আন্তর্জাতিক বাজারে পেট্রোপণ্যের দাম কমলেও সুবিধা পায়নি দেশবাসী: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

LPG

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: সম্প্রতি দেশের বাজারে পেট্রোল-ডিজেলের দাম লাগামছাড়াভাবে বেড়েই চলেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে পেট্রোপণ্যের দাম কমলেও দেশের বাজারে তার বিন্দুমাত্র আঁচ পড়েনি।

এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের কাছে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল জানতে চান, শেষ তিন বছরে আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম কতবার বেড়েছে বা কমেছে? শেষ তিন বছরে কতবার দেশের বাজারে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সার্বিকভাবে পেট্রোপণ্যের দাম বেড়েছে বা কমেছে? বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলে দেশের মানুষ যাতে তার সুবিধা পায় সেজন্য সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছে? দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা তেলের যে দাম নির্ধারণ করে সেটা উপযুক্ত কিনা তা খতিয়ে দেখতে সরকার কী পদ্ধতি অবলম্বন করে?

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের ওই প্রশ্নের উত্তরে তেল ও গ্যাস মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী রামেশ্বর তিলি বলেন, ২০১০ সালের ২৬ জুন থেকে বিশ্ব বাজারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই দেশের বাজারে পেট্রোপণ্যের দাম ওঠানামা করে। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের সঙ্গে ডলারের বিনিময় টাকার দাম, কর প্রভৃতির ওপর নির্ভর করে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি তেলের দাম চূড়ান্ত করে।

পরিসংখ্যান দিয়ে মন্ত্রী জানান, ২০১৯-২০ সালে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বেড়েছে যথাক্রমে ৮৯ ও ৭৯ বার। পাশাপাশি গ্যাসের দাম বৃদ্ধি হয়েছে ৯ বার। ওই বছরে পেট্রোল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের দাম কমেছে যথাক্রমে ১২৪, ১১৯ ও ৩ বার।

মন্ত্রীর দেওয়া পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছে, ২০২০-২১ সালে পেট্রোল ডিজেল, ও রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে যথাক্রমে ৭৬, ৭৩ ও ৮ বার। অন্যদিকে ওই বছরের পেট্রোল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের দাম কমেছে যথাক্রমে ১০, ২৪ ও ২ বার। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে পেট্রোল ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের দাম বেড়েছে যথাক্রমে ৬৯, ৬৭ ও ৪ বার। তুলনায় ওই তিন পেট্রোপণ্যের দাম কমেছে যথাক্রমে ৭, ১০ ও ১ বার।

Virat-Sourav controversy: প্রাক্তন পাকিস্তান অধিনায়কের বিতর্কিত মন্তব্যে চাঞ্চল্য

Virat-Sourav controversy

Sports desk: বিরাট-সৌরভ বিতর্কে (Virat-Sourav controversy) পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক সলমান বাটের বিতর্কিত বয়ান চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক নিজের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে এই বিতর্কিত বয়ান রেখেছে।

প্রতিবেশী দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক নিজের ইউটিউব চ্যানেলে বিতর্কিত বয়ানে বলেন, “ভারতীয় ক্রিকেটের উন্নতির জন্য, গাঙ্গুলিকে এগিয়ে আসা উচিত এবং তাদের উত্তর দিয়ে এই জন্মগত বিতর্কের অবসান ঘটানো উচিত”।

৩৭ বছর বয়সী প্রাক্তন পাক অধিনায়ক সলমান বাটের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া বয়ানের মূল বক্তব্য যা এখন বিতর্কিত এবং ওই বিতর্কিত বয়ানে বাটের অযাচিতভাবে হস্তক্ষেপ হল এরকম,” বিরাট কোহলি সবার সামনে যা বলেছেন তা ছোট কথা নয়। একদিকে গাঙ্গুলি বলছেন যে তিনি বিরাটকে টি-টোয়েন্টি ফর্ম্যাট থেকে অধিনায়কত্ব ছাড়তে নিষেধ করেছিলেন, অন্যদিকে কোহলি বলেছেন যে বিসিসিআই পক্ষের কোনও কর্মকর্তা এই বিষয়ে তাঁর সাথে কখনও কথা বলেননি। এই গুরুতর বিষয়ে উভয় খেলোয়াড়েরই ভিন্ন বক্তব্য রয়েছে। এই সমস্যা উপেক্ষা করা যাবে না”। প্রাক্তন পাক অধিনায়ককের এমন বিতর্কিত বয়ানকে ভারতের ক্রিকেট মহল মোটেও পচ্ছন্দ করছে না।

এখানেই থেমে না থেকে ইউটিউব চ্যানেলে সলমান বাট স্টেপ আউট করে বিতর্কে আরও বেশি করে ঘি ঢেলে দিয়ে বয়ানে বলতে থাকেন, “বিষয়টি শুধু অধিনায়কত্বের নয়। অবশ্যই, অধিনায়ক হিসাবে রোহিতের আরও ভাল রেকর্ড রয়েছে। কিন্তু যেভাবে একজন সিনিয়র খেলোয়াড়কে হঠাৎ করেই অন্য একজন খেলোয়াড়ের হাতে অধিনায়কত্ব দেওয়া হয়, সে মনোভাব ঠিক নয়। সৌরভকে এই বিষয়ে আলোচনা করে সমাধান বের করতে হবে। নইলে তার ও কোহলির মধ্যে আস্থা ভেঙে যেতে পারে”। ভারতীয় ক্রিকেটে এখন “ফিল গুড ফ্যাক্টর” মানে মুক্ত ফুরফুরে বাতাস বয়ে চলেছে, টিম ইন্ডিয়া দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিন টেস্ট এবং তিন ওডিআই ম্যাচের সিরিজ খেলতে উড়ে গিয়েছে,বৃ্হস্পতিবার সকালে।

এমন আবহে ‘রুটি করার চাটু গরম’ করতে উদ্দ্যেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বিতর্কিত বয়ান করেছে প্রাক্তন পাকিস্তান অধিনায়ক সলমান বাট।

দ্রুত জনপ্রিয়তা কমছে মোদীর, তালিকায় চার ধাপে নেমে ৮ নম্বরে প্রধানমন্ত্রী

Prime Minister narendra Modi

News Desk, New Delhi:  পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনের (general election) আরও প্রায় আড়াই বছর দেরি আছে। কিন্তু সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় যে চিত্র ধরা পড়েছে সেটা বিজেপির পক্ষে আদৌ স্বস্তিদায়ক নয়। কারণ ওই সমীক্ষা বলছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) প্রভাব ও জনপ্রিয়তা (popularity) ক্রমশই কমছে।

বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানিতদের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী চার ধাপ নেমে গিয়েছেন। সম্মানিত ব্যক্তিদের যে তালিকা সদ্য প্রকাশ হয়েছে সেই তালিকায় ৮ নম্বর স্থান পেয়েছেন মোদী। এর আগে বিশ্বের সম্মানিত ব্যক্তিদের ওই তালিকায় ৪ নম্বরে ছিলেন তিনি। ইউগভ নামে এক তথ্য বিশ্লেষক সংস্থা সম্প্রতি এই সমীক্ষাটি চালিয়েছে।

ইউগভের করা সমীক্ষা বলছে, ২০২১ সালে সারা বিশ্বে সবচেয়ে সম্মানিত পুরুষ হলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা (barak obama) । মহিলাদের মধ্যে সম্মানিতদের তালিকায় প্রথম স্থানটি দখল করেছেন ওবামার স্ত্রী মিশেল ওবামা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী চার ধাপে নেমে ৮ নম্বরে পৌঁছলেও তিনি অবশ্য বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, এমনকী, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের উপরে ঠাঁই পেয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী মোদী ছাড়াও ভারত থেকে এই তালিকায় ঠাঁই পেয়েছেন শচীন তেন্ডুলকর, অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান ও বিরাট কোহলি। ইউগভ পুরুষদের পাশাপাশি সম্মানিত মহিলাদের যে তালিকা প্রকাশ করেছেন সেই তালিকায় ১০ নম্বরে আছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। প্রথম ২০-র তালিকায় ১৩ নম্বরে আছেন ঐশ্বর্য রাই বচ্চন ঐশ্বর্য অবশ্য এই প্রথম সম্মানিতদের তালিকায় ঠাঁই পেলেন। তালিকার ১৪ নম্বরে আছেন ইনফোসিসের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সুধা মুর্তি।

ইউগভের এই তালিকায় অন্যদের মধ্যে আছেন এঞ্জোলিনা জোলি, অ্যাঞ্জেলা মরকেলের মত মহিলারা। অন্যদিকে পুরুষদের তালিকায় ঠাঁই পেয়েছেন বিল গেটস, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, শি জিনপিং। পুরুষদের এই তালিকার প্রথম পাঁচে ওবামার পরে আছেন যথাক্রমে বিল গেটস, জিনপিং, রোনাল্ডো এবং জ্যাকি চ্যান। পুরুষদের প্রথম দশের তালিকায় মোদী ছাড়াও আছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, চিনের বিশিষ্ট শিল্পপতি জ্যাকমা, বিশ্বের অন্যতম ধনী সংস্থা টেসলারের সিইও এলন মাস্ক।

Bangladesh50: পূর্ব দিগন্তের সূর্য…ভারতে ‘হাতবদল’ নার্গিসের ঘরে ফেরার গল্প

Bangladesh50
Suraj Das
সূরজ দাশ (মানবাধিকার কর্মী, পশ্চিমবঙ্গ)

সূরজ দাশ (মানবাধিকার কর্মী, পশ্চিমবঙ্গ): সালটা ২০০৫ । সবে আন্তর্জাতিক নারী ও শিশু পাচারচক্র প্রতিরোধে কাজ শুরু করেছি। ওপার বাংলার (বাংলাদেশ-Bangladesh) নানান মানবাধিকার সংগঠনের সঙ্গে তৈরি হয়েছে সুসম্পর্ক।

রাজশাহী, যশোর, ঢাকা, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বাংলাহিলি, এইসব জায়গায় প্রচুর মানবাধিকার কর্মীদের সঙ্গে আমার নিবিড় সম্পর্ক তৈরি হয়। কার কথা ছেড়ে কার কথা বলব! ওপার বাংলার বাংলাহিলিতে জাহিদুল ইসলাম দাদা, ঢাকাতে দীপ্তি বল দিদি, তারিকুল ইসলাম দাদা, নাটোরে আজাদ ভাই, রাজশাহীতে রিপন সরকার, বগুড়াতে মাজেদ রহমান, জিয়া শাহিন, দিনাজপুরে অমিত দা, জয়পুরহাটের এনামুলদা, পাঁচবিবিতে আয়েশা আক্তার আপু, সহ আরো অসংখ্য মানবিক গুণসম্পন্ন মানুষের সঙ্গে আমার সম্পর্ক তৈরি হয়। তাদের হাত দিয়েই আমি চিনে ফেলি ওপার বাংলার জল মাটি আকাশ। এই মানবিক মানুষগুলোর চোখ দিয়েই বাংলাদেশের সবুজ হৃদয় আমাকে জয় করে ফেলে। এই মানুষগুলো আছেন বলেই বাংলাদেশে এখনও সবুজ, সুজলাং সুফলাং শস্যশ্যামলাং।

প্রতি বছর ভারত- বাংলাদেশ শূন্যরেখায় অমর একুশে–আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস পালন হয়ে আসছে দক্ষিণ দিনাজপুর ও বাংলাদেশের সীমান্ত চেকপোস্ট হিলিতে। এছাড়াও নানান সাংস্কৃতিক আদানপ্রদান আমাদের বরাবর আবেগে ভাসিয়ে দেয় বাংলাদেশ। বাংলাদেশ নিয়ে অনেক কথা লেখার আছে, অনেক আবেগ আছে, সে কথা কখনো বলবো অন্যত্র। এখানে একটা বাস্তব জীবনের গল্প আপনাদের সামনে রাখছি । যে গল্পের একটা অংশ আমি নিজে । গল্পের চরিত্রটির নাম বদলে রাখা আছে এখানে।

