আর মাত্র ৩ দিন, ভারত ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ ঘোষিত না হলে সমাধি নেবেন এই ধর্মগুরু

নিউজ ডেস্ক: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম লিখেছিলেন, “মোরা একই বৃন্তে দুটি কুসুম, হিন্দু-মুসলমান।”শুধু হিন্দু কিংবা মুসলিম নয়, ভারতীয় সংস্কৃতিতে সব ধর্মকে সমান হিসাবে গণ্য করা হয়। এই কারণে ভারত ধর্মনিরপেক্ষ দেশ। ১৯৭৬ সালে সংবিধানের ৪২ নং সংশোধনীতেও একথা জানিয়ে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকই হিন্দু, ইসলাম ধর্ম এসেছিল আক্রমণকারীদের সঙ্গে: RSS-প্রধান

এই ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’কেই এবার বদলাতে চান জগৎগুরু পরমহংস আচার্য মহারাজ। সরাসরি জানিয়ে দিলেন, ২ অক্টোবরের আগে ভারতবর্ষকে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। তা না হলে জল সমাধির মাধ্যমে মৃত্যুবরণ করবেন তিনি। এবং এই ঘোষণা করার জন্য কেন্দ্রকে মাত্র ৩ দিন সময় দিয়েছেন তিনি।

সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “২ অক্টোবরের মধ্য ভারতবর্ষকে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানাচ্ছি। সরকারের তরফে এই ঘোষণা করা না হলে আমি সরযূ নদীতে জল সমাধি গ্রহণ করে মৃত্যুবরণ করব।” শুধু হিন্দু রাষ্ট্রই নয়, তাঁর কোপে পড়েছে আরও দুই সম্প্রদায়ও। মুসলিম ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নাগরিকত্ব বাতিল করে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

দিনকয়েক আগেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত জানিয়েছিলেন, “দেশের হিন্দু-মুসলমানদের পূর্বপুরুষ এক। প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকই হিন্দু। ইসলাম ধর্ম এসেছিল আক্রমণকারীদের সঙ্গে। হিন্দুরা কারও সঙ্গে শত্রুতা করে না। সকলের ভাল চায়। এখানে ভিন্নমতের অনাদর হয় না।” ‘রাষ্ট্র প্রথম-রাষ্ট্র সর্বোপরি’ শীর্ষক ওই আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান, কাশ্মীর কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য তথা প্রাক্তন লেফটেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আটা হুসেনের মতো বিশিষ্ট মানুষেরা। যদিও তারা জানিয়েছিলেন, বিভেদ নয়, দেশের মানুষদের ঐক্যকেই তুলে ধরতে চেয়েছেন সংঘ প্রধান। 

আরও পড়ুন দুর্গাপূজা পালনে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়কে তিন কোটি অনুদান শেখ হাসিনার

অন্যদিকে বিজেপির নেতৃত্বাধীন গোয়া, মণিপুর, উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ড-সহ পাঁচ রাজ্যে ভোট আসন্ন। ভোটের আগে হিন্দু কার্ড ভুলে সবাইকে কাছে টানতে চাইছে ভারতীয় জনতা পার্টি। ফলে, হিন্দু রাষ্ট্র দাবির জল কতদূর গড়ায়, তাই এখন বুঝে উঠতে পারছে না পদ্ম শিবিরের নেতারা।

ভবানীপুরে ‘হাওয়া গরম’ বুঝছে কমিশন, নির্বিঘ্নে ভোট করানো চ্যালেঞ্জ

by election politics tension spreading in bheanipur

নিউজ ডেস্ক: বিরোধী দল বিজেপির অভিযোগ লোক ঢোকাচ্ছে তৃণমূল। তৃতীয় পক্ষ বামেদের অভিযোগ, ভবানীপুর ও সংলগ্ন এলাকার বিভিন্ন অনুষ্ঠান বাড়ি, হোটেল বুকিং করা হয়েছে। কেন এত বুকিং? শাসক টিএমসির টার্গেট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জেতানো। সবমিলে উপনির্বাচনের হাওয়া গরম। নির্বাচন কমিশন নির্বিঘ্নে ভোট করানোর চেষ্টা করছে।

একটি মাত্র কেন্দ্র তাতেই গলদঘর্ম কমিশনের। নির্বাচনের দিন যে কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কুইক রেষপন্স টিম থাকবে। কিন্তু কুইক রেসপন্স হবে কি ?.প্রশ্ন বিরোধী দল বিজেপির।

ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের দখলেই গিয়েছে। বিধায়ক হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে টিএমসি তিনবার টানা সরকার ধরে রাখে। মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকতে বিধায়ক হতে হবে মমতাকে। তাঁকে ভবানীপুর ছেড়ে দেন শোভনদেব।

by election politics tension spreading in bheanipur

উপনির্বাচন ঘিরে টানটান পরিস্থিতি। বিরোধী বিজেপি, তিন নম্বরে থাকা বামফ্রন্টের প্রচারে বাধার ঘটনায় বারবার উত্তপ্ত হয়েছে ভবানীপুর। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, উপনির্বাচনে হাওয়া গরম করতে চাইছে বিরোধীরা।

টিএমসি সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় কর্মীদের কাছে এক লক্ষ ভোটে জয়ের টার্গেট বেধে দিয়েছেন। অভিযোগ, এই টার্গেট পূরণ করতে বহিরাগতদের আনাচ্ছে শাসকদল।

শাসক বিরোধী রোষের ভবানীরুরের সব বুথে ঝামেলা হওয়ার আশঙ্কা কমিশনের। ভোট পর্ব ঘিরে বিক্ষিপ্ত অশান্তি হবে ধরে নিয়েই নিজেদের প্রস্তুত রাখছে কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি, সশস্ত্র পুলিশ, কুইক রেসপন্স টিম, সিসিটিভি নিয়ে ভোটদানের নিরাপত্তা থাকলেও ভবানীপুরবাসী নিশ্চিত কিছু একটা হবেই। কারণ হাওয়া বেশ গরম

Bankura: টেণ্ডার দুর্নীতি কাণ্ডে গ্রেফতার প্রাক্তন মন্ত্রী শ্যামাপ্রসাদের ছায়াসঙ্গী

Bankura tender corruption case

নিউজ ডেস্ক, বাঁকুড়া: টেণ্ডার দুর্নীতি কাণ্ডে গ্রেফতার হলেন ঘটনায় মূল অভিযুক্ত রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ও বিষ্ণুপুর পৌরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর এক সময়ের ছায়াসঙ্গী উজ্জ্বল নন্দী।

ধৃত উজ্জ্বল নন্দী দীর্ঘদিন বাঁকুড়া (Bankura) জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি ও বিষ্ণুপুর টাউন সভাপতির দায়িত্বও সামলেছেন। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী অর্চিতা বিদের সঙ্গে প্রচারেও দেখা গেছে তাকে। সব মিলিয়ে এখনো পর্যন্ত টেণ্ডার দুর্নীতি ঘটনায় গ্রেফতারের সংখ্যা বেড়ে হলো ৪।

Bankura tender corruption case

উজ্জ্বল নন্দীকে মঙ্গলবার দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। জেরায় তার বক্তব্যে অসঙ্গতি মেলায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। বুধবার ধৃতকে পুলিশের পক্ষ থেকে বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে।

টেন্ডার দুর্নীতি-কাণ্ডে কাণ্ডে গত ২২ অগস্ট গ্রেফতার হন প্রাক্তন মন্ত্রী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। একুশের ভোটে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি যান তিনি।

শ্যামাপ্রসাদ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে মোট ৬টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেন বন্ধ করেছে পুলিশ। শ্যামাপ্রসাদের নামে বেআইনিভাবে রাখা জমি ও একাধিক পেট্রোল পাম্পের মালিক হিসাবেও উঠে এসেছে প্রাক্তন মন্ত্রীর নাম।

