বাংলা ভাষার উৎস সংস্কৃত নয়, দাবি ভাষাবিদের

bengali language

Special Correspondent: সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষা এসেছে। এটাই জেনে এসেছে সাধারণ মানুষ। কিন্তু ভাষাবিদ সমীন্দ্র ঘোষের গবেষণা অন্য কথা বলছে। তাঁর দাবী, বাংলা ভাষার উৎস সংস্কৃত নয়।

তিনি বলছেন, ” সংস্কৃত ভাষা অখণ্ড বাংলায় এসেছে গুপ্তযুগে। সংস্কৃত আসার আগে বাংলায় অধিবাসী ছিল; তারা রীতিমতো বিদেশের সঙ্গে বাণিজ্য করতো, যাতায়াত করতো, হিসাব রাখতো ইত্যাদি মিলিয়ে বলা যায় সভ্য ছিল, প্রজ্ঞাবান ছিল। এসবই প্রত্নতাত্ত্বিক, নৃতাত্বিকভাবে প্রমাণিত।”

এরপর তিনি বলেছেন , “তাহলে, প্রশ্ন থাকছে সেইসময়ে বাংলার অধিবাসী কি বোবা কালা ছিল? নাকি অং বং চং হুঃ হাঃ হিঃ ব্রুৎ ব্রাৎ ইত্যাদি শব্দে কথা বলতো? অথবা,আকার ইঙ্গিতে কথা বলতো কি?লিখতে পারতো না ?’ তাঁর কথায়, “

আমরা দেখেছি যে, ভাষাতত্ত্বের ভিত্তিতে : ১) এই অং বং চং হুঃ হাঃ হিঃ ব্রুৎ ব্রাৎ শব্দ তো সংস্কৃতে এখনও আছে।
২) বৈদিকরা লিখতেও পারতো না। ৩) কাজকর্ম, বস্তু সামগ্রী ব্যবহারের দ্বারা ও তাকে চিহ্নিত করতে শব্দ তৈরি হয়।

৪) বৈদিকরা তথা আর্যভাষীরা তথা আর্যভাষা সংস্কার ক’রে সংস্কৃত ভাষা ব্যবহারকারীরা ছিল বর্বর, যাযাবর; তাদের জীবনযাপনের জন্য বস্তু সামগ্রী বেশি ব্যবহার করতো না; তাই তাদের বস্তু চিহ্নিতকরনের শব্দ কম ছিল এবং হিন্দুকুশ পেরোনোর পরে যত শব্দ তাদের ভাষায় যুক্ত হয়েছে, সেসবই এই ভূমির অধিবাসীদের শব্দ। এটাই নিশ্চিৎ প্রমাণ। অশ্ব, লৌহ তারা জানতো; তামা তো জানতো না; আম তো এই সেদিন, প্রায় হাজার বছর আগে জানলাম আমরা; তো, সংস্কৃতে আম্র এল কোত্থেকে? তেমনি, বহু সহস্র শব্দই ওরা নিয়েছে স্থানীয় অধিবাসীদের থেকেই।

৫) সেইসব স্থানীয় শব্দ ওদের ব্যাকরণ রীতি অনুযায়ী ওদের ছাঁচে ঢেলে প্রচার করেছে। আর আমাদের বিশ্বাস করানো হয়েছে, বাংলা ভাষা সংস্কৃত জাত। ৬) চর্যাপদের ভাষায় “বাঙ্গালী” শব্দটি আছে। “বাঙালী”, লাঙল, লিঙ্গ ইত্যাদি অস্ট্রিক জাত শব্দ। বলেছেন ভাষাচার্য ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়। ৭) আরও জানছি যে, বঙ্গা বা বোঙ্গা উচ্চারণ বিপর্যয়ে গঙ্গা। আসল বানান বোঙাঁ। এই বঙ্গা থেকেই বঙ্গালী > বাঙ্গালী > বাঙালী > বাঙালি। বঙ্গালা > বাঙ্গালা > বাঙালা> বাঙলা > বাংলা। ৮) চর্যাপদে যেসব শব্দ আছে তার কিছুই সংস্কৃত জাত নয়। এবং আরবী, ফার্সি, তুর্কি জাত নয়।

কারণ, আরবী ফার্সি তুর্কি ভাষা বাংলা অঞ্চলে ঢুকতে শুরু করেছে ১২০৪ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ। এসবই তথ্যগত। তাই, এটা বলাই যায় যে, বাংলা ভাষা সংস্কৃত জাত নয় এবং বাংলা ভাষা সংস্কৃত ভাষার কাছে ঋণী নয়; বরং সংস্কৃত ভাষা বাংলার আদি ভাষার কাছে ঋণী। এবং বাংলা ভাষার সমস্ত বা সিংহভাগ শব্দ আরবী ফার্সি তুর্কি নয়, বরং সেসব থেকে উদ্ভূত এবং স্বকীয়।”

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তাইওয়ান, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৬.৫

taiwan-earthquake

News Desk: রবিবার ভোরে প্রবল কম্পন অনুভূত হল তাইওয়ানে। রাজধানী তাইপেইয়ের বহু মানুষ জানিয়েছেন, ঘুমের মধ্যেই তাঁরা প্রবল কম্পন অনুভব করেছেন। রবিবার ভোরের আলো ফোটার পর দেখা গিয়েছে বেশ কিছু ঘরবাড়ি ভেঙে পড়েছে। উপড়ে পড়েছে গাছপালা, বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি। বেশ কয়েকজন মানুষ জখম হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কোনও খবর নেই।

তাইওয়ানের আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ১টা ১১ মিনিট এবং আন্তর্জাতিক সময় ভোর পাঁচটা নাগাদ উত্তর-পূর্ব তাইওয়ানের ইলান প্রদেশে এই কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৬.৫। চলতি বছরে এটাই সবচেয়ে বড় মাপের কম্পন। ভূপৃষ্ঠ থেকে ৬৭ কিলোমিটার ভিতরে ছিল কম্পনের উৎপত্তিস্থল। ইলানের বাসিন্দা এএফপি’র এক সাংবাদিক জানিয়েছেন, এই কম্পন ৩০ সেকেন্ড স্থায়ী হয়েছিল। কম্পনের সময় বাড়ির দেওয়ালগুলিও কাঁপছিল। ওই সময় বেশিরভাগ মানুষই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন। তাই তাঁরা অনেকেই বিষয়টি বুঝতে পারেননি।

মূল কম্পনের পর বেশ কয়েকবার আফটার শকও অনুভূত হয়েছে। আফটার শকে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৪। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এদিন রাজধানী তাইপেইয়ে মেট্রো রেল ব্যবস্থা কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ রাখা হয়। এদিন ভোরে যখন বহু যাত্রী মেট্রো স্টেশনের দিকে যাচ্ছিলেন সে সময়ই কম্পন অনুভূত হয়। ফলে অনেকেই আতঙ্কে ছুটোছুটি শুরু করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই এদিনের কম্পনের অনুভূতির কথা পোস্ট করেন।

টম পার্কার নামে এক ব্রিটিশ নাগরিক জানিয়েছেন, এদিন প্রবল কম্পনের সময় তিনি ভেবেছিলেন যে, হয়তো আর বেঁচে ফিরতে পারবেন না। কম্পনের কারণেই তিনি ঘুম থেকে জেগে ওঠেন। তাঁর ঘরের জানলা, দরজাগুলি কম্পনের কারণে প্রবল শব্দে কাঁপছিল।

বেশ কয়েকটি শপিংমল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কম্পনের কারণে তাক থেকে প্রায় প্রতিটি জিনিসই মাটিতে ছিটকে পড়েছে। তাইওয়ানের আবহাওয়া দফতরের প্রধান চেন ঝাউ চিয়াং বলেছেন, ভূপৃষ্ঠের বেশ কিছুটা অভ্যন্তরে কম্পনের উৎপত্তিস্থল হওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো গিয়েছে। কম্পনের উৎপত্তিস্থল যদি ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি হত তবে অনেক বড় মাপের ক্ষতি হয়ে যেত। উল্লেখ্য, অবস্থানগতভাবে তাইওয়ান দুটি টাইটানিক প্লেটের খুব কাছেই অবস্থিত। অবস্থানগত কারণে তাইওয়ানে প্রায়শই ভূমিকম্প হয়ে থাকে।