ঘরে ফেরার গল্প:
নার্গিস ! ১৭ বছর বয়স ! প্রকৃত বাপ-মায়ের পরিচয় জানে না সে । ওর বাড়ি যশোর। বড় হতে হতে একদিন দুম করে অনেক বড় হয়ে গেল নার্গিস । তারপর স্বপ্নের রাজপুত্তুরের সন্ধান। রকি ! গোপালগঞ্জে বাড়ি। নার্গিস স্বপ্নে বিভোর। রকির কাছে জানতে পারে সে সুখের রাজপ্রাসাদ তৈরি আছে ভারতের মুম্বাই শহরে। তার হাত ধরে পেট্রাপোল-বেনাপোল হয়ে সটান একদিন মুম্বই।

নার্গিস হাতবদল হয়ে গেলো। ৬০,০০০ টাকা লেনদেন। সে এখন অন্যের মনোরঞ্জনে ব্যস্ত। প্রাসাদ জুড়ে কেবল হাহাকার। এরকম কপাল ছিল, ভাবতেই পারেনি সে। বুক চাপড়ায়। দুঃখ যন্ত্রণাকে প্রতিদিন গলা টিপে হত্যা করে সে। গ্রামের কথা মনে পড়ে তার। ছোট ভাইবোনগুলোর কথা মনে পড়ে। বর্ষাকালে গুঁড়োমাছ। ভাইয়ার চপের দোকানের গন্ধ। পাড়ার নানি, আরও কতকার কথা মনে পড়ে। কি এক অচেনা জগতে চলে এলো! ফেরার রাস্তা জানা নেই। দুবছর হয়ে গেল। গতর আর চলে না।
“হে আল্লাহ্‌, কার ওপর আর ভরসা রাখব!” বয়স এখন কুড়ি। যৌবন কি তবে ফুরিয়ে এলো? কত হাঙর, কুমীর এলো গেলো…”।
“রাকেশ, তুম ক্যায়া মুঝে অপনা দেশ বাপস ভেজ সকতে হো? মেরি আঁখোকি তরফ দেখো,… … দেখতে পাচ্ছ আমার পদ্মার ঢেউ ???”
রাকেশ মুম্বাই থেকে হাওড়াগামী ট্রেনে চাপিয়ে দিল নার্গিসকে ।
“যশোর, তুমি কতদুর? খুলনা ভালো আছো? বরিশালে বড় আপা থাকেন। ভালো আছেন আপা? আমি আইতেসি।”

সাপ-খোপ, ব্যাঙ-টিকটিকির বেড়াজাল ছিঁড়ে হাওড়া থেকে শিয়ায়লদা হয়ে বালুরঘাট। দুদিন সেখানে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আশ্রয়ে। তারপর সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে হিলি চেকপোস্ট দিয়ে নার্গিস পৌঁছে যায় মাটির কাছে।
সীমান্ত প্রহরীর নল উপেক্ষা করে হিলি রেলষ্টেশনে আনন্দে কাঁদছে নার্গিস। এ এক অন্য অনুভুতি । অন্য স্বাদ ।

আকাশের দিকে বারবার তাকিয়ে বলছে, “কত কি দেখলাম আল্লাহ্‌, আর কিছু দেখতে চাই না। কেবল আমি রকির মতন জহ্লাদদের ফাঁসি চাই আল্লাহ্‌… এই সামান্য মেহেরবানিটুকু করো, হে আল্লা।”

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে সাভারের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন কোবিন্দ

Ramnath Kovind

নিউজ ডেস্ক, ঢাকা: ১৬ ডিসেম্বর দিনটি বাংলাদেশ বিজয় দিবস (vijay divas) হিসেবে পালন করে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ বিজয় দিবসের আনন্দে মাতোয়ারা। দেশের প্রতিটি প্রান্তে চলছে উৎসব।

১৯৭১ সালে পাকিস্তানের (Pakistan) বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ প্রধান সাহায্যকারী হিসাবে পাশে পেয়েছিল ভারতকে (india)। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে ঢাকায় বিজয় দিবসের সুবর্ণ জয়ন্তী পালন অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন ভারতীয় রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ (president ramnath kovind)। রাজধানী ঢাকায় মূল অনুষ্ঠান মঞ্চে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশেই দেখা গেল কোবিন্দকে।

বাংলাদেশ এবার বিজয় দিবসের ৫০ বছর বা সুবর্ণজয়ন্তী পালন করছে। সেই উপলক্ষে ঢাকার শের-ই-বাংলা জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিন প্যারেড গ্রাউন্ডে সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণ করেন কোবিন্দ। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ-সহ আটটি দেশের রাষ্ট্রীয় বাহিনীর সদস্যরা এদিনের কুচকাওয়াজে অংশ নেন। এই কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কোবিন্দ।

বৃহস্পতিবার ভোর চারটে নাগাদ ঢাকার তেজগাঁও পুরনো বিমানবন্দর এলাকায় ৩১ বার তোপধ্বনি করে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এদিন বাংলাদেশের সমস্ত সরকারি-বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকা-সহ প্রতিটি জায়গায় বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি ভবনগুলি সেজে ওঠে রংবেরঙের আলোয়। ঢাকা-সহ দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান সড়কগুলি জাতীয় পতাকা দিয়ে মুড়ে ফেলা হয়। করা হয়েছে আলোকসজ্জাও।

বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৬টায় রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ বাংলাদেশের প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সে দেশের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সাভার স্মৃতিসৌধে পৌঁছন। সবার আগে সে দেশের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সাভারের স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। সকাল ৭টা থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের পক্ষ থেকে একে একে সাভারের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। এদিন বহু মানুষ নিজের পরিবার ও সন্তান-সন্ততিদের নিয়ে সাভার স্মৃতিসৌধে হাজির ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মুক্তিসেনা ও ভারতের মিত্র বাহিনী যৌথভাবে যুদ্ধ করে। সেই যুদ্ধে জয় লাভ করে স্বাধীন হয় বাংলাদেশ। ৯ মাসের সেই যুদ্ধে বাংলাদেশের কমপক্ষে ৩০ লক্ষ মানুষ ও ১৭ হাজার ভারতীয় সেনা শহিদ হন। পাক সেনাবাহিনীর হাতে চরম লাঞ্ছনার শিকার হতে হয়েছিল ১০ লক্ষেরও বেশি মহিলাকে। তবে রাজনৈতিক মহলের স্পষ্ট বক্তব্য, সেদিন যদি বাংলাদেশের পাশে ভারত না থাকতো তবে কোনওদিনই তারা স্বাধীন হতে পারত না। ভারতের সেই অবদানের স্বীকৃতি দিতে বিজয় দিবসের ৫০ বছর বা সুবর্ণজয়ন্তী পালনে ভারতীয় রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকেই প্রধান অথিতি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উল্লেখ্য, বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তিনদিনের বাংলাদেশ সফরে গিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। বুধবার তিনি ঢাকায় পৌঁছন। কোবিন্দ সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ভবনের নিজস্ব রন্ধনশালায় তৈরি হরেক রকমের মিষ্টি, বিস্কুট ও কেক। ওই সমস্ত জিনিস তিনি সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদের হাতে তুলে দেন। কোবিন্দের এই উপহার পেয়ে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত হাসিনা।

Sina Bora Murder case :মেয়ে শিনা জীবিত বলে সিবিআইকে চিঠি দিয়ে দাবি ইন্দ্রাণীর

Indrani Mukherjee claimed in a letter to CBI that her daughter Shina

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: চাঞ্চল্যকর মোড় নিল শিনা বোরা (sina bora) হত্যা মামলা। এই মামলার মূল অভিযুক্ত তথা শিনার মা ইন্দ্রানী মুখোপাধ্যায় (indrani mukherjee) সিবিআইকে দেওয়া এক চিঠিতে জানিয়েছেন, তাঁর মেয়ে জীবিত আছে। বহাল তবিয়তেই শিনা কাশ্মীরে (kashmir) বসবাস করছেন। অথচ মেয়েকে খুনের অভিযোগে তাঁকে জেলে (jail) আটকে রাখা হয়েছে।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায় সম্প্রতি সিবিআইয়ের ডিরেক্টরকে একটি চিঠি লিখেছেন। ওই চিঠিতে ইন্দ্রাণী জানিয়েছেন, কয়েক দিন আগে জেলের ভিতরে তার সঙ্গে অপর এক মহিলার পরিচয় হয়। ওই মহিলা তাঁকে জানিয়েছেন, শিনা বোরাকে তিনি কাশ্মীরে ঘুরতে দেখেছেন। বিষয়টি জানার পর ইন্দ্রাণী সিবিআইকে অনুরোধ করেছেন, গোয়েন্দা সংস্থা যেন একবার কাশ্মীরে শিনার সম্পর্কে অনুসন্ধান করে। তবে শুধু সিবিআইয়ের ডিরেক্টরকে চিঠি দিয়েই থেমে থাকেননি ইন্দ্রাণী। একই সঙ্গে তিনি বিশেষ সিবিআই আদালতেও শিনাকে খুঁজে দেখার আবেদন জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালে শিনা বোরা হত্যাকাণ্ড গোটা দেশে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল। অভিযোগ ওঠে, ২০১২ সালের ২৪ এপ্রিল একটি গাড়ির ভিতর শিনাকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছিল। শিনা ছিলেন ইন্দ্রাণী ও তাঁর সঙ্গী সিদ্ধার্থ দাসের মেয়ে। সে সময়ে বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ ওঠে, ইন্দ্রাণী তাঁর প্রাক্তন স্বামী সঞ্জীব খান্না ও গাড়িচালক শ্যাম রাইয়ের সাহায্যে মুম্বই থেকে বেশ কিছুটা দূরে রায়গড়ের নির্জন জঙ্গলে শিনার দেহ পুড়িয়ে মাটিতে পুতে দিয়েছিলেন।

ইন্দ্রাণীর এই দাবি যদি সত্যি হয় তাহলে শিনা বোরা হত্যাকাণ্ড ভারতের অপরাধ জগতের ইতিহাসে অন্যতম এক মাইলফলক হয়ে থাকবে। ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়ের জীবন বরাবরই কিছুটা এলোমেলো। ২০০২ সালে তিনি সঞ্জীবের সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করে পিটার মুখোপাধ্যায়কে বিয়ে করেছিলেন। সেই সময়ে ইন্দ্রাণী শিনাকে পিটারের কাছে নিজের বোন বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। ২০১৫ সালে অপর একটি মামলায় ইন্দ্রাণীর গাড়িচালক শ্যাম রাইকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। শ্যামকে গ্রেফতারের পরই শিনা খুনের ঘটনাটি সামনে আসে।

সিবিআইয়ের দাবি ছিল, পিটারের প্রথম পক্ষের স্ত্রীর ছেলে রাহুলের সঙ্গে শিনার সম্পর্কটি মেনে নিতে পারেননি পিটার ও ইন্দ্রাণী। সে কারণেই পিটার ও ইন্দ্রাণী রীতিমতো পরিকল্পনা করে শিনাকে খুন করেন। কিন্তু এই মুহূর্তে ইন্দ্রাণীর দাবি তাঁর মেয়ে শিনা জীবিত আছেন। ইন্দ্রাণীর এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে রীতিমতো ধন্দে পড়েছেন সিবিআইয়ের দুঁদে গোয়েন্দারা।

Bangladesh 50: অতীশ দীপঙ্করের বাংলায় বঙ্গবন্ধুর খুনি বিশ্বাসঘাতকরা সক্রিয়, সতর্ক থাকুন বেগম হাসিনা

Pranab bhatttacharya
প্রণব ভট্টাচার্য
(ইতিহাস গবেষক, পশ্চিমবঙ্গ)

প্রণব ভট্টাচার্য (ইতিহাস গবেষক, পশ্চিমবঙ্গ): প্রথমত আমি বাংলাদেশকে (Bangladesh) আলাদা দেশ বলে ভাবতে পারিনা। আমার বাঙালি সত্তা কোথাও যেন আপত্তি জানায়। আমি ভারতীয় বাঙালি না বাঙালি ভারতীয় আজও বুঝে উঠতে পারিনি। আমাকে ভারতীয় মহা জাতি সত্তার মধ্যে বিলীন হয়ে যেতে হবে। আমার আলাদা আইডেন্টিটি থাকবে না!

