রাজর্ষির ‘মায়া’র বাঁধনে আটকে পড়ল যারা

Official Logo Launch of Mayaa

বায়োস্কোপ: লেখাটা শুরু করতে গেলে প্রথমেই বলতে হয় এই ‘অন্তবিহীন পথে চলাই তো জীবন’। এবার আসি ব্যাখ্যায়, সালটা ২০২০।সত্যজিৎ রায়ের শতবর্ষ উপলক্ষ্যে ‘আবার কাঞ্চনজঙ্ঘা’ ছবিটি বানিয়েছিলেন পরিচালক রাজর্ষি দে (Rajorshee De)। তাঁর সেই ছবিতে দেখা গিয়েছিল টলিপাড়ার একাধিক তারকাকে।

কিন্তু উপরিউক্ত সালটাই বড় অভিশপ্ত কোথাও-না-কোথাও সব স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। তাই ‘আবার কাঞ্চনজঙ্ঘা’ এখনও মুক্তির অপেক্ষায় থাকলেও সেই অপেক্ষায় নিজেকে থামিয়ে রাখেননি পরিচালকরা রাজর্ষি দে। এগিয়ে যাওয়ার মন্ত্র নিয়েই টলিউডকে ‘মায়া’র বাঁধনে বাঁধতে চলেছেন তিনি। অবশ্য এ ভালোবাসার মায়া নয় বরং ক্ষমতা, শক্তি,যশের মায়ায় নারীর মনন। ট্রাজেডি অফ শেক্সপিয়ারের অন্যতম বহুচর্চিত উপন্যাস ‘ম্যাকবেথ’ তিনি তুলে ধরেছেন নারীর দৃষ্টিকোণ থেকে। হিন্দিতে ‘মকবুল’, মালায়লমে ‘জোজি’, ‘ভীরম’ হয়েছে। মঞ্চে গিরিশ ঘোষ, উৎপল দত্ত ও কৌশিক সেন ‘ম্যাকবেথ’ করেছেন। তবে বাংলা ছবিতে ম্যাকবেথ এর আগে হয়নি।

Official Logo Launch of Mayaa

১৯৮৯ থেকে ২০২১-এর পটভূমির আর্থসামাজিক কাঠামোয় দাঁড়িয়ে নারী শক্তি উত্থানের ও ক্ষমতা বিকাশকেই তুলে ধরতে চেয়েছেন পরিচালক।
পরিচালক রাজর্ষি দে-র আসন্ন ছবি ‘মায়া’র জালে ধরা পড়েছেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রফিয়াত রশিদ মিথিলা, তনুশ্রী চক্রবর্তী, গৌরব চক্রবর্তী, কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়, সুদীপ্তা চক্রবর্তী, রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়, কনিনীকা বন্দ্যোপাধ্যায়, রিচা শর্মা, রোহিত বন্দ্যোপাধ্যায়, রণিতা দাস, সুদীপ্তা বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবলীনা কুমার, ঈশান মজুমদার, রাতাশ্রী দত্ত, সায়ন্তনী গুহঠাকুরতা, অসীম রায়চৌধুরী, গৌরব চট্টোপাধ্যায়, অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায় ও কান সিং সোধা।

এই ছবিতে চিত্রায়িত প্রতিটি নারী চরিত্রের অল্টার ইগোরূপে রয়েছেন ‘মায়া’। অর্থাৎ প্রতিটি নারী চরিত্রের অবচেতন মনকে প্রকাশ করছে মায়া । এই চরিত্রে অভিনয় করেছে মিথিলা। চরিত্রের সাজ পোশাকের ওজনের জন্য অনেকটাই ভার বহন করতে হয়েছিল মিথিলাকে। অবশ্য ভাষাগত জায়গা থেকে মিথিলাকে ওপার বাংলার ভাষাতেই কথা বলতে শোনা যাবে।
ম্যাকবেথ এর চরিত্রে অভিনয় করেছেন গৌরব।

লেডি ম্যাকবেথ চরিত্রে অভিনয় করছেন তনুশ্রী। নাম মৃণালিনী। পেশায় অভিনেত্রী। তার কথায় যেহেতু শেক্সপিয়ারের উপন্যাসের একটি মূল ভাবধারা হলো প্রতিটি চরিত্রই ধূসর, তাই অভিনয় করার ক্ষেত্রে অনেকগুলি স্তরে নিজেকে ভাঙতে হয়, সেক্ষেত্রে অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে এক্সপ্লোর করার একটা বড় সুযোগ পাওয়া গিয়েছে এই ছবিতে।

কিং ডানকানের চরিত্রে অভিনয় করছেন কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়। ভবিষ্যৎ বাণীর মায়ায় বাড়তে থাকা ক্রমবর্ধমান লোভ ক্ষমতার লিপ্সা, তার জন্য তৈরি হওয়া চক্রান্ত আর এরপর ধীরে ধীরে একটার পর একটা প্রমাণ ঢাকতে খুন করতে গিয়ে অন্ধকারে তলিয়ে যাওয়া, পুরোটাই এক নারীর দৃষ্টিভঙ্গিতে উঠে আসবে এই ছবিতে।

রাণুর বায়োপিকে মূল ভূমিকায় ‘সেক্রেড গেমস’ খ্যাত ঈশিকা

অনুভব খাসনবীশ: রাণু মন্ডল, সবার কাছেই ভীষণ পরিচিত। রানাঘাট স্টেশনে লতা মঙ্গেশকরের গান গেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হয়েছিলেন তিনি। কোনরকম তালিম ছাড়া তিনি যেভাবে গান গেয়েছিলেন তাতে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন প্রত্যেকে। তারপরেই আমুল বদলে যায় তাঁর জীবন। সুযোগ পান বলিউডে। হিমেশ রেশমিয়ার সহায়তায় প্রথম প্লেব্যাক গানের সুযোগ পান। ‘তেরি মেরি কাহানি’ গেয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে নেন ‘রানাঘাটের রাণু’।

আরও পড়ুন শিল্পেই বিপ্লব: তালিবানদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে কাবুলের গ্রাফিতি শিল্পী শামসিয়া হাসানি

তারপরেই শোনা গিয়েছিল, এবার তৈরি হতে চলেছে রাণু মণ্ডলের বায়োপিক। পরিচালক ঋষিকেশ মণ্ডলের পরিচালনায় তৈরি হতে চলেছে এই ছবি। ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে সেই সিনেমা। মূল ভূমিকায় অভিনয় করবেন ‘সেক্রেড গেমস’ খ্যাত অভিনেত্রী ঈশিকা দে। ‘সেক্রেড গেমস’ ছাড়াও ‘লাল কাপ্তান’, ‘রুম নম্বর ১০৩’, ‘পূর্ব পশ্চিম দক্ষিণ’ এর মতো জনপ্রিয় সিনেমায় কাজ করেছেন তিনি। বিক্রমাদিত্য মাতওয়ানে এবং অনুরাগ কাশ্যপ পরিচালিত ‘সেক্রেড গেমস’-এ নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকির সঙ্গে যৌন দৃশ্যে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পান তিনি। এছাড়াও বিভিন্ন টেলিভিশন অ্যাডের সুবাদে ঈশিকা এখন পরিচিত মুখ। রানু মন্ডলের এখনকার এবং আগের, দুই লুকেই দেখা যাবে তাঁকে।

ঈশিকা দে।

হিন্দিতে হওয়া এই সিনেমার নাম ‘মিস রাণু মারিয়া’। সিনেমায় থাকছে রাণু মন্ডলের গলায় একাধিক গান। গত বছর থেকেই ছবিটি নিয়ে পরিকল্পনা করছিলেন ঋষিকেশ। রাণু মন্ডলের চরিত্রের জন্য প্রাথমিকভাবে ভাবা হয়েছিল সুদীপ্তা চক্রবর্তীকে। এর আগে ‘অচেনা বন্ধুত্ব’ এবং ‘কুসুমিতার গপ্পো’ নামে দুটি ছবি করেছেন হৃষিকেশ। তবে রানু মন্ডলকে নিয়ে ছবি বানানোর সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রয়েছেন বাংলা ব্যান্ড ক্যাকটাসের প্রধান গায়ক সিধুও। সিনেমার সঙ্গীত পরিচালনার দায়িত্বেও রয়েছেন তিনি এবং সুরজিত।

রানাঘাটেই পুরো ছবিটার শুটিং করার ইচ্ছে রয়েছে পরিচালকের। এছাড়াও কিছু অংশের শুটিং কলকাতা, মুম্বইয়ে হবে। অতীন্দ্রও (রানু মন্ডলের ভিডিও যিনি প্রথম তৈরি করেন) থাকবে ছবিতে। অন্যদিকে বলিউডের পাশাপাশি দক্ষিণী ছবিতেও রানু মণ্ডল গান গাওয়ার প্রস্তাব পেয়েছেন। মিলেছে বিদেশে যাওয়ার প্রস্তাবও।

উৎসবের মন্তব্যে আবার ভাইরাল #RemoveATK, আন্দোলনের পথে সবুজ-মেরুন সমর্থকরা

স্পোর্টস ডেস্ক: গত বছর এটিকে-মোহনবাগানের নতুন জার্সিতে তিনটি স্টার থাকা এবং ক্রমাগত তাদের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বলে উল্লেখ করায় ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন সবুজ-মেরুন সমর্থকেরা। তাদের ক্রমাগত আন্দোলনের পরে তিন স্টার সরিয়ে নিয়েছে ক্লাব অফিসিয়ালরা। ঝামেলা বেড়েছিল আইএসএলের একটি প্রোমোশনাল ভিডিওকে ঘিরেও। ওই ভিডিওতে দেখা যায় এটিকের অন্যতম কর্ণধার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে। সবুজ-মেরুন জনতার বিক্ষোভে সেই ভিডিওটিও সরিয়ে নিয়েছিল আইএসএল কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন কলকাতা লিগে নেই ইস্ট-মোহন, বাংলার ফুটবল বাঁচাতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ আইএফএ কর্তারা

এবার এটিকে-মোহনবাগান এএফসি কাপে খেলছে। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের পর্বেও পৌঁছেছে। সবই সম্ভব হয়েছে গত বছর কিবু ভিকুনার কোচিংয়ে ‘মোহনবাগান’ আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায়। কিন্তু তারমাঝেই বিতর্ক তৈরি করলেন এটিকের বোর্ড মেম্বার উৎসব পারেখ। একটি সাক্ষাৎকারে হঠাৎই বলে বসেন, ‘মোহনবাগানের নিজেদের ক্ষমতায় এএফসি কাপে খেলার যোগ্যতা নেই। ওদের কখনও পরিকল্পনাতেও ছিল না যে মোহনবাগান এএফসি কাপে খেলতে পারবে। মোহনাবাগন তো নিজস্ব গায়ের জোরে আজ পর্যন্ত খেলল না।  এতদিন সেই কারণেই এএফসি কাপে খেলেনি তারা। এটিকে আসাতেই সেই সুযোগ পেয়েছে তারা। ফলে মোহনবাগান সমর্থকদের এটিকে মোহনবাগানকেই সমর্থন করা উচিত। মোহনবাগান এখন অতীত।’