Mayanmar: Chin-Kachin সেনার মুখোমুখি হচ্ছে বর্মী বাহিনী, গণহত্যার প্রবল আশঙ্কা

myanmar-army

News Desk: টানা ৪৮ ঘন্টা ঘরে মুখোমুখি মায়ানমারের সামরিক সরকারের সেনা ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী পরিচালিত দেশটির চিন ও কাচিন প্রদেশের নিজস্ব বাহিনী।

রাষ্ট্রসংঘ আশঙ্কা করছে মায়ানমারের সেনা সরকারের প্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের নির্দেশে বর্মী সেমা ফের গণহত্যা চালাতে প্রস্তুত। যদিও www.ekolkata24.com বিশেষ সূত্র থেকে মিজোরাম, মনিপুর ও নাগাল্যান্ড সীমান্ত লাগোয়া মায়ানমারের কিছু এলাকায় প্রতিরোধ ব্যবস্থার ছবি সংগ্রহ করেছে।

myanmar

দুই সেনার মুখোমুখি
বর্মী সেনা (Myanmar Army) বনাম চিন (Chin) ও কাচিন (Kachin) বাহিনীর সংঘর্ষ যে কোনও সময় বাঁধতে পারে। বহু বর্মী সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের দিকে ঢুকেছেন, আরও আসছেন। পরিস্থিতি কেমন সেটা জানতে আগে চোখ রাখুন এলাকার মানচিত্রে।

myanmar 2

মানচিত্র
আন্তর্জাতিক সীমান্তের ওপারের ঘটনাবলী কেমন তা তুলে ধরছি আমরা। ফেব্রুয়ারি মাসে রক্তপাতহীন সেনা অভ্যুত্থানে মায়ানমারে নির্বাচিত এনএলডি (NLD) সরকারকে উৎখাত করা হয়। সেই থেকে বন্দি মায়ানমারের সর্বচ্চো নেত্রী সু কি ও তাঁর সরকারের প্রেসিডেন্ট সহ বহু মন্ত্রী নেতারা। বর্মী জনগণ গণতন্ত্রের দাবিতে আন্দোলন চালাচ্ছেন। সেনা বাহিনীর গুলিতে মৃত এক হাজারের বেশি। শয়ে শয়ে বন্দি। দেশটির দুটি প্রদেশ চিন (Chin) ও কাচিন (Kachin) এর প্রাদেশিক সরকার বর্মী সেনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

myanmar 3

 

বিবিসি জানাচ্ছে, মায়ানমারের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি আরও রক্তাক্ত হতে পারে। কাচিন আর্মি ও চিনল্যান্ড ডিফেন্স ফোর্স প্রত্যাঘাতের জন্য তৈরি। বোমা মেরে বিভিন্ন এলাকার সেতু ভেঙে দিয়েছে তারা।

myanmar 4

বর্মী সেনার ট্যাংক বহর দুটি প্রদেশেই প্রবেশ করতে শুরু করেছে। কয়েকটি এলাকায় হচ্ছে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ।

myanmar 5

সীমান্তের এপারে মিজেরাম সরকার উদ্বিগ্ন। মিজোরামের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় ঢুকে পড়া বর্মীরা শরণার্থী শিবিরে রয়েছেন।

myanmar
আশঙ্কা করা হচ্ছে, সামরিক সরকারের প্রধান জেনারেল হ্লাইংয়ের নির্দেশ এলেই শুরু হবে চূড়ান্ত অভিযান। গণতন্ত্রী গোষ্ঠী বিশেষ করে মায়ানমার সরকারের বিরোধী সশস্ত্র চিন আর্মির বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।

Bangladesh: রাত জেগে লোকনাথ-ইসকন মন্দির পাহারা দিচ্ছে সাব্বিররা

muslim people trying to save Bangladesh hindu temple

Special Correspondent: বাংলাদেশের মূর্তি ভাঙা কাণ্ডের মূল কান্ডারি ধরা পড়েছে। তবে মানুষের মন থেকে ভয়ঙ্কর সময় কাটেনি। ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা এবার পাহারা দিতে শুরু করেছেন হিন্দু মন্দির।

যেমন সাব্বির চৌধুরী। ওরা তিন চার বন্ধু মিলে পাহারা দিতে শুরু করেছে মন্দির। প্রতিদিন তারা রাত জাগছেন হিন্দু ধর্ম প্রতিষ্ঠান মৌলবাদীদের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য। তিনি বলেছেন , ” মন্দিরে পাহারা দেওয়া শুরু করলাম। যেখান থেকে আমার শৈশব এর বেড়ে ওঠা , নন্দন কানন ১ নম্বর গলি লোকনাথ মন্দির ও ইসকন মন্দির এর গেটের বাইরে আজ থেকে পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হয়ে আসা পর্যন্ত প্রতি দিন রাত ১২ টা থেকে ভোর পর্যন্ত পাহারা দিবো ইনশাআল্লাহ ।

ঈমানী দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে ও আমার এলাকার হিন্দু পরিবারের নিরাপত্তা দিতে আমার সকল মুসলিম এলাকা বাসীকে আহ্বান জানাই আপনারাও আপনাদের ঈমানী দায়িত্ব পালন করতে ও হিন্দু প্রতিবেশীর হক আদায় করতে এগিয়ে আসুন । সঙ্গে আছে বন্ধু তারেক ও ফাইসাল । এবার এলাকার আরও অনেক ভাই সাথে থাকবে ইনশা আল্লাহ।”

প্রসঙ্গত, কুমিল্লায় হিন্দুবিরোধী দাঙ্গায় সারা বিশ্বের ভর্ৎসনার মুখে পড়ার পর অবশেষে তৎপর হয় বাংলাদেশ সরকার। সেদেশের কুমিল্লায় দুর্গাপূজা মণ্ডপে হনুমানের মূর্তির পায়ে যে ব্যক্তি কোরান রেখেছিলেন তাকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমসূত্রে এমনই জানা গিয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করা হয়েছে ইকবাল হোসেন নামে ৩০ বছর বয়সী ওই যুবককে। তার সন্ধানে বাংলাদেশ পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে বলে দাবি করেছে সেদেশের সংবাদমাধ্যম।

গত বুধবার শারদোৎসবের অষ্টমীতে কুমিল্লাল শহরের নানুয়া দিঘিরপাড় এলাকায় একটি পূজামণ্ডপের বাইরে রাখা হনুমানের মূর্তির পায়ে একটি কোরআন শরিফ দেখা যায়। এর পর গোটা দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে হিন্দুবিরোধী দাঙ্গা। ভাঙচুর করা হয় একের পর এক মণ্ডপে। ভাঙচুর করা হয় একের পর এক মূর্তি। হত্যা করা হয়েছে অন্তত ৮ জন হিন্দুকে। পোড়ানো হয়েছে মঠ ও মন্দির। ৫ দিন ধরে নাগাড়ে দেশজুড়ে হিংসা চললেও কোথাও বাধা দিতে দেখা যায়নি হাসিনা সরকারের পুলিশকে।

হিংসা থামার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তাতে মোট ৪৫০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে হাসিনা প্রশাসন। সঙ্গে সেদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এই ঘটনায় মূলচক্রীদের খুঁজে বার করা হবে।

বুধবার ঘটনার ১ সপ্তাহ পরে হাসিনা সরকারের পুলিশ ইকবাল আহমেদ নামে ওই যুবককে শনাক্ত করেছে। সে কুমিল্লা শহরেরই মুরাদপুর – লস্করপুকুর এলাকার বাসিন্দা বলে জানানো হয়েছে। তার ছবিও প্রকাশ করেছেন তদন্তকারীরা। জানানো হয়েছে, অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

Delhi: ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত গ্রেফতার

Delhi: Arrest of main accused

News Desk, Delhi: দু’দিন পালিয়ে বেড়ানোর পরেও পুলিশের হাত থেকে রেহাই মিলল না। রবিবার সকালে হরিয়ানার রোহতক থেকে গ্রেফতার করা হল পশ্চিম দিল্লির রঞ্জিত নগরে নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে। শুক্রবার রাতে দিল্লিতে প্রতিবেশী এক যুবক ৬ বছরের শিশুকে লজেন্স ও খেলনার লোভ দেখিয়ে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ।