Bangladesh: ভারত বিরোধী মন্তব্য, শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে কুকথা, ধৃত ইসলামি প্রবক্তা

Mufti Kazi ibrahim

নিউজ ডেস্ক: সোশ্যাল সাইটে দিনের পর দিন ধর্মীয় উস্কানিমূলক মন্তব্য, বাংলাদেশের (Bangladesh) পুলিশকে হিন্দুস্তানি রাজাকার, র এজেন্ট বলা বিতর্কিত ইসলামি প্রবক্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ জানাচ্ছে, ধৃতের নাম কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহিম। তিনি একজন ধর্মীয় বাচন দেওয়া ব্যক্তি। তিনি সোশ্যাল সাইটে যা সব মন্তব্য করেছেন তার সত্যতা জানতে জেরা করা হবে।

বিবিসি জানাচ্ছে, ধৃত কাজী মহম্মদ ইব্রাহিম ঢাকার লালমাটিয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ধর্মীয় জমায়েতে নানারকম বিতর্কিত বক্তব্য দেন। এই কারণে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তার যেমন বিপুল ফলোয়ার রয়েছ, তেমনি তাকে নিয়ে সমালোচনা কম নেই।

ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ফারুক হোসেন বলেন, অনলাইনে “ঘৃণাসূচক, অসত্য ও ভিত্তিহীন বক্তব্য প্রচারের অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে”।
সোমবার রাতে এই উস্কানিমূলক মন্তব্যকারী কাজী মহম্মদ ইব্রাহিমকে গ্রেফতার করা হয়। ঢাকা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ অভিযান শুরু করতেই স তিনি ফেসবুক লাইভে এসে প্রায় ২০ মিনিট ধরে ভাষণ দেন। সেখানে তাকে বলতে দেখা যায়, “হিন্দুস্তানি রাজাকার, র-য়ের গুণ্ডারা এই মুহূর্তে আমার বাসায় লালমাটিয়ায় হানা দিয়েছে”।

এই ধর্মীয় প্রবক্তার বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, তিনি বাংলাদেশবাসীদের বেশিরভাগ ও পুলিশ প্রশাসনকে ভারতের এজেন্ট বলে চিহ্নিত করেন। এছাড়াও করোনাভাইরাস মোকাবিলায় টিকা দান কর্মসূচির প্রবল বিরোধিতা করেন।
বিবিসি জানাচ্ছে, বিতর্কিত এই ইসলামি প্রবক্তার দাবি তিনি “স্বপ্নে করোনাভাইরাসের টিকা আবিষ্কারের সূত্র” বের করেছেন। তার আরও দাবি, “ভ্যাকসিন দিয়ে মানুষের শরীরের সব প্রাইভেসি নিয়ে নিচ্ছে”, “টিকা নিয়ে মেয়েরা ছেলে হয়ে যাবে”। তার বক্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিস্তর ট্রল হয়েছে। ইউটিউবে তার এক একটা বক্তব্যের ভিডিও লাখ লাখ বার দেখা হয়।

মমতার প্রেস্টিজ ফাইট সামলাতে মরিয়া কমিশন, ভবানীপুরের সমস্ত বুথে জারি ১৪৪ ধারা

Mamata Banerjee

নিউজ ডেস্ক: আগামীকাল রাজ্যের ৩টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। ভবানীপুর ছাড়াও একই সময়ে নির্বাচন ও ভোট গণনা হবে রাজ্যের আরো দুই আসন সমশেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরে। তবে এই ভোটগ্রহণপর্বে বিশেষ পর্বে অবশ্যই বিশেষ নজর ভবানীপুরে। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন।

আরও পড়ুন ভবানীপুরের গুঞ্জন: মমতার বিরুদ্ধে লড়লেও দ্রুত TMC দরজায় প্রিয়াঙ্কা

ফলে জিততে মরিয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর ভোটপ্রচার দেখে ইতিমধ্যেই বোঝা গিয়েছে, প্রেস্টিজ ফাইটে কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে মরিয়া তিনি। ভবানীপুরের গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। কলকাতা হাই কোর্টের অ্যাডভোকেট প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। সেই প্রেস্টিজ ফাইট সামলাতে উপনির্বাচনের আগে, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রসহ তিন আসনে সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রায় ১৫ টি কোম্পানি মোতায়েন করা হবে বলে জানা গিয়েছে নির্বাচন কমিশন সূত্রে। 

আসন্ন বাংলার উপনির্বাচনে সংঘর্ষের পূর্বাভাসও দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন জায়গা থেকে। ফলে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে ভোটের দিন সমস্ত বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রের সব বুথে কমিশনের তরফে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন ভবানীপুরে হিন্দি পোস্টারে Mamata, বাংলাপক্ষের গর্গকে মাঠে নামার আহ্বান তথাগতর

চার কোম্পানি বিএসএফ, দুই কোম্পানি এসএসবি এবং সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ) থেকে আইটিবিপি এবং সিআইএসএফ -এর প্রতিটিকে মোতায়েন করা হবে। ইতিমধ্যে, বিজেপি নির্বাচন কমিশনে একটি স্মারকলিপি দিয়েছে। যাতে বলা হয়েছে যে সামরিক বাহিনী যথাযথ আধিপত্যের জন্য এলাকায় যেতে হবে, নয়তো গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়াটাই শাসকদলের স্থানীয় পুলিশ দ্বারা পরিচালিত হবে যারা রাজ্য সরকার অনুযায়ী কাজ করবে। 

পাকিস্তানে সামরিক শাসন চলছিল, ঢাকেশ্বরীর দুর্গা আরাধনা যেমন হয়েছিল

sheikh hasina

নিউজ ডেস্ক: দুর্গা এসেছে। বঙ্গ জনজীবনে উৎসবের আমেজ লেগেছে। আকাশে মেঘ, জমিতে কাশের দোলা। চেনা মুহূর্ত। তবে আমাদের দেশের না। তখনকার পাকিস্তানের। এখনকার বাংলাদেশের।

ধারণা করা হয়, ঢাকেশ্বরী ঢাকার আদি ও প্রথম মন্দির। সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা মনে করেন, ঢাকেশ্বরী শব্দ থেকেই ঢাকা নামের উৎপত্তি। ঢাকেশ্বরী দেবী ঢাকা অধিষ্ঠাত্রী বা পৃষ্ঠপোষক দেবী। 

পদ্মা-মেঘনা-আত্রাই নদীর তীরে দুর্গা পূজা কেমন ছিল পাকিস্তানি আমলের? ১৯৬০ এর দশকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে চলছিল পাক সামরিক শাসক জেনারেল আইয়ুব খানের দমন নীতি। সেই উত্তাল সময়ে ঢাকার ঐতিহাসিক ঢাকেশ্বরী মন্দিরে দেবী ঢাকেশ্বরী অর্থাৎ দুর্গা বন্দনার কিছু বিরল ছবি থাকল দর্শকদের জন্য।

Bihar: ‘আব কেয়া বানসুরি বাজয়াগা কানহাইয়া?’ বেগুসরাই উত্তাপহীন

kanhaiya kumar

নিউজ ডেস্ক: সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের ব্রেকিং দেখেও চমকে যাচ্ছেনা বিহার (Bihar) তথা দেশের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক এলাকা বেগুসরাই (Begusarai)। সিপিআই (CIP) জেলা কার্যালয়ে তেমন হেলদোল নেই। যে টেবিলে বসে রাজনৈতিক ঝড় তুলতেন কানহাইয়া কুমার (Kanhaiya Kumar ) সেখানে গুটিকয়েক পুরনো পোড়খাওয়া নেতা বসে, আছে কিছু নতুন যুব কর্মী।