যদিও, ঘটনার পরেই মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাবের পক্ষ থেকে এটিকে-মোহনবাগানের অন্যতম ডিরেক্টর দেবাশীষ দত্ত এবং সৃঞ্জয় বসু জানিয়ে দেন, সমর্থকদের আবেগকে গুরুত্ব দিতেই হবে। উৎসব পারেখের বক্তব্য অপমান করেছে মোহনবাগানের শতাব্দীপ্রাচীন আবেগকে। তারপরেই এটিকের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাওয়া হয় মোহনবাগান ক্লাবে সভ্য-সমর্থকদের কাছে। জানিয়ে দেওয়া হয়, উৎসব পারেখের বক্তব্যকে সমর্থন করেন না তাঁরা।

যদিও তাতেও কমছে না সবুজ-মেরুন সমর্থকদের রাগ। মার্জারের বিরুদ্ধে আবার টুইটারে ঝড় তোলার পরিকল্পনা করেছেন সবুজ-মেরুন জনতা। ট্রেন্ড করার চেষ্টা করা হচ্ছে #RemoveATK এবং #BreakTheMarger কে। ফলে এএফসি কাপে দুর্দান্ত পারফর্ম্যান্সের পরেও মাঠের বাইরে সমস্যা কমছে না মোহনবাগানের।

‘সাম্প্রদায়িকতা’ ছড়ানোয় সুপ্রিম কোর্টের তোপের মুখে দেশের ওয়েব পোর্টালের একাংশ

web-portal-is-under-reprima

নিউজ ডেস্ক: অনলাইন নিউজ পোর্টাল কিংবা ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নিয়ন্ত্রণে কোনো আইন বা সেন্সরসিপের ব্যবস্থা ছিল না। গত নভেম্বরেই এই সমস্ত সংস্থাকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের আওতায় আনার আদেশ জারি করেছে ভারত সরকার। তারপরেই ওটিটি প্ল্যাটফর্ম কিংবা অনলাইন নিউজ পোর্টালের কনটেন্ট নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

আরও পড়ুন মধ্যমেধা নাকি গবেষণার অভাব? ওয়েব সিরিজে জেলা পুলিশ কমিশনার পদ সৃষ্টি করলেন অঞ্জন দত্ত

এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক একটি মামলায় শীর্ষ আদালতকে বলেছিল যে ডিজিটাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করার প্রয়োজন রয়েছে। আদালত প্রথমে একটি কমিটি নিয়োগ করতে পারে যেহেতু ঘৃণামূলক বক্তব্য নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে গাইডলাইন দেওয়ার প্রয়োজন দেখা গিয়েছে। এবার তা নিয়েই মুখ খুলল দেশের সর্বোচ্চ আদালতও। একটি মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, ‘কোনওরকম দায়-দায়িত্ব ছাড়াই কিছু সংবাদমাধ্যম ও ওয়েব পোর্টাল ‘সাম্প্রদায়িক সুরে’ খবর পরিবেশন করে। যার কোনও গ্রহণযোগ্যতাই নেই। বিচারপতি এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও তারা যা খুশি লিখে দেয়। এর ফলে শেষপর্যন্ত দেশেরই নাম খারাপ হয়।’

শুধু অনলাইন নিউজ পোর্টালই নয়, সুপ্রিম কোর্ট বিরক্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার চালানো নিয়েও। গতবছর দিল্লির নিজামুদ্দিনে তবলিঘি জামাতের জমায়েতের ফলেই করোনা সংক্রমণের হার বেড়েছিল বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এবং ওয়েব পোর্টালে খবর প্রকাশিত হয়েছিল। রীতিমতো সাম্প্রদায়িক সুরে ওই খবরগুলি পরিবেশন করা হয়েছিল, এই অভিযোগে ওই সংবাদমাধ্যমগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছিল জমিয়তে উলেমা হিন্দ। সেই মামলার শুনানিতেই সংবাদমাধ্যম গুলিকে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন প্রধান বিচারপতি এনভি রামনার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।

প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, “সোশ্যাল মিডিয়া এবং ওয়েব পোর্টালগুলির উপর কারও নিয়ন্ত্রণ থাকে না। তারা শুধু ‘শক্তিধর ব্যক্তি’দের কণ্ঠস্বরই শুনতে পায়। সোশ্যাল মিডিয়াগুলিও আমাদের প্রশ্নের উত্তর দেয় না। এ ব্যাপারে ন্যাশনাল ব্রডকাস্টিং স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটির পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।” এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মতামতও জানতে চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। যদিও গত বছর তৎকালীন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী প্রকাশ জাভাদেকার বলেছিলেন যে সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রোধ করতে পারে এমন কোন পদক্ষেপ সরকার নেবে না।

কয়েকদিন আগেই কিছু বিষয়কে কেন্দ্র করে জোরাল দাবি ওঠে, সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রচারিত হওয়া বিষয়বস্তুর উপর নিয়ন্ত্রণ জারি করার৷ লালকেল্লায় হামলায় পর টুইটারের সঙ্গে কেন্দ্রের বিরোধ তুঙ্গে ওঠার পরও সোশ্যাল মিডিয়াগুলি নিয়ন্ত্রণে সরকারি কর্তারা আরও তৎপর হয়ে ওঠেন৷ ক্যাপিটল হিলে হামলার প্রসঙ্গ টেনে এনে রবিশঙ্কর প্রসাদও জানিয়েছিলেন, ‘‘সরকার চায় এদেশে সোশ্যাল মিডিয়াগুলি তাদের ইউজারদের কথা ভেবে আরও ভালো মেকানিজম নিয়ে আসুক৷ সব সোশ্যাল মিডিয়াকে ভারতে স্বাগত৷ কিন্তু এখানে তাদের কোনও দ্বিচারিতা চলবে না৷ ক্যাপিটল হিলে হামলার ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়া পুলিশের পদক্ষেপকে সমর্থন করেছিল৷ অথচ লালকেল্লায় হামলার ঘটনায় ওই একই সোশ্যাল মিডিয়া দ্বিচারিতার পথ বেছে নেয়৷ এটা চলবে না৷”

সুস্থ থাকা চাবিকাঠি অ্যারোবিক ব্যায়ামের সেরা পাঁচ উপকার

Aerobic exercise

নিউজ ডেস্ক: নামেই পরিচয়! নামেই স্পষ্ট অ্যারোবিক (Aerobic exercise) হল সারা শরীরে অক্সিজেনের সঞ্চালনকে উৎসাহিত করার প্রক্রিয়। এটি আপনার হৃদয়কে দ্রুত কাজ করতে সাহায্য করবে৷ এভাবে আপনাকে দ্রুত শ্বাস নিতে সাহায্য করবে। অ্যারোবিক ব্যায়ামের সবচেয়ে ভালো দিক হল, আপনি এটি যেকোনও জায়গায় করতে পারেন৷ সে আপনার বসার ঘর কিংবা আপনার শোবার ঘরে করতে পারেন৷

আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন অনুসারে, সপ্তাহে কমপক্ষে ৫ থেকে ৭ দিন অন্তত ৩০ মিনিট ধরে এই ব্যায়াম করার কথা বলা হয়েছে৷ এটি আরও ১০ মিনিটের মধ্যে ভাগ করা যেতে পারে। এটি কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে ন্যূনতম নির্দেশিকা সেট করতে সাহায্য করতে পারে। আপনি যদি সরাসরি ৩০ মিনিটের জন্য অ্যারোবিক ব্যায়াম করার পরিকল্পনা করেন, তবে আপনি অনেক ক্যালোরি ঝড়াতে পারেন। আপনার অ্যারোবিক ব্যায়াম সেশনে সঠিকভাবে ঠান্ডা এবং উষ্ণ হওয়া এবং সঠিকভাবে প্রসারিত করতে ভুলবেন না। অ্যারোবিক ব্যায়ামের কয়েকটি উদাহরণ হল সাঁতার, সাইক্লিং, হাঁটা, রোয়িং প্রভৃতি৷ একটি উচ্চ-প্রভাবের অনুশীলনের মধ্যে রয়েছে দৌড়, দড়ি লাফানো বা স্টেপ এ্যারোবিকস। প্রত্যেকেই স্বাস্থ্য সুবিধা প্রদান করে। এই সুবিধাগুলি বিস্তারিতভাবে জেনে নিই৷

Aerobic exercise

স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে সাহায্য করে: অ্যারোবিক ব্যায়াম ক্যালোরি পোড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত ৩০ মিনিট থেকে মাঝারি তীব্রতার ব্যায়ামগুলি নিয়মিত অনুসরণ করলে, অতিরিক্ত ওজন হ্রাস পেতে পারে৷ এমনকি আদর্শ ওজন বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে।

কার্ডিওরেসপিরেটরি ফিটনেস উন্নত করে: আপনি যদি নিয়মিত ৩০ মিনিটের জন্য অ্যারোবিক ব্যায়াম অনুসরণ করেন, তাহলে এটি অক্সিজেন ব্যবহারের ক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। এটি ঘটে যখন হার্টের পেশীগুলিতে রক্ত​(অক্সিজেন) স্থানান্তর করার ক্ষমতা থাকে। হার্টের পাম্পিং চেম্বারের আকার বৃদ্ধির মাধ্যমে এটি ধীরে ধীরে ঘটে, যা তাদের দ্রুত পাম্প করার প্রয়োজন ছাড়াই একই পরিমাণ রক্ত পাঠাতে দেয়। আপনি ব্যায়ামের তীব্রতায় অভ্যস্ত হয়ে গেলে এটি সহজ হয়ে যায় এবং দীর্ঘ সময় ধরে একটি কার্যকলাপও করতে পারে।

মেজাজকে ফুরফুরে করে: ব্যায়াম হ্যাপি হরমোন নিঃসরণের দিকে পরিচালিত করতে পারে৷ যা আমরা সবাই এখন সচেতন। এমনকি কখনও কখনও আপনার শরীরকে সারিয়ে আপনার মেজাজকে ফুরফুরে করতে সাহায্য করতে পারে। গবেষণায় নিশ্চিত করা হয়েছে, যেখানে বিষণ্ণতায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের প্রতিদিন ৩০ মিনিটের অ্যারোবিক ব্যায়াম করতে বলা হয়েছিল৷ যার মধ্যে ছিল ট্রেডমিলে হাঁটা। সমস্ত ব্যক্তি তাদের চাপের মাত্রা এবং হতাশার লক্ষণগুলিতে উল্লেখযোগ্য হ্রাসের কথা জানা গিয়েছে

হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে: অ্যারোবিক ব্যায়াম হৃদযন্ত্রের দক্ষতা উন্নত করতে সাহায্য করে রক্তকে পেশীগুলিতে পাম্প করার জন্য এবং এইভাবে আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক নিয়মিতভাবে হাঁটা, জগিং, সাঁতার ইত্যাদির মতো অ্যারোবিক ব্যায়াম অনুসরণ করার সুপারিশ করা হয়। কার্ডিওভাসকুলার ব্যায়াম। এগুলি কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে এবং শরীরে ‘ভালো’ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। এটি রক্তচাপের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করতে পারে।

ভাল স্ট্যামিনা: নিয়মিতভাবে অ্যারোবিক ব্যায়াম করলে হৃদপিণ্ড এবং ফুসফুসের উপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে৷ যা স্ট্যামিনা এবং সহনশীলতা উন্নত করতে সাহায্য করে। আপনি যে কোন অ্যারোবিক ব্যায়াম শুরু করতে পারেন এবং ধীরে ধীরে ব্যায়ামের ফ্রিকোয়েন্সি এবং তীব্রতা বৃদ্ধি করতে পারেন৷ যতক্ষণ না আপনি শিখরে পৌঁছান। এইভাবে আপনার স্ট্যামিনার উপর কাজ চালিয়ে যান।

এই সমস্ত সুবিধা ছাড়াও নিয়মিত অ্যারোবিক ক্লাসে যোগদান আপনাকে আরও বন্ধু তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে। যেমন একসাথে বেড়াতে যাওয়া, সাঁতার ক্লাসে যোগদান, টেনিস বা ব্যাডমিন্টন খেলা। আপনি এটি নিয়মিত করছেন তা নিশ্চিত করার এটি সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

তালিবান সম্পর্কে ভারত সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করুক: ওয়াইসি

asaduddin owaisi

নিউজ ডেস্ক: তালিবান জঙ্গি সংগঠন কী না সেই বিষয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করা উচিত। বৃহস্পতিবার এই দাবি তুললেন মজলিশ-ই-ইত্তেহাদুল মুসলেমিন (মিম) প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি৷ এদিন তিনি একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই দাবি তুলেছেন৷

আফগানিস্তানে আটকা পড়া ভারতীয়দের নিরাপদে ফিরিয়ে আনা সহ বিভিন্ন ইস্যুতে গত মঙ্গলবার কাতারে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত দীপক মিত্তাল তালিবান নেতা শের মুহম্মদ আব্বাস স্তানিকজ়াইয়ের সঙ্গে কাতারের রাজধানী দোহায় সাক্ষাৎ করেন। এই প্রথম কোনও তালিবান নেতার সঙ্গে ভারত সরকারের আনুষ্ঠানিক বৈঠক।

ভারতের বিভিন্ন বিরোধী দল ওই বৈঠককে কেন্দ্র করে মোদী-সরকারকে টার্গেট করেছে। ‘মিম’ প্রধান আইনজীবী আসাদউদ্দিন ওয়াইসি এই ঘটনাকে জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় বলে অভিহিত করেন৷ তিনি বলেন, ভারতের উচিত তালিবানের ব্যাপারে অবস্থান স্পষ্ট করা, তারা এদেরকে জঙ্গি সংগঠন মনে করে কী না?’

তালিবান নেতার সঙ্গে সংলাপ প্রসঙ্গে প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার দেবাশিস দাস একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, রাষ্ট্রদূত যে তালিবানের সঙ্গে কথা বলেছেন, সেটা একটা ভালো ব্যাপার। যোগাযোগ বন্ধ করা একেবারেই উচিত নয়। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কে যোগাযোগ খুবই জরুরি। আমরা যোগাযোগ বন্ধ করলে সবচেয়ে লাভবান হবে পাকিস্তান। ভারতীয়দের ফেরত আনা এখন প্রথম লক্ষ্য হওয়া উচিত।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এর আগেই বলেছেন, ‘ভালো তালিবান, খারাপ তালিবান বলে কিছু হয় না। হয় তুমি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে, নয় সন্ত্রাসবাদের পক্ষে। এর মাঝামাঝি কিছু নেই।’ এই বার তালিবানের সঙ্গে বৈঠকের পর বিরোধীদের প্রশ্ন, মোদি সরকার কী তাহলে আর তালিবানকে জঙ্গি সংগঠন বলে মনে করছে না? জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা ওমর আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘তালিবান হয় সন্ত্রাসবাদী সংগঠন, নচেৎ নয়। সরকার স্পষ্ট করুক, আমরা তালিবানকে কী চোখে দেখছি।’

কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশে তাঁর প্রশ্ন, ‘যদি ওরা জঙ্গিবাদী সংগঠন হয়, তাহলে কেন ওদের সঙ্গে কথা বলছেন? যদি জঙ্গি সংগঠন না হয়, তা হলে আপনারা কী রাষ্ট্রসংঘে ওদের সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের তালিকা থেকে বাদ দিতে বলবেন? এ বিষয়ে মনস্থির করতে হবে।’

গত সোমবার ভারতের সভাপতিত্বেই রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবে তালিবানকেই আহ্বান জানানো হয়েছে, আফগানিস্তানের মাটিতে সন্ত্রাসবাদে যেন মদত না দেওয়া হয়। যা তালিবানকে কার্যত স্বীকৃতি দেওয়াই বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা। ভারত বলেছে, সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে তাদের উদ্বেগের বিষয়গুলো নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবে জায়গা পেয়েছে।

ভারতের প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা ও সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি চিদম্বরম বলেন, ‘সরকার নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব নিয়ে নিজেই নিজেকে অভিনন্দন জানাচ্ছে। কিন্তু এই প্রস্তাবের দু’টি অর্থ হতে পারে। এক, গোটা বিষয়টির সমাধান হয়ে গিয়েছে এবং তাতে ভারত সন্তুষ্ট। কিন্তু নিরাপত্তা পরিষদে তা হয়নি। দুই, আমরা নিজেদের ইচ্ছে প্রকাশ করেছি এই প্রস্তাবে। অন্যরা তাতে সই করেছে। নিরাপত্তা পরিষদে শুধু সেটাই হয়েছে। এখনই নিজের পিঠ চাপড়ানোর সময় আসেনি।’ চিন- পাকিস্তান ও তালিবান নিয়ন্ত্রিত আফগানিস্তানের সম্ভাব্য অক্ষ ভারতের কাছে চিন্তার বিষয় বলেও কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরম মন্তব্য করেন৷

পঞ্জশির রক্তাক্ত: যে ছবি প্রমাণ দিচ্ছে মাসুদ বাহিনিকে কেন ভয় তালিবানের

#Panjshir valley
নিউজ ডেস্ক: তালিবান ঘিরছে, প্রত্যাঘাতের হামলায় মাসুদ বাহিনি। আফগানিস্তানের যে অংশটি কোনোদিন কারোর সামনে নত হয়নি সেই পঞ্জশির উপত্যকা এখনও প্রতিরোধের লড়াইয়ে সামিল। কাবুল থেকে দলে দলে জঙ্গি তালিবান যাচ্ছে পঞ্জশিরের দখল নিতে। তাদের মুখোমুখি হচ্ছে আফগান রেজিস্ট্যান্স ফোর্স। আফগান সংবাদ মাধ্যমের খবর, তালিবান ও পঞ্জশিরের শাসক আহমেদ মানুষের মিলিশিয়া সংঘর্ষে লিপ্ত।

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে তালিবান জঙ্গিরা পঞ্জশিরের ভিতর কিছুটা অংশে ঢুকেছে। বেশকিছু তালিবান জঙ্গিরা মৃত্যু হয়েছে। পঞ্জশির উপত্যকার শাসক আহমেদ মাসুদ তাঁর পিতার আহমেদ শাহ মাসুদের মতো তীব্র তালিবান বিরোধী। তিনি লড়াই চালাচ্ছেন। নিচে থাকল সংঘর্ষের সময়কার কিছু ছবি। কোথাও তালিবান বিরোধী মাসুদের মিলিশিয়া, কোথাও তালিবান জঙ্গিদের অবস্থান।  এক নজরে দেখুন বিখ্যাত পঞ্জশির এখন কেমন।

পঞ্জশির দখল নিতে এগোচ্ছে তালিবান বাহিনি

‘ড্যাডি’র তোলা ছবি শেয়ার করে নেট নাগরিকদের জবাব দিলেন সদ্য মা নুসরত

Nusrat Jahan

বায়োস্কোপ ডেস্ক: সদ্যই মা হয়েছেন অভিনেত্রী ও সংসদ নুসরাত জাহান। পুত্রের নাম রেখেছেন ঈশান। যশরাজ অনুরাগীদের মতে যশ এবং নুসরত এই দুটি নামের মিলিত অক্ষরগুলিকে এক করেই এই নাম রেখেছেন অভিনেত্রী। নুসরতের মা হওয়ার খবর সংবাদ মাধ্যমে আসার পর থেকেই, সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিলেন তিনি। যতই তিনি মুখ না খুলুন, সোশ্যাল মিডিয়া উত্তাল হয়ে উঠেছিল কে আসলে নুসরতের সন্তানের বাবা সেই প্রশ্নে।

আর এই কথা আমাদের সবারই জানা, সমাজে নারী চরিত্রের গায়ে দাগ কেটে কোন বদনাম লাগিয়ে দিতে বেশিক্ষণ সময় লাগে না। যতই আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় এই কথা বলি, যার যার ব্যক্তিগত জীবন তার নিজের অধীনে। অনধিকার প্রবেশ কোনোভাবেই উচিত নয়। কিন্তু মনের কোণে জমা অন্ধকারকে দূর করা কি এত সহজ?

