Weather update: দক্ষিণ ভাসিয়ে বৃষ্টি উত্তরমুখী, ভুটান পাহাড়ে হাতির মতো ঘুরছে মেঘ

heavy rain darjeeling

নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টিসুর আর মেঘাসুরের জোড়া হামলা শারদোতসবের আগে দক্ষিণবঙ্গ জলে ডুবিয়ে এবার মত্ত হাতির মতো মেঘ (Weather update) গজরাচ্ছে উত্তরবঙ্গের মাথায়।

আবহাওয়া বিভাগ উত্তরবঙ্গের পাহাড় ও সমতলে ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে জল থই থই চেহারা হবে। শনি ও রবিবার উত্তরবঙ্গ জুড়ে ভারি বৃষ্টি হবে।

প্রতিবেশি দেশ ভুটানের পাহাড়ে জমছে মেঘ। ভুটানের সীমান্ত এলারার বিভিন্ন জেলায় ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। থিম্পু থেকে এমন জানাচ্ছে দেশটির সংবাদ মাধ্যম। ভুটান পাহাড়ের মেঘ হুড়মুড়িয়ে নেমে আসে উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি জেলায়। কলকাতা আবহাওয়া বিভাগ জানাচ্ছে, রবিবার কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

ভারি বৃষ্টির কারণে ভুটান থেকে ভারতে আসা নদী তিস্তা, জলঢাকা, কালজানি, ডান সহ উত্তরবঙ্গের অন্যান্য নদীতে জলস্তর বাড়বে বলেই আশঙ্কা। দুর্যোগের কারণে, দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার পাহাড়ি পথে ধ্বস নামতে পারে। তেমনই সিকিম যাওয়ার রাস্তা বিচ্ছিন্ন হতে পারে ধ্বসের কারণে। রবিবার বিকেল থেকে বৃষ্টির দাপট কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ইতিমধ্যেই নজিতবিহীন বৃষ্টিপাতের জেরে দক্ষিণবঙ্গের বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমের বহু এলাকায় দারকেশ্বর, দামোদর, অজয়, কংসাবতী, গন্ধেশ্বরী সহ বিভিন্ন নদনদীর জলস্তর বেড়েছে। বাঁকুড়ার পরিস্থিতি খুব খারাপ। বীরভূমেও বন্যা পরিস্থিতি। ঝাড়খণ্ডে বৃষ্টির জেরে ডিভিসি জল ছাড়তে শুরু করেছে। এর ফলে দামোদরের জলে পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান ছাড়িয়ে হুগলি, হাওড়ার বিস্তির্ণ এলাকা জলমগ্ন। আবহাওয়া বিভাগ জানাচ্ছে, শনিবার বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদে ভারি বৃষ্টি হতে পারে।

Bangladesh: ‘তালিবানি ফতোয়া’ দেওয়া শিক্ষিকা বরখাস্ত, বন্ধ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়

Rabindra University have suspended teacher Farhana

নিউজ ডেস্ক: শিক্ষিকার তালিবানি ফতোয়ার কারণে প্রবল বিতর্ক ও বিক্ষোভের মুখে অবশেষে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করা হলো বাংলাদেশের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়। স্থগিত করা হয়েছে সমস্ত পরীক্ষা। একাধিক ছাত্রের চুল কেটে দেওয়ায় অভিযুক্ত শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় এখন প্রবল বিতর্কের কেন্দ্রে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারপারসন ফারহানা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে ছাত্রদের অভিযোগ, তিনি বহু ছাত্রের মাথার চুল কাটছিলেন। ব্যক্তিগত ফরমান জারি করেন কারোর বড় চুল রাখা যাবে না।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ের ছাত্রদের অনেককেই তাঁর সামনে মাথা মুড়িয়ে দেওয়া হয়। এক ছাত্র তীব্র অভিমানে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করে এখনও চিকিৎসাধীন। বহু ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করে বাড়ি চলে যায়।

অভিযোগ, শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন গুন্ডা ভাড়া করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের হুমকি দেন। পড়ুয়াদের ফেল করিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। এর জেরে বিক্ষোভ চরমে ওঠে। পুরো বাংলাদেশ জুড়ে শুরু হয় প্রতিবাদ। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে প্রমাণ পায় শিক্ষিকা ফারহানা দোষী। তাঁকে সমস্ত পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

ছাত্রদের আরও অভিযোগ, ওই শিক্ষিকা যখন তখন গায়ে হাত দিয়ে কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে আরও যেসব অভিযোগ উঠেছে তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে।

Weather update: বহু দিন পর রোদের দেখা দক্ষিণে, ভাসবে উত্তরবঙ্গ

kolkata-city

নিউজ ডেস্ক: বহু দিন পর নির্মল রোদ যুক্ত সকাল দেখল শহর এবং দক্ষিণবঙ্গ। হ্যাঁ, এমনটা বললে খুব একটা ভুল হবে না কারণ দক্ষিণবঙ্গের মানুষ ভুলেই গিয়েছেন শেষ কবে সকাল।বেলা উঠে রোদ দেখতে পেয়েছেন। আজ তেমনটা হয়েছে। সৌজন্যে নিম্নচাপের উত্তরবঙ্গ গমন। এমনটাই জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

তবে আজ শুক্রবারও কয়েক পশলা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে কারণ বর্ষার বিদায় এখনও শুরুই হয়নি সারা দেশে, বাংলা তো কোন ছাড়। তাই হঠাৎ করে বেশ কিছুক্ষণ বৃষ্টি হলে হতেই পারে।

যেমন বৃহস্পতিবার হঠাৎ করে দুপুরের দিকে তর্জন গর্জন শুরু হয় মেঘের এবং দুপুরবেলা হুড়মুড়িয়ে বেশ খানিকক্ষণ বৃষ্টি হয় দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। আজ শুক্রবার কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টি হতে পারে তবে দুর্যোগের আবহ নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

এই বৃষ্টির জেরে তাপমাত্রা বেশ কিছুটা কমই রয়েছে।শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটা বেড়ে ৩২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে গিয়েছে , তবে তা এখনও স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম রয়েছে। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৭০ শতাংশ। বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ছয় ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৯১ শতাংশ।

এদিকে আজ থেকে প্রবল বৃষ্টি হতে পারে ৪০ শতাংশ ঘাটতিতে চলা উত্তরবঙ্গে। আজ বেশি বৃষ্টি হবে মালদহ , উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে। বৃষ্টি হতে পারে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার। এই জেলাগুলিতেই বৃষ্টি হতে পারে ২ অক্টোবরও। সর্বোচ্চ ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং , কোচবিহার, কালিম্পঙ, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে বৃষ্টি হতে পারে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার। ৩ অক্টোবর ৭০ থেকে ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে। দার্জিলিং, কালিম্পঙ, জলপাইগুড়িতে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে।