বাঙালি হিসাবে গর্ব অনুভব করি যাঁদের জন্য তাঁরা তো প্রায় সবাই ওপারের-ই। কত নাম আর বলব। অতীশ শ্রীজ্ঞান দীপঙ্কর থেকে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় পর্যন্ত। বিজ্ঞানীকুলের সব আচার্য্যরা। রত্ন প্রসবিনী আমার সেই ‘বৃহৎ অবিভক্ত বঙ্গ’।
‘ হে বঙ্গ ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন।’ ‘ বঙ্গ আমার ; জননী আমার ; ধাত্রী আমার ; আমার দেশ।’
কলঙ্ক কাঁটাতারের বেড়া। বাঙালির পরাজয়। বাঙালি সত্তার পরাজয়। ধূর্ত ইংরেজ বাঙালিকে হীনবল করার চক্রান্ত করেছে ধীরস্থির ভাবে। দীর্ঘদিন যাবৎ। সহায়তা করেছে এদেশের নানা শক্তি।

একবার মাত্র গেছি বাংলাদেশে। বেনাপোল সীমান্তের ওপারে পা দিয়েই এক আলাদা অনুভূতি। প্রণাম যশোর। কপোতাক্ষ তীরে যে আমার মধুকবি। “জলঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার করুন ডাঙায়” হেঁটে চলেছেন আমার জীবনানন্দ।

বিপুলা পদ্মা পার হয়ে ভায়া ঢাকা কুমিল্লা পর্যন্ত। আমার সৌভাগ্য আমি রাত্রে গিয়েও দাঁড়িয়েছি ” আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ” ভাষা শহীদ স্তম্ভের সামনে। নুয়ে আসে মাথা। একটা জাত জেগে উঠেছিল ভাষা কে কেন্দ্র করে। ভাষা আন্দোলন পরিণতি পেয়েছে স্বাধীন বাংলাদেশে। এই প্রাপ্তির জন্য একটা জাতকে মুখোমুখি হতে হয়েছে নারকীয় গণহত্যার। অসম লড়াইয়ে হারাতে হয়েছে লক্ষ তাজা প্রাণ। লুঠ হয়েছে হাজারো মা বোনের ইজ্জত। ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বে ভারতীয় সেনার সাথে লড়াইয়ে হার মানতে বাধ্য হয়েছে বর্বর পাক বাহিনী। সমর্থন করেছি প্রাণমন দিয়ে সেই উজ্জ্বল ভূমিকাকে। ইন্দিরাজীর সাহসী নেতৃত্বকে।

আমি ক্ষমা করতে পারিনা চিন বা আমেরিকার সেদিনের ভূমিকা। আবার ভুলতে পারিনা ভারতের স্বাভাবিক মিত্র সোভিয়েতের বাঙালির মুক্তিযুদ্ধের সহযোগিতার কথা।

আজ বাংলাদেশের ৫০ বর্ষ পূর্তিতে স্মরণ করি সেদেশের জাতির নেতা মুজিবুর রহমানকে। আবার মাথায় রাখতে হয় তাঁকেও প্রাণ দিতে হয়েছে বিশ্বাসঘাতক বাঙালির হাতেই।

আজও সক্রিয় অত্যন্ত বিপজ্জনক সেই মৌলবাদী শক্তি। যারা সেদিন ও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে। আজও করছে। তবুও বাংলাদেশ বেগম হাসিনার নেতৃত্বে অনেক এগিয়েছে। আরও উন্নতির পথে বাংলাদেশ।

ঢাকার আন্তর্জাতিক বাস টার্মিনাসের সেই স্মৃতি- এখানে এসে ইলিশ খাওয়া হয়নি শুনে এক বয়স্ক ভদ্রলোক দাওয়াত দিলেন। ” আবার আসেন ভাই। আমার বাসায় ওঠেন ঢাকায়। পদ্মার ইলিশ খাওয়াব “। কি আন্তরিকতা! আহা। এইই বাঙালি।

ঢাকার আলোঝলমলে রাস্তায় বাংলায় সাইনবোর্ড দেখে বা ওষুধের স্ট্রিপে বাংলায় ওষুধের নাম দেখে আমার হৃদয় যে উদ্বেলিত হয়। “আ মরি বাংলা ভাষা ; মোদের গরব ; মোদের আশা”। এই ভাষাই তাকে বেঁধে রাখবে অচ্ছেদ্য বন্ধনে। কাঁটাতারের বেড়া আটকাতে পারবেনা তার ব্যাকুল হৃদয়।

বাঙালি এক আলাদা জাতিসত্তা। সে স্বতন্ত্র। তার জাতীয়তা উদার। সে বিশ্বপথিক। আন্তর্জাতিকতা তার রক্তে।

Bangladesh 50: আশা রাখব সংখ্যালঘু নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় বঙ্গবন্ধু কন্যা আরও দৃঢ় হবেন

New bangladesh must maintain security of minorities

শবনম হোসেন (শিক্ষিকা, পশ্চিমবঙ্গ): ডিসেম্বর , বাংলা অঘ্রান মাস আসলে বিশ্ব ইতিহাসে মাথা উঁচু করা এক জাতি বাঙালির বিজয় মাস। বাংলাদেশ পালন করছে তাদের স্বাধীনতার ৫০ বছর অর্থাৎ বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তী।
সেই দিনটা ছিল ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর। পদ্মার ওপারের খুশির ঢেউ স্বাভাবিক ভাবেই এপারেও আছড়ে পড়েছিল। বাঙালি হৃদয়ে লেগেছিল আনন্দ দোলা।

বয়স তখন আমার সবে পাঁচ বছর। বাবা কাকাদের আবেগ, উত্তেজনা, চোখে মুখে খুশির রেশ। যুদ্ধ কী বোঝার বয়স হয়নি তবে আনন্দটুকু উপলব্ধি করেছিলাম। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের তথা বিশ্বের অন্যতম রাষ্ট্রনায়ক হলেন।

মনে পড়ে, এক দুপুরে বিদ্যালয়ে শিক্ষিকাদের মধ্যে চাঞ্চল্য। ঘোষণা করা হল, প্রিয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশের জাতীয় কবি আর নেই। শোকের ছায়া নেমে আসে সর্বত্র। তাঁর ই সৃষ্ট কবিতা- গানে কবির প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়। তখন আমি পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী।

কবির জন্মস্থান বর্ধমান (এখন পশ্চিম বর্ধমান) জেলার চুরুলিয়া গ্রামে ও সারা পশ্চিমবঙ্গে শোকের ছায়া নেমে এসেছিল। পরে জেনে ছিলাম ১৯৭২ সালের ১৩ই জানুয়ারি বাংলাদেশে মন্ত্রিপরিষদের প্রথম সভায় কাজী নজরুল ইসলামকে ‘জাতীয় কবি’ ঘোষণা করা হয়। এছাড়া কবির ‘ চল্ চল্ চল্ ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল’ গানটি রণসঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা হয়। এই গান আমাদের বিদ্যালয়ে নেতাজির জন্মদিন, স্বাধীনতা দিবসে নিয়মিত গাওয়া হতো এবং এখনও প্রতিটি বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা গেয়ে থাকে। মানুষে মানুষে ধর্ম বৈষম্য হানাহানি থেকে মুক্ত করতে তিনি সাম্যের গান শুনিয়েছেন। সমাজকে ধর্মের নামে বজ্জাতি থেকে কলুষমুক্ত করতে চেয়েছেন। তিনি ধর্মীয় সঙ্কীর্ণতা, ধর্মের নামে কুসংস্কার শোষণ ইত্যাদির বিরোধিতা করে লিখেছেন ‘ জাতের নামে বজ্জাতি ..’

অথচ আঁধার রাতে আজও আমরা হানাহানি করি। এবার দুর্গাপূজার সময় বাংলাদেশে একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। বেশ কিছু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। আরও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নজরুলের দেশে, এ বড়ো লজ্জার, এ বড়ো কষ্টের, বড়ো দুঃখের। আজ ও আমরা বাঙালি জাতি হিসেবে পরস্পরের প্রতি নাড়ির টান অনুভব করি। পরস্পর ক্ষমা চাইতে যেন লজ্জাবোধ না করি।

কবি বলে গেছেন ‘ মোরা এক বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু মুসলমান। মুসলিম তার নয়ন মণি, হিন্দু তাহার প্রাণ।’
যে জাতি নিজের মাতৃভাষাকে বিশ্ব দরবারে পৌঁছে দিয়েছে রক্তের বিনিময়ে সেই দেশে মানব সভ্যতাকে পিছিয়ে দেওয়ার এই দুরভিসন্ধিমূলক অপচেষ্টা আমাদের রুখতেই হবে।
হাজার বছরের সাহিত্যের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ অসাম্প্রদায়িক কবি কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন ‘গাহি সাম্যের গান ..’। ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে ‘মানবতা’-কে স্থান দিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও বিজয় উৎসবের ৫০ বছর পালনের পাশাপাশি আমরা আশা করব বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসূরি শেখ হাসিনার সরকার তথা প্রশাসন সদা জাগ্রত থাকবেন , ভবিষ্যতে যাতে যাতে কোন দূর্বৃত্ত এই ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটাতে পারে।

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা এবং নিজ ধর্ম পালন তাদের মৌলিক অধিকার এবং তা সুনিশ্চিত করা শুধুমাত্র সরকার নয় প্রত্যেক সুনাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

এই শুভ দিনের প্রাক্কালে আমরা সবাই সাম্য ও মৈত্রীর বন্ধন সুদৃঢ় করার শপথ নিই। জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলে মিলে ভারতের বিজয় দিবস ও বাংলাদেশ তৈরির সুবর্ণজয়ন্তী পালন করি।
শুভেচ্ছা প্রত্যেক বাঙালিকে।

India vs SA 2021: বিতর্কে ইতি!”ফিল গুড ফ্যাক্টর”, আফ্রিকা উড়ে গেল টিম ইন্ডিয়া

Team India went on a tour of Africa

Sports desk: দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে আসন্ন সিরিজে (India vs SA 2021) পূর্ব নির্ধারিত সফরসূচী আগেই কাটছাঁট হয়েছিল। এবার দমবন্ধকর পরিবেশের সমস্ত বিতর্কে ইতি টেনে ভারতীয় দল বিশেষ বিমানে চেপে রওনা হল দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশ্যে।

বৃ্হস্পতিবার সকালে ওই মুহুর্তের কিছু ছবি ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (BCCI) তার টুইটে শেয়ার করেছে। ওই ছবিগুলোতে দেখা যাচ্ছে কোভিড-১৯ প্রটোকল মেনে হাসি মুখে ভারতীয় খেলোয়াড় বিমানে বসে আছে। যা স্বভাবতই ভারতীয় শিবিরের “ফিল গুড ফ্যাক্টরে”র বার্তাকে তুলে ধরে দেশের ক্রিকেট ভক্তকুলদের মাঝে।

Team India went on a tour of Africa

প্রোটিয়ার্সদের বিরুদ্ধে সফরে টিম ইন্ডিয়া তিন ম্যাচের টেস্ট এবং সম-সংখ্যক ম্যাচের ওডিআই সিরিজ খেলবে,তবে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফর্ম্যাটের দিনক্ষণ এবং ম্যাচ ভেন্যু এখনও ঠিক হয়নি। ২৬ ডিসেম্বরে প্রথম টেস্ট খেলতে নামবে ভারত সেঞ্চুরিয়নে, দক্ষিন আফ্রিকার বিরুদ্ধে।

জোহানসবার্গে দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ হবে ৩ জানুয়ারি এবং তৃতীয় তথা শেষ টেস্ট ম্যাচ ১১ জানুয়ারি পারলেতে আয়োজিত হবে। টেস্ট ম্যাচ সিরিজ শেষ হলেই টিম ইন্ডিয়া প্রোটিয়ার্সদের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজ খেলবে।

ওডিআই সিরিজের প্রথম এবং দ্বিতীয় ম্যাচ ২৯ এবং ২১ জানুয়ারী পারল ক্রিকেট গ্রাউন্ডে হবে এবং তৃতীয় তথা শেষ ওডিআই ম্যাচ হবে ২৩ জানুয়ারী কেপটাউনে।

<

p style=”text-align: justify;”>প্রোটিয়ার্সদের বিরুদ্ধে টিম ইন্ডিয়ার টেস্ট স্কোয়াড: বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), প্রিয়াঙ্ক পাঞ্চাল, কেএল রাহুল, মায়াঙ্ক আগরওয়াল, চেতেশ্বর পূজারা, অজিঙ্কা রাহানে, শ্রেয়স আইয়ার, হনুমা বিহারী, ঋষভ পহ্ন (উইকেটরক্ষক ), ঋদ্ধিমান সাহা (উইকেটরক্ষক), আর অশ্বিন, জয়ন্ত যাদব, ইশান্ত শর্মা, মহম্মদ সামি, উমেশ যাদব, জসপ্রিত বুমরাহ, শার্দুল ঠাকুর, মহম্মদ সিরাজ।