ঠিক সেই কারণেই পাড়ার চায়ের দোকান থেকে ক্লাব, জমে উঠেছিল নুসরতের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েই রং মাখানো মশলাদার গসিপে। অবশ্য তার মধ্যে বেশির ভাগটাই কাল্পনিক এবং নিজেদের জীবনের হতাশা মেশানো। এই সময়টায় সোশ্যাল মিডিয়া ট্রেন্ডিং টপিকস ছিল নুসরত এবং কমেন্ট বক্সে একবার ঘুরেই বোঝা যায় ঠিক কতখানি নিচে নামতে পারে মানুষ ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডে।

অপবাদ, অপমান কোনটাই বাদ রাখেনি। কিন্তু একবারও মুখ খোলেননি নুসরত৷ বরং চুপিসারে কখনও নিজের পোষ্যের সঙ্গে, তো আবার কখনও গাছগাছালির মধ্যে পজিটিভিটির মন্ত্রে নিজেকে উজ্জীবিত রাখার চেষ্টা করেছেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার মা হয়েছেন তিনি। ছোট্ট ফুটফুটে ঈশানকে কোলে করে নিয়ে যশ এবং নুসরত বাড়ি ফিরলেন সোমবার। যশের কোলি ছিল সদ্যোজাত। পরম সযত্নে আগলে মা এবং সন্তানকে গাড়িতে তুললেন যশ। ড্রাইভিং সিটে ছিলেন তিনিই।

 

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

 

A post shared by Nusrat (@nusratchirps)

দীর্ঘদিনের সমস্ত অপমানকে তোয়াক্কা না করা নুসরত এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় সাফ জানিয়ে দিলেন, তাদের কথায় তিনি একেবারেই পাত্তা দেওয়া তো থাক, কান দিতেও নারাজ। নুসরতের কটাক্ষে স্পষ্ট, তিনি তাদের কথাতে একেবারেই কান দিতে চান না৷ যারা এতদিন তাকে কোনও পরামর্শ দেয়নি, কিংবা বলা ভালো যার থেকে তিনি এতদিন কোনও পরামর্শ নেননি। অবশ্য ছবির নিচে লেখা, সৌজন্যে দেওয়া নাম নিয়ে একটু ধন্দে পড়ে গিয়েছে নেট নাগরিকরা। কারণ পিকচার কার্টেসিতে আছে যার নাম, তাকে নুসরত ‘ড্যাডি’ বলে উল্লেখ করেছেন। এবারের সেই ‘ড্যাডি’ নুসরতের ড্যাডি মানে বাবা? নাকি ঈশানের ‘ড্যাডি’ সেটাই বড় প্রশ্ন। আর যদি ঈশানের ড্যাডি হন, তবে কে তিনি জানতে চাই নেট নাগরিক।

BA-BCom পাস করে ঠেলাগাড়িতেই স্বপ্নের ঠিকানা খুঁজছেন শহরের চার যুবক

hyanglar adda

#Offbeat
নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমী দেশে উচ্চশিক্ষা চলাকালীন পার্ট টাইম কাজ করেন পড়ুয়ারা। কিন্তু এ দেশে এখনও শিক্ষিত কাউকে এ ধরনের কাজে ভাবতে পারেন না অনেকেই। তাছাড়া কাজের ক্ষেত্রে বৈষম্যটাও চোখে পড়ার মতো। সেই বৈষম্য মেটাতেই স্রোতের উলটো পথে হাঁটছেন শহরের চার যুবক। উচ্চশিক্ষিত হয়েও শহরের রাস্তায় কাবাব বিক্রি করছেন তাঁরা।

হ্যাংলার আড্ডা নামে ব্যবসা শুরু করে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ওই চার যুবকের ‘কীর্তি’। চার যুবকের কেউ বি.কম পাশ, কেউ বি.এ শেষ করেছেন, আবার কেউ কলেজ ড্রপ আউট, উচ্চশিক্ষা শেষ করতে পারেননি। প্রত্যেকেরই একটাই স্বপ্ন ছিল, নিজেদের পায়ে দাঁড়ানো। সেই লক্ষ্যেই চারজন মিলে নামেন ‘ব্যবসা’য়। শুরুটা হয়েছিল ২০২০ সালে, একটা ভ্যান রিক্সাতে কাবাব বিক্রি করে।

hyanglar adda

শিক্ষিত যুবক চাকরী ছেড়ে ব্যবসায় নামলে আমাদের সমাজের অনেকেরই ভ্রু কপালে ওঠে। সেই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল তাদেরও। সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই যুবকরা লিখেছেন, “আশেপাশের মানুষের নেগেটিভ কথা-বার্তা কান অব্দি ছুটে আসত। বাঙালি বাবুরা ব্যবসা করতে এসেছে, অনেকেই আমাদের ওপর হাসাহাসি করত, বলতো যে তোমরা পারবে এত কষ্ট করতে? তোমাদের দ্বারা ব্যবসা হবে না। এর আগেও অনেকে এসেছে ব্যবসা করতে কেউ তিন মাসের বেশি ব্যবসা করতে পারেনি।”

তারপরেও নিজেদের মনোবল ও জেদের ফলে ইতিমধ্যেই চালু হয়েছে তাদের ব্যবসা। অনেকেই আসছেন কাবাব খেতে। ইতিমধ্যেই দুটি আউটলেট চালু হয়েছে ‘হ্যাংলার আড্ডা’র। বেহালা মিত্র সংঘ ক্লাব এবং অজন্তা সিনেমার উলটোদিকে রীতিমতো ক্রেতাদের ভিড় জমে যায় রোজ। চার যুবকের স্বপ্ন, ‘এরপর আরও বহু জায়গায় গড়ে উঠবে হ্যাংলার আড্ডার আউটলেট।

বাংলার মাওবাদী আন্দোলনের সঙ্গে গভীর প্রেম ফুটে উঠবে ইস্কাবনে

Bengali movies Iskabon

বায়োস্কোপ ডেস্ক: প্রেম আর রাজনীতির মিশেলে রাগ-প্রতিশোধ বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে ইস্কাবনে। জঙ্গলমহলে গোলবিবি বাজারে সেখানকার মাও নেতা ‘নরেনজি’ এলাকার মানুষের উন্নয়নের স্বার্থে আন্দোলন চালায়৷ ইতিমধ্যেই তাঁর দলের কর্মী গোলাপীর একটি সম্পর্ক তৈরি হয় লেফট্যানেন্ট কর্নেল শিব মুখার্জীর। শিব মুখার্জীর চরিত্রে অভিনয় করছেন নবাগত ‘সঞ্জু’।

মাওবাদী ও নকশাল আন্দোলন ফুটে উঠবে এই সিনেমার গল্পে৷ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটা প্রেম কীভাবে সমাজ ও রাজনীতির কোপে অবনতির দিকে যেতে পারে, তা নিয়ে ‘ইস্কাবন’৷ মাওবাদী সংগঠন সেখানকার মানুষের জীবনযাপন ও সেখানেই তৈরি হওয়া একটি প্রেমের সম্পর্ক৷ এই তিনের বুননে আসতে চলেছে নবাগত পরিচালক মনদীপ সাহার (Mandip Saha) ‘ইস্কাবন’ (Iskabon)৷ অভিনয়ে সৌরভ দাস (Saurav Das), অনামিকা চক্রবর্তী (Anamika Chakraborty), অরিন্দম গাঙ্গুলি (Arindam Ganguly)৷

Bengali movies Iskabon

সম্প্রতি হয়ে গেল এই ছবির ফার্স্ট পোস্টারে লঞ্চ। এই ছবির সম্পূর্ণ শ্যুটটাই হয়েছে ঝাড়গ্রাম বোলপুর ও কলকাতায়। জঙ্গলমহলের রাজনীতিকে একেবারে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে তুলে ধরতেই পরিচালক ও প্রযোজকের এই সিদ্ধান্ত। চরিত্রের তাগিদে নিজেদের কথাবার্তায় ও ভাষায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে হয়েছিল সৌরভ এবং অনামিকাকে। এই ক্ষেত্রে বলাই বাহুল্য প্রযোজক তাঁর প্রথম সিনেমাতেই একটি দারুণ রিস্ক নিয়েছেন।

রাজনীতির রং আর প্রেম এই দুটোকে এক পর্দায় এক গল্পে তুলে ধরা খুব একটা সহজ নয়৷ তাও যদি বিগত কয়েক বছরের কথা বলি তাহলে নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি অভিনীত গ্যাংস অব ওয়াসিপুর, রণবীর কপুর-ক্যাটরিনা অভিনীত রাজনীতি বা বিনীত কুমার সিং (Vineet Kumar Singh), জোয়া হুসেন (Zoya Hussain), জিমি শেরগিল (Jimmy Sheirgill) অভিনীত মুক্কাবাজের কথা অবশ্যই আসবে। এই প্রতিটা সিনেমাই দেখিয়ে দিয়েছে পরতে পরতে রাজনীতি আর একটা প্রেমের গল্প কীভাবে বেড়ে উঠতে পারে। সেক্ষেত্রে ‘ইস্কাবন’ টলিউডপ্রেমিদের জন্য এক বড় চমক। পরিচালক জানালেন দীপাবলিতে মুক্তি পাবে এই ছবি।

‘একবছর হয়ে গেল বাণিজ্য সম্মেলনের তথ্য চেয়েও পাইনি’, রাজ্যকে আক্রমণ ধনখড়ের

নিউজ ডেস্ক: ফের ‘অপমানিত’ রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। টুইটারে অভিযোগ করলেন গত বছরের ২৫ আগস্ট বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিটের (Bengal Global Business Summit) বিনিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। এক বছর কেটে গেলেও রাজ্য এখনও তা পাঠায়নি। গত বছর রাজ্যে শিল্প সম্মেলনকে নিশানা করে টুইট করেন রাজ্যপাল। সেখানে তিনি জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে শুরু হওয়া বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিটের বিষয় অর্থ সচিবের কাছে জানতে চেয়েছি। অর্থসচিবের কাছ থেকে বিজনেস সামিট নিয়ে মোট ছটি বিষয় জানতে চেয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন ধনকড়।

আরও পড়ুন ত্রিপুরা: মমতার টার্গেট কংগ্রেস ভোট! সন্তোষমোহন কন্যা সুস্মিতায় আপ্লুত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পরিবার

বিষয়গুলি হল-২০১৬ থেকে এখনও পর্যন্ত প্রতি বছর কত টাকা খরচ হয়েছে? কোন কোন সংস্থার মাধ্যমে এই টাকা খরচ হয়েছে? সংস্থাটি কি সরাসরি টাকা পেয়েছে নাকি, FICCI,-র মাধ্যমে পেয়েছে? প্রতি বছর কতগুলি মউ সই হয়েছে, লগ্নি ও চাকরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে? প্রতি বছর আসলে কত বিনিয়োগ এসেছে, ক’জন কাজ পেয়েছেন?