শুধু সিপিআই দলীয় দফতরের বাইরে একের পর এক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা বাইক রেখে এক্সক্লুসিভ বাইট নিতে মরিয়া। এই সবের কেন্দ্রে কানহাইয়া কুমার, যিনি সদ্য কমিউনিস্ট পার্টি (CPI) ত্যাগ করে কংগ্রেসে (INC) যোগ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: Politics: নেহরু থেকে কানহাইয়া, কংগ্রেসের ‘বাম’ নেতারা বরাবর সুপারহিট

‘জিসকা যানা থা ওহ চলা গেয়া, কোই ফরক নেহি পড়তা। কানহাইয়া সে পহলে সিপিআই থা, উসকে বাদ ভি রহেগা।’ (যার যাওয়ার সে চলে গেছে। কানহাইয়ার আগেও সিপিআই ছিল, ওর পরেও থাকবে)। সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন সিপিআই বিহার রাজ্য পরিষদের নেতা তথা বেগুসরাই জেলা সম্পাদক অবধেশ রায়।

কানহাইয়ার সিপিআই ছেড়ে যাওয়া কেমন দেখছেন? অবধেশ রায় জানান, দু:খজনক ঘটনা। কানহাইয়া মার্কসবাদ থেকে সামন্ততান্ত্রিক পুঁজিবাদের পক্ষে গেলেন। তবে সিপিআই যে সমাজ পরিবর্তনের নীতি নিয়ে চলছে তেমনই চলবে।

বেগুসরাই এমন এক জায়গা, যেটি দীর্ঘ সময় ধরে বাম রাজনীতির কেল্লা বলে পরিচিত। বারবার এই কেন্দ্রে সিপিআই জয়ী হয়েছে। বারবার এখানে সিপিআই পরাজিত হয়েছে। বিহারের জমি ভিত্তিক আন্দোলন, জাতপাত ভিত্তিক রাজনীতির মধ্যে বেগুসরাই বিশেষ চিহ্নিত।

আরও পড়ুন: Explained: পঞ্জাব কংগ্রেস থেকে নভজ্যোৎ সিং সিধুর পদত্যাগের কারণ

সিপিআই জেলা সম্পাদক অবধেশ রায় জানান, কানহাইয়ার মতো নেতার কংগ্রেসে যোগদান সাময়িক ধাক্কা তো লাগছেই। তবে কানহাইয়া প্রথম নন, সিপিআইয়ের তাবড় নেতা চন্দ্রশেখর ছিলেন এই বেগুসরাইয়ের। তাঁর মৃত্যুর পর মনে করা হয়েছিল বেগুসরাই থেকে সিপিআই শেষ। তা আদৌ হয়নি। জবরদস্ত বিধায়ক ভোলা সিং সিপিআই ত্যাগ করেন। তাতেও দলের ক্ষতি হয়নি। কানহাইয়া কুমার আধুনিক সময়ের জ্বলন্ত নেতা হিসেবে উঠে এসেছিলেন সিপিআই থেকেই।
কানহাইয়ার সিপিআই ত্যাগ নিয়ে বেগুসরাই উত্তাপহীন। পথ চলতি অনেকেই সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন, কানহাইয়া ঠিকই করেছে। কারণ, সিপিআই বেগুসরাইতে শক্তিশালী, কিন্তু সর্বভারতীয় স্তরে লড়াই করতে কংগ্রেসের মতো দল জরুরি।

কারোর কটাক্ষ, আব কেয়া বানসুরি বাজায়েগা কানহাইয়া ? (এবার কি বাঁশি বাজাবেন কানহাইয়া)। কেউ বলছেন, কমিউনিস্ট পার্টি থেকে কংগ্রেসে গেলেন, এর পর তিনি কোথায় যাবেন?

বেগুসরাই নিরুত্তাপ। তবে কেন্দ্রীয় রাজনীতি সরগরম। কানহাইয়া কুমার দলত্যাগের কথা জানিয়ে ব্যক্তিগতভাবে সিপিআই সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ডি রাজার কাছে চিঠি দেন। ডি রাজা জানিয়েছেন, সে চলে গেছে। দল লড়াইয়ে থাকবে।

বেগুসরাই কেন্দ্রে বামেরা বরাবর সাংগঠনিক শক্তিশালী। বেশ কয়েকবার এই বিধানসভা থেকে সিপিআই(CPI) ও সিপিআইএম (CPIM) জয়ী হয়েছে। এই লোকসভা কেন্দ্রেও দুবার জয়ী সিপিআই।

তবে বেগুসরাই সর্বাধিক আলোচিত হয়েছে জেএনইউ (JNU) বাম ছাত্র নেতা কানহাইয়া কুমারের দুরন্ত ভাষণ, ছাত্র সংসদের সভাপতি হিসেবে তার বিতর্কিত ‘দেশবিরোধী’ মামলায় জড়িয়ে যাওয়া ও জামিন ঘিরে। কানহাইয়া এক ঝটকায় সর্বভারতীয় সিপিআই নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। গত লোকসভা ভোটে বেগুসরাই কেন্দ্রে বিজেপির (BJP) গিরিরাজ সিংয়ের বিরুদ্ধে লড়েন। বিপুল প্রচার হলেও কানহাইয়া পরাজিত হন। এখন তিনি রাহুল গান্ধীর যুব ব্রিগেডের অন্যতম নেতা।

দুর্গা সপ্তশতী: শতাব্দী প্রাচীন মহাকাব্যটি নবরাত্রির আধ্যাত্মিক মেরুদণ্ডকে কীভাবে রূপ দিয়েছে

Navaratri and its Spiritual Significance

অনলাইন ডেস্ক: নবরাত্রি (নয় রাত) উৎসব অদম্য ঐশ্বরিক নারীশক্তির প্রতিফলন হিসেবে মনে করা হয়। এক বছরের মধ্যে চারটি নবরাত্রি আছে৷ এর মধ্যে সর্বাধিক জনপ্রিয় এবং উল্লেখ্যযোগ্য হল আশ্বিন নবরাত্রি যা সাধারণত সেপ্টেম্বর / অক্টোবর মাসে পালন করা হয়। । চৈত্র নবরাত্রি, আশ্বিন নবরাত্রিতে মা দুর্গার আরাধনা করা হয়। নবরাত্রি আবার মার্চ/এপ্রিল মাসেও ভারতের অনেক অঞ্চলে পালন করা হয় যা নতুন বছরের সূচনা করে। ঘটস্তফা থেকে কুমারী পূজা, দুর্গা পূজা থেকে গোলু (শুধুমাত্র আশ্বিন নবরত্রীর সময়), উপোস ও প্রার্থনা থেকে শুরু করে গরবা, যজ্ঞ এবং হোম থেকে চারা রোপণ সমস্তই উজ্জাপন করা হয় এই সময়ে। বৈচিত্র্যময় নবরাত্রির মূল উদ্দেশ্য হলো শরীরের সাথে আত্মার সমন্বয় সাধন।

এই উৎসবের অন্যতম অবিচ্ছেদ্য অংশ হল দুর্গা সপ্তশতী বা দেবী মাহাত্ম্য, যা শতাব্দী প্রাচীন পাঠের অন্তর্ভুক্ত। এটি পুরাণিক রচনার মধ্যে সবচেয়ে উঁচু এবং মার্কণ্ডেয় পুরাণের একটি অংশ। দুর্গা সপ্তশতীকে জনপ্রিয়ভাবে চণ্ডী পাঠ বা চণ্ডী বলা হয়। সপ্তশতী সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীনতম পাঠ্য যা সম্পূর্ণরূপে একটি উগ্র স্বাধীন দেবীকে উৎসর্গ করা হয়েছে । দেবী দুর্গাকে যেভাবে আজকে আমরা জানি তাকে এই পাঠ্য দ্বারা অনেকটা আকার দেওয়া হয়েছে। সপ্তশতীর সবচেয়ে বড় সাফল্য সম্ভবত দেবীর শিল্পকলা এবং মূর্তিবিদ্যাতে এর অবদান এবং আধ্যাত্মিক চিন্তার মৌলিক নীতিগুলি একটি বর্ণনামূলক আকারে ব্যাখ্যা করা।