Durgapur: রাতে বাড়ল DVC জল ছাড়ার পরিমাণ, সকালে জলমগ্ন পরিস্থিতি

DVC Durgapur

নিউজ ডেস্ক: বন্যা বন্দি হওয়ার আশঙ্কা দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। বিশেষত বাঁকুড়া, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া। নিম্নচাপের অতি বৃষ্টিতে দুর্গা পুজোর আগেই বন্যার আশঙ্কা। তবে আশার কথা নিম্নচাপ কাটছে। কিন্তু ঝাড়খন্ডে বৃষ্টির কারণে দামোদর-অজয় উপত্যকা এলাকার সব নদ নদী এখন ফুলতে শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবারেই অজয়ের ভয়ঙ্কর রূপ দেখা গিয়েছে বীরভূম ও পূর্ব বর্ধমানের বিস্তির্ন এলাকায়। অন্যদিকে বাঁকুড়ায় নজিরবিহীন বৃষ্টির জেরে গন্ধেশ্বরী, কংসাবতী, দারকেশ্বর দু কুল ছাপিয়ে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি করেছে। পশ্চিম বর্ধমানে বরাকর, দামোদর নদের জলস্তর বেড়েছে।

Flood situation in south bengal

এদিকে ধারণ ক্ষমতার বেশি পরিমাণ জল জমা হওয়ায় বৃহস্পতিবার রাতে ডিভিসির (DVC) দুর্গাপুর (Durgapur) ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত জল ছাড়া হয় ২,২১,১৮৬ কিউসেক। রাত দশটার পর তা বাড়িয়ে করা হয় ২,৩১,২৪৮ কিউসেক। ডিভিসি জল ছাড়া বাড়িয়ে দিতেই দক্ষিণবঙ্গের দামোদর সংলগ্ন জেলাগুলিতে জলমগ্ন পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কা থাকছে।

Flood situation in south bengal

ডিভিসির অতিরিক্ত জল শুক্রবার দামোদর হয়ে পূর্ব বর্ধমান থেকে হাওড়া জেলার উদয়নারায়ণপুর পৌঁছাবে। এই জলেই প্লাবিত হতে পারে উদয়নারায়ণপুর ও আমতা-২ ব্লকের শতাধিক গ্রাম। আর তাই আগে থেকেই প্রশাসন সতর্ক।বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই শুরু হয়েছে প্রশাসনিক তৎপরতা।

দামোদর তীরবর্তী এলাকাগুলি যেমন প্নাবিত হওয়ার আশঙ্কা, তেমনই অজয়-ময়ুরাক্ষী তীরের বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানের বিভিম্ন এলাকায় আতঙ্ক। হুগলির বহু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হবে বলেই প্রশাসনের চিন্তা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ত্রাণ ও উদ্ধারকারী দলকে প্রস্তুত করা হয়েছে।

ফের আমতা-উদয়নারায়ণপুরে বন্যার আশঙ্কা, ঘুম উড়েছে বহু মানুষের

নিউড ডেস্ক: দু-মাস কাটতে না কাটতেই আবারও বন্যার ভ্রুকুটি আমতা ও উদয়নারায়ণপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। ডিভিসির রেকর্ড পরিমাণ জল ছাড়ার ফলে ডুবতে পারে আমতা ও উদয়নারায়ণপুর বিধানসভার বিস্তীর্ণ অঞ্চল। আর সেই আশঙ্কাতেই ঘুম উড়েছে আমতা ও উদয়নারায়ণপুরবাসীর।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার প্রায় দু’লক্ষ কিউসেক জল ছেড়েছে ডিভিসি। সেই জল শুক্রবার দামোদর হয়ে উদয়নারায়ণপুর পৌঁছাবে। এই জলেই প্লাবিত হতে পারে উদয়নারায়ণপুর ও আমতা-২ ব্লকের শতাধিক গ্রাম। আর তাই আগে থেকেই প্রশাসন। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই শুরু হয়েছে প্রশাসনিক তৎপরতা। এদিন বিকালে উদয়নারায়ণপুর বিডিও অফিসে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন হাওড়া জেলার অতিরিক্ত জেলা শাসক (ডেভলপমেন্ট) রজত নন্দা, উলুবেড়িয়ার মহকুমা শাসক শমীক কুমার ঘোষ, উদয়নারায়ণপুরের বিডিও প্রবীর কুমার শীট, উদয়নারায়ণপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুলেখা পাঁজা সহ অন্যান্যরা। এদিন বিকাল থেকেই উদয়নারায়ণপুরের বিভিন্ন গ্রামে পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়। ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আপাতত ব্লক অফিসের সরকারি কর্মীদের সমস্ত ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

amta-meeting-flood

ইতিমধ্যেই উদয়নারায়ণপুরে ২০ টি নৌকা। আগাম প্রস্তুতি হিসেবে উদয়নারায়ণপুর ব্লকের ৪০ টি স্কুল খুলে দেওয়া হয়েছে এবং শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ বেবি ফুড মজুত রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি, বিপর্যয় মোকাবিলায় এনডিআরএফ ও এসডিআরআফ টিমও মোতায়েন করা হচ্ছে বলে সূত্র মারফত জানা গেছে। একই চিত্র আমতা-২ ব্লকেও। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলাশাসকের সাথে ভিডিও কনফারেন্স করেন আমতার বিধায়ক সুকান্ত কুমার পাল। তারপর আমতা-২ ব্লক অফিসে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন উলুবেড়িয়ার মহকুমাশাসক শমীক কুমার ঘোষ, আমতার বিধায়ক সুকান্ত কুমার পাল, আমতা-২ ব্লকের বিডিও মাসুদুর রহমান, আমতা-২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি দেলোয়ার হোসেন মিদ্দ্যা সহ অন্যান্যরা। আমতা-২ ব্লক প্রশাসনের তরফে সমস্ত রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, মাস দু’য়েক আগেই ডিভিসির ছাড়া জলে উদয়নারায়ণপুর ও আমতা-২ ব্লকের বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়ে ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন এলাকার বাসিন্দা থেকে শুরু করে বহু কৃষিজীবী মানুষ। সেইসময় বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে আমতায় এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধুমাত্র উদয়নারায়ণপুর বিধানসভা এলাকার হরালী, রামপুর ডিহিভূরশুট আসন্ডা,কানুপাট মনসুকা,কুড়চি শিবপুর সহ প্রায় ১৬ টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা কমবেশি জলের তলায় চলে যায়। পরে এই বন্যার জল আমতা-২ ব্লকের প্রায় ১০ টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাকে প্লাবিত করে। বন্যার সেই ক্ষত কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই আবার বন্যার ভ্রুকুটি। আর তাতেই ঘুম উড়েছে আমতা ও উদয়নারায়ণপুরবাসীর।