ওই নাবালিকার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে শেষ পর্যন্ত শুক্রবার সকালে রোহতক থেকে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পশ্চিম দিল্লির রঞ্জিত নগরে এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ির সামনে খেলা করছিল ছয় বছরের একটি নাবালিকা। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, প্রতিবেশী এক যুবক এসে তাকে খেলনা দেওয়ার লোভ দেখায়। খেলনা পাওয়ার জন্য ওই শিশুটি প্রতিবেশী যুবকের পিছন পিছন বাজারের দিকে চলতে থাকে। এরপর একটি নির্জন এলাকায় নিয়ে গিয়ে ওই শিশুটির উপর পাশবিক অত্যাচার চালায় প্রতিবেশী যুবক।

রক্তাক্ত নাবালিকা বাড়ি ফিরে এসে বাবা-মাকে সব কথা জানায়। অসুস্থ হয়ে পড়া ওই শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয় রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতলে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর চিকিৎসকরা জানান, শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে। আপাতত শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ওই শিশুটির পরিবার থানায় অভিযোগ দায়ের করে। পকসো ধারায় ওই যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। শুরু হয় তদন্ত। তবে প্রায় ২৪ ঘন্টা গা ঢাকা দিয়েছিল ওই যুবক। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শেষ পর্যন্ত রবিবার সকালে হরিয়ানার রোহতক থেকে ওই যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

রবিবারই তাকে দিল্লি এনে আদালতে তোলা হতে পারে। ইতিমধ্যেই এই ধর্ষণের ঘটনায় পুলিশের কাছে তদন্ত রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে দিল্লি মহিলা কমিশন।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও আমজনতা এই ঘটনায় ফের একবার দিল্লির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। এলাকার মহিলারাও ধৃত যুবকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

শাহরুখ বিজেপিতে যোগ দিলে তাঁর ছেলেকে জেলে যেতে হত না, মন্তব্য মহারাষ্ট্রের মন্ত্রীর

Sharuk khan-ariyan khan

News Desk: শাহরুখ খান যদি বিজেপিতে যোগ দিতেন তাহলে পরিস্থিতি এমনটা হত না। এই বলিউড তারকা গেরুয়া দলে যোগ দিলে মাদক কাণ্ডে তাঁর ছেলেকে হয়তো জেলে যেতেও হত না। শাহরুখ বিজেপিতে যোগ দিলে ড্রাগ তখন চিনির গুঁড়ো হয়ে যেত। শাহরুখ বিজেপিতে যোগ না দেওয়ায় তাঁর উপর প্রতিহিংসা মেটাতেই আরিয়ানকে জেলে ভরে দেওয়া হয়েছে। রবিবার এই মন্তব্য করলেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা ছাগন ভুজবল।

উল্লেখ্য, মুম্বইয়ের এক প্রমোদতরীতে মাদক কাণ্ডে জড়িত থাকার অপরাধে চলতি মাসের ২ তারিখে আরিয়ানকে আটক করেছিল নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো বা এনসিবি। একটানা ১৬ ঘণ্টা জেরা করার পর ৩ অক্টোবর আরিয়ানকে গ্রেফতার করা হয়। কয়েকদিন এনসিবির হেফাজতে থাকার পর আরিয়ান এখন রয়েছেন মুম্বইয়ের আর্থার রোড জেলে। ইতিমধ্যেই আরিয়ানের জামিনের আর্জি পাঁচবার নাকচ হয়ে গিয়েছে। বম্বে হাইকোর্টে আরিয়ানের জামিনের আর্জির পরবর্তী শুনানি হবে আগামী মঙ্গলবার।

কিন্তু মাদক কাণ্ডে আরিয়ানের জড়িত থাকার ঘটনায় প্রথম থেকেই এনসিবি’র একাধিক নেতা ও মন্ত্রী বিজেপির কূটনৈতিক চাল দেখছেন। এদিন ভুজবল বলেন, আরিয়ান অল্প বয়সি ছেলে। হয়তো সে কোনও ভুল করেও থাকতে পারে। কিন্তু শাহরুখ যদি বিজেপিতে যোগ দিতেন তাহলে এই ভুলটা আদৌ সামনে আসতো না। যেমনটা হয়েছে গুজরাতের ক্ষেত্রে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজ্যে মুন্দ্রা বন্দর থেকে ১৯ কোটি টাকার মাদক উদ্ধার হয়েছে।

কিন্তু এনসিবি বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধারের কোনও তদন্ত করছে না। একটি বাচ্চা ছেলের কাছে কী পাওয়া গিয়েছে তা নিয়েই এনসিবির বাঘা বাঘা অফিসাররা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। আসলে তাঁদের মূল কাজ হল বলিউড তারকাদের হেনস্তা করা। বলিউড তারকারা সেভাবে বিজেপিকে সমর্থন করে না। সে কারণেই প্রতি হিংসা মেটাতে বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থা এ ধরনের আচরণ করছে। আরিয়ান আসলে বিজেপির প্রতি হিংসার বলি।

এর আগে আরিয়ানের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন আর এক এনসিপি নেতা ও রাজ্যের মন্ত্রী নবাব মালিক। তিনি সরাসরি বলেছিলেন, বিজেপির ইশারাতেই এনসিবি আরিয়ান ও তার পরিবারকে হেনস্তা করছে। এই ঘটনায় যে বিজেপি জড়িত আছে সে ব্যাপারে তাঁর কাছে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ আছে। সময় মতোই তিনি সেগুলি প্রকাশ করবেন। এদিন ভুজবল এই মন্তব্য করলেও এনসিবির পক্ষ থেকে পাল্টা কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

Manna Dey: কফি হাউস গাইতে চেয়েছিলেন শক্তি, গাইলেন মান্না

ekolkata24 Manna Dey

Special Correspondent: মান্না দে’র (Manna Dey) গান বললে তালিকায় উপরের দিকেই থাকবে কফি হাউস গানটি। কিন্তু সেই গান তৈরির এক ইতিহাস রয়েছে। বিশেষত গানের গায়ক নির্বাচন বেশ চমকদার।

কফি হাউস গানটির সুরকার সুপর্ণকান্তি ঘোষ, যিনি নচিকেতা ঘোষের ছেলে। গানটি লিখেছিলেন গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার। নচিকেতা-গৌরীপ্রসন্ন সেই সময়ে বাংলা গানের সেরা জুটি। যাই তৈরি করেন তাই হিট। তো গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার এমনই একটি গান করবেন। গানটি তোলাবেন শক্তি ঠাকুরকে দিয়ে। তিনি গিয়েছেন নচিকেতার বাড়িতেই। সেই সূত্রে নচিকেতার ছেলে সুপর্ণকান্তির সঙ্গেও ভালো সম্পর্ক ছিল।

গৌরীপ্রসন্ন নচিকেতার বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন। গান তোলার কাজ করছেন। বাড়িতে এসে ঢোকেন সুপর্ণকান্তি। গৌরীপ্রসন্ন মজা করেই বলেছেন, “কী বাইরে আড্ডা মেরে সময় কাটাচ্ছ?” উত্তরে তিনি বলেন, “কী সব গদগদে প্রেমের গান লিখছো। একটা অন্যরকম গান লিখে দেখাও না। এই আড্ডা নিয়েও তো গান লিখতে পারো।” গৌরীপ্রসন্ন বলেন, “তুমি তো অক্সফোর্ডের এমএ হয়ে গিয়েছো। আড্ডা নিয়ে বাংলা গান গাইবে?” সুপর্ণ বলেন, “কেন নয়। কফি হাউসের আড্ডা নিয়েও তো একটা গান লিখতে পারো।” গৌরীপ্ৰসন্ন উত্তরে বলেন, “তোমার বাবা কি আর সে গান গাইবেন?”

