জেনে নিন হলুদের ১৩টি উপকারিতা

লাইফস্টাইল ডেস্ক: হলুদ আমাদের রান্নাঘরের পরিচিত উপাদান। কাঁচা হলুদ এর চেহারা অনেকটা আদার মত। হলুদে কারকিউমিনের মতো কারকিউমিনয়েড রয়েছে যা হলুদ রঙের একটি প্রাণবন্ত, ডাইমেথক্সি কারকিউমিন এবং বিসডেমেথক্সিকিউরকিউমিন এবং টারমারোন, অ্যাটলান্টোন, জিংগাইবেরোন এবং শর্করা, প্রোটিন এবং রেজিনের মতো উদ্বায়ী তেল উৎপাদন করে।

আরও পড়ুন অতিরিক্ত চিনি খাচ্ছেন, অজান্তেই বিপদ ডেকে আনছেন নিজের

হলুদ প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদিক ঔষধ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। হলদি নামে জনপ্রিয়, এই মশলাটি অসংখ্য স্বাস্থ্য অসুস্থতার মোকাবিলা করার একটি বিকল্প হিসাবে কাজ করে। হলুদ সেবন করা হোক বা প্রয়োগ করা হোক, এতে প্রচুর উপকারিতা দেখা যায়।

  • প্রদাহ বিরোধী: গবেষণায় দেখা গেছে যে কারকিউমিন প্রদাহ কমাতে অত্যন্ত কার্যকর। কারকিউমিনের প্রদাহ বিরোধী প্রভাব সম্ভবত সাইক্লোক্সিজেনেস -২ (COX-2), লাইপক্সিজেনেস (LOX) এবং ইনডিউসিবল নাইট্রিক অক্সাইড সিনথেস (আইএনওএস) এর মত রোগ বাধা দেওয়ার ক্ষমতা রাখে ।
  • শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট: কারকিউমিন একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা আমাদের শরীরকে ফ্রি রেডিকেল থেকে রক্ষা করে এবং হৃদরোগ ও ক্যান্সারের মত রোগের ঝুঁকি কমায়।
  • ডায়াবেটিস: হলুদে উপস্থিত কারকিউমিন ইনফ্ল্যামেটরি সাইটোকাইন গঠনে বাধা দিয়ে টাইপ 2 ডায়াবেটিসের সূত্রপাতকে বিলম্বিত করে এবং এইভাবে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রায় অনুকূল প্রভাব ফেলে
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: হলুদ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য আমাদের বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। সাধারণ ঠাণ্ডা ও ফ্লু থেকে বাঁচতে অনেক ডাক্তার প্রতিদিন এক গ্লাস উষ্ণ দুধে এক চা চামচ হলুদ গুড়ো খাওয়ার পরামর্শ দেন
  • হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়: হলুদে পাওয়া কারকিউমিনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য হৃদরোগ এবং ডায়াবেটিক কার্ডিওভাসকুলার জটিলতা প্রতিরোধ করতে পারে। কারকিউমিন সিরামের কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমিয়ে দেয় এবং এথেরোস্ক্লেরোসিসের সাথে ঘটে যাওয়া রোগগত পরিবর্তন থেকে আমাদের রক্ষা করে।
  • ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়: কারকিউমিন ক্যান্সার এ কোষের বৃদ্ধি এবং বিকাশে হস্তক্ষেপ করে এবং সর্বনিম্ন আণবিক স্তরে তাদের বিস্তার রোধ করে। সুতরাং, এটি কার্যকর-ভাবে নতুন ক্যান্সার বৃদ্ধির ঝুঁকি হ্রাস করে।
  •  অ্যালেজহুইম রোগের চিকিৎসায় সাহায্য করে: অ্যালজাইমার রোগটি অ্যামাইলয়েড প্লেক নামক প্রোটিন ট্যাং-গল তৈরির কারণে হয়। হলুদে থাকা কারকিউমিন এই ফলকগুলো পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
  • হতাশায় আক্রান্ত রোগীদের সাহায্য করে: হলুদ মস্তিষ্কে বিডিএনএফ (মস্তিষ্ক থেকে উদ্ভূত নিউরোট্রফিক ফ্যাক্টর) এর মাত্রা বাড়ায়, এইভাবে বিষণ্নতায় আক্রান্ত রোগীদের সাহায্য করে।কারকিউমিন মস্তিষ্কের নিউরোট্রান্সমিটার সেরোটোনিন এবং ডোপামিনকেও শক্তিশালী করে।
  • বার্ধক্য বিরোধী প্রভাব: হলুদে কারকিউমিনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য কোষের ক্ষতি প্রতিরোধ করে এবং এইভাবে বার্ধক্যকে ধীর করে দেয়। এটি কার্যকরভাবে চেহারায় সূক্ষ্ম রেখা এবং বলি তৈরি বন্ধ করে।
  • হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে: রিউমটয়েড আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত রোগীদের হলুদ দেওয়া হলে কারকিউমিনের সম্পূরকগুলি ব্যথা এবং জয়েন্টের কার্যকারিতায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখায়।
  • হজমের উন্নতি করে: হলুদে থাকা কারকিউমিন ফুলে যাওয়া কমায় এবং পরিপাকতন্ত্রকে ট্র্যাকে নিয়ে আসে। এটি পিত্তথলিকে পিত্ত উৎপন্ন করতে উদ্দীপিত করে। এটি অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ প্রতিরোধ ও চিকিত্সায়ও সহায়তা করে।
  • গ্লুকোমা এবং ছানি চিকিত্সা: হলুদের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রপার্টি গ্লুকোমা এবং ছানির চিকিৎসায় সাহায্য করে। হলুদের নিয়মিত ব্যবহার গ্লুকোমার অগ্রগতি বন্ধ করে এবং দৃষ্টিশক্তি হ্রাসও রোধ করে।
  • ভালো ত্বক: হলুদে প্রদাহবিরোধী, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা সাহায্য করতে পারে: ক্ষত আরোগ্য করে, ব্রণ এবং ব্রেকআউট প্রতিরোধ করে, একজিমা এবং সোরিয়াসিসের বিরুদ্ধে লড়াই করে , দাগ কমাইয়, ডার্ক সার্কেল হালকা করে  প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা দেয় ।