১০০ বছরের বৃষ্টির রেকর্ড ভাঙল লাল মাটির দেশে, ভাসছে শিল্প শহর

Rain Bengl

বিশেষ প্রতিবেদন: বৃহস্পতিবার বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া , আসানসোল অর্থাৎ রাজ্যের পশ্চিম দিকে আজ বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলেই জানিয়েছিল আবহাওয়াবিদরা। তা বলে তা এই পর্যায়ে পৌঁছাবে, ভাবনাতীত ছিল। বাঁকুড়ার বৃষ্টি ভেঙে দিয়েছে ১০০ বছরের রেকর্ড। আসানসোল ভেঙেছে গত চার বছরের রেকর্ড। 

আবহাওয়া দফতরের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘন্টায় ৪৩৪.৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। বাঁকুড়ায় বৃষ্টি হয়েছে ৩৫৪.৩ মিলিমিটার বৃষ্টি। বাঁকুড়ায় এত বৃষ্টি হয়েছিল ১৯২২ সালের ২২জুন। বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ২৯২.৪মিলিমিটার। আসানসোলে ২০১৮ সালের ২৭ জুলাই বৃষ্টি হয়েছিল ১৯২ মিলিমিটার। সেই রেকর্ড ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে।

এদিন পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায় ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়াও বয়। সৌজন্যে পুরুলিয়া জেলার পশ্চিম দিকে সরে যাওয়া ওই নিম্নচাপ। আজ বৃহস্পতিবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম ও দুই মেদিনীপুরের কিছু অংশে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। কোথাও কোথাও তারও বেশি বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া দুই বর্ধমান ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু অংশেও হয়েছে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। আর বাকি জায়গায় বৃষ্টির পরিমাণ ছিল হালকা থেকে মাঝারি।

এদিকে জুন সেপ্টেম্বর মাসের বৃষ্টিতে গাঙ্গেয় বঙ্গের অবস্থা করুন। আবহাওয়া অফিসের তথ্য বলছে উবুচুবু অবস্থা বাংলার দক্ষিণ অংশের বেশিরভাগ রাজ্যের। এরপরে আবার বৃষ্টি হলে যে কোনও মুহূর্তে বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে।

উত্তরবঙ্গে এবারে তেমন বৃষ্টি হয়নি, উলটে ঘাটতি রয়েছে।আবার অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে যে দক্ষিণবঙ্গ বানভাসি পরিস্থিতি। তথ্য বলছে, সারা বাংলায় এবারে ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। শুধুমাত্র সেপ্টেম্বর মাসের চিত্র দেখলে তা রীতিমত ভয় ধরাবে। সারা বাংলায় চলতি মাসে ৩৯ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে ৮০ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। কলকাতায় ৯৬ শতাংশ অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। সেখানে উত্তরবঙ্গে এই মাসে ৪০ শতাংশ বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে।

এখনও পর্যন্ত হলদিয়ায় ২২০, মোহনপুরে ১৯০, মেদিনীপুর-খড়গপুর- কলাইকুন্ডায় ১৭০, ডায়মন্ডহারবার-সাগরদ্বীপে ১৫০, কাঁথিতে ১০০, আলিপুর-উলুবেড়িয়া-হাওড়ায় ৯০, ঝাড়গ্রাম-কাকদ্বীপে ৭০ এবং দমদম-সল্টলেকে ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

সরে যাচ্ছেন কিম? চরম আগ্রাসী বোনকে সর্বোচ্চ দায়িত্ব

Kim jong un sister Kim Yo jong

নিউজ ডেস্ক: এমনিতেই ওয়ার্কাস পার্টি সংগঠনের পলিট ব্যুরো সদস্য। তায় আবার শাসক কিম জং উনের বোন ও বিশেষ উপদেষ্টা। ফলে ক্ষমতার একেবারে কাছাকাছি কিম ইও জং। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার হাল ধরতে হলে যে বিশেষ গুণটি দরকারি অর্থাৎ আগ্রাসী মনোভাব সেটি বিস্তর আছে। সবমিলে বোনকেই নিজের উত্তরসূরী হিসেবে আরও খানিকটা এগিয়ে আনলেন কিম জং উন।

উত্তর কোরিয়ার সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানাচ্ছে, কিম ইও জং এখন সরকারের নীতি নির্ধারণ কমিটির নতুন সদস্য। বিবিসি, রয়টার্স সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার খবর, অচিরেই নীতি নির্ধারণ কমিটির রাস টেনে নেবেন কিম ইও। বছর ৩৪ এর ইও পারিবারিক দিক থেকে দেশের একছত্র শাসক কিম পরিবারের সরাসরি সদস্য।

Kim jong un sister Kim Yo jong

বোনকে সরকারি নীতি নির্ধারণ কমিটির সদস্য করার পর থেকেই বিশ্ব জুড়ে ফের গুঞ্জন, উত্তর কোরিয়া সরকারের প্রধান কিম জং উন দায়িত্ব ছাড়বেন। তিনি বোন ইও-কেই ক্ষমতায় দেখতে চান। কেসিএনএ জানিয়েছে, কিম ইয়ো জং এখন স্টেট অ্যাফেয়ার্স কমিশনের (এসএসি) সদস্য হয়েছেন। এই কমিশনের প্রধান তার ভাই। এসএসি সদস্য হওয়া তার সর্বোচ্চ রাজনৈতিক অবস্থান।

কিমের নির্দেশে সরকারি নীতি নির্ধারণ কমিটির নতুন সাত জনকে যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে কিম ইয়ো জং একমাত্র নারী। ন’জন সদস্যকে অবসর নিতে বাধ্য করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন গত এক দশক ধরে কিম জং উনের অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারকের দায়িত্বে থাকা ৮২ বছর বয়সী প্যাক পং জু।

Weather Alert: গাঙ্গেয় বঙ্গে অতিবৃষ্টির রেকর্ড, সম্ভাবনা বড় বিপর্যয়ের

big disaster in South bengal

বিশেষ প্রতিবেদন: জুন সেপ্টেম্বর মাসের বৃষ্টিতে গাঙ্গেয় বঙ্গের অবস্থা করুন। আবহাওয়া অফিসের তথ্য বলছে উবুচুবু অবস্থা বাংলার দক্ষিণ অংশের বেশিরভাগ রাজ্যের। এরপরে আবার বৃষ্টি হলে যে কোনও মুহূর্তে বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে।

উত্তরবঙ্গে এবারে তেমন বৃষ্টি হয়নি, উলটে ঘাটতি রয়েছে।আবার অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে যে দক্ষিণবঙ্গ বানভাসি পরিস্থিতি। তথ্য বলছে, সারা বাংলায় এবারে ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। শুধুমাত্র সেপ্টেম্বর মাসের চিত্র দেখলে তা রীতিমত ভয় ধরাবে। সারা বাংলায় চলতি মাসে ৩৯ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে ৮০ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। কলকাতায় ৯৬ শতাংশ অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। সেখানে উত্তরবঙ্গে এই মাসে ৪০ শতাংশ বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে।