‘নিয়াজি-র আত্মসমর্পণ’ সেই মন্দ্র কণ্ঠ ‘দিস ইজ অল ইন্ডিয়া রেডিও, নিউজ রেড বাই সুরজিৎ সেন…’

bangladesh liberation war ORS AIR Akashvani Kolkata

sourav-senসৌরভ সেন: ১৯৭১। আমার কিশোরবেলা। তখন এ-বাংলায় রাজনৈতিক কারণে হানাহানি ও অস্থিরতা আমাদের দ্রুত ‘বড়’ করে তুলছে। কাগজে রাজনৈতিক খবর পড়ায় বেশ আগ্রহ। আগের বছর, মানে ১৯৭০-এ স্কুলে হাফ-ইয়ারলি, অ্যানুয়েল কোনও পরীক্ষাই হতে পারেনি। সরাসরি পরের ক্লাসে। ‘মন্থর বিকেলে শিমুল তুলোর ওড়াউড়ি’র মতন সোডার বোতল ছোড়াছুড়িও সহজ, ছন্দোময় হয়ে উঠেছে। চোখের সামনে পেটো পড়া-ও তখন দৃষ্টি বা শ্রুতিতে গ্রাহ্য। এধার-ওধার থেকে খুনের খবর আসে। পাড়ায়-পাড়ায় সিআরপি-র রুট মার্চ কিংবা কুম্বিং অপারেশনে বাড়িতে ঢুকে মাঝরাতে পুলিশের খানাতল্লাশি তখন নগরজীবনের অঙ্গ।

এহেন সময়ে স্বাধীন বাংলা-র হিল্লোল! পাক-বাহিনীর বর্বরতার ছবি কাগজে-কাগজে, হত্যালীলার বিবরণ। গুলিতে হত্যা, বেয়োনেটে খুঁচিয়ে হত্যা— কত যে প্রকার! ইয়াহিয়া খান একটা আস্ত জল্লাদ, এমন একটা ছবি মনে আঁকা হয়ে গেছে। অনেক পরে শিল্পী কামরুল হাসান-চিত্রিত জল্লাদের (জানোয়ার) ছবিটি দেখে অবাক হই। মনে-আঁকা ছবির সঙ্গে প্রায় মিলে যাচ্ছে! লক্ষ-লক্ষ শরণার্থীর স্রোত। প্লাস্টিক ছাউনিতে, কংক্রিটের পাইপে তাদের আস্তানা। ধু-ধু সল্ট লেক তখন সবে গড়ে উঠতে শুরু করেছে। সেখানেও ৭২ ইঞ্চি পাইপের মধ্যে বসতি। ইতিমধ্যে লোকসভা ভোটে জিতে ইন্দিরা গান্ধী নিজের প্রধানমন্ত্রিত্ব আরও পোক্ত করে নিয়েছেন। দেশে-দেশে তাঁর দৌত্য, ছুটোছুটি কাগজে পড়ছি। নিক্সন, কিসিঞ্জার— এসব নাম শুনলে গা রি-রি করে। অন্য দিকে মনে পড়ছে— সেনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি সীমান্তের শরণার্থী শিবিরে ঘুরলেন। কাগজে প্রথম পাতায় বিবরণ। শরণার্থীদের ত্রাণের জন্য বিপুল খরচের বোঝা ভারত সরকারের কাঁধে। খবরের কাগজ, সিনেমার টিকিট— এসবের ওপর অতিরিক্ত মাশুল চাপল। চিঠিপত্রে ডাকমাশুল বাড়ল ৫ পয়সা। একটি অতিরিক্ত স্ট্যাম্প সাঁটতে হত। প্রথম-প্রথম ফ্যামিলি প্ল্যানিংয়ের ডাকটিকিটে ‘রিফিউজি রিলিফ’ ছাপ মারা হত, পরে নতুন টিকিট ছাপা হল।

bangladesh liberation war

মুক্তিযুদ্ধের পাশাপাশি চলেছিল আরেক যুদ্ধ, চিকিৎসাবিজ্ঞানের— যাকে অনেক পরে গোটা বিশ্ব স্বীকৃতি দিয়েছে। ‘ওআরএস’ বা ওরাল রিহাইড্রেশন সলিউশন। তখন সীমান্ত-অঞ্চলে শরণার্থী শিবিরগুলোয় কলেরা ছড়িয়ে পড়েছিল ব্যাপক ভাবে। এপারের ডা. দিলীপ মহলানবিশ, ওপারের ডা. রফিকুল ইসলাম ওআরএস-এর সফল প্রয়োগ শুরু করলেন। এছাড়াও, নলজাতকের স্রষ্টারূপে চিরস্মরণীয় ডা. সুভাষ মুখোপাধ্যায় শরণার্থীদের অপুষ্টি-রোধে বানিয়েছেলেন ‘ফিশ প্রোটিন কনসেনট্রেট’।

মুক্তিযুদ্ধের খবর আসছে। ছবিও ছাপা হচ্ছে। ‘রাজাকার’, ‘আল বদর’ নামগুলো জানতে শুরু করেছি। এপারের অনেক সাংবাদিক ওপারে গিয়ে জীবন্ত বিবরণ আনছেন। কুষ্টিয়ার মেহেরপুরে অন্তর্বর্তী স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয়ে গেছে, মুজিবনগরে। টিভি তো তখন আসেনি। আকাশবাণী কিন্তু এক অসামান্য ভূমিকা পালন করেছিল! নিয়াজি-র আত্মসমর্পণের ছবিতে প্রথম সারিতে দিল্লির সংবাদপাঠক সুরজিৎ সেন! কানে শুনতে পাচ্ছি সেই মন্দ্র কণ্ঠ— “দিস ইজ অল ইন্ডিয়া রেডিও, নিউজ রেড বাই সুরজিৎ সেন…”। কলকাতা কেন্দ্রের প্রণবেশ সেন, উপেন তরফদার, দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা স্মরণে থেকে গেছে। ‘সংবাদ-বিচিত্রা’য় গ্রাউন্ড লেভেলের সরাসরি রিপোর্ট। রেডিও-য় শুনে-শুনে প্রায় মুখস্থ হয়ে গিয়েছিল শেখ মুজিবের সেই ঐতিহাসিক বক্তৃতা— “এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম…”। এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’। কলকাতারই এক ঘাঁটি থেকে চলত সম্প্রচার। বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ অধিবেশন শুরু হত, যদ্দূর মনে পড়ছে। ও-বাংলার সময়ানুযায়ী বেলা একটা নিশ্চয়ই। শুরুতেই বাজানো হত গান : “জয় বাংলা, বাংলার জয়…”।

তারপর তো ডিসেম্বরের তিন তারিখে পাকিস্তানের বোমাবর্ষণ, ভারতের যুদ্ধঘোষণা। পুব ও পশ্চিম রণাঙ্গন। মার্কিন সপ্তম নৌবহর আসছে! কী হয়, কী হয়! রসিকজনের রটনা কিনা জানা নেই, তবে ছড়িয়ে গেল— আমাদের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জগজীবনবাবু নাকি অক্লেশে বলেছেন : আমাদেরও আই এনএস বিক্রান্ত্ আছে! বিক্রান্ত্ ছিল তখন ভারতের একমাত্র এয়ারক্র্যাফ্ট ক্যারিয়ার। তবে সপ্তম নৌবহরের কাছে নস্যি! যা হোক, বিক্রান্ত্ কিন্তু খুলনা থেকে চট্টগ্রাম অবধি নাগাড়ে পাহারা দিয়ে গেছে। সেই বিক্রান্ত্-কে বছর-আষ্টেক আগে লোহার দরে বেচে দেওয়া হল। দু’ ফোঁটা চোখের জল কেউ ফেলেছিল কি?

যুদ্ধ চলছে। ফেনি, আখাউড়া, ঝিনাইদহ, হিলি, বয়রা, ঝিকরগাছা ইত্যাদি নামগুলো ম্যাপের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে নিচ্ছি। পালাতে গিয়ে পাক-সেনারা সেতু, রেলপথ, ভবন সব নষ্ট করে দিচ্ছে। পদ্মার ওপরে সুবিখ্যাত সারা (হার্ডিঞ্জ) ব্রিজের একটা গার্ডার ধ্বংস করা হল। বয়োজ্যেষ্ঠরা হায়-হায় করে উঠলেন। কলকাতায় ব্ল্যাক-আউট চলছে। সন্ধের পর বাইরে কুপকুপে অন্ধকার। ঘরের মধ্যে আলো না-ঠিকরানো বিশেষ ল্যাম্পশেড। একচিলতে আলোও বাইরে গেলে পুলিশে সতর্ক করে যায়। আকাশে প্লেনের আওয়াজে হামলার আশঙ্কা। টালা ট্যাঙ্ক, হাওড়া ও বালী ব্রিজ নাকি ‘দুশমনে’র পয়লা নিশানা!

অবশেষে ১৬ ডিসেম্বর। বিজয়। যুদ্ধ শেষ। জন্ম নিল স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশ। সারা দেশে উচ্ছ্বাস। এ-বাংলায় অন্য এক উন্মাদনা। দেয়ালে-দেয়ালে লিখন। দু’ দেশের জাতীয় পতাকার ছবি। তবে তখন কিন্তু বাংলাদেশের পতাকা আঁকা ছিল বেশ ঝঞ্ঝাটের! কারণ মধ্যিখানে ছিল সে-দেশের মানচিত্র। সেটি নিখুঁত আঁকা বেশ কষ্টসাধ্য। প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নামের আগে জুড়ে গেল বিশেষণ ‘এশিয়ার মুক্তিসূর্য’, যা এ-বাংলার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে পরবর্তী কয়েক বছর ব্যবহৃত হয়েছে।

’৪৭-এ ধর্মের ভিত্তিতে রাষ্ট্র তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ভাষার জোর এতটাই যে ধর্মকে পরাভূত করে সেই রাষ্ট্রের জঠর থেকে নতুন এক রাষ্ট্র জন্ম নিল দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। পৃথিবীর ইতিহাসে এ এক অনন্য নজির।

মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের অভ্যুদয় এ-বাংলার শিল্পসাহিত্যেও দাগ রেখে গেছে। গান, কবিতা ও অন্যান্য সৃষ্টিতে মাতোয়ারা হয়েছিল মানুষ। আজ ইচ্ছে করলে সেসবের আস্বাদ নেওয়া যায়। বৈদ্যুতিন তথ্যভাণ্ডার এখন অতি সমৃদ্ধ। শুধু একটি গানের হদিশ পেতে ব্যর্থ হয়েছি। সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের কবিতা ‘পারাপার’ :
আমরা যেন বাংলা দেশের/ চোখের দুটি তারা।/ মাঝখানে নাক উঁচিয়ে আছে—/ থাকুক গে পাহারা।/ দুয়োরে খিল/ টান দিয়ে তাই/ খুলে দিলাম জানলা।/ ওপারে যে বাংলাদেশ/ এপারেও সেই বাংলা।।

<

p style=”text-align: justify;”>পঞ্চাশ বছর আগে এটি গান হিসেবে গাওয়া হত। সুরারোপ কার জানা নেই। আমি নিজে অনুপ ঘোষাল-কে অনুষ্ঠানে গাইতে শুনেছিলাম। ছোট্ট গান, জমজমাট সুর, এখনও দিব্যি মনে আছে। তবে কোনও মাধ্যমেই আর শুনি না, খোঁজ পাই না। পুনরুদ্ধার করা যায় কি?