আরও পড়ুন ত্রিপুরা: সন্তোষ মোহনের নেতৃত্বে বাম হটিয়ে কংগ্রেস সরকার গড়েছিল, সুস্মিতায় বাজি মমতার

https://twitter.com/jdhankhar1/status/1433363778842738695?s=20

এক বছর কেটে যাওয়ার পরেও সেই তথ্য না পাওয়ার অভিযোগে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন রাজ্যপাল। টুইটারে লিখলেন, “২০২০ সালের ২৫ আগস্ট বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিটের ১২ কোটি টাকা বিনিয়োগের তথ্য চেয়েছিলাম। কিন্তু একবছর কেটে যাওয়ার পরে এখনও তা পাইনি।”

আরও পড়ুন শরিয়তি আইনে চলা আফগানিস্তান থেকে উইঘুর মুসলিমদের চিনে পাঠাবে তালিবান

ধনখড়ের এই অভিযোগের পরেই তাঁকেও আক্রমণ করেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব। পালটা টুইট করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন তিনি লিখেছেন, “আমি রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে পরামর্শ দিচ্ছি সুকুমার রায়ের পাগলা দাশু পড়ার। আশা করি উনি সেটা উপভোগ করতে পারবেন এবং ওনার ভালো লাগবে।””

‘সমস্ত বিষয়ে আমার পরামর্শ নিত’, সিদ্ধার্থের মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ রাখী সাওয়ান্ত

বায়োস্কোপ ডেস্ক: বলিউডে ফের বড়ো দুঃসংবাদ! হঠাৎ করে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সকালে প্রয়াত বিগ বস ১৩’র বিজেতা সিদ্ধার্থ শুক্লা। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৪০ বছর। মুম্বইয়ের কুপার হাসপাতালে মৃত্যু হয় সিদ্ধার্থ শুক্লর৷ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে অভিনেতার মৃত্যুর খবর জানানো হয়৷ ময়নাতদন্তের পর সিদ্ধার্থের মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়৷ হাসপাতাল সূত্রে খবর, ঘুমের আগে একটি ওষুধ খেয়েছিলেন তিনি। এর পরে আর ঘুম থেকে ওঠেননি সিদ্ধার্থ। তাঁর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা বলিউড।

আরও পড়ুন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত অভিনেতা সিদ্ধার্থ শুক্লা

২০১৯ সালে ‘বিগ বস’-এর ১৩তম সিজনে প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। সেখানে সেরার শিরোপা জেতেন তিনি। সেই প্রতিযোগিতাতেই সিদ্ধার্থের সঙ্গে ছিলেন বলিউডের ‘স্ক্যান্ডাল কুইন’ রাখী সাওয়ান্তও। সিদ্ধার্থের আকস্মিক প্রয়ানে কার্যত বাকরুদ্ধ হয়ে যান তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় রাখী জানিয়েছেন, “ওহ মাই গড, আমি হতবাক। আমি বিশ্বাস করতে পারছি না। ‘বিগ বস’ -এর সময় আমাদের দেখা হয়েছিল। যখনই সিদ্ধার্থ কোন কিছু করত, আমার পরামর্শ নিত। যখন ‘ঝলক দিখলাজা’ করল, আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিল যে করবে কিনা। এমনকি ‘বালিকা বধূ’ করার আগেও আমার কাছে পরামর্শ চাইত, আমি সবসময় ওকে সমর্থন করতাম। জীবন এত নিষ্ঠুর কীভাবে হয়।”

গত বছর রহস্যমৃত্যু হয়েছিল অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের। এবার সিদ্ধার্থ শুক্লার প্রয়ানের খবরে স্তব্ধ বলিউড, অভিনেতার অনুগামীরা।

বাবুল কা আঙ্গান ছুটে না বলে একটি ধারাবাহিকে অভিনয় দিয়ে রূপোলি পর্দায় পা রাখেন সিদ্ধার্থ শুক্ল৷ এরপর জানে পহেচান সে, ইয়ে আজনবি, লভ ইউ জিন্দগি, বালিকা বধূ সহ একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করেন সিদ্ধার্থ শুক্ল৷ কালার্স চ্যানেলের ‘বালিকা বধূ’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে পরিচিতি পান তিনি। ২০১৪ সালে বলিউডেও অভিষেক ঘটে অভিনেতার। ‘হাম্পটি শর্মা কি দুলহনিয়া’ ছবিতে আলিয়া ভট্ট এবং বরুণ ধবনের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন তিনি।

‘সাবধান ইন্ডিয়া’ এবং ‘ইন্ডিয়াজ গট ট্যালেন্ট’ -এর মতো রিয়্যালিটি শোতেও সঞ্চালক হিসেবে বেশ কিছুদিন কাজ করেছিলেন সিদ্ধার্থ। ‘খতরো কে খিলাড়ি’, ‘ঝলক দিখলাজা’-র মতো বিভিন্ন রিয়্যালিটি শো-তেও অংশ নিয়েছেন৷ গত বছর রহস্যমৃত্যু হয়েছিল অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের। মুম্বইয়ের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল ঝুলন্ত দেহ। এবার সিদ্ধার্থ শুক্লার আকস্মিক প্রয়ানের খবরে স্তব্ধ বলিউড, অভিনেতার অনুগামীরা।

নীলের জন্যই বদলে গেল কৃষ্ণকলির সময়

Neel Bhattacharya and Trina Saha

বায়োস্কোপ ডেস্ক: ‘নীল’ আলোতে ধারাবাহিক জগতে নতুন চমক। এক অদ্ভুত ঘটনা। যা আগে কোনদিন ঘটেনি। একইসাথে একই চ্যানেলে দুটি সিরিয়ালের লিড চরিত্রে অভিনয়! এও কি সম্ভব?

সেই অসম্ভবকে সম্ভব করতে চলেছে আপনাদের সবার প্রিয় অভিনেতা নীল ভট্টাচার্য। ‘কৃষ্ণকলি’র নিখিল এবার হয়ে উঠবে ‘উমা’র অভিমুন্য। তবে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। কৃষ্ণকলির থেকে সরে গিয়ে তারপর ‘উমা’র অভিমন্যু চরিত্রের জন্য নিজেকে তৈরি করছেন নীল, এমনটা একবারও ভাববেন না। যদিও বিগত কয়েকদিন ধরে নীলকে প্রত্যেকদিন দেখা যায়নি কৃষ্ণকলি ধারাবাহিকে। তবুও মন ভাঙার কিছু নেই। আসলে নতুন চরিত্রের জন্য নিজেকে তৈরি করছেন তিনি সঙ্গে একটু ভ্যাকেসন মুডেও বেরিয়ে পড়েছিলেন তিনি। তবে এবার আবার ‘ব্যাক টু ওয়ার্ক’।ঠিক যেমনভাবে আপনারা এতদিন ‘কৃষ্ণকলি-তে নিখিল কে পেয়েছিলেন তেমনভাবেই পাবেন।

অন্যদিকে ‘উমা’তে অভিমুন্য হিসেবেও আপনারা পাবেন নীলকে (Neel Bhattacharya)। বাংলা কর্তৃপক্ষের এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে বাংলা ধারাবাহিক জগতে এক সাহসী পদক্ষেপ। একজন অভিনেতাকে দর্শকদের সামনে একই দিনে দুবার দুটি চরিত্রের অবতীর্ণ করা খুব একটা সহজ কথা ছিল না। সঙ্গে কথাও ভুললে চলবেনা এই কর্মযজ্ঞ নীল এর জন্য নিঃসন্দেহে বড় চ্যালেঞ্জ। সময়ের স্রোতে কৃষ্ণকলিতে নিখিলের বয়স বেড়েছে, পাক ধরেছে চুলে, দাড়িতে৷ 

Neel Bhattacharya and Trina Saha

অন্যদিকে অভিমুন্য পুরোদস্তুর কর্পোরেট বিজনেসম্যান। চোখে একরাশ দুর্দমনীয় স্বপ্ন নিয়ে হ্যান্ডসাম হাংক। সবথেকে বড় মজার ঘটনা খুবই কম সময়ের দূরত্বেই জি বাংলায় মিলকে দেখা যাবে দুটি ভিন্ন চরিত্রে কারণ কৃষ্ণকলির জায়গায় এবার থেকে দেখা যাবে উমা ধারাবাহিকটি। আর কৃষ্ণকলি দেখা যাবে সন্ধে ছ’টায়। এই বছরেই সাত পাকে বাঁধা পড়েছেন নীল ভট্টাচার্য্য অভিনেত্রী তৃনা সাহার (Trina Saha) সঙ্গে। বিয়ের পরেই নিজের জীবনের নতুন অধ্যায় কে কীভাবে দেখছেন নীল প্রশ্ন উঠতে অভিনেতা জানালেন, তার কাছে তৃণা লাকি চার্ম। তাই তৃণার জীবনের এই নতুন অধ্যায়ের জন্য একটি দারুন সারপ্রাইজ অপেক্ষা করে আছে নীল এর তরফ থেকে। সময়ের ব্যস্ততার সঙ্গে নিজের স্ত্রী এবং পরিবারকে সময় দিতে ভোলেন না অভিনেতা। তাই যতই ব্যস্ত থাকুক না কেন নিজের পরিবারের ওপর ভরসা রেখে তিনি জানালেন, নিজের পরিবার পরিজনকে কিভাবে সুখী রাখতে হয় তা তিনি জানেন এবং তার পরিবারও যথেষ্ট কোঅপারেটিভ।

Neel Bhattacharya

নীল তৃণা জুটির প্রচুর ফ্যান পেজ আছে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে। দুজনেই মাঝেমধ্যেই রিলে দারুন গানের সঙ্গে মজার আবার কখনো রোমান্টিক ভিডিওতে ধরা দেন তাদের দর্শকের কাছে। তবে মজার ব্যাপার বর্তমান সময়ে যেখানে রিলস্ প্রচারের একটি অঙ্গ হয়ে উঠেছে সেখানে অনেক দিন আগে থেকেই কিন্তু এই দুই তারকা শুধুই নিজেদের ভালোলাগার জন্য এই মিউজিক্যাল মুডে থাকতেন। বলা যায়, ‘হোয়াট নীল-তৃণা থিংকস টুডে, আদার্স থিংক টুমরো।

ক্রিকেট কূটনীতিতে তালিবান 2.0! পরপর টার্গেট ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশ

taliban sendin cricket diplomacy

#Afghanistan
নিউজ ডেস্ক: কাবুল জুড়ে এখন ব্যাস্ততা তুঙ্গে। সরকার গড়ার কাজ চলছে। এই সরকার তালিবান জঙ্গিদের। দ্বিতীয়বার আফগানিস্তানের কুর্সিতে জঙ্গিরা বসতে চলেছে। প্রথম তালিবান সরকার (১৯৯৬-২০০১) পর্যন্ত যেমন খেলা বিনোদন সবকিছুই অ-ইসলামিক বলে নিষিদ্ধ করেছিল তালিবান জঙ্গিরা, এবার তারা স্পষ্ট জানিয়েছে অনেকাংশে নরম মনোভাব থাকবে। সেই সূত্রে আফগানিস্তানের পুরুষ ক্রিকেট দলকে আগামী কয়েকটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নিতে বলেছে তালিবান নেতৃত্ব।