এখনও পর্যন্ত হলদিয়ায় ২২০, মোহনপুরে ১৯০, মেদিনীপুর-খড়গপুর- কলাইকুন্ডায় ১৭০, ডায়মন্ডহারবার-সাগরদ্বীপে ১৫০, কাঁথিতে ১০০, আলিপুর-উলুবেড়িয়া-হাওড়ায় ৯০, ঝাড়গ্রাম-কাকদ্বীপে ৭০ এবং দমদম-সল্টলেকে ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

কলকাতায় বুধবার সারাদিন হয় বৃষ্টি। বৃষ্টির জেরে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের অনেকটাই নীচে নেমে এসেছে কলকাতার। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ২১.৭ মিলিমিটার। বুধবার রাত পর্যন্ত শহরে ৩৬.৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটা কমে ২৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ছয় ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৯১ শতাংশ।

বুধবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছিল ৭২ মিলিমিটার। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম ছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৮০ শতাংশ।

মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৬ ও সর্বনিম্ন ৭২ শতাংশ। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৭৫ শতাংশ। বৃষ্টি হয় ১২.৪ মিলিমিটার।

এদিকে বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে আবহাওয়া উন্নতি হবে বলে জানিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।সেটাই হয়েছে। তবে বৃষ্টি একেবারে বন্ধ হয়নি। বৃষ্টি হয়েছে বিক্ষিপ্তভাবে।

Mamata Banerjee: ভবানীপুরে টার্গেট ‘১ লাখ মার্জিন’, মমতা শিবিরে চিন্তার মেঘ

West Bengal Chief Minister and TMC supremo Mamata Banerjee

নিউজ ডেস্ক: উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক লাখ ভোটের মার্জিনে জেতানোর টার্গেট রেখেছে শাসকপক্ষ। তৃ়ণমূল কংগ্রেস শিবিরের তাবড় তাবড় সেনাপতিরা প্রচার ও ভোটের দিন ভবানীপুরে মাটি কামড়ে পড়ে আছেন।

বেলা যত গড়াচ্ছে তত বাড়ছে টেনশন। টার্গেট ছোঁয়া যাবে তো এই চিন্তা এখন শাসক শিবিরে। কারণ ভবানীপুর কেন্দ্রে ভোট পড়ার হার ততটা উল্লেখযোগ্য নয়। ফলে তৃণমূল নেতৃত্বের ঘাড়ে শেষ বেলায় ভোটারদের বুথমুখী করানোর বাড়তি দায়িত্ব পড়েছে।

এরই মাঝে বিরোধী বিজেপির মারাত্মক দাবি, ফলাফল বলে দেবে এই রাজ্যে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছে। বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া এক সংবাদ মাধ্যমে একথা বলেন। তিনি বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের উপর কিছু টিএমসি সমর্থকের হামলার নিন্দা করেন।

ভবানীপুর কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেসের সেফ সিট বলে চিহ্নিত। এই কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভা ভোটে তিনি ভবানীপুর ছেড়ে নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে পরাজিত হন। তবে টিএমসি সরকার গড়ে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা থাকলেও তাঁকে বিধায়ক হতেই হবে। সেই সূত্রে ভবানীপুরের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় পদত্যাগ করেন। আসনটিতে উপনির্বাচন হচ্ছে।

ভবানীপুরে মমতার প্রেস্টিজ ফাইট। তিনি স্বাধীনতা পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি হেরে গিয়েও পদে আছেন দল জিতে যাওয়ায়। ফলাফল বিপরীত হলে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে বিরাট ধাক্কা লাগবে। মমতা প্রচারে জানিয়েছিলেন, আমাকে জেতান না হলে অন্য মুখ্যমন্ত্রী পাবেন।

Bankura: অতি বৃষ্টিতে শিলাবতী ভয়াবহ, স্রোতের টানে নিখোঁজ ব্যক্তি

flood situation in bankura

বাঁকুড়া: সিভিক ভলান্টিয়াদের নিষেধ অমান্য করে শিলাবতী নদী পেরোতে গিয়ে জলের তোড়ে ভেসে গেলেন এক ব্যক্তি। নিখোঁজ ব্যক্তির নাম সুভাষ গুলি মাঝি (৫০)। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ার সিমলাপাল থানা এলাকার পাথরডাঙ্গা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে খবর, নিম্নচাপজনিত ধারাবাহিক বৃষ্টির ফলে শিলাবতী নদীর পাথরডাঙ্গা কজওয়ে জলের তলায়। এদিন সকালে মাচাতোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের জফলা গ্রামের বাসিন্দা সুভাষ গুলি মাঝি নদী পেরিয়ে নিজের কুমড়ো চাষের জমি দেখতে যাওয়া চেষ্টা করেন। সিভিক ভলান্টিয়াররা বাধা দেন।

কোনও নিষেধ না শুনে ওই ব্যক্তি নদী পেরোনোর চেষ্টা করলে জলের তোড়ে ভেসে যান। পুলিশের পক্ষ থেকে বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীদের দিয়ে নদীতে তল্লাশি চলছে। নিম্নচাপজনিত ধারাবাহিক বৃষ্টির ফলে জলমগ্ন বাঁকুড়ার একটা বড় অংশ। জেলার গন্ধেশ্বরী, দ্বারকেশ্বর, শিলাবতী, কংসাবতী, দামোদর সহ প্রতিটি নদীতেই জলস্তর বাড়ছে। 

দ্বারকেশ্বর নদের মীনাপুর, ভাদুল, গন্ধেশ্বরীর ছাতনা, মানকানালী, জেলার দক্ষিণের শিলাবতীর হাড়মাসড়া সংলগ্ন ইঁটাপোড়া, পাথরডাঙ্গা ও সিমলাপাল সেতু জলের তলায়। ফলে জেলার একটা বড় অংশ জুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন।

হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত বাঁকুড়া জেলায় ৩৫৪.৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। রেকর্ড পরিমান এই বৃষ্টিপাতের ফলে বাঁকুড়া শহরের একটা অংশে বন্যা পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে।

Bangladesh: রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে এলোপাথাড়ি গুলি, তীব্র আতঙ্ক

Rohingya leader has killed

নিউজ ডেস্ক: রাতে হয়েছে হামলা। সেই হামলার পর বৃহস্পতিবার সকালেও তীব্র আতঙ্ক বাংলাদেশের (Bangladesh) তথা বিশ্বের বৃহত্তম রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে। গুলি করে খুন করা হয়েছে রোহিঙ্গা নেতাকে। ঘটনার কেন্দ্র কক্সবাজারের উখিয়ায় কুতুপালং ক্যাম্প। মায়ানমার থেকে পালিয়ে আসা লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গার এখন আশ্রয়স্থল এই এলাকা।