কথা বলতে বলতেই দু কলি লেখাও হয়ে যায় গৌরীপ্রসন্নের। ‘কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই, কোথায় হারিয়ে গেল সোনালি বিকেলগুলো সেই, আজ আর নেই।’ মাঝে সুরও দিতে শুরু করে দেন সুপর্ণকান্তি। শেষে যখন গান অনেকটা তৈরি, গানের সুর শুনে সেই গান গাইতে ইচ্ছাপ্রকাশ করেন শক্তি ঠাকুর। সুপর্ণকান্তি রাজি ছিলেন না। তাঁর ইচ্ছে গান গাইবেন মান্না দে। হয়েওছিল তাই।

কিন্তু শেষ স্তবক নিয়েও হয় এক প্রস্থ সমস্যা। আসলে শেষে সুপর্ণকান্তি চান আরও একটি স্তবক। গৌরীপ্রসন্ন রাজি ছিলেন না। শেষ পর্যন্ত হয় সেই শেষ স্তবক। ‘সেই সাতজন নেই, তবুও টেবিলটা আজও আছে।’ শেষ তিন লাইন গৌরীপ্রসন্ন লিখেছিলেন চেন্নাইয়ে চিকিৎসা করাতে যাওয়ার পথে। হাওড়া স্টেশনে। একটি সিগারেটের প্যাকেটের উল্টো দিকে শেষ স্তবক লিখে এক চেনা ব্যক্তির মাধ্যমে পাঠিয়ে দেন সুপর্ণকান্তির কাছে। এরপর মুম্বইয়ে গানটি রেকর্ড করেছিলেন মান্না দে।

#indvpak: ‍‘বিরাট’ তাস খেলবে টি-২০ বিশ্বকাপের মাস্ট উইন ম্যাচে

ekolkata india pak match

Sports Desk: কয়েক ঘন্টার অপেক্ষা! টি-২০ বিশ্বকাপের নক আউট স্টেজ সুপার ১২ মুখোমুখি হতে চলেছে ভারত-পাকিস্তান,দুবাই’র মাটিতে। এমন হাইভোল্টেজ ম্যাচের আবহে বরুণ চক্রবর্তীর পুরোপুরি ফিট না হওয়ার খবর গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ভেসে আসছিল। এখন জানা গিয়েছে যে তিনি টি -২০ বিশ্বকাপের সব খেলায় অংশ নেবেন না। 

বরুণ চক্রবর্তী ভারতের বোলিং আক্রমণে নিখুঁত ধার এনেছেন এবং আইপিএল ২০২১ দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন। কেকেআরে’র হয়ে খেলতে গিয়ে হাঁটুর চোটের সমস্যার কবলে পড়েন।

ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে খবর আসছে, টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে সব খেলায় বরুণ চক্রবর্তী অংশ নেবেন না, কারণ এতে চোট আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সূত্রে খবর,তিনি কেবলমাত্র টুর্নামেন্টে মাস্ট উইন ম্যাচ, কিংবা বড় ম্যাচে খেলবেন।

হ্যাঁ, ঠিক এটাই ধারণা ( টুর্নামেন্টে তাকে দলের বাইরে রাখার বিষয়ে)। দল যতটা সম্ভব তার পরিষেবা পেতে চাইছে, এটা স্পষ্ট যে তার হাঁটু ১০০ শতাংশ ফিট নয়। তাই টুর্নামেন্টের চাহিদা অনুযায়ী তাকে ব্যবহার করা হবে। “যদি মাস্ট উইন বা বড় ম্যাচ হয়, তাহলে আপনি বল হাতে (বরুণ চক্রবর্তী) তার জাদু দেখবেন। টুর্নামেন্টে দল যদি ভাল পজিশনে থাকে, সেক্ষেত্রে তার হাঁটুকে কিছুটা বিশ্রাম দেওয়ার সাহস দল করতে পারে। তবে হ্যাঁ, এমএস ধোনি এবং রবি শাস্ত্রী এমন পরিস্থিতিতে কোহলি এবং রোহিত শর্মাকে গাইড করার জন্য ঠিক সেখানে থাকবেন,” সূত্রে এমনই খবর উঠে এসেছে।

“তিনি নি:সন্দেহে এই ফর্ম্যাটে একজন ম্যাচ-বিজয়ী(Match winner) এবং নেতৃত্ব জানে টি-২০ বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে চার ওভার বলতে কী বোঝায়। মেডিকেল টিম তার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে এবং বরুণকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করে ব্যবহার করা হবে। তিনি একটি তুরুপের তাস এবং বিরাট কোহলি এবং দলের থিঙ্ক ট্যাঙ্ক তাকে ঠিক সেভাবেই ব্যবহার করতে চাইছে, ” সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে।

T 20 WC: ভারত-পাক ম্যাচ রাষ্ট্রধর্ম বিরোধী বললেন রামদেব

India pak match-ramdeb

Sports desk: ভারত-পাক ক্রিকেট ম্যাচ জাতীয় স্বার্থ এবং ‘রাষ্ট্রধর্ম’ বিরোধী। ক্রিকেট ও জঙ্গিবাদ এক মঞ্চে থাকতে পারে না। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের আগে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন যোগগুরু বাবা রামদেব।

রবিবার সন্ধ্যায় দীর্ঘ সময় ঝুলে থাকার পর ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হতে চলেছে বাইশ গজে। বিশেষজ্ঞদের মতে ভারত-পাক ক্রিকেট ম্যাচের মতো এত উত্তেজনাপূর্ণ খেলা ক্রিকেটে আর হয় না। সর্বাধিক লাভবান ক্রিকেট ম্যাচ হয় দুই দেশের মধ্যে।

আর কয়েক ঘন্টা পরেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে লড়াইয়ে নামতে চলেছে ভারত ও পাকিস্তান। দীর্ঘ কয়েক বছর পর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে ভারত। উত্তেজনাপূর্ণ সেই ম্যাচ শুরুর আগেই চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করলেন যোগগুরু রামদেব। যোগগুরু পরিষ্কার জানালেন ভারত ও পাকিস্তানের ক্রিকেট ম্যাচ জাতীয় স্বার্থবিরোধী।

নাগপুর বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের কাছে এই মন্তব্য করেছেন রামদেব। কী কারণে তিনি এই মন্তব্য করেছেন তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। যোগগুরু বলেছেন, ক্রিকেট খেলা আর সন্ত্রাসের খেলা এই দু’টো কখনওই একসঙ্গে চলতে পারে না। পাকিস্তান যদি আমাদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলবে বলে মনে করে তবে তাদের আচরণ বদলাতে হবে।

ইসলামাবাদ একদিকে জঙ্গিদের মদত দেবে, নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে জঙ্গিদের ভারতে অনুপ্রবেশে সাহায্য করবে, আবার আমাদের সঙ্গে খেলতেও চাইবে এ দু’টো কখনওই একসঙ্গে হয় না। যে দেশ এ ধরনের ভূমিকা পালন করে, যারা নিরন্তর অন্যের ক্ষতি করে চলে তাদের সঙ্গে খেলার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। তাই পাকিস্তানের সঙ্গে খেলার সিদ্ধান্তকে দেশ বিরোধী বলা যেতেই পারে। আগে পাকিস্তান নিজেদের চরিত্র বদলাক। জঙ্গিদের মদত দেওয়া বন্ধ করুক। জঙ্গি দমনে এগিয়ে আসুক। তারপর না হয় ওদের সঙ্গে খেলা যাবে।

জঙ্গিদের মদত দেওয়া পাকিস্তানের বরাবরের অভ্যাস। জঙ্গিরা কখনওই একটা নির্দিষ্ট দেশ ও কালের গণ্ডির মধ্যে আটকে থাকে না। পাকিস্তানের মদত পুষ্ট জঙ্গিরা শুধু ভারতের জন্য নয় গোটা বিশ্বের ক্ষেত্রেই বিপদজনক। তাই এমন একটি দেশের সঙ্গে খেলার কোনও দরকার নেই।

নাগপুরে থাকা রামদেবকে বলিউডের মাদক নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। এক প্রশ্নের উত্তরে রামদেব বলেন, বলিউডের যে সমস্ত তারকা গোটা দেশের তরুণ প্রজন্মের আদর্শ তাঁরাই মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছেন। এই সমস্ত তারকারাই তো মাদকের নেশাকে প্রকাশ্যে আনছেন। তাঁদের দেখেইতো দেশের তরুণ প্রজন্ম এগোবে। এই মাদকাসক্ত তারকাদের থেকে কী শিখবে দেশের নবীন প্রজন্ম। তাই বলিউড তারকাদের আচরণে আরও সংযত হতে হবে। মনে রাখতে হবে তাঁদের দেখেই শিখবে দেশের যুব সম্প্রদায়। তাঁরা যদি ভাল আচরণ করেন তবে যুব সম্প্রদায়ও সেটাই শিখবে। কিন্তু তাদের এই ঘৃণ্য আচরণ দেখে যুব সম্প্রদায় কী শিখবে? তাই বলিউড তারকাদের আরও সচেতন হতে হবে। তাঁরা সচেতন হলে সেটা দেশের পক্ষেই মঙ্গলের।