এখানেই শুরু তালিবান ক্রিকেট কূটনীতির পর্ব। যে তালিবান কড়া শরিয়তি আইনে মাথা কাটার ফরমান দেয় তারা নিজেদের নরম দেখাতে বাইশ গজের খেলাকে প্রাধান্য দিতে শুরু করেছে।

তালিবান জানিয়েছে, ২০২২ সালে প্রথমদিকে ভারতের সঙ্গে একটি টেস্ট সিরিজ খেলা অনুষ্ঠিত করতে চায়। সরকার গড়ার পর আফগানিস্তান ও ভারতের মধ্যে এই টেস্ট ক্রিকেট খেলায় তীব্র ইচ্ছে তালিবানের। এমন বার্তায় লাগল চমক। তবে বিসিসিআইয়ের পক্ষ এখনও এই বিষয়ে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কিন্তু আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের তরফে এসেছে ইঙ্গিত। তালিবান যেভাবে ভারতের প্রতি একটার পর একটা কূটনৈতিক বার্তা দিচ্ছে তাতে স্পষ্ট তারা নয়াদিল্লির সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে মরিয়া। তবে এই কূটনৈতিক বার্তার পিছনে তালিবান নেতা তথা আশির দশকে দেরাদুন মিলিটারি একাডেমির প্রাক্তনী শের মহম্মদ আব্বাস স্তানেকজাইয়ের (শেরু) ভূমিকা আছে বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল। সম্প্রতি তার সঙ্গেই কাতারের রাজধানী দোহা শহরে ভারতের রাষ্ট্রদূত দীপক মিত্তল কূটনৈতিক আলোচনা করেন।

দক্ষিণ এশিয়ার ক্রিকেট কূটনীতির নতুন সদস্য তালিবান!
দক্ষিণ এশিয়ার তিনটি প্রতিবেশি দেশ ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সরকার সময় বিশেষে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে গতি আনতে ক্রিকেট কূটনীতির প্রয়োগ করে। নয়াদিল্লি-ইসলামাবাদ, বা নয়াদিল্লি-ঢাকা কিংবা ইসলামাবাদ-ঢাকা এই ক্রিকেট কূটনীতির বহুল প্রয়োগকারী। সেই তালিকায় তালিবান অধিকৃত কাবুল এসে জুড়ে যাচ্ছে এবার।

কূটনৈতিক মহলের ধারণা, নিজেদের গ্রহণযোগ্য করে তুলতে ভাবমূর্তি উজ্জ্বল বানাতে মরিয়া তালিবান। তাদের নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে গণহত্যা, গণধর্ষণ সহ বহু নারকীয় ঘটনা। যেহেতু কাবুল দখল করার পরেই তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছিল, এই তালিবান আগের মতো নয়। সেই বার্তার পরেই নিজেদের নতুন করে তুলে ধরতে মরিয়া জঙ্গি সংগঠনটি।

কূটনৈতিক মহলের আরও ধারণা, তালিকার ঘোষিত বন্ধু দেশ পাকিস্তান তো রয়েইছে, ভারতের সঙ্গে একটি খেলা হলেই তাদের পোয়াবারো। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি ক্রিকেট কূটনীতির বার্তা দিতে চলেছে তালিবান।

আফগান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী হামিদ শিনওয়ারি বলেছেন, তালিবান সরকার ক্রিকেটকে সমর্থন করছে এবং আমাদের সমস্ত ক্রিকেট নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। ২০২২ সালের শুরুতেই ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ করা যেতে পারে৷

তিনি আরও জানান, আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে আফগানিস্তান। তবে আফগানিস্তানে মহিলা ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে৷

শরিয়তি আইনে চলা আফগানিস্তান থেকে উইঘুর মুসলিমদের চিনে পাঠাবে তালিবান

নিউজ ডেস্ক: উইঘুর মুসলিম অধ্যুষিৎ অঞ্চলের আগের নাম ‘পূর্ব তুর্কিস্তান’। বর্তমান এই অঞ্চল চিনের জিনজিয়াং প্রদেশে। ৯০ লাখ মুসলিম অধ্যুষিত এ অঞ্চলের প্রায় ১০ লাখ উইঘুর নারী-পুরুষ বন্দি রয়েছে বন্দি শিবিরে। চিন সরকার এ বন্দি শিবিরকে ‘চরিত্র সংশোধনাগার’ নাম দিয়েছে। চরিত্র সংশোধনাগারের নামে চিন সরকার এ সব মুসলিমদের প্রতি চরম অত্যাচার ও নির্যাতন করছে।

আরও পড়ুন আফগানিস্তানে তালিবানি পতাকা কেনার হিড়িক, জঙ্গি বিরোধী পঞ্জশির বলছে না

অন্যদিকে তালিবানি শাসন কায়েম হয়েছে আফগানিস্তানে। ক্ষমতায় এসেই তালিবান জানিয়েছে, ইসলামের শরিয়তি আইন অনুসারেই এবার থেকে দেশ চলবে। আফগানিস্তানের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ‘ইসলামিক ইমিরেটস অব আফগানিস্তান”। একদিকে আফগানিস্তানের জনগন যেমন মুসলিম নীতির আতঙ্কে রয়েছেন, অন্যদিকে আতঙ্কে ভুগছেন উইঘুর মুসলিমরাও। আফগানিস্তানে উইঘুর সম্প্রদায়ের প্রায় হাজার দুয়েক পরিবারের বাস। যাদের চিনে পাঠিয়ে দেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্বের একাধিক মানবাধিকার সংগঠন।

প্ল্যাকার্ড হাতে জিনপিং সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন এক মুসলিম।

কিন্তু একদিকে ইসলামিয় নীতি মেনে চলছে তালিবানরা। অন্যদিকে চিন বহুদিন ধরেই মুসলিমদের ওপর অকথ্য অত্যাচার করছে। তাও সেখানেই কেন উইঘুর মুসলিমদের পাঠাবে তালিবান?

সংবাদ সংস্থা এএনআইকে মানবাধিকার সংগঠন উমর উইঘুর ট্রাস্টের সভাপতি মহম্মদ উইঘুর জানিয়েছেন, “এখন তালিবানের হাতেই আফগানিস্তানের সমস্ত ক্ষমতা রয়েছে। আর তালিবানদের ক্ষমতায় আসার পেছনে চিনের মদত রয়েছে।” কয়েকদিন আগেই একটি রিপোর্ট তৈরি করেছিল উইঘুর হিউম্যান রাইটস প্রজেক্ট এবং অক্সাস সোসাইটি ফর সেন্ট্রাল এশিয়ান অ্যাফেয়ার্স। সেই রিপোর্টে লেখা হয়, “চিনের তরফে তালিবানরা উইঘুরদের উপর অত্যাচার চালাচ্ছে। চিনে বহু উইঘুরদের হত্যা করা হয়েছে। বন্দী শিবিরেও পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য এলাকায় তাদের উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। একই কাজ করা হচ্ছে আফগানিস্তানেও।”

আরও পড়ুন আফগানিস্তানে জঙ্গি সরকারকে সমর্থনে বিশ্ব দোদুল্যমান

উইঘুদের ওপর অত্যাচার, মুসলিম ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ধ্বংসে কি কি করছে চিন ?

  •  জিনজিয়াং প্রদেশের কোনো পুরনো মসজিদ সংস্কার করতে না দেয়া। তাছাড়াও নতুন মসজিদ নির্মাণের অনুমোদন না দেয়া।
  •  প্রকাশ্যে ধর্মীয় শিক্ষা নিষিদ্ধ করা।
  •  পবিত্র হজযাত্রার অনুমতি না দেওয়া।
  •  নামাজ পড়ার সময় এক হাজার মুসলিমের জন্য একশ পুলিশ মসজিদ ঘিরে রাখে।
  • প্রাচীন মসজিদগুলিতে মুসলিমদের নামাজ পড়তে না দেওয়া।
  • মুসলিম মেয়েদের অবৈধভাবে গর্ভপাত করানো হচ্ছে। 
  • ১৯৯৬ সাল থেকে জিনজিয়াং প্রদেশের ৪০টি শহর ও গ্রামে অবস্থিত মাদ্রাসার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে শিক্ষার অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে মুসলিমদের।
  • জিনজিয়াংয়ে মুসলমানদের তুর্কি ভাষা ও আরবি বর্ণমালা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

ভারতের সঙ্গে ক্রিকেট সিরিজ খেলতে চায় তালিবান সরকার

Taliban wants to play a cricket series with India

নিউজ ডেস্ক: তালিবানরা কাবুল দখলের পরেই সবার মনে একটা প্রশ্ন ছিল, আফগানিস্তান আবার ক্রিকেট খেলতে পারবে৷ তালিবান সরকার কি সেই অনুমতি দেবে৷ তবে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তালিবানরা ক্রিকেটে আগ্রহ দেখানোয় কিছুটা আশা জাগিয়েছে ক্রিকেট মহলে৷ তবে, মহিলা ক্রিকেটের ভবিষ্যত এখানও অন্ধকারে৷ আফগানিস্তানের দলকে তালিবানের তত্ত্বাবধানে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলতে দেখা যেতে পারে। চলতি বছরের শেষের দিকে আফগানিস্তানের অস্ট্রেলিয়া সফরে সবুজ সংকেত দিয়েছে তালিবান। এছাড়াও ভারতের বিরুদ্ধে একটি টেস্ট সিরিজ খেলতে চাওয়ার কথাও বলেছে তালিবান।

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজের পর তালিবান ২০২২ সালের প্রথমদিকেই ভারতের সঙ্গে একটি টেস্ট সিরিজ চাইছে৷ তবে বিসিসিআইয়ের পক্ষ এখনও এই বিষয়ে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (এসিবি) একজন শীর্ষ কর্মকর্তা আসন্ন সফরের বিবরণ প্রকাশ করেছেন। এসিবি প্রধান নির্বাহী হামিদ শিনওয়ারি ভারত সফর সম্পর্কেও তাঁর মতামত দিয়েছেন৷ তিনি বলেন, “তালিবান সরকার ক্রিকেটকে সমর্থন করছে এবং আমাদের সমস্ত ক্রিকেট নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। তালিবান সাংস্কৃতিক কমিশনের একজন মুখপাত্র আমাদের বলেছেন, তালিবানরা অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একটি টেস্ট ম্যাচ সমর্থন করবে৷ তার পর ২০২২ সালের শুরুতেই ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ করা হতে পারে৷

তালিবানরা ক্রিকেটকে সমর্থন করছে৷ আফগানরা অক্টোবর-নভেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে। তিনি বলেন, “তালিবান ক্রিকেটকে সমর্থন করছে এবং আমরা তাদের কাছ থেকে সবুজ সংকেত পেয়েছি। এটা যুব সম্প্রদায়ের কাছে একটি স্পষ্ট বার্তা, তারা খেলাধুলাকে সমর্থন করবে। এটিই ভালো লক্ষণ।” তবে আফগানিস্তানে মহিলা ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চিত রয়েছে৷ তিনি বলেন, “আমরা এই মুহূর্তে জানি না সরকার এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেবে।”

মাল্টি নেশন টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আফগানরা সংযুক্ত আরব আমিরাতে ত্রিদেশীয় সিরিজের পরিকল্পনা করছে। তিনি বলেন, “আমরা একটি টি-টোয়েন্টি ত্রিদেশীয় সিরিজ নিয়ে কাজ করছি৷ যার মধ্যে থাকবে আফগানিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং শ্রীলঙ্কা। এটি সম্ভবত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হবে। সম্ভবত ত্রিদেশীয় সিরিজের আগে আমাদের জাতীয় দলের জন্য কাতারে একটি ক্যাম্প হবে।

ত্রিপুরা: মমতার টার্গেট কংগ্রেস ভোট! সন্তোষমোহন কন্যা সুস্মিতায় আপ্লুত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পরিবার

Susmita Dev

#Susmita Dev
নিউজ ডেস্ক: বাবার ভূমিকায় কন্যা! এমনই মনে করছে ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহল। এই রাজ্য ও অসমের একসময়ের জবরদস্ত সাংসদ সন্তোষমোহন দেব কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে কংগ্রেসের অন্যতম স্তম্ভ ছিলেন। তিনিই ত্রিপুরায় প্রথমবার বাম সরকার হটিয়ে কংগ্রেসকে ক্ষমতা আনেন। সেই সন্তোষমোহন কন্যা সুস্মিতা দেব এখন আবেগ রাজনীতি হাতিয়ার করেছেন বলে শাসক বিজেপি ও বিরোধী সিপিআইএমের কটাক্ষ।

ত্রিপুরায় গত নির্বাচনগুলিতে তৃণমূলের প্রাপ্তি ০.৩ শতাংশ ভোট। এই শক্তি নিয়েই একক সংখ্যাগরিষ্ঠ বিজেপি ও রাজ্যে টানা ২৫ বছরের সরকারে থাকা সিপিআইএমের বিরুদ্ধে লড়তে নেমেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিতে এখনও পর্যন্ত উত্তর পূর্বাঞ্চলের যে হেভিওয়েট মুখ টিএমসি ব্যবহার করছে তিনি প্রয়াত সন্তোষমোহন দেবের কন্যা সুস্মিতা। অসমের শিলচর থেকে দুবারের কংগ্রেস সাংসদ সুস্মিতা দেব সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন কলকাতায়। এর পরেই তাঁকে ত্রিপুরায় পাঠান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

আগরতলা পৌঁছেই সুস্মিতা দেব পুরনো দল কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বার্তা দিয়েছেন। মনে করা হচ্ছে, কংগ্রেসের ভোটব্যাংকটি তৃণমূল কংগ্রেসের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য নিয়েই যেন সুস্মিতা দেব দেখা করলেন প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী সুধীররঞ্জন মজুমদারের স্ত্রী ও পরিবারের অন্যান্যদের সঙ্গে।

তাৎপর্যপূর্ণ, সন্তোষমোহন দেব ত্রিপুরার সাংসদ থাকাকালীন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সুধীরবাবু। অসমের বরাক উপত্যকার শিলচরের নেতা সন্তোষমোহন দেব ও সুধীররঞ্জন মজুমদারের মধ্যে সখ্যতা ছিল। সুস্মিতা দেব জানান, বাবার সঙ্গে পুরনো সম্পর্কের কারণেই আমি সুধীরবাবুর বাড়ি এসেছি। নেহাত সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, রাজনৈতিক কৌশলই এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে আগরতলা ও কলকাতার রাজনৈতিক মহল। সন্তোষমোহন দেব অসমের শিলচর থেকে ৫ বার ও ত্রিপুরা থেকে ২ বার সাংসদ হন। ইন্দিরা গান্ধীর পরিবারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ শিলচরের দেব পরিবার। সেই সূত্রে সন্তোষমোহন হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় ভারি শিল্পমন্ত্রী। তাঁর নেতৃত্বে ১৯৮৯ সালে ত্রিপুরায় প্রথম বামফ্রন্ট সরকারের পতন হয়। ক্ষমতা হারার কিংবদন্তি সিপিআইএম নেতা নৃপেন চক্রবর্তী। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন সুধীররঞ্জন মজুমদার।

প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন আগরতলার গান্ধীঘাট এলাকায়। সেখানেই যান সুস্মিতা দেব। তিনি বলেন, প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী সুধীর রঞ্জন মজুমদারের পরিবারের সাথে দেখা করাটা হলো ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ। কারণ উনার পিতা ত্রিপুরা রাজ্যে তৎকালীন সময়ের সাংসদ ছিলেন। বর্তমানে ত্রিপুরা রাজ্যে যে সন্ত্রাসের বাতাবরণ চলছে তার তীব্র নিন্দা জানান তিনি।

সুস্মিতা দেব বলেছেন, গণতন্ত্রের দেশে সকলের অধিকার আছে রাজনীতি করার। জনগণের স্বার্থে যা করার তা করবেন তিনি। ত্রিপুরার স্বার্থে সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি আরও বলেন, স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসতে পারেন কংগ্রেসের নেতৃত্ব এবং কর্মীরা। তাদের সঠিক সম্মান দেওয়া হবে। তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে ত্রিপুরা রাজ্যের মূল শত্রু হলো বিজেপি। কংগ্রেসেরও শত্রু বিজেপি। রাজ্যের মাটিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে প্রতিষ্ঠা করতে ত্রিপুরার রাজনৈতিক আবেগ ও চাহিদা বুঝতে চান দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে জানান সুস্মিতা দেব।

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ছিলেন সুস্মিতা দেবের সঙ্গে। তিনি বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুনামির ঝড় ত্রিপুরা রাজ্যের মাটিতে আছড়ে পড়তে শুরু করেছে। বিজেপি’র বিদায় ঘন্টা বেজে গেছে বলে জানান তিনি। তিনি বিজেপি বিধায়ক ও প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সুদীপ রায় বর্মনকে মমতা শিবিরে ফের ফিরে আসার আহ্বান জানান।

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত অভিনেতা সিদ্ধার্থ শুক্লা

বায়োস্কোপ ডেস্ক: বলিউডে ফের বড়ো দুঃসংবাদ! হঠাৎ করে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সকালে প্রয়াত বিগ বস ১৩’র বিজেতা সিদ্ধার্থ শুক্লা। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৪০ বছর। মুম্বইয়ের কুপার হাসপাতালে মৃত্যু হয় সিদ্ধার্থ শুক্লর৷ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে অভিনেতার মৃত্যুর খবর জানানো হয়৷ ময়নাতদন্তের পর সিদ্ধার্থের মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়৷ হাসপাতাল সূত্রে খবর, ঘুমের আগে একটি ওষুধ খেয়েছিলেন তিনি। এর পরে আর ঘুম থেকে ওঠেননি সিদ্ধার্থ। তাঁর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা বলিউড। 

আরও পড়ুন একে একে কমিছে বিধায়ক, বঙ্গে ক্রমশ ব্যাকফুটে বিজেপি

বাবুল কা আঙ্গান ছুটে না বলে একটি ধারাবাহিকে অভিনয় দিয়ে রূপোলি পর্দায় পা রাখেন সিদ্ধার্থ শুক্ল৷ এরপর জানে পহেচান সে, ইয়ে আজনবি, লভ ইউ জিন্দগি, বালিকা বধূ সহ একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করেন সিদ্ধার্থ শুক্ল৷ কালার্স চ্যানেলের ‘বালিকা বধূ’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে পরিচিতি পান তিনি। ২০১৪ সালে বলিউডেও অভিষেক ঘটে অভিনেতার। ‘হাম্পটি শর্মা কি দুলহনিয়া’ ছবিতে আলিয়া ভট্ট এবং বরুণ ধবনের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন তিনি।

গত বছর রহস্যমৃত্যু হয়েছিল অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের। এবার সিদ্ধার্থ শুক্লার প্রয়ানের খবরে স্তব্ধ বলিউড, অভিনেতার অনুগামীরা।

আরও পড়ুন বলিউডের খিলাড়ি অক্ষয় কুমারের না জানা কিছু ইতিহাস, জানলে আপনিও অবাক হবেন

‘সাবধান ইন্ডিয়া’ এবং ‘ইন্ডিয়াজ গট ট্যালেন্ট’ -এর মতো রিয়্যালিটি শোতেও সঞ্চালক হিসেবে বেশ কিছুদিন কাজ করেছিলেন সিদ্ধার্থ। এর পর ২০১৯ সালে ‘বিগ বস’-এর ১৩তম সিজনে প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। সেখানে সেরার শিরোপা জেতেন তিনি। বিগ বসের পাশাপাশি ‘খতরো কে খিলাড়ি’, ‘ঝলক দিখলাজা’-র মতো বিভিন্ন রিয়্যালিটি শো-তেও অংশ নিয়েছেন৷ গত বছর রহস্যমৃত্যু হয়েছিল অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের। মুম্বইয়ের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল ঝুলন্ত দেহ। এবার সিদ্ধার্থ শুক্লার আকস্মিক প্রয়ানের খবরে স্তব্ধ বলিউড, অভিনেতার অনুগামীরা।

চোখের যত্ন নিন

লাইফস্টাইল ডেস্ক: চোখ, মানবদেহের সবচেয়ে সূক্ষ্ম এবং সংবেদনশীল অঙ্গগুলির মধ্যে একটি। এই আকর্ষণীয় পৃথিবী দেখতে আমাদের সাহায্য করে চোখ। দুর্ভাগ্যবশত বেশিরভাগ সময় একে উপেক্ষা করা হয়। এই ঋতুতে আপনার ক্লান্ত চোখের জন্য এই ঘরোয়া প্রতিকারের সাহায্যে চোখের যত্নকে আপনার দৈনন্দিন রুটিনের একটি অংশে পরিণত করুন।