বিবিসি জানাচ্ছে, কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে খুন হয়েছেন,রোহিঙ্গা শীর্ষ নেতা মহিবুল্লাহ। রোহিঙ্গা নেতাকে খুব কাছে থেকে গুলি করা হয়। তাঁর স্ত্রী জানান, বুধবার রাতে কুতুপালং শিবিরে তাদের ক্যাম্পে চার পাঁচজন এসেছিল। তারাই গুলি করেছে।

Rohingya leader has killed

২০১৯ সালে রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে ভাষণ দিতে আমন্ত্রিত ছিলেন তিনি। প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে সাক্ষাতের জন্য হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রিত ছিলেন।

জানা গিয়েছে, মহিবুল্লাহর সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস। এই সংগঠনটি মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশ (পূর্বতন আরাকান) থেকে সেনাবাহিনীর হামলায় উচ্ছেদ হওয়া রোহিঙ্গাদের অধিকারের দাবিতে কাজ করত। কারা খুন করেছে সেটাই রহস্যময়। কারণ, কক্সবাজারের পুলিশ এখনও কিছু জানায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, হামলাকারীরা রোহিঙ্গা নেতার পরিচিত।

Indian Railways Recruitment: তিন হাজারেরও বেশি পদে নিয়োগ ভারতীয় রেলে

Ekolkata24 I Job News

অনলাইন ডেস্ক: রেলওয়ে নিয়োগ দপ্তরের পক্ষ থেকে উত্তর রেলের বিভিন্ন বিভাগ ও ইউনিটে কর্মশালায় উপযুক্ত প্রার্থী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ‘অ্যাপ্রেন্টিসেস আইন, ১৯৭৩’ অনুযায়ী।

আবেদনকারীদের শিক্ষানবিশ প্রশিক্ষণ প্রার্থী হিসেবে কেবল এক বছরের জন্য নিয়োগ করা হবে রেলের বিভিন্ন বিভাগে। উত্তর রেল বিভাগের দাপ্তরিক ওয়েবসাইটে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ৩০৯৩ টি শূন্যপদের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে ভারতীয় রেলওয়ের তরফ থেকে। আবেদনকারীরা আগামী ২০ অক্টোবর রাত বারোটা পর্যন্ত রেলওয়ে এই শূন্য পদগুলির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

উত্তর রেলওয়ে নিয়োগ দপ্তরের দাপ্তরিক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীরা তাদের আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। তবে বাছাই প্রক্রিয়া পরীক্ষার মাধ্যমে হবেনা সাক্ষাতকারের মাধ্যমে, সে সম্পর্কে এখনো কিছু স্পষ্ট জানানো হয়নি। প্রার্থীদের এই.আর.সি. এন.আর. নিয়োগের শর্তাবলী বিশদে পড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ভারতীয় রেলের পক্ষ থেকে। নির্বাচিত প্রার্থীদের অ্যাপ্রেন্টিস আইন, ১৯৬১ অনুসারে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থাপনা করবে ভারতীয় রেল।

আগ্রহীদের আবেদনপত্র জমা দেওয়ার জন্য অবশ্যই মাধ্যমিকের মানপত্র এবং আই.আই.টি. ডিগ্রি থাকা বাধযতামূলক। ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী প্রার্থীরা আবেদন জানাতে পারবেন উল্লেখিত পদগুলোর জন্য। যদিও শারীরিক বিকলাঙ্গ প্রার্থীদের জন্য ১০ বছরের এবং এস.সি. ও ও.বি.সি. প্রার্থীদের জন্য ৫ বছরের ছাড় দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর নির্বাচিত প্রার্থীদের অ্যাপ্রেন্টিস আইন অনুযায়ী স্টাইফেন দেওয়ার ব্যবস্থাপনার কথাও বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তপক্ষ। জেনারেল, ওবিসি এবং অন্যান্য রাজ্যের প্রাথীদের জন্য আবেদন পত্রের মূল্য ১০০ টাকা। যদিও এস.সি., এস. টি., শারীরিক বিকলাঙ্গ এবং মহিলা প্রার্থীদের কোনো আবেদন মূল্য দেওয়ার প্রয়োজন নেই। যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ করা হবে ফিরোজপুর, দিল্লি, আম্বালা এবং লক্ষ্ণৌ এর রেলওয়ে শাখার বিভিন্ন দপ্তরে।

Bankura: কে বলবে শরৎকাল! ৩৫৪.৩ মিলিমিটার বৃষ্টির রেকর্ড

flood situation in bankura district

অনলাইন ডেস্ক, বাঁকুড়া: আকাশ দেখে কে বলবে শরৎকাল ! এ যেন ভরা বর্ষা। জল থই থই বাঁকুড়ায় বন্যা পরিস্থিতি। সবকটি নদ-নদীর জলস্তর বাড়ছে। নিম্নচাপজনিত ধারাবাহিক বৃষ্টির ফলে জলমগ্ন বাঁকুড়ার একটা বড় অংশ। জেলার গন্ধেশ্বরী, দ্বারকেশ্বর, শিলাবতী, কংসাবতী, দামোদর সহ প্রতিটি নদীতেই জলস্তর বাড়ছে। 

দ্বারকেশ্বর নদের মীনাপুর, ভাদুল, গন্ধেশ্বরীর ছাতনা, মানকানালী, জেলার দক্ষিণের শিলাবতীর হাড়মাসড়া সংলগ্ন ইঁটাপোড়া, পাথরডাঙ্গা ও সিমলাপাল সেতু জলের তলায়। ফলে জেলার একটা বড় অংশ জুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন।

হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত বাঁকুড়া জেলায় ৩৫৪.৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। রেকর্ড পরিমান এই বৃষ্টিপাতের ফলে বাঁকুড়া শহরের একটা অংশে বন্যা পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে।

সকাল থেকে গন্ধেশ্বররী নদী সংলগ্ন বাইপাস রোড সম্পূর্ণ জলের তলায়। প্রায় কোমর সমান জল রাস্তার উপর দিয়ে বইছে।  বেশ কিছু দোকান জলে ডুবে গেছে।  একই সঙ্গে শহরের লক্ষ্যাতড়া মহাশ্মশান, ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের হরিতকী বাগান, জুনবেদিয়া রামকৃষ্ণ পল্লী, পলাশতলা, ২০ নম্বর ওয়ার্ডের মল্লেশ্বর পল্লী, প্রতাপবাগান এলাকায় জল থৈ থৈ অবস্থা। বেশ কিছু বাড়িতেও ইতিমধ্যে জল ঢুকে গেছে। চরম সমস্যায় শহরবাসী।

Mamata Banerjee: নজিরবিহীন ‘পরাজিত’ মুখ্যমন্ত্রীর টেনশনের ভোট পরীক্ষা

mamata banerjee

নিউজ ডেস্ক: বঙ্গ রাজনীতিতে লেখা থাকল বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর তারিখ। ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে বা অবিভক্ত বাংলা প্রদেশের রাজনীতি ধরলেও এই প্রথম এক শাসক যিনি নিজে পরাজিত হয়ে পুনপায় জয়ের জন্য মরিয়া লড়াই শুরু করেছেন। অভূতপূর্ব উপনির্বাচন চলছে রাজ্যে।