সপ্তশতীকে মোটামুটি তিনটি প্রধান পর্বে বিভক্ত করা যেতে পারে। এটি সুরথ নামে একজন রাজা এবং সমাধি নামে একজন বণিকের কথা বলে যারা ঋষির মেধের আশ্রমে আশ্রয় নেওয়ার সময় দেখা করে। তাদের দুজনেরই একই দূর্ভাগ্য ছিল এবং তারা তাদের আত্মীয়দের দ্বারা প্রতারিত হয়েছিল। তাদের নিজস্ব পরিস্থিতি এবং তাদের হারিয়ে যাওয়া সম্পত্তির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তারা পরামর্শের জন্য ঋষি মেধার কাছে গিয়েছিল। ঋষি তাদের বুঝিয়েছিলেন যে, তারা, মহাবিশ্বের মত, মহান দেবী ভগবতী মহামায়ার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ছিলেন। তিনি পাঠ্যের তিনটি পর্বে তার প্রধান কৃতিত্বের প্রশংসা করেছিলেন।

প্রথম পর্ব অসুরদের সাথে মধু এবং কৃতভের পৌরাণিক কাহিনী বর্ণনা করে যারা, ব্রহ্মাকে হুমকি দিয়েছিল এবং ব্রহ্মা দেবী যোগনিদ্রার কাছে অনুরোধ করেছিলেন অসুরদের বিভ্রান্ত করার জন্য এবং বিষ্ণুকে অসুরদের বধ করার জন্য জাগিয়ে তুলতে। বিষ্ণু তার যোগশক্তি থেকে জেগে উঠলেন এবং অসুরদের হত্যা করলেন। এভাবে পৃথিবীকে রক্ষা পেল এবং সৃষ্টির চক্র গতিশীল হলো।

পাঠের দ্বিতীয় পর্ব দেবীর সর্বাধিক পালিত রূপ – মহিষাসুরমাদিনীকে উৎসর্গ করা হয়েছে। প্রাচীনকালে, ইন্দ্রের নেতৃত্বে দেবতারা অসুরদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন, যারা মহিষার নেতৃত্বে যুদ্ধ করছিলেন । দেবতারা পরাজিত হয়েছিলেন এবং মহিষা ইন্দ্রের ক্ষমতা দখল করে নিজে ইন্দ্র হয়েছিলেন। মহিষা মহাবিশ্বের সমস্ত রাজ্যের উপর রাজত্ব করেছিলেন।

সপ্তশতী এরপর তৃতীয় পর্ব শুম্ভ ও নিশুম্ভ রাক্ষসদের ক্ষমতায় আরোহণের বর্ণনা দেয়। যথারীতি, তারা ইন্দ্র এবং অন্যান্য দেবতাদের তাদের স্বর্গীয় অবস্থান থেকে বিতাড়িত করেছিল এবং তাদের ক্ষমতা দখল করেছিল।

Weather update: রাতভর ঝড়-বৃষ্টির দাপট, ভোগান্তি চলবে দিনভর

kolkata rain with kolkata taxi

নিউজ ডেস্ক: পূর্বাভাস মতোই খেল দেখাল আবহাওয়া। মঙ্গলবার বেলা গড়াতেই শুরু হল বৃষ্টি। পরে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সঙ্গী হয় ঝড়ো হাওয়া। কলকাতায় কখনও কখনও ৫০ কিলোমিটার বেগেও দমকা বাতাস বয়। সন্ধ্যা পেরোতেই শুরু হয় বিপুল বৃষ্টি, যা রাতভর চলার পর এখনও ফুলদমে চলছে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে আজ বুধবার সারাদিন এমনভাবেই চলবে বৃষ্টি। কখনও বাড়তেও পারে বৃষ্টির গতি। বৃষ্টির জেরে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের বেশ খানিকটা নীচে নেমে এসেছে। আজ সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ৭২ মিলিমিটার। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমে হয়েছে ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটা কমে ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৮০ শতাংশ।

মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৬ ও সর্বনিম্ন ৭২ শতাংশ। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৭৫ শতাংশ। বৃষ্টি হয় ১২.৪ মিলিমিটার। এই পুরো বৃষ্টিই হয় রবিবার দুপুরবেলায়।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, “পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটু ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয় ২৭ সেপ্টেম্বর। এর জেরে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়। সেটি ধীরে ধীরে উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে গিয়ে আজ ২৯ তারিখ এসে পৌঁছে গিয়েছে বাংলার উপকূলে। এর জেরে ঝড়ো হাওয়া এবং প্রচুর বৃষ্টির হচ্ছে দক্ষিণবঙ্গে।”

২৯ সেপ্টেম্বরেও শহরে বইবে ঝড়ো হাওয়া। ভারী বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া, পূর্ব বর্ধমান ও পশ্চিম বর্ধমানে। বৃষ্টি হতে পারে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার।

Punjab: কংগ্রেসের ইনিংস ‘শেষ’ করতে চলেছেন ক্যাপ্টেন

punjab ex cm captain amarinder singh likely to join bjp

নিউজ ডেস্ক: দশকের পর দশক ধরে কংগ্রেস করা লোক। বিচ্ছেদ আগেও হয়েছে। ফিরেও এসেছেন। এমনই খুঁটি নড়বড়ে হতে শুরু করল। ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং (Amarinder Singh) দিল্লিতে আসা ইস্তক গুঞ্জন, তিনি কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন। যদিও মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ‘ক্যাপ্টেন সাহাব’ তেমন পদক্ষেপ নেননি। রাজধানীর আলোচনা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পুরো বিষয়টি দেখছেন। 

পাঞ্জাবে (Punjab) ক্যাপ্টেনের কংগ্রেস ইনিংস শেষ বলেই ধরে নিয়েছে ম্যাডাম সোনিয়া গান্ধী। রাজীব জমানার কংগ্রেস নেতাকে বাঁয়ার খাতায় রাখছে কংগ্রেস। আবার ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংকে টেনে আনতে মরিয়া শিরোমনি আকালি দল। যে দলের পূর্বতন সদস্য সদ্য প্রাক্তন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী।

অমৃতসর স্বর্ণমন্দিরে খালিস্তানি জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে সেনা অভিযান ‘অপারেশন ব্লু স্টার’ নির্দেশ দেওয়ার পর কংগ্রেসের অভ্যন্তরে ধ্বস নেমেছিল। শিখ ধর্মাবলম্বী অমরিন্দর সিং কংগ্রেস ত্যাগ করেন। শিরোমণি আকালি দলে যোগ দেন। পরে আকালি দলেই নিজের গোষ্ঠী হয়। রাজনৈতিক সমীকরণে ফের কংগ্রেসে ফিরে আসেন। নব্বই দশক থেকে টানা পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের মুখ তিনি।

গত বিধানসভা ভোটে পাঞ্জাবে আকালি দলের পতন হয়। কংগ্রেস সরকার গড়ে। তারপর টানা স্থানীয় নির্বাচনগুলিতে কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টির লড়াই বড় হয়েছে। আকালি দল রয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রের কৃষি আইনের ধাক্কায় আকালি দল এনডিএ ত্যাগ করে। সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিজেপির বিরাট ধাক্কা লেগেছে পাঞ্জাবে।
বিধানসভা ভোটের আগে পাঞ্জাবে কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ জটিলতার দুই মেরুতে চলে যান নভজ্যোত সিং সিধু ও ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। পাঞ্জাবে কংগ্রেস ভেঙে যাওয়ার পরিস্থিতি। সিধু নাকি পুরনো ক্যাপ্টেন কাকে কাছে টানবে কংগ্রেস তাই আলোচনার কেন্দ্রে। পরিস্থিতি এমন যে শ্যাম রাখি না কুল রাখি অবস্থা।

