উচ্চ রক্তচাপ কমাবে এই সমস্ত ভেষজ এবং মশলা

spices will reduce high blood pressure

অনলাইন ডেস্ক: যখনই ডাক্তার বলবেন আপনার রক্তচাপ (বিপি) হাই, তখনই কোন না কোনও অকটা ওষুধ সম্পর্কে চিন্তা করে উদ্বিগ্ন হবেন। আধুনিক বিজ্ঞানে (অ্যালোপ্যাথি) বিভিন্ন ধরনের ওষুধ রয়েছে৷ যা আপনার রক্তচাপকে অবিলম্বে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে৷ তবে, আপনি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের বিকল্প হিসাবে কিছু ভেষজ বেছে নিতে পারেন৷ বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন রোগের জন্য ভেষজ থেরাপির চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশ্বের প্রায় ৭৫% থেকে ৮০% জনসংখ্যা ভেষজ ওষুধ ব্যবহার করে৷ প্রধানত উন্নয়নশীল দেশগুলিতে এর চাহিদা দিনে দিনে আরও বেড়ে চলেছে৷ গবেষণায় খাদ্য, ব্যায়াম, স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট এবং সাপ্লিমেন্টের মাধ্যমে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সফল হওয়ার জন্য বিভিন্ন ভেষজ থেরাপি পাওয়া গিয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখিত কিছু ভেষজ আছে, যা আপনার রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে –

রসুন: রসুন বিভিন্ন ওষুধি গুণের জন্য সুপরিচিত৷ রসুন অনেক যৌগ সমৃদ্ধ৷ যা হার্টের জন্য উপকারি। প্রাথমিক সক্রিয় যৌগগুলির মধ্যে একটি৷ যা রসুনকে তার বৈশিষ্ট্যযুক্ত গন্ধ দেয় এবং এর অনেক নিরাময় উপকারিতা অ্যালিসিন নামে পরিচিত৷ বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে এবং রক্তনালীগুলিকে শিথিল করতে সাহায্য করতে পারে।

সেলারি: একটি চিনা তত্ত্ব অনুসারে সেলারির অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ বৈশিষ্ট্য রয়েছে৷ কারণ এটি লিভারের উপর কাজ করে৷ এক ধরণের উচ্চ রক্তচাপ লিভারের কর্মহীনতার সঙ্গে যুক্ত৷ গবেষকরা পরামর্শ দেন, সেলারি বীজের নির্যাস রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে৷ কারণ এটি প্রাকৃতিক ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার হিসেবে কাজ করে। সেলারির বীজে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে৷ যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

তুলসী: তুলসী তার যৌগের কারণে একটি জনপ্রিয় বিকল্প। তুলসী একটি উদ্ভিদ-অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট- ইউজেনল সমৃদ্ধ৷ যা প্রাকৃতিক ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার হিসেবে কাজ করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

আজওয়াইন (জোয়ান): আজওয়াইনকে থাইম নামেও ডাকা হয়৷ এটি একটি ভারতীয় মশলা৷ যা ভারতের সব জায়গায় পাওয়া যায়। এতে রোসমারিনিক অ্যাসিড নামে একটি স্বাদযুক্ত যৌগ রয়েছে৷ এই যৌগ অনেক উপকারিতা হিসাবে পরিচিত৷ প্রদাহ এবং রক্তে শর্করার মাত্রা হ্রাস, রক্ত ​​প্রবাহ বৃদ্ধি এবং রক্তচাপ কমাতেও সাহায্য করে।

দারুচিনি: এটি একটি দারুচিনি গাছের ছাল থেকে প্রাপ্ত স্বাদযুক্ত মশলা। প্রাচীনকাল থেকে দারুচিনি হৃদযন্ত্রের বিভিন্ন উপসর্গের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে৷ এটি উচ্চ রক্তচাপও কমায়। এটি রক্তনালীগুলিকে শিথিল এবং প্রসারিত করে বলে মনে হয়।

আদা: আদা একটি বহুমুখী মশলা৷ যা একটি সময় ধরে হৃদরোগের অনেক দিক উন্নত করতে ব্যবহৃত হয়৷ যার মধ্যে রয়েছে সঞ্চালন, কোলেস্টেরলের মাত্রা এবং রক্তচাপ। আদা একটি প্রাকৃতিক ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার হিসেবে কাজ করে৷ এটি রক্তনালীগুলোকে শিথিল করতে সাহায্য করে। আপনি আপনার প্রতিদিনের খাবার এবং পানীয়গুলিতে আদা অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।

এলাচ: এলাচ একটি জনপ্রিয় মসলা৷ বিশেষ করে এর স্বাদের জন্য। এই মিষ্টি মশলায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট৷ যা প্রাকৃতিক ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার হিসেবে কাজ করে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এটি একটি মূত্রবর্ধক হিসাবে কাজ করে (প্রস্রাব প্রবাহ বৃদ্ধি করে)৷ যা তাপের লোড কমাতে সাহায্য করে।

পার্সলে: পার্সলে আমেরিকান, ইউরোপীয় এবং মধ্য প্রাচ্যের খাবারের একটি বিখ্যাত ওষুধি। এতে রয়েছে বিভিন্ন যৌগ৷ যেমন ভিটামিন সি এবং ক্যারোটিনয়েড৷ এগুলি আপনার উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

উচ্চ রক্তচাপ একটি সাধারণ চিকিৎসা শর্ত৷ যা প্রতিটি বাড়িতে কমপক্ষে একজনকে প্রভাবিত করে। জীবনযাত্রার পরিবর্তন, ব্যায়াম এবং স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট সঠিক ওষুধ সহ রক্তচাপ কমাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে। শুধু ওষুধই নয়, ভেষজ ও মশলাও যা উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় উপকারী যেমন রসুন, আদা, অজোয়াইন। তাই সবসময় স্বাস্থ্যকর খাবার খান, সুস্থ থাকুন।

আফগানি যৌনকর্মীদের মাথা কাটা হবে, তালিবান তালিকা প্রস্তুত

afgan-women

নিউজ ডেস্ক: সরকার গঠনের পরেই যৌনকর্মীদের মাথা কেটে নেবে তালিবান। সেরকম তালিকা তৈরি হচ্ছে। এমনই সংবাদ দিচ্ছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান জানাচ্ছে, তালিবানের ডেথ স্কোয়াড। তারা যৌনকর্মে নিযুক্ত আফগান মহিলাদের খোঁজ করছে। যৌন কর্মে নিযুক্তদের চিহ্নিত করতে প্রচার চলছে আফগানিস্তানে।

১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তালিবানের প্রথম সরকারের আমলে প্রকাশ্যেই অনেক মহিলার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল।এবার বেছে বেছে বিভিন্ন সাইটে দেওয়া আফগান যৌনকর্মীদের নাম টুকছে তালিবান।

afgan-women

তালিবান নেতৃত্ব এখন হামলে পড়েছে পর্ন সাইটগুলিতে। দিনভর রাশিরাশি ছবি দেখে তৈরি হচ্ছে তালিকা। এমন পরিস্থিতি যে হবেই তার আশঙ্কা ছিলই। মনে করা হচ্ছে তালিবান দ্বিতীয় দফার সরকার গড়ার পরেই শুরু করবে যৌনকর্মী নিধন অভিযান।

বাতিল হয়ে গেল আইএফএ-র শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির বৈঠক

স্পোর্টস ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের (Shree Cement) সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের (East Bengal) চুক্তি নিয়ে সমস্যা মিটে গিয়েছে। গতবারও তাঁর উদ্যোগেই ইন্ডিয়ান সুপার লিগে অংশ নিয়েছিল লাল-হলুদ বাহিনী। এবার বাংলার ফুটবলকে বাঁচাতে আইএফএ-র কর্তারাও দ্বারস্থ হচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। দুই প্রধানকে এবার কলকাতা লিগে খেলতে দেখা যাবে না। সেই ঘটনা জানাতেই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গেলেন ইন্ডিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কর্তারা।

মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গলের কলকাতা লিগে না খেলা নিয়ে রবিবার আলোচনায় বসার কথা ছিল বাংলার ফুটবলের সর্বাধিক নিয়ামক সংস্থার শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির। শোনা যাচ্ছিল কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে আইএফএ। কিন্তু বাতিল হয়ে গেল সেই সভা। ডুরান্ড উদ্বোধনের জন্য সভা পিছিয়ে দেওয়া হল। কলকাতা লিগের পাশাপাশি ডুরান্ডেও অংশ নিচ্ছে না কলকাতার দুই প্রধান। যদিও আইএফএর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এখনও পর্যন্ত লিখিতভাবে কিছু জানায়নি ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।

আরও পড়ুন কলকাতা লিগে নেই ইস্ট-মোহন, বাংলার ফুটবল বাঁচাতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ আইএফএ কর্তারা

মোহনবাগান পৌঁছে গিয়েছে এএফসি কাপের মূলপর্বে। তার উপর জাতীয় দলের হয়ে নেপালে খেলতে চলে গিয়েছেন পাঁচজন ফুটবলার। সেপ্টেম্বরে মূলপর্বের খেলা হওয়ায় দেশেও ফিরে গিয়েছেন দলের অনেক ফুটবলার। ফলে ঘরোয়া লিগে দল নামাবে না বলে অনেক আগেই আইএফএকে জানিয়েছিল ক্লাব। সৃঞ্জয় বোস জানিয়েছেন, “মেল করে আমরা জানিয়েছিলাম, আমাদের পক্ষে ঘরোয়া লিগে খেলা এবার সম্ভব নয়। এটাতো দেশের সম্মানের প্রশ্ন। তাই আমরা আইএফএ-র সহযোগিতা চেয়েছি। তাছাড়া এবার কোভিড পরিস্থিতির দরুন সেভাবে প্র্যাকটিসও হয়নি।”

অন্যদিকে সবে চুক্তি সমস্যা মেটার পর দলগঠনে নেমেছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ফলে প্র্যাকটিস ছাড়া দল নামাতে রাজি নন তারাও। লাল-হলুদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০ সেপ্টেম্বরের আগে তাঁদের পক্ষে কলকাতা লিগে দল নামানো অসম্ভব। তারপর খেলতে তাঁদের আপত্তি নেই। যদিও কলকাতা লিগ চলাকালীনই হয়তো আইএসএলেরও খেলা পড়ে যাবে, ফলে আইএফএ কর্তারা ইস্টবেঙ্গলের মাঠে না নামার বিষয়ে একপ্রকার নিশ্চিত।

ভারতের উদ্বেগ: আফগানিস্তানকে বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পের আনতে চাইছে চিন

Buy One Belt One Road Chinese Power Meets the World

নিউজ ডেস্ক: আফিগানিস্তানে তালিবান সরকারে চিন প্রীতির কারণ প্রকাশ্যে এল৷ বেজিংয়ের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ‘বেল্ট রোড’ বাস্তবায়ন করতে চেয়েছে৷ এতদিন আফগান সরকারের সঙ্গে ভারতের সুস্পর্কের কারণে বেজিং এই প্রকল্পে হাত গুটিয়ে বসেছিল৷ কিন্তু, আফগানের তখত পালটে যেতেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কোমর বেধে নামল বেজিং৷ তারা তালিবান শাসিত আফগানিস্তানের ভিতর দিয়ে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চায় চিন। এই নিয়ে ভারতের উদ্বেগ কিছুটা বাড়ল৷ আফগানিস্তানে যখন তালিবানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হতে যাচ্ছে, ঠিক সেই মুহূর্তেই এ খবর জানাল বেজিং৷

Buy One Belt One Road Chinese Power Meets the World

গতকাল শুক্রবার চিন বলেছে, তালিবান নেতারা চিনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্প সমর্থন করে। তারা বিশ্বাস করে, এই প্রকল্প যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য লাভজনক হবে। এছাড়াও তালিবান চিনকে তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে ঘোষণা করেছে। তালিবান নেতারা জানিয়েছেন, দেশের পুনর্গঠনে বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত চিন।

One Belt One Road

বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পের কাজ প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানির সময়ে খুব বেশি একটা এগোতে পারেনি চিন৷ কারণ তালিবান ইস্যুতে পাকিস্তানের সঙ্গে আফগানিস্তানের ব্যাপক মতপার্থক্য ছিল। আশরাফ ঘানির ক্ষমতাচ্যুতির মধ্যদিয়ে চিনের স্বপ্নপূরণের পথ খুলে গিয়েছে৷

২০১৩ সালে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ক্ষমতায় আসার পর বেজিং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্প উদ্বোধন করেন। এই প্রকল্পে মূল লক্ষ্য দক্ষিণ এশিয়া, মধ্য এশিয়া, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল, আফ্রিকা এবং ইউরোপকে স্থল ও সমুদ্র পথের মাধ্যমে একটি নেটওয়ার্কের আওতায় আনা। ভারত শুরু থেকেই এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে৷ কিন্তু আফগানিস্তানে তালিবান সরকার ক্ষমতায় আসায় স্বাভাবিকভাবেই ভারতের চাপ কিছুটা বাড়ল৷

সাম্রাজ্যবাদী বিজেপির দালাল বিশ্বভারতীর উপাচার্য: বাংলাপক্ষ

নিউজ ডেস্ক: বিশ্বভারতীয় উপাচার্য বিদ্যুত চক্রবর্তীর পদত্যাগের দাবিতে এবার পথে নামল বাংলাপক্ষ। এদিন বোলপুর চৌরাস্তা থেকে ফায়ার ব্রিগেড মোড় পর্যন্ত একটি প্রতিবাদ মিছিল করে ওই সংগঠন। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ‍্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, অমিত সেন, কালাচাঁদ চট্টোপাধ‍্যায়, সম্রাট কর, পশ্চিম বর্ধমান জেলা সম্পাদক অক্ষয় বন্দোপাধ্যায়, মুর্শিদাবাদ বাংলাপক্ষর কৌশিক চট্টোপাধ্যায়, মালদা বাংলাপক্ষর মহম্মদ রফিক আহমেদ, পূর্ব বর্ধমান বাংলাপক্ষ জেলা সম্পাদক জুয়েল মল্লিক প্রমুখ নেতৃত্ব।

আরও পড়ুন অন্য অম্বিকেশ: এবার মমতাকে খুনের হুমকি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকের

মিছিল শেষে একটি পথসভা করে বাংলাপক্ষর তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, ‘বিদ‍্যুৎ চক্রবর্তীর বাঙালি-বিরোধী ষড়যন্ত্র, বাঙালি ছাত্র-অধ্যাপক সাসপেন্ড ও বহিস্কার, সর্বক্ষেত্রে হিন্দি রাজ্যের কর্মী ও অধ্যাপক নিয়োগ, বিশ্বভারতীর কর্মী-অধ্যাপক পদগুলি বাঙালি-শূন্য করা, বিশ্ববিখ্যাত পৌষমেলা বন্ধ করে দিয়ে ভূমিপুত্রদের জীবিকাহীন করা এবং ক্রমাগত রবীন্দ্রচেতনা বিরোধী তথা বাঙালি বিরোধী কাজের তাঁকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে।’

পথসভায় গর্গ চট্টোপাধ‍্যায় জানান, “বাঙালি ও বিশ্বভারতীর মাঝে কোন দিল্লীর দালালকে বরদাস্ত করা হবেনা। আমাদের ঘরের মেধাবী প্রতিবাদী ছাত্রছাত্রীদের বহিস্কার করে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী আগুন নিয়ে খেলছে। বিশ্বভারতী দিল্লীতে না, বিহারে না, গুজরাটে না, রাজস্থানে না, বিশ্বভারতী বাংলায়। বিশ্বভারতী বাঙালির। দিল্লীর হাত থেকে মুক্ত করে বাংলা ও বাঙালির কাছে হস্তান্তর করার লড়াইয়ের নাম বাংলাপক্ষ। বিশ্বভারতীর ছাত্রছাত্রী, অধ‍্যাপক, কর্মচারী ও আশ্রমিকদের পাশে আছে বাংলাপক্ষ। অবিলম্বে উপাচার্য পদত‍্যাগ না করলে বৃহত্তর আন্দোলন সংগঠিত করা হবে। দিল্লীর দালাল উপাচার্য ও তার টিমকে কিন্তু বাংলার ৯ কোটি বাঙালি ঘিরে আছে।”

অন্যদিকে বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে পুলিশি নিরাপত্তা দিতে হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। ইতিমধ্যেই হাই কোর্টের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা আরও বাড়াতে হবে। ক্যাম্পাসের ৫০ মিটারের মধ্যেও কোনও বিক্ষোভ চলবে না। শান্তিপূর্ণ অবস্থান চলতে পারে, তবে চলবে না মাইক বাজিয়ে স্লোগান দেওয়া। একইসঙ্গে সুনিশ্চিত করতে হবে উপাচার্যের নিরাপত্তাও। এখন থেকে ক্যাম্পাসে ৩ জন নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন থাকবে সর্বক্ষণ।

নজরে নীলছবি, ‘আফগান পর্নস্টার’ খুঁজে পেলেই মাথা কাটবে তালিবানরা

নিউজ ডেস্ক: কাবুল দখল নেওয়ার পর থেকেই নারী স্বাধীনতায় ঘোষিত অবস্থানের উল্টো পথেই হাঁটছে তালিবান। আফগান মহিলাদের ঘরেই থাকতে হবে। এমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রথমে ছেলে-মেয়ে একসঙ্গে পড়ার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা, এখন মহিলাদের কর্মস্থলে না যাওয়ার ফরমান-এরপর কী মাথা কাটার ফতোয়া? আফগানিস্তানের মহিলাদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়েছে বিস্তর। কারণ এর আগে ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত তালিবান সরকারের ভয়ঙ্কর রূপ দেখেছেন আফগানবাসী।

আরও পড়ুন পথের কাঁটা পঞ্জশির দখলের পরেই তালিবান সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা

এবার এক প্রতিবেদনে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। হন্যে হয়ে পর্ন সাইট খুঁজছে তালিবানরা। যদিও তাদের উদ্দেশ্য পর্ন ভিডিও দেখা নয়, উদ্দেশ্য সেই ভিডিও থেকে ‘আফগান পর্নস্টার’ খুঁজছে জেহাদিরা। বিশেষত নীলছবির সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের খুন করার পরিকল্পনা করেছে তারা।

আরও পড়ুন শরিয়তি আইনে চলা আফগানিস্তান থেকে উইঘুর মুসলিমদের চিনে পাঠাবে তালিবান

সরকার গঠনের পরই যৌনকর্মীদের মৃত্যুদন্ড ঘোষণা করা হতে পারে। সমস্ত পর্ন সাইটগুলিও খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছে তালিবানিরা। শরিয়তি আইন অনুযায়ী কোনও ভিনদেশী পুরুষের সঙ্গে যৌন কার্যকলাপে জড়িত হয়েছিলেন, এমন কোনও আফগান মহিলাকে পেলেই তাঁকে খুন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আফগানিস্তানে মহিলাদের মুখে এভাবেই কালি মাখাচ্ছে জেহাদিরা।

তালিবান স্পষ্ট জানিয়েছে আফগানিস্তানে শরিয়া আইন জারি চলবে। কড়া ধর্মীয় এই নিয়মকানুনে মহিলাদের জন্য ভয়ঙ্কর সব নিদান রয়েছে। এর একটু ভুল হলেই প্রকাশ্যে নিদারুণ যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি পেতে হয়। আর সময বিশেষে সেই শাস্তি হয় মাথা কেটে নেওয়া। ২০০১ সালের আগে তালিবান যখন আফগানিস্তান শাসন করত, তখনও তারা কঠোর শরিয়া আইন জারি করেছিল। শিক্ষা থেকে সম্পূর্ণ রূপে বঞ্চিত করে দেওয়া হয়েছিল মহিলাদের, ছিল না কাজ করার অধিকারও। উঁচু স্বরে কথা বলা, পুরুষ সঙ্গী ছাড়া একা বাড়ি থেকে বেরনোর মতো অপরাধেও জনসমক্ষে পাথর ছুঁড়ে হত্যা করা হত তাদের। এবারও সেই একই ছবি দেখা যাচ্ছে আফগানিস্তানে।

যশের মুম্বই যোগের সন্ধান সোশাল মিডিয়ায়

Bengali actor Yash Dasgupta

বায়োস্কোপ ডেস্ক: আপনি মন থেকে ভালো ভাবে, সঠিকভাবে, ভালোবেসে কিছু করবে দেখবেন সেটা নিয়ে সমালোচনা হবেই। তাতে কী? সব সময় অন্যের কথা শুনে, অন্যের সমালোচনা শুনে, নিজের সিদ্ধান্তকে বদলে নিতে হবে?

ক্রমাগত অন্যের কথা শুনতে শুনতে অন্যের মতন করে নিজেকে গড়ে নেওয়ায় একেবারেই বিশ্বাসী নয় অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত। নিজের জন্য পছন্দের ছবি বেছে নেওয়া থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মত কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্ক সব ব্যাপারে ভিন্নধর্মী, নিজের মতে বিশ্বাসী সে।

অ্যাটিটিউড এও, ‘ডোন্ট কেয়ার, নো ফিয়ার’ নিয়ে চলেছে সে। তবে নিজের দায়িত্বে সব সময় স্থির। হাজারো কটাক্ষের মধ্যেও ‘ও মন রে’-র শুটিং থেকে প্রমোশন কিংবা পরিচালক শিলাদিত্য মৌলিক এর আসন্ন ছবি ‘চিনেবাদাম’ এর শুভ মহরতে সহ অভিনেত্রী এনা সাহার সঙ্গে উজ্জ্বল উপস্থিতি ছিল তার।

এর সঙ্গেই যশেরবান্ধবী অভিনেত্রী নুসরত জাহানের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় যাবতীয় দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। নুসরত পুত্র ঈশানকে নিজের কোলে করে নিয়ে নুসরতকে পরম যত্নে গাড়িতে উঠে গত সোমবার বাড়ি ফিরেছেন তিনি।

তারপরেই আবার ‘ব্যাক টু ওয়ার্ক’ শুটিং ফ্লোরে মন দিয়েছেন তিনি। সামনে চিনেবাদামের শুটিং। তবে তার মধ্যেই খ্যাতনামা চিত্রগ্রাহক সোমনাথ রায় এর ক্যামেরাতে লেন্স বন্দী হলেন তিনি। হোয়াইট রাউন্ড নেক টি শার্টের ওপর ব্লু ব্লেজার ও চোখে কালো সানগ্লাসে যশের ছবির সামনে আসা মাত্রই তুমুল হইচই বাধলো সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে।

Bengali actor Yash Dasgupta

কিন্তু যশের জন্য এক দারুণ প্রাপ্তি ঘটলো এই ছবি ঘিরে। ছবির নিচে কমেন্ট করলেন, প্রবীণ এবং জনপ্রিয় অভিনেতা রোহিত বোস রায়। বাংলা তথা বলিউডে তার অবাধ বিচরণ।

যশের ছবির নীচে তার অকপট কমেন্ট, ‘ তুমি কলকাতার সবথেকে গুড লুকিং হিরো। আরো সাফল্য আসুক তোমার জীবনে।’
শুধু এখানেই তিনি থেমে যাননি তিনি লিখেছেন, “আমার মনে হয়েছিল শুধু কলকাতা নয় পুরো দেশের মধ্যে সবথেকে হ্যান্ডসাম হিরো যে তুমি, সেটা লিখব।তবে আমি আমার বলিউডের বন্ধুদের মনে আঘাত করতে চাইনা।”

যশ প্রত্যুত্তরে বলেছেন, রোহিত বোস রায় ব্যক্তিগতভাবে তাকেও যথেষ্ট উৎসাহিত করে নিজেকে ভেঙে গড়ে নতুন করে এক্সপ্লোর করতে।
স্বাভাবিকভাবেই যশ অনুরাগীদের জন্য অভিনেতা এবং রোহিতের এই কথোপকথন অনেকটাই দামি হয়ে উঠেছে।

মমতা ও TMC বিধায়কদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তথ্য দেবে না রাজ্য লোকায়ুক্ত

Mamata Banerjee

নিউজ ডেস্ক: সম্ভাবনা ছিলই? ঠিক তেমনই হয়েছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সরকারের কোনও মন্ত্রী বিধায়কের বিরুদ্ধে দূর্নীতির তথ্য দেওয়া হবে না৷ এমন জানিয়ে দিল রাজ্য লোকায়ুক্ত। এর জেরে রাজনৈতিক হাওয়া ফের গরম হতে চলেছে।

পরপর তিনবার ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও ক্ষমতাসীন দলটির বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ উঠেছে। প্রশ্ন, কেন সরকারে থাকা দল টিএমসি ও মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে লোকায়ুক্ত (Corruption monitoring & controlling body) নিষ্ক্রিয়।

রাজ্য লোকাযুক্ত সাফ জানিয়েছে, কোনওভাবেই মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর সরকারের কোনও মন্ত্রী বিধায়কের বিরুদ্ধে দূর্নীতির তথ্য দেওয়া হবে না। বিষয়টি নিয়ে এবার আদালতে যাওয়ার পথ বিরোধী বিজেপির।তবে বিধানসভায় না থাকলেও সিপিআইএম সহ অন্যান্য বিরোধীরাও আদালতের দরজায় যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

আগেই মুখ্যমন্ত্রীকে লোকায়ুক্তের আওতার বাইরে আনার লক্ষ্যে আইন সংশোধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার। বিধানসভায় সেই শক্তি তাদের রয়েছে। তবে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে শাসক পক্ষ আইন বদলে ফেললেও আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথা ভাবছে বিরোধীরা।

এবার পুজোয় দেবের সঙ্গে চলুন ‘বোম্বাগড়’

Hobuchandra Raja Gobuchandra Montri dev

বায়োস্কেপ ডেস্ক: সদ্যই পশ্চিমবঙ্গ সামলে উঠেছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। এই পুজোয় আর আগের মতন করে ঘোরা-ফেরা হয়তো হবেনা। কিন্তু পুজোয় সিনেমা না হলে চলে? আর সিনেমা দেখব, প্রেক্ষাগৃহে না গিয়ে, তাও আবার এক রাজা মন্ত্রীর কাহিনী তা কি করে হয়? আর এখন তো সিনেমাহল খুলে গিয়েছে। কোভিড দূরত্ব বিধি মেনে আবারও নতুন করে ভরে উঠছে সিনেমাহল গুলি। তাই নতুন উদ্যমে নতুন স্বপ্ন নিয়ে বুক বেধেছেন বাংলা চলচ্চিত্র জগৎ এর প্রযোজক-পরিচালকরা।

Hobuchandra Raja Gobuchandra Montri dev

দীর্ঘ দিনের প্রতিক্ষার অবসান হবে এই পুজোয়। কারণ গত এপ্রিল মাসে প্রযোজক অভিনেতা সাংসদ দেব জানিয়েছিলেন, কেন মে মাসে হবুচন্দ্র রাজা গবুচন্দ্র মন্ত্রী মুক্তি পাবে না। বোম্বাগড়ের পক্ষ থেকে বিশেষ ঘোষণা করে দেব জানিয়েছিলেন বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতি কেটে গেলে তার পরেই তিনি দর্শকদের নিয়ে যাবেন রূপকথার দেশে। কথার খেলাপ করা দেবের ডিকশনারিতে নেই। এমনকি টলিউডের সোনু সুদ বলেও তাকে আখ্যা দিয়েছে তার ভক্তকুল।

মানব-দরদি এই নেতা এবং অভিনেতা এই পুজোতে দর্শকদের নিয়ে যাবেন বোম্বাগড়ে। সেখানে দর্শকদের জন্য অপেক্ষা করে আছে বোম্বাগড়ের রাজা, রানী, মন্ত্রী, সৈন্যদল, রাজসভা রাজকোষ। সব মিলিয়ে এক দারুণ রাজ্য। রাজার ছত্রছায়ায় সবাই খুব খুশি। হবুচন্দ্র রাজার চরিত্রে অভিনয় করছেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়,রানী অর্থাৎ কুসুমকুমারীর চরিত্রে অর্পিতা চট্টোপাধ্যায় গবুচন্দ্র মন্ত্রীর চরিত্রে খরাজ মুখোপাধ্যায়। দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদারের কাহিনী অবলম্বনে, অনিকেত চট্টোপাধ্যায় এর পরিচালনায় এবং কবীর সুমনের সঙ্গীত পরিচালনায় এবারে শরতে বোম্বাগড় ভ্রমণে আপনার হাতে থাক পপকর্ণ আর মনে থাক খুশির রং।

সুতীর্থার জন্যই ম্যাচ ছাড়তে বলেছিলেন সৌম্যদীপ? মণিকার অভিযোগে জল্পনা ক্রীড়াদুনিয়ায়

অনুভব খাসনবীশ: ভারতীয় টেবল টেনিস টিমের কোচ সৌম্যদীপ রায়ের বিরুদ্ধে ম্যাচ গড়াপেটার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ নিয়ে এলেন মণিকা বাত্রা। মার্চ মাসে অলিম্পিক্সের যোগ্যতা অর্জনকারী একটি ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার জন্য তাঁকে অনুরোধ করেছিলেন সৌম্যদীপ। টোকিও অলিম্পিকে জাতীয় কোচ সৌম্যদীপের সাহায্য নিতে না চাওয়ার জন্য মণিকাকে কারণ দর্শানোর বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছিল জাতীয় টেবিল টেনিস সংস্থা। শুক্রবার তার উত্তর দিয়েছেন মণিকা। সেখানেই এই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন তিনি। ঘটনাটি সে সময় টিটি ফেডারেশনের এক কর্তাকেও জানিয়েছিলেন মণিকা, এমনটাই তাঁর দাবি।

আরও পড়ুন গড়াপেটায় ‘অভিযুক্ত’ বাংলার টিটি কোচ সৌম্যদীপ, বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন মণিকা

মণিকা লিখেছেন, “দোহায় মার্চ মাসে অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জন পর্বে জাতীয় কোচ আমার উপর চাপ তৈরি করেছিলেন ম্যাচ ছাড়ার জন্য। যাতে ওঁর এক ছাত্রী অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জন করতে পারে। অলিম্পিকে যাতে শেষ মুহূর্তে মনোযোগ হারিয়ে না ফেলি, তাই জাতীয় কোচকে ছাড়াই খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।”

কিন্তু জাতীয় কোচ সৌম্যদীপের কোন ছাত্রীর কথা বলতে চাইছেন মণিকা বাত্রা? যার অলিম্পিকের টিকিটের জন্য মণিকাকে ম্যাচ ছাড়তে বলেছিলেন বাংলার প্রাক্তন টিটি প্লেয়ার। সৌম্যদীপের ছাত্রী হিসেবে নৈহাটির সুতীর্থা মুখোপাধ্যায় ছিলেন অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জনকারী টুর্নামেন্টে। মণিকা এই মুহূর্তে ভারতীয় টিটিতে এক নম্বর স্থানে রয়েছেন। সুতীর্থা দু’য়ে। নৈহাটির টেবল টেনিস খেলোয়াড় ১৯ মার্চ মণিকাকে হারিয়েই টোকিও অলিম্পিকের টিকিট পেয়েছিলেন। তীরন্দাজ অতনু দাসের পর বাংলা থেকে অলিম্পিকে যাওয়ার ছাড়পত্র পেয়ে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন সুতীর্থা।

আরও পড়ুন উৎসবের মন্তব্যে আবার ভাইরাল #RemoveATK, আন্দোলনের পথে সবুজ-মেরুন সমর্থকরা

মণিকা কি ওই ম্যাচটার কথাই বলতে চেয়েছেন? তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে দেশের ক্রীড়ামহলে। পিছিয়ে নেই সোশ্যাল মিডিয়াও। বছর পাঁচেক আগেও বিতর্কে জড়িয়েছিলেন সুতীর্থা। বয়স ভাড়ানোর অভিযোগে তাঁকে সাসপেন্ড করেছিল ফেডারেশন। ফলে যেতে পারেননি রিও অলিম্পিকে। এবার পৌলমী ঘটক, মৌমা দাসের পর বাংলার মহিলা টিটি খেলোয়াড় হিসাবে গিয়েছেন টোকিও অলিম্পিকে। যদিও অলিম্পিকের প্রথম রাউন্ডে পিছিয়ে থেকে অসাধারণ জয় তুলে নিলেও, দ্বিতীয় রাউন্ডে পরাস্ত হন পর্তুগালের ফু য়ু-র কাছে।

টোকিও অলিম্পিকে মণিকা জাতীয় দলের কোচের তত্ত্বাবধানে খেলতে রাজি হননি। নিজের ব্যক্তিগত কোচকে সঙ্গে নিয়েই প্র্যাকটিস সেরেছিলেন। তবে অলিম্পিকের নিয়ম অনুযায়ী, টিম হিসেবে প্রতিযোগিতায় অংশ নিলে ব্যক্তিগত কোচ ম্যাচের সময় পরামর্শ দিতে পারেন না। তাই সাইড লাইনে কোনও কোচের উপস্থিতি ছাড়া একাই খেলতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। পরামর্শ নেননি জাতীয় কোচ সৌমদীপেরও। মণিকা দাবি তুলেছিলেন, সুতীর্থা যদি তাঁর কোচ হিসেবে সৌম্যদীপকে পাশে পান, তা হলে কেন তিনি নিজের কোচকে রাখতে পারবেন না?

এবার আবার সেই ঘটনার কারণ দেখাতে গিয়ে নতুন অভিযোগ এনেছেন তিনি। সৌম্যদীপ, সুতীর্থা দু’জনের সঙ্গেই যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। ভারতীয় খেলাধুলোয় ম্যাচ গড়াপেটার গল্প নতুন নয়, এবার এই অভিযোগ নিয়ে সৌম্যদীপ রায় কী প্রতিক্রিয়া দেন, সেদিকেই তাকিয়ে ক্রীড়ামহল। তাছাড়াও ঘটনা প্রমাণিত হলে, সৌমদীপের সেই ছাত্রী সুতীর্থাই কিনা তা জানতেই উৎসুক দেশের ত্রীড়ামহল।

বাইডেন সাক্ষাতে শীঘ্রই মার্কিন মুলুকে যাবেন মোদী

নিউজ ডেস্ক: জো বিডেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের পদে বসার পর মাত্র তিনবার সাক্ষাৎ হয়েছিল মোদী-বাইডেনের। চলতি বছরের মার্চে কোয়াড সম্মেলন, এপ্রিলে জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন এবং জুন মাসে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন। যদিও করোনা অতিমারির প্রভাবে প্রত্যেকবারই দুই রাষ্ট্রনেতা মুখোমুখি হয়েছিলেন ভার্চুয়ালি। 

আরও পড়ুন তালিবান সরকার: রাজনৈতিক জীবনে কঠিনতর সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন মোদী

এবার সমস্ত কিছু ঠিক থাকলে কিছুদিনের মধ্যেই মুখোমুখি সাক্ষাৎ হবে মোদী-বাইডেনের। কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ২২-২৭ সেপ্টেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে যেতে পারেন নরেন্দ্র মোদী। সেক্ষেত্রে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর তাঁর প্রথম বিদেশ সফরই শুধু নয়, ট্রাম্পকে হটিয়ে জো বাইডেন আমেরিকার প্রেসিডেন্টের পদে বসার পর প্রথমবার মুখোমুখি সাক্ষাৎ হবে মোদীর সঙ্গে।

আরও পড়ুন নতমস্তকে বাইডেন: প্রবীণ কমিউনিস্ট ভিয়েতকং গেরিলারা ফিরলেন সোনালি অতীতে

এর আগে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের জন্য মোদির মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভারতজুড়ে করোনা সংক্রমণের কারণে সফরটি বাতিল করতে হয়েছিল। অন্যদিকে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি এবং তালিবানদের সরকার গঠনের প্রেক্ষিতে মোদীর এই সফর বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। বিডেনের সঙ্গে দেখা করার পাশাপাশি তিনি মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

শেষবার ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে আমেরিকা সফরে গিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। আমেরিকায় ভোটের আগে সেই সফরে গিয়ে ‘আবকি বার ট্রাম্প সরকার’ বলে ডেমোক্রেটিক পার্টির জন্য ভোটও চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষপর্যন্ত ক্ষমতায় এসেছে রিপাবলিক, প্রেসিডেন্ট হয়েছেন জো বাইডেন। সেদিক থেকেই মোদীর এই সফর যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

অন্যদিকে, তালিবানদের কাবুল দখল, আফগানিস্তানে শরিয়তি আইন প্রতিষ্ঠা, সরকার গঠন নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি নরেন্দ্র মোদী। ভারতীয়দের উদ্ধারে কেন্দ্রীয় সরকার সমস্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলেও সরকারিভাবে কোনও মন্তব্য আসেনি প্রধানমন্ত্রী তরফ থেকে। কিন্তু, কাশ্মীরের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে তালিবানদের বিভিন্ন মন্তব্যে ইতিমধ্যেই চাপ বেড়েছে নয়াদিল্লির ওপর।

 

 

গুড়ের হাজারো উপকারিতা স্বাস্থ্য রাখে সবল

Everything you need to know about jaggery

অনলাইন ডেস্ক: বহু যুগান্ত ধরে গুড় হাজারো উপকারের জন্য পরিচিত। এটি প্রধানত বিশুদ্ধ, অপরিষ্কার, অকেন্দ্রিক চিনি৷ যা ভারতে সাধারণত ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত সোনালি বাদামী থেকে বাদামী রঙের পরিবর্তিত হয়। ভারতে মহারাষ্ট্র হল গুড় উৎপাদনের সবচেয়ে বড় কেন্দ্র এবং কোলহাপুর হল সরবরাহের বড় কেন্দ্র। বেশিরভাগ গুড় আখের রস থেকে তৈরি হয়৷ কিন্তু কখনও কখনও সেগুলি খেজুরের রস থেকেও প্রক্রিয়াজাত করা হয়।
গুড় কিভাবে প্রস্তুত করা হয়?

গুড় আখের রস বা নির্দিষ্ট গাছের রস. যেমন খেজুর ইত্যাদি থেকে তৈরি করা হয়৷ উত্তোলিত রস গরম করে মূল পরিমাণের এক-তৃতীয়াংশ করা হয় এবং তরলটি ক্রমাগত নাড়ানো হয়৷ ঠান্ডা হওয়ার পরে নামানো হয়। এটি পুরোপুরি ঘন হওয়ার পরে একটি অগভীর প্যানে স্থানান্তরিত হয়৷ তারপর এটি দিয়ে ঠান্ডা এবং শক্ত করা হয়। এই গুড়কে বৃত্ত আকারে টুকরো করে ব্যাবহার করা হয় ।

গুড়ের পুষ্টিগুণ: গুড় চিনির চেয়ে অনেক বেশি জটিল৷ কারণ এটি দীর্ঘ সুক্রোজ চেইনের সমন্বয়ে গঠিত৷ তাই এটি চিনির চেয়ে ধীরে ধীরে হজম হয় এবং স্বতস্ফূর্তভাবে শক্তি ধীরে ধীরে ছেড়ে দেয়৷ ফলে শরীরের ক্ষতি না করে দীর্ঘ সময়ের জন্য শক্তি প্রদান করে। যখন একটি লোহার পাত্রে গুড় রান্না করা হয়, তখন রান্নার প্রক্রিয়ার সময় প্রচুর পরিমাণে আয়রন লবণও জমা হবে। এই আয়রনের স্বাস্থ্য উপকারিতাও রয়েছে৷ বিশেষ করে রক্তশূন্যতা বা আয়রনের ঘাটতিযুক্ত মানুষের জন্য।

Everything you need to know about jaggery

গুড়ের স্বাস্থ্য উপকারিতা:
সমৃদ্ধ পুষ্টিকর উপকারিতারর কারণে গুড়ের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা রয়েছে –
১। আয়রনের মাত্রা উন্নত করতে সাহায্য করে:
ঐতিহ্যগতভাবে লোহা এমনভাবে তৈরি করা হত যে, এটি লোহার উপাদান উন্নত করতে সাহায্য করে। রক্তে হিমোগ্লোবিনের অভাবকে অ্যানিমিয়া বলা হয়, যা রক্তে অক্সিজেন বহন করার ক্ষমতা হ্রাস করে। গুড় ভারসাম্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্যগুলির মাধ্যমে রক্তাল্পতার লক্ষণগুলি কমাতে সাহায্য করে। এটি তার রসায়ন (পুনর্জীবন) বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে একজন ব্যক্তির সামগ্রিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে। রক্তশূন্যতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহায্য করার জন্য প্রতিদিন ১ টেবিল চামচ বা এক টুকরো গুড় খান।

২। তাত্ক্ষণিক শক্তি প্রদান করতে পারে:
যদি আপনি দুর্বল বা অলস বোধ করেন, তাহলে একটি গুড়ের কিউব খাওয়া আপনাকে অবিলম্বে শক্তি প্রদান করতে পারে। সাদা চিনির সঙ্গে তুলনা করলে, গুড় শরীরকে ধীরে ধীরে শোষণ করতে দেয়৷ যার অর্থ আপনার রক্তে শর্করার অবিলম্বে বৃদ্ধি হবে না ।

৩। হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে:
ভারতে ভারী খাবারের পরে হজমশক্তিকে উদ্দীপিত করতে প্রায়ই গুড় খাওয়া হয়। এটি হজম এনজাইমগুলিকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে৷ এই হজম এনজাইমগুলি পাকস্থলিতে অ্যাসিটিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়৷ যাতে হজমশক্তি উন্নত হয় এবং প্রক্রিয়াটি সুচারুভাবে হয়৷ এটি পাচনতন্ত্র এবং অন্ত্রের বোঝা হ্রাস করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও সাহায্য করতে পারে। এটি শরীরে হজমকারী এনজাইমগুলিকে একত্রিত করে এবং হজমে সহায়তা করে।

৪। ইমিউন সিস্টেমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ :
গুড় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থে ভরপুর। এর সমৃদ্ধ পুষ্টিকর প্রোফাইলের কারণে এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। গুড়ের মধ্যে উপস্থিত সেলেনিয়াম এবং জিঙ্ক মুক্ত মৌলিক ক্ষতি এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারে।

৫। চিনির চেয়ে ভালো:
চিনি যা দ্রুত হজম হয় এবং শক্তি বিলম্ব ছাড়াই মুক্তি পায়৷ কিন্তু গুড় খনিজ লবণ, সুক্রোজ এবং ফাইবারের দীর্ঘ চেইন দিয়ে গঠিত। যেহেতু গুড় লোহার পাত্রে প্রস্তুত, তাই এটি লোহা সমৃদ্ধ। লোহার অভাবজনিত রোগীদের ক্ষেত্রে চিনির চেয়ে গুড় খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এটি অতিরিক্তভাবে ক্লিনিং এজেন্ট হিসাবে কাজ করে৷ ফলে এটি ফুসফুস এবং শ্বাসনালীকে মসৃণ করতে সাহায্য করে। সুতরাং, গুড়ের সঙ্গে চিনি পরিবর্তন করা অনেক উপকারী।

৬। ভারতে রান্নায় গুড়ের ব্যবহার :
ভারতে এটি সাধারণত মিষ্টি এবং সুস্বাদু খাবারে ব্যবহৃত হয়। এটি সুস্বাদু খাবারে সাম্বার, ডাল বা গুজরাটি সবজির মতো তরকারির টেঙ্গি-মিষ্টির মতো স্বাদ দেয়। সাধারণভাবে খাওয়া মিষ্টি, চিক্কি বিশেষ করে মকরসংক্রান্তির সময় তিল ও গুড় ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। গুজরাটি ভাষায় গমের আটা এবং গুড় ব্যবহার করে একটি বিখ্যাত মিষ্টি তৈরি করা হয় লাড্ডু। একটি বিখ্যাত মহারাষ্ট্রীয় রেসিপি৷ গুড় ব্যবহার ছাড়া পুরাণ পলি অসম্পূর্ণ। রাজস্থানে ঐতিহ্যবাহী খাবার “গুর কা চাওয়াল” খুব বিখ্যাত। বাংলায় সাধারণত গুড়, নারকেল এবং দুধ ব্যবহার করে মিষ্টি খাবার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

গুড় প্রতিটি সংস্কৃতি এবং প্রতিটি ঐতিহ্যের অংশ। আপনি জলে হলুদ, গুড় এবং আদার গুঁড়ো একত্রিত করে ফুটিয়ে পান করতে পারেন। এটি আপনার রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কয়েকগুণ বাড়াতে এবং আপনার ফুসফুসকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। আর্দ্রতা এবং তাপ থেকে দূরে একটি এয়ার-টাইট পাত্রে গুড় সংরক্ষণ করুন। যদিও গুড় একটি স্বাস্থ্যকর এবং বেশি পুষ্টিকর চিনি৷ তবুও এটি অতিরিক্ত খাওয়া বা খুব বেশি না খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। বিভিন্ন স্বাস্থ্য সুবিধা পেতে প্রতিদিন এটি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া নিশ্চিত করুন।

ভোররাতে JMB জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াই, নাশকতা বানচাল

JMB RAB Militant activity

নিউজ ডেস্ক: তখনও অন্ধকার কাটেনি। জঙ্গি দমন অভিযান শুরু করল বাংলাদেশ ব়্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন। শুরু হলো গুলির লড়াই। বেশিক্ষণ টিকতে পারেনি জেএমবি জঙ্গিরা। ধরা পড়েছে। ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় জঙ্গি দমন অভিযান ষেষ হয়েছে। চার জেএমবি জঙ্গি ধরা পড়েছে।

র‍্যাব বলছে, অভিযানের পর একটি বিদেশি রিভলবার, গুলি, ম্যাগজিন, আটটি ককটেল ও বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই।

অভিযানের পর ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার আব্দুল হান্নান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জঙ্গিদের তৎপরতা ও অবস্থানের কথা জেনে সেই ঘাঁটি ঘিরে নেওয়া হয়। জঙ্গিরা গুলি চালায়। র‍্যাব সদস্যরা পাল্টা গুলি চালায়। গোলাগুলির পর চার জেএমবি সদস্যকে আটক করা হয়। বাংলাদেশে জেএমবি এখন দূর্বল। তবে সংগঠনটি ভারতে সক্রিয়। জেএমবি ছেড়ে বেরিয়ে আসা নব্য জেএমবি বাংলাদেশে পরপর নাশকতা ঘটিয়েছে।

একেকটার বয়স হাজার বছর! বাওবাবের পেটে থাকে জল

Amazing baobab tree of Africa

নিউজ ডেস্ক: বাঙালি পাঠককুল বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী সৃষ্টি ‘চাঁদের পাহাড়’ পড়ে বাওবাব গাছের নামটি জেনেছেন। সেই গাছের গুণাগুণ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন গবেষণাপত্রে উঠে এসেছে। আসলে বাওবাব নিজেই একটি অদ্ভুত চরিত্র। এমন পেটমোটা গাছ যার পেটে রাখা থাকে জল।

দেখলে মনে হবে একটা বিরাট বোতল, কখনও মনে হয় বিরাট একটা হাঁড়ি, কেউ ভাবে গামলা। কারোর চোখে ওয়াটার ফিল্টার ! এমনই সব অদ্ভুত আকারের গাছ রয়েছে দুনিয়ায়। এদের রকম সকম আরও চমকে দেবে। এ গাছ যদিও আমাদের দেশের নয়। আফ্রিকার শুকনো মরু এলাকায় মিলবে। বাওবাব নামেই পরিচিতি। প্রকৃতির বিস্ময়। কারণ বাওবাবের কান্ড ও গুঁড়িতে হাজার হাজার লিটার জল মজুত করা থাকে। নিজের প্রয়োজন মতো এই জল খেয়ে সজীব থাকে বাওবাব গাছেরা।

Amazing baobab tree of Africa

আফ্রিকার বাওবাব গাছ মূলত শুকনো মরু এলাকায় হয়। সাহারা মরু সংলগ্ন দেশগুলি, দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন এলাকা, সুদান, দক্ষিণ সুদান, জিম্বাবোয়ে, সহ বিভিন্ন দেশে বাওবাব দেখা যাবে। আফ্রিকা মহাদেশে বাওবাব গাছের ব্যাপকতা বেশি।  মাথার দিকে ডালপালা শিকড়ের মতো ছড়ানো থাকায় অনেকে চমকে যান। ভাবতে থাকেন, গাছটার বোধহয় আকাশের দিকে গোড়া। উল্টো করে দাঁড়িয়ে আছে। তবে কাছে গেলে ভুল ভাঙে।

তবে বছরের নয় মাস এই বাওবাব গাছে কোনও পাতা থাকে না। কিন্তু জল থাকে বিস্তর। বাওবাব গাছ দুশো বছর বয়সী হওয়ার পরেই ফল ধরে। ফুল সাদা রঙের। গন্ধযুক্ত। তবে ফুল ফোটার এক দিনের মধ্যেই বিবর্ণ হয়ে যায়।

বাওবাব আফ্রিকার মরু অঞ্চলের মানুষের কাছে উপকারি এক গাছ।এই গাছের বাকল দিয়ে পোশাক ও শক্ত দড়ি তৈরি হয়। ফল খাওয়া যায়। এছাড়া এই গাছের পাতা থেকে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ তৈরি হয়। আফ্রিকার আদিবাসীরা প্রকৃতির তৈরি ওষুধের উপর নির্ভর করেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম পার করছেন।

হাজার হাজার লিটার জল দেহের মধ্যে সঞ্চয় করে রাখে বাওবাব। এই জল দিয়েই তার জীবন চলবে যতদিন না পুরো সঞ্চয় শেষ হচ্ছে। এর মাঝে প্রকৃতি থেকে জল সংগ্রহের কাজও চলবে। এই নিয়েই বেশ রয়েছে বাওবাব।

পথের কাঁটা পঞ্জশির দখলের পরেই তালিবান সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা

Taliban and the Resistance Front in Panjshir Valley

নিউজ ডেস্ক: কী হবে পঞ্জশিরে? তালিবান কব্জা নাকি জঙ্গি বিরোধী আফগানি শক্তির নেতা মাসুদের জয় প্রায় পুরো আফগানিস্তানের দখল নিলেও তালিবান এখনও কব্জা করতে পারেনি। শনিবার ভোর থেকে প্রবল সংঘর্ষ চলছে এই এলাকায়। পঞ্জশির ঘিরে মূল সংঘর্ষ তালিবান ও আফগান রেজিস্টেন্সের।  আল জাজিরা জানাচ্ছে, পঞ্জশিরের কিছু এলাকায় তালিবান জঙ্গি বাহিনি ঢুকেছে। পঞ্জশির চেক পোস্ট সংলগ্ন একটি জেলার বাসিন্দারা দূরবর্তী এলাকায় চলে যাচ্ছেন। এলাকাটি দখলের দাবি করেছে তালিবান।

শুক্রবার তালিবান সরকার গঠনের বার্তা ছিল। কিন্তু সরকার ঘোষণা হয়নি। আফগানিস্তানের সংবাদ মাধ্যমের খবর, আপাতত সরকার ঘোষণা পিছিয়ে দিয়েছে তালিবান। তবে সরকারের প্রধান হিসেবে তালিবান জঙ্গি সংগঠনের সহ প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা আবদুল বারাদারের নাম চূডান্ত হয়েছে। আর সরকারের সর্বশীর্ষে থাকছে বর্তমান তালিবান প্রধান হিবাতুল্লাহ আখুন্দাজাদা। মনে করা হচ্ছে, পঞ্জশির দখল করেই তালিবান সরকার গঠন সম্পূর্ণ করবে।

Taliban and the Resistance Front in Panjshir Valley

পঞ্জশির ঘিরে লড়াই কেমন? আলজাজিরা জানাচ্ছে পরিস্থিতি প্রবল সংঘর্ষপূর্ণ। তালিবান বেগ পাচ্ছে। আফগান সংবাদ মাধ্যম টোলো নিউজের খবর, পঞ্জশিরে উভয়পক্ষের ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে।  রুশ সংবাদ সংস্থা তাস জানাচ্ছে, তালিবানের বিরাট ক্ষতি হচ্ছে। তবে পঞ্জশিরের কিছু অংশে তালিবান প্রথম দিকে ঢুকে পড়েছিল। তাদের হটিয়েছে আহমেদ মাসুদের বাহিনি।

তবে পঞ্জশিরে থাকা অপসারিত আফগান সরকারের স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট আমারুল্লাহ সালেহ বিবিসি কে জানান লড়াই জোরদার চলছে। কঠিন পরিস্থিতি। গত ১৫ আগস্ট তালিবান দ্বিতীয়বারের জন্য কাবুল দখল করার পরেই তিনি পঞ্জশিরে আশ্রয় নেন। তখন তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট। তবে প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি দেশত্যাগ করতেই সামারুল্লাহ নিজেকে সংবিধান মাফিক প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেন।

কাবুল থেকে দলের পর দল তালিবান যাচ্ছে মার্কিন সেনার ফেলে যাওয়া অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে। পঞ্জশির উপত্যকার শাসক আহমেদ মাসুদ তাঁর বাহিনি নিয়ে প্রবল প্রতিরোধ গড়েছেন। দু পক্ষের ক্ষয়ক্ষতি বিস্তর। পঞ্জশির উপত্যকা একমাত্র আফগান এলাকা যেখানে তালিবান বিরোধী নিয়ম চলে।  পঞ্জশিরের শাসক আহমেদ মাসুদের পিতা আহমেদ শাহ মাসুদ ছিলেন তালিবান বিরোধী নেতা ও আফগানিস্তানের জাতীয় বীর। তিনি প্রথম তালিবান সরকার (১৯৯৬-২০০১) সময়ে পঞ্জশিরকে বিচ্ছিন্ন রাখতে সমর্থ হন। পরে নাশকতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

মমতা-সরকারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশিদের ভুয়ো ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার অভিযোগ দিলীপের

Dilip Ghosh and mamata banerjee

নিউজ ডেস্ক: ভুয়ো আইএএস, ভুয়ো সিবিআই, ভুয়ো সিআইডি অফিসার, ভুয়ো মানবাধিকার সংগঠনের কর্ণধার… গত কয়েকদিনে রাজ্যে বহু ‘ভুয়ো’ পদাধিকারী ধরা পড়েছে। স্বভাবতই তাতে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস এবং তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোণঠাসা করার চেষ্টা করেছে বিরোধী দলগুলি।

আরও পড়ুন ত্রিপুরা: মমতার টার্গেট কংগ্রেস ভোট! সন্তোষমোহন কন্যা সুস্মিতায় আপ্লুত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পরিবার

এবার একধাপ এগিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর দলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বাংলাদেশি নাগরিকদের ভুয়ো ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হচ্ছে, এবং ভোটব্যাঙ্ক বাড়ানোর লোভে তা করছে রাজ্যের তৃণমূল সরকার। এমনটাই দাবি করেছেন দিলীপ। 

আরও পড়ুন একবছর হয়ে গেল বাণিজ্য সম্মেলনের তথ্য চেয়েও পাইনি;, রাজ্যকে আক্রমণ ধনখড়ের

কয়েক ঘন্টা আগেই জাল সরকারি পরিচয় পত্র তৈরি চক্রের মূল পান্ডা শেখ গোলাম মোর্তজাকে গ্রেফতার করেছে লেক টাউন থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর আমডাঙার বাসিন্দা এই অভিযুক্ত নিউটাউন এলাকায় ভুয়ো সরকারি নথি এবং ভুয়ো পরিচয়পত্র তৈরির কাজ চালাতো।

আরও পড়ুন উত্তরে বিজেপির ধস নামছে, চিন্তা বাড়ছে দিলীপ-শুভেন্দুর

কিছু টাকা দিলেই পাওয়া যেত ভুয়ো নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র। গত ১৯ জুন ভুয়ো নথি সহ এক বাংলাদেশী নাগরিককে গ্রেফতার করে লেক টাউন থানার পুলিশ। তাঁর কাছ থেকেই উঠে আসে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। বেআইনি ভাবে প্রবেশের পর টাকা দিয়ে তৈরি করেছিল ভারতীয় নাগরিকত্বের জাল নথি। সেই তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে লেকটাউন থানার পুলিশ। 

গড়াপেটায় ‘অভিযুক্ত’ বাংলার টিটি কোচ সৌম্যদীপ, বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন মণিকা

স্পোর্টস ডেস্ক: ভারতীয় টেবল টেনিস টিমের কোচ সৌম্যদীপ রায়ের বিরুদ্ধে ম্যাচ গড়াপেটার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ নিয়ে এলেন মণিকা বাত্রা। মার্চ মাসে অলিম্পিক্সের যোগ্যতা অর্জনকারী একটি ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার জন্য তাঁকে অনুরোধ করেছিলেন সৌম্যদীপ।

আরও পড়ুন উৎসবের মন্তব্যে আবার ভাইরাল #RemoveATK, আন্দোলনের পথে সবুজ-মেরুন সমর্থকরা

টোকিও অলিম্পিকে মণিকা জাতীয় দলের কোচের তত্ত্বাবধানে খেলতে রাজি হননি। নিজের ব্যক্তিগত কোচকে সঙ্গে নিয়েই প্র্যাকটিস সেরেছিলেন। তবে অলিম্পিকের নিয়ম অনুযায়ী, টিম হিসেবে প্রতিযোগিতায় অংশ নিলে ব্যক্তিগত কোচ ম্যাচের সময় পরামর্শ দিতে পারেন না। তাই সাইড লাইনে কোনও কোচের উপস্থিতি ছাড়া একাই খেলতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। পরামর্শ নেননি জাতীয় কোচ সৌমদীপেরও।

मनिका बत्रा का बड़ा आरोप- कोच रॉय ने कहा था मैच फिक्स करने को - manika batra  s big allegation coach roy had asked to fix the match-mobile

জাতীয় কোচ সৌম্যদীপের সাহায্য নিতে না চাওয়ার জন্য মণিকাকে কারণ দর্শানোর বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছিল জাতীয় টেবিল টেনিস সংস্থা। শুক্রবার তার উত্তর দিয়েছেন মণিকা। সেখানেই এই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন তিনি। লিখেছেন, “দোহায় মার্চ মাসে অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জন পর্বে জাতীয় কোচ আমার উপর চাপ তৈরি করেছিলেন ম্যাচ ছাড়ার জন্য। যাতে ওঁর এক ছাত্রী অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জন করতে পারে। অলিম্পিকে যাতে শেষ মুহূর্তে মনোযোগ হারিয়ে না ফেলি, তাই জাতীয় কোচকে ছাড়াই খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।”

আরও পড়ুন কলকাতা লিগে নেই ইস্ট-মোহন, ‘বাংলার ফুটবল’ বাঁচাতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ আইএফএ কর্তারা

মণিকার আরও সংযোজন,  “আমার কাছে এই অভিযোগের প্রমাণ রয়েছে এবং যথাসময়ে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সেটি জমা দেব। ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার জন্য আমার হোটেলের ঘরে এসে অন্তত ২০ মিনিট কথা বলেন জাতীয় কোচ। দেশের স্বার্থের দোহাই দেখিয়ে উনি অন্যায় ভাবে ওঁর ছাত্রীকে অলিম্পিকে পাঠাতে চাইছিলেন। সেই সময় ওঁর সঙ্গে সেই ছাত্রীও ছিল, যে জাতীয় কোচের অ্যাকাডেমিতেই অনুশীলন করে। আমি ফেডারেশনের এক আধিকারিককেও সেসময় সমস্ত ঘটনা জানিয়েছিলাম।” ভারতীয় খেলাধুলোয় ম্যাচ গড়াপেটার গল্প নতুন নয়, এবার এই অভিযোগ নিয়ে সৌম্যদীপ রায় কী প্রতিক্রিয়া দেন, সেদিকেই তাকিয়ে ক্রীড়ামহল।

তালিবানদের ‘বিপ্লবী’ আখ্যা দিয়ে বিপাকে কংগ্রেস বিধায়ক আনসারি

নিউজ ডেস্ক: গোটা আফগানিস্তান দখল করেছে তালিবানরা। দেশের প্রায় প্রতিটি প্রান্তেই কায়েম হচ্ছে শরিয়তি আইন। ইসলামের আদেশ অনুসারেই চলছে দেশ। গোটা পাকিস্তানজুড়েই রীতিমতো উতসবের মেজাজে কট্টরপন্থীরা। তালিবানদের আফগানিস্তান দখল এবং আমেরিকান সৈন্য প্রত্যাহার করার জন্য ‘আল্লাকে ধন্যবাদ জানাতে’ ২৭ আগস্ট একটি অনুষ্ঠান পালন করা হয়েছে পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রান্তে।

আরও পড়ুন পঞ্জশির রক্তাক্ত: যে ছবি প্রমাণ দিচ্ছে মাসুদ বাহিনিকে কেন ভয় তালিবানের

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল ‘পাকিস্তান তহেরিক-ই-ইনসাফ’-এর নীলম ইরশাদ শেখ নামের এক নেত্রী সোজাসুজি বলেন, ”তালিবান বলেছে ওরা আমাদের সঙ্গে আছে। এবং কাশ্মীরকে স্বাধীন করতে আমাদের সাহায্যও করবে।” এবার তালিবানদের প্রকাশ্যে সমর্থন করে বিতর্ক উসকে দিলেন কংগ্রেস বিধায়ক ইরফান আনসারি। আফগানিস্তানি জঙ্গিগোষ্ঠীকে ‘বিপ্লবী’ তকমা দিয়ে বিপাকে ঝাড়খণ্ডের ওই রাজনীতিবিদ।

 

এক সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন কংগ্রেস প্রধান আনসারি বলেন, “আফগানিস্তানে এতদিন ধরেই অত্যাচার চালাচ্ছিল মার্কিন সেনাবাহিনী। মায়েদের, বোনেদের ও শিশুদের উপর অত্যাচার করত তারা। এবার তালিবানরা আফগানিস্তান দখল করায় আফগানিস্তানের মানুষ খুশি।” তালিবানকে শুধু প্রশংসাই নয়, আমেরিকাকেও তোপ দেগেছেন তিনি। জানিয়েছেন, “আমেরিকার সেনা যেখানেই যায় সেখানেই সবার উপর অত্যাচার চালায় তারা। এবার আফগানিস্তানে শান্তি ফিরবে।” তাঁর এই কথাতেই বিতর্ক শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

আরও পড়ুন শরিয়তি আইনে চলা আফগানিস্তান থেকে উইঘুর মুসলিমদের চিনে পাঠাবে তালিবান

ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে সমালোচনায় ভরিয়ে দেওয়া হয়েছে আনসারিকে। পদ্মশিবিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “জামতাড়ার কংগ্রেস বিধায়ক একটি সন্ত্রাসবাদী সংগঠনকে সমর্থন করছেন। যারা আফগানিস্তানের মহিলা ও সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের জন্য কুখ্যাত। তালিবানের ভয়ে সে দেশের নাগরিকরা আফগানিস্তান ছেড়ে পালাচ্ছে। ইরফান আনসারি কি চাইছেন যে ভারতেও এমনটা হোক।” প্রসঙ্গত, ২০০১ সালের আগে তালিবান যখন আফগানিস্তান শাসন করত, তখনও তারা কঠোর শরিয়া আইন জারি করেছিল। এবারেও আগের ছবিই দেখা যাচ্ছে গোটা দেশ জুড়ে।  

বিশ্বভারতীর উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে রাজপথে বাংলাপক্ষ

নিউজ ডেস্ক: বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে পুলিশি নিরাপত্তা দিতে হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। পাশাপাশি, আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বলেছেন, ‘‘আপনারা আন্দোলন করতেই পারেন। কিন্তু উপাচার্যকে ঘেরাও করে রাখতে পারেন না।’’ শান্তিনিকেতন থানাকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে থেকে সমস্ত ব্যানার-পোস্টার খুলে ফেলারও নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

আরও পড়ুন কলকাতা লিগে নেই ইস্ট-মোহন, বাংলার ফুটবল বাঁচাতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ আইএফএ কর্তারা

তার পরদিনই উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে পথে নামছে বাংলাপক্ষ। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ‘কবিগুরুর শান্তিনিকেতনে ঐতিহ্য ধ্বংসকারী বিজেপি-RSS এর দালাল বিশ্বভারতীর উপাচার্যের স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থা এবং সাধারণ ছাত্রছাত্রী, অধ্যাপক ও কর্মীদের উপর অন্যায় অবিচারের প্রতিবাদে শনিবার পথে নামবে বাংলাপক্ষ (ভারতের বাঙালির অধিকার আদায়ের সংগঠন)।’

আরও পড়ুন Exclusive: কলকাতার ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধ সদর কার্যালয় ভারতের কাছে চাইল বাংলাদেশ

বোলপুর চৌরাস্তা থেকে ফায়ার ব্রিগেড মোড় পর্যন্ত ওই প্রতিবাদ মিছিলের উদ্দেশ্য বিশ্বভারতীর শান্তি ফিরিয়ে আনা, এমনটাই জানানো হয়েছে সংগঠনের পক্ষ থেকে। যদিও ইতিমধ্যেই হাই কোর্টের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা আরও বাড়াতে হবে। ক্যাম্পাসের ৫০ মিটারের মধ্যেও কোনও বিক্ষোভ চলবে না। শান্তিপূর্ণ অবস্থান চলতে পারে, তবে চলবে না মাইক বাজিয়ে স্লোগান দেওয়া। একইসঙ্গে সুনিশ্চিত করতে হবে উপাচার্যের নিরাপত্তাও। এখন থেকে ক্যাম্পাসে ৩ জন নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন থাকবে সর্বক্ষণ।

মধুরা আর প্রণয়ের বিয়েতে ধুন্ধুমার কাণ্ড দুই পরিবারের মধ্যে

GANGULY WED GUHAS on KLIKK

বায়োস্কোপ ডেস্ক: মধুরা আর প্রনয়ের বিয়ে। ঠিক সেটাকে ঘিরেই বিরাট ধুন্ধুমার কান্ড দুই পরিবারের মধ্যে। কথায় বলে, বিপরীত নাকি একে অন্যকে আকর্ষণ করে। পিস মেনে নেওয়ার প্রসঙ্গে এ কথা উল্লেখযোগ্য। তবে যদি দুই সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর পরিবার যদি দুজন দুজনের দিকে মনন, ভাবনায়, শিল্পে সবেতেই আলাদা হয়েও কাছাকাছি চলে আসে তবে তার পরিণতি কী হতে পারে!

নানা ঘটনা ক্রমে এক পরিবারের সদস্য আরেক পরিবারকে প্রশ্ন করতেই পারে, ‘এই নিয়মের মানে কী’ কিংবা কথায় কথায় উঠতেই পারে,’ আমাদের বাড়িতে আবার এসব হয় না’, এই পরিবারের কাছে যা সেঁকেলে তা হতেই পারে আরেক পরিবারের কাছে বংশমর্যাদা ও ঐতিহ্যের বহনকারী এক প্রথা। আবার অন্য পরিবারের কাছে যা দারুন মডার্ন তাই আরেক পরিবারের কাছে, ঘোর কলিযুগের ফল৷

ঘটনার ঘণ্টাধ্বনি বাজিয়ে এমনই দুই পরিবার একই সূত্রে নিজেদের বাঁধতে চলেছে। তাই ঘটনার মূল এই কান্ড কারখানা জমে উঠবে জমজমাট বিয়েবাড়ির আসর দিয়ে সাজানো ৭ টি পর্বের ওয়েব সিরিজ ‘গাঙ্গুলিস ওয়েড গুহস’-এ,শুধুমাত্র Klikk OTT প্ল্যাটফর্মে।

বালিগঞ্জের গুহ পরিবার শিল্পচর্চার পৃষ্ঠপোষক। সকলেই কিছু না কিছু বিষয়ে পারদর্শী যা শিল্পকলার সঙ্গে যুক্ত। কেউ রবীন্দ্র সঙ্গীত বিশারদ, তো কেউ জানে কত্থক। তারা সান্ধ্য আসর জমায় টলি ক্লাবে, সুরার সমুদ্রে আর চিজের পাহাড়ে।  অন্যদিকে নীলমনি মিত্র লেনের একান্নবর্তী গাঙ্গুলি পরিবার উত্তর কলকাতার বনেদি পরিবার। যারা এখনো পুরনো ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চায়। এই পরিবারের শিল্প কম বরং পড়াশোনা মানে যাকে বলে অ্যাকাডেমিক ক্ষেত্রেই তাদের অবাধ বিচরণ।

কেউ নামকরা উকিল, ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার। তারা এখনও পুরনো আসবাব আর কোচবিহার রাজ পরিবারের সাথে এক সম্পর্ক নিয়ে গর্ব বোধ করেন। কারণে, কারণ তাদের বাড়ির দুই ছেলে-মেয়ে বেশ কিছুদিনের ফুরফুরে কলেজ প্রেমকে ‘বিবাহের রূপ দিতে চেয়েছে। কিন্তু এই বিশাল বৈচিত্র্যময় দুই পরিবারের মধ্যে ঐক্য স্থাপন করল তাদের পরিবারের কনিষ্ঠতম দুই সদস্য। এই দুই কনিষ্ঠতম সদস্যের কলেজের প্রেম পরিণতি পেতে চলেছে বিয়েতে।
যাকে বলে মহা বিবাহ পর্ব। আর এই মহাবিবাহ পর্বে আপনাদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছে, এই দুই পরিবারকে এক করার সিদ্ধান্ত মূলত যার হাতে ছিল অর্থাৎ পরিচালক সমদর্শী দত্ত।

এবার জেনে নেওয়া যাক এই দুই পরিবারের বিশাল সমুদ্রে থাকছে কারা? অমৃতা চট্টোপাধ্যায়,সমদর্শী দত্ত,সুদীপা বসু,সৌম্য সেনগুপ্ত,বিপ্লব বন্দ্যোপাধ্যায়, কৌশিকী গুহ, সৌম্য ব্যানার্জী,ঈপ্সিতা দেবনাথ,শ্রেয়া ভট্টাচার্য্য,রানা বসু ঠাকুর ,অদ্রিজা মজুমদার,উদয় শঙ্কর পাল,রোমি চৌধুরী, জয়তী চক্রবর্তী,দেবরাজ ভট্টাচার্য,সায়ন ভট্টাচার্য,অনিরুদ্ধ গুপ্ত,অরিজিতা মুখোপাধ্যায়,কৌশিক শীল।