Weather Updates: বাংলা থেকে শেষ পর্যন্ত বিদায় নিল বর্ষা

Weather Updates

News Desk, Kolkata: বাংলা থেকে অবশেষে বিদায় নিল বর্ষা। রবিবার সকালে একাধিক জেলায় শীতের আমেজ মিলেছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে সোমবার থেকে হিমেল শুষ্ক হাওয়া বইতে পারে। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

হাওয়া অফিস জানিয়েছে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় শুষ্ক আবহাওয়া। এদিন সকালে হুগলী থেকে নদীয়া এমন জেলায় সকালে সামান্য কুয়াশাও দেখা গিয়েছে। এবার রাতের দিকে কমবে তাপমাত্রা।

দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস না থাকলেও উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় হালকা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং এবং আলিপুরদুয়ারে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। মালদা ও দিনাজপুরে শুকনো আবহাওয়া থাকবে। কলকাতাতেও এদিন আকাশ পরিষ্কার থাকবে। রাতের দিকে তাপমাত্রা কমেছে। সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

২৪.২ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৯ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি।বাতাসে জলীয়বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৭ শতাংশ। শনিবার সকালে শহরের তাপমাত্রা ছিল ২৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৩ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয়বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ছিল ৯৬ শতাংশ।

বর্ষা বিদায় নেবে উত্তর বঙ্গোপসাগর উত্তর-পূর্ব ভারত এবং ওড়িশা থেকেও। অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, গোয়া, কর্ণাটকের কিছু অংশ থেকে বর্ষা বিদায় পর্ব শুরু হবে। পরিস্থিতি অনুকূল থাকায় ২৬ অক্টোবরের মধ্যেই পুরো দেশ থেকে বর্ষা বিদায় নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর বর্ষা বিদায় পর্ব শুরু হতেই আবার উত্তর-পশ্চিম ভারতে আসতে শুরু করেছে একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। যার প্রভাবে জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ ও হিমাচল প্রদেশের কিছু অংশে তুষারপাত হতে পারে। এদিন সকালে গুলমার্গে তৃষারপাত হয়।

তবে ঘূর্ণাবর্ত থাকার কারণে দক্ষিণ ভারতকে এখনই আলবিদা জানাচ্ছে না বৃষ্টি। আগামী কয়েকদিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিতে। বৃষ্টি হবে তামিলনাড়ু, পুডুচেরি অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, কেরল ও করাইকালে।

Lakhimpur Kheri: কৃষকদের ‘খুন’, জেরার মুখে ডেঙ্গু আক্রান্ত মন্ত্রী-পুত্র

ministers-son-ashish-mishra

নিউজ ডেস্ক: আচমকা ডেঙ্গু আক্রান্ত লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে খুন মামলায় মূল অভিযুক্ত আশিস মিশ্র। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জেরা চলাকালীন অসুস্থ হয় আশিস। চিকিৎসকরা জানান ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে সে। দ্রুত আশিস কে হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ।

বন্দি আশিস মিশ্রর পিতা অজয় মিশ্র স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সহকারী। অভিযোগ, প্রবল প্রভাবশালী বিজেপি সাংসদ তাঁর প্রভাব খাটিয়ে পুত্র আশিসকে নির্দোষ প্রমাণে মরিয়া।

উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতা করে বিক্ষোভ চলছিল। সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার আহ্বানে ও সারা ভারত কৃষকসভা সহ বিভিন্ন কৃষক সংগঠন এই বিক্ষোভে অংশ নেয়। সেই জমায়েতের মাঝে প্রবল গতিতে গাড়ি চালিয়ে দেয় আশিস মিশ্র। মৃত্যু হয় কয়েকজন কৃষকের। উত্তেজিত কৃষকদের হামলায় গাড়িতে থাকা আরও দুজন মারা যায়। পালিয়ে যায় আশিস।

অভিযোগ, লখিমপুর খেরির ঘটনাকে আড়াল করতে ততপর উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকার। তবে কৃষক সংগঠনগুলির চাপের মুখে সরকার বিব্রত। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে শুরু হয়েছে তদন্ত। পলাতক থাকা অাশিস মিশ্র আত্মসমর্পণ করে। তার জেরা চলছে। এই জেরায় বারবার অসঙ্গতি ধরা পড়ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ক্রমাগত জেরার মু়খে ভেঙে পড়ছে আশিস। এর পরেই তার ডেঙ্গু ধরা পড়ল।

সুখেশ চন্দ্রশেখর গোপনে বিলাসবহুল গাড়ি উপহার দিয়েছিলেন নোরা ফাতেহিকে: স্বীকারোক্তি

Nora Fatehi

বায়োস্কোপ ডেস্ক: কোটিপতি সুখেশ চন্দ্রশেখর যে কানাডিয়ান নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহিকে গোপনে একটি বিলাসবহুল গাড়ি উপহার করেছেন, এমন জল্পনা আর সামনে আসার ঠিক দুদিনের মাথায় তিনি নিজেই স্বীকার করে নিলেন যে সংবাদ মাধ্যমের অনুমান সত্যি। তোলাবাজির টাকা থেকেই ওই বিলাসবহুল গাড়ি তিনি নোরা ফাতেহি কে উপহার দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট শনিবার দিল্লির একটি আদালতে হাজির করার জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন sসুখেশ চন্দ্রশেখরকে, সেই সময় মিডিয়া সুকেশ চন্দ্রশেখরকে জিজ্ঞাসা করেছিল যে তিনি কি নোরা ফাতেহিকে একটি গাড়িটি উপহার দিয়েছেন? এর উত্তরে তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ’। বলিউড অভিনেত্রী ও কানাডিয়ান নৃত্যশিল্পীকে তিনি কোন গাড়ী উপহার দিয়েছেন জানতে চাইলে সুকেশ বলেন, “আপনি তাকে (নোরা ফাতেহি) জিজ্ঞাসা করছেন না কেন?” সূত্র মাধ্যমে জানা গিয়েছে যে, চন্দ্রশেখর তার স্ত্রী লীনা মারিয়া পালের মাধ্যমে নোরা ফতেহিকে একটি বিলাসবহুল বিএমডাব্লিউ উপহার দিয়েছেন তলাবাজির টাকায়।

ইডি ১৪ অক্টোবর নোরা ফাতেহির বিবৃতি রেকর্ড করেছিল, যায় মাধ্যমে একটি বিলাসবহুল গাড়ি উপহারের প্রসঙ্গটি সামনে আসে। সুখেশ চন্দ্রশেখরকে এই মুহূর্তে প্রায় ২০০ কোটি টাকার তোলাবাজির অভিযোগে তলব করা হয়েছে। ইডি সন্দেহ করছে যে এক কোটি টাকারও বেশি দামের গাড়িটি নোকরা ফতেহিকে উপহার দিয়েছিল, যায় টাকা সুকেশ তার স্ত্রী এর সাহায্য নিয়ে এক ব্যবসায়ীর স্ত্রীর থেকে তোলাবাজি করে আদায় করিয়েছিলেন।

নোরা ফাতেহি ইডিকে বলেছিলেন যে তাকে সুকেশের স্ত্রী এবং অভিনেতা লীনা মারিয়া পল ২০২০ সালের ডিসেম্বরে চেন্নাইতে একটি অনুষ্ঠানের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। এদিকে, ১৪ অক্টোবর নোরা ফাতেহি দাবি করেছিলেন যে তিনি কোনও অর্থ পাচারের কার্যকলাপের অংশ নন। “নোরা ফাতেহি মামলার শিকার হয়েছেন এবং এই মামলার একজন সাক্ষী। তিনি তদন্তকারীদের সাথে সমস্ত সহযোগিতা করছেন। আমরা এটা খুব স্পষ্ট করে বলতে চাই যে তিনি কোনো মানি লন্ডারিং কার্যকলাপের অংশ নন, তিনি জানেন না বা অভিযুক্তের সাথে তার কোনো ব্যক্তিগত সম্পর্ক নেই এবং তদন্তে কঠোরভাবে সাহায্য করার জন্য ইডি তাকে আহ্বান জানিয়েছে,” জানানো হয়েছে ইডির তরফ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে।