কেন্দ্র ভবানীপুর। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। যিনি ফল ঘোষণার দিনের জন্য প্রবল টেনশনে। নিজের প্রচারের ভাষণে ঝরে পড়েছে সেই টেনশন। বলেছিলেন, আমাকে জেতান, না হলে অন্য কাউকে মুখ্যমন্ত্রী করতে হবে।

mamata banerjee

বি়ধানসভা ভোটে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে লড়াই করেন মমতা। পরাজিত হন। জয়ী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী একদা ছায়াসঙ্গী তবে দলবদলে নেন ভোটের আগে। তিনি এখন বিরোধী দলনেতা।

মমতা হারলেও টিএমসি বিপুল শক্তি নিয়ে সরকার গড়েছে। মুখ্যমন্ত্রী পদে থেকেছেন মমতা। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের নিয়মে জয়ী বিধায়ক হতে হবে। ফলে তাঁরই পুরনো কেন্দ্র ভবানীপুরের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বিধায়ক পদ ছেড়ে দেন। সেফ সিট হিসেবে টিএমসি মমতা কে এই কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে।

বঙ্গ রাজনীতির এমন নজিরবিহীন মুহূর্ত আগে আসেনি। সেই মুহূর্ত দেখছেন রাজ্যবাসী। উপনির্বাচন হচ্ছে মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুর কেন্দ্রে। তবে সবই ভবানীপুরের কাছে ম্লান।কারণ সেখানে মমতা নিজে লড়ছেন। তাঁর সামনে দুটি রাস্তা খোলা। হয় জয় নয় বিদায়।

Weather update: বৃষ্টি কমলেও এখনই নয় ফুলস্টপ

Rain girl

নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে আবহাওয়া উন্নতি হবে বলে পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে বৃষ্টি একেবারে বন্ধ হয়ে যাবে না। এমনটাই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

বৃহস্পতিবার বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলেই জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায় ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়াও বইতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। কারণ পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার পশ্চিম দিকে রয়েছে ওই নিম্নচাপ। ফলে আজ পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম ও দুই মেদিনীপুরের কিছু অংশে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দুই বর্ধমান ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু অংশেও হতে পারে ভারী বৃষ্টিপাত। আর বাকি জায়গায় বৃষ্টির পরিমান থাকবে হালকা থেকে মাঝারি।

এখনও পর্যন্ত হলদিয়ায় ২২০, মোহনপুরে ১৯০, মেদিনীপুর-খড়গপুর- কলাইকুন্ডায় ১৭০, ডায়মন্ডহারবার-সাগরদ্বীপে ১৫০, কাঁথিতে ১০০, আলিপুর-উলুবেড়িয়া-হাওড়ায় ৯০, ঝাড়গ্রাম-কাকদ্বীপে ৭০ এবং দমদম-সল্টলেকে ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

এর আগে পূর্বাভাস মতোই খেল দেখায় আবহাওয়া। বুধবার সারাদিন হয় বৃষ্টি। বৃষ্টির জেরে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের অনেকটাই নীচে নেমে এসেছে কলকাতার। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ২১.৭ মিলিমিটার। বুধবার রাত পর্যন্ত শহরে ৩৬.৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটা কমে ২৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ছয় ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৯১ শতাংশ।

বুধবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছিল ৭২ মিলিমিটার। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম ছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৮০ শতাংশ।

মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৬ ও সর্বনিম্ন ৭২ শতাংশ। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৭৫ শতাংশ। বৃষ্টি হয় ১২.৪ মিলিমিটার।

বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ: দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন চাকরির সুযোগ

job DVC

অনলাইন ডেস্ক: আংশিক সময়ের আরোগ্য পরিচারক পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল দামোদর ভ্যালী কর্পোরেশন (ডিভিসি) । প্রাথমিকভাবে এক বছরের চুক্তিতে নিয়োগ করার কথা জানিয়েছে ডিভিসি. যদিও কর্মমেয়াদ পরবর্তীকালে তিন বছর পর্যন্ত বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। কর্মমেয়াদ বৃদ্ধি সংক্রান্ত পর্যালোচনা করা হতে পারে প্রার্থীর এক বছরের কর্মক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে। 

পদপ্রার্থীর যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.বি.বি.এস. ডিগ্রি ও কমপক্ষে এক বছরের পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকা প্রয়োজন। এম.সি. আই. বা যেকোনো মেডিক্যাল কাউন্সিল অনুমোদিত মেডিক্যাল রেজিস্ট্রেশনের মানপত্র থাকা বাধ্যামূলক বলেও দাবি করা হয় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে। স র্বাধিক ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত প্রার্থীরা আবেদন জানাতে পারবেন উল্লেখ্য পদে।

নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি কেবল ঝাড়খণ্ডের রামগড় শাখা দপ্তরের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য বলে জানানো হয়েছে। ডিভিসির বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, নিয়োগের পর কর্মীকে সপ্তাহে অন্তত তিনদিন শাখাদপ্তরে উপস্থিত থাকতে হবে এবং কমপক্ষে চার ঘণ্টা প্রতিদিনের চুক্তিতে কাজ করতে হবে। যদিও চূড়ান্ত কর্মঘন্টার বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হতে পারে বলে উল্লেখিত প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে। নির্বাচিত প্রার্থীকে প্রতিমাসে একত্রীকৃত ১০ হাজার টাকা প্রদানের কথাও জানানো হয়েছে ডিভিসির পক্ষ থেকে। নির্বাচিত প্রার্থীকে সমস্ত জরুরীকালিন রোগীদের সুস্রশার কাজে নিযুক্ত থাকতে হবে। নির্বাচিত প্রার্থী প্রয়োজনে রোগীকে নিকটবর্তী ডিভিসি হাসপাতাল কিংবা চিকিৎসালয়ে সুপারিশ করে দিতে পারেন।

আগ্রহী প্রার্থীকে আবেদন জানাতে হবে রামগড় শাখা দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক ইঞ্জিনিয়ারের কাছে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ১৪ দিনের মধ্যে আগ্রহীদের আবেদন জানাতে হবে বলে জানানো হয় ডিভিসির তরফ থেকে। গঠিত বিশেষ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী বাছাই প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হবে। বাছাই প্রক্রিয়ার সময় প্রার্থীর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাগত যোগ্যতার মূল্যায়ন করা হবে। উল্লেখ্য, গত ২৭ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয় এই বিজ্ঞপ্তি ডিভিসির দাপ্তরিক ওয়েবসাইটে। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির সাথে সংযুক্ত আবেদনপত্রের সাহায্যে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আবেদন জানাতে পারবেন আগ্রহীরা।

