Myanmar: রোহিঙ্গা নেতা খুনে জড়িত বর্মী সেনা সরকার, বিস্ফোরক দাবি জঙ্গি সংগঠনের

Mohib Ullah

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে খুন হয়েছেন রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ। তাঁর খুনে জড়িত মায়ানমারের (Myanmar) বর্তমান সামরিক সরকার। এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছে পাকিস্তান মদতপুষ্ট রোহিঙ্গা জঙ্গি সংগঠন আরসা (ARSA)। বিবৃতি দিয়েছে এই সংগঠনটি।

আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি বা আরসা মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সক্রিয়। বাংলাদেশের চট্টগ্রামের কুতুপালং রোঙিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে খুন হওয়া মুহিবুল্লাহর পরিবারের অভিযোগ, আরসা জঙ্গিরা গুলি করেছিল। যদিও বাংলাদেশ সরকার এখনও তদন্ত চালাচ্ছে কিন্তু কোনও সংগঠনের নাম বলেনি।

মুহিবুল্লাহ কে খুনের পর আরসা জঙ্গি সংগঠনের মুখপাত্র মৌলভি শোয়েব জানায়, মায়ানমার সরকারের এজেন্টরাই মুহিবুল্লাহ হত্যায় জড়িত। আরসার দাবি, এই খুনের ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে হবে।

মৃত রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহর আন্তর্জাতিক পরিচিত ছিল। তিনি বাংলাদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ফের মায়ানমারে পাঠানোর বিষয়ে রাষ্ট্রসংঘ ও তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাত করেন।

অভিযোগ, মায়ানমার সরকার কোনওভাবেই রোহিঙ্গাদের ফেরাতে চায় না। তাই মুহিবুল্লাহর মতো নেতাকে সরিয়ে দিতে জঙ্গি সংগঠন আরসা কে কাজে লাগিয়েছে মায়ানমারে সেনা সরকার।

বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলির মধ্যে আরসা জঙ্গি ও কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয়। মুহিবুল্লাহ খুনের তদন্তে উঠে এসেছে রাত নামলেই শরণার্থী শিবিরগুলিতে তাদের গতিবিধির কথা।

কয়েকবছর আগে মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে (পূর্বতন আরকান) রক্তাক্ত গোষ্ঠী সংঘর্ষের পর তৎকালীন আউং সান সু কি নেতৃত্বে চলা সরকার দমন নীতি নেয়। সেনা অভিযানে গণহত্যা শুরু হয়। লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা পাহাড়ি পথে ও বঙ্গোপসাগর পেরিয়ে বাংলাদেশের চট্টগ্রামে ঢুকে পড়েন। তাদের জন্য বৃহত্তম শরণার্থী শিবির চালাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। ঢাকার অভিযোগ, বারবার শরণার্থী রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে বলা হয়। কিন্তু মায়ানমার সরকার উদ্যোগ নেয়না।

Tripura: সরকারে ভাঙন? বিজেপি বিধায়ক আশিস দাস তৃণমূল ভবনে

Tripura Bjp mla ashis das

নিউজ ডেস্ক: সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বারবার সরব হওয়া ত্রিপুরার বিজেপি বিধায়ক আশিস দাস এবার কি তৃণমূলের ঘরে? তিনি কলকাতার তৃণমূল ভবনে কেন এসেছেন ? এই প্রশ্নে সরগরম ত্রিপুরা।

মনে করা হচ্ছে, সুরমা বিধানসভার বিধায়ক আশিস দাস দ্রুত দলত্যাগ করবেন। সূত্রের খবর, অন্তত এক ডজন বিধায়ক সরকারপক্ষ ত্যাগ করতে চলেছেন। এরা সবাই বিদ্রোহী বিধায়ক বলে সুপরিচিত। তাদের দাবি ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব কে না সরালে জনগণের চোখে শত্রু হয়ে যেতে হবে।

বিদ্রোহী দলের নেতা ত্রিপুরার হেভিএয়েট নেতা সুদীপ রায়বর্মণ। তিনি প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সুদীপবাবুর নেতৃত্বে গত বিধানসভা ভোটের আগে ত্রিপুরায় ততকালীন বিরোধী দল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে বিধায়করা তৃণমূল কংগ্রেসে গেছিলেন। পরে তারাই আবার যোগ দেন বিজেপিতে। নির্বাচনে টানা দু দশকের বামফ্রন্ট সরকারের পতন হয়। ক্ষমতায় আসে বিজেপি-আইপিএফটি জোট সরকার।

মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে লাগাতার সরব হয়েছেন বিজেপির বহু বিধায়ক। ফলে সরকারের অভ্যন্তরে ভাঙন স্পষ্ট। আগামী বিধানসভা ভোটের আগে ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেস নতুন করে সংগঠন তৈরিতে নজর দিয়েছে। তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানান, চাইলে যে কোনও দিন ত্রিপুরায় সরকার ফেলে দিতে পারেন।

Haryana: গান্ধী জয়ন্তীতে অনশনরত কৃষকদের উপর লাঠি চার্জ, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি ঘেরাও

haryana police use water cannon against kisan

নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতা করে গান্ধী জয়ন্তীতে অনশনকারী কৃষকদের উপর জলকামান ও লাঠি চার্জের ঘটনায় প্রবল উত্তপ্ত হরিয়ানা। রাজধানী চন্ডীগড়ে মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টারের বাসভবন ঘেরাও করলেন কৃষকরা। বিক্ষোভকারীরা ভেঙে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের নিরাপত্তা বলয়ের ব্যারিকেড।

বিক্ষোভের এই ছবি ও সংবাদ হরিয়ানা থেকে হু হু করে ছড়িয়েছে উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ সহ দেশ জুড়ে। উত্তপ্ত হরিয়ানার কারনাল। পার্শ্ববর্তী উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে বিক্ষোভ ছড়াতে শুরু করেছে।

বিক্ষোভকারী কৃষকদের অভিযোগ, আন্দোলন দমাতে হরিয়ানার বিজেপি সরকার ধান কেনার সময় দশ দিন পিছিয়ে দিয়েছে। এর ফলে বৃষ্টিতে ধান নষ্ট হওয়ার প্রবল আশঙ্কা। বিক্ষোভকারী কৃষকরা সকাল থেকেই হরিয়নার বিভিন্ন এলাকার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কেন্দ্রগুলির দিকে মিছিল করে আসতে থাকেন।

মিছিল আটকে দিয়ে পুলিশের তরফে অনুরোধ জানানো হয় এভাবে মুখ্যমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীদের বাসভবনের দিকে যাওয়া যাবে না। উত্তেজিত কৃষকরা পুলিশের ব্যারিকেডের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। শুরু হয় ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। পুলিশ লাঠি চালায়। পরে জলকামান চার্জ করে। মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টারের বিরুদ্ধে সংযুক্ত কিষান মোর্চার অভিযোগ, তিনি কৃষকদের দাবিকে মান্যতা দিচ্ছেন না।

পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুসারে সংযুক্ত কিষান মোর্চা (SKM) ও সারা ভারত কৃষকসভা (AIKS) নেতৃত্বে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর জন্ম জয়ন্তীর দিন অনশন পালন চলছে। কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে অনড় লক্ষ লক্ষ কৃষক। কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক তথা উলুবেড়িয়ার প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ হান্নান মোল্লা জানিয়েছেন, দিনভর অনশন কর্মসূচি চলবে।