আপনার স্মার্টফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিনের মতো ইলেকট্রনিক গ্যাজেট থেকে চোখের উপর ক্রমাগত চাপ পড়ার কারণে ক্লান্ত চোখের জন্য এই ঘরোয়া প্রতিকারগুলি আরও দরকারি । তাছাড়া, চোখের কিছু ঋতুগত অসুস্থতা হতে পারে যদি আপনি বাড়িতে আপনার চোখের নিয়মিত যত্ন না নিয়ে থাকেন। উদাহরণস্বরূপ, আপনার চোখে কনজাংটিভাইটিস, চোখের দাগ, শুষ্ক চোখ এবং কর্নিয়ার আলসারের মতো কিছু চোখের সমস্যা দেখা দিতে পারে ।

আরও পড়ুন রসুনের ১০ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা যা আপনার রোজকার জীবনের সঙ্গী হয়ে উঠবে

  • আলো এবং উজ্জ্বলতা: এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চোখের প্রতিকার যা চোখের উপর চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপের সময় পরিবেষ্টিত আলো আপনার চোখের চাপ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উদাহরণস্বরূপ, আপনাকে পড়ার সময় আলোকে এমনভাবে সামঞ্জস্য করতে হবে যাতে এটি আপনার মুখের পরিবর্তে আপনার পড়া পৃষ্ঠায় পড়ে। একইভাবে, আপনার মোবাইল ডিভাইসের উজ্জ্বলতা ভালভাবে সামঞ্জস্য করা উচিত যাতে দীর্ঘ সময় ধরে দেখার চাপ কমে যায়।
  • কম্পিউটার ব্যবহারে চশমা: একটি কম্পিউটার স্ক্রিন দেখার জন্য প্রস্তাবিত দূরত্ব সাধারণত 20 থেকে 25 ইঞ্চি। যাইহোক, আমাদের মধ্যে বেশিরভাগই সবসময় এই থাম্ব রুলটি মেনে চলেন না এবং সাধারণত নিজেদেরকে আরও বেশি এর্গোনোমিক অবস্থানে দেখতে পান যা চোখের জন্য খুব স্বাস্থ্যকর নাও হতে পারে। অতএব, ক্লান্ত চোখের জন্য আরেকটি প্রতিকার হল কিছু প্রেসক্রিপশন কম্পিউটার চশমা বিনিয়োগ করা যা আপনার চোখকে স্ক্রিন গেজিং এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে পারে।
  • উষ্ণ সংকোচন: ক্লান্ত চোখের জন্য একটি সেরা ঘরোয়া প্রতিকার হল আপনার চোখে একটি উষ্ণ সংকোচন প্রয়োগ করা। আপনি একটি নরম কিন্তু মোটা কাপড় গরম জলে ভিজিয়ে সেটি কয়েক মিনিটের জন্য আপনার চোখের উপর লাগিয়ে রাখতে পারেন। এটি আপনার চোখে আর্দ্রতা যোগ করতে, চোখের ব্যথা উপশম করতে, চোখের কৈশিকগুলিতে রক্ত প্রবাহ বাড়ানোর পাশাপাশি চোখের পেশীকে শিথিল করতে সহায়তা করে। ডাক্তাররা সাধারণত ধোয়ার কাপড়ের টুকরোটি আপনার চোখে লাগানোর আগে সেদ্ধ করার পরামর্শ দেন। নিশ্চিত করুন যে কাপড়ের তাপমাত্রা কেবল গরম এবং খুব উষ্ণ নয়।
  • ঠাণ্ডা সংকোচন: আপনার চোখকে শিথিল করতে সাহায্য করার জন্য আপনি ঠাণ্ডা সংকোচ হিসাবে ব্যবহৃত টি ব্যাগগুলি সহজেই পুনরায় ব্যবহার করতে পারেন। চা তৈরির পরে, আপনাকে ব্যবহৃত টি ব্যাগগুলি একটি পরিষ্কার পাত্রে রেখে ফ্রিজের ভিতরে রাখতে হবে। তারপরে আপনার মুখ পরিষ্কার করে ধুয়ে ফেলতে হবে। ঠাণ্ডা চায়ের ব্যাগগুলি আপনার বন্ধ চোখের উপর রাখুন এবং নিশ্চিত করুন যে চায়ের দানাগুলি আপনার চোখে না পড়ে। এটি ক্লান্ত চোখের জন্য আরও দরকারি ঘরোয়া প্রতিকারগুলির মধ্যে একটি এবং চোখের ফোলা এবং ব্যথা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে সহায়তা করতে পারে।
  • বেটস পদ্ধতি ব্যবহার করে দেখুন: ডাক্তার উইলিয়াম বেটস একটি বুদ্ধিমান এবং অত্যন্ত কার্যকর ক্লান্ত চোখের প্রতিকার তৈরি করেছেন, যার জন্য শুধুমাত্র আপনার হাতের প্রয়োজন। আপনার হাতের তালু কয়েক মিনিটের জন্য আপনার চোখের উপর রেখে দিন। যদিও এই পদ্ধতি চোখের রোগের চিকিৎসায় সাহায্য করে না, তবে এটি মানসিক চাপের কারণে যে চোখের ব্যথা হয় তা উপশমের জন্য একটি কার্যকর প্রতিকার।

দীর্ঘমেয়াদী চোখের যত্ন 

ক্লান্ত চোখের জন্য এই সাধারণ চোখের যত্নের টিপস এবং ঘরোয়া প্রতিকারগুলি ছাড়াও, বর্ষার মাসে আপনার চোখের বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। অপরিষ্কার হাত দিয়ে আপনার চোখ না ঘষার বা আপনার রুমাল ভাগ করে নেওয়ার সাধারণ নির্দেশিকা এখনও প্রযোজ্য হলেও, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য বজায় রাখা। ওমেগা-3 ফ্যাটি অ্যাসিড এবং সবুজ শাক-সবজিতে সমৃদ্ধ একটি খাদ্য আপনার চোখের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য আদর্শ।

কম্পিউটার এ কাজ করার সময় ঘন ঘন বিরতি নিন এবং নিজেকে শারীরিকভাবে সক্রিয় রাখুন।দৃষ্টিতে কোনও ব্যাঘাত, ব্যথা, চুলকানি বা চোখ লাল হয়ে গেলে চোখের ডাক্তারের কাছে যান। ক্লান্ত চোখ কীভাবে উপশম করা যায় সে সম্পর্কে এই টিপস গুলির সাহায্যে নিন এবং এগুলি মেনে চললে আপনি আপনার চোখের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সক্ষম হবেন এবং কিছুটা হলেও স্বল্প দৃষ্টিশক্তির সূচনাও এড়াতে পারেন।

১৫০ যাত্রীর প্রাণ বাঁচানো পাইলট নওশাদের মরদেহ ঢাকায় নামল বিমান থেকেই

Deadbody of Captain Naushad arrived at dhaka international airport

নিউজ ডেস্ক: সেটা ছিল পাঁচ বছর আগের কথা ১৪৯ যাত্রী আর সাতজন ক্রুর জীবন বাঁচিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন নওশাদ। এক রোমহর্ষক উড়ানের জন্য পেয়েছিলেন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। বিমান বাংলাদেশের পাইলট নওশাদ কাইয়ুমের মরদেহ নাগপুর থেকে ঢাকায় পৌঁছাল। গত সোমবার নাগপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি।

বৃহস্পতিবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রয়াত ক্যাপ্টেন নওশাদের মরদেহ ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ক্যাপ্টেন নওশাদের দেহ যথাযোগ্য মর্যাদায় তাঁর সহকর্মী ও বিমান বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ নামিয়ে আনেন। এদিনই তাঁর দেহ সমাধিস্থ করা হবে৷

গত বৃহস্পতিবার ওমান থেকে বাংলাদেশ যাওয়ার পথে ভারতের আকাশে পৌঁছেই গুরুতর অসুস্থ হয়েছিলেন বিমান বাংলাদেশের পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ। হৃদরোগে তিনি আক্রান্ত হয়েছিলেন। সহকারি পাইলটের SOS অ্যালার্ট পেয়ে কলকাতা বিমানবন্দর এটিসি দ্রুত সেই বিমান নাগপুরে অবতরণ করাতে সাহায্য করেছিল। বেঁচে যান যাত্রীরা। তবে অসুস্থ পাইলট নওশাদ কাইউম চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাগপুরেই প্রয়াত হন।৷

Biman Bangladesh Pilot Who Suffered Heart Attack Mid-Air is dead

সেই রোমহর্ষক উড়ান: পাইলট নওশাদের হাতে ঝুলছিল দেড়শতাধিক জীবন
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জানিয়েছে পাঁচ বছর আগের কথা। ২০১৬ সালের ২২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিমানের বিজি-১২২ ফ্লাইটে ক্যাপ্টেন ছিলেন নওশাদ। ওমানের রাজধানী মাস্কট বিমানবন্দর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। মাস্কট থেকে টেক অফ করার সময়ে রানওয়েতে বিমানের টায়ার ফেটে যায়। উপায় ছিলো না। বিমান নিয়ে উড়তে হয়েছিল ক্যাপ্টেন নওশাদকে।

এই ঘটনার পরপরই মাইক্রোফোনে যাত্রীদের আতঙ্কিত না হতে বলেন ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইয়ুম। তিনি ও বিমানের ফার্স্ট অফিসার মেহেদী হাসান বুঝতে পারছিলেন কী ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। ১৮ টন জ্বালানি আর বিমানটির ওজন ৬০ টন। সব মিলিয়ে ৭৮ টন ওজনের বিশাল বিমানের জরুরি অবতরণ করাও অসম্ভব। একটু এদিক সেদিক হলেই বিস্ফোরণ ঘটবে। এই উদ্বেগ নিয়েই টানা পাঁচ ঘণ্টার পথ পাড়ি দিয়ে চট্টগ্রামের বদলে সেদিন অতি দক্ষতার সঙ্গে ঢাকায় বিমানটি জরুরি অবতরণ করানোর বার্তা পাঠান। ঢাকা বিমান বন্দরেই জরুরি ভিত্তিতে সবরকম ব্যবস্থা করা হয়। অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে বিমানটি অবতরণ করিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন নওশাদ। জীবন রক্ষা পায় দেড়শ যাত্রীর।

এই ঘটনার পরে, ২০১৭ সালে ক্যাপ্টেন নওশাদকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে প্রশংসাপত্র পাঠিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ক্যাপ্টেন রন অ্যাবেল। সেই ঢাকা বিমানবন্দরে ক্যাপ্টেন নওশাদের দেহ নামল, সেই বিমান বাংলাদেশ থেকেই।