এমন পরিস্থিতিতে সিধু অনবরত চাপ তৈরি করেছেন দলেরই হাইকমান্ডের উপরে। কোনঠাসা হতে হতে পুরনো বহু নেতার মতো ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং মুখ ঘোরালেন রাজধানীর দিকে। পাঞ্জাবে ক্যাপ্টেনের কংগ্রেস পিচের ইনিংস শেষের পথে, আশায় বুক বাঁধছেন এই রাজ্যে ধুঁকতে থাকা বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা।

Explained: পঞ্জাব কংগ্রেস থেকে নভজ্যোৎ সিং সিধুর পদত্যাগের কারণ

নিউজ ডেস্ক: পুনর্গঠিত পঞ্জাব কংগ্রেস মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের দু’দিন পরেই পদত্যাগ করলেন নভজ্যোত সিং সিধু। সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি দিয়ে টুইট করে জানান যে তিনি রাজ্য কংগ্রেস প্রধানের পদ থেকে সরে যাচ্ছেন। নভজোৎ সিংহ সিধু জানালেন, ‘প্রদেশ সভাপতির পদ ছাড়লেও কংগ্রেসেই আছি। পাঞ্জাবের উন্নয়নের জন্য কোনও সমঝোতা করতে পারব না।’ কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং -এর পদত্যাগের কয়েক দিন পর কী কারণে তিনি এই পদক্ষেপ নিলেন?

AAP always recognised my vision for Punjab: Navjot Singh Sidhu | India  News,The Indian Express

মন্ত্রিসভা গঠন: নতুন মন্ত্রিসভার শপথ নেওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে, দোয়াবা অঞ্চলের ছ’জন মন্ত্রী রানা গুরজিৎ সিংয়ের পদোন্নতির বিরুদ্ধে সিধুকে একটি চিঠি দেন। জানা গিয়েছে, সিধুও কপূরথলার বিধায়ক রানা গুরজিৎকে দলে অন্তর্ভুক্ত করার বিরুদ্ধে ছিলেন, কিন্তু কংগ্রেস হাইকমান্ড তাঁর কথায় , সিধুর ঘনিষ্ঠ পিপিসিসির (Punjab Pradesh Congress Committee) কার্যকরী সভাপতি কুলজিৎ সিং নাগরাকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

সুখজিন্দর সমস্যা: সিধু পাঞ্জাবের উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুখজিন্দর সিং রন্ধাওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ গৃহ পোর্টফোলিও দেওয়ার সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নন। সে বিষয়েও দলের হাইকমান্ডের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন তিনি।

নতুন এডমিন: পিপিসিসি প্রধান সিধু পাঞ্জাব পুলিশ প্রধানসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে তাঁর পছন্দের কোনো কর্মকর্তা পাননি। তা নিয়েও রাজ্যের কংগ্রেস সরকারের সঙ্গে সমস্যায় জড়িয়েছিলেন সিধু।

আরও পড়ুন Politics: নেহরু থেকে কানহাইয়া, কংগ্রেসের বাম নেতারা বরাবর সুপারহিট

নতুন মুখ্যমন্ত্রী: অমরিন্দর সিংয়ের ইস্তফার পর পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন চরণজিৎ সিংহ চান্নি।এই প্রথম কোনও দলিত মুখ বসেছেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে। যদিও অনেকেই একপ্রকার নিশ্চিত ছিলেন, এবার পঞ্জাবের কুর্সিতে বসছেন সিধু। সেই পদ না পাওয়াতেই ইস্তফা দিয়েছেন তিনি, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এছাড়াও রাজ্যের মন্ত্রীদের নাম চূড়ান্ত করার সময় রাহুল গাঁধী চরণজিৎ সিংহ চান্নির সঙ্গেই আলোচনা করেছিলেন। এছাড়াও বিভিন্ন পদে চান্নি যে নামগুলি ঠিক করছেন, তাতেও সিধুর সঙ্গে আলোচনা হয়নি। 

অন্যদিকে জল্পনা ছড়িয়েছে যে, পঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংহ খুব শীঘ্রই দিল্লি যাচ্ছেন। বিভিন্ন সূত্রে জল্পনা চলছে যে, তিনি দিল্লিতে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপি সভাপতি জেপি নড্ডার সঙ্গে দেখা করতে পারেন। গত ১৮ সেপ্টেম্বর পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন অমরিন্দর সিংহ। তারপর থেকে এটি হতে চলেছে তাঁর দ্বিতীয়বার দিল্লি সফর।

Pakistan: একটি পিয়ন পদ, ১৫ লাখ চাকরি প্রার্থী!

pakistan postal service

নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদকে সরকারি মদত দিকে গিয়ে পাকিস্তান (Pakistan) যে অন্দরে অন্দরে চরম অসুস্থ তার ভয়াবহ প্রমাণ হয়ে এসেছে কর্মহীন প্রগতির পরিসংখ্যান। জবলেস গ্রোথের ভয়াবহ উদাহরণ হয়ে গেল একটি পিওন পদের জন্য ১৫ লাখ চাকরি প্রার্থীর আবেদন জমা পড়ার ঘটনায়।

সম্প্রতি পাকিস্তানের একটি হাইকোর্টে একজন পিয়ন নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ওই শূন্যপদে নিয়োগ পাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন অন্তত ১৫ লাখ। পিয়ন পদে আবেদনকারীদের মধ্যে রয়েছেন এমফিল ডিগ্রিধারীরা।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান দেশের বেকারত্ব সাড়ে ছয় শতাংশ দাবি করেছেন। কিন্তু পরিসংখ্যান ভিন্ন কথা বলছে। পাকিস্তান ইন্সটিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট ইকনোমিক্সের তথ্য অনুসারে দেশটির বেকারত্বের হার ইমরানের দাবির চেয়ে বেশি, ১৬ শতাংশ। বর্তমান সময়ে শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর অন্তত ২৪ শতাংশ বেকার।

পাকিস্তানে বেকারত্বের চরম আকার নিয়ে প্রতিবেদন লিখেছে The Dawn সংবাদপত্র। এতে বলা হয়েছে, আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ও গ্র্যাজুয়েটদের ৪০ শতাংশ বেকার। অনেকে ভালো চাকরি না পেয়েছে নিজেদের এমফিল শিক্ষায় নিয়োজিত করছে।

পিআইডিই কর্মকর্তারা জানান, দেশের বেকারত্ব নিয়ে সরকারি পর্যায়ে কোনও গবেষণা হয়নি। যা হয়েছে তা বিদেশ থেকে। অনেক গবেষণা ইন্সটিটিউট সক্রিয় থাকলেও এগুলোর গবেষণার লক্ষ্য অর্জিত হয়নি।

Germany: তীব্র জোট জট, হারলেও মার্কেলের দলের সামনে সুযোগ

Parliament condition in germany

নিউজ ডেস্ক: ভোটে জিতেও কি বামেরা গড়তে পারবে জার্মানির (Germany) সরকার ? একা সরকার গড়ার পর্যাপ্ত আসন না পাওয়ায় শরিক জোটাতে ব্যাস্ত এসপিডি দল ভোট প্রাপ্তির পরিসংখ্যান বলে দিচ্ছে জার্মানির জাতীয় নির্বাচনে কারোর পক্ষে একা সরকার গঠন করা সম্ভব নয়। বিদায়ী চ্যান্সেলর তথা রাষ্ট্রপ্রধান অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের দল সিডিইউ পরাজিত হলেও জোট করে সরকার গড়তে পারে যে কোনও সময়।

নির্বাচনে চমকপ্রদ উত্থান গ্রিন পার্টির। পরিবেশ রক্ষার নীতি নিয়ে শিল্পোন্নত দেশ জার্মানিতে হই হই ফেলে দিয়েছে গ্রিন দল। যে দল সরকার গড়তে চায় তাদের সামনে গ্রিন দলের থেকে নির্ভরযোগ্য কেউ নেই।