Government jobs: প্রচুর নিয়োগ স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়াতে

Government jobs SBI

#Government jobs
অনলাইন ডেস্ক: ​গত ২৮ ​সেপ্টেম্বর থেকে চালু হয়েছে স্টেট ব্যাংকের বিশেষ ক্যাডার অফিসার পদে নিয়োগের অনলাইন নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার তরফ থেকে আরও ৬০৬ টি শূন্য পদে নিয়োগের সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। সম্পর্ক ব্যবস্থাপক, গ্রাহক সম্পর্ক ব্যবস্থাপক, বিনিয়োগ কর্মকর্তা সহ আরো অনেকগুলো পদে নিয়োগের বার্তা জানানো হয়েছে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার তরফ থেকে। ম্যানেজার এবং ডেপুটি ম্যানেজার এর পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন এই ব্যাংকের তরফ থেকে। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৮ই অক্টোবর বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

বাছাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে একটি লিখিত পরীক্ষা এবং সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে। নির্বাচিত প্রার্থীকে নিয়োগ করা হতে পারে মুম্বাই কলকাতা এবং ভারতের অন্যান্য শহরগুলিতে। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রার্থীরা নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন। উল্লেখিত পদগুলিতে আবেদন করার জন্য আগ্রহীদের যে কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা প্রদত্ত স্নাতকোত্তর, স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা বা এমবিএ ডিগ্রি থাকা প্রয়োজন। ২০ থেকে ৪৫ বছর বয়সী প্রার্থীরা আবেদন জানাতে পারবেন উলিখিত পদগুলির জন্য।

সারা ভারতে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার বিভিন্ন পদে নিয়োগের জন্য ৫০০ ও বেশি শূন্য নামের তালিকা প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থাকা এই ব্যাংকটি। সম্পর্ক ব্যবস্থাপকের ভূমিকায় ৩৩৪ টি, গ্রাহক সম্পর্ক ব্যবস্থাপকের ভূমিকায় ২১৭ টি, বিনিয়োগ কর্মকর্তার ভূমিকায় ১২ টি ও কেন্দ্রীয় গবেষকের ভূমিকায় ৪ টি শূন্য পদের তালিকা প্রকাশ পেয়েছে।

এছড়াও কার্যনির্বাহী কর্মীর পদে একজন, ডেপুটি ম্যানেজার পদে ২৬ জন ও ম্যানেজারের পদে ১২ জনকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। যদিও পূর্ব অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বিশেষ কিছু প্রকাশ করা হয়নি ওই বিজ্ঞপ্তিতে। জেনারেল, ওবিসি এবং ই.ডাব্লু.এস প্রার্থীদের জন্য আবেদন পত্রের মূল্য ৭৫০ টাকা। যদিও, এস.সি., এস.টি. এবং শারীরিকভাবে অক্ষম প্রার্থীদের জন্য কোনো আবেদন মূল্য লাগবেন

Bihar: কানহাইয়াকে নিয়ে ‘ক্রাইসিস’, তীব্র শোরগোল কংগ্রেস ভবনে

kanhiya kumar

নিউজ ডেস্ক: পাটনায় সিপিআই (CPI) বিহার রাজ্য দফতর থেকে যে ছেলে এসি মেশিন খুলে আনতে পারে, সে ‘ডেঞ্জারাস’। তাকে কংগ্রেসের (INC) দায়িত্ব দেওয়া হলে বিদ্রোহ তুঙ্গে উঠবে এমনই বার্তা আসছে রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) কাছে। সবের মূলে সদ্য সিপিআই (CPI) ত্যাগ করে কংগ্রেসে (INC) যোগ দেওয়া কানহাইয়া কুমার (Kanhiya Kumar)। সূত্রের খবর, তাঁকেই বিহার প্রদেশ কংগ্রেসের বড় দায়িত্ব দিতে চলেছেন রাহুল গান্ধী।

কানহাইয়া কুমার বিহার প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি হতে পারেন এমনই গুঞ্জন রটেছে পাটনার রাজনৈতিক মহলে। এর পর থেকেই বিদ্রোহের আগুন ধিকি ধিকি করে জ্বলতে শুরু করেছে। যদিও বিহার ও কেন্দ্রীয় সিপিআই নেতারা মনে করছেন, কংগ্রেসে যোগ দিয়ে রাজ্যসভায় যেতে চান কানহাইয়া। তাঁর পক্ষে কমিউনিস্ট পার্টির হয়ে দীর্ঘ সময় রাজনীতি চালানোর ধৈর্য্য নেই।

লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেওয়া অভিনেতা ও প্রাক্তন সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা দলকে আক্রমণ করতে শুরু করেছেন। তাঁর দাবি, কী করে কানহাইয়াকে কংগ্রেসে স্থান দিলেন রাহুল গান্ধী। অভিযোগ, কানহাইয়াকে বিহার প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি পদ দেওয়া হলে অনেকেই মানতে পারবেন না।

 kanhiya kumar with Rahul gandhi

এমনিতেই কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ জট বিহারে প্রবল। বিধানসভা ভোটে আরজেডি (RJD) ও বামেদের সঙ্গে মহাজোট করেও তেমন কিছু সুবিধা হয়নি। বরং মহাজোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হিসেবে সিপিআই (এম-এল) লিবারেশন (CPIML) বিরাট সফল হয়েছে। লিবারেশেনের অভিযোগ, কংগ্রেসকে বেশি আসন দেওয়ার থেকে বামেদের আসন দিলে মহাজোট সরকার গড়তে পারত। নির্বাচনে বিহারে বাম দলগুলি বিশেষ করে সিপিআই (এম-এল) একশ শতাংশের বেশি স্ট্রাইক রেট নিয়ে দেশে নজির গড়ে। বাকি দুই বাম দল সিপিআই (CPI) সিপিআইএম (CPIM) কিছু আসন পায়। মহাজোটের স্টার প্রচারক ছিলেন ততকালীন সিপিআই নেতা কানহাইয়া কুমার।

নির্বাচন পরবর্তী বিহারে মহাজোটের কংগ্রেস ম্রিয়মান। কোনঠাসা কংগ্রেসকে চাঙ্গা করতে সদ্য দলে আসা কানহাইয়া কুমারের মতো জনপ্রিয় মুখ ও বক্তাকে হাতিয়ার করতে চাইছেন রাহুল গান্ধী। মনে করা হচ্ছে তাঁর মূল লক্ষ্য আসন্ন উত্তর প্রদেশ বিধানসভা ভোটে কানহাইয়াকে দিয়ে প্রচার। সূত্রের খবর, এআইসিসি ঠিক করেছে, পাটনার প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে বড় পোর্টফোলিও দেওয়া হবে কানহাইয়া কুমারকে।

