রাজনৈতিক হামলায় বিরোধী দল সিপিআইএম রাজ্য দফতর পুড়েছে। এমনই আগুন যে আসেপাশের কয়েকটি বাড়িতেও আগুন ছড়ায়। অভিযোগ পুলিশ নির্বিকার। হামলায় অভিযুক্ত সরকারে থাকা বিজেপি সমর্থকরা। বু়ধবার ত্রিপুরায় একের পর এক জেলা সদর, মহকুমা ছাড়িয়ে তীব্র রাজনৈতিক উত্তাপে খোদ রাজধানী আগরতলা শহর যেন জ্বলন্তপুরী। আগুনে জ্বলছে ত্রিপুরা দেখুন ছবিতে
জ্বলছে আগরতলা, মাইনাস জিরো পারফরম্যান্স বিজেপির, জনবিচ্ছিন্ন দল: মানিক সরকার
নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক হামলায় বিরোধী দল সিপিআইএম রাজ্য দফতর পুড়েছে। এমনই আগুন যে আসেপাশের কয়েকটি বাড়িতেও আগুন ছড়ায়। অভিযোগ পুলিশ নির্বিকার। হামলায় অভিযুক্ত সরকারে থাকা বিজেপি সমর্থকরা। বু়ধবার ত্রিপুরায় একের পর এক জেলা সদর, মহকুমা ছাড়িয়ে তীব্র রাজনৈতিক উত্তাপে খোদ রাজধানী আগরতলা শহর যেন জ্বলন্তপুরী।
দলীয় রাজ্য দফতরে আগুন ধরানো ও জনজীবনে হামলার প্রতিক্রিয়ায় বিরোধী দলনেতা ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার ক্ষোভ উগরে দেন। তিনি বলেন, মাইনাস জিরো পারফরম্যান্স বিজেপির, জনবিচ্ছিন্ন দল হয়ে গিয়েছে। তবে পুরো ঘটনায় বিজেপি ত্রিপুরা প্রদেশ সম্পূর্ণ নীরব।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ত্রিপুরার রাজনৈতিক জ্বলন্ত পরিবেশ। ভয়াবহ পরিস্থিতি। রাজপথ দিয়ে দৌড়ে পালাচ্ছেন জনগণ। পরপর দোকান লুঠ হচ্ছে। একের পর এক গাড়িতে আগুন ধরানো হচ্ছে। সেই সঙ্গে স্লোগান ‘জয় শ্রী রাম’, এই মাটিতেই হিসেব হবে। আতঙ্কিত আগরতলাবাসী। খোদ ত্রিপুরার রাজধানীতে এখন অগ্নিগর্ভ পরিবেশ। হামলায় অভিযুক্ত বিজেপি।
জ্বলছে ত্রিপুরা
পরিস্থিতি এমন যে আগরতলায় জনগণ প্রবল আতঙ্কিত। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের কনভয় সোমবার তাঁর বিধানসভা কেন্দ্র ধনপুরে আটকেছিল বিজেপি সমর্থকরা। মানিকবাবু নিজে নেমে রুদ্রমূর্তি নেন। বাম সমর্থকরা ঝাঁপিয়ে পড়ে বিজেপির সমর্থকদের উপরে। রণে ভঙ্গ দেয় বিজেপি। মাত্র একদিনের মধ্যেই মারের বদলা নিতে অগ্নিমূর্তি ধারণ করল বিজেপি বলে অভিযোগ। আগরতলা জ্বলছে। বিশালগড়, উদয়পুর সহ রাজ্যের সর্বত্র হামলায় অভিযুক্ত বিজেপি। অভিযোগ, পুলিশের সামনেই পরপর আগরতলায় একটার পর একটা দোকান ভাঙচুর করা হয়।
আগরতলায় সিপিআইএমের রাজ্য দফতরে হামলার পাশাপাশি কয়েকটি সংবাদপত্র দফতরেও হামলা হয়। সিপিআইএম ত্রিপুরা রাজ্য কমিটির অভিযোগ, বিশালগড়ে তাদের দলীয় দফতরে হামলা করে আগুন ধরিয়েছে বিজেপির সমর্থকরা। প্রকাশ্যেই আগ্মেয়াস্ত্র নিয়ে আস্ফালন করছে হামলাকারীরা। এমন ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
তালিবান সরকার গঠনের মধ্যেই দিল্লিতে অজিত ডোভালের সঙ্গে বৈঠক CIA-প্রধানের
নিউজ ডেস্ক: এর আগে কাবুল (Kabul) থেকে মার্কিন সেনার বিমান সর্বশেষ উড়ানের পরেই আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রক তালিবান (Taliban) জঙ্গিরা বিশ্বজোড়া কূটনৈতিক বার্তা পাঠিয়েছিল। তাদের বক্তব্য, সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক! এই বার্তার পরেই কাতারের রাজধানী দোহা শহরে ভারতের রাষ্ট্রদূত দীপক মিত্তলের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা হয় তালিবান নেতা স্তানেকজাইয়ের।দেরাদুন মিলিটারি একাডেমির সেই শেরু অর্থাৎ শের মহম্মদ আব্বাস স্তানেকজাই সম্প্রতি ভারতের কাছে বার্তায় কূটনৈতিক সম্পর্কের কথা বলেছিল। ভারতে সেনা প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুবাদে এই দায়িত্ব দিয়েছিল তার সংগঠন।
আরও পড়ুন তালিবান সম্পর্কে ভারত সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করুক: ওয়াইসি
বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর, স্তানেকজাইয়ের সঙ্গে আলোচনার মূল বিষয় ছিল, ভারতীয় নাগরিকদের দ্রুত দেশে ফেরানোর বিষয়। আলোচনা হয়েছে তাদের নিরাপত্তা নিয়ে। এছাড়াও বেশ কিছু আফগান নাগরিক যারা ইতিমধ্যে ভারতে যাওয়ার আবেদন করেছে, সেই বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়েছিল।
আরও পড়ুন শুভক্ষণে ইসলামাবাদের আশীর্বাদ নিয়েই কুর্সিতে বসবে তালিবান সরকার
আরও পড়ুন জাভেদের RSS-তালিবান তুলনায় এবার নিন্দায় শিব সেনাও
এর মধ্যেই তালিবানদের সরকারের ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। কয়েকদিন পরের দু’দশক পর আফগানিস্তানের মাটিতে শপথগ্রহন করবে তালিবান সরকার। তারমধ্যেই ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (এনএসএ) অজিত ডোভাল নয়াদিল্লিতে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) প্রধান উইলিয়াম বার্নসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আফগানিস্তানে তালিবান সরকারের পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তার বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে এই বৈঠকের সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
তালিবান মোল্লা মোহাম্মদ হাসান আখুন্দের নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের ঘোষণা করেছে, যার মধ্যে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর উচ্চপদস্থ সদস্যরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিরাজউদ্দিন হাক্কানি, বিশেষ করে কুখ্যাত হাক্কানি নেটওয়ার্ককে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন ভারতের উদ্বেগ: আফগানিস্তানকে বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পের আনতে চাইছে চিন
আরও পড়ুন High Alert: ভারত-আফগানিস্তান সীমান্তে স্যাটেলাইট বিমানঘাঁটি সক্রিয় করল পাকিস্তান
শুধু CIA-প্রধান উইলিয়াম বার্নসই নয়, অজিত ডোভাল রাশিয়ার নিকোলাই পাত্রুশেভের সঙ্গেও বৈঠক করবেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রক, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এবং নিরাপত্তা সংস্থার প্রতিনিধিরাও আফগানিস্তান নিয়ে ভারত-রাশিয়া আন্ত-সরকার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
Tripura: ‘জয় শ্রী রাম’ বলে হামলা CPIM রাজ্য দফতরে, পরপর গাড়িতে আগুন
আগরতলা: মাত্র একদিনের মধ্যেই মারের বদলা নিতে অগ্নিমূর্তি ধারণ করল বিজেপি। আগরতলা জ্বলছে। সিপিআইএম রাজ্য দফতরে হামলায় অভিযুক্ত বিজেপি। রাজপথে থাকা একটার পর একটা গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ সরকারে থাকা দলটির সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

পরিস্থিতি এমন যে আগরতলায় জনগণ প্রবল আতঙ্কিত। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের কনভয় তাঁর বিধনসভা কেন্দ্র ধনপুরে আটকেছিল বিজেপি সমর্থকরা। মানিকবাবু নিজে নেমে রুদ্রমূর্তি নেন। বাম সমর্থকরা ঝাঁপিয়ে পড়ে বিজেপির সমর্থকদের উপরে। রণে ভঙ্গ দেয় বিজেপি।

ঘটনার জেরে ত্রিপুরা সহ গোটা দেশে ছড়ায় চাঞ্চল্য। বুধবার আগরতলা, বিশালগড়, উদয়পুর সহ রাজ্যের সর্বত্র অগ্নিমূর্তি নেয় বিজেপি সমর্থকরা। অভিযোগ, পুলিশের সামনেই পরপর আগরতলায় একটার পর একটা দোকান ভাঙচুর করা হয়। আগরতলায় সিপিআইএমের রাজ্য দফতরে হামলা হয়েছে।