তবে চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা বিদায় নিচ্ছেন। তিনি অবসরে যাচ্ছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে জার্মানি দু ভাগে ভাগ হয়েছিল। পরে একীকরণ হয়।হিটলারের নাৎসি জমামার পরে জার্মানির যে দুজন চ্যান্সেলর টানা ১৬ বছর ক্ষমতায় ছিলেন সেই দুজন হলেন হেলমুট কোল ও অ্যাঞ্জেলা মার্কেল।

hung Parliament condition in germany

গত দেড় দশক অ্যাঞ্জেলা মার্কেল বিশ্ব জুড়ে প্রবল আলোচিত। তাঁর ভূমিকায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্র বারবার সমস্যামুক্ত হয়েছে। মার্কেল হয়েছেন বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী রাষ্ট্রনেতা। তাঁর বিদায়ের পর সেই শূন্যস্থান পূরণ কে করবেন তাও তীব্র আলোচিত। তবে এর থেকেও জটিলতর হয়ে গেছে জার্মানির সরকার গঠন।

ভোটের অংক বলে দিচ্ছে যে জিতেছে যে হেরেছে তা এখন আর ধর্তব্য নয়। জোটের সমীকরণ পরিস্থিতি বগলে দেবে যে কোনও সময়।

North Korea: কিমের ছোঁড়া মিসাইলে সকালেই কেঁপে গেল পূর্ব এশিয়া

north Korea fires another missile

নিউজ ডেস্ক: সময় বলছে তখনও ভোরের আলো ফোটেনি। তার মধ্যেই হাউই বাজির মতো এক ক্ষেপনাস্ত্র ছুঁড়ে দিল উত্তর কোরিয়া (North Korea) সরকার। স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের চোটে পূর্ব এশিয়া জুড়ে হই হই কাণ্ড।

দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের দাবি, শান্তিপূর্ণ আলোচনার যে ক্ষেত্র ফের তৈরি হচ্ছে তাতে বিঘ্ন ঘটাবে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ। উত্তর কোরিয়া সরকীর তাদের পূর্বাঞ্চলীয় উপকূল বরাবর সমুদ্রে সেই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।

উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উনের সরকার জানিয়েছে, আত্মরক্ষার খাতিরে পিয়ংইংয়ের অস্ত্র পরীক্ষার অধিকার কেউ অস্বীকার করতে পারে না। চলতি মাসের গোড়ার দিকে পিয়ংইয়ং ব্যালিস্টিক এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করে।

বিবিসি জানাচ্ছে,দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন তাঁর দেশের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলকে নির্দেশ দিয়েছেন, সর্বশেষ এই ক্ষেপণাস্ত্রের বিষয়ে রিপোর্ট তৈরি করতে।

সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং জানান, সময় এসেছে দুই দেশের মধ্যে শান্তিপূর্ণ অবস্থানের। তবে এর আগেও দুই দেশ একাধিকবার পদক্ষেপ নেয়। সীমান্তের শূন্য রেখায় কিমের সঙ্গে বৈঠক করেন দক্ষিণ কেরিয়ার প্রেসিডেন্ট। তার আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে সিঙ্গাপুরে ঐতিহাসিক বৈঠক করেন কিম।

উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে প্রবল চিন্তিত জাপান। কারণ সবকটি ক্ষেপনাস্ত্রের পাল্লায় রয়েছে এই দেশ। কিমের পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় পড়ে যাওয়ায় চিন্তিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

কোভিডের কারণে মানুষের গড় আয়ু কমেছে, চাঞ্চল্য অক্সফোর্ডের সমীক্ষায়

নিউজ ডেস্ক: গত বছর থেকেই করোনা সংক্রমণের ফলে নাজেহাল গোটা বিশ্ব। করোনা ভাইরাসের ডেল্টা প্রজাতি নিয়েও সতর্কবার্তা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এবার সামনে এল আরও এক ভয়াবহ তথ্য। ২০২০ সালে বিশ্বজুড়ে একাধিক দেশের মানুষের গড় আয়ু কমেছে । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের এবার প্রথম, যখন ব্যাপক কমেছে মানুষের গড় আয়ু। সম্প্রতি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের করা একটি সমীক্ষায় এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।

আরও পড়ুন কোভিড-১৯ আক্রান্তের আত্মহত্যা করোনায় মৃত বলে বিবেচিত হবে: আদালতকে জানাল কেন্দ্র 

মোট ২৯টি দেশের মানুষদের ওপর এই সমীক্ষা চালিয়েছিল অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। দেখা গিয়েছে, ২০২০ সালে করোনার প্রকোপে মানুষের গড় আয়ু উদ্বেগজনক ভাবে হ্রাস পেয়েছে। জানা গিয়েছে, শুধু করোনা সংক্রমণই নয়। সংক্রমণের ফলে হওয়া আনুষাঙ্গিক রোগ এবং চিন্তাও মানুষের গড় আয়ুর কমার অন্যতম কারণ। 

আরও পড়ুন কোভিডে মৃতদের চিতাভস্ম দিয়ে পার্ক তৈরি হচ্ছে ভোপালে

যদিও এর মধ্যেই স্বস্তির খবর ভারতের জন্য। আগেই বিশ্ব স্বাস্থ সংস্থা জানিয়ে দিয়েছিল, সম্ভবত ভারতে এন্ডেমিকের শুরু হয়ে গিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে দৈনিক আক্রান্তর সংখ্যা কমে হয়েছে ১৮,৭৯৫। মৃতের সংখ্যাও কমেছে। এই মুহূর্তে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ২ লক্ষ ৯২ হাজার ২০৬। ছয় মাস পরে দেশের অ্যাক্টিভ আক্রান্তর সংখ্যা তিন লক্ষের কম। 

 

জল জমবেই, ভগবানের তৈরি নর্দমা আটকেই বিপদে সল্টলেক-নিউটাউন

newtown

বিশেষ প্রতিবেদন: সল্টলেক, রাজারহাট, নিউটাউনের মানুষ ভয়ে ত্রস্ত ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে আবার বৃষ্টির পূর্বাভাস শুনে। কারণ , আবার জল যন্ত্রণা সইতে হবে যে। পরিবেশবিদ সুভাষ দত্ত স্পষ্ট বলছেন নেতা মন্ত্রীরা যতই জলে হাঁটু ডুবিয়ে জনসংযোগ করতে বেরোন জল জমা রোখা যাবে না, সৌজন্যে কলকাতার ঢাল হারিয়ে যাওয়া।

একটু কড়া ভাষাতেই পরিবেশবিদ বলেছেন, “লুঙ্গি তুলে গোপন অঙ্গকে হাওয়া খাইয়ে, জমা জলে পা ডুবিয়ে দাঁড়িয়ে নিরীক্ষণ করতে নেতা-মন্ত্রীরা বেরিয়ে পড়ছেন। শুধু তাই নয় টেলিভিশনে বিবৃতি দিয়ে বা খবরের কাগজে ছবি সহ সংবাদ ছাপিয়ে তারা জনগণের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিতে পারছেন যে – “আমি তোমাদেরই লোক – আমায় দিও ভোট।” কিন্তু জল জমছে ও জমবে। জল জমাকে কেউই দাবিয়ে রাখতে পারবে না।”

এর কারণ কী? তাঁর বিশ্লেষণ, “কলকাতা ও শহরতলীতে কেন এত জল জমছে হররোজ সেটা বুঝতে গেলে ভূগোলটা জানতেই হবে। সেই ৬০-এর দশক থেকেই কোলকাতা বেড়েই চলেছে। সল্ট লেক অর্থাৎ লবণ হ্রদ এর প্রথম ধাপ। ১৯৬৫ সাল নাগাদ গঙ্গা থেকে পলি তুলে সল্টলেক সিটির ডাঙ্গাটা তৈরী হল, বর্তমানে যার নাম বিধাননগর। লবণ হ্রদ ছিল ‘marshy land’ অর্থাৎ জলাভূমি। জল জমেই তো জলাভূমি হয়। তাই যতই উঁচু করা হোক না কেন, প্রকৃতির নিয়মে জল এখানে আসবেই। রুখবে কে?”