কানহাইয়া কংগ্রেসে সামিল হতেই কংগ্রেসের হয়ে জবরদস্ত ভাষণ দেওয়া শত্রুঘ্ন সিনহার হুঙ্কার শুরু হয়েছে। এর জেরে বিহার প্রদেশ কংগ্রেসে এখন পাঞ্জাবের মতো বিদ্রোহ পরিস্থিতি। পাটনা কংগ্রেস কার্যালয়ে বিদ্রোহী নেতাদের দাবি ‘নেহি চলেগা কানহাইয়া’। যাঁকে নিয়ে বিতর্ক সেই তুখোর বক্তা নীরব। তেমনই নীরব রাহুল গান্ধী।

UN: গবেষণা রিপোর্টে ভয়াবহ ইঙ্গিত, ছাই হবে বিশ্ব

Earth could be burn after 400 years

নিউজ ডেস্ক: পরপর দাবানল দিচ্ছে ভয়াবহ ইঙ্গিত। আসছে আরও বড় দাবানল। সেই আগুনে পুড়ে যাবে বিশ্ব। যেহেতু বিশ্বের অন্দর এখন জ্বলছে, লাভা বেরিয়ে আসা তারই প্রমাণ তাই পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়াই দুনিয়ার পরিনতি।

আর ৪০০ বছরের মধ্যে বাসযোগ্য এই নীল গ্রহের সবকিছু জ্বলে পুড়ে নষ্ট হয়ে যাবে। খুব দ্রুত হারে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পৃথিবী আর বাসযোগ্য থাকবে না।এই হুঁশিয়ারি দিল রাষ্ট্রসংঘে দাখিল করা গবেষণা রিপোর্ট।

ইউনাইটেড নেশন্স অ্যাসেসমেন্ট অব ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন্স নামে এই রিপোর্ট ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে হই হই পড়েছে। গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক জলবায়ু বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা ‘গ্লোবাল চেঞ্জ বায়োলজি’-তে।

রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি বিভিন্ন রাষ্ট্র গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের পরিমাণ কমানোর যে সব প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেগুলি পুরোপুরি রক্ষিত হলেও আর ৭৯ বছরের মধ্যে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা প্রাক শিল্পযুগের চেয়ে অন্তত ২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এবং ফলে এমন ঘনঘন ও ভয়ঙ্কর দাবানল হবে বিশ্বজুড়ে।

একইভাবে ঝড়, ঘূর্ণিঝড়, খরা, বন্যা, তাপপ্রবাহ ও শৈত্যপ্রবাহের তীব্রতা ও সংখ্যা অকল্পনীয়ভাবে বেড়ে যাবে। ২১০০ সাল থেকে পরবর্তী ৪০০ বছরের মধ্যে পৃথিবী বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে।  মানবসভ্যতার কাছে হয়ে পড়বে আরও একটি ভিনগ্রহ। শুধু তা-ই নয়, স্থল ও জলের যাবতীয় বাস্তুতন্ত্রেরও আমূল পরিবর্তন ঘটবে।
দুনিয়ার শেষের ইঙ্গিত স্পষ্ট করে বলে দেওয়া হয়েছে এই রিপোর্টে। হাতে আর মাত্র চারশ বছর। তার পরেই খেল খতম।

Afganistan: বাবা পঞ্জশিরের রেসিসট্যান্স বাহিনীর সদস্য, শিশুকে খুন করল Taliban

old look of taliban militant

নিউজ ডেস্ক: পঞ্জশিরের মূল সদর শহর সহ বিভিন্ন নগর, জেলা থেকে হটে গিয়েছে জুনিয়র মাসুদের আফগান রেজিস্ট্যান্স ফোর্স। ৩৪তম প্রদেশ হিসেবে পাঞ্জশিরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তালিবানরা (Taliban)। ঘোষণা করে দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারেরও। কিন্তু তারপরেও যেন নর্দান অ্যালায়েন্সের চিন্তা যাচ্ছে না তালিবানদের মাথা থেকে।

আরও পড়ুন ফরমান জারি: দাড়ি কাটলেই ভয়ঙ্কর শাস্তি দেবে তালিবান

এবার নর্দান অ্যালায়েন্সের ভয়েই নৃশংসভাবে এক শিশুকে খুন করল তালিবানরা। কারণ তাদের সন্দেহ, ওই শিশুর বাবা পঞ্জশিরে রেসিসট্যান্স ফোর্সের সদস্য। খবরটি টুইটারে প্রকাশ করেছে ‘‌পঞ্জশির অবজার্ভার’‌ নামে একটি সংবাদ মাধ্যম। কয়েকদিন আগেই এই জঙ্গি সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই জারি থাকবে জানিয়েছিল আফগান রেজিস্ট্যান্স ফোর্স।

https://twitter.com/PanjshirObserv/status/1441976951145525249?s=20

আফগানিস্তানে পঞ্জশির অন্যতম একটি এলাকা, যেখানে মানুষ এই ভয়ঙ্কর জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের পতাকা তুলেছিল। নর্দান অ্যালায়েন্সের প্রাক্তন কমান্ডার আহমেদ শাহ মাসুদের শক্ত ঘাঁটি পঞ্জশির, রাজধানী কাবুলের খুব কাছেই এই উপত্যকাটি৷ এখানে প্রায় ১ লক্ষ ৭০ হাজার মানুষের বসবাস৷ এলাকাটি এতটাই বিপজ্জনক যে, ১৯৮০ থেকে ২০২১ পর্যন্ত তালিবানদের কব্জায় আসেনি এই উপত্যকাটি৷ শুধু তাই নয়, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীও এই এলাকায় শুধুমাত্র বিমান হামলা চালিয়েছে৷ তারা কখনও কোনও পদাদিক বাহিনী পাঠানোর সাহস দেখাতে পারেনি৷

জুলাই মাসের শুরুতে যখন তালিবান আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশে আক্রমণ শুরু করে, তখন তারা প্রতিরোধ ছাড়াই অনেক জায়গা জিতে নেয়। বলা হচ্ছে, আফগান ন্যাশনাল আর্মির সৈন্যদের মধ্যে খবর ছড়িয়েছিল যে, শীর্ষ সামরিক কমান্ডাররা তালিবানদের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। যোগাযোগের অভাব এবং অস্ত্রের অভাবও সৈন্যদের বিশ্বাস করতে বাধ্য করেছিল। এই কারণে আফগান সেনাবাহিনীর জওয়ানরা অনেক এলাকায় একটিও গুলি খরচ না করে তালিবানদের কাছে আত্মসমর্পণ করে।

প্রসঙ্গত, ক্ষমতায় আসার পরেই তালিবান ঘোষণা করেছিল, নয়ের দশকের মতো কট্টর পথে হাঁটবে না তারা। কিন্তু তারপর থেকেই ক্রমশ উলটো ছবিটা পরিস্কার হয়েছে। মহিলাদের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে, এবার প্রকাশ্যে হত্যা করা হল শিশুকেও।