Bangladesh50: পাকিস্তান ‘দ্বিখণ্ডিত’, পাঁচ দশক পর কালচক্র ফেরাল ঐতিহাসিক বৃহস্পতিবার

Bangladesh

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: তারিখ-বার আবর্তিত হয় দিনপঞ্জির নিয়ম মেনে। সেই কালচক্র পঞ্চাশ বছর পর ফিরিয়ে দিল ঐতিহাসিক ‘বৃহস্পতিবার’। পাকিস্তান দ্বিখণ্ডিত হওয়ারও ৫০ বছর আজ অর্থাৎ ১৬ ডিসেম্বর, ২০২১ সাল।
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দিনও বৃহস্পতিবার! সেই দিন অখণ্ডতা খুইয়ে দ্বিখণ্ডিত পাকিস্তানের মানচিত্র তৈরি হয়েছিল। রক্তাক্ত মুক্তিযুদ্ধের পর বিশ্ব থেকে সরকারিভাবে মুছে গেছিল পূর্ব পাকিস্তান নাম। নতুন ভূখন্ড বাংলাদেশ (Bangladesh)।

১৯৪৭ সালে ভারত হয় দ্বিখণ্ডিত। তৈরি হয় পাকিস্তান। নবগঠিত পাকিস্তানের দুই অংশ। একদিকে পশ্চিম পাকিস্তান অন্যদিকে পূর্ব পাকিস্তান। মাঝে বিশাল ভারত। একদিকে পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক রাজধানী ঢাকা অন্যদিকে দেশটির রাজধানী করাচি (পরে ইসলামাবাদ)।

দেশভাগের যে যন্ত্রণা নিয়ে অখণ্ড ভারতবাসী ভয়াবহ পরিস্থিতির মাঝে নিজ নিজ ভূখণ্ড ভারত ও পাকিস্তান বেছে নিয়েছিলেন, তাঁদের সামনে আরও একটি ভাঙন অপেক্ষা করেছিল। পাকিস্তান জন্ম নেওয়ার ২৪ বছরের মধ্যে দু টুকরো হয়ে যাওয়া আন্তর্জাতিক ইতিহাসের এক অতি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

বহু দেশ দ্বিখণ্ডিত হয়েছে। আবার সংযুক্ত হয়েছে। এই ভাঙা-গড়ার খেলায় পাকিস্তানের দু টুকরো হয়ে যাওয়ায় সর্বাধিক প্রভাব পড়ে ভারতে। যে দেশ ১৯৪৭ সালে রক্তাক্ত পরিস্থিতির মাঝে টুকরো হয়েছে আগেই।

পাকিস্তান জন্ম নেওয়ার পর থেকে দেশটির পূর্বাংশ বা পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের নিজ ভাষা বাংলার উপর খবরদারি করার কাজটি করতে গিয়ে বিপদ ডেকে এসেছিলেন স্বয়ং পাক জনক মহম্মদ আলি জিন্না। বাংলাভাষী অধ্যুষিত পূর্ব পাকিস্তানে এসে তাঁর ঐতিহাসিক উক্তি বাংলা নয় উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র জাতীয় ভাষা এই মন্তব্যই দেশটি টুকরো হবার প্রথম শুরুয়াত।

তারপর কবি জীবনানন্দের রূপসী বাংলায় ‘রক্তনদী কল্লোল্লিত’ হয়েছে বহুবার।মেঘনা, পদ্মা, ধানসিড়ি, কপোতাক্ষের স্রোত বেয়ে কালচক্রের টানে হাজির ১৯৫২, ঐতিহাসিক ভাষা অধিকার রক্ষার বিজয় বছর। রক্তাক্ত আন্দোলনে বাংলাকে সরকারি ভাষার স্বীকৃতি পাক সরকারের। পরবর্তী সময়ে পাক সামরিক আইনের দমননীতির প্রতিবাদে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের রক্তাক্ত সময় পেরিয়ে হাজির ১৯৭১ সাল।

বজ্রকণ্ঠে হুঙ্কার এলো পূর্ব পাকিস্তানের মাটি থেকে এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। মুজিব ভাষণের উন্মাদনায় ভেঙে পড়েছিল পাক শাসনের সামরিক দম্ভ দেয়াল। জলে-জমিতে লাউমাচা ধানক্ষেতের আড়ালে সেই মুক্তির সংগ্রামের নয় মাসের পর্ব পরিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান দ্বিখণ্ডিক হয়ে গেল।

এই ইতিহাসের সমান অংশীদার ভারত। বাংলা ভাষার দেশের জন্ম ইতিহাসের প্রতিটি পাতায় লেখা আছে ভারতের নাম।

Army Chief General Naravane: চিফস অফ স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যান জেনারেল নারাভানে

Army Chief General Naravane

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: গত ৮ ডিসেম্বর তামিলনাড়ুর কুন্নুরে ভেঙে পড়ে চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াতের কপ্টার। মৃত্যু হয় জেনারেল রাওয়াত সহ ১৩ জনের। গুরুতর জখম অবস্থায় ব্যাঙ্গালোরে বায়ুসেনার হাসপাতালে চিকিত্সা চলছিল কপ্টার-দুর্ঘটনায় একমাত্র জীবিত গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরুণ সিংহর। বুধবার তাঁর ৭ দিনের লড়াই শেষ হয়। গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরুণ সিংহেরও মৃত্যু হয়। তাঁর প্রয়াণের পর ফাঁকা পড়েছিল পদটি।

এবার দায়িত্বে সেনাপ্রধান এম এম নারাভানে (Army Chief Gen MM Naravane)। চিফস অফ স্টাফস কমিটির চেয়ারম্যান হলেন তিনি। এই কমিটিতে রয়েছেন তিন বাহিনীর প্রধান। এমনই খবর পিটিআই সূত্রের। এই মুহূর্তে তিন বাহিনীর যাঁরা প্রধান রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে সবথেকে সিনিয়র এমএম নারাভানে। সূত্রের খবর, তাই তাঁকে এই কমিটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, আইএএফ প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল ভি আর চৌধুরী ও নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার যথাক্রমে ৩০ সেপ্টেম্বর ও নভেম্বরের ৩০ তারিখে দায়িত্ব নিয়েছেন। 

চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফের শেষকৃত্যের আগে, তিন বাহিনীর প্রধানের মধ্যে যিনি সবথেকে সিনিয়র তিনিই ছিলেন চিফস অফ স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যান। মঙ্গলবার চিফস অফ স্টাফ কমিটি জেনারেল রাওয়াত, তাঁর স্ত্রী এবং বাকি ১১ জনের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেন।

বুধবার বরুণ সিংহের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি লেখেন, ‘গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরুণ সিংহ গর্ব, বীরত্ব এবং অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সঙ্গে  দেশের সেবা করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে আমি অত্যন্ত মর্মাহত। দেশের জন্য তাঁর অসামান্য সেবা কখনও ভোলার নয়। তাঁর পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি সমবেদনা। ওম শান্তি।’

Kulgam Encounter : কুলগামে সেনার গুলিতে নিহত ২ জঙ্গি

2-terrorists-killed-in-kulgam

নিউজ ডেস্ক: উপত্যকায় জঙ্গি দমন অভিযানে বড়সড় সাফল্য সেনার। দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগামে (Kulgam) নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে নিহত ২ জঙ্গি। সূত্র মারফত পাওয়া খবরে জানা যায়, পুলিশ ও সেনার যৌথবাহিনী এলাকায় পৌঁছতেই গোপন ডেরা থেকে লুকিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি ছুঁড়তে শুরু করে জঙ্গিরা। বেশ কিছুক্ষণ ধরে জঙ্গি-নিরাপত্তাবাহিনী গুলির লড়াই চলে। শেষমেশ যৌথবাহিনীর গুলিতে ২ জঙ্গির মৃত্যু হয়। এলাকায় আরও কয়েকজন জঙ্গি লুকিয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান সেনার। তাদের খোঁজে এলাকায় চিরুনি তল্লাশি চলছে।

জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে কুলগামের রেদয়ানি বালা গ্রামে বেশ কয়েকজন জঙ্গি লুকিয়ে থাকার খবর মেলে। গোপন সূত্রে এই খবর পেয়েই জম্মু কাশ্মীর পুলিশকে সঙ্গে নিয় ওই এলাকায় অভিযানের ছক কষে ফেলে সেনাবাহিনী। এদিন রাতেই সেখানে পৌঁছে গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়। তবে এলাকায় নিরাপত্তাবাহিনী পৌঁছে যেতেই তা টের পেয়ে যায় জঙ্গিরা। গোপন ডেরা থেকে লুকিয়ে তারা গুলি ছুঁড়তে শুরু করে।

জঙ্গিদের গুলির পাল্টা জবাব দেয় সেনা-পুলিশের যৌথ বাহিনীও। রাতভর দফায়-দফায় গুলির লড়াই চলে। তবে গোটা এলাকাটি যৌথবাহিনীর সদস্যরা ঘিরে ফেলায় সুবিধা করতে পারেনি জঙ্গিরা। নিহত ২ জঙ্গি কোন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত কিনা তা এখনও জানা যায়নি।

উল্লেখ্য, গত ৬ দিনে জম্মু কাশ্মীরের বিভিন্ন প্রান্তে সেনার গুলিতে ৬ জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সেনার গুলিতে পুলওয়ামায় হিজবুল মুজাহিদিনের অন্যতম শীর্ষ জঙ্গি ফিরোজ আহমেদ দার নিহত হয়েছে। তারও আগে গত সোমবার শ্রীনগরের কাছে রাঙ্গরেথ এলাকায় নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যদের গুলিতে আরও ২ জঙ্গি নিহত হয়। গত রবিবার ভোরে অবন্তীপোরায় সেনার গুলিতে আরও এক জঙ্গি নিহত হয়।

Women’s Legal Marriage Age: ১৮ নয়, মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স বাড়ছে

women

নিউজ ডেস্ক : এবার বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে মোদী সরকার। মেয়েদের (Women) বিয়ের ন্যূনতম বয়স আর ১৮ বছর থাকবে না, তা বাড়িয়ে ২১ বছর করার প্রস্তাব পাশ হল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়। গত স্বাধীনতা দিবসের ভাষণেও প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, মেয়েদের বিয়ের বয়স কত হওয়া উচিত তা নিয়ে দেশজুড়ে সমীক্ষা চলছে। কমিটিও গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটির সুপারিশ মেনে খুব দ্রুত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রীয় সরকার।

দেশে এখন মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর। পুরুষদের ২১ বছর। এই দুয়ের ফারাক ঘোচানোর দাবি আগেও উঠেছিল। ‘সারদা আইন (১৯২৯)’ সংশোধন করে ভারতে মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৫ থেকে বাড়িয়ে ১৮ বছর করা হয়েছিল। তবে প্রসূতি মৃত্যুর হার কমানো ও মহিলাদের পুষ্টি সরবরাহের দিকে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য এই বিষয়ে ফের দেশজুড়ে পর্যালোচনা করার দাবি উঠেছিল।

অনেকসময়েই দেশের অনেক জায়গাতেই মানসিকভাবে প্রস্তুত হওয়ার আগেই মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। পরিণত হওয়ার আগেই মাতৃত্বের মতো গুরুদায়িত্বের বোঝাও চাপিয়ে দেওয়া হয়। তাই এই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে পুনর্বিবেচনা করার চিন্তাভাবনা করছিল মোদী সরকারও।

জানা গেছে, মেয়েদের বিয়ের বয়স সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য গত জুন মাসে রাজনীতিবিদ তথা সমাজকর্মী জয়া জেটলির নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করেছিল কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক। মেয়েদের বিয়ের বয়সের পরিবর্তন প্রয়োজন আছে কি না, বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে তা নিয়ে রিপোর্ট দিয়েছে এই কমিটি। ১০ সদস্যের এই কমিটিতে নীতি আয়োগের সদস্য ভি কে পল ছাড়াও রয়েছেন স্কুলশিক্ষা, উচ্চশিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারী ও শিশুকল্যাণ সচিবরা। মাতৃত্বের বয়স, মহিলাদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে খতিয়ে দেখা, প্রসূতির মৃত্যুর হার কমানো, ইত্যাদি বিষয়ে নজর রেখে রিপোর্ট তৈরি করেছে এই কমিটি।

২ বছর আগে একই প্রস্তাব এসেছিল জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তরফেও। মেয়েদের ন্যূনতম বিয়ের বয়স কত হওয়া দরকার তা নিয়ে কোনও সুপারিশ না করলেও, মানবাধিকার কমিশনের তরফে জানানো হয়েছিল পুরুষ ও নারীর বিয়ের বয়স এক হওয়া দরকার। এ বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত সরকারকেই নিতে হবে।