সিপিআইএম ত্রিপুরা রাজ্য কমিটির অভিযোগ, বিশালগড়ে তাদের দলীয় দফতরে হামলা করে আগুন ধরিয়েছে বিজেপির সমর্থকরা। আগরতলার পরিস্থিতি প্রবল উত্তপ্ত। প্রকাশ্যেই আগ্মেয়াস্ত্র নিয়ে আস্ফালন করছে হামলাকারীরা। এমন ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
বিশ্বের চোখ শ্রীহট্টের বাইশ গজে, বাংলাদেশেই তালিবান সরকারের ক্রিকেট কূটনীতির যুদ্ধ
প্রসেনজিৎ চৌধুরী: আফগানিস্তানে এখন দ্বিতীয় তালিবান সরকার চলছে। বিশ্বকে ক্রমাগত কূটনৈতিক বার্তা দিয়ে চলা জঙ্গি সংগঠনটি কাবুল দখল করেই ক্রিকেট কূটনীতির পথ বেছে নিয়েছে। সেই সূত্রে আফগান অনুর্ধ্ব ১৯ জাতীয় দল এখন বাংলাদেশ সফরে। এমনিতে তেমন কিছু আহামরি ক্রিকেট সফর নয়, তবে তালিবান সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর আফগানিস্তানের যে কোনও বিষয় এখন প্রবল কৌতূহলের কেন্দ্র। সেই কারণেই বাংলাদেশে খেলতে আসা আফগানিদের উপর দুনিয়ার নজর।
শ্রীহট্ট বা সিলেটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়ান ডে সিরিজের খেলা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১০, ১২, ১৪, ১৭ ও ১৯শে সেপ্টেম্বর। চার দিনের ম্যাচটি হবে ২২ থেকে ২৫শে সেপ্টেম্বর। এমনই জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB) ও আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (ACB)।
তালিবান জঙ্গি সংগঠনটি মঙ্গলবার আফগানিস্তানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গড়েছে। তৈরি হয়েছে তাদের ছায়া মন্ত্রিপরিষদ। সরকার ঘোষণার আগেই আফগান জাতীয় যুব ক্রিকেট দল ঢাকা পৌঁছে যায়। বাংলাদেশ সরকারের করোনা সংক্রমণের স্বাস্থ্যবিধি মেনে তিনদিন সিলেটের হোম কোয়ারেন্টাইনে থেকে সিরিজ খেলবে আফগান দলটি। তৈরি বাংলাদেশ যুব দল।

এ শুধু খেলা নয়, খেলার বাইরে আরেক কূটখেলা
তালিবান সরকার ঘোষণার আগেই বিশ্বকে বার্তা দেয় সংগঠনটি মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ। বলা হয়, সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে চায় নতুন তালিবান সরকার। পূর্বতন তালিবান সরকার (১৯৯৬-২০০১) যে সব কঠোর নিয়ম বলবত করেছিল তার অন্যতম আফগানিস্তানে ক্রিকেট হয়েছিল বন্ধ। দু দশক পরে সেই তালিবান জানায়, ক্রিকেট চলবে। তবে পুরুষদের ক্রিকেট।
দক্ষিণ এশিয়ার তিন ক্রিকেট পাগল দেশ ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ পরস্পর লাগোয়া। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক জটিলতায় ক্রিকেট আসর ভূমিকা নেয় গরম ভাব নরম করতে। নয়াদিল্লি ইসলামাবাদ ও ঢাকার মধ্যে কূটনৈতিক আসরে ক্রিকেট কূটনীতি বিশেষ পরিচিত। এই শৃঙ্খলায় এবার ঢুকছে তালিবান শাসিত আফগানিস্তান। কাবুলের জঙ্গি সরকার তাদের নরম ভাবমূর্তি তুলে ধরতে ক্রিকেটকে হাতিয়ার করেছে। আফগান দলের বাংলাদেশ সফর সেই কারণেই বিশেষ আলোচিত।
ভয়েস অফ আমেরিকা জানাচ্ছে, তালিবান ক্ষমতা দখলের পর এই প্রথম কোনও আফগান ক্রিকেট দল দেশের বাইরে বেরিয়েছে খেলতে। আগামী বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজে যুব বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ চূড়ান্ত করতেই তালিবান সরকার মরিয়া। আফগানিস্তান জাতীয় দল আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে টি-২০ বিশ্বকাপে অংশ নেবে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহিদা এবং ওমানে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলি অনুষ্ঠিত হবে।
আপাতত তালিবানি হুকুম পালনে আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল এখন বাংলাদেশে। সিলেটের ম্যাচগুলি যতটা না খেলা তার চেয়ে বেশি কূটখেলা।
অসুস্থতার মধ্যে বিশ্রামের তোয়াক্কা না করে ফিরোজ গান্ধি মৃত্যুকে ডেকে এনেছিলেন
বিশেষ প্রতিবেদন: ১৯৬০ সালের ৭ সেপ্টেম্বর যেদিন ফিরোজের (Feroze Gandhi) তৃতীয়বার হার্ট অ্যাটাক হল সেদিনও ইন্দিরা নেই দিল্লিতে, তিনি সেদিন কেরলে রয়েছেন৷ এর ঠিক বছয় দুয়েক আগে যেদিন ফিরোজের প্রথম হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল সেদিনও ইন্দিরা ছিলেন দিল্লির বাইরে৷
বছর দুয়েক আগের কথা সেটাও ছিল সেপ্টেম্বর মাস৷ আগের দিন রাতে ফিরোজ গান্ধির হার্ট অ্যাটাক হওয়ায় , ১৯৫৮ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর সকালে ওয়েলিংডন হাসপাতালে ভর্তি হতে হল তাঁকে। খবর পেয়ে হাসপাতালে আসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পন্থ এবং শিল্প বাণিজ্যমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী। রাতের দিকে অনেকটাই শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়।খবর পাওযার পর সন্ধ্যেবেলায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার বিধানচন্দ্র রায় ফিরোজের দেখভালের দায়িত্বে থাকা ডাক্তারদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং চিকিৎসার বিষয় তাঁর পরামর্শ দেন।দিল্লিতে যখন এই সব ঘটনা ঘটছে তখন প্রধানমন্ত্রী নেহরু রয়েছেন ভুটান সফরে। নেহরুর সঙ্গে ইন্দিরাও গিয়েছেন ওই সফরে৷ সেখানেই ইন্দিরা ফিরোজের অসুস্থতার খবর পান। তবে সেদিন সন্ধেবেলায় অবস্থার উন্নতি হওয়ায় ফিরোজের বিপদ কেটে গিয়েছে তাদের আর তাড়াহুড়ো করে ভুটান থেকে আসার দরকার নেই বলে বার্তা যায় নেহরু ও তাঁর কন্যার কাছে।কারণ খবর পেয়ে প্রথমে তাঁরা সফর কাটছাট করে ফেরার কথা ভাবছিলেন৷ সিকিম ভুটান সফর সেরে তারা কয়েকদিন পরে ফিরলে নেহরু পালাম বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে গেলেও, অন্য গাড়িতে করে ইন্দিরা চলে আসেন সরাসরি হাসপাতালে অসুস্থ স্বামীকে দেখতে। সেখানে গিয়ে সেদিন ফিরোজের কাছে ছিলেন আধঘন্টা। ভর্তি হওয়ার পর সাত সপ্তাহের বেশি দিন কাটিয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান ফিরোজ। ছাড়া পেলেও চিকিৎসকদের পরামর্শ ছিল তারপরেও অন্তত দিন ১৫ যেন তিনি বিশ্রাম নেন।
হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও বিশ্রামের তোয়াক্কা করেন না ফিরোজ৷ যথারীতি আগের মতোই জীবন৷ বরং তখন যেন একটু বেশিই পরিশ্রম করতে তাঁকে দেখা যাচ্ছিল বলে মনে হয়েছিল তাঁর পরিচিত মহলের একাংশের৷ ইন্দর মালহোত্রার মতে , ফিরোজ যতই তার বন্ধু এবং শুভানুধ্যায়ীদের দ্বারা পরিবৃত হয়ে থাকুন না কেন, তিনি প্রকৃতপক্ষে খুবই একা এবং মানসিক ভাবে দুঃখে ছিলেন। আর তাই অতিরিক্ত কাজের মধ্যে ডুবে থেকে নিজেকে শেষ করে দেন। তাছাড়া ফিরোজের পরিচিত অনেকেই লক্ষ্য করেছিলেন ডাক্তারেরা সিগারেট এবং মদ্য পান করতে নিষেধ করলেও তিনি তা একেবারেই শুনতেন না।
এই অসুস্থতার মধ্যেও গত দুবছর তিনি নিয়মিত সংসদে হাজিরা দিতেন, সময় ভাগ করে নিতেন বিতর্কে অংশ নেওয়া এবং লবিতে থাকার জন্য। তৃতীয়বার হার্ট অ্যাটাকের কয়েকদিন আগে ফিরোজ তাঁর ক্লান্তির কথা বলেছিলেন ঘনিষ্ঠ মহলে৷ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণের নজরে এসেছিল শেষ কয়েক মাস ফিরোজ কী রকম রীতিমতো পরিশ্রম করেছেন। তিনি ফিরোজ সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘‘উনি ডাক্তারের এবং বন্ধু-বান্ধবের পরামর্শ অগ্রাহ্য করেই রীতিমত পরিশ্রম করতেন শুধুমাত্র সাংসদ হিসেবে নয়, রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবেও এই সময় যথেষ্ট কাজ করতে দেখা যেত। এই বিশেষ দায়িত্ব থাকার জন্য দুটি তৈল শোধনাগারের কাজের বিষয়ে বুঝতে ১৪ সেপ্টেম্বর তার বম্বে যাওয়ার কথা ছিল।’’ তাছাড়া রাধাকৃষ্ণণকে ফিরোজ জানিয়েছিলেন, তাঁর নিজের লোকসভা কেন্দ্রে তিনি একটি কলেজ গড়তে চান৷ আর সেজন্য তহবিল জোগাড়ের উদ্দেশ্যে ফিরোজ বম্বে এবং অন্যান্য জায়গায় যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।
এদিকে যথারীতি ৭ সেপ্টেম্বরেও ফিরোজ লোকসভায় এলেন এবং বিকেল পর্যন্ত ছিলেন। তারপর তিনি ওয়েলিংডন নার্সিংহোমের সুপারেনটেনডেন্ট ডাক্তার খোসলাকে ফোন করেন শারীরিক কারণে। এই ডাক্তার খোসলা তাঁর ব্যক্তিগত বন্ধু৷ তাছাড়া ১৯৫৮ সালে তার প্রথম হার্ট অ্যাটাকের পর থেকেই ফিরোজের চিকিৎসার দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। ফোন পাওয়ার পরেই তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে ফিরোজকে অনুরোধ করেন না বের হতে। কিন্তু ডাক্তারের পরামর্শ শোনার পাত্র তো তিনি নন৷ গত পাঁচদিন ধরে বুকে ব্যথা হচ্ছিল, সেই সব উপেক্ষা করেই তিনি সংসদ ভবন থেকে নার্সিংহোমের দিকে গাড়ি চালিয়ে রওনা দিলেন। এরপর সেখানে গিয়ে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলার পর চা খাবেন ঠিক করেন। চা দেওয়া হলে তিনি হঠাৎ ঢলে পড়েন। তখন তাকে বিছানায় নিয়ে এসে শুইয়ে দেওয়া হয়। খোসলা এবং আরও পাঁচ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ফিরোজকে ঘিরে রাখেন কিন্তু তিনি চিকিৎসায় ঠিকমতো সাড়া দেন না। ক্রমশ তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। তবে যেটুকু জ্ঞান ছিল তাতে বারবার জানতে চাইছিলেন ইন্দিরা কখন আসবে। ইন্দিরা সেই সময় দলীয় কাজে ত্রিবান্দম গিয়েছেন। ইন্দিরা দিল্লি ফিরেই বিমানবন্দর থেকে সরাসরি নার্সিংহোমে চলে আসেন স্বামীকে দেখতে। ইন্দিরা তাকে দেখতে এলেও হাসপাতালের ফিরোজের শয্যার পাশে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি কারণ সে নিজেও সেদিন ছিল ভীষণ ক্লান্ত। ৮সেপ্টেম্বর ফিরোজের যখন মৃত্যু হয় তখন সে একেবারে একাই ছিল।

মৃত্যুর খবর পেয়ে নার্সিংহোমে সবার আগে পৌঁছে যান প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু এবং রাষ্ট্রপতি ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ। মরদেহ নেহরুর বাসভবনে নিয়ে আসা হয়। ফিরোজের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বহু মানুষের ভিড় জমে। শুধু ভিআইপি নয় বহু সাধারন মানুষ সেখানে পৌঁছে যায়। গীতা, রামায়ণ , বাইবেল , কোরান থেকে পাঠ হয় ।পাশাপাশি পার্শী পুরোহিত বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করেন। ইন্দিরা বসেছিলেন মৃতদেহের পাশে। নার্সিংহোম থেকে ফিরে শোকে থমথমে মুখ নিয়ে কিছুক্ষণ দোতলা ঘরের চুপ করে বসে থাকেন জওহরলাল। তার কিছুক্ষণ পরে উঠে এসে বোনেদের এবং অন্যান্যদের বলেন অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার ব্যবস্থা করতে।
তিরঙ্গা জড়ানো ফিরোজের দেহ উন্মুক্ত ট্রাকের করে শেষযাত্রার জন্য রওনা দেয়। ওই ট্রাকে তখন দুই ছেলেকে নিয়ে ইন্দিরা, ফিরোজের বোন এবং ফিরোজের দীর্ঘদিনের বন্ধু কেডি মালব্য৷ প্রধানমন্ত্রী ভবন, বিজয় চক, ইন্ডিয়া গেট, রাজঘাট জুম্মা ব্রিজ ধরে এগিয়ে চলে মরদেহবাহী ট্রাক। বহু মানুষের ভিড় শেষযাত্রায়। সূর্যাস্তের সময় যমুনার তীরে নিগমবোধ ঘাটে এসে পৌঁছয়। ট্রাক থেকে নামিয়ে চিতায় তোলার সময় মানুষের ভিড়ে পদপৃষ্ট হয়ে যাবার উপক্রম। সেই ভিড় সামলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে। কোনরকমে জওহরলাল এবং দুই ছেলের সঙ্গে চিতায় শায়িত ফিরোজের কাছে এসে পৌঁছন ইন্দিরা। শোকোস্তব্ধ ইন্দিরা ছলছলে চোখে তাঁর স্বামীর পায়ে কয়েকটা লিলি ফুল রাখেন।বৈদিক স্তোত্র পাঠের মধ্যে দিয়ে বড় ছেলে রাজীব দাহ করেন ।ফিরোজের শেষ যাত্রায় মানুষের ভিড় দেখে সেদিন পন্ডিতজি বলেছিলেন, “আমি বুঝতে পারিনি ফিরোজ এত জনপ্রিয়।”ফিরোজের মৃত্যুর কথা ছড়িয়ে পড়তে শোকে হতাশায় দিল্লি শহরের দোকান বাজারের শাটার নামিয়ে দেয় মানুষ। বহু জায়গা থেকে শোকবার্তা এসেছিল।
(উপরের অংশটি সম্প্রতি প্রকাশিত সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়ের লেখা ‘‘ফিরোজ গান্ধি সংসদের ভিতরে ও বাইরে’’ বইটির অংশ বিশেষ৷ বইটির প্রকাশক সৃষ্টিসুখ। মূল্য ১৮০টাকা৷ )
বিশ্লেষণ: ড্রাগনে চড়ে ISI জাল বিস্তার করল ইসলামাবাদ-কাবুল ভায়া ঢাকা
প্রসেনজিৎ চৌধুরী: আফগানিস্তানের (Afghanistan) দ্বিতীয় দফার তালিবান সরকারকে (Taliban) ঘিরে রেখেছে পাকিস্তানের (Pakistan) সামরিক গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিসেন্স (ISI) অফিসার ও এজেন্টরা। খোদ পাক গুপ্তচর সংস্থার প্রধান ফইজ হামিদের এখান যেন নাওয়া খাওয়ার সময় নেই। পাক সামরিক সদর দফতর রাওয়ালপিন্ডি থেকে তৈরি হওয়া নীল নকশা মাফিক পুরো আফগানিস্তান এখন আইএসআই ‘সেফ জোন’।
Read More: তালিবান সরকারের অংশীদার হাক্কানি নেটওয়ার্ক সক্রিয় নেপাল থেকে উত্তরবঙ্গে
তালিবান জঙ্গিদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ছায়া মন্ত্রিপরিষদের ঘোষণার সব থেকে বড় চমকটি হলো আফগান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এই দফতরের ভার গিয়েছে আইএসআই নয়নের মণি জঙ্গি সংগঠন হাক্কানি নেটওয়ার্কের (Haqqani Network) ঘাড়ে। অর্থাৎ তালিবান জঙ্গি সরকার যাই কিছু করুক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নেতা সিরাজউদ্দিন হাক্কানির কড়া নজর থাকবে। মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা এফবিআইয়ের তালিকায় তার মাথার দাম ৫০ লক্ষ মার্কিন ডলার। মোস্ট ওয়ান্টেড। এর থেকেই স্পষ্ট পুরো তালিবান মন্ত্রিসভায় পাকিস্তানের দাপট।

ISI চক্রজাল ইসলামাবাদ-ঢাকা-কাবুল একটি বিশ্লেষণ
ISI ঢাকা ইউনিট
কূটনৈতিক মহলের আলোচনা, পাকিস্তান জন্মের পর এই প্রথম কোনও দেশে (আফগানিস্তান) নিরাপদ বিচরণের শক্তিশালী ঘাঁটি তৈরি করেছে আইএসআই। তবে আলোচনায় উঠে আসছে, ১৯৭১ পরবর্তী বাংলাদেশে বিএনপি-জামাত ইসলামি জোট সরকারের আমলে ঢাকায় পাক গুপ্তচর সংস্থার স্বস্তিদায়ক বিচরণের প্রসঙ্গ।
১৯৭৫ সালে সেনা অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে সপরিবারে খুনের পর থেকে দেশটিতে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়। অভিযোগ, পাকিস্তানের প্রতি খানিকটা নরম হয়েছিলেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি তথা বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। তিনিও সেনা অভ্যুত্থানে খুন হন। এর পর রাষ্ট্রপতি এরশাদের সামরিক জমানা পেরিয়ে ফের বিএনপি সরকারে আসে। তখন প্রধানমন্ত্রী হন খালেদা জিয়া। ঢাকায় অত্যন্ত সক্রিয় আইএসআই। তবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অতিমাত্রায় সজাগ থাকে ভারত। সেই চাপ নিয়েছিল পাক গুপ্তচর সংস্থাটি। তাদের ষড়যন্ত্রের অন্যতম নাশকতা তৎকালীন বিরোধী নেত্রী আওয়ামী লীগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনার উপর ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা। বিশ্ব কেঁপেছিল। পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি যোগ স্পষ্ট হয় তদন্তে। বিএনপির একের পর এক মন্ত্রী, খোদ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের নাম এই নাশকতায় জড়িত। তিনি বাংলাদেশ সরকারের খাতায়’পলাতক’। লন্ডনে থাকেন।
ISI কাবুল ইউনিট
বাংলাদেশে আইএসআই জাল নষ্ট হয় আওয়ামী লীগের সরকার পরপর ক্ষমতায় আসার পর। ঢাকা থেকে নেটওয়ার্ক রাখলেও পাক গুপ্তচর সংস্থাটি পরবর্তী সময়ে বারবার প্রতিবেশি আফগানিস্তানে তাদের নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে থাকে। প্রথম তালিবান সরকারের সময়ে এই সুযোগ এনে দেয় আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় হাক্কানি নেটওয়ার্ক। জঙ্গি সংগঠনটি শীর্ষ নেতা সিরাজউদ্দিন হাক্কানি আইএসআইয়ের ঘনিষ্ঠ। সেই শুরু তাদের মধুচন্দ্রিমা। তবে ২০০১ সালে মার্কিন সেনা প্রবেশের পর কাবুল থেকে সরে যাওয়ায় আইএসআই তার জমি হারান। তারা আফগানিস্তানে সক্রিয় থাকলেও ভারতের ভূমিকা হয় বড়। শুরু হয় ‘র’আনাগোনা। গত দু দশক এমন চলেছে। গত ১৫ আগস্ট তালিবান দখলে গেছে কাবুল। ফের সক্রিয় আইএসআই। তাদেরই পুতুল সরকার এখন কুর্সিতে। আফগানভূমির হর্তাকর্তার বিধাতা এখন পাকিস্তান।
ATK-নাম মোছার দাবিতে এবার বিক্ষোভের পথে সবুজ-মেরুন জনতা
অনুভব খাসনবীশ: গত বছর এটিকে-মোহনবাগানের (Mohun Bagan) নতুন জার্সিতে তিনটি স্টার থাকা এবং ক্রমাগত তাদের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বলে উল্লেখ করায় ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন সবুজ-মেরুন সমর্থকেরা। তাদের ক্রমাগত আন্দোলনের পরে তিন স্টার সরিয়ে নিয়েছে ক্লাব অফিসিয়ালরা। ঝামেলা বেড়েছিল আইএসএলের একটি প্রোমোশনাল ভিডিওকে ঘিরেও। ওই ভিডিওতে দেখা যায় এটিকের অন্যতম কর্ণধার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে। সবুজ-মেরুন জনতার বিক্ষোভে সেই ভিডিওটিও সরিয়ে নিয়েছিল আইএসএল কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন কলকাতা লিগে নেই ইস্ট-মোহন, বাংলার ফুটবল বাঁচাতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ আইএফএ কর্তারা
এবার এটিকে-মোহনবাগান এএফসি কাপে খেলছে। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের পর্বেও পৌঁছেছে। সবই সম্ভব হয়েছে গত বছর কিবু ভিকুনার কোচিংয়ে ‘মোহনবাগান’ আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায়। কিন্তু তারমাঝেই বিতর্ক তৈরি করলেন এটিকের বোর্ড মেম্বার উৎসব পারেখ।
আরও পড়ুন চলতি মাসের শেষেই লাল-হলুদ শিবিরে যোগ দিচ্ছে রবি ফাউলার
আরও পড়ুন উৎসবের মন্তব্যে আবার ভাইরাল #RemoveATK, আন্দোলনের পথে সবুজ-মেরুন সমর্থকরা
একটি সাক্ষাৎকারে হঠাৎই বলে বসেন, ‘মোহনবাগানের নিজেদের ক্ষমতায় এএফসি কাপে খেলার যোগ্যতা নেই। ওদের কখনও পরিকল্পনাতেও ছিল না যে মোহনবাগান এএফসি কাপে খেলতে পারবে। মোহনাবাগন তো নিজস্ব গায়ের জোরে আজ পর্যন্ত খেলল না। এতদিন সেই কারণেই এএফসি কাপে খেলেনি তারা। এটিকে আসাতেই সেই সুযোগ পেয়েছে তারা। ফলে মোহনবাগান সমর্থকদের এটিকে মোহনবাগানকেই সমর্থন করা উচিত। মোহনবাগান এখন অতীত।’

ফলে আবার বিক্ষোভ দানা বেঁধেছে ময়দানে। #RemoveATK এবং #BreakTheMerger হ্যাসট্যাগ দুটি আবার ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। শুধু সোশ্যাল মিডিয়াতেই নয়। মাঠের বাইরেও বিক্ষোভ দেখাতে নামছে সবুজ-মেরুন জনতা। আগামী ৯ তারিখ বিকেল ৪.৩০ নাগাদ প্রেস ক্লাবে সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন সমর্থকদের সংগঠনের পক্ষ থেকে।

যদিও, পারেখ-কান্ডের পরেই মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাবের পক্ষ থেকে এটিকে-মোহনবাগানের অন্যতম ডিরেক্টর দেবাশীষ দত্ত এবং সৃঞ্জয় বসু জানিয়ে দেন, সমর্থকদের আবেগকে গুরুত্ব দিতেই হবে। উৎসব পারেখের বক্তব্য অপমান করেছে মোহনবাগানের শতাব্দীপ্রাচীন আবেগকে। তারপরেই এটিকের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাওয়া হয় মোহনবাগান ক্লাবে সভ্য-সমর্থকদের কাছে। জানিয়ে দেওয়া হয়, উৎসব পারেখের বক্তব্যকে সমর্থন করেন না তাঁরা। যদিও তাতেও কমছে না সবুজ-মেরুন সমর্থকদের রাগ।
Utter disrespect 😠 #MohunBagan is much bigger than than ATK
Mr. Utsav Parekh 👎 https://t.co/5JQzCMamHX— Wolves India (@IndiaWolves) September 2, 2021
Official Statement of Mohun Bagan Athletic Club pic.twitter.com/nCWf0jixVX
— Mohun Bagan (@Mohun_Bagan) September 2, 2021
ভবানীপুরকে পাখির চোখ করতে অর্জুনেই ভরসা বিজেপির
নিউজ ডেস্ক: আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুর কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে।
আরও পড়ুন কয়লাকাণ্ডে ইডির জেরা শেষে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন অভিষেক
নির্বাচন কমিশন উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই, ভবানীপুরসহ তিন কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রত্যাশা মতোই এবার ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপির রুদ্রনীল ঘোষকে হারিয়ে দেওয়ার পরেও মুখ্যমন্ত্রীকে আসন ছেড়ে দিয়েছেন তৃণমূলের প্রবীন নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোট গণনা হবে ৩ অক্টোবর। এবার মমতার বিরুদ্ধে কে হবেন ভবানীপুরের পদ্মশিবিরের প্রার্থী? রাজ্য রাজনীতিতে জোর জল্পনা এর উত্তর নিয়েই। ভবানীপুর কেন্দ্রে উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কে লড়বেন, তা বাছতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে গেরুয়া শিবিরকে। তবে তারই মধ্যে পর্যবেক্ষক নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল বিজেপি।
পদ্মশিবিরের দুই সাংসদ অর্জুন সিং এবং জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো এবং রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সিংকে পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভবানীপুর কেন্দ্রের আটটি ওয়ার্ড পর্যবেক্ষণে রাখবেন একজন করে বিজেপি বিধায়ক। তাঁদেই মাথায় থাকবেন দুই সাংসদ।
একই সময়ে নির্বাচন ও ভোট গণনা হবে রাজ্যের আরো দুই আসন সমশেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরে। ভবানীপুর-সহ বাকি ৭টি বিধানসভা আসনে ভোট করানোর দাবিতে বার বার কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের দাবি ছিল, রাজ্যো করোনা সংক্রমণ অনেকটাই কম। তাই ভোট করানো যেতে পারে।
তৃণমূল মোট ২১৩ টি সিট পেয়ে ক্ষমতায় এসেছিল বিধানসভা নির্বাচনে। তারপরেও ভারতীয় জনতা পার্টি থেকে প্রায় ছ’জন বিধায়ক যোগ দিয়েছেন রাজ্যের শাসকদলে। সেই সংখ্যাটাও আরও বাড়তে পারে। এবার উপনির্বাচনে সেই আসন সংখ্যা আরও বাড়ানোর সুযোগ এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের কাছে।
Taliban-চিন আঁতাতে বেজিংকে কটাক্ষ বাইডেনের
নিউজ ডেস্ক: দু’দশক পর আফগানিস্তানের দখল নিয়েছে তালিবানরা (Taliban)। তারপরেই বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনেরর পদত্যাগ দাবি করেছিলেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে কার্যত দু’ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দিনকয়েক আগেই ট্রাম্প জানিয়ে দেন, “আফগানিস্তানে যে লজ্জাজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তার জন্য প্রেসি়ডেন্ট জো বাইডেনের উচিত পদত্যাগ করা।
আরও পড়ুন নতমস্তকে বাইডেন: প্রবীণ কমিউনিস্ট ভিয়েতকং গেরিলারা ফিরলেন সোনালি অতীতে