সংযুক্ত কিষান মোর্চা জানিয়েছে, গান্ধী জয়ন্তীর দিন স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্র বিহারের চম্পারণ থেকে উত্তর প্রদেশের বারাণসী পর্যন্ত পদযাত্রা শুরু হবে। টানা ১৮ দিনের এই পদযাত্রায় ওডিশা, বিহার, উত্তর প্রদেশ থেকে কৃষকরা অংশ নেবেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীর সংসদীয় কেন্দ্র বারাণসীতেই হবে বিক্ষোভ।

Sky War: এশিয়ার আকাশ গরম, চিনা-তাইওয়ান বিমান বাহিনি মুখোমুখি

Chinese Air Force again entered in taiwan

নিউজ ডেস্ক: পূর্ব এশিয়ার আকাশ গরম। চিন (China) ও তাইওয়ানের (Taiwan) বিমান বাহিনি পরস্পর মুখোমুখি হয়েছে ফের। মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে এমন ঘটনা ফের ঘটেছে।

রয়টার্স জানাচ্ছে, আন্তর্জাতিক আকাশ সীমা লঙ্ঘন করে একঝাঁক চিনা যুদ্ধ বিমান ফের তাইওয়ানের ভিতরে ঢুকে পড়ে। তাদের গতিবিধি দেখেই বিপদ সংকেত দেয় তাইওয়ান বিমান বাহিনি। এর পরেই চিনা বিমানগুলিকে তাড়া করে তাইওয়ানের যুদ্ধ বিমান। আকাশ জুড়ে দুই দেশের বিমান বাহিনি পরস্পর মুখোমুখি হয়।

সংবাদ সংস্থা এএফপি জানাচ্ছে, চিনের ৩৫টি যুদ্ধবিমান তাইওয়ানের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছিল।  তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আকাশ সীমায় চিনা যুদ্ধ বিমান ঢুকতেই তাইওয়ানের বেশ কয়েকটি মিসাইল বহনকারী যুদ্ধবিমান ধাওয়া করে। কিছু পরে চিনা বিমান বাহিনি ফেরত চলে যায়।

তাইওয়ানকে আলাদা দেশ হিসেবে স্বীকার করেনা চিন। এটি নিজেদের একটি দ্বীপ হিসেবে চিহ্নিত করেছে বেজিং। আর তাইওয়ান নিজেদের আলাদা দেশ হিসেবে চিনা কর্তৃত্ব মানতে নারাজ। ফলে বেজিং ও তাইপের মধ্যে গরম সম্পর্ক পূর্ব এশিয়ার রাজনীতিতে প্রভাব ফেলছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মদতে নিজেদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে তাইওয়ান।

Afghanistan: তালিবান শাসনে ভীষণ বিপদে ৪০০০ মহিলা পুলিশ, বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টা

Afghanistan Female police

নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানে (Afghanistan) কর্মরত প্রায় ৪ হাজার মহিলা পুলিশ (Female police) কর্মীর জীবন সংশয়। তাঁরা গণধর্ষণের পর খুনও হতে পারেন। কারণ তালিবান জঙ্গি সরকার কোনওভাবেই নারী নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত নয়। যদিও তারা জানিয়েছে, নরম মনোভাব দেখাবে।

বিশ্বাস নেই তালিবাদের। তাই আফগানিস্তানে কর্মরত হাজার হাজার মহিলা পুলিশের জীবন বাঁচাতে ততপর নেদারল্যান্ডসের পুলিশ বিভাগ। তাদের তরফে নিজ দেশের সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে ভীষণ বিপদের মুখে পড়ে যাওয়া আফগানি মহিলা পুলিশকর্মীদের উদ্ধারে ভূমিকা নিতে।

আফগানিস্তানে আশরাফ ঘানির সরকারের সময়ে দেশটির পুলিশ বিভাগের মহিলা কর্মীদের প্রশিক্ষণের কাজে যুক্ত ছিল নেদারল্যান্ডসের পুলিশ বিভাগ। তদন্ত ও পুলিশ বিভাগের কাজ শেখানোর জন্য ডাচ পুলিশ নিয়োজিত ছিল।

Afghanistan  Female police

নেদারল্যান্ডস সংসদের কাছে পাঠানো চিঠিতে দেশটির পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, পরিস্থিতি চরম প্রতিকূল। প্রাথমিকভাবে অন্তত ৭০০ আফগান মহিলা পুলিশকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হোক। একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।

রুশ সংবাদমাধ্যম স্পুটনিক জানাচ্ছে, আফগানিস্তানে দ্বিতীয় দফায় তালিবান সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর সেদেশে মহিলারা বিপদের মুখে। ইতিমধ্যেই এক মহিলা পুলিশকর্মীকে গুলি করে মেরেছে তালিবান জঙ্গিরা।

তালিবান সরকারের নির্দেশে দেশে মহিলারা এখনও কাজে ও শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে অংশ নিতে পারছেন না। তবে তালিবান সরকার জানিয়েছে, দ্রুত মহিলাদের বিষয়ে কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। গত ১৫ আগস্ট কাবুল দখল করার পর তালিবান ঘোষণা করেছিল মহিলাদের প্রকাশ্যে বের হওয়া নিষিদ্ধ। তার পরেও একাধিকবার সরকারের নিয়ম নীতির বিরোধী ভূমিকায় আফগান মহিলারা প্রকাশ্যে জমায়েত করেছেন।

Covid 19: খেলেই মরবে করোনা, আসছে এমন ওষুধ

covid 19

নিউজ ডেস্ক: করোনায় আক্রান্তদের জন্য তৈরি খাওয়ার ওষুধ। অপেক্ষা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ছাড়পত্র। এই ওষুধ খেলে মরবে করোনা। দাবি গবেষকদের। পরীক্ষায় এসেছে সাফল্য।

বিবিসি জানাচ্ছে, মোলনুপিরাভির নামের এই ওষুধ এক ধরণের ট্যাবলেট। অন্তবর্তীকালীন ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, এটি ব্যবহারে করোনায় আক্রান্তদের হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুঝুঁকি অর্ধেকে নেমে আসছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান মার্ক তৈরি করেছে এই ট্যাবলেট। তবে শুরুর দিকে মোলনুপিরাভিরের ট্রায়াল বন্ধ করতে বলা হয়েছিল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের চিকিৎসা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. অ্যান্থনি ফসি বলেছেন, ফলাফলের ব্যাপারটি খুবই ভালো খবর। বিবিসি জানাচ্ছে, মোলনপিরাভির ছাড়পত্র পেলেই এটি হবে কোভিড-১৯ ভাইরাসের বিরুদ্ধে খাওয়ার প্রথম ওষুধ।

২০২১ সালের শেষ নাগাদ এক কোটি রোগীর জন্য মোলনুপিরাভির উৎপাদন করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেছে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাটি। অনুমোদন পেলেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১২০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের মোলনুপিরাভির কিনবে বলে রাজি হয়েছে।