আফগানি কূটনীতির তাস খেলায় দিল্লির টেক্কা তালিবান স্তানেকজাই

sher mohammad abbas stanikzai

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: আফগানিস্তানে তালিবান সরকার গড়ার প্রক্রিয়া চলছে। যে জঙ্গিরা ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত সরকার চালিয়েছিল তারা দু’দশক বাদ ফের কাবুলের ‘তখত- এ- তউস’ (সিংহাসন) দখল করেছে। দু-দফার এই তালিবান শাসনের মাঝে নয়াদিল্লির আফগান নীতি কী হবে? এই প্রশ্ন তাড়া করছে কেন্দ্রের এনডিএ সরকারকে।

তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, প্রথম দফায় যখন আফগানিস্তানের সরকার তালিবান কব্জায় ছিল তখনও ভারতে এনডিএ সরকার। বিখ্যাত ‘কান্দাহার বিমান অপহরণ’ বা ‘IC 814 Hijack’ ঘটে ১৯৯৯ সালে। পাকিস্তানের জঙ্গি নেতা মাসুদ আজাহারের মুক্তির বিনিময়ে বিমানে বন্দি ভারতীয়দের ছাড়িয়ে আনেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ী।

আফগানিস্তানের সেই প্রথম তালিবান সরকারের উপ প্রধানমন্ত্রী শের মহম্মদ আব্বাস স্তানেকজাই। একদা দেরাদুন মিলিটারি একাডেমির প্রশিক্ষিত আফগান সেনা অফিসার স্তানেকজাই (শেরু) আই সি ৮১৪ বিমান অপহরণের ঘটনায় অপহরণকারী পাকিস্তানি জঙ্গিদের সঙ্গে আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। এমনকি, তালিবান সরকার অপহরণকারীদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিল বিমানটির ক্ষতি করা চলবে না। সে কথা মেনে নেয় পাকিস্তানি জঙ্গি অপহরণকারীরা।