অপরাজিত থেকে আই লিগ খেলার ছাড়পত্র রাজস্থান ইউনাইটেড এফসি ক্লাবের

Rajasthan United FC Club

স্পোর্টস ডেস্ক: শনিবার দুপুরে ব্যাঙ্গালোর ফুটবল স্টেডিয়ামে কেনক্রে এফসি’র বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করতেই আই লিগ খেলার যোগ্যতা অর্জন করে নিল রাজস্থান ইউনাইটেড এফসি ক্লাব। রাজস্থান ইউনাইটেড এফসি টিম এবং গোটা বাংলার জন্য আজকের দিনটা বিশেষ। কেননা এই টুর্নামেন্টে প্রথমবার অংশ নিয়েই টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ন হওয়া, ইতিহাস গড়ে তোলা। এই ম্যাচের ফলাফল গোলশূন্য।

আই লিগ বাছাই পর্বের ফাইনালের প্রথম ৪৫ মিনিটে স্কোরলাইন গোলশূন্য থাকায় সুবিধা হয়েছে রাজস্থান ইউনাইটেড এফসি। দলের খেলায় উত্তেজনা না থাকলেও পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছিল, রাজস্থান ইউনাইটেড এফসি আই-লিগ বাছাইপর্বের শেষে ট্রফি তুলে নেবে। কেনক্রে এফসি মিডফিল্ডে বলের বেশি নিয়ন্ত্রণ রেখেছিল, একই সাথে দুর্দান্ত পাসিং মুভমেন্ট এবং অর্ধেক সুযোগ তৈরি করেছে। হাফ চান্স থেকে ফুল চান্সে(গোল করা) ডেলিভার করতে পারেনি।

রাজস্থান ইউনাইটেডের বল মুভমেন্ট সেট-পিস থেকে এসেছে, যার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল আমান থাপার ফ্রি-কিক, যা তেনজিন রক্ষা করেছিলেন।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের অতিরিক্ত ৭ মিনিট গড়াতেই রাজস্থান ইউনাইটেড এফসি আই লিগের যোগ্যতা অর্জন করতেই সেলিব্রেশন শুরু করে দেয়। এই প্রথম রাজস্থান ইউনাইটেড এফসি আই-লিগের যোগ্যতা অর্জন করলো।

দলের ফুটবলারদের দৃঢ়তা সঙ্গে মাঠের ৯০ মিনিটের লড়াইতে হাল না ছাড়ার মনোভাব সঙ্গে অন্য সব দলকে ছাপিয়ে যাওয়ার একটি বিশাল মুহূর্ত। আই লিগ টুর্নামেন্ট খেলার যোগ্যতা অর্জন রাজস্থান ইউনাইটেড এফসি’র সম্পূর্ণ দলগত প্রচেষ্টা এবং এই দলের প্রতিটি খেলোয়াড় তাদের নিজেদের পারফরম্যান্সের জোরে তারকা হয়ে উঠেছে।

গোটা টুর্নামেন্টে রাজস্থান ইউনাইটেড এফসি অপরাজিত থেকেছে, এবং এখন সেই মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করছে, তারা যে স্বপ্ন দেখেছিল এই টুর্নামেন্ট শুরুর সময়ে,আই লিগ যোগ্যতা অর্জনের।

স্বপ্নঘোর কাটিয়ে বাস্তবের মাটিতে দাঁড়িয়ে আকিম ওলা ট্রফি হাতে তুলে নিতেই পুরো টিম, কোচ এবং সার্পোট স্টাফরা আনন্দে মেতে ওঠ। রাজস্থান ইউনাইটেড এফসি আসন্ন মরসুমে আই লিগে খেলবে এবং এখন তাদের জন্য এক নতুন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে।

NRC: অসমে ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল থেকে চাকরি ছাড়লেন কর্মীরা

assam foreigners tribunal quit from post

নিউজ ডেস্ক: কোটি কোটি টাকা খরচ করে সরকার গড়েছে বিদেশি চিহ্নিতকরণ ট্রাইব্যুনাল। এতে বিদেশি চিহ্নিত হলেই যেতে হবে চরম দুর্ভোগের ডিটেশন ক্যাম্পে। সেই ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের কর্মীদের এখন চাকরি ছাড়ার হিড়িক।

বিদেশি শনাক্তকরণ ট্রাইবুনালে নবনিযুক্ত  ১৩ জন সদস্য এবার চাকরি ছাড়লেন। অভিযোগ, ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের কর্মীদের জন্য  পর্যাপ্ত পরিকাঠামোর অভাব। এই কারণে ১৩ জন চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলেন। বিদেশি শনাক্তকরণের নামে অসম সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করার সময় ১৩ জন সদস্যের এভাবে সরে আসাটা তাৎপর্য্যের বিষয়।

জাতীয় নাগরিকপঞ্জী থেকে নাম ছিটকে পড়া ১৯ লক্ষ মানুষের নাগরিকত্ব প্রমান করতে নতুন করে খোলা হয়েছিল ফরেনার্স ট্রা়ইব্যুনাল। এখানে নিয়োগ করা হয় ২০০ জন সদস্যকে। যদিও আজ অব্দি শুরু করা হয়নি অতিরিক্ত ২০০ ট্রাইবুনালের কাজ ।

অধিকাংশ ট্রাইব্যুনালে পরিকাঠামোর সমস্যা ছিল। এমনকি বসার চেয়ার ,টেবিল পর্যন্ত নেই বলেই অভিযোগ। একটি টেবিলেই ৫-৬ জন সদস্য বসেন । সমস্যা সমাধান করতে গত সপ্তাহে রাজ্যের মুখ্য সচিবের সঙ্গে বৈঠক হয়। কিন্তু তারপরও সমাধান সূত্র বেরিয়ে আসেনি।

জাতীয় নাগরিকপঞ্জী ঘিরে বিতর্কিত পরিস্থিতি অসমে। লক্ষ লক্ষ অসমবাসীর নাম বাতিল হয়েছে। বাদ যাওয়াদের তালিকায় বেশিরভাগই হিন্দু সম্প্রদায়ের। এতে আরও বিপাকে পড়েছে বিজেপি।

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ইস্যুতে বিস্ফোরক মন্তব্য ‘মহারাজ’ সৌরভের

Sourav Ganguly

স্পোর্টস ডেস্ক: বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ভারতের মাটিতে পাকিস্তান ম্যাচ আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়ে এক বড় বয়ান সামনে এসেছে।

দুবাইতে রবিবার টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২ নক আউট স্টেজে ভারত মুখোমুখি হতে চলেছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচের আগে বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, ভারতে ম্যাচ আয়োজন করা কঠিন, কারণ টিকিটের চাহিদা বেশি এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে আয়োজন করা সহজ।

দাদার কথায়,”আমি প্রথমবার সিএবি’র ( ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল) সভাপতি হয়েই ২০১৬ সালের বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি ইডেন গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং প্রশাসক হিসেবে এটি ছিল আমার প্রথম ম্যাচ। টিকিটের ব্যাপক চাহিদার কারণে ভারতে পাকিস্তানের সাথে ম্যাচ আয়োজন করা খুবই কঠিন। ওখানে (ভারতে) ম্যাচের ওপর অনেক বেশি মনোযোগ(Attention) ছিল যা এখানে নেই(UAE)।”

এরই সঙ্গে বিসিসিআই সভাপতি তথা প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় আশা প্রকাশ করেছেন যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জয়ের ধারা অব্যাহত থাকবে, এই সংখ্যাটি এখন ১৩-০ হতে পারে।

হ্যাঁ, ১৩-০ এর একটি বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে এবং ভারত এই বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তাদের অপরাজিত ধারাবাহিকতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। এই ভারতীয় দলের সকল খেলোয়াড়ই বাস্তবে ম্যাচ বিজয়ী (Match winner) এবং এই দলটি শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ জেতার জন্য আমাদের ১০ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে পারে, বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট এমনটাই বলেন।

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় আরও বলেন, পাকিস্তানও একটি ভালো দল। এক বা দুইজন খেলোয়াড় ক্লিক করলে যা কিছু ঘটতে পারে। মানসিক লড়াই জেতা জরুরী। আমি মনে করি এটি একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ হবে।

