Uttar Pradesh: মোদী সরকারের মন্ত্রীর ছেলে গাড়িতে পিষে মারলেন ৮ কৃষককে

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

নিউজ ডেস্ক: কৃষক জমায়েতের মধ্যে প্রবল গতিতে গাড়ি চালিয়ে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রীর পুত্র। মর্নান্তিক এই ঘটনায় আট কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। আরও কয়েকজন জখম। প্রবল উত্তপ্ত উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) লখিমপুর খেরি। উত্তেজিত কৃষকরা একটি গাড়িতে আগুন ধরান। 

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

অভিযুক্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্রকে রক্ষা করতে গিয়ে পুলিশ আক্রান্ত হয়। ঘটনাস্থলে এসে প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েন উত্তর প্রদেশের উপ মুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য। সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্র। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। পুলিশ বলছে দু জন। অসমর্থিত সূত্র বলছে ৮ ৷ ভারতীয় কিসান ইউনিয়নের (BKU) দাবি মৃত ৮ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে৷

Bangladesh: শেখ হাসিনা সরকারের সিদ্ধান্ত দুর্গা মণ্ডপে মাস্ক পরেই ঢুকতে হবে

Bangladesh Durga puja

নিউজ ডেস্ক: করোনা স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করেই দুর্গা মণ্ডপ দর্শনার্থীদের জন্য নিয়ম জারি করল বাংলাদেশ (Bangladesh) সরকার। মন্দিরে বা মণ্ডপে প্রবেশের সময় অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে।

রবিবার বাংলাদেশ সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের সবথেকে বড় উৎসব দুর্গাপূজার সময় বিভিন্ন সরকারি নিয়ম জারি করা হয়েছে। সভায় ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের আইজিসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রধানরা।

বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক আসন্ন দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আজান ও নামাজের সময় মসজিদের কাছের পূজামণ্ডপগুলোতে সংযতভাবে পূজাঅর্চনা ও বাদ্যযন্ত্র বন্ধ রাখতে হবে। এছাড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, দুর্গা মণ্ডপের আশেপাশে মেলা বসানো যাবে না।

দুর্গাপূজা অনুষ্ঠান সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় জানানো হয়, চলতি বছর ৩১ হাজার ১৩৭টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে। উৎসব উপলক্ষে বাংলাদেশের সর্বত্র পুলিশ বাহিনী তৎপর। পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, পূজা চলাকালীন সময় পুলিশি টহল জোরদার থাকবে। কোনওরকম সন্দেহজনক অপতৎপরতা চোখে পড়লে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।

মন্দিরে প্রবেশের সময় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও ক্ষেত্র বিশেষে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা থাকবে। থার্মাল স্ক্যানার থাকবে, কারো শরীরের তাপমাত্রা বেশি থাকলে পূজামণ্ডপে ঢুকতে দেওয়া হবে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পূজামণ্ডপে আরাধনা করতে হবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিমা বিসর্জন দিতে হবে।

বন্ধ ভারতীয় চ্যানেল, মমতার খবর শুনতে বাংলাদেশবাসীর ভরসা মোবাইল-রেডিও

Social Site Mamata Banerjee

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: সরকারি নির্দেশে শুক্রবার থেকে বাংলাদেশে বন্ধ হয়েছে ভারতীয় সহ বিদেশি টিভি চ্যানেল সম্প্রচার। ফলে লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশী এখন ‘সিরিয়াল বিনোদনহীন’। ভারতের বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের খবর টিভিতে দেখতে পাচ্ছেন না। এই খবর প্রিয় দর্শকরা রবিবার সকাল থেকেই মুখিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের তিনটি কেন্দ্র ভবানীপুর, সামসেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুর বিধানসভার উপনির্বাচনের ফল জানতে। তাঁদের বিশেষ আগ্রহ ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে।

Social Site Mamata Banerjee

বাংলাদেশে বিজ্ঞাপনসহ অনুষ্ঠান প্রচার করে এমন সব বিদেশি চ্যানেলের সম্প্রচার সরকারি নির্দেশে বন্ধ করেছে কেবল অপারেটররা। বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন, দেশের আইনে রয়েছে বিদেশি বিজ্ঞাপন প্রচার করা যাবে না। তাই এমন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে বিদেশি সব টিভি নিউজ চ্যানেল বন্ধ। এর আওতায় পড়েছে ভারতীয় বাংলা-হিন্দি বিনোদন ও সংবাদ চ্যানেলগুলি।

Social Site Mamata Banerjee

ভারতীয় সব বিদেশি সব বাণিজ্যিক টিভি সম্প্রচার বন্ধ থাকায় সোশ্যাল সাইটে বিভিন্ন খবর দেখেছেন বাংলাদেশবাসী। তেমনই হাতে উঠে এসেছে সরকারি রেডিও সম্প্রচার ‘বাংলাদেশ বেতার’। এভাবেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতার ভবানীপুর কেন্দ্রের উপনির্বাচনে জয়ী হওয়ার সংবাদ শুনেছেন বাংলাদেশবাসী।

Social Site Mamata Banerjee

পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুরের বাসিন্দাদের কাছেই বেশি আগ্রহ সীমান্তের ওদিকে পশ্চিমবঙ্গের উপনির্বাচন ফলাফল। বাংলাদেশের রাজশাহী লাগোয়া মুর্শিদাবাদ। এই জেলাতে দু দেশের আত্মীয়দের ছড়াছড়ি। পশ্চিমবঙ্গের এই জেলার দুটি আসন জঙ্গিপুর ও সামসেরগঞ্জে উপনির্বাচনের ফলাফল জানতেও মুখিয়েছিলেন বাংলাদেশিরা।

শুধু পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকাই নয় ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিং সহ বাংলাদেশের সর্বত্র রবিবার পশ্চিমবঙ্গের উপনির্বাচনের ফলাফলের দিকে নজর ছিল।

Tripura: মমতার জয়ে আগরতলায় রসগোল্লা উৎসবে মত্ত TMC

mamata banerjee tmc supporters of tripura distributed rosogolla

নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ থেকে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata banerjee) জয়ের সংবাদ এক মুহূর্তে পৌঁছে গেল ত্রিপুরায়। বাংলাভাষী প্রধান এই রাজ্যেও শূন্য হয়ে যাওয়া টিএমসি সমর্থকদের মধ্যে এতটাই উল্লাস যে তারা রসগোল্লা উৎসব শুরু করেছেন।

হাঁড়ি হাঁড়ি রসগোল্লা পথচলতি সবাইকে খাওয়ানোর পালা চলছে। আগরতলায় তৃণমূল সমর্থকদের দাবি, পশ্চিমবঙ্গের পর ত্রিপুরাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিজেপি ও সিপিআইএমকে পরাজিত করে সরকার গড়া হবে।

রসগোল্লা খাওয়ানোর পিছনে জয় ও জনসংযোগ দুটোই চালাচ্ছে ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেস। তবে এই রাজ্যে লোকসভা ভোটের নিরিখে তৃণমূলের প্রাপ্তি ০.৩ শতাংশ। এই শক্তি নিয়েই ত্রিপুরার আসন্ন বিধানসভা ভোটে ঝাঁপিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

mamata banerjee tmc supporters of tripura distributed rosogolla

সূত্রের খবর সরকারে থাকা বিজেপির বিধায়করা দলত্যাগে তৈরি। ত্রিপুরায় বিজেপি শিবিরেও ভাঙন স্পষ্ট। সূত্রের খবর, উপনির্বাচনে মমতার জয় ঘোষণা হতেই ত্রিপুরায় শাসক বিজেপির বিদ্রোহী বিধায়করা দলত্যাগ শুরু করবেন। এদের নেতৃত্বে রয়েছেন বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ।

সুদীপবাবু গত বিধানসভা ভোটের আগে কংগ্রেস ছেড়ে অনুগামীদের নিয়ে তৃণমূলে যান। সে রাজ্যে বিরোধী দল হয় টিএমসি। পরে তিনিই আবার অনুগামীদের নিয়ে বিজেপিতে যান। ভোটে সরকার পরিবর্তন হয়। বাম সরকারকে হারিয়ে বিজেপি জোট সরকার গড়ে।

পশ্চিমবঙ্গে তিনবার সরকার গড়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসকে পুনরায় শক্তিশালী করতে মরিয়া। ইতিমধ্যেই বিজেপিতে ভাঙন ধরছে। শনিবার বিজেপি বিধায়ক আশিস দাস কলকাতায় টিএমসি ভবনে এসে কথাবার্তা পাকা করেছেন বলেই সূত্রের খবর

Bankura: মমতার জয়ে টিএমসি উল্লাসে অকাল হোলি

Mamata's victory Bankura

নিউজ ডেস্ক, বাঁকুড়া: দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ের খবরে উল্লসিত বাঁকুড়ার তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। বাঁকুড়া শহর থেকে বিষ্ণুপুর এমনকি জঙ্গলমহলের সিমলাপালেও উল্লসিত তৃণমূল কর্মীরা অকাল হোলিতে অংশ নিলেন। সবুজের আবীরে একে অপরকে রাঙিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি চললো দেদার লাড্ডু বিলি।

বাঁকুড়া শহরের রাসতলা মোড়ে জেলা তৃণমূল মুখপাত্র দিলীপ আগরওয়ালের নেতৃত্বে বাজি পোড়ানো হয়। সঙ্গে পথ চলতি মানুষকে মিষ্টি খাওয়ান তারা।

বিষ্ণুপুরের আকাশে এদিন সবুজ আবিরের ছড়াছড়ি। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব আবির খেলার মধ্য দিয়েই দলনেত্রীর জল ‘সেলিব্রেট’ করলেন।

একই ছবি জঙ্গল মহলের সিমলাপালেও। স্কুল মোড়ে এম.এল.এ অফিসের সামনে আবির খেলা আর লাড্ডু বিলির মাধ্যমেই ভবানীপুর উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ে উচ্ছাস প্রকাশ তৃণমূল নেতা কর্মী থেকে সমর্থকদের। 

মমতার জয়: মহালয়ার আগেই ‘দুর্গোৎসব’ ভবানীপুরে

নিউজ ডেস্ক: কথায় আছে, ‘মর্ণিং শোজ দ্য ডে। (Morning Shows the Day)’ প্রবাদটা বহুদিন মনে রাখবেন বাংলার তৃণমূল সমর্থকরা। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হতো তাঁকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু জিতলেনই না, নিজের ২০১১ সালে গড়া রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গেলেন। 

আরও পড়ুন মমতা জিতছেন, হেরে যাওয়া কেন্দ্র নন্দীগ্রামে তৃণমূলের উল্লাস

২১ রাউন্ড গণনা শেষে তৃণমূল প্রার্থী পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৩৮৯ ভোট। বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল পেয়েছেন ২৬ হাজার ৩২০ ভোট। সিপিএম প্রার্থী শ্রীজীব বিশ্বাস পেয়েছেন ৪২০১ ভোট। ৫৮ হাজার ৮৩২ ভোটে জয়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১১ সালের থেকেও এবার বড় ব্যবধানে জিতলেন তিনি। মমতার জয়ে মহালয়ার আগেই ‘দুর্গোৎসব’ ভবানীপুরে। সবুজ আবিরে কার্যত উৎসবের চেহারা নিয়েছে গোটা এলাকা। ‘মোদীশাহসুরমর্দিনী’ মমতার নামে পোস্টারও পড়েছে কলকাতার বিভিন্ন জায়গায়। 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক লাখ ভোটের মার্জিনে জেতানোর টার্গেট রেখেছিল রাজ্যের শাসকদল। যদিও সেভাবে ভোট না পড়ায় এত মার্জিন না হলেও শেষ হাসি দিদিমণিই হাসবেন বলেই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন জোড়াফুল শিবির। শেষবেলাতেই সেই আত্মবিশ্বাস বজায় রেখেই শেষ হাসি হাসলেন তাঁরা। ভবানীপুরে জিতে আবার রাজ্যের প্রধানের কুর্সিতে বহাল হলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

Mamata Modi Amit

এই নিয়ে তৃতীয়বার ভবানীপুর থেকে বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ২০১১ সালে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে উপনির্বাচনী জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন তিনি। চলতি বছরের মে মাসে বিধানসভা নির্বাচনে জিতে তাঁর দল রাজ্যে ক্ষমতায় এলেও মমতা নিজে বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হননি। দল বিপুল ভোটে জয়লাভ করার পর ৫ মে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তৃণমূলনেত্রী। তবে শপথের মেয়াদ ৪ নভেম্বর শেষ হচ্ছিল মমতার। স্বাধীনতা পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তিনিই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি হেরে গিয়েও পদে ছিলেন দল জিতে যাওয়ায়। ফলে আজ স্বভাবতই ছিল তাঁর প্রেস্টিজ ফাইট। সেই ফাইটেই নিজের ক্যারিশমায় মমতা বুঝিয়ে দিলেন, তিনি আক্ষরিক অর্থেই ‘জননেত্রী’।

মমতা জিতছেন, হেরে যাওয়া কেন্দ্র নন্দীগ্রামে তৃণমূলের উল্লাস

mamata banerjee

নিউজ ডেস্ক: জিতছেন টিএমসি দলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বিধায়ক হচ্ছেন ফের। ভবানীপুর থেকে এই বার্তা ছড়াল দেশ জুড়ে। আর রাজ্যের সর্বত্র শুরু হয়েছে বিজয় উল্লাস। দার্জিলিং থেকে ডায়মন্ডহারবার তৃণমূল কর্মীরা মেতেছেন সবুজ আবিরে। উপনির্বাচনে তিন কেন্দ্র ভবানীপুর, সানসেরগঞ্জ, জঙ্গিপুরে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস।

তাৎপর্যপূর্ণ গত বিধানসভা ভোটে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে বিজেপির কাছে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই নন্দীগ্রামেও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে উল্লাস। দলনেত্রীর নন্দীগ্রামে পরাজয় হলেও বিধানসভা ভোটে বিপুলভাবে জয়ী হয় টিএমসি। তিনবার সরকার গড়ে। বিধায়ক না হয়েও মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকেন মমতা। উপনির্বাচনে ভবানীপুর থেকে তিনি ফের জয়ী হয়ে প্রাক্তন বিধায়ক থেকে ফের বিধায়ক হতে চলেছেন।

TMC-Nandigram

নন্দীগ্রাম বিধানসভার টিএমসি কর্মী সমর্থকরা হাঁফ ছেড়েছেন। তাঁদের কেন্দ্রেই মুখ্যমন্ত্রীর পরাজয় ছিল গলায় কাঁটার মতো। বাম জমানায় যে নন্দীগ্রামে গুলি চলেছিল তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আন্দোলনেই মমতার অগ্রগতি। সাথে ছিল হুগলি সিঙ্গুরে টাটা মোটরসের জন্য তৈরি হতে চলা কারখানার জমি নিয়ে বিতর্ক ও কৃষক বিক্ষোভ। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম দুই আন্দোলন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে পৌঁছে দিয়েছে।

TMC-Nandigram

পরপর দুবার ক্ষমতা ধরে রেখে গত নির্বাচনে ভোট পরীক্ষা দিতে নামেন মমতা। দলেদলে টিএমসি ত্যাগ ও বিজেপির উত্থান থমকে যায় ভোটের ফলে। তিনবার টানা সরকার গড়ে তৃণমূল। তবে বিজেপি হয় প্রধান বিরোধী দল। আর রাজ্য থেকে মুছে যায় বামেরা।

নন্দীগ্রামে মমতা হেরে যান। তবে মুখ্যমন্ত্রী থাকেন। স্বাধীনতার আগে যুক্তবঙ্গ থেকে স্বাধীনতা পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গের আইনসভায় তিনিই এমন ব্যতিক্রমী মুখ্যমন্ত্রী। তবে ভবানীপুর কেন্দ্র তাঁকে ফের বিধানসভায় পাঠাচ্ছে।