৯-৫ টার গণ্ডি পেরিয়ে অন্য ধরার পেশা অপেক্ষা করছে গ্র্যাজুয়েশনের ওপারে

Can't Find a Job After College

অনলাইন ডেস্ক: পরিবর্তিত চিন্তার ধরনের সাথে পাল্লা দিয়ে বদলে যাচ্ছে চাকরির ধারাও। সফল ব্যবসায়িক উদ্যোক্তারাও অতীতের দশটা ৯ টা- ৫ টার আঙ্গিককে পাল্টে ফেলেছে। এতে অন্য ধারার পেশার প্রতি তরুণদের প্রেরণা ও আগ্রহ বাড়ছে।

দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে যা ক্যারিয়ার পছন্দকে প্রভাবিত করছে। বেশ কতগুলি বিষয় লক্ষ্য করা যাচ্ছে তরুণ প্রজন্মের চাকরির পছন্দকে ঘিরে। প্রথমত, এটি বেতন প্যাকেজের উপর কাজ এবং কর্মক্ষেত্রের নমনীয়তা বেছে নেওয়ার প্রবণতা। দ্বিতীয়ত, এটি এমন কাজ খোঁজার প্রবণতা যার বৃহত্তর উদ্দেশ্যমূলক কাজ রয়েছে যা সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সামাজিক সেক্টর একটি পেশাদার স্থান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে যা তরুণদের অফ-বিট ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ প্রদান করে। বাস্তব চারপাশের সমস্ত চিরচারিত ভাবধারা ভেঙে, সামাজিক সেক্টর কেবল স্বেচ্ছাসেবী এবং ছোট, স্থানীয় এনজিও’র সাথে কাজ করার বাইরে বিকশিত হয়েছে। এটি আজ সমাজকে প্রভাবিত করে এমন বাস্তব বিষয়ে কাজ করার মাধ্যমে অর্থপূর্ণ, রোমাঞ্চকর, জটিল এবং আর্থিকভাবে কার্যকর পেশার জন্য সুযোগ সরবরাহ করে।

রাজনৈতিক প্রচারাভিযান ব্যবস্থাপনা একটি অত্যন্ত সমালোচনামূলক, গতিশীল এবং আকর্ষণীয় ক্ষেত্র। এই অফ-বিট ক্যারিয়ার বিকল্পের জন্য একজনকে মস্তিষ্কের বিশ্লেষণাত্মক অংশটি ব্যবহার করতে হবে এবং কাজের চাপের অবস্থার দ্রুত গতিতে মানিয়ে নিতে হবে। অপরদিকে, খেলাধুলো ব্যবস্থাপনার ও ক্রমশ বিকাশ ঘটছে একটি অফবিট পেশা হিসেবে।

খেলার সংক্রান্ত অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা, স্পোর্টস মার্কেটিং এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে তরুণদের জন্য পেশার এক নতুন খুলে দিচ্ছে এই কেরিয়ার অপশন। এছাড়াও, মূল ইঞ্জিনিয়ারিং চাকরি সংখ্যায় সঙ্কুচিত হচ্ছে, এয়ারক্রাফট ইঞ্জিনিয়ারিং একটি বিকশিত বিভাগ। এয়ারলাইন্সগুলি বর্ধিত সংখ্যক বিমান ব্যবহার করছে এবং এর পরিচালনার জন্য দক্ষ লোকের প্রয়োজন। ক্ষেত্রটি অত্যন্ত দক্ষদের জন্য এবং চাকরির সুবিধাগুলি দুর্দান্ত, বিশেষত ভ্রমণপিপাসু তরুণদের জন্য।

Weather update: বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সতর্কতা হাওয়া অফিসের

flood indian army

নিউজ ডেস্ক: শনিবার সকালে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিতে সতর্কতা জারি করল আলিপুর আবহাওয়া দফতর৷ আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ঝেপে বৃষ্টি হতে পারে পূর্ব বর্ধমান জেলায়।

তবে আজ শনিবারও কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলায় কয়েক বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে কারণ বর্ষার বিদায় এখনও শুরু হয়নি। এদিকে আজও প্রবল বৃষ্টি হতে পারে উত্তরবঙ্গে। মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুরে বৃষ্টি হতে পারে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার। কোথাও কোথাও সর্বোচ্চ ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং, কোচবিহার, কালিম্পঙ, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে বৃষ্টি হতে পারে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার। ৩ অক্টোবর ৭০ থেকে ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে। দার্জিলিং, কালিম্পঙ, জলপাইগুড়িতে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। শনিবার কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টি হতে পারে তবে দুর্যোগের আবহ নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

এদিকে বৃষ্টি থামতে কলকাতার তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে, তবে তা অসহ্যকর হয়ে ওঠেনি।শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৬ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটা বেড়ে ৩৪.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে যায় , যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৭ ও সর্বনিম্ন ৫৭ শতাংশ।

শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটা বেড়ে ৩২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে যায় , তবে তা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম ছিল। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৭০ শতাংশ। বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ছয় ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৯১ শতাংশ।

DYFI রাজ্য সম্মেলনে সাধারণ যাত্রী হয়ে আসছেন চারবারের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার

ordinary passenger Ex cm of tripura manik sarkar

নিউজ ডেস্ক: সম্মেলন মঞ্চের প্রস্তুতি দেখনদারি। তবে দলটাই যে বিধানসভায় শূন্য হয়ে গেছে। রাজ্যের কোনও লোকসভাতেই নেই। এমনই অবস্থায় সিপিআইএমের যুব সংগঠন ডিএয়াইএফআইয়ের (DYFI) ১৯ তম রাজ্য সম্মেলন হচ্ছে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে (Raiganj)।

সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা ত্রিপুরার চারবারের মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার (Manik Sarkar)। তিনি রায়গঞ্জে আসছেন এমন একটি ছবি প্রকাশ হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে সিপিআইএম(CPIM) পলিটব্যুরো সদস্য মানিকবাবু তাঁর ‘যুব কমরেড’ দের আহ্বানে ট্রেনে আগরতলা থেকে রায়গঞ্জে আসছেন। সঙ্গে আছেন ত্রিপুরার বাম যুবকর্মীরা।

Manik sarkar

মানিক সরকারের এমন ছবি দেখে বাম সমর্থক তো বটেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে পড়েছে বিপুল সাড়া। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সরকারি সুবিধা অনুযায়ী আগরতলা থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় আসতে পারতেন, কিন্তু দলীয় সহকর্মীদের সঙ্গে খোশগল্প করতে করতে ট্রেনে আসছেন এ দৃশ্য রীতিমতো বিরল।

শনিবার রায়গঞ্জের রেল ময়দানে ডিওয়াইএফআই রাজ্য সম্মেলনে মানিক সরকার প্রধান বক্তা। তিনি এই মুহূর্তে ক্ষয়িষ্ণু বাম দলগুলির কাছে ‘আইকন’। আসন্ন ত্রিপুরা বিধানসভা ভোটে তাঁকে মুখ করেই ফের রাজ্যটি পুনর্দখলে ঝাঁপাবে সিপিআইএম।

DYFI

টানা ২৫ বছর ত্রিপুরায় বামফ্রন্ট সরকার ছিল। গত বিধানসভা ভোটে সে রাজ্যে বাম সরকারের পতন হয়। কুড়ি বছরের টানা মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার হন বিরোধী নেতা।

ডিওয়াইএফআই জানিয়েছে, সম্মেলনের লোগো উদ্বোধন করেছেন বিশিষ্ট অভিনেতা সব্যসাচী। তিনিও সম্মেলনের জন্য শুভেচ্ছা পাঠিয়েছেন।