newtown

এরপর তিনি বলছেন, “এখন যেটা নিউটাউন, এটার একসময়কার নাম ছিল রাজারহাট। পরিবেশ-প্রতিকূল এই স্যাটেলাইট টাউন-শিপের বিষয়ে ২০০০ সালে কলকাতা হাইকোর্টে একটা জনস্বার্থ মামলা রুজু করেছিলাম। প্রায় ৪ মাস ঘুরে এর ভূগোলটা দেখার সৌভাগ্য তখন আমার হয়েছিল। কি সাংঘাতিক জিনিস যে দেখেছিলাম তার বিস্তারিত বর্ণনা এখানে করব না – শুধু একটা বিষয় ছাড়া। ওখানে দুটো বিল ছিল, যার নাম হোল ধুপির বিল ও ঘুনির বিল। সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে যে দুটির উচ্চতা ছিল মাত্র ৩ থেকে ৪ ফুট।

তদানীন্তন ভূগোলটা কিন্তু পরিষ্কার জানান দেয় যে প্রকৃতির ঢালটা ওখানেই ছিল। আর সেই ঢালটাকেই আটকে দিয়ে আমরা নিউটাউনের রাস্তাঘাট, ইমারতগুলো বানিয়েছি ও বানাচ্ছি। বৃষ্টির জলটা যাবে কোথা দিয়ে? তার পথ আটকে দিলে তো সে পথ হারিয়ে এদিক সেদিক ঢুকে পড়বেই, আর তা ছাড়া পাঁচশো-ছশো বছর আগেতো ওটা একপ্রকার সুন্দরবনেরই এলাকা ছিল। অপরিকল্পিত উন্নয়ন যে ধ্বংসের কারণ তাঁর হাতেখড়ি ঘটছে এখন।”

পরিবেশবিদ বলেছেন, “কলকাতার উত্তরে হিমালয় পর্বত ও দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। প্রকৃতির তৈরী ভৌগোলিক নিয়মে জল উত্তর থেকে দক্ষিণেই তো বইবে। ভগবানের তৈরী নর্দমাটা যদি আমরা বুজিয়ে দিই তাহলে তো যা হবার তা হবেই। উত্তর থেকে দক্ষিণে বিশাল যে জনপদ কংক্রিটের জঙ্গল গড়ে উঠেছে সেই ব্যারিকেডে আটকে পরা বর্ষার জল সরাবে কার সাধ্য? ১৯৬২ সালে ভি.আই.পি রোড পূর্ব-পশ্চিমে আড়াআড়িভাবে তৈরী করে উত্তর-দক্ষিণের ঢালটাকে আমরা আটকে দিয়েছিলাম। দুপাশে নয়নজুলি তৈরী করা হয়েছিল। কিন্তু ঐ রাস্তাটির দুপাশে প্রোমোটারদের দাপাদাপি শুরু হতেই নয়নজলে নয়নজুলিটাই গেল ভেসে।

বিশেষজ্ঞদের নিধান অগ্রাহ্য করে গত তিন দশকে কোলকাতা পুবে বাড়ছে তো বাড়ছেই। পূর্ব কোলকাতা জলাভূমির নাভিশ্বাস তুলে আমরা জনপদ গড়েই চলেছি। এখানেই উত্তর-দক্ষিণ বরাবর ই.এম.বাইপাস তৈরী করে মূল শহরের পূর্বমুখী জলের গতিটাকেই দিয়েছি আটকে। সত্যি কথা বলতে কি পরিবেশ আইন ও উন্নয়নের যে মাপকাঠিগুলো রয়েছে তাকে অবজ্ঞা করেই বেড়ে উঠেছে এবং এখনও উঠছে কলকাতার বহর। এই উন্নয়ন দস্যুকে আমরা বাগে আনতে পারিনি। এখন তাই মাথায় হাত দিয়ে বসে জলবন্দী হওয়া ছাড়া আমাদের আর কিই বা করনীয় আছে? হাইকোর্ট, পরিবেশ আদালত বা সুপ্রিম কোর্ট যতই রায় দিক, জলের গতি কিন্তু তার দিক পরিবর্তন করতে আর পারবে না।” 

Weather update: সকালে হালকা, বেলা বাড়লে বাড়তে পারে বৃষ্টি

Weather update kolkata

নিউজ ডেস্ক: Weather update: সকালে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। শহরে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে মঙ্গল ও বুধবার বৃষ্টির ভোগান্তি আছে শহরে তা স্পষ্ট করছে এদিন সকালের মেঘাচ্ছন্ন আকাশ।

আজ মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৬ ও সর্বনিম্ন ৭২ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হয়েছে শহরে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা থাকবে সর্বনিম্ন ২৬ থেকে সর্বোচ্চ ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। অর্থাৎ বৃষ্টি যে হবে তা স্পষ্ট কারণ, তার হাত ধরেই নামবে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৭৫ শতাংশ। বৃষ্টি হয় ১২.৪ মিলিমিটার। এই পুরো বৃষ্টিই হয় রবিবার দুপুরবেলায়। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা থাকবে সর্বনিম্ন ২৬ থেকে সর্বোচ্চ ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে।

Kolkata Weather update

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, “পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটু ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হবে ২৭ সেপ্টেম্বর। এর জেরে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হবে। সেটি ধীরে ধীরে উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে গিয়ে ২৯ তারিখ এসে পৌঁছাবে বাংলার উপকূলে। এর জেরে ঝড়ো হাওয়া এবং প্রচুর বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে।”

২৮ ও ২৯ তারিখ কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ২৮ সেপ্টেম্বর কলকাতায় সর্বোচ্চ ৫০ কিলোমিটার গতিতে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। ভারী বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া, পূর্ব বর্ধমান ও পশ্চিম বর্ধমানে। ২৯ সেপ্টেম্বরেও একই রকম।গতিতে শহরে বইবে ঝড়ো হাওয়া।

ভারী বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া, পূর্ব বর্ধমান ও পশ্চিম বর্ধমানে। বৃষ্টি হতে পারে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার। এই দুই দিনেই পূর্ব মেদিনীপুর,উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণায় সর্বোচ্চ ৬৫ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইতে পারে

করোনার জের: শোভাবাজার রাজবাড়িতে প্রবেশে নিষেধ

Sobhabazar Rajbari

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: উত্তর কলকাতার ঐতিহ্যবাহী পুজো মানেই শোভাবাজার রাজবাড়ির (Sobhabazar Rajbari) পুজো। যে পুজো দেখতে দূরদূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসেন, আবেগের টানে, বনেদিয়ানার টানে। তবে বিগত বছরের মতন এবারও ছোট রাজবাড়ির পুজো দেখার সুযোগ মিলছে না দর্শকদের। তবে শোভাবাজারের ছোট রাজবাড়ির ফেসবুক পেজে পুজোর লাইভ দেখানো হবে বলেই জানা যাচ্ছে। 

১৭৫৭ সালে রাজবাড়ির পুজো শুরু করেছিলেন রাজা নবকৃষ্ণ দেব। বলা যেতে পারে কলকাতায় প্রথম মহাসমারহে দুর্গোৎসব শুরু করেছিলেন নবকৃষ্ণ। হাজার হাজার টাকা খরচ করে রাজবাড়িতে বসিয়েছিলেন মজলিস। তবে পুজোর নিয়মনিষ্ঠায় কোন খামতি ছিলনা নবকৃষ্ণ দেবের। ভিয়েন বসিয়ে আজও হরেক রকম মিষ্টি তৈরি করা হয় রাজবাড়িতে।