গৃহবন্দি করল ইউপি পুলিশ, জলসমাধিতে যাওয়া হল না ধর্মগুরুর

নিউজ ডেস্ক: জগৎগুরু পরমহংস আচার্য মহারাজ জানিয়ে দিয়েছিলেন, ২ অক্টোবরের আগে ভারতবর্ষকে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। তা না হলে জল সমাধির মাধ্যমে মৃত্যুবরণ করবেন তিনি। এবং এই ঘোষণা করার জন্য কেন্দ্রকে মাত্র ৩ দিন সময় দিয়েছিলেন তিনি। 

আরও পড়ুন মমতাতেই ভরসা সরকারি কর্মীদের, পোস্টাল ব্যালটে বাজিমাত শাসকদলের

সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানিয়েছিলেন, “২ অক্টোবরের মধ্য ভারতবর্ষকে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানাচ্ছি। সরকারের তরফে এই ঘোষণা করা না হলে আমি সরযূ নদীতে জল সমাধি গ্রহণ করে মৃত্যুবরণ করব।” শুধু হিন্দু রাষ্ট্রই নয়, তাঁর কোপে পড়েছে আরও দুই সম্প্রদায়ও। মুসলিম ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নাগরিকত্ব বাতিল করে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছিলেন তিনি।

তাঁর কথামতো ঘোষণা না হলে গান্ধীজয়ন্তীর দিনেই সরযূ নদীতে জলসমাধির হুমকি দিয়েছিলেন। কিন্তু উত্তরপ্রদেশে প্রশাসন বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করে আচার্য মহারাজের পরিকল্পনা ভেস্তে দেয়। সরকারের তরফে তাঁর উদ্যোগ আটকাতে তাঁকে গৃহবন্দি করার সিদ্ধান্ত নেয় যোগী সরকার। যদিও নিজের প্রতিজ্ঞা রেখেছেন তিনি। গৃহবন্দি অবস্থায় বাড়ির মধ্যেই বোতলবন্দি সরযূর জলে নাক অবধি ডুবিয়ে প্রতীকী প্রতিজ্ঞা রক্ষা করেন আচার্য মহারাজ। 

দিনকয়েক আগেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত জানিয়েছিলেন, “দেশের হিন্দু-মুসলমানদের পূর্বপুরুষ এক। প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকই হিন্দু। ইসলাম ধর্ম এসেছিল আক্রমণকারীদের সঙ্গে। হিন্দুরা কারও সঙ্গে শত্রুতা করে না। সকলের ভাল চায়। এখানে ভিন্নমতের অনাদর হয় না।” ‘রাষ্ট্র প্রথম-রাষ্ট্র সর্বোপরি’ শীর্ষক ওই আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান, কাশ্মীর কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য তথা প্রাক্তন লেফটেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আটা হুসেনের মতো বিশিষ্ট মানুষেরা। যদিও তারা জানিয়েছিলেন, বিভেদ নয়, দেশের মানুষদের ঐক্যকেই তুলে ধরতে চেয়েছেন সংঘ প্রধান। 

আরও পড়ুন দুর্গাপূজা পালনে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়কে তিন কোটি অনুদান শেখ হাসিনার

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম লিখেছিলেন, “মোরা একই বৃন্তে দুটি কুসুম, হিন্দু-মুসলমান।”শুধু হিন্দু কিংবা মুসলিম নয়, ভারতীয় সংস্কৃতিতে সব ধর্মকে সমান হিসাবে গণ্য করা হয়। এই কারণে ভারত ধর্মনিরপেক্ষ দেশ। ১৯৭৬ সালে সংবিধানের ৪২ নং সংশোধনীতেও একথা জানিয়ে দেওয়া হয়। দেশকে বাঁচানোর একমাত্র উপায় আখ্যা দিয়ে এই ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’কেই বদলাতে চেয়েছিলেন জগৎগুরু পরমহংস আচার্য মহারাজ। 

সংশয় ও ধোঁয়াশা (পর্ব-২)

অরুণাভ রাহারায়

‘সব কিছু কেড়ে নিতে পারো। কিন্তু আমার চোখ থেকে আর মন থেকে তুমি বিস্ময়কে কেড়ে নিয়ো না’। লিখেছিলেন জগন্নাথ বিশ্বাস। আর শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় লিখেছেন– ‘সুখ, আনন্দ, সম্পদের চেয়েও অনেক বেশি জীবনীয় উপাদন হল বিস্ময়। আর বিস্ময় আছে বলেই আমাদের সাদামাটা জীবনটা পুরোপুরি একঘেয়ে হয়ে যায় না’। কথাগুলো টের পাই গৌতম ঘোষালের গান শুনতে গিয়ে। হঠাৎ ফেসবুকের পর্দায় ভেসে এল তাঁরই গাওয়া একটা গানের ভিডিও– ‘ও কাভি মিল যায়ে তো…’ কী অপূর্ব গায়কি… আর তাতে মিশে রয়েছে ম্যাজিক-হারমোনিয়াম! কথা ও সুরের আশ্চর্য খেলা তাঁর কণ্ঠে।

দু-একবার এই সুর ও কথার খুব কাছাকাছি চলে গিয়েছি আমি। যখন এইট-নাইনে পড়ি আমার জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিল ‘সঙ্গীত বাংলা’। লেখাপড়ায় ফাঁকি দিয়েই সারাদিন গান শুনতাম তখন। বাংলা ব্যান্ড আর অ্যালবামের গান সম্পর্কে যে ক্ষীণ ধারণাটুকু আমার হয়েছে, তা সঙ্গীত বাংলার সৌজন্যেই। অনেকের মনে আছে সেই সময় ‘ব্যান্ড-এ মাতরম’ নামে একটা প্রতিযোগিতা হত। ‘টলিউড রিপোর্টার’, ‘হাওড়া ব্রিজ’ এবং আরও কত সুন্দর সব নামের অনুষ্ঠান হত সেই চ্যানেলে। একেকটা গান দিনে দশ-বারোবার করে দেখানো হত।

গৌতম ঘোষালের ‘কুসুম কুসুম রোদ্দুর ছিল একটু আগে’ শুনেছিলাম তখনই। কী মায়া ছড়িয়ে আছে এই গানে। শুনে এখনও একই রকম ভাল লাগে। আর বুঝতে পারি এ গানের সঙ্গে আমার কিশোরবেলা কতটা জড়িয়ে আছে! গানের ভিডিওটাও ঘটনাবহুল। তখন তো আর ইউটিউবের রমরমা ছিল না। তাই এ গান কখন দেখানো হবে তার জন্য টিভির সামনে বসে অপেক্ষা করতে হত। গান জুড়ে প্রেম আর বিরহের রৌদ্রছায়া।

শিল্পী গৌতম ঘোষালের সঙ্গে ভাগ্যক্রমে দেখা হয়ে যায় সেই সময়! ২০০৭ সালে, আলিপুরদুয়ার ডুয়ার্স উৎসবে তিনি গান গাইতে এসেছিলেন। আমি যথারীতি টিউশন ফাঁকি মেরে সন্ধের আগেই পৌঁছে যাই প্যারেড গ্রাউন্ডে। ডিসেম্বরের ঠাণ্ডা হাওয়ায় গ্রিনরুমের পর্দাটা দুলে উঠল একবার। দূর থেকে দেখতে পেলাম ভেতরে তিনি বসে আছেন সোফায়। ঘিয়ে রঙের একটা জ্যাকেট আর মাথায় তাঁর স্বভাবসিদ্ধ টুপি! আমি গুটিগুটি পায়ে এগিয়ে গেলাম এবং অটোগ্রাফের খাতাটা বাড়িয়ে দিলাম। খসখস করে পাঁচ লাইনের শুভেচ্ছা লিখে দিলেন গৌতম ঘোষাল। যা আমি সংগ্রহে রেখেছি এখনও। মন ভারি হয়েছিল সেদিন এই কারণে যে, বহু শিল্পীর সমাবেশর চাপে মাত্র কুড়ি মিনিট গান গেয়েছিলেন তিনি! অবশ্য স্বস্তির ব্যাপার তিন-চারটে গানের মধ্যে আমার প্রিয় গানও ছিল।

মাঝে দশ বছর কেটে গিয়েছে। ততদিনে আমি গান থেকে চলে গিয়েছি দূরে। একদিন ভোরবেলায় লিখতে বসার আগে দেখলাম শিল্পীবন্ধু নম্রতা ভট্টাচার্য ফেসবুকে একটা ছবি পোস্ট করেছেন তার গুরুজি গৌতম ঘোষালের সঙ্গে। মনে আছে আগের দিনই গুরু পূর্ণিমা ছিল। নম্রতার নানা গান শুনেছি, তবে সে যে গৌতমদার ছাত্রী সে কথা আগে জানতাম না। সেই ছবিতে গুরু এবং ছাত্রী পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছেন, একটু বয়স বেড়েছে গৌতম ঘোষালের। দেখা মাত্রই ভেতরে কাজ করল নস্ট্যালজিয়া। ডুব দিলাম কৈশোরে। এই ভালটুকুর জন্য নম্রতাকে আজও ধন্যবাদ। হারিয়ে যাওয়া মুহূর্তেকে সেদিন ফিরিয়ে দিয়েছিল নম্রতা।

নম্বর জোগাড় করে একদিন ফোন করলাম গৌতম ঘোষালকে। ওপরে যা লিখেছি তারই মধ্যে বললাম কিছু কিছু। দশ বছর আগে নেওয়া সেই অটোগ্রাফের পৃষ্ঠাটা ছবি তুলে পাঠিয়ে দিলাম হোয়াটসঅ্যাপে! সেই ছবি দেখে গৌতমদা নিজেই বিস্মিত! ২০১৭ সালে মুকুন্দপুরে শিল্পীর বাড়িতে যেতে হল অ্যাসাইনমেন্টে। তখন একটি ওয়েব পত্রিকা সম্পাদনা করতাম। তারই জন্য ইন্টারভিউ নিতে যাওয়া। সময়ও দিলেন তিনি। বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে হেঁটে যেতে যতে দেখতে পেলাম কত সবুজ গাছপালা। আগের দিন বৃষ্টি হয়েছে বোধ হয়! চারদিকে বড় বেশি সবুজ ছড়িয়ে আছে। যেন আমার কিশোরবেলা চারদিকে এসে দাঁড়িয়েছে! ঘিরে ধরছে আমাকেই। বাড়ির কাছে একটা পুকুর, তার ধারে দাঁড়িয়ে রইলাম কিছুক্ষণ। বহু বছর আগে খোলটালার দিকে সাইকেল চালানোর সময় ‘কুসুম কুসুম’ গুনগুন করতাম, মনে পড়ল সেকথাও। তারপর গৌতমদার গানের ঘরে গিয়ে মুখোমুখি বসে পড়লাম কার্পেটের ওপরে। আমাদের মাঝখানে শুধু একটা হারমোনিয়াম। এভাবে কোনও দিন তাঁর কাছাকাছি বসতে পারব– সত্যিই আগে ভাবিনি। কথা বলতে গিয়ে হারমোনিয়াম বাজিয়ে কি সুন্দর বুঝিয়ে দেন তিনি! কত কথা হল সেদিন। গানের কথায় ভরিয়ে দিলেন আমার মন। ইন্টারভিউয়ের চেয়ে আড্ডাই হল বেশি।

তাঁর কথায় উঠে এসেছিল মান্না দে-র সঙ্গে দেখা হওয়ার স্মৃতি: “তখন আমার অল্প বয়স। গলা ঘোরে খুব। দক্ষতা প্রমাণ করার প্রবণতা ছিল! আর রাগাশ্রয়ী গানে গলা ঘোরানোর সুযোগও বেশি। মান্না দে আমাকে বলেছিলেন– গলার কাজ একটু কমাতে হবে। আরেকটু সোজা ভাবে গাইবে। তাহলে মানুষের ভালো লাগবে।” গৌতম ঘোষাল আজও আমার হৃদয়ে-ঘরে মিশে আছেন। ছোটবেলায় তাঁর গান শুনে যে বুক দুরুদুরু ব্যাপারটা তৈরি হয়েছিল, সেই প্রত্যক্ষ অনুভূতিকে আমি অবিশ্বাস করি কী করে? লিখতে গেলে কতই স্মৃতি ফিরে আসে। পরেও যখন তাঁর সঙ্গে বিক্ষিপ্ত কথা হয়েছে ফোনে, তিনি এই অধমকে বলেছিলেন– ‘তোমাকে ভাল লেগেছে। কাছেই তো থাকো। মাঝেমধ্যে চলে এসো বাড়িতে।’ তাঁর কাছ থেকে এ কথা শোনা কি প্রাপ্তি নয়? কিন্তু হায়! জীবনের টানে আর পেশার টানে ব্যস্ততায় মিশে গিয়ে আর কখনও যাওয়াই হয়নি। এ কথা মনে করে আজ খুব খারাপই লাগছে আর অন্যায় বোধ হচ্ছে।

তিনি সেদিন সদ্য বেরনো গানের অ্যালবাম ‘মজলিস’ উপহার দিয়েছিলেন আমাকে। ওইটুকু পরিচয়ে এমন উপহার! আমি আদৌ কি তার যোগ্য? ভালবাসাটাই বোধ হয় প্রশ্রয় পেয়েছিল সেদিন। আর আমি বুঝতে পেরেছিলাম কতটা বড় তাঁর মন। সেই থেকে এখনও মজলিসের গানগুলো শুনে চলি…। আটখানা বৈঠকি মেজাজের গান রয়েছে এই অ্যালবামে। একটি গানের নাম ‘তোমার কথা ভেবে’। সেই গানে পাই এমন লাইন: ‘বিকেল হলে এলোচুলে আজও কি দাঁড়াও, ছাদের কিনারায়’? শুনেই আমার মনে পড়ে ক্লাস নাইনে দেখা একটা ন্যাড়া ছাদের দৃশ্য! যেখানে সত্যিই একটি মেয়ে এলোচুলে দাঁড়িয়ে থাকত রোজ বিকেলবেলায়, ছাদের তারে নিজের হাতের ওপর চিবুক রেখে। পাশের রাস্তা দিয়ে আমি সাইকেল চালিয়ে পড়তে যেতাম আর চোখ ভরে দেখতাম এই মায়াবী ছবি। সেই মেয়েটির নামই বিস্ময়! আজ, এ লেখার মধ্যে দিয়ে মেয়েটিকে প্রশ্ন করতে চাই, বিকেল হলে ছাদের ধারে আজও কি দাঁড়াও? আমার জন্য? গান কি এভাবেই মিশে যায় জীবনের সঙ্গে? মেয়েটির সঙ্গে আর কখনও দেখা হবে কিনা জানি না তবে একটু জানি, পৃথিবীতে সুসময় এলে প্রিয় শিল্পী গৌতম ঘোষালের সঙ্গে দেখা হবে আবার।

Big News: মাদকচক্র মামলায় আটক শাহরুখ-পুত্র আরিয়ান

Shah Rukh's son Aryan

বায়োস্কোপ ডেস্ক: এবার মুম্বাইয়ের ক্রুজ কান্ডের সাথে জড়িয়ে গেল শাহরুখপুত্র আরিয়ান এর নাম। মাদকচক্রের সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে আটক করা হল আরিয়ানকে। নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর রুদ্ধশ্বাস অভিযানে উঠে এসেছে নামিদামি তারকাদের সন্তানের নাম। কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ জনকে মুম্বাইয়ের ক্রুজ কান্ডের সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। সেসব আটকদের মধ্যে রয়েছে শাহরুখ খানের বড় ছেলে আরিয়ানের নামও।

শনিবার রাতে মুম্বাইয়ের সমুদ্রতীরে একটি বিলাসবহুল ক্রুজে আরিয়ান পার্টি করছিলেন বলে জানা যায়। সেই পার্টিতে লুকিয়ে মাদক সেবনের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি সূত্রের। সেখান থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় বলিউডের বাদশাহ শাহরুখের জেষ্ঠ পুত্রকে। তবে আরিয়ান দাবি করেছেন যে তিনি ওই পার্টিতে কেবলই আমন্ত্রিত ছিলেন। মাদকচক্রের সাথে তার কোনো যোগাযোগ নেই। এনসিবি আরিয়ানকে আলাদাভাবে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে বলে জানা যায় সূত্র মাধ্যমে।

আরিয়ানের দুই মহিলা বন্ধুও ওই পার্টি থেকে মাদক কাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হন। পার্টিতে উপস্থিত বেশিরভাগ সদস্যের বয়স ৩০ এর নীচে বলে জানা গিয়েছে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগ ছেলে মেয়েরই নাম জড়িয়েছে মুম্বাইয়ের তাবড় ব্যক্তিত্বদের সাথে।

সূত্র মাধ্যমে জানা গিয়েছে, পার্টিতে উপস্থিত ছেলে মেয়েদের প্যান্ট ও শার্টের সেলাইয়ের মধ্যে থেকে মাদক উদ্ধার করা হয়। পার্টিতে উপস্থিত মহিলাদের পার্সের বিশেষ লক থেকেও বেশ কিছু পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওই পার্টি থেকে হসিশ ও কোকেনের মতো নিষিদ্ধ মাদক দ্রব্য উদ্ধার হয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়।

যদিও শাহরুখ পুত্রের কাছ থেকে সরাসরি মাদক পাওয়া গেছে কিনা এ বিষয়ে মুখ খোলেনি এনসিবি। মাদক কাণ্ডে আরিয়ানের নাম জড়িয়ে পড়তেই তোলপাড় শুরু হয় বি-টাউনে। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর মাদক চক্রে যুক্ত থাকার অভিযোগে উঠে এসেছিল একাধিক বলিউড তারকার নাম।

অহ নওরোজের কবিতা

রুপোর সামোভার 

তাকে দেখি—ঝলকায়—
প্রিয়া বলে : যত ধুলো পড়ে আছে,
হাত রেখে মুছে দাও

মায়া রেখে চারপাশে,
ধুলো ধুয়ে দেখি আরো ঝলমলে—
যেন চোখ খুলে গেছে

বহু আগে মানুষের
পশমের কাছে গরম স্বাদের
সুবাসিত সব জল
আর ঈর্ষা হাতে করে
সাক্ষী হয়েছে সে,
রঙ আর মদিরার।

তবু বেলা পার হয়ে গেলে
মানুষ অথবা সামোভার
জল হয়ে গলে পড়ে ধীরে
কিংবা স্বাদ জানে কর্পূরের

ঘাস দেখি

চারপাশে ঘাস দেখি
ছড়িয়ে রয়েছে বাতাসে বাতাসে
সবুজের ভেতর কখনো
মিহি রোদ সরে পড়ে

চারপাশে ঘাস দেখি
আর দেখি খরগোশ
সহজে ধূসরে বয়ে যায়
ঘন কিছু স্মৃতি রেখে যায়

চারপাশে অনেক সবুজ
মৃদু বাঁকা দেহে নুয়ে আছে
হাওয়ায় শাঁ-শাঁ করে
যেন সব ছায়া চলে গেছে

মন্দাক্রান্তায় রুবাইয়াৎ—১৭

উজ্জ্বল জোছনায় বাতাসে ডুবে আজ কাঁপছে মন্থর নিবিড় বন
নীল-ঘুম তন্দ্রায় সেখানে হরিয়াল ডাকছে বারবার—দারুণ ক্ষণ।
নির্জন রাত্রির ভেতরে বহু রোদ আনছে আজকের পাখির গান।
হিমহিম ঠান্ডায় তবুও কিছু এক চাইছে চঞ্চল নরম মন।

মন্দাক্রান্তায় রুবাইয়াৎ—১৮

বিস্তর অঞ্চল শরতে ভেসে খুন, নড়ছে মেঘদল, মলয় রোদ
পাণ্ডুর পথঘাট সহজে ইশারায়, বলছে জল-কাল তামাম শোদ
বিভ্রম চঞ্চল বাতাসে মিহি রাত, কাঁপছে হিমহিম অনর্গল
নিজ নিজ শয্যার ভেতরে তবু গান বাজছে বর্ষার গহিন বোধ।

 


অহ নওরোজের (Aho Nouroz) জন্ম বাংলাদেশের যশোরে। বর্তমানে ঢাকায় বসবাস। চাকুরিসূত্রে সম্পাদনার সঙ্গে জড়িত। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ তিনটি। সর্বশেষ প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘অতিলৌকিক কবিতাসমূহ’ জার্মান ভাষায় অনূদিত হয়েছে। কাব্যগ্রন্থ ছাড়াও জ্যোতির্বিজ্ঞানের ওপর একটি বই লিখেছেন।

Weather update: পুজোর মুখে ঘর পোড়া বাঙালি রৌদ্রজ্জ্বল আকাশেও দেখছে আশঙ্কার মেঘ

Durga puja rain

নিউজ ডেস্ক: এত তো বৃষ্টি হল। তাহলে পুজোতেও কী ঝামেলা পাকাবে বৃষ্টি? এমন হলে তো এই যে সরকার রাতে ঘোরাফেরায় ছাড় দিল সবই যাবে খরচার খাতায়! বাঙালির অবস্থা এখন সিঁদুরে মেঘ দেখলে ডরানোর মতো। রোদ দেখেও বাঙালি ভাবছে এর পিছনে আবার বৃষ্টির ষড়যন্ত্র লুকিয়ে নেই তো?

ভাবনায় ভুল নেই। এখনও স্পষ্ট করে কিছু না বললেও সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে বৃষ্টির। কারণ বর্ষার স্লো বাট স্টেডি এবং জমাটি ব্যাটিং। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘আরও এক সপ্তাহের মধ্যে বিষয় পরিষ্কার হবে’। তাই এখনই কিছু বলছেন না তিনি। দিল্লির মৌসম ভবনের তরফে জানা গিয়েছে ৬ অক্টোবর মহালয়ার দিন থেকে থেকে, উত্তর পশ্চিম ভারতে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। এটা শুনে বেশি উচ্ছসিত হবেন না, কারণ বাংলা পূবের রাজ্য।

সেখান থেকে কবে অঝোরে বৃষ্টি দেওয়া এবারের বর্ষা হবে বিদেয় হবে ত বোঝাই যাচ্ছে না। এতেই, চিন্তার মেঘ ঘোরাঘুরি করছে প্রতিমা শিল্পী থেকে শুরু করে পুজো উদ্যোক্তা এবং সাধারণ মানুষের মনে। তথ্য এও বলছে যে, অন্যান্য বছর সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহেই বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সে জায়গায় এবার অনেক দেরী করে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে আপাতত কয়েকদিন এমনই রোদ-ঝলমলে আবহাওয়া থাকবে। তবে, শনিবার থেকে উত্তরবঙ্গে শুরু হবে বৃষ্টি।সপ্তাহান্তে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, এবারের বর্ষায় গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে স্বাভাবিকের তুলনায় ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। শুধু সেপ্টেম্বরেই কলকাতায় স্বাভাবিকের তুলনায় ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে বলে খবর। 

মমতা এগোচ্ছেন, শিলং থেকে সাংমার নজর আগরতলায় সুদীপ

mamata banerjee

নিউজ ডেস্ক: প্রতি মুহূর্তে ভবানীপুরের ফল গণনার আপডেট পৌঁছে যাচ্ছে দুই রাজ্য মেঘালয় ও ত্রিপুরায়। উত্তর পূর্ব ভারতের এই দুই রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস বড়সড় শক্তি নিয়ে জলদি আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। পিছিয়ে নেই পশ্চিম ভারতের গোয়া। সেখানেও তৃণমূল শিবিরে ভিড় বাড়বে বলেই মনে করছে শাসক দলের ভোট কুশলী সংস্থা আই প্যাক। টিম পি কে কর্মীরা একাধিক রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের বিস্তারে মরিয়া। তবে ‘সুখবর’ বেশি আসছে শিলং ও আগরতলা থেকেই।

রাজ্যে তিন কেন্দ্র ভবানীপুর, সামসেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুরে উপনির্বাচনের গণনার প্রথম থেকে আত্মবিশ্বাসী ব্যবধানে তৃ়ণমূল কংগ্রেস এগিয়ে। বিরোধী দল বিজেপি দ্বিতীয় স্থানেই থাকছে এমনই ইঙ্গিত। বামেরা তিন নম্বরেই। ফলাফল বের হওয়ার শুরুতেই ভবানীপুর কেন্দ্রে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে।

মেঘালয়ে কংগ্রেসের ‘শেষের কবিতা’
এদিকে পশ্চিমবঙ্গের উপনির্বাচনের দিকে তীক্ষ্ণ নজর মেঘালয়ের বিরোধী দল কংগ্রেসের। জানা গিয়েছে বিরোধী দলনেতা মুকুল সাংমা কংগ্রেস ত্যাগ করে তৃণমূল শিবিরে আসছেন। মেঘালয়ে কংগ্রেস বিধায়ক শূন্য হয়ে যাবে বলেই আশঙ্কা এআইসিসির। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা দলত্যাগ করলেই টিএমসি হতে চলেছে এই রাজ্যে বিরোধী দল।

অরুণাচলে কী হবে ? সূত্রের খবর, অরুণাচল প্রদেশের দিকেও নজর তৃণমূলের। এই রাজ্যে একসময় একাধিক টিএমসি বিধায়ক ছিলেন। পরে তারা দলত্যাগ করেন।

ত্রিপুরায় টিএমসির শক্তি
ত্রিপুরায় বিজেপি শিবিরেও ভাঙন স্পষ্ট।সূত্রের খবর, উপনির্বাচনে মমতার জয় ঘোষণা হতেই ত্রিপুরায় শাসক বিজেপির বিদ্রোহী বিধায়করা দলত্যাগ শুরু করবেন। এদের নেতৃত্বে রয়েছেন আগরতলার বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ। তিনি ত্রিপুরার গত বিধানসভা ভোটের আগে কংগ্রেস ছেড়ে অনুগামীদের নিয়ে তৃণমূলে যান। সে রাজ্যে বিরোধী দল হয় টিএমসি। পরে তিনিই আবার অনুগামীদের নিয়ে বিজেপিতে যান। ভোটে সরকার পরিবর্তন হয়। বাম সরকারকে হারিয়ে বিজেপি জোট সরকার গড়ে।

পশ্চিমবঙ্গে তিনবার সরকার গড়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসকে পুনরায় শক্তিশালী করতে মরিয়া। ইতিমধ্যেই বিজেপিতে ভাঙন ধরছে। শনিবার বিজেপি বিধায়ক আশিস দাস কলকাতায় টিএমসি ভবনে এসে কথাবার্তা পাকা করেছেন বলেই সূত্রের খবর।

মমতাতেই ভরসা সরকারি কর্মীদের, পোস্টাল ব্যালটে বাজিমাত শাসকদলের

Mamata Banerjee

 

নিউজ ডেস্ক: ভবানীপুর উপনির্বাচন সহ আজ বাংলার মোট তিন বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট গণনা। বাংলা সহ গোটা দেশের নজর ভবানীপুরে। তিন আসনেই চালকের আসনে রাজ্যের শাসকদল। পোস্টাল ব্যালট গণনার শেষে রাজ্যের তিন আসনেই এগিয়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ফলে সরকারি কর্মীরা যে নবান্নের ১৪ তলায় ফের মমতাকেই দেখতে চান, তা স্পষ্ট হয়ে গেল।

আরও পড়ুন Mamata Banerjee: বেলা গড়াচ্ছে-মমতা এগোচ্ছেন, বিজেপি শিবিরে দলত্যাগ আতঙ্ক চড়ছে


আরও পড়ুন Bhawanipore: শুরুতেই জয়ের লক্ষ্যে এগোচ্ছেন মমতা

পোস্টাল ব্যালটে ভোটের সংখ্যা কম হলেও সরকারি কর্মীদের মনোভাব বোঝা যায় এই ফলাফল থেকে। এর আগে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছিল যে কেন্দ্রের শাসকদলের পক্ষেই ভোট দেন সরকারি কর্মীরা। যদিও গত বিধানসভা নির্বাচন থেকেই দেখা যাচ্ছে উল্টো ছবি। মোদী সরকারের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে মমতাতেই ভরসা রাখছেন সরকারি কর্মীরা। 

আরও পড়ুন Bhawanipore: শুরুতেই জয়ের লক্ষ্যে এগোচ্ছেন মমতা

প্রায় নিত্যদিনই কেন্দ্রের ঝুলি থেকে বেরিয়ে আসছে বেসরকারিকরণের বেড়াল। বেসরকারিকরণের খারাপ দিক নিয়ে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে আরএসএস সমর্থিত শ্রমিক সংগঠনও। কেন্দ্রে দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতা দখলের পরে ধাপে ধাপে বহু ক্ষেত্রে বেসরকারিকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছিল। ব্যাংকিং ক্ষেত্রে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির সংযুক্তিকরণ ও পেট্রোলিয়াম, শিপিং কর্পোরেশন, কন্টেনার কর্পোরেশন-সহ রত্ন সংস্থাগুলির সরকারি অংশিদায়িত্ব কমিয়ে ফেলা তার অন্যতম অঙ্গ ছিল। 

অন্যদিকে সিন্ডিকেট রাজ, টেট দূর্নীতি, বেকারত্ব-সহ একাধিক ইস্যাতে জর্জড়িত তৃণমূল কংগ্রেসও। উপনির্বাচনের আগেও বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা। তা সত্ত্বেও পোস্টাল ব্যালটে এগিয়ে থাকা স্বস্তি যোগাচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্বকে। 

আরও পড়ুন ক্রমশ এগোচ্ছে তৃণমূল, গণনা শেষ হওয়ার আগে এজেন্টদের কেন্দ্র না ছাড়ার নির্দেশ পদ্মশিবিরের

ভবানীপুরে কেন্দ্রে দ্বিতীয়বার ‘পরীক্ষা’য় বসেছেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে। আজ ভবানীপুরে জিতলেই আবার রাজ্যের প্রধানের কুর্সিতে বহাল হবেন তিনি। স্বাধীনতা পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তিনিই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি হেরে গিয়েও পদে আছেন দল জিতে যাওয়ায়। ফলে আজ স্বভাবতই তাঁর প্রেস্টিজ ফাইট।

Mamata Banerjee: বেলা গড়াচ্ছে-মমতা এগোচ্ছেন, বিজেপি শিবিরে দলত্যাগ আতঙ্ক চড়ছে

After durga puja Bjp bengal will face masive blow

নিউজ ডেস্ক: তিন কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের তরতরিয়ে এগিয়ে যাওয়া শাসক শিবিরে স্বস্তি। কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata banerjee) বিধায়ক হতে চলেছেন। ভবানীপুর কেন্দ্রে তিনি গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে। অন্যদিকে মুর্শিদাবাদের দুটি কেন্দ্র সামসেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুরেও জোড়াফুলের ঝড় শুরু। 

বেলা গড়াচ্ছে রাজ্যের তিন কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ফলে টিএমসির তরতরিয়ে এগিয়ে যাওয়ায় বিরোধী দল বিজেপির অন্দরে ফের ধ্বস আতঙ্ক। সূত্রের খবর, ভবানীপুরে সম্পূর্ণ ফলাফল ঘোষণা হতেই তৃণমূল শুরু করবে তার বিধায়ক শক্তি আরও বাড়িয়ে নিতে। আপাতত বিজেপিতে আছেন ৭০ জন।

উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের বিজেপি বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যানীর দলত্যাগের পর থেকে আরও অন্তত ৫ বিধায়ক তৈরি তৃণমূলে যোগ দিতে। এই তালিকায় পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুর, কোচবিহার ও দার্জিলিং জেলার আরও তিন বিধায়ক রয়েছেন। সবমিলে দুর্গা পূজার আগেই বড়সড় ধ্বস নামতে চলেছে বিরোধী দলে। আছেন দুই বিজেপি সাংসদ।

যদিও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানান, দলত্যাগে দলের ক্ষতি হবে না। কিন্তু তিনিও প্রবল চাপে আছেন এমনই জানাচ্ছেন তাঁর ঘনিষ্টরা।
শুধু রাজ্যেই নয়, আগামী দু সপ্তাহের মধ্যে দুটি রাজ্যের বড় অংশের বিজেপি ও কংগ্রেস বিধায়করা তৃণমূল শিবিরে যোগ দিতে চলেছেন।

ক্রমশ এগোচ্ছে তৃণমূল, গণনা শেষ হওয়ার আগে এজেন্টদের কেন্দ্র না ছাড়ার নির্দেশ পদ্মশিবিরের

Bjp loosing supporter base In tripura

নিউজ ডেস্ক: ভবানীপুর উপনির্বাচন সহ আজ বাংলার মোট তিন বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট গণনা। ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক লাখ ভোটের মার্জিনে জেতানোর টার্গেট রেখেছে রাজ্যের শাসকদল। ভবানীপুর আসনে ২১ রাউন্ড গণনা হবে। কমিশন সূত্রের খবর, প্রথম দু রাউন্ডের গণনা শেষে অনেক বেশি ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এই মুহূর্তে প্রায় ২,৫০০ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে মুখ্যমন্ত্রী। দ্বিতীয় রাউন্ডের শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫,৩৩৩ টি ভোট। প্রিয়ঙ্কার প্রাপ্তি ২,৯৫৬ টি ভোট। অন্যদিকে সিপিআইএমের শ্রীজিব পেয়েছেন ১৩২ টি ভোট, নোটায় ভোট দিয়েছেন ৬৯ জন।

আরও পড়ুন Bhawanipore: শুরুতেই জয়ের লক্ষ্যে এগোচ্ছেন মমতা

অন্যদিকে সমশেরগঞ্জে দ্বিতীয় রাউন্ড গণনার শেষে ১১৪০ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী আমিরুল ইসলাম। জঙ্গিপুরেরও তৃণমূল প্রার্থী জাকির হোসেন এগিয়ে ১৭১৭ ভোটে। ইতিমধ্যেই আবির খেলা শুরু হয়েছে ভবানীপুরে। তারমাঝেই ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেউ হল থেকে বেরবেন না। দলের কাউন্টিং এজেন্টদের এমনটাই নির্দেশ দিল বঙ্গ বিজেপি। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছিল, খারাপ ফলাফলের ইঙ্গিত মিলতেই বহু কাউন্টিং এজেন্ট গণনাকেন্দ্র ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন। সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না করতে মরিয়া সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বঙ্গ বিজেপি।

ভবানীপুর কেন্দ্রে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বি বিজেপির প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল।  প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের নির্বাচনী এজেন্ট সজল ঘোষ জানান, মোট ১৪ টি টেবিলে ২১ রাউন্ড গণনা হবে। বিজেপির মোট ৮০ জন এজেন্ট সেখানে উপস্থিত থাকবেন। প্রচুর এজেন্ট দেওয়া হয়েছে সামশেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরেও। 

আরও পড়ুন ভাইঝিকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দিয়ে গ্রেফতার তৃণমূলনেত্রী

ভবানীপুরে কেন্দ্রে দ্বিতীয়বার ‘পরীক্ষা’য় বসেছেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে। আজ ভবানীপুরে জিতলেই আবার রাজ্যের প্রধানের কুর্সিতে বহাল হবেন তিনি। স্বাধীনতা পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তিনিই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি হেরে গিয়েও পদে আছেন দল জিতে যাওয়ায়। ফলে আজ স্বভাবতই তাঁর প্রেস্টিজ ফাইট।

Bhawanipore: শুরুতেই জয়ের লক্ষ্যে এগোচ্ছেন মমতা

mamata banerjee

নিউজ ডেস্ক: ভবানীপুর উপনির্বাচন সহ আজ বাংলার মোট তিন বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট গণনা। বাংলা সহ গোটা দেশের নজর ভবানীপুরে। এই কেন্দ্রেই দ্বিতীয়বার ‘পরীক্ষা’য় বসেছেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে। আজ ভবানীপুরে জিতলেই আবার রাজ্যের প্রধানের কুর্সিতে বহাল হবেন তিনি।

আরও পড়ুন Mamata Banerjee: ভবানীপুরে টার্গেট ১ লাখ মার্জিন, মমতা শিবিরে চিন্তার মেঘ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক লাখ ভোটের মার্জিনে জেতানোর টার্গেট রেখেছে রাজ্যের শাসকদল। যদিও সেভাবে ভোট না পড়ায় এত মার্জিন না হলেও শেষ হাসি দিদিমণিই হাসবেন বলে আত্মবিশ্বাসী জোড়াফুল শিবির। ভবানীপুর আসনে ২১ রাউন্ড গণনা হবে। কমিশন সূত্রের খবর, প্রথমে চলছে পোস্টার ব্যালটের কাউন্টিং৷ তাতেই অনেক বেশি ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এই মুহূর্তে প্রায় ২,৮০০ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে মুখ্যমন্ত্রী।

Mamata Banerjee

আরও পড়ুন Time Magazine-এর বিশ্বের ১০০ জন প্রভাবশালীর তালিকায় মোদী-মমতা

ভবানীপুর কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেসের সেফ সিট বলে চিহ্নিত। এই কেন্দ্রে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বি বিজেপির প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল এবং সিপিআইএমের শ্রীজীব বিশ্বাস। একুশের ভোটে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে জিতেছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সেখানেই এবার লড়ছেন মমতা। স্বাধীনতা পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তিনিই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি হেরে গিয়েও পদে আছেন দল জিতে যাওয়ায়। ফলে আজ স্বভাবতই তাঁর প্রেস্টিজ ফাইট।

আরও পড়ুন ভবানীপুরের গুঞ্জন: মমতার বিরুদ্ধে লড়লেও দ্রুত TMC দরজায় প্রিয়াঙ্কা

একইসঙ্গে ভবানীপুরের বেশ কিছু ওয়ার্ডে অবাঙালি ভোটারের সংখ্যা বেশী। চলতি বিধানসভা ভোটেও ওই ওয়ার্ডে এগিয়ে ছিল ভারতীয় জনতা পার্টি। সেদিকের ফলাফলের দিকেও নজর থাকবে প্রত্যেকের। অন্যদিকে সমশেরগঞ্জে প্রায় ৫০০ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী আমিরুল ইসলাম। জঙ্গিপুরেরও তৃণমূল প্রার্থী জাকির হোসেন এগিয়ে ১৭১৭ ভোটে।

Tripura: শেখ হাসিনা সরকারের অলক্ষ্যে ভারত বিরোধী ‘জঙ্গি শিবির চলছে’ বাংলাদেশে

NLFT Militant camp

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি ও পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকায় ভারত বিরোধী জঙ্গি সংগঠনের প্রশিক্ষণ শিবির চলছে। প্রতি শিবিরে ৩০ থেকে ৪০ জন জঙ্গি রয়েছে। এ কে ৪৭, গ্রেনেড ছোঁড়া, এছাড়াও আরও নাশকতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এমনই চাঞ্চল্যকর বয়ান দিল ত্রিপুরার বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন এনএলএফটি (NLFT) এর আত্মসমর্পণকারী চার জঙ্গি।

আরও পড়ুন : শান্তি প্রতীক যীশু, ত্রিপুরায় BSF জওয়ান খুন করা NLFT জঙ্গিদের গলায় ক্রুশ লকেট থাকে

ধরা দেওয়া চার জঙ্গিদের নাম দোবারাম রিয়াং, শৈলেন্দ্র রিয়াং, শুভলাল ত্রিপুরা, সমপ্রল দেববর্মা। তারা জানায়, বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি, পানছড়ি এলাকায় দুর্গম বনাঞ্চলে একটার পর একটা জঙ্গি শিবির চলছে। তবে একদা রক্তাক্ত পরিবেশ তৈরি করা এনএলএফটি এখন আর্থিক সংকটে পড়েছে। আত্মসমর্পণকারী জঙ্গিদের বয়ানে তাও উঠে এসেছে।