DYFI

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছেন বাম যুব সংগঠনটির রাজ্য সভানেত্রী মীনাক্ষী মুখার্জি (Minakshi Mukherjee)। গত বিধানসভা ভোটে তিনি নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে সংযুক্ত মোর্চার সিপিআইএম প্রার্থী হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে লড়াই করেন। পরাজিত হলেও মীনাক্ষীর প্রচার নন্দীগ্রাম সহ রাজ্য জুড়ে প্রবল আলোড়ন ফেলেছিল।

Meghalya: কংগ্রেস ভেঙে বিরোধী দলের মর্যাদা পেতে মরিয়া মমতা

Manata Banerjee

নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ শাসনের বাইরে অন্য রাজ্যে প্রথম বড়সড় সাফল্যের মুখ মেঘালয়েই (Meghalya) দেখতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Manata Banerjee)। উত্তর পূর্ব ভারতের মেঘালয়ের বিরোধী দল হতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। এই রাজ্যের বিরোধী দল কংগ্রেসের (INC) বিধায়করা প্রায় পুরোটাই তৃণমূলে সামিল হয়ে যাচ্ছেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সন্ধি করে মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা অন্তত ১৩ জন বিধায়ক নিয়ে তৃণমূলে যোগ দিতে তৈরি। মেঘালয় প্রদেশ কংগ্রেস ভবনের নাম কি পাল্টে যাবে? এও প্রশ্ন উঠতে শুরু করল।

২০১০ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন মুকুল সাংমা। তিনি এখন বিরোধী দলনেতা।ক্ষমতায় আছে এনপিপি (NPP)। মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা। সরকারের শরিক দল বিজেপি।

এক নজরে মেঘালয় বিধানসভার অংক
মোট সদস্য সংখ্যা ৬০
সরকার পক্ষে আছেন ৩৮ জন
এনপিপি ২১
বিজেপি ২
বাকি শরিক দল ১৫
বিরোধী পক্ষে আছেন ১৯ জন
কংগ্রেস ১৭
অন্যান্য ২
৩টি আসন শূন্য।
বিরোধী নেতা মুকুল সাংমা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলে তাঁর নেতৃত্বে টিএমসি বিরোধী দলে পরিনত হবে।

মেঘালয়ের রাজনীতিতে টিএমসির আচমকা প্রবেশে উত্তর পূর্বের ত্রিপুরায় প্রবল চাঞ্চল্য। কারণ, পশ্চিমবঙ্গে তিনবার সরকার গড়ার পর বাংলাভাষী প্রধান ত্রিপুরা বিধানসভার ভোটে ঝাঁপিয়েছে তৃণমূস কংগ্রেস। এ রাজ্যে গত বিধানসভা ভোটের আগে তৎকালীন বিরোধী দল কংগ্রেস থেকে বিধায়করা তৃণমূলে যোগ দেন। ত্রিপুরায় বিরোধী দল হয়েছিল তৃণমূল। পরে সেই বিধায়করা বিজেপিতে যান। নির্বাচনে টানা ২৫ বছরের বামফ্রন্ট সরকারের পতন হয়। সরকার গড়ে বিজেপি। আসন্ন ত্রিপুরা বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপি বিধায়কদের বড় অংশ ফের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরছেন বলে প্রবল গুঞ্জন।

Durga Puja: বাজেটে বড় রেখে নির্বাধ পুজোর প্রস্তুতি টালা পার্ক প্রত্যয়ের

tala park patyay

অনলাইন ডেস্ক: কোনও কাটছাঁট নয়। করোনা আছে বলে সবকিছুতে দিনের পরদিন কাটছাঁট আর চাইছেন না ওঁরা। পুজো হবে বড় করেই। পুজো হবে বড় বাজেট নিয়েই। তা নিয়েই এগিয়ে গিয়েছে টালা পার্ক প্রত্যয়।

ক্লাবের এবারের পুজোর বাজেট ৬০ থেকে ৬৫ লক্ষ টাকা। এত বড় বাজেট এই পরিস্থিতিতে? এর কারণ কী? কেন এত বিগ বাজেটের পুজো? কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, “নানা শিল্প ও শিল্পীর সংযুক্ত উদ্যোগে আজ বাংলার দুর্গাপুজোকে শিল্পে পরিণত করেছে। এই কর্মযজ্ঞের উপর নির্ভরশীল অজস্র মানুষ ও তাঁদের পরিবার। আজকের দিনে পুজো শিল্প এমন এক মাধ্যম যা কর্পোরেট সংস্থার বিজ্ঞাপন থেকে সংগৃহীত পুঁজিকে বহু সংগঠিত ও অসংগঠিত শিল্পী কারিগরদের কাছে পৌঁছে দেয়।”

তাই সুযোগ ও সামর্থ্য থাকলে এই অর্থনৈতিক দুর্দশার মধ্যে বিগ বাজেটের পুজো করা এক জনকল্যাণমূলক প্রচেষ্টা বলে তাঁরা মনে করছেন। এখানে ২০০ লোক টাইম শেডিউল ভাগ করে ভ্যাক্সিন নিয়ে এবং যাদের তা না হয়েছে ভ্যাক্সিন দিইয়ে কাজ করার এবং অর্থ উপার্জনের সুযোগ করে দিয়েছে টালা পার্ক প্রত্যয়। মূল উদ্দেশ্য একটাই কর্পোরেট থেকে প্রাপ্ত অর্থ ডাউনলাইন ধরে সমাজে পাঠিয়ে দেওয়া। সেই কাজে সফল তারা।

tala park patyay

এই ভাবনা থেকেই তাঁদের থিমের নাম নির্বাধ। ক্লাব কর্তারা জানাচ্ছেন, “এক দুর্বিষহ ও আতঙ্কের চৌহদ্দিতে অবরুদ্ধ আমাদের বর্তমান জীবন। এই বাঁধনের শেষ কোথায়?এর থেকে মুক্তির কি উপায় তা আমাদের অজানা। তবে এবার সময়, চৌহদ্দির অন্ধকার অতিক্রম করে আলোয় ফিরে যাওয়ার। আবদ্ধতা ভেঙে নির্বাধ হয়ে আমরা পৌঁছে জাব আলোর উৎসে, শক্তির উজ্জাপনে’।

গতবার তাঁদের থিম ছিল লোকাহিত। অর্থাৎ মানুষের জন্য কাজের বার্তা। ত্রিনয়নে স্যানিটাইজেশনের অভিনব উদ্যোগ নিয়েছিল এই ক্লাব। মুদিয়ালির সঙ্গে একসঙ্গে করোনার বিরুদ্ধে লড়ার জন্য এই কাজ করেছিল তারা। পাড়া স্যানিটাইজেশনের পাশাপাশি একে অপরের মণ্ডপ চত্বর স্যানিটাইজেশন করেছিল তাঁরা। বার্তা পৌঁছে দিতে চেয়েছিল ‘সকলের তরে সকলে আমরা’। সেই ভাবনা মাথায় রেখেই এবারও মানুষের পাশে এভাবে দাঁড়াতে চাইছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ।

Durga Puja: দুর্গা মণ্ডপের শঙ্খধ্বনিতে করোনা জয়ের ভাবনা

Kolkata Jagat Mukherjee Park

বিশেষ প্রতিবেদন: ‘দারুণ বিপ্লব-মাঝে তব শঙ্খধ্বনি বাজে
সঙ্কটদুঃখত্রাতা। জনগণপথপরিচায়ক জয় হে ‘। কবি শঙ্খ ঘোষকে অনেকটা এমনভাবেই দেখতে চাইছে জগৎ মুখার্জি পার্ক। কারণ তাঁদের এবারের পুজোয় পাথেয় সদ্য প্রয়াত কিংবদন্তি কবিই।

শঙ্খ ঘোষের কবিতার লাইনই এবার জগত্‍ মুখার্জি পার্কের দুর্গা পুজোর থিম। তেমন ভাবেই সাজানো হয়েছে মণ্ডপ। উদ্যোক্তাদের দাবি, করোনা বিধি মেনে এমনভাবে তৈরি হচ্ছে মণ্ডপ, যাতে বাইরে থেকেই দর্শকরা প্রতিমা দর্শনের সুযোগ পান। কীভাবে শঙ্খ ঘোষকে থিমের অঙ্গ করেছ এই ক্লাব?