এয়ারপোর্টে কৃত্রিম পা নিয়ে অসুবিধা, মোদীর নজর টানতে ‍‘নাচে ময়ূরী’র পাশে লক্ষ্মীবাঈ

sudha chandran and kangana ranaut

নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগে একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কাতর আর্জি জানিয়ে খবরের কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছিলেন সুধা চন্দ্রন। কৃত্রিম পা নিয়ে প্রবীণ অভিনেত্রী বিমানবন্দরের সাধারণ পর্যবেক্ষণের সময় যথেষ্ট হয়রানির শিকার হয়েছিলেন।এ বিষয়ে নজর দেওয়ার জন্য তিনি অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রীকে।

শনিবার তার ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে সুধার গল্প শেয়ার করেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। বিজেপি সরকার ঘনিষ্ঠ কঙ্গনা সুপারস্টার সুধা চন্দ্রনকে তাঁর পেশাগত কৃতিত্বের জন্য প্রশংসা করেছেন।

সুধা চন্দ্রনের হয়রানির অভিজ্ঞতা ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করে বলিউডের কুইন লিখেছেন, “সুধা জি একজন অভিজ্ঞ শিল্পী, একজন মহান নৃত্যশিল্পী এবং অভিনেত্রী, পা হারানো সত্ত্বেও তিনি নাচের ক্ষেত্রে অনেক সাফল্য অর্জন করেছন। আশা করি তিনি যথাযথ সম্মান পাবেন।”

কয়েকদিন আগেই সুধা চন্দ্রন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, যতবার বিমানে যাতায়াত করেন ততবারই এয়ারপোর্টে নিরাপত্তার কারণে তার প্রস্থেটিক পা খুলে নেন নিরাপত্তারক্ষীরা। এর ফলে বারবার হয়রানির শিকার হতে হয়। ওই ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সুধা চন্দ্রন প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্জি জানিয়েছেন তিনি যেন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন। তার মতো আরো অনেক প্রতিবন্ধীদের এই একই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় বলেও দাবি করেন।

অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত তার পাশে দাঁড়ানোর পর নেটিজেনদের এক অংশ মনে করছেন সুধা চন্দ্রনের বিষয়টি সরকারের নজরে আসবে। ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সমালোচনা ও অমানবিকতার অভিযোগ তুলে ধরেছেন প্রবীণ অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী সুধা চন্দ্রন।

তিনি জানিয়েছিলেন, ” আমি অনেক সময় বিমানবন্দর কর্মীদের কাছে অনুরোধ করি যে আমার প্রস্থেটিক পায়ের জন্য যেন ইটিডি (এক্সপ্লোসিভ ট্রেস ডিটেক্টর) ব্যবহার করা হয় কিন্তু তারা বেশিরভাগ সময় শোনেন না এবং আমাকে আমার প্রস্থেটিক পা খুলতে বাধ্য করা হয়।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের দেশ কি এই বিষয়ে কথা বলছে? এই সম্মান কি আমাদের সমাজে একজন নারী অন্য নারীকে দেয়? মোদীজি আপনার কাছে আমার বিনীত অনুরোধ যে দয়া করে প্রবীণ নাগরিকদের একটি কার্ড দিন যাতে লেখা থাকে যে তারা প্রবীণ নাগরিক”।

পাকিস্তান ম্যাচের আগে ‘বিরাট’ চাল ক্যাপ্টেন কোহলির

india-pakindia-pak

স্পোর্টস ডেস্ক: রবিবার টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২ হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হতে চলেছে ভারত পাকিস্তান। তার আগে প্রি ম্যাচ প্রেস কনফারেন্সে এসে ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি বলেন, ভারতীয় দল মনস্থির করেছে যে হার্দিক পান্ডিয়া যদি বোলিংয়ে অবদান রাখতে না পারেন, তাহলে তাকে ‘ফিনিশার’ হিসেবে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। টি-২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে বিরাট কোহলিকে বোলিং করতে দেখা গিয়েছিল।

শনিবার প্রেস কনফারেন্সে হার্দিক পান্ডিয়াকে নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে অধিনায়ক বিরাট কোহলি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি যে আমাদের দলের কাছে অনেক বিকল্প রয়েছে এবং হার্দিক পান্ডিয়া বোলিং

শুরু না করা পর্যন্ত আমরা এই পরিস্থিতি থেকে সুবিধাজনক ফায়দা তুলে, বিকল্প ব্যবস্থা করতে পারি। হার্দিক পান্ডিয়া ৬ নম্বরে থাকা দলের প্রধান ব্যাটসম্যান এবং তার ব্যাটিং থেকে দল যে উৎসাহ পায় তা এখনই সহজে পাওয়া যাবে না।তিনি অস্ট্রেলিয়ায় ওয়ানডেতে ব্যাটসম্যান হিসেবে দুর্দান্ত খেলেছেন এবং তাই আমি তাকে সমর্থন করেছি। হার্দিক খুব অনুপ্রাণিত এবং দলের জন্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ১-২ ওভার বল করতে আগ্রহী।’

হার্দিক পান্ডিয়া ভারতীয় দলের জন্য অলরাউন্ডার হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিল। তবে তিনি গত কয়েক বছর ধরে চোটের কারণে বোলিং করেননি। সম্প্রতি আইপিএল ২০২১ তিনি কিছু ম্যাচে বিশ্রাম নিয়েছিলেন, তারপরে কোনও ম্যাচে বল করেননি। বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচেও তাকে বোলিং করতে দেখা যায়নি।

Assam: বাঙালি বিদ্বেষী মনোভাব বাড়ছে অসমে, আলফা জঙ্গি প্রধানের ঠান্ডা হুমকি

Why an assault on former ULFA militants has fuelled fresh anti-Bengali rhetoric in Assam

নিউজ ডেস্ক: অহমিয়া-বাঙালি জাতি বিদ্বেষ দ্রুত ছড়াচ্ছে অসমে (Assam)। বাঙালি অধ্যুষিত বরাক উপত্যকাকে অসম থেকে বিচ্ছিন্ন করার প্রস্তাব দিয়েছেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক তথা প্রাক্তন সাংসদ নগেন শইকিয়া। তাঁর মন্তব্য ধরেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দিল সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আলফা (স্বাধীনতা) (ULFA-I)

আলফা (স্বাধীনতা) সুপ্রিমো পরেশ বড়ুয়া সংবাদমাধ্যম পাঠানো বিবৃতিতে জানান ,ডক্টর ডক্টর শইকিয়ার মতো একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি বরাক উপত্যকা নিয়ে সস্তা মন্তব্য করা ঠিক হয়নি। তাঁর কাছে এমনটা আশা করতে পারিনি। এ ধরণের অদ্ভুত মন্তব্য তুলে নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

মোস্ট ওয়ান্টেড বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা পরেশ বড়ুয়া বলেন, বরাক উপত্যকা অহমিয়া চলবেই। সেখানে বাংলা সহযোগী ভাষা৷ কাছাড়কে আমরা বাংলাভাষীর হতে তুলে দিতে পারিনা। সেখানে মণিপুরীরা রাজত্ব করবেন।

আলফা (স্বাধীনতা) প্রধান জানান, ডক্টর শইকিয়া বলেছেন, মায়ের মাথা ব্যাথা যদি হয় ,তাহলে সুযোগ্য সন্তান হিসেবে গলা কেটে দেওয়া উচিৎ। যেটা আমরা কোনও ভাবেই মেনে নিতে পারিনা। একজন বিদ্যান ব্যক্তি হিসেবে এ ধরণের কথা বলাটা যে ঠিক হয়নি, সেটা একজন অশিক্ষিত মানুষও বলবে। তাঁর এই মতামতের আমরা ধিক্কার জানাচ্ছি।

আলফা প্রধানের ঠান্ডা হুমকির পরেই অসমের রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়ায়। তবে ডক্টর শইকিয়া জানান, আমার বক্তব্যকে বিকৃত আকারে তুলে ধরা হয়েছে। নিজের অবস্থানে তিনি অটল বলে ফের জানিয়েছেন। তিনি বলেন, অসমের ভাষা সংস্কৃতিকে বরাকের একাংশ মানুষ অপমান করার ঘটনা আর নতুন হয়ে থাকেনি। দীর্ঘকাল ধরেই চলে আসছে। এমনকি অসম বিশ্ববিদ্যালয়ে অসমের কোনও সাহিত্যিক ,শিল্পীর ছবি নেই।

ডক্টর শইকিয়ার মন্তব্য নিয়ে ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় রাজনৈতিক হাওয়া গরম হয়েছে। সারা অসম ছাত্র সংস্থা (AASU) প্রতিবাদে সামরিক। আসুর উপদেষ্টা ডক্টর সমুজ্জল কুমার ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, অসমের অখণ্ডতা যেকোনো ভাবেই রক্ষা থাকুক। এর বিভক্ত হোক সেটা আমার চাই না। যে কোনও পরিবেশে অসমের বিভাজনের পক্ষে আমরা নেই বলে সাফ জানিয়েছেন তিনি।

অসম জাতীয়তাবাদী যুব ছাত্র পরিষদের নেতা পলাশ সাংমা বলেন, রাজ্যে অখণ্ডতা বজায় থাকাটাই আমাদের কাম্য। অসমের জাতি গঠন প্রক্রিয়ায় বঙ্গভাষী অসমীয়াদের অংশীদার হওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। অসম থেকে আরও একটি পৃথক রাজ্য সৃষ্টি হওয়াটা আমরা চাই না।

বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ডক্টর নগেন শইকিয়া ক্ষোভ ও আবেগের বশবর্তী হয়েই বির্তকিত মন্তব্য করছেন বলে জানান অসম সাহিত্য সভার সভাপতি কুলধর শইকিয়া। তিনি বলেন ,অসমের ভাষা ও সাহিত্য এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে রাজ্যের প্রতিজন মানুষের অবদান রয়েছে।

সোনাইয়ের বিধায়ক করিমুদ্দিন বড়ভূঁঞা নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন ,বরাকের মানুষ কোনওদিনই অসম থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চায় না।

RSS: মোদী সরকারের উপর ক্ষুব্ধ সংঘ, দেশব্যাপী বিক্ষোভ

Modi Vs RSS

নিউজ ডেস্ক: সংঘ ক্ষুব্ধ (RSS)। সংঘীদের রাগ গিয়ে পড়েছে মোদী সরকারের উপরে। রাগের কারণ, সরকারি সম্পত্তির ঢালাও বেসরকারিকরণ নীতি। আরএসএসের শ্রমিক শাখা ভারতীয় মজদুর সংঘ (BMS) জানিয়েছে, আগামী ২৮ অক্টোবর দেশব্যাপী আন্দোলন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন হবে।

সরকারি সম্পত্তির ঢালাও বেসরকারিকরণ বিরোধিতায় ডান-বাম কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি বারবার অবস্থান বিক্ষোভ, শিল্প ও খনি ধর্মঘটে সামিল হয়েছে। দেশজুড়ে এই ধর্মঘটগুলি সরকারিক্ষেত্রে বারবার প্রভাব ফেলেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থা বিক্রির বিরোধিতায় ইনটাক (INTUC), আইটাক (AITUC), সিটু (CITU) সহ শ্রমিক সংগঠনগুলি সামিল হয়। কিছুক্ষেত্রে বিএমএস (BMS) এক মঞ্চে আসে।

এবার বিএমএস একলাই মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সরব হচ্ছে। বিক্ষোভ কর্মসূচির বিষয়ে জানান, বিএমএসের সর্বভারতীয় সম্পাদক গিরিশচন্দ্র আর্য। তিনি বলেন, সরকার যে বিলগ্নিকরণ নীতি নিয়েছে তার প্রতিবাদ হবেই। অন্যান্য কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি এই বিরোধিতায় সামিল হোক। বিএমএস দেশজুড়ে ধর্না কর্মসূচি পালন করবে।

বিএমএস সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকারে কে আছে তা বিচার্য নয়। দরকার রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থার বিলগ্নিকরণ নিয়ে সরকারের ভূমিকার বিরোধিতা। বিএমএস সেটাই করছে। তাঁর প্রশ্ন, লাভজনক সরকারি সংস্থাগুলি কেন কেন্দ্র সরকার বিক্রি করতে চাইছে?

বিএমএস সাধারণ সম্পাদকের আরও অভিযোগ, সরকার যে অর্থনীতি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে পরিকল্পনা করে তারা কিছুই জানেন না। একইসঙ্গে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন সরকারি সম্পত্তির বিক্রয়কে আড়াল করতে চাইছেন।

দেশের ৯৫ শতাংশ আদালতে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই, জানালেন প্রধান বিচারপতি

নিউজ ডেস্ক: দেশের আইন বিভাগের পরিকাঠামো নিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতিরা। এবার হাতের কাছে আইন মন্ত্রী কিরেন রিজিজুকে পেয়ে পরিকাঠামোগত সেই সমস্যার কথা প্রকাশ্যেই জানালেন দেশের প্রধান বিচারপতি এনভি রামান্না।

মন্ত্রীকে প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দেন, পরিকাঠামোর অভাবের জন্যই বিচার ব্যবস্থায় বিলম্ব ঘটছে। এই খামতি দূর করতে রামান্না এদিন রিজিজুকে যত শীঘ্র সম্ভব ন্যাশনাল জুডিশিয়াল ইনফ্রাস্ট্রাকচার অথরিটি তৈরির আর্জি জানান।

এদিন রীতিমতো পরিসংখ্যান পেশ করে বিচার বিভাগের পরিকাঠামোগত অপ্রতুলতার কথা তুলে ধরেন রামান্না। প্রধান বিচারপতি আইন মন্ত্রীকে বলেন, দেশের ২৬ শতাংশ আদালতে মহিলাদের জন্য আলাদা কোনও শৌচাগার নেই। দেশের ১৬ শতাংশ আদালতে পুরুষদের জন্যও কোনও শৌচাগার নেই। ৫০ শতাংশ আদালতে নেই কোন গ্রন্থাগার। ৪৬ শতাংশ আদালতে বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা নেই। দেশে মাত্র ৫ শতাংশ আদালতে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে।

অর্থাৎ ৯৫ শতাংশ আদালতেই নেই প্রাথমিক চিকিৎসার সুযোগ। শনিবার মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদে এক অনুষ্ঠান মঞ্চে আইন মন্ত্রী কিরেন রিজিজুকে এই কথা জানিয়েছেন দেশের প্রধান বিচারপতি এনভি রামান্না। প্রধান বিচারপতি এদিন মন্ত্রীকে বলেন, আদালতের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নিক সরকার। প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, ঠিক সময়ে ন্যায়বিচার দিতে না পারলে দেশের জিডিপি ৯ শতাংশ পর্যন্ত পড়ে যেতে পারে। পরিকাঠামোগত সমস্যার জন্যই বিচার ব্যবস্থায় বিলম্ব ঘটছে। তাই দেশের আর্থিক উন্নয়ন বজায় রাখতে হলে অবিলম্বে আদালতের পরিকাঠামোর উন্নয়ন করা দরকার।

ঔরঙ্গাবাদের অনুষ্ঠান মঞ্চে ভাষণ দিতে উঠে প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, দেশের আইন সংক্রান্ত পরিকাঠামোয় বরাবরই খামতি রয়েছে। পরিকাঠামোগত এই জরাজীর্ণ অবস্থা বিচার ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। পরিকাঠামোর উন্নয়নের ক্ষেত্রে সরকারের পরিকল্পনার অভাব রয়েছে। সরকারের মনে রাখা উচিত, আদালত কখনওই শুধুমাত্র অপরাধীদের জন্য নয়।

সাধারণ মানুষের জন্যও আদালত। সাধারণ মানুষ মনে করে, শুধুমাত্র অপরাধী আর দোষীরাই আদালতে যায়। কিন্তু এটা কখনওই ঠিক নয়। আদালতে যেতে আজও বহু মানুষ ভয় পায়। কিন্তু আমি মনে করি, আদালতে যাওয়ার জন্য কারও মনে দ্বিধা বা ভয় থাকা উচিত নয়। প্রত্যেক নাগরিকের বিচার ব্যবস্থার উপর ভরসা থাকা প্রয়োজন।

ওই অনুষ্ঠান মঞ্চে আইনমন্ত্রী রিজিজু বলেন, আইন ব্যবস্থার সঙ্গে কখনওই রাজনীতিকে জড়িয়ে ফেলা ঠিক নয়। আইন ব্যবস্থা দেশের গণতন্ত্রের এক স্বতন্ত্র বিভাগ। বিচার বিভাগের উপর রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ কখনওই কাম্য নয়। একই সঙ্গে প্রধান বিচারপতির আর্জি মেনে বিচার বিভাগের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন দ্রুত করার ব্যাপারেও আশ্বাস দিয়েছেন আইনমন্ত্রী।