Katwa: প্রেমিককে চুম্বন করে গুলি চালাল প্রেমিকা

shoot-lover

নিউজ ডেস্ক : বিয়ে করতে অস্বীকার করায় প্রেমিককে লক্ষ করে গুলি চালাল প্রেমিকা। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যায় প্রেমিক লাল চাঁদ শেখ। বুধবার সন্ধ্যায় প্রেমিকা মনীষা খাতুন ফোন করে প্রেমিক লাল চাঁদ শেখকে ডাকে দেখা করার জন্য।  কাটোয়া (Katwa) শহরের সার্কাস ময়দান অঞ্চলে দেখা করার কথা ছিল তাঁদের। সেখানে দেখা হওয়ার পরে প্রথমে লাল চাঁদকে চুম্বন করে মনীষা। এরপরই ওয়ান শাটার বন্দুক প্রেমিকের বুকে ঠেকিয়ে গুলি করার চেষ্টা করে সে। বুঝতে পেরে মনীষাকে ধাক্কা মেরে পালানোর চেষ্টা করলে পিছন থেকে গুলি চালায় প্রেমিকা। গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে প্রেমিকের জ্যাকেট ফুটো করে পেট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। অল্পের জন্য রক্ষা পায় লাল চাঁদ। 

স্থানীয় সূত্রের খবর, কাটোয়ার কেশিয়া মাঠপাড়ার যুবক লাল চাঁদ শেখের সঙ্গে বাগানে পাড়ার মনীষা খাতুনের প্রায় ৩ বছরের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু প্রেমিক লালচাঁদ বিয়ে করতে রাজি হয়নি। এরপরেই কাটোয়া ছেড়ে চলে যায় প্রেমিকা মনীষা। মঙ্গলবার ঝাড়খন্ড থেকে কাটোয়ায় ফিরে আসার পরেই লাল চাঁদকে ফোন করে সে।

লালচাঁদের অভিযোগ, বুধবার রাত সাড়ে আটটার সময় মনীষা তাঁকে সার্কাস ময়দানের কাছে একটি গলিতে দেখা করতে বলে। সেখানেই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। 

এদিকে মনীষার বাড়ির লোক জানিয়েছে, কর্মসূত্রে ঝাড়খণ্ড চলে যাওয়ার পরে বাড়ির লোকের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল না তার। কিছু বছর বাদে ফিরে এসে এই ঘটনা ঘটায় সে। মনীষাকে ফোনের টাওয়ার লোকেশন দেখে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কাটোয়া থানায় নিয়ে এসে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়েছে।

মনীষা ওই ওয়ান শাটারটি কোথা থেকে পেয়েছেন সে বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে পুলিশ। যদিও পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হয়েই লাল চাঁদকে মারার পরিকল্পনা করেছিল মনীষা।

Kolkata Weather Update: ফের স্বাভাবিকের নীচে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

winter

নিউজ ডেস্ক : ফের নামল কলকাতার (Kolkata) পারদ (temperature)। অগ্রহায়ণের শেষে উত্তুরে হাওয়ার হাত ধরে শহরে শীতের আগমন। আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি নীচে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শীতের স্থিতাবস্থা বজায় থাকবে। অন্যদিকে, রাজধানী দিল্লি-সহ উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলিতে শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা কাটলেই বাংলায় জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়ার সম্ভাবনা। আপাতত সকালের দিকে কুয়াশা থাকবে। 

বর্ষবরণের জন্য প্রস্তুত রাজ্যবাসীর কাছে সুখবর, ডিসেম্বরের এই সপ্তাহে দাপটেই ব্যাট করবে শীত। তবে ২৩ ডিসেম্বর থেকে কিছুটা বদল হতে পারে আবহাওয়ার। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী কয়েকদিন জাঁকিয়ে শীত (winter) থাকছেই।  আগামী তিন চারদিন এরকমই শীতের আমেজ থাকবে।

অন্যদিকে, উত্তর-পশ্চিম ভারতে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব থাকবে। রাজধানী দিল্লি-সহ উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলিতে শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা কেটে গেলে পারদ আরও নামতে পারে বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর। সকালের দিকে কুয়াশা থাকার সম্ভাবনা। 

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ৫ দিন পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া শুকনো থাকবে। বৃষ্টিপাতের কোনো সম্ভাবনা নেই। আবার অন্যদিকে উত্তরবঙ্গ দক্ষিণবঙ্গ সব জায়গায় একই পরিস্থিতি থাকবে। মেঘমুক্ত আকাশ থাকায় বাংলায় উত্তরে হাওয়া প্রবেশ করছে। এর জেরে আরো নামতে চলেছে তাপমাত্রা। আজ শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর আশেপাশে ঘোরাফেরা করবে। বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ সর্বাধিক ৯৫ % থাকবে। বিভিন্ন জেলার তাপমাত্রা স্বাভাবিকভাবে আরও কমবে। তবে পারদের পতন আগামী সপ্তাহে ধাক্কা খেতে পারে। ফের পুরনো তাপমাত্রা ফিরে আসতে পারে।কৃষ্ণনগর, আসানসোল, বাঁকুড়া, ব্যারাকপুর, কাঁথি, পানাগড়, পুরুলিয়া, শ্রীনিকেতনে উত্তরে হাওয়ার দাপটে পারদ নিম্নমুখী।

Virat Kohli issue: “বিরাট” পর্বে “অশ্লীল” ভাষায় মহারাজকে আক্রমণ

Sourav Ganguly in obscene language on Virat Kohli issue

Sports desk: রোহিত শর্মার সঙ্গে বিবাদের খবর উড়িয়ে দিয়ে বিরাট কোহলি (Virat Kohli) সাফাই গাইতে গিয়ে বলেন,”আমি সবসময় দলের সাথে এগিয়ে এসেছি এবং সবসময় তা করব। আমার কোনো কাজই দলকে নিচে নামানোর জন্য হবে না”।

বিরাট কোহলির এই বয়ান সামনে আসতেই নতুন করে বিতর্ক বেঁধেছে প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক তথা বর্তমানে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের(বিসিসিআই) প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে আক্রমণের নিশানা করে ছাপার অযোগ্য অশ্লীল ভাষায়।

Shyam Bhalerao Patil’র টুইট চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট মহলে। টুইট পোস্টটি হল এরকম,”#viratkholi your always my captain champ ……and some words for jay Shah’s servent Fuck you #dada”, এই টুইট পোস্ট ঘিরে যত বিতর্ক এখন তুঙ্গে।

ইংল্যান্ডের মাটিতে ন্যাটওয়েস্ট ট্রফি জয়ের মাহেন্দ্রক্ষণে টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক ছিলেনসৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, ওই সূত্র ধরে Shyam Bhalerao Patil’র টুইটের রিপ্লাইং’এ Pankaj Chaudhary গুজরাতি ভাষাতে ঝাঁঝালো প্রতিবাদী পোস্ট, “শ্যাম পাতিল …. পাকিস্তান কাদানা হারাওয়ালা সালয়ানি , একি আইসিসি ইভেন্ট নাহি জিঙ্কালা , আউস আনি ইং মাধে টেস্ট সিরিজ জিঙ্কালি তে টেলে এন্ডারের মুলে …তুজা বিরাট লাহান মুলা সারাখা ওয়াগাতো ,ফালাতু উদযাপন করাতো…কাসলা ক্যাপ্টেন হোন .DADA লা কাহি মানায়ছ নাহি হা”। প্রতিবাদের ঝাঁঝালো গন্ধে Shyam Bhalerao Patil’র রিপ্লাইং পোস্ট, “একতাচ ভাঘা সরখা লধলা তি ম্যাচ বিরাট….আনি তু মালা এনকো সাঙ্গু,তু তুজ তুজ কাম(Fuck you) কর ভাব”।
Shyam Bhalerao Patil’র টুইটের প্রতিক্রিয়াতে Suraj Mishra🇮🇳 রিপ্লাইং পোস্টে নিশান, “আমি #দাদার সাথে আছি।
তিনি দল গড়েছেন।
ধোনি এটাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেলেন।
বিরাট কোহলি সব চেষ্টাই নষ্ট করে দিলেন”।
Carlsberg Champp’র রিপ্লাইং পোস্ট Shyam Bhalerao Patil’র টুইটের প্রতিক্রিয়াতে,
“ওয় বেহেঞ্চোদ সুন-

ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কৌতুক হল বিরাট কোহলির সাথে সৌরভ গাঙ্গুলিকে তুলনা করা।
মনে রাখবেন, কোহলি যে মঞ্চে তার পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন তা গাঙ্গুলি তার ঘাম এবং রক্ত ​​দিয়ে তৈরি করেছিলেন।
#দাদা হবে #দাদাকিংবদন্তির সঙ্গে তার তুলনা নেই”! এই প্রতিবাদী রিপ্লাইং’র জবাব এরকম Shyam Bhalerao Patil’র,”ইয়ে লাভদে বাপ কো মাত শিখা(এসব নিজের বাপকে শেখাস না)”।

Shyam Bhalerao Patil’র টুইটের জবাবে ABHISHEK SINGH’র অশিক্ষিত বলে রিপ্লাইং পোস্ট,”নৌকর(ভৃত্য) কা বানান তো সহি কর লো ভাই”।Shyam Bhalerao Patil’র রিপ্লাইং পোস্ট অশিক্ষিত কটাক্ষ দেখে,”তুজে সমঝ মে আই না”।ABHISHEK SINGH’র পাল্টা রিপ্লাইং পোস্ট Shyam Bhalerao Patil’কে উদ্দ্যেশ্য করে, দোস্ত সমোজ মে তো বহুত চিজ আতি কিন্তু ইসকা মতলব ইয়ে নাহি কি গলত “spell karo” বানান করো।এবার Shyam Bhalerao Patil’র রিপ্লাইং পোস্ট ABHISHEK SINGH’র টার্গেট করে,”সামজ মে আতা হ্যায় না তো আপনা কাম করনা ফির…দুসরন কে বিচ মেন কিয়ুন ঘুস রাহা হ্যায়…”রিপ্লাইং’এ ABHISHEK SINGH’র পোস্ট, ” দোস্ত টুইটার এক পাবলিক প্ল্যাটফর্ম হ্যায়, তুমনে ইসে ডালা ইসিলিয়ে হো তাকি লগ ঘুসে; আইসা না হোতা তুম আপনি ডাইরি মে লিখ কে কে চোদ দেতে।”

Shyam Bhalerao Patil’র টুইটের রিপ্লাইং’এ Sudi M’র পোস্ট, “ভাই.. কিসি কো গালি দে নে উসকা কুছ না জাতা.. বস তেরা আওকাত, তেরি ফ্যামিলি কা ইতিহাস, তেরা পরওয়ারিশ অর তেরা আন্দর কি সাদা হুয়া ইনসান দিখতা হ্যায়.. কভি #দাদা জেইসা বন কে দেখা দে!! তো মান জাউ.. আমি দাদার সাথে দাড়িয়ে আছি#dada।”

সব মিলিয়ে দেখতে গেলে Shyam Bhalerao Patil’র টুইটের প্রতিক্রিয়াতে রিপ্লাইং পোস্টে শুধুই #dada সমর্থনে প্রতিবাদ আছড়ে পড়েছে।

Bangladeh 50: পাকিস্তানের আতঙ্ক কিংবদন্তি গেরিলা বাঘা সিদ্দিকী দিলেন সরস্বতী পুজোর চাঁদা

Bagha-Siddique

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: নাম তাঁর ‘টাইগার’। দুনিয়া জুড়ে যত গেরিলা যুদ্ধের কাহিনী আছে তার অন্যতম এক তারকা। এহেন অকুতোভয় টাইগার ওরফে বাঘা সিদ্দিকী তাঁর বাহিনী পাকিস্তানি সেনার কাছে আতঙ্কের কারণ ছিলেন। পাক সেনা হোক বা কমান্ডাররা মনে প্রাণে চাইত যদি আত্মসমর্পণ করতেই হয় তাহলে টাইগারের কাছে নয়, এর চেয়ে ভারতীয় সেনা অনেক ভালো। অন্তত তারা যুদ্ধবন্দি আইনে মেরে ফেলবে না। মুক্তিযোদ্ধা বাঘা সিদ্দিকীর হাতে পড়লে যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যু হবে। তাঁর এই ভয়াবহ রূপ বিশ্বজুড়ে আলোচিত। যেভাবে তিনি পাক সেনাদের মারতেন সেই ছবি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে তীব্র আলোড়ন ফেলেছিল।