“আয় আরো হাতে হাত রেখে আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি।” কবি শঙ্খ ঘোষের কবিতার এই লাইনই কোভিডের বিপন্ন সময়ে কলকাতার জগত্‍ মুখার্জি পার্কের এবারের দুর্গাপুজোর থিম। শঙ্খ ঘোষ করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন চলতি বছরের ২১ এপ্রিল। ক্লাব কর্তা দ্বৈপায়ন রায় জানিয়েছেন, ” কবিকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্যই আমাদের এই বিষয় ভাবনা। পাশাপাশি অসহায় মানুষের আরও হাতে হাত রেখে বেঁধে বেঁধে থাকার প্রয়োজনীয়তার কথা আমরা তুলে ধরার চেষ্টা করছি এবারের দুর্গোৎসবের মণ্ডপে।’

Kolkata Jagat Mukherjee Park

জগৎ মুখার্জি পার্কের পুজোর কলকাতা জুড়ে এক বিশাল সুনাম রয়েছে। সময় যত গড়িয়েছে ততই এখানকার থিমের চিন্তাভাবনা উন্নত থেকে উন্নততর হয়েছে। এবারের বিষয় ভাবনাকে ফুটিয়ে তুলতে জোরকদমে চলছে মণ্ডপের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। কারণ পুজো আসতে যে আর মাত্র দশটা দিন বাকি।

জগৎ মুখার্জি পার্কের পুজোর এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি হলেন সোনাই সরকার বলেন, “আমরা এই থিমটাকে বেছে নিয়েছি কারণ সম্প্রতি বাংলা সাহিত্যের তারকা কবি শঙ্খ ঘোষ মারা গিয়েছেন। তিনি এই কবিতা যখন লিখেছেন তখন হয়তো সময় করোনার প্রকোপ ছিল না , সেটাকে নিয়ে ভেবে তিনি তাই লেখেননি কিন্তু আজকে পৃথিবীতে দাঁড়িয়ে কোভিডের জন্য সবসময় এক মানুষ অপর মানুষের থেকে দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করছে। আজকে যখন কোভিডের জন্য আমাদের কাছের অনেক মানুষ চলে যাচ্ছেন তখন আমাদের এটাই উপলব্ধি হচ্ছে যে এই প্যান্ডেমিক পরিস্থিতিতে যদি এক মানুষ অপর মানুষের পাশে একত্রিত হয়ে শারীরিক, আর্থিক কিংবা মানসিক ভাবে না দাঁড়ায় তাহলে এই প্যান্ডেমিক থেকে পরিত্রাণ পাওয়া দুঃসাধ্য হয়ে উঠবে৷ তাই এ বছর আমরা থিমের বিষয় হিসেবে শঙ্খ ঘোষের কবিতা ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’কেই বেছে নিয়েছি।”

Khargpur: খড়্গপুর বিধানসভা হাতছাড়া হচ্ছে বিজেপির, তালিকায় শিলিগুড়ি

Hiran Chatterjee

নিউজ ডেস্ক: উত্তর থেকে দক্ষিণ কোথাও যেন স্বস্তি নেই বিরোধী দলের। শুক্রবার রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যানী দল ছাড়লেন। তিনি বিজেপি ত্যাগ করতেই এবার গুঞ্জন পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুর ঘিরে। বিধায়ক হিরন চট্টোপাধ্যায় (Hiran Chatterjee) দলত্যাগ করতে চলেছেন।

হিরন তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে ঘনিষ্ঠ মহলে বিজেপি সাংসদ তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ক্রমাগত ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন তিনি। তৃ়নমূল ছেড়ে বিজেপিতে এসে বিধায়ক হন হিরন। তবে দলে তেমন কাজের সুযোগ নেই বলে জানাচ্ছেন তিনি। এর আগে তৃণমূল ছাড়ার পর বলেছিলেন দলে কাজ করতে পারছিলাম না।

সূত্রের খবর, হিরনকে তৃণমূলে ফিরে আসার বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল নিজেও বিজেপি ছেড়ে টিএমসি হয়েছেন।

এদিকে জানা যাচ্ছে, শিলিগুড়ির বিধায়ককেও হারাতে চলেছে বিজেপি। বিধায়ক শংকর ঘোষ তৃণমূলে যাচ্ছেন বলেই তুমুল আলোচনা। ভোটের আগে শংকর ঘোষ সিপিআইএম ছেড়ে বিজেপিতে যান। গুরু তথা প্রাক্তন পুর ও নগরোন্নয় মন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্যকে পরাজিত করেন। তবে শিষ্যের সঙ্গে অশোকবাবুর সুসম্পর্ক রয়েছে।

দুর্গাপূজার পর রাজ্য বিজেপিতে ধ্বস নামতে চলেছে। এমনই আশঙ্কা খোদ বিজেপির অন্দরে। দু ডজন বিধায়ক দলত্যাগ করবেন বলেই মনে করা হচ্ছে। শুক্রবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানান, কে দলত্যাগ করল তাতে বিজেপির কিছু ক্ষতি হবে না। সাংগঠনিকভাবে দল থাকবেই। শুভেন্দুবাবু নিজে ভোটের আগে তৃ়নমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন।

বাঙালির পাহাড় জয়: সাপ্লিমেন্টারি অক্সিজেন ছাড়াই ধৌলাগিরির শীর্ষে প্রথম ভারতীয় মহিলা

Piyali Basak

বিশেষ প্রতিবেদন: কোনও সাপ্লিমেন্টারি অক্সিজেন ছাড়া ধৌলাগিরি (৮,১৬৭ মি.) শৃঙ্গে আরোহন করলেন পিয়ালি বসাক (Piyali Basak)। এই প্রথম একজন ভারতীয় মহিলা সাপ্লিমেন্টারি অক্সিজেন ছাড়া ৮ হাজার মিটারের একটি শৃঙ্গের চূড়া স্পর্শ করতে পারলেন। এবং নারীপুরুষ নির্বিশেষে প্রথম বাঙালি যিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন (সাপ্লিমেন্টারি অক্সিজেন ছাড়া ৮,০০০ মিটার পিক)।

এই সাফল্য ঐতিহাসিক, ভারতীয় পর্বতারোহনের ইতিহাসে পিয়ালী চিরস্থায়ী হল। শুক্রবার সকালে কাঠমান্ডুর পর্বতারোহণ আয়োজনকারী সংস্থা পায়োনিয়ার অ্যাডভেঞ্চার এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

ধৌলাগিরি পৃথিবীর সপ্তম উচ্চতম শৃঙ্গ। আরোহণের নিরিখে আট হাজার মিটারের অন্যান শৃঙ্গের অনেকগুলির তুলনায় যথেষ্ট দুর্গমও। তা জয় করেছে চন্দননগরের এই মেয়ে। ২০১৮ তে পিয়ালী ভারতের প্রথম অসামরিক মহিলা হিসেবে মানাসলু শৃঙ্গ আরোহণ করেন। আর্থিক অনটনকে সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন অন্নপূর্ণা অভিযানে। সাফল্য আসেনি। একই কারণে ২০১৯তে একদম শেষ মুহূর্তে এসে ওঠা হয়নি এভারেস্টের শীর্ষে। সমস্যা করেছিল ট্রাফিকও।

Piyali Basak

শেরপা নিয়েও অনেক বিতর্ক হয়েছিল পিয়ালির। ক্রাউড ফান্ডিং করে এভারেস্ট অভিযানে শিখরের সামনে থেকে ফিরে আসতে হয়েছিল পিয়ালিকে। এবার এসেছে সাফল্য। ধৌলাগিরি পর্বত এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫০০ জন সামিট করেছেন, যার মধ্যে দুই তৃতীয়াংশ অতিরিক্ত অক্সিজেন ছাড়া হয়েছে। অতিরিক্ত অক্সিজেন ছাড়া সমস্ত আটহাজারীই অত্যন্ত কঠিন শৃঙ্গ, যে কারণে অনেক পর্বতারোহীই অক্সিজেনকে ড্রাগ বলে মনে করে থাকে।

তাঁর এই সাফল্যকে কুর্নিশ জানিয়েছে তাঁর বাংলাদেশের এক পর্বতারোহী বন্ধু। মানস বালা জানিয়েছেন , “মার্চে যেভাবে অর্থসংকটে নেপাল থেকে ফিরে আসা, ১৫-২০ লক্ষ টাকার লোন মাথায় নিয়ে, পর্বতারোহণে কতটা প্যাসনেট হলে মানুষ সবকিছু পেছনে ফেলে সেপ্টেম্বরে আবার এক্সপেডিশনে যায় এবং প্রথম ভারতীয় নারী হিসেবে অক্সিজেন ছাড়া ধৌলাগিরি সামিট করে। সত্যিই আপনার মানসিক দৃঢ়তা এবং পর্বতারোহণের প্যাশন অকল্পনীয়।বাংলাদেশ থেকে আপনার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা”।

পিয়ালি জানিয়েছেন, “আমি যখন অন্নপূর্ণা অভিযানে অসফল হয়ে ফিরি তার আগে ৮ লাখ টাকা ধার নিয়েছিলাম। ২০১৯ সালে এভারেস্ট অভিযানে ১১ লাখ টাকার লোন নিয়েছিলাম। অন্নপূর্ণা অভিযানের সময় কিছু লোকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম যারা লোন করে দিতে পারে কিন্তু কেউই লোন করে দিতে পারেনি যেহেতু আমার স্কোর অনেক কম তাই কোন জায়গা থেকেই আমি আর লোন পাইনি। আমাকে আজ পর্যন্ত সাহায্য যারা সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছিলেন তাদের প্রতি আমি খুবই কৃতজ্ঞ থাকব।

আগেরবারের অভিযানে ৮৮হাজার ২০০ টাকা সাহায্য পেয়েছিলাম এবং বাকি কিছু টাকা অনেক চেষ্টা করেও লোন নিয়ে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা হয়েছিল। তা নিয়েই গিয়েছিলাম। আমাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং দেশের সম্মান বাড়াতে আমার দায়িত্ব পালন করতে কোনও কিছু থেকেই পিছপা হইনা। তারপরেও আমি অনেক চেষ্টা করেও অন্নপূর্ণা জয় করতে পারিনি। কিন্তু মনে মনে জেদটা ছিল। আমাকে নেপালের এজেন্সি বলেছে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে আবার ধৌলাগিরি(৮১৬৭ মিটার), পৃথিবীর সপ্তম উচ্চতম শৃঙ্গ অভিযান আছে সেখানেও ভারত থেকে কোন মেয়ে এখনও সফলভাবে আরোহন করেনি তাই সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যে আমি যদি আমার আর্থিক পরিস্থিতি ঠিক করে আসতে পারি তাহলে ধৌলাগিরি অভিযান সফল ভাবে সম্পন্ন করার সুযোগ আছে।’ সবকিছুকে এবার হারিয়ে জয়ী পাহাড়প্রেমী পিয়ালি।

Uluberia: জালে বিশাল গঙ্গার ইলিশ, দেখতে ভিড় জমল বাজারে

Big size hilsa caught in the nets in uluberia

বিশেষ প্রতিবেদন: ভেতো বাঙালির অন্যতম প্রিয় পদ মাছ। আর মাছের নাম ইলিশ হয় তো আর দেখতে নেই। এবার উলুবেড়িয়ার গঙ্গায় ধরা পড়ল দু’কিলোরও বেশি সাইজের ইলিশ। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার মৎসজীবীদের জালে ধরা পড়ে ২১০০ গ্রাম ওজনের এই ইলিশ মাছটি। 

পাশাপাশি, ১৫০০ গ্রাম ওজনেরও একটি ইলিশ মাছ পরে। তাদের থেকে মাছগুলি কিনে নেন মাছ ব্যবসায়ী নেপাল পাখিরা। তাঁর দাবি, এই মরসুমে এটাই উলুবেড়িয়ার গঙ্গায় ধরা পড়া সবচেয়ে বড়ো ইলিশ। তিনি ২১০০ গ্রাম সাইজের মাছটি ৩০০০ টাকা কেজি দর হাঁকেন। ২১০০ গ্রাম সাইজের ইলিশ আসার খবরে বাজারে ভিড় বহু উৎসুক মানুষ।

হাওড়া জেলার বিভিন্ন বড় বাজারে বেশির ভাগ ইলিশ আসে ডায়মন্ডহারবার এবং দিঘা থেকে। আবার কোলাঘাট, গাদিয়াড়া, উলুবেড়িয়া প্রভৃতি এলাকায় গঙ্গা বা রূপনারায়ণ থেকে যে ইলিশ ধরা হয় তাৎক্ষণিক ভাবে সেগুলি স্থানীয় বাজারে বিক্রি হয়ে যায়। ঘটনাটক্রে যে বড় ইলিশ ধরা পড়েছে সেগুলি ধরা হয়েছে মৎসজীবীদের হাত ধরে।

Big size hilsa caught in the nets in uluberia

এদিকে বড় ইলিশ জালে আসা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘‘যদিও একটা ইলিশ তবুও সেটাও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ
স্থানীয়ভাবে বড় ইলিশ ধরা পড়ায় মনে হচ্ছে এখানে যে তাদের বড় হওয়ার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।” তাঁরা মনে করছেন, নানাবিধ ব্যবস্থা নেওয়া এবং প্রচারাভিযানের ফলে কিছুটা হলেও ছোট ইলিশ ধরা কমেছে। শুধু তাই নয়, মৎস্যজীবীদেরও এই ঘটনা অনুপ্রেরণা দেবে বলে তাঁরা মনে করছেন। বিশেষজ্ঞদের কথায়, ‘‘ছোট ইলিশ না ধরা হলে সেটা যদি বাড়তে থাকে তাহলে তার আকার কতটা বড় হতে পারে তা মৎস্যজীবীরা নিজের চোখে দেখতে পেলেন।’’

এর আগে ২০১৮ সালে উলুবেড়িয়ায় গঙ্গা থেকে ধরা পড়েছিল তিনটি বড় ইলিশ। একটি ইলিশের ওজন ছিল তিন কিলোগ্রাম। তারও মাসখানেক আগে গাদিয়াড়ায় রূপনারায়ণ ও গঙ্গার সঙ্গমস্থলে জেলেরা ধরেছিল দু’টি ইলিশ। একেকটির ওজন ছিল আড়াই কিলোগ্রাম করে। উলুবেড়িয়ায় ওই বড় ইলিশটি বিক্রি হয়েছিল চার হাজার টাকা প্রতি কিলোগ্রাম দরে। গাদিয়াড়ায় দু’টি ইলিশ বিক্রি হয়েছিল ২৬ হাজার টাকায়।

Bangladesh: রোহিঙ্গা নেতাকে খুনের পিছনে করাচির জঙ্গি নেতা? তদন্ত চলছে

Mohib Ullah

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের চট্টগ্রামে রোহিঙ্গা শরণার্থী আন্তর্জাতিক পরিচিত রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহকে (Mohib Ullah) গুলি করে খুনের ঘটনায় উঠে আসছে জঙ্গি সংযোগ। এই খুনের ঘটনায় উদ্বেগ জানাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার। মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিমকেন জানান মুহিবুল্লাহ হত্যার ঘটনায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত ও চিন্তিত। চিন্তিত রাষ্ট্রসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশন (UNHCR)।

নিহত রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহর পরিবারের অভিযোগ, মায়ানমার সরকার আরসা আরসা(ARSA)জঙ্গিদের মদতে এই খুন করিয়েছে। কারণ, বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শিবিরগুলিতে এই জঙ্গি সংগঠনের অনেকেই ভুয়ো পরিচয় নিয়ে আছে। অভিযোগ, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলিতে রাতে জঙ্গি সংগঠন ও বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয় থাকে।

মুহিবুল্লাহ চট্টগ্রাম বিভাগের কুতুপালং শিবিরে থাকতেন। তিনিও মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সেনা অভিযান ও গণহত্যা শুরু হতেই লক্ষ লক্ষ শরণার্থীদের মিছিলে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন।

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশ (পূর্বতন আরাকান) লাগোয়া। মানবাধিকার রক্ষায় লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গাকে শরণার্থী হিসেবে বাংলাদেশ সরকার আশ্রয় দেয়। ঢাকার অভিযোগ, তাদের ফেরত নেওয়ার বিষয়ে নোবেল জয়ী নেত্রী সু কি নেতৃত্বে চলা সরকার কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। আর বর্তমান মায়ানমারের সামরিক সরকারও পদক্ষেপ নিচ্ছেনা।

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরানোর বিষয়ে মুহিবুল্লাহ উদ্যোগী হন। এই বিষয়ে তিনি রাষ্ট্রসংঘ ও তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বিবিসি জানাচ্ছে, চট্টগ্রামের কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরে এই খুনের তদন্ত করছে কক্সবাজারের পুলিশ। সন্দেহজনক এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তদন্তে উঠে আসছে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি বা আরসা সংগঠনের নাম। কক্সবাজার, টেকনাফ সহ চট্টগ্রামে এই জঙ্গি সংগঠনটি সক্রিয়। পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই (ISI) মদতে করাচির বাসিন্দা পরে সৌদি আরবে চলে যাওয়া জঙ্গি নেতা আতাউল্লাহ আবু আরসা তৈরি করে। মায়ানমারের রোহিঙ্গাদের মধ্যে পাকিস্তানের জঙ্গি জাল ছড়ানোর জন্য আরসা গঠন করা হয় ২০১৩ সালে।

মায়ানমারের সেনার হামলায় রোহিঙ্গা গণহত্যা শুরু হতেই বাংলাদেশের দিকে চলে আসা লক্ষ লক্ষ শরণার্থীর মধ্যে আরসা জঙ্গিরা নিজেদের মিশিয়ে নেয়। কক্সবাজার পুলিশের বেশ কয়েকটি অভিযানে আরসা জঙ্গিদের অস্তিত্ব প্রকাশ হয়েছে।

Bankura: ভয়াবহ গন্ধেশ্বরী ভেঙে দিল ‘পরিকল্পনাহীন’ ১৫ লাখের সেতু

Bankura Gandheswari river

অনলাইন নিউজ: বাঁকুড়া: জলের তোড়ে ভাসিয়ে নিয়ে গেল বাঁকুড়া (Bankura) শহর সংলগ্ন গন্ধেশ্বরী নদীর উপর নির্ম্মীয়মাণ কাঠের সেতু। এই অবস্থায় সেতু তৈরীর জন্য বরাদ্দ ১৫ লক্ষ টাকা জলে গেল পাশাপাশি সঠিক পরিকল্পনার অভাবেই এই ঘটনা ঘটছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

বিগত বাম আমলে বাঁকুড়া শহর সংলগ্ন গন্ধেশ্বরী নদীর উপর সতীঘাটে একটি ফুট ব্রীজ তৈরি হলেও কয়েক বছর আগে তা জলের তোড়ে ভাসিয়ে নিয়ে চলে যায়। পরে রাজ্য পূর্ত দপ্তর একই জায়গায় নতুন করে ১৭ কোটি ৯২ লক্ষ টাকা মঞ্জুর করে ১৫৪.০৩ মিটার লম্বা ও ১৫.৫৫ মিটার চওড়া একটি সেতুর তৈরির কাজ শুরু করে। কিন্তু কাজ শুরু হলেও সেভাবে কাজ আর এগোয়নি। ফলে চরম সমস্যায় নদীর ওপারের কেশিয়াকোল, বিকনা সহ একটা একটা বড় অংশের কয়েক হাজার মানুষ।

এই অবস্থায় বাঁকুড়া পৌরসভা নদী পথে যাতায়াতের জন্য ফি বছর নতুন করে অস্থায়ী সেতু বানায়। আর তা প্রতিবছর বর্ষার সময় তা ভাসিয়ে নিয়ে চলে যায়। এবার একই জায়গায় ১৫ লক্ষ টাকা ব্যায়ে কাঠের সেতু নির্মাণে উদ্যোগ নিয়েছিল পৌরসভা। আগামী মহালয়ার দিন তা উদ্বোধনের কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই গত দু’দিনের বৃষ্টিতে বন্যার তোড়ে নির্ম্মীয়মান সেতু ভেসে যাওয়ায় পৌরসভার পরিকল্পনাহীনতাকেই দায়ী করছেন স্থানীয় মানুষ। সরকারী অর্থের অপচয় ছাড়া কোন কাজ হয়নি বলে তাদের দাবি।

আর এর পিছনে সেই ‘কাটমানি’ তত্বকে হাজির করেছে বিজেপি। তাদের দাবি কাঠের সেতু তৈরি করা হচ্ছিল বিনা টেণ্ডারে। অথচ গত তিন বছরেও স্থায়ী সেতু তৈরীর কাজ শেষ হলোনা। তৃণমূলের ছোটো বড় সব নেতাই কাটমানিতে যুক্ত বলে তাদের দাবি।

বিষয়ে বাঁকুড়া পৌরসভার প্রশাসক অলকা সেন মজুমদার বলেন, আমরা ভেবেছিলাম বাঁকুড়ার মানুষকে পুজোর আগে সেতু উপহার দেবো। তা আর হলোনা! এর আগে এতো বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয় বাঁকুড়ায় হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।

Malawi: পার্লামেন্টে প্রাক্তন স্পিকারের ভয়াবহ আত্মহত্যা, রক্তাক্ত পরিবেশ

Former Malawi deputy speaker Commits Suicide at Parliament

নিউজ ডেস্ক: কিছু সরকারি সুযোগ সুবিধা পেতে চান এমনই আর্জি নিয়ে এসেছিলেন প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার। আচমকা বন্দুক বের করে গুলি চালিয়ে দিলেন। সে এক ভয়াবহ কান্ড। পরে দেখা গেল রক্তাক্ত দেহ। ঘটনার কেন্দ্র আফ্রিকার দেশ মালাউয়ি।

বিবিসি জানাচ্ছে, মালাউইয়ের প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার ক্লিমেন্ট চিউওয়ায়া পার্লামেন্টের অভ্যন্তরে নিজের ওপর গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেন। পার্লামেন্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে একটি বৈঠকে যোগ দিতে তিনি সেখানে যান।
২০১৯ সালে দায়িত্ব ছাড়ার পর প্রাপ্য গাড়ি সুবিধা নিয়ে আলোচনা করতে পার্লামেন্টে গিয়েছিলেন তিনি।সেখানেই আত্মহত্যা করেন। তদন্তে উঠে এসেছে, তাঁর এই আত্মঘাতী হওয়ার কারণ চাকরির সুবিধা সংক্রান্ত শর্ত পালন নিয়ে হতাশা।

Former Malawi deputy speaker Commits Suicide at Parliament

২০১৯ সালে পাঁচ বছর মেয়াদ শেষে ক্লিমেন্ট চিউওয়ায়াকে সরকারের তরফ থেকে গাড়ি কিনে দেওয়া হয়। একটি দুর্ঘটনায় গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনি চাইছিলেন পার্লামেন্ট ওই ক্ষতিপূরণ দিক। এনিয়ে তিনি আদালতেও যান। সেখানে মামলাটি এখনও বিচারাধীন।

জানা গিয়েছে মালাউইয়ের প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার হুইলচেয়ারে চলাফেরা করেন। তিনি নিরাপত্তারক্ষীদের লুকিয়ে পার্লামেন্টেরর ভিতরে বন্দুক নিয়ে প্রবেশ করেন। এর জেরে দেশটির পার্লামেন্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। ক্লিমেন্ট চিউওয়ায়া ডেপুটি স্পিকার হওয়ার আগে ২০০৪ সাল থেকেই পার্লামেন্ট সদস্য ছিলেন।

Politics: উত্তরে TMC ‘হানা’, রায়গঞ্জের BJP বিধায়কের দলত্যাগ

raiganj bjp mla krishna kalyani

নিউজ ডেস্ক: চিঠিতে দলবিরোধী মন্তব্য করা থেকে নিষেধ করা হয় রাজ্য বিজেপির তরফে। বৃহস্পতিবার সেই চিঠি পাওয়ার পরেই শুক্রবার দলত্যাগ করলেন উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী। তাঁর দলত্যাগের পরেই রায়গঞ্জে তৃণমূল কংগ্রেস শিবিরে শুরু হয়েছে তাঁকে বরণের প্রস্তুতি।

বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি দলত্যাগের কথা জানান। আগেই দলের সমস্ত কর্মসূচি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন।
ক্রমাগত বিজেপি বিরোধী সুর চড়াচ্ছিলেন কৃষ্ণবাবু। রায়গঞ্জের সাংসদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। দল ছাড়লেও তৃণমূল কংগ্রসে যোগদানের বিষয়ে নীরব কৃষ্ণ কল্যানী। তাঁর নীরবতা সম্মতির লক্ষণ বলে ধরে নিয়েছে তৃণমূল শিবির।

টিএমসির অন্দরমহলে গুঞ্জন, বিধায়ক দলত্যাগ করতেই উত্তরবঙ্গে বিরোধী দলের অভ্যন্তরে টিএমসি হানা জোরদার শুরু হলো। সূত্রের খবর, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক বিজেপি বিধায়ক দ্রুত দলত্যাগ করতে চলেছেন।

সূত্রের আরও খবর, উত্তরবঙ্গের রাজধানী শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শংকর ঘোষ তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেবেন। নির্বাচনের আগে তিনি সিপিআইএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। ভোটে নিজের রাজনৈতিক গুরু প্রাক্তন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্যের পরাজয় হয়। তাৎপর্যপূর্ণ, অশোকবাবু একেবারে তিন নম্বরে চলে যান। তবে শিষ্য শংকর ঘোষের সঙ্গে অশোক ভট্টাচার্যের সুসম্পর্ক এখনও।

Airstrike: মার্কিন এয়ারস্ট্রাইকে খতম আল-কায়েদা শীর্ষ নেতা

Airstrike kills a top al-Qaeda

নিউজ ডেস্ক: তালিবান (Taliban) জঙ্গিদের হাতে আফগানিস্তানের (Afghanistan) ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়ার পর বড়সড় অভিযানে মার্কিন সেনা। রুশ সংবাদমাধ্যম স্পুটনিক জানাচ্ছে, সিরিয়ার ইদলিবে মার্কিন বোমারু বিমান (US air strike) হামলায় শীর্ষ আলকায়েদা (Al Qaeda) জঙ্গি নেতা খতম হয়েছে। নিহত জঙ্গি নেতার নাম সালিম আবু আহমাদ।  

নিহত আলকায়েদা নেতা সালিম সিরিয়া ও ইরাক সংলগ্ন এলাকায় জঙ্গি অভিযান, তহবিল সংগ্রহের দায়িত্বে ছিল। গত ২০ সেপ্টেম্বর মার্কিন বিমান হামলায় তার মৃত্যু হয়। দশদিন পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার এই আলকায়েদা জঙ্গি নেতার মৃত্যু সংবাদ নিশ্চিত করেছে।

ফক্স নিউজ জানাচ্ছে, সিরিয়ার (Syria) ইদলিবে জঙ্গিদের সক্রিয়তা রয়েছে। সিরিয়া-ইরাক সীমান্তে আলকায়েদা ও ইসলামিক স্টেট জঙ্গি সংগঠন এখনও সক্রিয়। তবে ইরাকের বিস্তির্ণ এলাকায় আইএস যে জঙ্গি রাজত্ব কায়েম করেছিল তা আগেই ধ্বংস করা হয়েছে।

সম্প্রতি আফগানিস্তানে সেনা অভিযান বন্ধ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর পরে গত ১৫ আগস্ট দ্বিতীয়বার আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করেছে তালিবান জঙ্গিরা। তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করেছে। আফগানিস্তান থেকে সরে আসার পর সিরিয়ায় বড়সড় জঙ্গি দমন অভিযানে অংশ নিয়েছে মার্কিন সেনা।