পরিবারের বর্তমান সদস্যরা প্রাচীন রীতিনীতি মেনেই পুজো করে আসছেন। তবে বিগত বছর থেকেই রাজবাড়ির পুজো দেখার অনুমতি মিলছে না আপামর সাধারণ মানুষের। তার মূল কারণ হল করোনা ভাইরাস। আর এবছরও তার অন্যথা হল না, রাজবাড়ির তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হল এবছরও কোন সাধারণ মানুষকে শোভাবাজার রাজবাড়িতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যাবে না। এবারও পরিবারের সদস্যদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে শোভাবাজার রাজবাড়ির দুর্গাপুজো। করোনার সংক্রমণকে রুখতে রাজবাড়ির এহেন সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন নেট নাগরিকরা।

Sobhabazar Rajbari

রাজা নবকৃষ্ণের পিতা রামচরণ ছিলেন নবাব মুর্শিদকুলি খাঁর কালেক্টর। পরে হন কটকের দেওয়ান। কিন্তু তিনি বর্গিদের হাতে মারা যাওয়ার পরে তাঁর বিধবা স্ত্রী তিন ছেলে ও পাঁচ মেয়েকে নিয়ে কলকাতার কাছে গোবিন্দপুর অঞ্চলে (এখনকার ফোর্ট উইলিয়াম) পালিয়ে আসেন। রামচরণের কনিষ্ঠ পুত্র নবকৃষ্ণ মায়ের উৎসাহে ইংরেজি, ফারসি ও আরবি শেখেন এবং তার ফলে প্রথমে ওয়ারেন হেস্টিংসের ফারসি শিক্ষক নিযুক্ত হলেন।

পরে নিজের যোগ্যতা ও বুদ্ধি বলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মুনশির পদ লাভ করলেন। লর্ড ক্লাইভ তখন কোম্পানির প্রভাবশালী ব্যক্তি। নবকৃষ্ণ ক্রমে তাঁর কাছের লোক হয়ে ওঠেন। উত্তর কলকাতার শোভাবাজার অঞ্চলে তৎকালীন বড় ব্যবসায়ী শোভারাম বসাকের কাছ থেকে একটি প্রাসাদোপম বাড়ি নবকৃষ্ণ কিনেছিলেন আগেই। পলাশির যুদ্ধের পর সেই প্রাসাদের সঙ্গে নবকৃষ্ণ তৈরি করান দেওয়ানখানা, নাচঘর, লাইব্রেরি, নহবতখানা ইত্যাদি। আর একটি সুবিশাল সাত খিলানের ঠাকুরদালান।

যুদ্ধজয়ের স্মারক হিসাবে তিনি ওই বছরেই ওই দালানে সূচনা করেন দুর্গোৎসবের। কলকাতার মানুষ সেই প্রথম দেখল, দুর্গাপুজোর মোচ্ছব কাকে বলে। রাজা নবকৃষ্ণই প্রথম ব্যক্তি, যিনি ধর্মীয় অনুষ্ঠান দুর্গোৎসবে সাহেবদের নিমন্ত্রণ করে নিয়ে আসেন। তাতে আমন্ত্রিতের তালিকায় ছিলেন লর্ড ক্লাইভের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।
১৮৯৭ সালে বিবেকানন্দ শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা থেকে ফেরার পর তাঁকে এখানেই রাজা বিনয়কৃষ্ণ দেব বাহাদুর আনুষ্ঠানিক ভাবে সম্মানিত করেন

রায়গঞ্জে শুটআউট: পরপর গুলির শব্দ, ঘরে পড়ে মহিলার দেহ

Raiganj, Uttar dinajpur, Murder

নিউজ ডেস্ক: গুলির শব্দ শুনে চমকে গেলেন প্রতিবেশীরা। সঙ্গে আর্তনাদ। ভয়ে আতঙ্কে সোমবার রাতে কেঁপে গেছে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের দেবীনগরের সুকান্ত মোড়ের বাসিন্দারা।

যে বাড়ি থেকে গুলির শব্দ ও চিতকার এসেছে, সেখানে কোনরকমে কয়েকজন গিয়ে দেখলেন রক্তাক্ত পরিস্থিতি। গুলিবিদ্ধ মহিলার দেহ পড়ে। আরও তিনজন গুলিতে জখম। এসবই ঘটেছে সুকান্ত মোড় এলাকার বাসিন্দা পুলিশ কর্মী সুজয় কৃষ্ণ মজুমদারের বাড়িতে।

গুলি লেগে মারা গেছেন দেবী সান্যাল। জখম হয়েছেন সুজয় কৃষ্ণ মজুমদার ও রূপা অধিকারী। পুলিশ কর্মীর বাড়িতেই গুলি চলেছে পরপর। অন্তত সাত রাউন্ড গুলি চলে। অভিযোগ, বাড়ি ভাড়া সংক্রান্ত বিষয়ে বচসার কারণে দুষ্কৃতি দিয়ে হামলা চালানো হয়। গুলিবিদ্ধ রূপা অধিকারী ও সুজয় কৃষ্ণ মজুমদার গুরুতর জখম। রায়গঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

পুলিশ কর্মী সুজয় কৃষ্ণ মজুমদারের বাড়িতে দুই মহিলা ভাড়া থাকতেন। পরে তারা অন্যত্র ভাড়া নিয়ে চলে যান। অভিযোগ, সোমবার তারা সুজয়বাবুর বাড়িতে এসে বচসা শুরু করেন। তাদের সঙ্গে আসা এক ব্যক্তি আচমকা গুলি চালায়। সুজয় বাবুকে বাঁচাতে এসে তাঁর দুই বোন গুলিবিদ্ধ হন। তাদের রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে আসলে একজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছায় রায়গঞ্জ থানার পুলিশ এর বিশাল বাহিনী।

Bangladesh: রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘তালিবানি কায়দায়’ ছাত্রদের চুল কাটছেন শিক্ষিকা

Teacher applied taliban rule in Rabindra university of bangladesh

নিউজ ডেস্ক: শিক্ষিকের খামখেয়ালিপনা এমনই যে পড়ুয়ারা আতঙ্কিত। একটু বড় চুল দেখলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের দিকে কাঁচি নিয়ে তাড়া করছেন। অন্তত ১৬ জন পড়ুয়ার মাথা কামাতে বাধ্য করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষিকা। এমনই অবস্থা বাংলাদেশের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের।

অভিযোগ, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘তালিবানি কায়দা’ আরোপ করেছেন শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন বাতেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের প্রক্টর। রবিবার প্রথম বর্ষের রাষ্ট্রবিজ্ঞান পরিচিতি বিষয়ের ফাইনাল পরীক্ষার আগেই ছাত্রদের চুলে হামলা করেন প্রক্টর ফারহানা ইয়াসমিন।

পরীক্ষা হলে ঢোকার আগেই ছাত্রদের চুল কাটতে থাকেন ফারহানা ইয়াসমিন। এই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন একই বিভাগের সহকারী প্রক্টর রাজিব অধিকারী ও জান্নাতুল ফেরদৌস মুনি। তারা প্রতিবাদ না করে নীরব দর্শকের মতো দাঁড়িয়ে ছিলেন বলে অভিযোগ।

ঘটনার জেরে ছাত্ররা রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে জমায়েত করেন। আরও অভিযোগ, ওই শিক্ষক ও তার ভাড়াটিয়া গুণ্ডারা পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে ও সবাইকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে। এর পরেই ছাত্ররা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ছাড়তে শুরু করেছে। পুরো ঘটনাটি সোশ্যাল সাইটে তীব্র বিতর্ক তৈরি করেছে।

শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন মাঝে মধ্যেই ছাত্রদের গায়ে হাত দিয়ে কথা বলেন। করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই তিনি যখন তখন গায়ে হাত দেন বলেও অভিযোগ।