গেরিলা কমান্ডার বাঘা সিদ্দিকীর আসল নাম আবদুল কাদের সিদ্দিকী। বাঘের মতো হিংস্র হামলায় পটু তাই নাম হয় ‘বাঘা’। মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর উপলক্ষে এই প্রতিবেদনে বাঘা সিদ্দিকীর একটি বিরল মুহূর্ত তুলে ধরা হলো।

Tiger-siddique
বাঁ-দিকে মুক্তিযুদ্ধে ভয়ঙ্কর রূপ, ডানদিকে বর্ধমানের শ্রীপল্লীর বাড়িতে টাইগার

ফিরে যাওয়া যাক মুক্তিযুদ্ধের সময়ে:
৫০ বছর আগের কথা। তখন পূর্ব পাকিস্তানে চলছিল পাক শাসন থেকে মুক্তির সংগ্রাম-মুক্তিযুদ্ধ। সেই যুদ্ধে বাংলাদেশি মুক্তিবাহিনীর একটি সমান্তরাল গেরিলা দল ‘কাদেরিয়া বাহিনী’। ১৯৭১ সালের এই মুক্তিযুদ্ধে বাঘা সিদ্দিকীর বাহিনী পাকিস্তানি সেনার বিরুদ্ধে সংগঠিতভাবে প্রত্যাঘাত শুরু করে। টাঙ্গাইল থেকে শুরু হয়েছিল সেই হামলা। মুক্তিযুদ্ধ শেষে বাংলাদেশের রাজধানী শহর ঢাকায় প্রথম ভারতীয় সেনার তৎকালীন মেজর জেনারেল গন্ধর্ব সিং নাগরার পাশাপাশি বাঘা সিদ্দিকী তাঁর বাহিনী নিয়ে ঢুকেছিলেন। বাংলাদেশ তৈরির পর তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে অস্ত্র সমর্পণ করেন। উপাধি পান ‘বঙ্গবীর’।

এই বাড়িতে থাকতেন বাঘা সিদ্দিকী। ছবি: আব্দুস সবুর।

এহেন বাঘা সিদ্দিকীকে বাংলাদেশ ছাড়তে হয়েছিল ১৯৭৫ সালে। সেনা অভ্যুত্থানে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে খুনের পর প্রত্যাঘাতের সুযোগে ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়েছিলেন বাঘা সিদ্দিকী। ১৯৭৫-১৯৮৯ সাল পর্যন্ত এই প্রবাস পর্বের দীর্ঘ সময় কেটেছিল বর্ধমান শহরে। বর্তমানে পূর্ব বর্ধমান জেলার সদর শহর বর্ধমান।

এক বিরল মুহূর্তের বাঘা সিদ্দিকী:
বর্ধমানের অতি পরিচিত সাংবাদিক আব্দুস সবুর। তিনি শহরের ‘নতুন চিঠি’ সাপ্তাহিক সংবাদপত্রের সঙ্গে যুক্ত। আব্দুস সবুর তখন তরুন। তিনি বলেছেন, একদিন ক্লাবের সবাই মিলে সরস্বতী পুজোর চাঁদা তুলতে বেরিয়েছি। সদরঘাট রোডের পৌরসভা কসাইখানার কাছে যে বাড়িতে বাঘা সিদ্দিকী থাকতেন সেখানে গেলাম। উনি আমাদের দেখে বেরিয়ে এলেন। আমি বললাম ক্লাবের সরস্বতী পুজো কিছু চাঁদা দিন। উনি বললেন, কেন দেব না। বলেই দু টাকা দিলেন। তখনকার দিনে দু টাকা মানে বিরাট।

abdur-sabur
সাংবাদিক আব্দুস সবুর

সাংবাদিক আব্দুস সবুরের স্মৃতিতে আজও ভাসে কিংবদন্তি গেরিলা যোদ্ধা বাঘা সিদ্দিকীর সেই চেহারা। তিনি বলেছেন, ছয় ফুট লম্বা, ধবধবে ফর্সা হাসি হাসি মুখ। উনি হাসতে হাসতে সরস্বতী পুজোর চাঁদা দিলেন। আমি বললাম রশিদে কী লিখব? বাঘা সিদ্দিকী বললেন, মা’য়ের পুজো তাই মা’কে দিলাম লিখে দাও।

মুক্তিযোদ্ধা বাঘা সিদ্দিকীর বর্ধমানে থাকার স্মৃতি এই শহরের বহুজনের কাছে উজ্জ্বল। তবে তাঁর এই বিরলতম মুহূর্তের গুটিকয়েক সাক্ষীর একজন সেদিনের তরুণ আজকের প্রৌঢ় আব্দুস সবুর।

মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণ জয়ন্তীর উপলক্ষে প্রতিবেশি দেশের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক মৈত্রী সম্পর্কেরও ৫০ বছর পালিত হচ্ছে। সাংবাদিক আব্দুস সবুর চান সুসম্পর্ক আরও গাঢ় হোক।

Today’s horoscope: বৃহস্পতির রাশিচক্রে কোনদিকে ঘুরছে আপনার ভাগ্যের চাকা

Today’s horoscope – Thursday, 16 December 2021

Today’s horoscope – Thursday, 16 December 2021
সারা বছরের সমস্ত গ্রহদের পরিবর্তন, গোচর এবং অন্য ব্রহ্মান্ডীয় গণনার মাধ্যমে বর্ষের বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ যেমন স্বাস্থ্য, বৈবাহিক জীবন ও প্রেম, ধন-ধান্য ও সমৃদ্ধি তথা চাকুরী-পেশা এর মতো সমস্ত বিষয়ে পূর্ণ বিবেচনা করেছেন। আজকের রাশিফল আপনাকে জানাবে আজকের দিনে কোন জিনিসের প্রতি অধিক ধ্যান রাখতে হবে আর কোন ক্ষেত্র থেকে আপনাকে বেঁচে চলতে হবে, আজ কি আপনাকে উন্নতির পথে নিয়ে যাবে এবং আপনার সামনে কি বাধা আসতে পারে। তো চলুন দেখে নেওয়া যাক আপনার গ্রহ-নক্ষত্ররা কোথায় কেমন অবস্থান করেছে

মেষ রাশি
শারীরিক অসুস্থতা থেকে সেরে ওঠার সুযোগ রয়েছে। আজ, আপনার অযথা অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করা থেকে নিজেকে বিরত করা উচিত, অন্যথায় অর্থের অভাব হতে পারে। বাচ্চাদের ঘরের কাজ শেষ করানোর জন্য তাদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার সময়। আপনার ভালোবাসার মানুষটি অত্যন্ত চাহিদাপূর্ণ ব্যবহার করায় প্রেম আজ গৌণ হয়ে দাঁড়াবে মনে হচ্ছে। আজ যদি আপনি বিনম্র এবং সহায়ক হন তাহলে আপনার সঙ্গীর কাছ থেকে অত্যন্ত ইতিবাচক সাড়া পাবেন। পরিবারের ইচ্ছা পূরণ করতে-করতে আপনি অনেক বার নিজেকে সময় দিতে ভুলে যান। কিন্তু আজকে আপনি সবার থেকে দূরে সরে নিজের জন্য সময় বার করতে পারবেন। আপনার মনে হতে পারে আপনার বিবাহিত জীবন বিরক্তিকর হয়ে যাচ্ছে। কিছু উত্তেজনা খুঁজে বের করুন।

বৃষ রাশি
আবেগের দিক থেকে আপনি খুব একটা স্থিতিশীল থাকবেন না-কাজেই অন্যদের সামনে আপনি কিভাবে ব্যবহার করবেন এবং কিছু বলছেন সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন। আজ আপনি সহজেই মূলধন- অনাদায়ী ঋণ জোগাড় করতে পারবেন- বা নতুন প্রকল্পে কাজ করার জন্য পুঁজির অনুরোধ করতে পারেন। প্রভাবশালী এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাথে আপনার বোঝাপড়া বাড়িয়ে তোলার আদর্শ সুযোগ হবে সামাজিক অনুষ্ঠানগুলি। প্রেম হল ঈশ্বরকে উপাসনা করার সমার্থক; এটা খুব আধ্যাত্মিক এবং সেইসাথে ধর্মীয়। আপনি এটি আজ জানতে পারবেন। যোগ্য কর্মচারীদের জন্য পদোন্নতি বা আর্থিক লাভ। আপনার ব্যাক্তিত্ব এমন যে আপনি বেশি লোকের সাথে বিরক্ত বোধ করেন আর তারপর নিজের জন্য সময় বার করার চেষ্টা করতে লাগেন।এই অর্থে আজ আপনার জন্যে একটি দুর্দান্ত দিন হতে চলেছে।আজ আপনি নিজের জন্য যথেষ্ট সময় পাবেন। বিয়ের পর, পাপও পূণ্য হয়ে যায়, এবং আপনি আজ অনেক উপাসনা করতে পারেন।

মিথুন রাশি
আপনার স্বাস্হ্য ভালো রাখবে এমন জিনিসের উপর কাজ করার পক্ষে একটি কল্যাণকর দিন। আপনি আজ আর্থিক সুবিধাগুলি অর্জনের খুব সম্ভাবনা থাকলেও আপনাকে অবশ্যই অনুদান দিতে হবে, কারণ এটি মানসিক শান্তি অর্জন করবে। যদি আপনি আপনার গৃহস্থালীর কর্তব্যগুলি উপেক্ষা করেন তাহলে আপনি যার সাথে বাস করেন তিনি বিরক্ত হবেন। ফেলে রাখা কজ সত্ত্বেও প্রেম এবং সামাজিকতা আপনার মনে প্রভাব বিস্তার করবে। আপনার কার্য দক্ষতা বাড়াতে নতুন প্রযুক্তি অবলম্বন করুন- আপনার শৈলী এবং কাজকর্ম করার অনন্য উপায়গুলি এমন মানুষজনকে আগ্রহী করবে, যারা আপনাকে কাছ থেকে দেখছেন। আজ আপনি শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে কিছু খারাপ খবর পেতে পারেন, যার কারণে আপনার মন খারাপ হতে পারে এবং আপনি অনেক সময় চিন্তাভাবনা করতে বার্থ করে দিবেন। বিবাহ আজকের তুলনায় আগে কোনদিন এত চমপ্রদ হয় নি।

কর্কট রাশি
যা আপনাকে নিজের সম্বন্ধে ভালো বোধ করায় এমন কিছু করার পক্ষে এটি চমৎকার দিন। আপনার ভবিষ্যতকে সমৃদ্ধ করতে অতীতে আপনি যে সমস্ত অর্থ বিনিয়োগ করেছিলেন তা আজ ফলস্বরূপ ফল পাবে। আপনার সমবেদনা ও সহানুভূতি পুরস্কৃত হবে। প্রেমের জীবন একটু শক্ত হতে পারে। এই রাশির ছোটো ব্যাবসায়ী জাতকদের আজ ক্ষতি হতে পারে। তবে আপনাকে আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই যদি আপনার পরিশ্রম সঠিক হয় তাহলে আপনি ভালো ফল পাবেন। আপনি আজকে আপনার সহকর্মীর সাথে সন্ধে বেলায় সময় কাটাতে পারেন যদিও শেষে আপনার মনে হবে আপনি তার সাথে নিজের সময় নষ্ট করলেন আর কিছুই না। আপনার নিজের চাপ এবং প্রকৃত কোন কারণ ছাড়া আজ আপনি আপনার স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করবেন।

সিংহ রাশি
স্বাস্হ্য ভালোই থাকবে। আজ, আপনার পিতা-মাতার একজন আপনাকে অর্থ সাশ্রয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে বক্তৃতা দিতে পারেন। আপনার তাদের খুব মনোযোগ সহকারে শুনতে হবে, অন্যথায় আপনি আসন্ন সময়ে সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন। স্ত্রী স্নেহশীল হবেন। প্রেমঘটিত জটিলতা আপনার খুশিতে ইন্ধন যোগ করবে। স্থগিত প্রস্তাব বাস্তবায়িত হবে। প্রাণোচ্ছল হাসিপূর্ণ একটি দিন যেখানে বেশির ভাগ জিনিসই আপনার ইচ্ছা অনুসারে এগোবে। আপনাকে সবচেয়ে সুখী করার জন্য আপনার জীবন সঙ্গী আজ অনেক অনেক প্রচেষ্টা করবে।

