিলা পুলিশ, বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টা


আরও পড়ুন Bangladesh: তালিবানি ফতোয়া; দেওয়া শিক্ষিকা বরখাস্ত, বন্ধ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়

টুইটারের সঙ্গে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্টের সম্পর্কের কথা অনেকেরই জানা। বেশ কয়েকবার টুইটার কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট। তাঁর টুইটে বাধা দেওয়া হয়েছিল অথচ তালিবানকে টুইট করতে দেওয়া হচ্ছে। এই মর্মে অভিযোগ জানিয়ে ফ্লোরিডার একটি আদালতে ইতিমধ্যেই মামলা করেছেন তিনি। 

অন্যদিকে ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারির পর থেকেই জাবিদুল্লাহর টুইটার অ্যাকাউন্টে ক্লিক করলেই দেখা যাচ্ছে ‘অ্যাকাউন্টটি আপাতভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।’ যদিও সেই সতর্কবার্তার পরও তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্টটি খোলা যাচ্ছে। রবিবারই কাবুলের একটি মসজিদে বোমা বিস্ফোরণ হয়। জাবিদুল্লাহ টুইট করে জানান, কাবুলের ইদগাহ মসজিদের প্রবেশ পথের কাছেই বিস্ফোরণটি হয়। গত সপ্তাহে তাঁর মা মারা যাওয়ায়, তাঁর স্মৃতিতেই মসজিদে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এটিই ছিল তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে করা শেষ টুইট।

Taliban

আফগানিস্তানে প্রথম মেয়াদে এসে ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছিল তালিবানেরা, তাদেরই ডিজিটাল প্রযুক্তি গ্রহণের পদক্ষেপ অবশ্য বহুদিনের। ২০০৫-০৬ সালের দিকে সংগঠনটি ‘আল এমারাহ’ নামের ওয়েবসাইট চালু করে। এখন সেই ওয়েবসাইটে ইংরেজি, আরবি, পাশতু, দারি এবং উর্দু- এই পাঁচটি ভাষায় তাদের খবরাখবর প্রকাশ করা হয়। ২০১৬ সালে পশতু ভাষায় একই নামের অ্যাপ ছাড়ে গুগল প্লে স্টোরে।

https://twitter.com/PathanBhaiii/status/1444637423598702594?s=20

Weather update: মেঘলা আকাশে উত্তরে ভারী, দক্ষিণে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা

heavy rain in North bengal

নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গে আজ সোমবারও ভারী বৃষ্টির হবে বলে জানিয়েছেন আলিপুর আবহাওয়া দফতর । ভারী বৃষ্টি হবে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলায়। বিক্ষিপ্ত ভারী বৃষ্টি হবে দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায়। পাহাড়ে বৃষ্টি কমতে পারে মঙ্গলবার থেকে। এমনটাই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

দক্ষিণবঙ্গে কেমন থাকবে আবহাওয়া? আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন আপাতত ভারী বৃষ্টির কোনও সর্তকতা নেই। তবে বিক্ষিপ্তভাবে দু-এক পশলা বৃষ্টিও হতে পারে । থাকবে আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তিও।

কলকাতায় আজ, সোমবার আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। দক্ষিণবঙ্গের অঙ্গ হিসাবে এখানেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দু-এক পশলা বৃষ্টির হতে পারে। তাপমাত্রা থাকবে স্বাভাবিকের উপরে। আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও বাড়বে। এটাই বাড়াবে বৃষ্টির সম্ভাবনা। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে যা ১ ডিগ্রি বেশি। আগামী কয়েকদিন বৃষ্টি হবে বিহার ও উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি-তে। অসম ও মেঘালয়ে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টি হবে তামিলনাডু, কেরল, লাক্ষাদ্বীপ, কর্ণাটক, কোঙ্কন, গোয়া ও মহারাষ্ট্রে।

আবহাওয়া দফতর বলছে যে, অন্যান্য বছর সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহেই বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সে জায়গায় এবার অনেক দেরী করে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।দিল্লির মৌসম ভবনের তরফে জানা গিয়েছে ৬ অক্টোবর মহালয়ার দিন থেকে থেকে, উত্তর পশ্চিম ভারতে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। বাংলা থেকে তা কবে বিদায় নেবে তা এখনও জানা যায়নি।

প্রসঙ্গত এবারের বর্ষায় গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে স্বাভাবিকের তুলনায় ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। শুধু সেপ্টেম্বরেই কলকাতায় স্বাভাবিকের তুলনায় ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে বলে খবর।

Bangladesh: রাতেই জোড়া ফাঁসি, মৃত্যুভয়ে কাঁপছে ধর্ষক-খুনিরা

Bangladesh approves death penalty for rape

নিউজ ডেস্ক: ধর্ষণ ও খুনে দোষী প্রমাণিত দুই আসামীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে চলেছে বাংলাদেশ সরকার। সোমবার রাতেই হবে ফাঁসি। সময় যত এগিয়ে আসছে তত মৃত্যু ভয়ে কাঁপছে ধর্ষকরা। ফাঁসি হবে আজিজুল ও কাল্টুর। দুজনের বয়স ৫০ বছর। যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ফাঁসি হবে তাদের।

২০০৩ সালের কমেলা খাতুন ও তার বান্ধবী ফিঙ্গে বেগমকে খুন করা হয়। খুনের আগে তাদের দুজনকে ধর্ষণ করা হয়। এই মামলায় ২০০৭ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল চার আসামীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। পরে আপিল বিভাগ একজনের শাস্তি কমিয়েছে। এক আসামী মৃত। বাকি দুজন আজিজুল ও কাল্টুর ফাঁসির সাজা বহাল রাখেন রাষ্ট্রপতি।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার তুহিন কান্তি খান বলেন, দুই আসামির ফাঁসির রায় কার্যকর করার আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন। সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ফাঁসি দিতে পাঁচ জল্লাদ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও সিভিল সার্জনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। আসামীদের পরিবারের পক্ষ থেকে শেষ দেখা করে গেছেন অনেকেই।

#Lakhimpurkheri: ৮ কৃষক ‘খুন’ ঘটনায় মন্ত্রী-পুত্রকে গ্রেফতার দাবি হান্নান মোল্লার, নিন্দা মমতার

Lakhimpurkheri

নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের লখিমপুরখেরি কৃষক জমায়েতে গাড়ি চাপা দিয়ে অন্তত ৮ কৃষককে ‘মেরে ফেলা’র অভিযোগ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস মিশ্রকেই দায়ি করা হয়েছে।অভিযুক্তকে গ্রেফতারির দাবি তুলেছেন সর্বভারতীয় কৃষক নেতা তথা কৃষকসভার (AIKS) সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা। সোমবারই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ প্রতিনিধিরা।

প্রবল বিতর্কে উত্তর প্রদেশে(UP) ক্ষমতাসীন বিজেপি(BJP)। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জরুরি বৈঠক করেন লখনউতে। তিনি জানান, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে। দোষীকে চিহ্নিত করে কড়া শাস্তি দেওয়া হবে। তাঁর নির্দেশে লখিমপুরখেরিতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

রবিবার রক্তাক্ত ঘটনার সাক্ষী থেকেছে লখিমপুরখেরি। এখানেই কেন্দ্র সরকারের কৃষি আইন বাতিলের প্রতিবাদে কৃষক জমায়েত চলছিল। অভিযোগ, সেই জমায়েতের মধ্যে তীব্র গতিতে গাড়ি চালিয়ে দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস। চাকায় পিষ্ট হন বেশ কয়েকজন কৃষক। মর্মান্তিক এই ঘটনায় অন্তত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আরও জখম ৬ জন। তাদের কয়েকজন আশঙ্কাজনক।

গাড়ি চালিয়ে হামলার অভিযোগে লখিমপুরখেরি প্রবল উত্তপ্ত। উত্তেজিত কৃষকরা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রকে আটকে রাখেন। তবে তিনি দাবি করেন, পুত্র আশিস কোনওভাবেই এই ঘটনায় জড়িত নয়। ঘেরাওয়ের মধ্যে পড়েন উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য। তাঁদের ছাড়াতে গেলে রক্ষীদের সামনেই গাড়িতে আগুন ধরায় বিক্ষোভকারী কৃষকরা। তাদের আরও অভিযোগ, মৃত আট কৃষকের মধ্যে দুজন ‘গুলিবিদ্ধ’।

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

উলুবেড়িয়ার প্রাক্তন সিপিআইএম (CPIM) সাংসদ তথা সর্বভারতীয় কৃষক নেতা হান্নান মোল্লার দাবি, প্রধানমন্ত্রী মোদীর ঘনিষ্ঠ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রকে অবিলম্বে বরখাস্ত করুক সরকার। রাকেশ টিকায়েত সহ কৃষক নেতাদের হুঁশিয়ারি উত্তর প্রদেশ অচল করে দেওয়া হবে।

কৃষক সভা (AIKS) , ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন (BKU) সহ বিভিন্ন কৃষক সংগঠন লখিমপুরখেরি ঘেরাও ডাক দিয়েছে। উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ থেকে কৃষকদের লখিমপুরখেরির দিকে আসার আহ্বান জানানো হয়।

Tension increasing in Lakhimpurkheri

লথিমপুরখেরিতে কৃষকদের ‘খুন’ করা হয়েছে, এমনই অভিযোগ রাজ্যের প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী সমাজবাদী পার্টির (SP) অখিলেশ যাদব ও বহুজন সমাজপার্টির (BSP) মায়াবতীর। দুটি দলই উত্তর প্রদেশ জুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে।

কৃষক বিক্ষোভের রেশে এমনিতেই উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানায় প্রবল। দুই রাজ্যেই বিক্ষোভকারীদের হাতে বারবার লাঞ্ছিত হয়েছেন বিজেপি মন্ত্রী ও নেতারা। লখিমপুরখেরির রক্তাক্ত ঘটনায় ফের মার খাওয়ার আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

কৃষক সংগঠনগুলির অভিযোগ, লখিমপুরখেরিতে ‘ঠান্ডা মাথায় কৃষকদের খুন করেছে বিজেপি (BJP) সরকার। বিক্ষোভ আরও জমাট হবে এমনই হুঁশিয়ারি কৃষক নেতাদের।