NLFT Militant

একটি পিস্তল, একটি গ্রেনেড, একটি রাইফেল, চারটি বুলেট সহ বাংলাদেশি বেআইনি ৮০০ টাকা ত্রিপুরা পুলিশের কাছে জমা দিয়েছে জঙ্গিরা। তারা জানায় ২০১৯ সালে বাংলাদেশ চলে গিয়েছিল। রাজ্যে তখন বিজেপি জোট সরকার চলে এসেছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ঢুকে ট্রেনিং, ত্রিপুরা ফিরে আত্মসমর্পণ তিন জঙ্গির

ন্যাশনাল লিবাকেশন ফ্রন্ট অফ ত্রিপুরা (NLFT) এই সংগঠনটি ‘স্বাধীন ত্রিপুরা’ দাবিতে নাশকতার পথ নিয়েছে সেই নব্বই দশক থেকে। তবে টানা ২৫ বছর বামফ্রন্ট সরকারের আমলে সংগঠনটির বিষদাঁত উপড়ে দিয়েছিলেন পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। ২০১৮ সালের বিধানসভা ভোটে তাঁর পরাজয় হয়। আগামী নির্বাচনের আগেই ত্রিপুরায় ফের সক্রিয় হয়েছে এনএলএফটি।

NLFT Militant camp

ত্রিপুরার সংবাদ মাধ্যমের সামনে জঙ্গিরা জানায়, বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত টপকে ত্রিপুরায় তারা ফিরেছে। তাদের নির্বিঘ্নে ভারতে ঢুকে পড়ায় বিএসএফের (BSF) পাহারা দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। একইভাবে প্রশ্ন উঠছে প্রতিবেশি দেশের সীমান্তরক্ষী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (BGB) ভূমিকা নিয়েও।

যদিও আগেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার জানিয়েছে, সে দেশের মাটিতে কোনও ভারত বিরোধী জঙ্গি সংগঠনের ঠাঁই নেই। তবে মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন মানিক সরকার জানিয়েছিলেন বাংলাদেশের জমিতে সক্রিয় ভারত বিরোধী জঙ্গি সংগঠন। এর পরেই ঢাকা থেকে নয়াদিল্লি পাঠানো বার্তায় বলা হয়েছিল, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলা আওয়ামী লীগ সরকার সন্ত্রাসবাদ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে।

মায়ানমার, ভারত ও বাংলাদেশের ত্রিদেশীয় আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় ভারতের কিছু বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের অস্ত্র প্রশিক্ষণ শিবির চলে।এই এলাকাটি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগ। সেখানে সক্রিয় সেদেশের কিছু পার্বত্য সশস্ত্র গোষ্ঠী।

সম্প্রতি ত্রিপুরার লাগোয়া বাংলাদেশ সীমান্তরেখার কাছেই এনএলএফটি জঙ্গিদের সঙ্গে বিএসএফের গুলি বিনিময় হয়। তাতে দুই বিএসএফ জওয়ান মারা যান।

Assam: ‘সাম্প্রদায়িক উস্কানি’ মন্তব্য করে গ্রেফতার কংগ্রেস বিধায়ক শেরমন আলি

Congress mla Sherman Arrested

নিউজ ডেস্ক: ‘উস্কানিমূলক মন্তব্য’ করার কারণে দল থেকে জবাবদিহি চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, পাত্তা দেননি কংগ্রেস (Congress) বিধায়ক শেরমন আলি আহমেদ (Sherman Ali Ahmed)। অভিযোগ, তিনি ‘সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক’ মন্তব্য ছড়াচ্ছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হলো অসমের এই বিধায়ককে। গুয়াহাটির পানবাজার থানার পুলিশ এমএলএ হোস্টেল থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে।

কংগ্রেস বিধায়ককে গ্রেফতারির ঘটনায় অসমের রাজনৈতিক মহল গরম। তবে অসম প্রদেশ কংগ্রেস তাদের দলীয় বিধায়কের ‘উস্কানিমূলক মন্তব্যের’ কারণে ক্ষুব্ধ। সরকারপক্ষ বিজেপি সরাসরি কোনও মন্তব্য করতে চায়নি।

সম্প্রতি রাজ্যের দরং জেলায় গরুখুঁটি গ্রামে সংখ্যালঘুদের গ্রাম উচ্ছেদ ঘিরে বিক্ষোভ ও পুলিশের গুলি চালানো, মৃতদেহের উপর এক চিত্রগ্রাহকের নৃশংস লাফ মারা, মৃতদেহ পা দিয়ে আঘাত করা ঘিরে দেশ জুড়ে বিতর্ক চলছে। সেই চিত্রগ্রাহকও গ্রেফতার। তার বিরুদ্ধেও উস্কানিমূলক ব্যবহার করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

আর অসমের বাঘবর বিধানসভার কংগ্রেস বিধায়ক শেরমন আলির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনিও দরংয়ের প্রায় ৪০ বছর পুরনো একটি ঘটনায় ৮ জনের মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে ‘সাম্প্রদায়িক মন্তব্য’ করেছেন। বিধায়কের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অন্তত ২৮টি অভিযোগ দায়ের হয়।

বিতর্কিত মন্তব্য করার কারণে কংগ্রেসের তরফে চিঠি পাঠিয়ে কারণ জানতে চাওয়া হয়। ‘সাম্প্রদায়িক উস্কানি’ মন্তবের জন্য বিধায়ক শেরমন আলিকে ‘বিজেপির এজেন্ট’ বলেও কটাক্ষ করেছে অসম প্রদেশ কংগ্রেস। শেরমন আলি এর পরেই গ্রেফতার হন। জানা যাচ্ছে পূর্নাঙ্গ তদন্তের জন্য বিধায়ককে সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হবে।

Assam: পুলিশের গুলিতে মৃত বাঙালি, প্রতিবাদ বাংলাপক্ষের

নিউজ ডেস্ক: ‘অবৈধ দখলদার’ উচ্ছেদ ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল অসমের দরং জেলা। পুলিসের উপরে ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠল বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে। পাল্টা গুলি চালায় অসম পুলিস (Assam)। ওই ঘটনায় মৃত্যু হয় মইনুল হক নামের এক বাঙালি যুবকের। ঘটনায় গোহাটি হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সরকার। 

আরও পড়ুন #BharatBandah: ত্রিপুরায় বনধে সফল মানিক, বাংলায় বিফল সূর্য-সেলিম

পরে একটি একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাতে দেখা যায়, মাটিতে পড়ে থাকা ওই ব্যক্তির (মৃত) উপর লাফাচ্ছেন অসম পুলিশের এক চিত্রগ্রাহক। পরে অবশ্য ওই চিত্রগ্রাহককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবার ওই ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামল বাংলাপক্ষ।

বাঙালি হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই তারা সাড়া বাংলা জুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাপক্ষের সদস্যরা। গান্ধী জন্ম জয়ন্তীতেও উত্তর ২৪ পরগনা জেলার চিনার পার্ক সংলগ্ন সলুয়া বাজারে একটি পথসভা ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে তারা। সংগঠনের তরফ থেকে উপস্থিত ছিলেন শীর্ষ পরিষদের সদস্য অমিত সেন ও উত্তর ২৪ পরগনা শহরাঞ্চল জেলার সম্পাদক পিন্টু রায়, জেলা কমিটির সদস্য সায়ন মিত্র এবং অন্যান্য সদস্যরা। কর্মসূচিটি পালন করা হয় সলুয়া বাজারে অবস্থিত ভারতীয় সেনার আসাম রেজিমেন্টের ট্রানজিট শিবিরের সামনে। উক্ত সভা থেকে তারা বাঙালি হত্যার বিরুদ্ধে সুবিচার চেয়ে আওয়াজ তোলে।