কন্যা রাশি
কিছু আমোদপ্রমোদের জন্য অফিস থেকে তাড়াতাড়ি বেরোতে চেষ্টা করুন। আপনার বাবার কোনও পরামর্শ কর্মক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে। বাচ্চারা তাদের কৃতিত্বের মাধ্যমে আপনাকে গর্বিত করবে। জিনিসপত্র সঠিকভাবে সামলান কারণ আপনার স্ত্রীর মেজাজ খুব একটা ভালো ঠেকছে না। সহকর্মী এবং ঊর্ধ্বতনরা তাদের পূর্ণ সহযোগিতার বিস্তার ঘটাবেন তাই অফিসের কাজে গতি লাভ করবে। সন্ধ্যের সময়টা ভালো হোক সেই জন্যে আপনাকে সারাদিন মন লাগিয়ে কাজ করতে হবে। আপনার স্ত্রীর একটি কাজে আপনি অসুবিধা বোধ করতে পারেন। কিন্তু পরে আপনি উপলদ্ধি করবেন এটা ভালোর জন্যই ঘটেছিল।

তুলা রাশি
আপনার রসালো বোধ কাউকে এই দক্ষতা বৃদ্ধি করতে উৎসাহিত করবে কারণ আপনি তাকে বোঝাতে সক্ষম হবেন যে সুখ দখল করার জিনিস নয় এটি আমাদের ভেতরে থাকে। ব্যবসায়ীদের আজ তাদের বাণিজ্যের ক্ষতি হতে পারে। এছাড়াও, আপনার ব্যবসায়ের উন্নতির জন্য আপনাকে অর্থ ব্যয় করতে হতে পারে। আপনার সঙ্গী সহায়ক এবং সাহায্যকারী হবে। প্রেমঘটিত জটিলতা আপনার খুশিতে ইন্ধন যোগ করবে। আপনার প্রতিযোগিতামূলক স্বভাব আপনাকে অন্যদের থেকে এগিয়ে থাকতে সাহায্য করবে। আজকে আপনি আপনার কোনো বন্ধুর সাথে সময় কাটাতে পারেন আর তার সাথেই আপনাকে মদ্যপান থেকে বাঁচতে হবে নাহলে সময় নষ্ট হবে। আপনাকে সবচেয়ে সুখী করার জন্য আপনার জীবন সঙ্গী আজ অনেক অনেক প্রচেষ্টা করবে।

বৃশ্চিক রাশি
নিজেকে অপ্রয়োজনীয় দোষারোপ আপনার উদ্দীপনা কমিয়ে দিতে পারে। আজ আপনি ধর্মীয় কর্মে আপনার অর্থ বিনিয়োগ করতে পারেন, এবং সম্ভবত মানসিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার ব্যয় হতে পারে। বাচ্চারা খেলাধুলা এবং বাইরের কার্যকলাপে বেশী সময় দেয়। আপনার প্রেমিকাকে আজ কোনও অভিমানের কথা বলবেন না। আজ অফিসে কাজ করার মতো মনে হবে না। আপনি একটি দ্বিধাদ্বন্দ্বের মুখোমুখি হবেন, যা আপনাকে আপনার কাজে মনোনিবেশ করতে দেবে না। আপনি অপ্রত্যাশিত সূত্র থেকে গুরুত্বপূর্ণ আমন্ত্রণ পেতে পারেন। যদি আপনার স্ত্রীর স্বাস্থের কারণে কারোর সাথে আপনার সাক্ষাতের পরিকল্পনা ভেস্তে যায়, আপনারা একসাথে কাটাবার জন্য আরো ভালো সময় পেতে পারেন।

ধনু রাশি
আপনার উচ্চ উদ্দীপনা সত্ত্বেও আপনি এমন কারোর অভাব অনুভব করবেন যিনি আজ আপনার সাথে থাকতে পারছেন না। যারা এখন অবধি অহেতুক তাদের অর্থ উড়িয়ে দিয়েছিল তাদের আজকের কাজটি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত এবং সঞ্চয় করা শুরু করা উচিত। বৈবাহিক বন্ধনে প্রবেশ করার জন্য ভালো সময়। ডেটে যাওয়ার কর্মসূচী ব্যর্থ হতে পারে বলে হতাশার সম্মুখীন হওয়া সম্ভবপর। আপনার অনেক কিছু অর্জন করার ক্ষমতা আছে- তাই সুযোগের সঙ্গে এগিয়ে চলুন জা আপনার দিকে আসছে। আপনি নিজেকে সময় দিতে জানেন আর আজকে তো আপনার বেশকিছু খালি সময় পাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। খালি সময়ে আজকে আপনি কোনো খেলা খেলতে পারেন বা জিম যেতে পারেন। আপনার স্ত্রীর মন্দ স্বাস্থ্য আপনার কাজে একটি বাঁধা হতে পারে, কিন্তু কোনভাবে আপনি সবকিছু সাম্লে নিতে সমর্থ হবেন।

মকর রাশি
আজ আপনি হালকা বোধ করবেন এবং উপভোগ করার সঠিক মেজাজে থাকবেন। আজ, আপনি অর্থ-সম্পর্কিত সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন, এবং পরামর্শের জন্য আপনার পিতাকে বা পিতার মতো ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। বাচ্চারা আপনাকে বাড়ির কাজ সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করে। প্রেমের জীবন গতিশীল হবে। যদি আপনি বিদেশে কোন চাকরিতে আবেদন করার কথা ভাবছেন- তাহলে আজকের দিনটি সৌভাগ্যপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে। জীবনে চলতে থাকা অশান্তির মাঝে আজ আপনি নিজের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাবেন এবং আপনি আপনার পছন্দসই কাজ করতে সক্ষম হবেন। আপনার জীবন সঙ্গী আজ আপনাকে অতিরিক্ত বিশেষ সময় দেবেন।

কুম্ভরাশি
একটি খুশির সংবাদ পাওয়া সম্ভবপর। আজ, আপনি আপনার পরিবারের সিনিয়রদের কাছ থেকে আর্থিক পরিচালনা এবং সঞ্চয় সম্পর্কে পরামর্শ চাইতে পারেন এবং সেগুলি আপনার দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করতে পারেন। পড়াশুনোর পরিবর্তে বাইরের কাজকর্মে অত্যধিক জড়িত থাকা আপনার অভিভাবকের রাগ ডেকে আনতে পারে।পেশা পরিকল্পনা করা খেলাধূলোর মতই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার বাবা মাকে খুশি করতে দুইয়ের মধ্যে সমতা রাখাই ভালো। নিজেকে ঠিক সঠিক প্রমাণ করার জন্য আপনি এই দিন আপনার সঙ্গীর সাথে ঝগড়া করতে পারেন। তবে আপনার সঙ্গী আপনাকে আরও ভাল বোঝার সাথে শান্ত করবে। কোন নতুন প্রকল্প নেওয়ার আগে দুবার ভাবুন। কোনো খবর না দিয়েই আজকে আপনার কোনো আত্বিয় আপনার বাড়িতে আসতে পারে আর তার আপ্যায়নে আপনার মূল্যবান সময় বায় হতে পারে। আপনার স্ত্রী আপনার জন্য নিজেকে ভাগ্যবান মনে করবেন। আজ এই মুহূর্তটির সদব্যবহার করুন।

মীনরাশি
আপনার মুগ্ধকারী আচরণ মনোযোগ আকর্ষণ করবে। যারা দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন তারা আজ যে কোনও জায়গা থেকে অর্থ অর্জন করতে পারবেন যা এক মুহুর্তে বেশ কয়েকটি জীবনের সমস্যাগুলি দূর করবে। যাকে আপনি বিশ্বাস করেন তিনি আপনাকে পুরো সত্যিটি বলবেন না-আপনার অন্যদেরকে রাজী করানোর ক্ষমতা আগত সমস্যা সমাধানে আপনাকে সাহায্য করবে। জিনিসপত্র সঠিকভাবে সামলান কারণ আপনার স্ত্রীর মেজাজ খুব একটা ভালো ঠেকছে না। নিজেকে প্রতারণার হাত থেকে বাঁচাতে ব্যবসায় নজরদারী বজায় রাখুন। দিনের শুরুটা যতই ক্লান্তিকর হোকনা কেন বেলা বাড়ার সাথে সাথে আপনি ভালো ফল পেতে থাকবেন।দিনের শেষে আপনি আপনার জন্য সময় পেয়ে যাবেন এবং আপনি কোনো কাছের মানুষের সাথে দেখা করে এই সময়ের সঠিক ব্যবহার করবেন। আজ আপনার স্ত্রীর সাথে একটি মারাত্মক তর্ক বিতর্ক হতে পারে।

শরীর-মন ভালো রাখতে জলখাবারে নিয়মিত খান প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শরীর-মন সুস্থ রাখতে প্রোটিন যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। চিকিৎসকদের মতেও, আমাদের দেহ-মনের সার্বিক বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন৷ জেনে নিন, কিভাবে নির্দিষ্ট মাত্রায় প্রোটিন খেলে তাশরীর এবং মন দুই’য়েরই যত্ন নেয়।

আরও পড়ুন পছন্দের খাবারেই দূর করুন মানসিক অবসাদ

১. ক্যালোরির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে

সকালের খাবারে বেশি প্রোটিন থাকা মানেই আপনার শরীরের ক্যালোরির চাহিদা কমবে। প্রোটিন যুক্ত খাবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরে রাখে। এর ফলে বারবার খিদে পাওয়া বা খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। কমে যায় বাড়তি ক্যালোরি শরীরে জমার সম্ভাবনা। বিশেষ করে যাঁরা দিনের অধিকাংশ সময়ে ল্যাপটপ বা ডেস্কটপের সামনে বসে কাজ করেন তাঁদের জন্য এটা খুবই কার্যকর। খাবারে বেশি প্রোটিন থাকলে সেটা ঘ্রেলিন নামক হরমোনকে আটকে দেয়। এই হরমোনের কারণে বারবার খিদে পায়।

২. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে

অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, নিয়ম মেনে ব্রেকফাস্ট করেও কিছুক্ষণ যেতে না যেতেই ক্লান্তি বা অলস ভাব আসে। সেক্ষেত্রে বুঝতে হবে ব্রেকফাস্টে সঠিক প্রোটিন নেই বরং ক্যালোরি মাত্রা বেশি রয়েছে। যেমন টোস্ট, বা বাজার চলতি সিরিয়ালস বা মুসলি খেলে এ-রকম মনে হতে পারে। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণ রিফাইন্ড সুগার থাকে। এর ফলে শরীরে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পায়। দীর্ঘদিন এই ভাবে চলতে থাকলে ডায়বিটিস হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। প্রোটিন রক্তে শর্করার মাত্রা হ্রাস করে এবং ফ্রি অ্যামিনো অ্যাসিডের স্তর বাড়িয়ে দেয়।

Vegetarian and vegan diet: five things for over-65s to consider when  switching to a plant-based diet

৩. ওজন বাড়তে দেয় না

অনেকেই ওজন কমাতে গিয়ে দিনের গুরুত্বপূর্ণ খাবার বা মিল স্কিপ করে যান। অনেকে আবার সময়ের অভাবে এই দিকে নজর দেন না। অন্যদিকে প্রোটিনযুক্ত খাবার হজমশক্তি বাড়ায় এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরে থাকায় বারবার খিদে পায় না। পাশাপাশি মেটাবলিজম মাত্রা বাড়িয়ে দেয় প্রোটিন।

৪. ব্যায়ামের পর শরীর চাঙ্গা রাখে

প্রোটিনে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যামিনো অ্যাসিড। এই অ্যামিনো অ্যাসিড আমাদের শরীরের কোষগুলির স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে বেশ কার্যকরী। শরীরে মাংসপেশির শক্তি বাড়িয়ে হাড়ের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে প্রোটিন অপরিহার্য। ধৈর্য, শক্তি বৃদ্ধি করতেও প্রোটিন সহায়তা করে।

৫. ফিল গুড ফ্যাক্টরের মাত্রা বাড়ায়

<

p style=”text-align: justify;”>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হঠাৎ মন খারাপ হলে ধরে নেওয়া যেতে পারে যে মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলছে গাট মাইক্রোবস। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি অনুসন্ধানে জানা গিয়েছে এই গাট মাইক্রোবস নামক ব্যাকটেরিয়া আমাদের মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে।