কৃষক বিক্ষোভ: প্রবল উত্তপ্ত হরিয়ানা, ইন্টারনেট বন্ধ, মমতাকে বনধ সমর্থনের আহ্বান

Farmers Protest

নিউজ ডেস্ক: কৃষক বিক্ষোভের জেরে হরিয়ানার বহু এলাকা সীমানা ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন। মঙ্গলবার বিক্ষোভকারী কৃষকদের মহাপঞ্চায়েত ঘিরে উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন জেলাতেও প্রবল উত্তেজনা। দুটি রাজ্যেই বিজেপি ক্ষমতাসীন। তবে কৃষক বিক্ষোভের কেন্দ্র কার্নাল হরিয়ানার মধ্যে। সেখানেই জমায়েত।
পরি

স্থিতি সামাল দিতে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টার পাঁচটি জেলায় ইন্টারনেট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। এর জেরে আরও উত্তাপ ছড়িয়েছে। কেন্দ্রের মোদী সরকারের কৃষি নীতির বিরোধিতায় আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ভারত বনধ পালন করবে কৃষক সংগঠনগুলি।

আন্দোলন বন্ধ হবে না। সরকারকে বিতর্কিত কৃষি আইন বাতিল করেই ছাড়ব। এমনই জানিয়েছেন সর্বভারতীয় কৃষক নেতা উলুবেড়িয়ার প্রাক্তন বাম সাংসদ হান্নান মোল্লা। পশ্চিম ভারতের কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েতের হুঙ্কার বিজেপি সরকার পড়ে যাবে হরিয়ানা ও উত্তর প্রদেশে।

Farmers Protest

আন্দোলনরত কৃষকদের যৌথ মঞ্চ কৃষক সংঘর্ষ সমিতির তরফে বার্তা পাঠানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। সর্বভারতীয় কৃষক নেতৃত্বের দাবি, মমতা যখন বিজেপি বিরোধী নেত্রী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরছেন, তাহলে কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে ধর্মঘটে অংশ নিন।

পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার ২০১১ সালে সরকার গড়ার পরেই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ঘোষণা করেন, তাঁর সরকার বনধ সমর্থন করবে না। গত দুটি মেয়াদে টানা সরকার চালিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস একবারও বনধ ডাকেনি। বিরোধীদের ডাকা বনধ রুখতে রাস্তায় থেকেছে টিএমসি সমর্থকরা।

কৃষক সংগঠনগুলির ডাকা ভারত বনধ ঘিরে উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ডে ব্যাহত হবে জনজীবন এমনই মনে করা হচ্ছে। বিহার, মধ্যপ্রদেশ, তামিলনাডু, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটকেও বনধের প্রভাব পড়তে চলেছে। মহারাষ্ট্রে ব্যাপক প্রভাব পড়বে বলেই ধারণা।

বনধের সমর্থন করছে সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস, সিপিআইএম, সিপিআই, শিবসেনা, ডিএমকে, শিরোমনি আকালি দল। দিল্লির সরকারে থাকা আম আদমি পার্টি কী অবস্থান নেয় তাও লক্ষ্যণীয়। দলনেতা তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালের নজরে পাঞ্জাবের নির্বাচন। তিনিও ঝুঁকি নেবেন না বলেই মনে করা হচ্ছে।

এর পরেই আসছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। কৃষক আন্দোলনে সমর্থন দেওয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি বনধ সমর্থন করবেন? কলকাতা থেকে দিল্লি, লখনউ সর্বত্র এই প্রশ্ন।

কৃষক আন্দোলনের ধাক্কায় হরিয়ানার সরকার টলমল করছে।হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টার কৃষক আন্দোলনের প্রবল বিপক্ষে। তবে তাঁর সরকারেই লেগেছে ভাঙন আতঙ্ক। শরিকদলগুলি রুষ্ঠ। এই সুযোগে তাল ঠুকছে বিরোধী কংগ্রেস।

Durand Cup: প্রাচীনতম ডুরান্ড কাপ, সীমান্তরেখায় মিশে আছে ‘তালিবানিস্তান’ ও পাকিস্তান

Durand trophy

ওপারে আফগানিস্তান, এপারে পাকিস্তান। মাঝে রয়েছে এমন একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট-ডুরান্ড কাপ (Durand Cup), যাকে ঘিরে ফুটবল মক্কা কলকাতা হয় সরগরম।

The post Durand Cup: প্রাচীনতম ডুরান্ড কাপ, সীমান্তরেখায় মিশে আছে ‘তালিবানিস্তান’ ও পাকিস্তান appeared first on Kolkata24x7 | Bangla News | Latest Bengali News.

‘প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকই হিন্দু, ইসলাম ধর্ম এসেছিল আক্রমণকারীদের সঙ্গে’: RSS-প্রধান

নিউজ ডেস্ক: তালিবান জঙ্গি সংগঠন কী না সেই বিষয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করা উচিত। দিনকয়েক আগেই এই দাবি তুলেছিলেন মজলিশ-ই-ইত্তেহাদুল মুসলেমিন (মিম) প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি৷ এবার সেই তালিবান ইস্যুতেই মুখ খুলুক ভারতীয় মুসলিমসমাজ, বিরুদ্ধাচারন করুক আফগানিস্তানের অবস্থার। এই উদ্যোগই নিল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)।

আরও পড়ুন তালিবানদের পঞ্জশির দখলের নেপথ্যে কি পাক বাহিনী?

পড়শি দেশে তালিবানের ক্ষমতা দখল এবং তাতে ভারতের বিপদের সম্ভাবনার নিয়ে সোমবার দেশের মুসলিম সমাজের কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে মুম্বইয়ে বৈঠকে বসেছিলেন RSS-প্রধান মোহন ভাগবত। যদিও শুধু তালিবান এবং ভারত নয়, আলোচনার মূল উদ্দেশ্য ছিল কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে কথা বলা।

আরও পড়ুন ২৫০০ বছরের অজেয় পঞ্জশিরের পতন, উড়ল তালিবান পতাকা


আরও পড়ুন আফগানিস্তান: রাষ্ট্রসংঘের মানবিক বিষয়ক মহাসচিবের সঙ্গে তালিবান প্রতিনিধি দলের বৈঠক

সেখানেই বিতর্কিত মন্তব্য করলেন সংঘ প্রধান। দেশের হিন্দু-মুসলমানদের পূর্বপুরুষ এক। প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকই হিন্দু। ইসলাম ধর্ম এসেছিল আক্রমণকারীদের সঙ্গে। হিন্দুরা কারও সঙ্গে শত্রুতা করে না। সকলের ভাল চায়। এখানে ভিন্নমতের অনাদর হয় না। এর আগেও এই মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন সংঘ প্রধান।

বিজেপির নেতৃত্বাধীন গোয়া, মণিপুর, উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ড-সহ পাঁচ রাজ্যে ভোট আসন্ন। তা নিয়েও দু’দিনের দীর্ঘ বৈঠক হয়েছে নাগপুরের সংঘের দফতরে। গত বছরের নভেম্বর থেকে কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে দিল্লির সীমানায় আন্দোলনে বসে রয়েছেন কৃষকেরা। মূলত পঞ্জাব এবং পার্শ্ববর্তী রাজ্যের ওই কৃষকদের বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হবে তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচন হয়েছিল সংঘের সদর দফতরে।

আরও পড়ুন ত্রিপুরা: মমতার টার্গেট কংগ্রেস ভোট! সন্তোষমোহন কন্যা সুস্মিতায় আপ্লুত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পরিবার

তারপরেই দেশের মুসলিম সমাজের বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন তিনি। ‘রাষ্ট্র প্রথম-রাষ্ট্র সর্বোপরি’ শীর্ষক ওই আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান, কাশ্মীর কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য তথা প্রাক্তন লেফটেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আটা হুসেনের মতো বিশিষ্ট মানুষেরা।

আফগানিস্তানে তালিবানের ক্ষমতা দখল ভারতে যাতে প্রভাব না ফেলে, সে জন্য শিক্ষিত মুসলিম সমাজকে এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করেছেন মোহন ভাগবত। সেখানেই তিনি দাবি করেন, প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকই হিন্দু। দেশের হিন্দু-মুসলমানদের পূর্বপুরুষ এক। যদিও এর মাধ্যমে বিভেদ নয়, দেশের মানুষদের ঐক্যকেই তুলে ধরতে চেয়েছেন সংঘ প্রধান বলেই মনে করছেন দেশের বিশিষ্টজনেরা।

কয়লাকাণ্ডে ইডির জেরা শেষে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন অভিষেক

TMC General Secretary Abhishek Banerjee

নিউজ ডেস্ক: আপনার সঙ্গে লড়াই করব৷ সব রাজ্যে যাব৷ যে সব রাজ্যে আপনারা গণতন্ত্রের হত্যা করেছেন৷ আপনার যা পারা করে নিন৷ সোমবার ঠিক এই ভাষাতেই বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানালেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড তথা দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷

বাংলার কয়লা কাণ্ডে তদন্তের স্বার্থে সোমবার নয়াদিল্লিতে ইডি কার্যালয়ে হাজির হন অভিষেক৷ দিনভর তদন্তকারীদের জেরা শেষে সন্ধে নাগাদ তিনি বেরিয়ে আসেন৷ তারপরেই রনং দেহি মুর্তি ধারণ করেন তৃণমূল সাংসদ৷ তিনি বিজেপিকে উদ্দেশ্য করে সংবাদমাধ্যমের কাছে বলেন, আপনার সঙ্গে লড়াই করব৷ সব রাজ্যে যাব৷ যে সব রাজ্যে আপনারা গণতন্ত্রের হত্যা করেছেন৷ আপনার যা পারা করে নিন৷ তিনি আরও বলেন, আগামী নির্বাচনে বিজেপিকে তৃণমূল কংগ্রেস হারাবে৷ আমি আমার জীবন দিয়ে, জীবনকে বাজি রাখব. তবুও মাথা নত করব না৷’ স্বাভাবিকভাবেই এদিন ইডির জেরা শেষে বেশ উজ্জীবিত এবং উত্তেজনা দেখা গিয়েছে অভিষেকের বডি ল্যাঙ্গুয়েজে৷

কয়লা কেলেঙ্কারির মামলায় অর্থ পাচারের অভিযোগে তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাউপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) এদিন সকালে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট অফিসে পৌঁছান৷ নয়াদিল্লির ইডি কার্যালয়ে পৌঁছে সংবাদমাধ্যমকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইডির জারি করা নোটিশের ভিত্তিতে সোমবার তিনি হাজির হয়েছেন। অভিষেক বলেন, তদন্তে তিনি কেন্দ্রীয় সংস্থাকে পুরোপুরি সহযোগিতা করবেন।

দিল্লি যাওয়ার আগে অভিষেক বলেছিলেন, তিনি যেকোনও ধরনের তদন্তের জন্য প্রস্তুত। তবে কবে থেকে তদন্ত শুরু হবে, সে বিষয়ে কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। বলা হচ্ছে, অভিষেককে দ্বিতীয়ার্ধে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এর আগে তাঁর স্ত্রীকেও এজেন্সি ডেকেছিল৷ কিন্তু তিনি করোনা মহামারীর কথা উল্লেখ করে বাড়িতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনুরোধ করেছিলেন।

ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, যদি কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা তাঁর বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে কোনও অবৈধ লেনদেনে জড়িত থাকার প্রমাণ দেয়, তবে তিনি নিজেকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেবেন। একই সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন, রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর বিজেপি রাজনৈতিক প্রতিশোধ নিচ্ছে।

তদন্তের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি যেকোন তদন্তের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। যদি তারা আমার বিরুদ্ধে প্রমাণ দিতে পারে, তাহলে ইডি এবং সিবিআই ব্যবহার করার দরকার নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন, তারা টিএমসির সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে লড়াই করতে পারে না, তাই এখন তারা প্রতিহিংসার রাজনীতিতে এসেছে। তারা তাদের রাজনৈতিক স্বার্থকে আরও এগিয়ে নিতে তদন্তকারী সংস্থাগুলোকে ব্যবহার করছে।

এর আগে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, কেন্দ্রীয় সরকার তাঁর ভাইপো অভিষেকের বিরুদ্ধে কয়লা কেলেঙ্কারির মামলায় তদন্ত সংস্থা ব্যবহার করছে৷ যাতে বিজেপির পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়া যায়।

বিজেপির ‘হামলা’ রুখে বামেদের ‘আক্রমণ’, মানিকের দাবি কর্মীরা ‘হিরো-হিরোইন’

Manik Sarkar

নিউজ ডেস্ক: আপনারাই হিরো-হিরোইন! মানিক ভাষণে চমকে গিয়েছে ত্রিপুরা। সাম্প্রতিক অতীত তো বটেই, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এমন প্রথাভাঙা ভাষণ কবে দিয়েছেন বর্ষীয়ান সিপিআইএম নেতা তথা ত্রিপুরার বর্তমান বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার (Manik Sarkar) তা নিয়ে তুুমুল চর্চা আগরতলার রাজনৈতিক মহলে। ত্রিপুরা সিপিআইএম রাজ্য দফতর দশরথ দেব ভবন সরগরম। শাসক বিজেপির সদর কার্যালয় কৃষ্ণনগরে গুঞ্জন মানিক সরকারের ভাষণ নিয়ে।

প্রথা ভাঙলেন মানিক। রাজনৈতিক ভাষণই হোক বা যে কোনও মন্তব্য ত্রিপুরার চারবারের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার মেপে কথা বলেন। তাঁর বক্তব্যরীতি অনেকটা পশ্চিমবঙ্গের প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর সঙ্গে মিলে যায়। গাম্ভীর্যপূর্ণ মন্তব্য করতেন জ্যোতিবাবু।

সোমবার নিজের বিধানসভা কেন্দ্র ধনপুরে যেতে গিয়ে ত্রিপুরার বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার বিজেপি সমর্থকদের হামলার মুখে পড়েন। তাঁকে এলাকায় ঢুকতে না দিতে শাসক দলের সমর্থকরা বিক্ষিপ্ত হামলা চালায়। এর পরেই স্থানীয় সিপিআইএম সমর্থকরা তেড়ে যান হামলাকারীদের দিকে। দলীয় পতাকাকে লাঠি করে নিয়ে বিজেপি সমর্থকদের উপর চড়াও হয় বাম সমর্থকরা।

ভাইরাল হওয়া ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে সিপিআইএম সমর্থকরা প্রবল আস্ফালন করছে। তাদের হামলায় পালাচ্ছে মানিকবাবুকে ঘেরাও করা বিজেপির সমর্থকরা। সিপিআইএমের অভিযোগ, পুলিশকে জানিয়ে গেলেও তারা বিজেপির হামলার সময় নীরব ছিল।

বাম সমর্থকদের হামলায় বহু বিজেপি সমর্থক এলাকাছাড়া। ভিডিও দেখে হামলার সময় কারা ছিল তাদের চিহ্নিত করছে সিপিআইএম। বিজেপির অভিযোগ, পুরনো কায়দায় সন্ত্রাস চালাচ্ছে বামেরা।

মানিক সরকারের কনভয় আক্রান্ত, পাল্টা বাম কর্মীদের আক্রমণ সবমিলে ত্রিপুরা উত্তপ্ত। শুধু মানিকবাবুর কেন্দ্র ধনপুর নয়, আরও কয়েকটি এলাকায় বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ছড়িয়েছে বলেই খবর।

ধনপুর থেকেই পরপর চরবার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন মানিক সরকার। গত বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিপুরায় বামফ্রন্টের পতন হয়। সরকার গড়েছে বিজেপি আইপিএফটি জোট। মানিকবাবু জিতেছেন। তিনি বিরোধী দলনেতা।

সেই ধনপুরেই মানিক সরকার হামলার পরে সভা করেন। তিনি বাম কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা হিরো-হিরোইনের মতো ভূমিকা নিয়েছেন। তাঁর ভাষণে এমন ধরণের শব্দের জেরে রাজনৈতিক হাওয়া গরম।
সম্প্রতি আগরতলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের মতো ত্রিপুরায় সরকার হারিয়ে সিপিআইএম এখন পিঁপড়ের মতো অবস্থা।

বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ধৃত জামাত ইসলামির শীর্ষ নেতারা

Dhaka Police

নিউজ ডেস্ক: আচমকা তোলপাড় বাংলাদেশ (Bangladesh)। ঢাকা (Dhaka)মহানগর পুলিশের ঝটিকা অভিযানে গোপন বৈঠকে অংশ নেওয়া জামাত ইসলামির (Jamaat e Islami) সেক্রেটারি জেনারেল সহ ৭ শীর্ষ নেতা ধৃত। বাংলাদেশের জামাত ইসলামি সংগঠনটি ১৯৭১ সালে দেশটির স্বাধীনতার লড়াইয়ের তীব্র বিরোধিতা করে। তৎকালীন সময়ে পাকিস্তান সরকারের সেনার হয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের খুন ও একাধিক শিউরে ওঠা গণহত্যায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত এই দলটি।

ঢাকা মহানগর পুলিশ জানাচ্ছে, গোপনে রাষ্ট্র ও সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক বৈঠক করছিল জামাত নেতৃত্ব। তারা দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে গোপনে একত্রিত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত হয়েই অভিযান চালিয়ে ৯ জনকে আটক করা হয়েছে। 

top Jamaat e Islami leaders of bangladesh arrested

জামাত ইসলামি সংগঠনটির পূর্বতন শীর্ষ নেতৃত্বের বেশ কয়েকজনকে আগেই ফাঁসি দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। তাদের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শিউরে ওঠা গণহত্যা ও গণধর্ষণের অভিযোগ ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যালে প্রমাণ হওয়ার পর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

পরপর নেতৃত্বের মৃত্যুদণ্ডে বাংলাদেশ জামাত ইসলামি কার্যত নেতৃত্বহীন হয়েছিল। তবে সংগঠনটি ফের নতুন নেতৃত্বকে নিয়ে আসে। এই পর্যায়ে জামাতের কেন্দ্রীয় কমিটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ। সোমবার এই দুই শীর্ষ জামাত নেতা সহ মোট ৭ জনকে ঢাকার বসুন্ধরা এলাকার একটি অফিসে বৈঠক করার সময় গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ঢাকা মহানগর পুলিশ জানিয়েছে, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত একটি বাড়িতে জামাত ইসলামি সমর্থিত শ্রমিক সংগঠনের একটি অফিস আছে। ওই অফিসে জামাতের কেন্দ্রীয় কমিটির কয়েকজন নেতা গোপন বৈঠক করছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ওই অফিসটি ঘিরে ফেলে। অভিযান চালিয়ে নেতাদের আটক করা হয়। কয়েকজন পালিয়ে যায়। ধৃত জামাত নেতাদের প্রায় সবার বিরুদ্ধেই বিভিন্ন সময়ে ভাঙচুর ও নাশকতার মামলা রয়েছে।

শেখ হাসিনার কাছে নিরাপত্তা চাইলেন মাদক মামলায় জেল খাটা পরীমণি

bngladeshi actress porimoni

নিউজ ডেস্ক: জীবন বিপন্ন হতে পারে, তাই ভীত। অনেকটা এমনই বার্তা দিয়ে বাংলাদেশের ও টলিউডের অতি আলোচিত নায়িকা পরীমণি (সামসুন্নাহার স্মৃতি) নিরাপত্তা চাইলেন শেখ হাসিনার কাছে। সম্প্রতি মাদক মামলায় তিনি জেল খেটে জামিনে বাড়ি ফিরেছেন। পরীমণির (Parimoni) মাদক ব্যবসার জাল টলিউডে ছড়িয়ে আছে। তদন্তে এমন ইঙ্গিত দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।

সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে বাংলাদেশের প্রধানত শেখ হাসিনাকে দেশমাতা উল্লেখ করে পরীমণি লিখেছেন, ‘দেশমাতা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন! রাস্তায় মানুষগুলোও এত অনিরাপদ না। একবার একটু দেখেন না আমার দিকে, কী করে বেঁচে আছি।’

গত ৪ আগস্ট পরীমণিকে তার ঢাকার অভজাত এলাকা বনানীর ফ্ল্যাট থেকে নাটকীয় অভিযানের পর গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ ও র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। অভিযানের পর অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ইয়াবা মাদক, এলএসডি, মদ ও আইস মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়।

bngladeshi actress porimoni

তল্লাশিতে পরীমণির ফ্ল্যাট থেকে বিকৃত যৌন রুচির সরঞ্জাম ও প্রচুর অশ্লীল ছবি সহ প্রভাবশালীদের নামের তালিকা মিলেছে বলে জানিয়ে দিয়েছে পুলিশ। অভিযোগ, পরীমণি তার প্রভাব খাটিয়ে মাদক ব্যবসা চালাচ্ছে। তদন্তে ঢাকার কয়েকজন উঠতি নায়িকা ও মডেল ধরা পড়ে। এর পরেই আদালতের নির্দেশে পরীমণিকে জেলে পাঠানো হয়। টানা ২৭ দিন ঢাকার জেলে ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী।

মাদক মামলায় জেলে যাওয়ার আগে পরীমণি তাঁর ফ্ল্যাটে চাঞ্চল্যকর সাংবাদিক সম্মেলন করেন। তিনি কাঁদতে কাঁদতে অভিযোগ করেছিলেন, ঢাকার অভিজাত উত্তরা বোট ক্লাবে তাঁকে ধর্ষণ ও খুনের চেষ্টা করা হয়েছিল। পরীমণির অভিযোগ বোট ক্লাবের ভিতরে প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও রাজনীতিক নাসিরউদ্দিনের নির্দেশে হামলা হয়।

অভিযুক্ত নাসিরউদ্দিন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা। তিনি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। পরীমণির অভিযোগের ভিত্তিতে নাসিরুদ্দিনকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ। তিনি জামিনে জেল থেকে বেরিয়ে পরীমণির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করবেন বলে হুমকি দেন। এর পরেই পরীমণির ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় ব়্যাব বাহিনী। উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ মাদক।

তালিবানদের পঞ্জশির দখলের নেপথ্যে কি পাক বাহিনী?

The Panjshir Valley, the only area not taken by the Taliban or any invading force

নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানের (Afghanistan) শেষ জঙ্গি বিরোধী এলাকার পতন হয়েছে। দেশটির নিয়ন্ত্রক তালিবান (Taliban) জঙ্গিরা প্রবল ক্ষয়ক্ষতি স্বীকার করে অবশেষে পঞ্জশির উপত্যকার (Panjshir valley) গভর্নর হাউসে নিজেদের পতাকা উড়িয়ে দিল।

আরও পড়ুন আফগানিস্তান: রাষ্ট্রসংঘের মানবিক বিষয়ক মহাসচিবের সঙ্গে তালিবান প্রতিনিধি দলের বৈঠক

দীর্ঘদিন ধরে পঞ্জশির তালিবানদের দখলমুক্ত ছিল। অবশেষে তা দখল করেছে আফগানিস্তানি জঙ্গি সংগঠন। তারপরেই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর প্রধান, লেফটেন্যান্ট জেনারেল হামিদ ফায়েজের তদারকিতে কয়েক হাজার পাক সেনা পঞ্জশিরে মুজাহিদিনদের বিরুদ্ধে তালিবানকে এই সাফল্য এনে দিয়েছে।

আরও পড়ুন High Alert: ভারত-আফগানিস্তান সীমান্তে স্যাটেলাইট বিমানঘাঁটি সক্রিয় করল পাকিস্তান


আরও পড়ুন শরিয়তি আইনে চলা আফগানিস্তান থেকে উইঘুর মুসলিমদের চিনে পাঠাবে তালিবান

এর আগে একাধিক নিহত তালিবানি যোদ্ধার কাছ থেকে পাকিস্তানি সেনার পরিচয়পত্র উদ্ধার করেছিল নর্দার্ন অ্যালায়েন্স। পাকিস্তানি সেনার ‘নর্দার্ন লাইট ইনফ্যান্ট্রি’ (এনএলআই) এবং এলিট ‘স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপ’ (এসএসজি) কমান্ডোরাই তালিবানিদের হয়ে লড়ছেন বলে জানিয়েছে বহু সংবাদমাধ্যাম। একই অভিযোগ করেছন নর্দার্ন অ্যালায়েন্সের নেতা আহমেদ মাসুদও।

আরও পড়ুন Afgan Updates: পঞ্জশির দখল পেতে তালিবান হয়ে পাকিস্তানি বিমান বাহিনীর ড্রোন হামলা

পঞ্জশির বরাবর তালিবান বিরোধী এলাকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই এলাকার শাসক আহমেদ মাসুদ (Ahmed Masud) এখনও লড়াই চালাচ্ছেন। তাঁর আফগান রেজিস্টেন্স বাহিনি রবিবার রাতে প্রবল প্রত্যাঘাতে তালিবান জঙ্গিদের ছিন্নভিন্ন করে দেয়।কিন্তু সোমবার সকালেই মাসুদ বাহিনীর কমান্ডার ও মুখপাত্রের মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত হয়। এর পর আহমেদ মাসুদের তরফে গেরিলা হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়। পঞ্জশিরের বড় অংশ এখন তালিবান জঙ্গি কবলিত। তবে গেরিলা হামলা চলছেই।

কাবুল থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার দূরে পঞ্জশির দখলে তালিবান প্রথম সাফল্য পেল। আশঙ্কা পঞ্জশিরের শাসক আহমেদ মাসুদ ও অপসারিত আফগান সরকারের স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট আমরুল্লাহ সালেহ যে কোনও মুহূর্তে মারা যেতে পারেন। আফগান রেজিস্টেন্স ফোর্স জানিয়েছে লড়াই চলবে।

ত্রিপুরার ‘কমরেড’দের মারকাটারি ইমেজে ‘হাই তোলা’ ভুলে গেলেন বঙ্গ বাম নেতৃত্ব

Manik Sarkar

আগরতলা ও কলকাতা: ফোনটা আসতেই ঝিমুনি কাটল বঙ্গ বামেদের ‘লেনিনগ্রাদ’ আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের নিঝুম মুজফ্ফর আহমেদ ভবনে। বন্ধ হয়ে গেল হাই তোলা !

ততক্ষণে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে ত্রিপুরার (Tripura) বিরোধী দলনেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের (Manik Sarkar) কনভয় ঘিরে হামলার খবর। অভিযুক্ত বিজেপি। তবে সেইসব ভাইরাল ছবিতেই দেখা গিয়েছে, বাম সমর্থকরা তেড়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর শুরু করেছেন। বঙ্গ বাম নেতারা দেখলেন ত্রিপুরার ‘কমরেড’রা কেমন ‘রণংদেহী’ ইমেজ নিয়েছেন।

Read More: বারবার নিজ কেন্দ্রেই কেন আক্রান্ত মানিক সরকার, সিপিআইএমে ‘জমি’ হারানোর উদ্বেগ

পশ্চিমবঙ্গে ২০১১ সালে বামেরা সরকার থেকে চলে যেতেই নেতারা ঘরমুখো হন। ন্যুনতম শক্তিটুকু নেই। এমনই অবস্থা যে তৃণমূল কংগ্রেসের সামনে মাথা তুলে দাঁড়ানোর সাহসটুকু নেই। অভিযোগ, সরকার চলে যেতেই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য নিজেকে ‘ঘরবন্দি’ করে নেন। সেই ‘পলায়ন ভাইরাস’ গোটা বঙ্গ বামকে একেবারে গিলে নিয়েছে গত দশ বছরে। নেতৃত্বের দূর্বলতা দলীয় সমর্থনের বড় অংশ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরোধিতায় বিজেপিকে বেছে নেন। ফলাফল স্পষ্ট, রাজ্যে বামেরা শূন্য বিধানসভায়। বিজেপি প্রধান বিরোধী দল। তবে বিপুল শক্তি নিয়ে টানা তিনবার সরকার গড়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Manik Sarkar

ত্রিপুরায় সিপিআইএমের টানা ২৫ বছরের সরকার পতন হয় ২০১৮ সালে। উত্তর পূর্বাঞ্চলের এই বাংলাভাষী প্রধান রাজ্যে এখন বিজেপি -আইপিএফটি জোট সরকার। বিরোধী বাম। অভিযোগ, গত চার বছরে রাজ্যে বিরোধীরা প্রবল আক্রান্ত। তবে প্রশাসন নির্বিকার। রাজনৈতিক হামলায় বিজেপি যে নিজের মুখ পোড়াচ্ছে তার সমালোচনা করেছেন বিজেপিরই গুরুত্বপূর্ণ বিধায়ক তথা প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায়বর্মণ।

Read More: ত্রিপুরা: মমতার টার্গেট কংগ্রেস ভোট! সন্তোষমোহন কন্যা সুস্মিতায় আপ্লুত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পরিবার

ত্রিপুরায় বারবার আক্রান্ত হয়েও বিরোধী দল সিপিআইএম বঙ্গ কমরেডদের ঘরবন্দি হয়ে ‘পলায়ন ভাইরাস’ জ্বরে আক্রান্ত হয়নি। সরকার হারিয়ে মানিকবাবু রাস্তায় নেমে গণআন্দোলনে অংশ নেন নিয়মিত। রাজ্য জুড়ে তাঁর দলের কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছেন। ফলাফল বলছে, বামেরা কোনও দেশব্যাপী ধর্মঘট বা বিক্ষোভ কর্মসূচি নিলে পশ্চিমবঙ্গে টিএমসির দাপটে তেমন প্রভাব পড়েনা। কিন্তু ত্রিপুরায় বিজেপির দাপট উড়িয়েই সম্পূর্ণ সফল হয়। দুপক্ষের সংঘর্ষ হতেই থাকে। তেমনই ঘটনার কেন্দ্র রাজ্যের অতি গুরুত্বপূর্ণ সোনামুড়া মহকুমার ধনপুর।

Manik Sarkar

আরও পড়ুন: কান্তি-অশোক-সুশান্ত-তন্ময় ‘চতুরঙ্গ’ সর্বনাশা আঘাতের মুখে CPIM

সোমবার নিজ কেন্দ্রে যেতে গিয়ে ফের বাধার মুখে পড়েন মানিক সরকার। এর জেরে এলাকায় বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ছড়ায়। এখান

থেকে টানা চারবার মুখ্যমন্ত্রী ও পরে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বিধায়ক মানিক সরকার। তিনি দেশের ‘গরীব মুখ্যমন্ত্রী’ তকমা পেয়েছিলেন। সোমবার নিজ কেন্দ্রে যেতে গিয়ে মানিকবাবুর কনভয় আক্রান্ত হওয়ার পরেই বাম কর্মীরা হামলা শুরু করেন।

সিপিআইএমের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। মানিক সরকার বাধা কাটিয়ে ধনপুরেই সভা করেন। তিনি বলেন, ভয় পেও না। আমি আছি। এই ছবি দেখে চমকে গেছেন বঙ্গ বামেরা। যাঁরা বিলক্ষণ জানেন ত্রিপুরায় তাঁদেরই কমরেডরা একদা জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সংঘর্ষে নেমেছিল।

‘শেষ পাতা’য় জীবনের ঋণ কীভাবে শোধ করবেন অতনু ঘোষ?

Shooting begins of atanu Ghosh's next film Sesh Pata

বায়োস্কোপ ডেস্ক: চেষ্টা করলে আর্থিক ঋণ শোধ করা যায় কিন্তু কিছুদিন থাকে যা কোনদিন শোধ করা যায়না। তা হতে পারে মা-বাবার কিংবা বন্ধুত্বের। শুধু চেনা মানুষেই নয় জীবনে চলার পথে এমন অনেক মানুষের সঙ্গে আমাদের সাক্ষাৎ হয় তাদের সঙ্গে হয়তো আর দেখা হবেনা কিন্তু সেই মুহূর্তের জন্যে তার কাছে আমরা চির ঋণী হয়ে যাই। তাদের ঋণ শোধ করতে লেগে যায় গোটা জীবন। জীবনযুদ্ধে ঋণ কিভাবে আমাদেরকে এবং আমাদের সম্পর্ককে প্রভাবিত করে তার মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ নিয়ে আসছেন পরিচালক অতনু ঘোষ (Atanu Ghosh) তাঁর আসন্ন ছবি ‘শেষ পাতা’য়। (Shes Pata) সম্প্রতি শুটিং শুরু হলো এই ছবির শুটিং ছবিতে অভিনয় করছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, গার্গী রায়চৌধুরী,বিক্রম চট্টোপাধ্যায়,মঞ্চ ও ছোট পর্দার জনপ্রিয় মুখ রায়তি।ছবিতে বিক্রম চট্টোপাধ্যায়ের বিপরীতে দেখা যাবে তাকে।

জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত পরিচালক অতনু ঘোষের ছবিতে অংশ হতে পড়ে উচ্ছ্বসিত রায়তি। তিনি জানালেন, “আমি খুবই একসাইটেড, তবে সঙ্গে একটু চিন্তিতও। আমার চরিত্র টা খুবই অন্যরকম। এই চরিত্র ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে কতটা মনের মতোন করে পরিবেশন করতে পারব সেটা নিয়ে একটু চিন্তিত। আমার সহ অভিনেতারা সকলে ভীষণ এক্সপেরিয়েন্সড। ছবিতে আমার অধিকাংশ দৃশ্য বিক্রমের সঙ্গে। গার্গী দির সঙ্গে নাটকের সূত্রে আলাপ রয়েছে, আমরা একসঙ্গে নাটক করেছি। উনি খুবই সহযোগিতা করেন অভিনয় করার ক্ষেত্রে। এই ছবির জন্য আমি এবং বিক্রম চট্টোপাধ্যায় এক সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করবো।

আমরা ইতিমধ্যেই ওয়ার্ক শপ করেছি। বিক্রম খুবই সহযোগিতা করে একজন সহ অভিনেতা হিসেবে। অতনু ঘোষের কাছে আমি চির কৃতজ্ঞ থাকব যে এমন একটা চরিত্রের জন্য উনি আমায় ভেবেছেন। আমি প্রথম থেকেই ওনার ছবির ভক্ত। উনি যখন অন্যায় প্রথমবার বলেন আমায় একটি চরিত্রে ভাবছেন, আমি কল্পনা করি নি উনি আমায় এমন ইউনিক একটা চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ করে দেবেন। দীপার চরিত্র হয়ে ওঠার পিছনে উনি আমায় অনেক সাহস যুগিয়েছেন, ওয়ার্ক শপে অনেক সাহায্য পেয়েছি ওনার। আশা করি দর্শকদের মন জয় করতে পারবো।”

ছবির মূল কাহিনী বাল্মীকি (প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়) নামে এক লেখককে ঘিরে। এক সময় প্রখ্যাত ছিলেন তিনি, কিন্তু এমন কিছু ঘটনা ঘটে যার জেরে আজ খ্যাতির থেকে অনেক দূরে তিনি। তার সঙ্গে জড়িয়ে যায় মেধা এবং সৌনকের জীবন। মেধার চরিত্রে অভিনয় করছেন গার্গী রায় চৌধুরী এবং সৌনকের ভূমিকাতে রয়েছেন বিক্রম চট্টোপাধ্যায়। নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে সৌনকের প্রেমিকা, দীপার চরিত্রেই দেখা যাবে রায়তি ভট্টাচার্য কে। বাল্মীকি ও মেধার গল্পের পাশাপাশি তাদের প্রেমের গল্পও এই ছবির অন্যতম দিক।

মিয়া খলিফা আসবে শুনে ভিড় করেছিলেন কৃষকরা: বিজেপি নেতা

নিউজ ডেস্ক: রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে কৃষকদের শক্তি দেখাতে আয়োজন করা হয়েছিল মহাপঞ্চায়েতের। কৃষকদের সেই মহাপঞ্চায়েতে (Kisan Mahapanchayat) জমায়েত নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন উত্তরপ্রদেশের বিজেপির (BJP) মুখপাত্র রাকেশ ত্রিপাঠি। তাঁর দাবি, ‘কৃষক মহাপঞ্চায়েতে বিপুল জনসমাগমের আসল কারণ মিয়া খালিফা। মিয়া খলিফা আসবে শুনে তাঁকে দেখতেই ভিড় জমিয়েছিলেন কৃষকরা।’

আরও পড়ুন মোদীর নাম জপেই বিজেপি-বিরোধী প্রচার চালাবে দেশের কৃষকরা

কৃষক মহাপঞ্চায়েতে ২০ লাখ জমায়েত হয়েছে বলে দাবি করেছেন রাকেশ তিকাইত। টুইট করে জমায়েতের ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। তিনি জানান, ‘‘যদি সরকার আমাদের সমস্যা বোঝে তা হলে ভাল। না হলে দেশ জুড়ে এই ধরনের বৈঠক হবে। দেশ যাতে বিক্রি না হয়ে যায়, সে দিকে আমাদের নজর রাখতে হবে।’’

আরও পড়ুন ভবানীপুর উপনির্বাচন: মমতার বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী হওয়ার ইঙ্গিত শুভেন্দুর


আরও পড়ুন একে একে কমিছে বিধায়ক, বঙ্গে ক্রমশ ব্যাকফুটে বিজেপি

কৃষকরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জায়গায় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবেন। আগামী বছর উত্তরপ্রদেশে নির্বাচনের আগে যোগী আদিত্যনাথ ও তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে প্রচার চালানো হবে। শুধু উত্তরপ্রদেশ নয়, গোটা দেশ জুড়ে এই রকমের প্রতিবাদের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়াও জানানো হয়েছে, আগামী ৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যদি আন্দোলনকারী কৃষকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগগুলি প্রত্যাহার না করা হয়, তবে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন তাঁরা।

গত বছর থেকেই কৃষক আন্দোলনের বিরোধীতা করে আসছেন বিজেপি নেতারা। দিনকয়েক আগেই কৃষক আন্দোলন নিয়ে সরব হয়েছিলেন বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে দিল্লির রাজপথে চলা কৃষক আন্দোলন ভুয়ো। সরাসরি অভিযোগ করলেন, এই আন্দোলন সংগঠিত নয়।, টাকা দিয়ে ভাড়া করে লোককে আনা হয়েছে। এদের শুধু মোদি বিরোধিতা করাই লক্ষ্য। উত্তরপ্রদেশের উপ-মুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্যও কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে জানিয়েছেন শাহিনবাগের CAA বিরোধী আন্দোলনকে যেভাবে ছত্রভঙ্গ করা হয়েছে, কৃষকদেরও আন্দোলনের ক্ষেত্রেও তাই হবে। এবার জনপ্রিয় পর্নস্টার ‘মিয়া খলিফা’র প্রসঙ্গ টেনে বিতর্ক আরও বাড়ালেন বিজেপি নেতা।

বারবার নিজ কেন্দ্রেই কেন আক্রান্ত মানিক সরকার, সিপিআইএমে ‘জমি’ হারানোর উদ্বেগ

Manik Sarkar

নিউজ ডেস্ক: টানা ২৫ বছরের বামফ্রন্ট সরকারের আমলে যা স্বপ্নেও ভাবেনি ত্রিপুরাবাসী, গত বিধানসভা ভোটের পর তাই হচ্ছে বারবার। আক্রান্ত হচ্ছেন দেশের অন্যতম আলোচিত ‘গরীব’ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার (Manik Sarkar)। তাও আবার নিজ কেন্দ্র ধনপুরে। সোমবারেও তাঁর কনভয় ঘিরে হামলা হয়েছে। অভিযুক্ত বিজেপি।

তবে ধনপুরের বিধায়ক তথা বর্তমান বিরোধী নেতা মানিক সরকারের কনভয়ে হামলার ঘটনা নরমভাবে নেয়নি সিপিআইএম। তাদের সমর্থকরা দলীয় পতাকার ডান্ডা নিয়ে পুলিশ, টিএসআর ও বিজেপি কর্মীদের দিকে তেড়ে যান। বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ শুরু হয়। এর পরেই ঘেরাও ছেড়ে রণে ভঙ্গ দেয় বিজেপি সমর্থকরা।

মানিক সরকার ধনপুরে রাজনৈতিক সভা করেন। তাঁর অভিযোগ,পরিস্থিতি ত্রিপুরায় খুবই খারাপ। বিজেপি জোট সরকার রাজ্যে গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে।
কেন মানিকবাবু বারবার তাঁর কেন্দ্রেই ঘেরাওয়ের মুখে পড়ছেন? এই প্রশ্ন তুঙ্গে। এর থেকেই আগরতলায় ত্রিপুরা সিপিআইএম রাজ্য দফতর দশরথ দেব ভবনে ছড়িয়েছে উদ্বেগ-ভয়। প্রশ্ন উঠছে তবে কি ধনপুরেও দল জমি হারাচ্ছে?

Manik Sarkar

ধনপুর মানিকবাবুর নিজের কেন্দ্র। এখান থেকে তিনি গত বাম বিপর্যয় বছরে সরকার হারালেও নিজে জয়ী হয়েছেন। ২০১৮ সালে রাজ্যে টানা ২৫ বছরের বামফ্রন্ট সরকার পরাজিত হয়। সরকার গড়ে বিজেপি আইপিএফটি জোট। বিপর্যয়ের দিনে মানিকবাবু গণনা কেন্দ্রেই আক্রান্ত হওয়ার মুখে ছিলেন। তখনও তিনি মুখ্যমন্ত্রী। প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির প্রতিমা ভৌমিকের সমর্থকরা তেড়ে এসেছিল। পরে জয়ী হন মানিকবাবু। তবে ততক্ষণে বামেরা বিদায় নিয়েছে উত্তর পূর্বাঞ্চলে তাদের একমাত্র দুর্গ ত্রিপুরা থেকে।

ফল ঘোষণার পর থেকে ত্রিপুরায় রাজনৈতিক পরিবেশ রক্তাক্ত হতে থাকে। সেই ধারা এখনও চলছে। বিরোধী দল সিপিআইএমের সমর্থকরা বারবার হামলার মুখে পড়ছেন। বিধানসভায় না থাকলেও কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের উপর লাগাতার হামলা হচ্ছে। সম্প্রতি একাধিক ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকরা আক্রান্ত হন। সর্বক্ষেত্রে অভিযুক্ত বিজেপি।

সরকার হারানোর পরে মানিকবাবু বেশ কয়েকবার ঘেরাও ও হামলার মুখে পড়েছেন। বিরোধী দললেতা আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় বিধানসভা অধিবেশন উত্তপ্ত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব জানিয়েছেন, রাজনৈতিক হামলা মেনে নেওয়া হবে না। তবুও বারবার হামলার ঘটনায় সরকারের নিয়ন্ত্রণ যে দলীয় সমর্থকদের উপর নেই তা স্পষ্ট।

ত্রিপুরায় এখন দুটি সুপার হেভিওয়েট আসন একটি মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের কেন্দ্র বনমালীপুর অন্যটি বিরোধী নেতা চার বারের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের কেন্দ্র ধনপুর। বনমালীপুর শান্তিপূর্ণ, কিন্তু ধনপুর থাকে অশান্ত। বিশেষকরে মানিকবাবু তাঁর কেন্দ্রে যাওয়ার পরেই ঘেরাও হন বারবার। তবে সিপিআইএমের সমর্থকরাও পাল্টা তেড়ে যান।

ত্রিপুরা ভারতের একমাত্র রাজ্য, যেখানে স্বাধীনতার পর প্রথমবার বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে। এই রাজ্যেই প্রথমবার বাম বনাম রামের রাজনৈতিক লড়াই হয়েছে। প্রথম দফায় বাম পরাজিত। পরবর্তী দফা চলে আসছে। ত্রিপুরায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের মুখ হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লড়াই এখানে দ্বিমুখী আর নয়, ত্রিমুখী।

অকপট রবি: পুরুষ যখন যৌন নিগ্রহের শিকার

koyel mallik

বায়োস্কোপ ডেস্ক: ছোটপর্দা থেকে তার পরিচিতি তবে এবারে ভালো বিষয়ের উপর ছবি এবং ওয়েব সিরিজের দিকেই মন দিয়েছে আপনাদের প্রিয় অভিনেতা রবি সাউ। সামনে পরপর পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। মৈনাক ভৌমিকের পরিচালনায় ‘একান্নবর্তী’ এবং তারপরেই শ্রীমন্তর পরিচালনায় ‘আবার বছর কুড়ি পর’ এ অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তীর বিপরীতে দেখা যাবে রবিকে। এই ছবিতে একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার এর ভূমিকায় আমরা পেতে চলেছি রবিকে।

এছাড়া ‘আঙ্কেল’ ওয়েব সিরিজে ও রবিকে দেখা যাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায়। পুলিশ অফিসারের ভূমিকায় অভিনয় করছেন তিনি। তবে এই পুলিশ অফিসারের কাছে যে কেস সল্ভ করার ফাইল আসে তা শুনলে অবাক হবেন।

মেল অ্যাবিউজ এমনই একটা বিষয় যা নিয়ে খুব বেশি সিনেমা তো দূর আলোচনাও হয় না। অথচ যখন একটি পুরুষের ওপর দিয়ে এই ঝড় যখন যায় তখন কতটা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে সে কিভাবে নিজের কাছে নিজে অনেকটাই হারিয়ে ফেলে সেই ব্যক্তি এবং তার থেকেই জন্ম নিতে পারে এক ভয়ানক কিমিনাল মাইন্ড তারই গল্প বলবে ‘আঙ্কেল’। সমাজ এবং অপরাধ দুইয়ের যুগলবন্দিতে আঙ্কেল একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করবে। এই অপরাধের উৎপত্তিস্থল এই পৌঁছে যাবে রবি কারণ আগেই আমরা বলেছি এই ওয়েব সিরিজে তিনি পুলিশ অফিসারের ভূমিকায়। এছাড়াও এই ওয়েব সিরিজে মুখ্য ভূমিকায় আছেন রজতাভ দত্ত, দেবশঙ্কর হালদার।

akapat rabi

এই ওয়েব সিরিজ এর বিষয়বস্তু নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রবি বললেন, যদি কেউ এরকম কোন ঘটনার শিকার হয় তবে সবার আগে তার পাশে থাকতে হবে তার পরিবারকে। এই ধরনের বিষয়বস্তু গুলোকে নিয়ে শুধুমাত্র একটি ছবি নয় বরং আরো বেশি করে সামাজিক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া উচিত। আনওয়ান্টেড টাচ্ প্রসঙ্গে রবি বললেন,শুধুমাত্র একজন মহিলা নয় একজন শিশু বা পুরুষকেও যদি জিজ্ঞাসা করা হয় তারা প্রায় প্রত্যেক এই বলবে তারা এই ধরনের অপ্রত্যাশিত ছোঁয়া অনুভব করেছেন। মহিলারা এই ঘটনার শিকার হন বেশি কিন্তু তাও পুরুষেরাও এই ঘটনার সম্মুখীন হয়।

নিজেকে নতুনভাবে এক্সপ্লোর করতে চান রবি। কিন্তু কীভাবে সাজাচ্ছেন তার ক্যারিয়ার প্ল্যান? রবি অকপট উত্তর, “আমি হিরো হতে চাই না অভিনেতা হতে চাই। এক্ষুনি খুব একটা নেগেটিভ চরিত্রে অভিনয় হয়তো করব না, কিন্তু এমনই ছবি বা ওয়েব সিরিজ করতে চাই যা সমাজকে নতুন পথের দিশা দেখাবে।”

আপাতত এসভিএফ (Svf) ব্র্যান্ডের ছত্রছায়ায় রয়েছেন তিনি। বলিউডের মতন বাংলা চলচ্চিত্রের এই নতুন ট্রেন্ড শুরু হওয়াতে যথেষ্ট আশাবাদী রবি। রবির মতে একজন আর্টিস্টকে তার ক্যারিয়ারে সুনির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছে দিতে সাহায্য করে একটি ব্র্যান্ড।
রবি কিরনে বাংলা চলচ্চিত্র নতুন দিশা পাক এই আশাই থাকল আমাদের পক্ষ থেকে।

শেষ প্রহরী নিশ্চিত, ইস্টবেঙ্গলে অরিন্দম

Arindam Bhattacharya

স্পোর্টস ডেস্ক: গতবার তেকাঠির তলায় সবুজ-মেরুনের অন্যতম ভরসা ছিলেন অরিন্দম ভট্টাচার্য (Arindam Bhattacharya)। ফাইনালে তাঁর ভুলে মোহনবাগান গোল খেলেও গোটা টুর্নামেন্টেই ধারাবাহিকতা দেখিয়েছিলেন এই বাঙালি গোলরক্ষক৷ গোল্ডেন গ্লাভসও উঠেছিল তাঁর হাতেই।

আরও পড়ুন কলকাতা লিগে নেই ইস্ট-মোহন, বাংলার ফুটবল বাঁচাতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ আইএফএ কর্তারা

তারপরেই আইএসএলেরই আরেক গোলরক্ষক অমরিন্দর সিংকে দলে নিয়েছে এটিকে মোহনবাগান। ফলে এএফসি কাপের প্রথম তিন ম্যাচে অ্যান্তোনীয় হাবাসের দলে জায়গা হয় নি অরিন্দমের। দলের শেষ প্রহরীর দায়িত্ব সামলেছেন অমরিন্দর। ফলে দল ছেড়েছিলেন অরিন্দম।  জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে এসসি ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) পথেই পা বাড়ালেন তিনি।

আরও পড়ুন শুভ ঘোষ-আদিল খানকে দলে নিয়ে চমক দিল এসসি ইস্টবেঙ্গল


আরও পড়ুন মোহনবাগানেই আছি জানিয়ে দিলেন প্রবীর দাস

মোহনবাগান ছাড়ার পর থেকেই তাঁর ভবিষ্যতের দল নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। তাঁর ভবিষ্যতের ক্লাব হিসেবে উঠে এসেছিল একাধিক নাম। শোনা গিয়েছিল তিনি কেরালা ব্লাস্টার্স কিংবা মুম্বই সিটি এফসিতেও যেতে পারেন। অন্যদিকে অরিন্দম মোহনবাগান ছাড়ার পরেই তাঁকে সই করাতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু শ্রী সিমেন্ট তাঁর সঙ্গে একবছরের চুক্তির প্রস্তাব দেওয়ায় সমস্যা হচ্ছিল অরিন্দমের পক্ষ থেকে। চুক্তির অঙ্ক নিয়েও দুপক্ষের মধ্যে মতভেদ ছিল। অবশেষে সমস্ত সমস্যা মিটিয়ে ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিলেন তিনি। 

কয়েকদিন আগেই কার্যত পয়েন্ট অফ নো রিটার্নের ইঙ্গিত দিয়ে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছে স্পোর্টিং রাইট ফিরিয়ে দিয়েছিল লগ্নিকারী সংস্থা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের চুক্তি নিয়ে সমস্যা মিটে গিয়েছে। আর তার পরেই দল গড়ার কাজে নেমে পড়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। দলবদলের ব্যাপারে লাল-হলুদের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন, সেই নিষেধাজ্ঞাও তারা তুলে নিয়েছে।

মহম্মদ রফিক, শঙ্কর রায়, মির্শাদ, জেজে, অঙ্কিত মুখোপাধ্যায়রা গত মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে। সাইড ব্যাকে খেলা হীরা মণ্ডলকেও সই করিয়েছে দল। শুভ ঘোষ-আদিল খান-রোমিও ফার্নান্দেজরাও ইতিমধ্যে সই করে ফেলেছেন। এবার অরিন্দমকে দলে নিয়ে চমক দিল শতাব্দীপ্রাচীন ইস্টবেঙল (East Bengal)। 

 

নারীশক্তি: মা মজুর খেটে পিতৃহারা পাঁচ ছেলেমেয়েকেই পুলিশের উর্দি পরালেন

Four real sisters sunita ranjeeta anjali kunti

নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের মথুরা সীমান্তে আছনেরা জেলার আগ্রার ছোট্ট গ্রাম রায়পুরা আহির। এই গ্রামের বীরেন্দ্র সিংয়ের পরিবারের সব থেকে বড় লড়াই ছিল প্রতিকূলতার মধ্যেও বেঁচে থাকা৷  কঠোর পরিশ্রমের মধ্যে শিক্ষা লাভ এবং সাফল্য পাওয়ার বড় উদাহরণ হয়ে দাঁড়াল এই পরিবার৷ শৈশবে বাবাকে হারানো পাঁচজন প্রকৃত ভাই-বোন উত্তরপ্রদেশ পুলিশের কনস্টেবল হল৷ তারমধ্যে চারজনই মেয়ে৷

ইউপির কয়েকটি পরিবারের মধ্যে এমন একটি পরিবার, যাদের শিশুরা চরম দারিদ্র্য দেখেছে৷ তারপরেও দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করেছে। দেখেছে সাফল্যের মুখ৷ একে অপরকে অনুসরণ করে চার বোন এবং এক ভাই ইউপি পুলিশে যোগ দিয়েছেন। এই বোনদের মধ্যে একজন এখন অবশ্য পুলিশ কনস্টেবল পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন৷ পুলিশের চাকরি ছেড়ে শিক্ষকতা করছেন৷

ইউপি পুলিশ কনস্টেবল ভাইবোনদের বড় বোন সুনীতা সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথপোকথনে জানিয়েছেন, তাঁর পরিবারের কঠিন সংগ্রাম এবং তাঁর ভাই-বোনদের সাফল্যের পুরো গল্প বর্ণনা৷ যা অনেকের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক৷ যাদের ছোটবেলাতেই পিতৃহারা হতে হয়েছে এবং কঠোর পরিশ্রম করার পরিবর্তে, তারা ভাগ্যকে অভিশাপ দিতে থাকে।

সুনীতা কনস্টেবল, পুলিশ লাইন বেরেলি
এই পুলিশ কনস্টেবল ভাইবোনদের মধ্যে বড়৷ সুনিতা ২০১৬ সালে ইউপি কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিল। বিবিএ পর্যন্ত শিক্ষা গ্রহণ করা সুনীতা অতীতে বেরেলি জেলার কিলা থানায় কর্মরত৷ এখনও বরেলি পুলিশ লাইন্সে কর্মরত।

রঞ্জিতা: প্রথমে কনস্টেবল, এখন শিক্ষক
দ্বিতীয় বোন রঞ্জিতা৷ বিএড এবং বিএসসি ডিগ্রি পেয়েছেন৷ তাঁর দুই ছোট বোন কুন্তি এবং অঞ্জলির সঙ্গে ২০১৯ সালের ইউপি পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় পাস করেন। রঞ্জিতা ইউপির মালওয়া থানায় পোস্টিং পেয়েছিলেন। পুলিশ কনস্টেবল হওয়ার পরও তিনি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি অব্যাহত রাখেন। সম্প্রতি তিনি শিক্ষক নিয়োগে নির্বাচিত হন এবং পুলিশ কনস্টেবল থেকে পদত্যাগ করেন। বর্তমানে শিক্ষক প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।

অঞ্জলি এবং কুন্তী কনস্টেবল, হুসাইনগঞ্জ
তৃতীয় ও চতুর্থ বোন অঞ্জলি এবং কুন্তীও৷ তাঁরাও বড় বোনের পদাঙ্ক অনুসরণ করে ২০১৯ সালের ইউপি পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষা পাস করেছে। অঞ্জলি ইন্টার এবং কুন্তী বিএ প্রথম বর্ষ পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন৷ এই দুই বোনই বর্তমানে ফতেহপুর জেলার হুসাইনগঞ্জ থানায় কর্মরত। এটি তাঁদের প্রথম পোস্টিং।

ধীরাজ পিএসি’তে প্রশিক্ষণরত
চার বোন ছাড়াও সম্প্রতি তাঁদের ভাই ধীরাজও সফল হয়েছে। তিনি পিএসি’তে কনস্টেবল পদে নির্বাচিত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি পিএসিতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। ধীরজ বিএ দ্বিতীয় বর্ষে পড়াশোনার সময়ই এই সাফল্য পেয়েছেন৷

বড় বোন সুনীতা জানান, ২০০২ সালে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় তাঁদের বাবা মারা যান৷ তাঁর মৃত্যুর খবরও এক সপ্তাহ পরে তাঁদের পরিবার পেয়েছিল। দুর্ঘটনার পরিচয় না পাওয়ার পর পুলিশ তাঁদের বাবার মৃতদেহ দাহ করেছিল। এরপর সংবাদপত্রে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে পরিবার তাকে পোশাকের মাধ্যমে চিহ্নিত করে৷।

স্বামীর মৃত্যুর পর মা মছলা দেবী সাত সন্তানের দেখাশোনা করেন। স্বামীর মৃত্যুর সময় ছোট মেয়ে অঞ্জলির বয়স ছিল মাত্র ১০ মাস। সুনীতার বয়স ছিল আট বছর, রঞ্জিতা ছয় বছর, কুন্তী দুই বছর, ধীরজ চার বছর, দ্বিতীয় ভাই সুধীর কুমারের বয়স ছিল ১৪ বছর। বড় বোন শশীর বিয়ে দিয়েছিলেন তাঁদের বাবা৷

সুনীতা জানান, তাঁদের কিছু জমি আছে। এছাড়াও তাঁর বাবার মৃত্যুর পর তারা মহিষ পালন শুরু করেন। গবাদি পশু এবং কৃষিকাজের মাধ্যমে মাছলা দেবী সব ছেলেমেয়ে পড়াশোনা করিয়েছেন৷ প্রত্যেকই সফল করেছেন৷ সুনীতা এবং তাঁর বোনরা তাঁদের মাকে সবচেয়ে বড় শক্তি বলে মনে করেন৷

২৫০০ বছরের অজেয় পঞ্জশিরের ‘পতন’, উড়ল তালিবান পতাকা

Taliban Flag In Panjshir Valley

নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানের (Afghanistan) শেষ জঙ্গি বিরোধী এলাকার পতন হয়েছে। দেশটির নিয়ন্ত্রক তালিবান (Taliban) জঙ্গিরা প্রবল ক্ষয়ক্ষতি স্বীকার করে অবশেষে পঞ্জশির উপত্যকার (Panjshir valley) গভর্নর হাউসে নিজেদের পতাকা উড়িয়ে দিল।

পঞ্জশির বরাবর তালিবান বিরোধী এলাকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই এলাকার শাসক আহমেদ মাসুদ (Ahmed Masud) এখনও লড়াই চালাচ্ছেন। তাঁর আফগান রেজিস্টেন্স বাহিনি রবিবার রাতে প্রবল প্রত্যাঘাতে তালিবান জঙ্গিদের ছিন্নভিন্ন করে দেয়।কিন্তু সোমবার সকালেই মাসুদ বাহিনীর কমান্ডার ও মুখপাত্রের মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত হয়। এর পর আহমেদ মাসুদের তরফে গেরিলা হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়। পঞ্জশিরের বড় অংশ এখন তালিবান জঙ্গি কবলিত। তবে গেরিলা হামলা চলছেই।

কাবুল থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার দূরে পঞ্জশির দখলে তালিবান প্রথম সাফল্য পেল। আশঙ্কা পঞ্জশিরের শাসক আহমেদ মাসুদ ও অপসারিত আফগান সরকারের স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট আমরুল্লাহ সালেহ যে কোনও মুহূর্তে মারা যেতে পারেন। আফগান রেজিস্টেন্স ফোর্স জানিয়েছে লড়াই চলবে।

https://twitter.com/MilitaryBWF/status/1434789979205476352?s=20

পঞ্জশির দখল করে তালিবান নজির গড়েছে। ইতিহাস বলছে, ১৯৯৬-২০০১ সালে আফগানিস্তানের প্রথম তালিবান সরকারের আমলে পঞ্জশির ছিল জঙ্গি মুক্ত এলাকা। তৎকালীন পঞ্জশির শাসক আহমেদ শাহ মাসুদ জঙ্গিদের ঠেকিয়ে রাখেন। তবে তিনিও নাশকতায় মারা যান। তাঁর পুত্র আহমেদ মাসুদ গত ১৫ আগস্ট থেকে ক্রমাগত তালিবান বিরোধী লড়াই চালাচ্ছেন।

কাবুল পুনরায় তালিবান কব্জায় চলে যাওয়ার পর জঙ্গিদের তরফে পঞ্জশিরকে বাগে আনতে সন্ধি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। পরে সেই চুক্তি বাতিল হয়।এর মাঝে পাকিস্তানের সামরিক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই প্রধান কাবুল সফর শুরু করেছেন। মনে করা হচ্ছে, তার সাহায্যেই পঞ্জশির অভিযানে সফল হলো তালিবান জঙ্গিরা।

আয়ুর্বেদেই কমান হৃদরোগের ঝুঁকি

heart attack ayurvedic treatment

লাইফস্টাইল ডেস্ক: মাত্র ৪০ বছর বয়সে ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকে প্রয়াত হয়েছেন অভিনেতা সিদ্ধার্থ শুক্লা। রীতিমতো ফিটনেস-ফ্রিক এই অভিনেতার অকাল প্রয়াণে অবাক প্রত্যেকেই। ডাক্তারেরা জানাচ্ছেন, গত কয়েক বছরে কম বয়সিদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) ঝুঁকি বেড়ে গেছে। বেপরোয়া জীবনযাত্রা, মানসিক চাপ, ডায়বেটিসের মত একাধিক কারণে কম বয়সিদের মধ্যে এই প্রাণঘাতি রোগের ঝুঁকি বেড়ে গেছে।

আরও পড়ুন উচ্চ রক্তচাপ কমাবে এই সমস্ত ভেষজ এবং মশলা

যদিও সামান্য কয়েকটি বিষয় মেনে চললেই অনেকটাই কমানো যায় হৃদরোগের ঝুঁকি। আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞরা এমন কিছু বিষয়ের পরামর্শ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন সুস্থ থাকা চাবিকাঠি অ্যারোবিক ব্যায়ামের সেরা পাঁচ উপকার


আরও পড়ুন Healthy Lifestyle: পরিবারের বয়স্কদের কীভাবে সুস্থ রাখবেন

ভোরে ঘুম থেকে ওঠা: আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞরা বলেন যে ভোরে ঘুম থেকে ওঠা একটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ভোরে আগে ঘুম থেকে উঠলে শরীর হাইড্রেট থাকে এবং শরীরে অক্সিজেন সঠিক মাত্রায় পাওয়া যায়।

নিয়মিত গরম জল খাওয়া: আয়ুর্বেদ মতে গরম জল পান করা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত উপকারী। এটি শরীরে টক্সিন জমা হতে দেয় না। রক্ত সঞ্চালনকে উন্নত রাখে, ফলে হৃদঘোটিত রোগ হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়।।

আরও পড়ুন রসুনের ১০ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা যা আপনার রোজকার জীবনের সঙ্গী হয়ে উঠবে


আরও পড়ুন রসুনের ১০ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা যা আপনার রোজকার জীবনের সঙ্গী হয়ে উঠবে

যোগা এবং ধ্যান করুন: এন্ডোরফিন এবং সেরোটোনিন মেজাজ ভালো রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন যোগ ব্যায়াম এবং ধ্যান করলে এই দুই হরমোনের পরিমান বৃদ্ধি পায়।

রাতে ঘুমানোর আগে দুধ-হলুদ: আয়ুর্বেদে ঘুমাতে যাওয়ার আগে হলুদ মেশানো দুধ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

তাজা খাবার: সঠিক সময় মত তাজা সবজি দিয়ে ঘরে রান্না করা খাবার খান। এটি ইমিউনিটি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।

কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্তের জেরায় ইডি দফতরে অভিষেক

TMC General Secretary Abhishek Banerjee

নিউজ ডেস্ক: কয়লা কেলেঙ্কারির মামলায় অর্থ পাচারের অভিযোগে তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাউপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট অফিসে পৌঁছলেন৷ নয়াদিল্লির ইডি কার্যালয়ে পৌঁছে সংবাদমাধ্যমকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইডির জারি করা নোটিশের ভিত্তিতে সোমবার তিনি হাজির হয়েছেন। অভিষেক বলেন, তদন্তে তিনি কেন্দ্রীয় সংস্থাকে পুরোপুরি সহযোগিতা করবেন।

দিল্লি যাওয়ার আগে অভিষেক বলেছিলেন, তিনি যেকোনও ধরনের তদন্তের জন্য প্রস্তুত। তবে কবে থেকে তদন্ত শুরু হবে, সে বিষয়ে কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। বলা হচ্ছে, অভিষেককে দ্বিতীয়ার্ধে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এর আগে তাঁর স্ত্রীকেও এজেন্সি ডেকেছিল৷ কিন্তু তিনি করোনা মহামারীর কথা উল্লেখ করে বাড়িতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনুরোধ করেছিলেন।

ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, যদি কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা তাঁর বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে কোনও অবৈধ লেনদেনে জড়িত থাকার প্রমাণ দেয়, তবে তিনি নিজেকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেবেন। একই সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন, রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর বিজেপি রাজনৈতিক প্রতিশোধ নিচ্ছে।

তদন্তের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি যেকোন তদন্তের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। যদি তারা আমার বিরুদ্ধে প্রমাণ দিতে পারে, তাহলে ইডি এবং সিবিআই ব্যবহার করার দরকার নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন, তারা টিএমসির সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে লড়াই করতে পারে না, তাই এখন তারা প্রতিহিংসার রাজনীতিতে এসেছে। তারা তাদের রাজনৈতিক স্বার্থকে আরও এগিয়ে নিতে তদন্তকারী সংস্থাগুলোকে ব্যবহার করছে।

এর আগে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, কেন্দ্রীয় সরকার তাঁর ভাইপো অভিষেকের বিরুদ্ধে কয়লা কেলেঙ্কারির মামলায় তদন্ত সংস্থা ব্যবহার করছে৷ যাতে বিজেপির পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়া যায়।

Afgan Updates: পঞ্জশির দখল পেতে তালিবান হয়ে পাকিস্তানি বিমান বাহিনীর ড্রোন হামলা

Pakistan landed on behalf of Taliban in the battle of Panjshir

নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানের পঞ্জশিরে আহমেদ মাসুদের প্রতিরোধ বাহিনী এবং তালিবানদের মধ্যে যুদ্ধ অব্যাহত রয়েছে। তালিবান জঙ্গিরা জোর করে পঞ্জশির দখল করতে চাইছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার তালিবান দাবি করেছে, তারা পঞ্জশিরও দখল করেছে। এর পরে পঞ্জশির প্রতিরোধ ফ্রন্ট কিছুটা দুর্বল দেখায়। রবিবার যুদ্ধে বেশ কয়েকজন শীর্ষ পঞ্জশির কমান্ডার নিহত হন।

বলা হচ্ছে, পাকিস্তানি বিমান বাহিনী পঞ্জশিরে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এই ড্রোন হামলায় পঞ্জশির মুখপাত্র ফাহিম দশতি নিহত হয়েছেন। ফাহিম আহমেদ মাসুদের খুব কাছের মানুষ ছিলেন। পাকিস্তান বিমান বাহিনীর চালানো ড্রোন হামলায় মাসুদ পরিবারের সদস্যরাও নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে গুল হায়দার খান, মুনিব আমিরি এবং জেনারেল উডাদ। প্রকৃতপক্ষে, তালিবান দাবি করেছে, তারা পুরো আফগানিস্তান দখল করেছে।

সামানগান প্রদেশের প্রাক্তন সাংসদ জিয়া আরিয়ানজাদো বলেন, ‘পাকিস্তানি বিমান বাহিনী ড্রোনের সাহায্যে বোমা হামলা করেছে। এতে স্মার্ট বোমা ব্যবহার করা হয়েছে। তালিবান এবং প্রতিরোধ বাহিনী তাদের নিজস্ব দাবী এবং প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। তালিবানরা পঞ্জশির দখল করার দাবি করলেও পঞ্জশির প্রতিরোধ ফ্রন্ট দাবি করে যে তারা বর্তমানে নিজেদের দখলে রয়েছে। প্রসঙ্গত, বর্তমানে পঞ্জশির প্রদেশ ছাড়া পুরো আফগানিস্তান তালিবানদের দখলে রয়েছে।

সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, আফগানিস্তানের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট আমরুল্লাহ সালেহের বাড়িতেও হেলিকপ্টার হামলা হয়েছে। তবে সেই সময় সালেহ সেখানে ছিলেন না। সালেহকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

সালেহ একটি ব্রিটিশ সংবাদপত্রে লিখেছেন, তালিবান পাকিস্তান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে৷ অর্থাৎ তালিবান পাকিস্তানের পুতুল৷ কিন্তু তা বেশি দিন চলবে না। তারা এখনও এলাকা দখল করে আছে, কিন্তু আমাদের অতীত আমাদের বলে, জমি দখল করে মানুষের হৃদয় জয় করা হয় না, জনগণকে জেতা যায় না৷