এবার আফগানিস্তানের সেই অবস্থা নিয়েই চিনকে একহাত নিলেন জো বিডেন। আমেরিকার সিদ্ধান্তে কোনও ভূল নেই আগেই জানিয়েছিলেন, এবার জানিয়ে দিলেন নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্যই হাত মিলিয়েছে তালিবান-বেজিং। ২৪ ঘন্টা আগেই নতুন সরকারের ঘোষণা করেছে তালিবান (Taliban)। নয়া সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে চিন, পাকিস্তান, রাশিয়া, তুরস্ক, ইরান ও কাতারকে আমন্ত্রণও জানিয়েছে।
চিন, পাকিস্তান, রাশিয়ার মতো দেশগুলি নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্যই একসাথে হয়েছে। তালিবানদের সঙ্গে শুধু সমঝোতাই নয়, তাদের কাজে লাগানোর চেষ্টাও করবে তারা। ওরা সকলেই কী করা উচিত, তা বোঝার চেষ্টা করছে এক অনুষ্ঠানে প্রশ্ন করা হলে এই মন্তব্যই করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

চিনের তরফে এখনও অবধি তালিবানকে আফগানিস্তানের নতুন শাসক হিসাবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার না করা হলেও, গত জুলাই মাসেই বর্তমানের আফগানিস্তানের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী মোল্লা বরাদরের সঙ্গে দেখা করেছিলেন জিনপিং। সেই সময়ও চিনের তরফে জানানো হয়েছিল, তালিবানদের তাদের সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় সাহায্য করা হোক।
আমেরিকার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ৯/১১ হামলার পরই তাদের ন্যাটো বাহিনী দখল নেয় আফগানিস্তানের। প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় আফগান সেনাদের, জেলবন্দি করা হয় তালিবানদের। বিশ্বজুড়ে আল কায়েদার যে দাপট ছিল, তাও নিয়ন্ত্রণে আনে মার্কিন সেনা। লক্ষ্য ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সন্ত্রাসমুক্ত করা। কিন্তু ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তালিবানদের সঙ্গে দোহায় চুক্তি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই চুক্তিতে বলা হয়, আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে মার্কিন সেনা, কিন্তু আমেরিকায় সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ বন্ধ রাখবে তারা। অন্য সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীকে আমেরিকায় হামলা করা থেকে বিরত রাখারও চেষ্টা করবে তালিবানরা।
এই চুক্তির পরেই নির্বাচনে হেরে যান ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসাবে ক্ষমতায় বসেন জো বাইডেন। কিন্তু, ক্ষমতায় এসেও তিনি ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকেই পূনর্বহাল রাখেন। উল্টে জানান, এই বছরের সেপ্টেম্বরের আগেই আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। আমেরিকার ভবিষ্যতবানী ছিল, আগামী তিন মাসের মধ্যে আফগানিস্তান দখল করবে তালিবানরা। যদিও সে হিসেব উল্টে তিনদিনের মধ্যে কাবুল দখল করেছে তালিবানরা।
অনেক আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞই ভেবেছিলেন, তালিবানদের বাড়বাড়ন্ত দেখে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখবেন বাইডেন। কিন্তু সিদ্ধান্ত না বদলে বাইডেন জানান, “আফগান নেতাদের একজোট হতেই হবে। আফগানিস্তানের সেনার সংখ্যা তালিবানদের তুলনায় অনেক বেশি। তাদের দেশের জন্য লড়াই চালাতেই হবে।” এরপরেই বাইডেনকে কটাক্ষ করে আমেরিকানদের উদ্দেশ্য করে টুইট করেন ট্রাম্প। সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “আমায় মিস করছেন কি?” শুধু তাই নয়, আমেরিকায় করোনা পরিস্থিতি, অর্থনীতি সহ নানা বিষয়েও বাইডেনের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি।
চলতি মাসের শেষেই লাল-হলুদ শিবিরে যোগ দিচ্ছে রবি ফাউলার
স্পোর্টস ডেস্ক: ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) নজর আপাতত নতুন মরশুমের দল গঠনে। চুক্তি অনুযায়ী চলতি সরশুমেও দল গড়ার দায়িত্ব ইনভেস্টরদের। তবে ক্লাব কর্তারা ফুটবলার বাছাইয়ের কাজে প্রয়োজনে সবরকম সাহায্য করবেন বিনিয়োগকারী সংস্থাকে। দেবব্রত সরকার (নীতু) জানিয়েছেন, ‘আমাদের তরফেও ফুটবলারদের একটি তালিকা তৈরি করা রয়েছে। দল গড়ার দায়িত্ব বিনিয়োগকারীদের হলেও ওরা যদি আমাদের থেকে কোনওরকম সাহায্য চায়, আমরা প্রস্তুত আছি।’
আরও পড়ুন শেষ প্রহরী নিশ্চিত, ইস্টবেঙ্গলে অরিন্দম
অন্যদিকে সেপ্টেম্বরের শেষদিকে ভারতে আসছেন রবি ফাউলার। ৩০ সেপ্টেম্বর আসতে পারেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। সরাসরি গোয়ায় শিবিরে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি। তারপর বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন পিরিয়ড কাটিয়ে অক্টোবরের মাঝামঝিতে নেমে পড়বেন দলের প্র্যাকটিসে।

আরও পড়ুন উৎসবের মন্তব্যে আবার ভাইরাল #RemoveATK, আন্দোলনের পথে সবুজ-মেরুন সমর্থকরা
আরও পড়ুন কলকাতা লিগে নেই ইস্ট-মোহন, বাংলার ফুটবল বাঁচাতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ আইএফএ কর্তারা
রবি ফাউলার দু’জন কিংবা তিনজন ফ্রি প্লেয়ারকে (বিদেশি) নিয়ে আসবেন। ইতিমধ্যেই পাঁচজন পছন্দের বিদেশির তালিকা ক্লাবকে পাঠিয়ে দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। কর্মকর্তারা তাঁদের সঙ্গে কথাবার্তা চালাচ্ছে। তবে এখনও কিছু চূড়ান্ত হয়নি। শ্রী সিমেন্ট কর্তৃপক্ষ ব্রাইট এনোবাখারেকে কভেন্ট্রি সিটি থেকে লিয়েনে নিতে চাইছে। এফসি গোয়ার হয়ে গত মরশুমে খুব বেশি ম্যাচ খেলেননি ঈশান পাণ্ডিতিয়া, যদিও বেশিরভাগ ম্যাচেই শেষ মুহুর্তে নেমে গোল পেয়েছিলেন। তাকেও চাইছে ইস্টবেঙ্গল।
আরও পড়ুন বাতিল হয়ে গেল আইএফএ-র শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির বৈঠক
প্রায় শেষ মূহুর্তে দল গড়তে হলেও বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় ইতিমধ্যেই দলে নিয়েছেন লাল-হলুদ অফিশিয়ালরা। মহম্মদ রফিক, শঙ্কর রায়, মির্শাদ, জেজে, অঙ্কিত মুখোপাধ্যায়রা গত মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে। অরিন্দম ভট্টাচার্য, শুভ ঘোষ, আদিল খান, রোমিও ফার্নান্দেজ, নওরেম সিংহর মতো একঝাঁক খেলোয়াড় যোগ দিয়েছেন লাল-হলুদ শিবিরে। যাদের নিয়েই দ্বিতীয় আইএসএলে বাজিমাত করতে চাইছে এসসি ইস্টবেঙ্গল।
Photo Gallery: বঙ্গতনয়া মৌনি রায়ের সৌন্দর্য যে কাউকে বাকরুদ্ধ করে দিতে পারে
কোচবিহারের মেয়ে মৌনি রায়৷ টলিউডের মায়া ছেড়ে আরব সাগর তীরে পাড়ি জমিয়েছে৷ আর পাঁচটা বলি তারকার সঙ্গে রীতিমতো পাল্লা দিয়ে চলেছেন এই বঙ্গ তনয়া৷ এক কথায় বলতে গেলে ছোট পর্দায় কার্যত রাজ করছেন মৌনি৷ টিভি সিরিয়ালের পাশাপাশি তিনি এখন বড় পর্দাতেও কাজ করতে শুরু করেছেন৷ এই বঙ্গ তনয়ার সৌন্দর্য্য যে কোন পুরুষের ক্রাশ হতে পারে৷ একই সঙ্গে বহু সুন্দরী ইর্ষার কারণও তার রূপ৷ দেখুন তেমনই কিছু ছবি৷
‘ওহ লাভলি’: পরনে হলুদ ধুতি আর খালি শরীরে সোশাল মিডিয়ায় মদন-ঝড়
মদন মিত্র নামেই বৈচিত্র৷ রাজনীতি ছাড়াও তাঁর নানা কীর্তিকলাপ সুপার ডুপার হিট৷ আর সোশ্যাল মিডিয়ায় আর পাঁচটা রাজনৈতিক নেতার চেয়ে অনেক বেশি জনপ্রিয় সবার ‘মদনদা’৷ আর সেই মদন মিত্রের স্যোশাল মিডিয়া শেয়ার করা ছিল রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছে৷ রইল সেই সমস্ত ছবি৷
টেকবাজার মাত করতে আসছে Realme 9 pro
টেক ডেস্ক: জনপ্রিয় মোবাইল সংস্থা রিয়েলমি আনতে চলেছে ‘রিয়েলমি-9’ এর প্রো সংস্করণ৷ যার দাম পড়বে 20 হাজারের কাছাকাছি৷ পিছনে এবং সামনের দিকে 108 এমপি মূল ক্যামেরাসহ স্মার্টফোনটি ডুয়াল সেলফি শ্যুটার সাপোর্ট করবে। রিয়েলমির এই ডিভাইসে একটি শক্তিশালী প্রসেসর কনফিগারেশন এবং দুর্দান্ত ব্যাটারি সেটআপও রেখেছে৷ যাতে গেমিং অভিজ্ঞতা ভালো হবে৷
ডিসপ্লে এবং ক্যামের: রিয়েলমি-9 প্রো ৬.৫ ইঞ্চি যুক্ত সুপার ডিসপ্লে রয়েছে৷ যার অ্যাসপেক্ট রেসিও 20:9 এবং 1080 x 2400 পিক্সেলের রেজুলেশন। স্মার্টফোনটির সামনে একটি বেজেল-লেস পাঞ্চ-হোল লেআউট রয়েছে৷ যা 405 পিক্সেল ঘনত্বের৷ একটি 108MP প্রধান ক্যামেরা ডিভাইসের পিছনে রাখা হয়েছে৷ সঙ্গে একটি 8MP আল্ট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল ক্যামেরা৷ একটি 5MP ম্যাক্রো লেন্স এবং আর একটি 2MP গভীরতার শুটার। রিয়ার ক্যামেরার কিছু বৈশিষ্ট্য হল LED ফ্ল্যাশ, ফেস ডিটেকশন, টাচ টু ফোকাস, ডিজিটাল জুম, কন্টিনিউয়াস শুটিং। রিয়েলমি 16MP মূল ক্যামেরা এবং একটি 2MP ক্যামেরা সহ সামনের দিকে দুটি সেলফি শুটার ক্যামেরা ফিচার রয়েছে ।
কনফিগারেশন এবং ব্যাটারি: রিয়েলমি 9 প্রো একটি 8GB র্যাম এবং কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন 730 চিপসেট রয়েছে৷ যাতে অক্টা-কোর Kryo 470 Dual-core 2.2GHz এবং Kryo 470 Hexa Core 1.8GHz প্রসেসর সেটআপ পাওয়া যাবে। একটি অ্যাড্রেনো 618 জিপিইউ গ্রাফিকাল যুক্ত। স্মার্টফোনটিকে শক্তিশালী করার জন্য একটি বড় 6000mAh অ-প্রতিস্থাপনযোগ্য ব্যাটারি রয়েছে। লি-পলিমার সেল দ্রুত চার্জিং প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
স্টোরেজ এবং কমিউনিকেশন: রিয়েলমি 9 প্রো 128GB অভ্যন্তরীণ স্টোরেজসহ লোড হয়৷ যা একটি মাইক্রোএসডি কার্ড ব্যবহার করে 256GB পর্যন্ত বাড়ানো যায়। মোবাইল হটস্পট, ওয়াই-ফাই, এ-জিপিএস, ব্লুটুথ v5.2 এবং ইউএসবি টাইপ-সি যুক্ত৷ আপনি এতে 4G VoLTE নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অডিও এবং ভিডিও কল করতে পারেন।
পারফরমেন্স- অক্টা কোর (2.2 GHz, ডুয়াল কোর + 1.8 GHz, হেক্সা কোর) স্ন্যাপড্রাগন 7308 GB RAM
ডিসপ্লে- 6.5 inches (16.51 cm) 405 PPI, সুপার AMOLED
ক্যামেরা- 108 + 8 + 5 + 2 MP চতুর্ভুজ প্রাথমিক ক্যামেরা LED Flash 16 MP + 2 Dual Front ক্যামেরা
ব্যাটারি- 6000 এমএএইচ দ্রুত চার্জিং ইউএসবি টাইপ-সি পোর্ট
Taliban 2.0: ছায়া মন্ত্রিপরিষদ ঘোষিত, নাম নেই দেরাদুন মিলিটারি একাডেমির শেরুর
প্রসেনজিৎ চৌধুরী: দ্বিতীয় দফার তালিবান ছায়া মন্ত্রিপরিষদ সরকার এখন আফগান তখত এ তাউসে (সিংহাসন) বিরাজমান। প্রত্যাশিত অনেক জঙ্গি নেতার মুখ নেই, তেমনই অপ্রত্যাশিতভাবে বুধবারের আগেই ঘোষিত হয়েছে এই জঙ্গি মন্ত্রিসভা। সবমিলে আফগানিস্তানে এখন Taliban 2.0 সরকারের যুগ।
নেপাল থেকে উত্তরবঙ্গ জুড়ে জঙ্গি জাল ছড়ানো নেতা, FBI তালিকাভুক্ত হাক্কানি নেটওয়ার্ক এখন আফগানিস্তানের সরকারি মুখ। পাক গুপ্তচর সংস্থার মদতপুষ্ট এই জঙ্গি সংগঠনটি।
মঙ্গলবার কাবুলে তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ জানায়, মোল্লা মহম্মদ হাসান আখুন্দকে প্রধানমন্ত্রী করে আফগানিস্তানে সরকার গঠন করেছে তালিবান। উপপ্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাজ করবে মোল্লা আব্দুল গনি বারাদার।
Read More: তালিবান সরকারের অংশীদার হাক্কানি নেটওয়ার্ক সক্রিয় নেপাল থেকে উত্তরবঙ্গে
তাৎপর্যপূর্ণ, তালিবান ২.০ কেয়ার টেকার সরকারে নেই ভারতে সামরিক প্রশিক্ষণ নেওয়া অন্যতম তালিবান জঙ্গি নেতা শের মহম্মদ আব্বাস স্তানিকজাই। এই জঙ্গি নেতা ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত প্রথম তালিবান সরকারের আমলে উপ প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিল।
তালিবান কেয়ার টেকার সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নেতা তথা পাকিস্তান মদতপুষ্ট হাক্কানি নেটওয়ার্কের প্রবীণ নেতা সিরাজউদ্দিন হাক্কানি। আর তালিবানের প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা ওমরের পুত্র মোল্লা মহম্মদ ইয়াকুবের নাম প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছে।
২০০১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আফগানিস্তানে অভিযানে কাবুলে তালিবান সরকারের পতন হয়। তার অন্যতম নেতা মোল্লা আখুন্দ। তবে তালিবান জানিয়েছে, এটা কেয়ার টেকার সরকার। এর অর্থ এই সরকারের মুখ দ্রুত পাল্টাবে। বুধবার আফগানিস্তানে তালিবান ২.০ সরকারের প্রথম কাজের দিন। আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের মুহূর্তে কোন কোন দেশ থাকবে উপস্থিত তাই চর্চিত।
‘আমি দিদির সেবক’ মন্ত্রে পুজোর পরেই লাগাতার বিসর্জনের সানাই শুনবে BJP
নিউজ ডেস্ক: ‘শুধু আসা আর যাওয়া…’। এই যাতায়াতের মাঝে একটি মন্ত্র গুঞ্জরিত বিরোধী দল বিজেপি (BJP) শিবিরে-‘আমি দিদির সেবক’। যাঁরা নির্বাচনের আগে তৃণমূলে থেকে দমবন্ধ হয়ে আসছিল তারাই এখন মমতা (Mamata Banerjee) শিবিরে যেতে মরিয়া। বিজেপি রাজ্য দফতরের হিসেবে দুর্গা পূজার দশমীর পরেই বিসর্জনের বাজনা বাজতে চলেছে। সূত্রের খবর, এক ডজন বিধায়ক তৃণমূল কংগ্রেসে যাচ্ছেন।
Read More: কয়লাকাণ্ডে ইডির জেরা শেষে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন অভিষেক
উপনির্বাচনের ফলাফল সরকারপক্ষে যাচ্ছে তাতে নিশ্চিত বিরোধী দল বিজেপি। রাজ্য নেতৃত্বের কাছে আরও নিশ্চিত খবর, বাঁকুড়ার শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউরির পক্ষত্যাগ। তিনি তৃণমূলে যাচ্ছেন-এমনই বার্তা এসেছে জেলা বিজেপি নেতৃত্বের তরফে। চন্দনা বাউরি সম্প্রতি বিতর্কিত ব্যক্তিগত বিষয়ে জড়িয়ে রাজ্যে নতুন করে আলোচিত। ভোটের আগে তাঁর নিম্নবিত্ত আটপৌরে জীবন ছিল তীব্র আলোচিত।

পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ বিজেপি চন্দনা বিসর্জনের দিন গুনছে। তেমনই ক্যালকুলেশন চলছে আর কে কে যাচ্ছেন তৃণমূল শিবিরে। সূত্রের খবর, উত্তরবঙ্গে বিরাট ধ্বস নামছে বিজেপিতে। পাল্লা দিচ্ছে দক্ষিণবঙ্গ।
বিধানসভা ভোটে ৭৭টি আসনে জিতে বিজেপি রাজ্যে অভূতপূর্ব সাফল্য পেয়েছে। প্রথমবার রাজ্যে এতবড় সফলতা ও বিরোধী দলের তকমা নিয়ে বিধানসভা ভবনে যাওয়ার পরেই আচমকা মুকুল রায়ের পক্ষত্যাগ আর তার পরেই শুরু তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান পালা। প্রদেশ বিজেপি নেতৃত্বের একাংশের ধারণা, যেভাবে ভোটের আগে হুড়মুড়িয়ে এসেছিল সবাই এখন বিসর্জন বাদ্যিতে যাওয়ার অপেক্ষা।
আপাতত বিজেপি বিধায়ক ৭১ জন। দুর্গা পুজোর পর ৫০ এর নিচেও চলে যাবে দলের শক্তি। পরিস্থিতি ঘোরতর। মুরলীধর সেন লেনের পক্ষে কাউকে আটকানোর ক্ষমতা নেই। কারণ জয়ী বিধায়কদের কেউ বিজেপি নন, ভিন্ন রাজনৈতিক দৃষ্টির সুযোগসন্ধানী।
শুভক্ষণে ইসলামাবাদের আশীর্বাদ নিয়েই কুর্সিতে বসবে তালিবান সরকার
নিউজ ডেস্ক: কাবুল সরগরম। মঙ্গলবার রাজপথে আচমকা পাকিস্তান বিরোধী আফগান জনতার মিছিল হয়ে গেল। সেই মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে তালিবান রক্ষীরা গুলি চালাল আকাশে। হুড়োহুড়ি করে পালাতে গিয়ে কয়েকজন জখম হয়েছেন।
বুধবার আফগানিস্তানে দ্বিতীয়বার সরকার গড়ার আনুষ্ঠানিক কাজ শেষ করতে মরিয়া তালিবান জঙ্গিরা। পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনার ভার নিয়েছে পাকিস্তানের সামরিক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। পাক গুপ্তচর প্রধান এখন কাবুলেই। তার নির্দেশে সরকারের মন্ত্রিপরিষদ গঠন চূড়ান্ত। ইসলামাবাদের আশীর্বাদ নিয়েই কাবুলে তালিবান সরকার তার কাজ শুরু করবে।
কী কাজ করবে তালিবান জঙ্গি সরকার ? প্রাথমিকভাবে স্থির হয়েছে সরকার শুরুর প্রথম দিন থেকেই শরিয়া আইনের কঠোর প্রয়োগ হবে আফগানিস্তানের সর্বত্র। ইতিমধ্যেই আফগান যৌনকর্মীদের মেরে ফেলার জন্য তালিকা তৈরি হয়েছে।
তবে বিশ্বকে কূটনৈতিক বার্তা দিয়ে চলেছে তালিবান। এর পিছনে আইএসআই বুদ্ধি রয়েছে বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলের। সরকার গড়ার অনুষ্ঠানে চিন, রাশিয়া, ইরান, পাকিস্তান, তুরস্কের মতো দেশগুলির কাছে গিয়েছে আমন্ত্রণপত্র। তাদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি হবে কিনা তা নিয়ে তীব্র আলোচনা চলছে।
ভারতের সঙ্গে তালিবান সরকারের সম্পর্ক কী হবে?উঠছে এই প্রশ্ন। তালিবান জঙ্গিদের দ্বিতীয় সরকারের অন্যতম এক মন্ত্রী হিসেবে ফের আলোচিত শের মহম্মদ আব্বাস স্তানেকজাই। আশির দশকে দেরাদুন মিলিটারি একাডেমির সেনা প্রশিক্ষণ নেওয়া ‘শেরু’ প্রথম দফার তালিবান সরকারের উপ প্রধানমন্ত্রী ছিল। এবারে তার কপালে বিদেশমন্ত্রক জুটতে পারে বলেই আলোচনা। তাকে সামনে রেখেই নয়াদিল্লিকে কূটনৈতিক বার্তা পাঠাবে তালিবান সরকার।
আফগানিস্তান এখন সম্পূর্ণরূপে তালিবান কব্জায়। এক পথের কাঁটা পঞ্জশিরের শাসক আহমেদ মাসুদ এখন কোনঠাসা। পঞ্জশির দখল করে হাঁফ ছেড়েছে তালিবান। গত ১৯৯৬-২০০১ প্রথম তালিবান সরকারের আমলে পঞ্জশির দখল করা সম্ভব হয়নি জঙ্গিদের পক্ষে।
তালিবানের পঞ্জশির উপত্যকা দখলের পর জরুরি বৈঠকে বসেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। সবার নজর পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই পরিকল্পনার দিকে। তাদেরই অঙ্গুলি হেলনে চলবে তালিবান সরকার। আফগানিস্তান এখন পাকিস্তানের সেফ জোন-বড় খুঁটি।
মিলিটারি জুন্টার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ, গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা মায়ানমারে
নিউজ ডেস্ক: ক্রমশ জটিল হচ্ছে মায়ানমারের (Myanmar) পরিস্থিতি। রাজধানী নাইপিডো সহ দেশের সমস্ত বড় শহরগুলিতে টহল দিচ্ছে সেনা। টেলিফোন এবং ইন্টারনেট সংযোগও বিচ্ছিন্ন। এই পরিস্থিতিতে এবার মিলিটারি জুন্টার উপর চাপ বাড়িয়ে যুদ্ধ ঘোষণা করল মায়ানমারের ‘বিদ্রোহী সরকার’ বা ‘ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট’।
আরও পড়ুন জাভেদের RSS-তালিবান তুলনায় এবার নিন্দায় শিব সেনাও
এক বছরের জন্য দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছে সেনাবাহিনী। এর প্রতিবাদে, গণতন্ত্রের দাবিতে শুরু থেকেই বিক্ষোভ দেখাচ্ছে মায়ানমায়ের জনগন। অন্যদিকে সেনাবাহিনীর হামলা ও নিপীড়ন চলছেই। সেনার গুলিতে মৃত্যু হয়েছে কয়েক হাজার মানুষের। ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি-র নেত্রী আং সান সু চি-সহ বেশ কয়েকজন শাসক-নেতাকে আটক করা হয়েছে। ফলে জুন্টা বিরোধী বিক্ষোভ রূপ নিয়েছে সশস্ত্র প্রতিরোধে।
আরও পড়ুন আফগান সংকটমোচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত মিলছে
আরও পড়ুন আফগানিস্তান: রাষ্ট্রসংঘের মানবিক বিষয়ক মহাসচিবের সঙ্গে তালিবান প্রতিনিধি দলের বৈঠক
গত বছরের নভেম্বরে নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয় আং সান সু চি-র নেতৃত্বাধীন এনএলডি। মায়ানমার সংসদের নিম্নকক্ষের ৪২৫টি আসনের মধ্যে ৩৪৬টিতে জয়ী হয় তারা। কিন্তু, রোহিঙ্গা ইস্যু থেকে শুরু করে একাধিক বিষয়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় সু কি সরকারের। নির্বাচনেও ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলে সেনা অভ্যুত্থান ঘটানো হয়।
ব্রিটিশ দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে মায়ানমারের। টানা সামরিক হামলার মুখে নিজেদের রক্ষা করতে বিভিন্ন গোষ্ঠী অস্ত্র হাতে তুলে নিচ্ছে। জুন্টা সরকারকে প্রত্যাখ্যান করে গড়ে ওঠা ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্টের (এনইউজি) নেতাদের বিভিন্ন কথায় গৃহযুদ্ধের আশঙ্কাই দেখা যাচ্ছে।
BREAKING: Acting President Duwa Lashi La of #Myanmar’s @NUGMyanmar gov announces that from today Sep 7, 2021 the defensive war against the military junta has been launched — urges the citizens to revolt against the junta in every corner of the country. #WhatsHappeningInMyanmar pic.twitter.com/o42nYJvm5n
— Cape Diamond (@cape_diamond) September 7, 2021
গণতন্ত্রকামীদের প্রবল বিক্ষোভের পর এবার বার্মিজ সেনার বিরুদ্ধে মোর্চা খুলেছে বেশ কয়েকটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন। সামরিক জুন্টার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের ডাক দিয়েছে বেশ কয়েকটি বিদ্রোহী সংগঠন। আন্দোলনে যোগ দিয়েছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী কারেনি আর্মি ও নতুন গঠিত কারেনি পিপলস ডিফেন্স ফোর্স (কেপিডিএফ)।
India welcomes ASEAN initiative on Myanmar & ‘Five-Point Consensus’. Our diplomatic engagements will be aimed at strengthening these efforts. We call for upholding the rule of law & release of detained leaders: India's Ambassador to UN on UNGA Adoption of resolution on Myanmar pic.twitter.com/rM4xJix8WW
— ANI (@ANI) June 19, 2021
কয়েকমাস আগেই মায়ানমারের সামরিক জুন্টার নিন্দায় প্রস্তাব পাশ হয় রাষ্ট্রসংঘে। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এটা শুধু ভারতের প্রতিবেশী দেশের অভ্যন্তরের বিষয় নয়। বরং এই ঘটনা প্রভাবে ফেলবে ভারতের বিদেশনীতির সুরক্ষা এবং কূটনীতিতে। ফলে আং সান সু কি-সহ আটক নেতাদের মুক্তির দাবিতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে সরব হয়েছে ভারত, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া-সহ বেশ কয়েকটি দেশ।
“ক্ষমতা দ্যাখাইতাস, তোমাদের ফ্যালাইয়া ফেরত যামু”, আগ্রাসী মানিকে উল্লসিত সুশান্ত, বঙ্গ বামে হেঁচকি
আগরতলা ও কলকাতা: এ কোন মানিক! যার প্রতিটা বাক্য থাকে সংযত সেই বর্ষিয়ান সিপিআইএম নেতা, ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার (Manik Sarkar) রাস্তায় নেমে সরকারপক্ষ বিজেপির উত্তেজিত সমর্থকদের ধমকে ঠান্ডা করছেন। ভাইরাল ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে মানিক সরকার কে আক্রমনাত্মক ভঙ্গীমায়। তিনি বলছেন, “ক্ষমতা দ্যাখাইতাস, তোমাদের ফ্যালাইয়া ফেরত যামু”।
ত্রিপুরার বর্তমান বিরোধী নেতা মানিক সরকারের এমন রূপ কেউ আগে দেখেইনি। বাম মহলে হই হই রব।পশ্চিমবঙ্গের বাম নেতারা রীতিমতো চমকে গেছেন তাঁদের ত্রিপুরার নেতা মানিক সরকারের আগ্রাসী রূপ দেখে। সিপিআইএম মহলে তীব্র আলোচিত হচ্ছে মানিক সরকারের অবস্থান।

বঙ্গ বামেদের মুখ চুন। জেলা মহকুমার সমর্থকরা পর্যন্ত নেতাদের মুন্ডপাত করছেন। অনেকেরই যুক্তি বুদ্ধবাবুর নরম মুখ দিয়ে দলকে শূন্যতে নামানো ছাড়া কিছুই হয়নি। অথচ ত্রিপুরাতেও দল সরকারে নেই। তবে বিরোধী নেতা মানিক সরকার যেভাবে হামলাকারীদের দিকে তেড়ে গেছেন তা নজিরবিহিন ঘটনা। পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে এমন কেন করেনা নেতারা, প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
সূত্রের খবর, মানিক সরকারের রূদ্র রূপ দেখে প্রবল উল্লসিত সিপিআইএমের আগ্রাসী নেতা সুশান্ত ঘোষ। ২০১১ সালে বাম সরকার পতনের পর বেনাচাপড়া কঙ্কাল কাণ্ডে জড়িয়ে জেলে গিয়েছিলেন সুশান্তবাবু। তবে তিনি আইনি জটিলতা কাটিয়ে ফের পশ্চিম মেদিনীপুরে ফিরেছেন। দল চাঙ্গা হলেও ভোটে সুশান্তবাবু হেরেছেন। সূত্রের খবর,আসন্ন দলীয় রাজ্য সম্মেলনে সুশান্তবাবুর হামলা হবে বুদ্ধদেব ঘনিষ্ট ‘নরম’নেতাদের উপর। আগেই ‘বামফ্রন্ট জমানার শেষ দশবছর’ বইতে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের দূর্বল প্রশাসনিক কাজের প্রবল সমালোচনা করেছেন সুশান্ত ঘোষ।
ঘটনা সোমবারের। ত্রিপুরার বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার নিজের কেন্দ্র ধনপুরে সভা করতে গিয়েছিলেন। তাঁর কনভয় আটকে দেয় বিজেপি। শুরু হয় হামলা। গাড়ি থেকে নেমে মানিক সরকার পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মীদের বারবার বলেন পরিস্থিতি সামাল দিতে। অভিযোগ, পুলিশ নীরব ভূমিকা নেয়। এর পরেই মানিকবাবু সরাসরি হামলাকারীদের দিকে আঙুল তুলে শাসানি দেন।
পাক্কা স্থানীয় বাচনে( সিলেটি উচ্চারণ ) মানিক সরকার বিজেপি সমর্থকদের বেশি বাড়াবাড়ি না করার হুঁশিয়ারি দেন। এদিকে মানিকবাবুকে ঘিরে রাখে বিজেপি সমর্থক ও পুলিশ। তাদের মাঝখান থেকে নেতাকে ছিনিয়ে আনেন বাম সমর্থকরা। মানিক সরকারের রুদ্র রূপ দেখে উত্তেজিত সিপিআইএম কর্মীরা দলীয় ঝাণ্ডার বাঁশ নিয়ে তেড়ে যান। সেই হামলায় বিজেপি সমর্থকরা জখম হন। বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের পর ঘেরাও কেটে মানিক সরকারকে নিয়ে টানা ৫ কিলোমিটার মিছিল করে সিপিআইএম।
ধনপুরের সভা থেকে রাজ্য সরকার, বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন মানিকবাবু। তিনি চারবারের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। সেই প্রসঙ্গ টেনে এনে বলেন, রাজ্যে গণতন্ত্র ধ্বংস হয়েছে। মানিকবাবুর অভিযোগ, কেউ একজন ফোন করে পুলিশকে নির্বিকার থাকার নির্দেশ দিয়েছে। তাঁর লক্ষ্য সরকারের দুই শীর্ষ মন্ত্রীর দিকে তা স্পষ্ট।
মানিক সরকারের এমন রূপ দেখে পশ্চিমবঙ্গের সিপিআইএম মহলে প্রায় হেঁচকি তোলা পরিস্থিতি। তৃণমূলের বিরুদ্ধে এমন ভূমিকা কেন যে রাজ্যের প্রাক্তন বাম মুখ্যমন্ত্রী নেননি তাও সমালোচনায় উঠে আসছে। রাজ্য বাম শিবিরে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে হতাশার কয়েকটি বাক্য- ইস বাংলায় একজন মানিক সরকার নেই।
জাভেদের RSS-তালিবান তুলনায় এবার নিন্দায় শিব সেনাও
নিউজ ডেস্ক: তালিবান ইস্যুতেই মুখ খুলুক ভারতীয় মুসলিমসমাজ, বিরুদ্ধাচারন করুক আফগানিস্তানের অবস্থার। এই উদ্যোগই নিয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)। পড়শি দেশে তালিবানের ক্ষমতা দখল এবং তাতে ভারতের বিপদের সম্ভাবনার নিয়ে সোমবার দেশের মুসলিম সমাজের কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে মুম্বইয়ে বৈঠকে বসবেন RSS-প্রধান মোহন ভাগবত।
আরও পড়ুন প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকই হিন্দু, ইসলাম ধর্ম এসেছিল আক্রমণকারীদের সঙ্গে: RSS-প্রধান
যখন তালিবান ইস্যু নিয়ে নড়েচড়ে বসছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ, ঠিক তখনই আরএসএস’এর সঙ্গে তালিবানের তুলনা করলেন জাভেদ আখতার। তালিবান এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ একই কয়েনের দুটি পিঠ বলে কার্যত বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই দেশের প্রবীণ শিল্পীর মন্তব্য নিয়ে ইতিমধ্যেই উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া। শুধু নেটিজেনরাই নন, হাত জোড় করে জাভেদকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন বিজেপি নেতা রাম কদম।
আরও পড়ুন Afgan Updates: পঞ্জশির দখল পেতে তালিবান হয়ে পাকিস্তানি বিমান বাহিনীর ড্রোন হামলা
আরও পড়ুন আফগানিস্তান: রাষ্ট্রসংঘের মানবিক বিষয়ক মহাসচিবের সঙ্গে তালিবান প্রতিনিধি দলের বৈঠক
এবার শিব সেনাও তাদের দলীয় মুখপত্র ‘সামনা’য় জানিয়ে দিল, আরএসএস এবং তালিবানের মানসিকতা একই ধরনের বলা একেবারেই ভুল। ‘সামনা’য় লেখা হয়েছে, “আরএসএস হিন্দুত্বের নামে কোনও অন্ধ উন্মাদনাকে সমর্থন করেনি। গোমাংসের কারণে হত্যা করার মতো ইস্যুও তাঁরা সমর্থন করেনি।আপনি কীভাবে বলতে পারেন স্বয়ংসেবক সংঘের এবং তালিবানদের মানসিকতা একই রকম? ভারত হিন্দু প্রধান রাষ্ট্র হলেও ধর্মনিরপেক্ষ। আরএসএসের সঙ্গে তালিবানের তুলনা করা ঠিক নয়। আমরা তা সমর্থন করি না।”
Javed Akhtar compared Taliban with RSS because he is an atheist who only eats haIaI meat.
— desi mojito (@desimojito) September 5, 2021
https://twitter.com/AdvAshutoshDube/status/1434136441571926023?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1434136441571926023%7Ctwgr%5E%7Ctwcon%5Es1_c10&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.ekolkata24.com%2Flatest-news%2Fjaved-akhtar-lands-in-controversy-after-he-likens-rss-vhp-bajrang-dal-to-taliban%2F
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জাভেদ আখতার বলেন, ‘‘তালিবান যেমন ইসলাম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তেমন আর একদল মানুষও হিন্দু রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। এরা একই মানসিকতার। তালিবান বর্বর। যাঁরা আরএসএস, বজরং দলকে সমর্থন করেন, তারাও বর্বরই।” তাঁর এই মন্তব্যের পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন অনেকে।
আরও পড়ুন মিয়া খলিফা আসবে শুনে ভিড় করেছিলেন কৃষকরা: বিজেপি নেতা
এর আগে মহারাষ্ট্রের বিজেপি বিধায়ক জানিয়েছিলেন, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের মতো একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তালিবানের তুলনা করে জাভেদ অসংখ্য মানুষের ভাবাবেগে আঘাত করেছেন। স্বয়ংসেবক সংঘের কর্মীদের এবং অনুগামীদের কাছে বলিউডের প্রবীন শিল্পী ক্ষমা না চাইলে ভারতের মাটিতে তাঁর একটি ছবিও মুক্তি পাবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলে তিনি। এবার শিব সেনার মুখেও একই সুর শোনা যাওয়ায় মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়েই কার্যত প্রশ্ন উঠে গেল। বিজেপি-শিব সেনার আবার কাছাকাছি আসার ঈঙ্গিতও পাচ্ছেন অনেকে।
আরও পড়ুন তালিবানদের বিরুদ্ধে সরব হোক দেশের মুসলিমরা: RSS
প্রসঙ্গত, তালিবানরা আফগানিস্তান দখল করার পর সে দেশের প্রায় প্রতিটি প্রান্তেই কায়েম হচ্ছে শরিয়তি আইন। ইসলামের আদেশ অনুসারেই চলছে দেশ। ২০০১ সালের আগে তালিবান যখন আফগানিস্তান শাসন করত, তখনও তারা কঠোর শরিয়া আইন জারি করেছিল। এবারেও আগের ছবিই দেখা যাচ্ছে গোটা দেশ জুড়ে।




