সেই স্তানেকজাই আবারও তালিবান শাসনে চলে যাও আফগানিস্তানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদে আসছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের খবর, তালিবান নেতা শের মহম্মদ আব্বাস স্তানেকজাই আফগানিস্তানের বিদেশমন্ত্রী হতে পারে।

এখানেই লুকিয়ে আছে ভারতের আফগান নীতির তুরুপের টেক্কা। কারণ স্তানেকজাই ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক চায়। গত ১৫ আগস্ট তালিবান যখন ফের কাবুল দখল করে, স্তানেকজাই নয়াদিল্লিকে সম্পর্কের বার্তা দেয়। ৩১ আগস্ট আমেরিকান সেনার সর্বশেষ বিমান উড়ে যাওয়ার পরেই স্তানেকজাইয়ের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা করেছেন কাতারে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত দীপক মিত্তল।

কাতারে রাজধানী দোহা শহরেই আছে তালিবান জঙ্গি সংগঠনের আন্তর্জাতিক কর্পোরেট কার্যালয়। সেখানেই থাকে শেরু অর্থাৎ শের মহম্মদ আব্বাস স্তানেকজাই। আল জাজিরা জানিয়েছে, দোহার ভারতীয় দূতাবাসে আমন্ত্রণ জানানো হয় স্তানেকজাইকে। বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর, স্তানেকজাইয়ের সঙ্গে আলোচনার মূল বিষয় ছিল, ভারতীয় নাগরিকদের দ্রুত দেশে ফেরানোর বিষয়। আলোচনা হয়েছে তাদের নিরাপত্তা নিয়ে। এছাড়াও বেশ কিছু আফগান নাগরিক যারা ইতিমধ্যে ভারতে যাওয়ার আবেদন করেছে, সেই বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

কেন স্তানেকজাই ‘টেক্কা’?
শের মহম্মদ আব্বাস স্তানেকজাই এমন এক তালিবান জঙ্গি নেতা যে প্রথম জীবন ছিল আফগান সেনা অফিসার। আশির দশকে আফগানিস্তানের সরকার তাকে দেরাদুনে ইন্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে প্রশিক্ষণ নিতে পাঠায়। দেশে ফিরে সোভিয়েত বিরোধী মুজাহিদিন গোষ্ঠীর হয়ে যুদ্ধে নামে। পরে স্তানেকজাই তালিবান সংগঠনের শীর্ষে ওঠে। আফগানিস্তানের প্রথম তালিবান সরকারের আমলে উপ প্রধানমন্ত্রীর পদ ছিল স্তানেকজাইয়ের।

২০০১ সালে মার্কিন সেনা অভিযানে তালিবান সরকারের পতন হয়। তখন স্তানেকজাই আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে কাতারে আশ্রয় নেয়। স্তানেকজাই ভারত সম্পর্কে নরম মনোভাব রাখে। কারণ তার দেরাদুন স্মৃতি ও ভারতীয় ‘বন্ধু’। দুটি কারণে স্তানেকজাই ওরফে শেরুকে সামনে রেখেই ভারত পরবর্তী আফগান নীতি নিচ্ছে। জানা যাচ্ছে, অতি দ্রুত স্তানেকজাইকে নয়াদিল্লি কূটনৈতিক বার্তা দেবে।

আফগান তালিবান সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক (সম্ভবত বিদেশমন্ত্রক) পেতে চলা স্তানেকজাই কাতার থেকে কবুলে এসে দায়িত্ব নেওয়ার পরেই নয়াদিল্লি পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে। ইতিমধ্যেই স্তানেকজাইয়ের তৈরি বয়ান আন্তর্জাতিকস্তরে ছড়িয়েছে তালিবান। কাবুল থেকে মার্কিন সেনার শেষ বিমান উড়ে যেতেই তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ বিমানবন্দরের রানওয়েতেই বার্তা দেয় আফগানিস্তানকে মুক্ত ও সার্বভৌম দেশ। সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চাই।

‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’, তালিবানদের প্রশংসা করায় আফ্রিদিকে একহাত নিলেন নেটিজেনরা

স্পোর্টস ডেস্ক: ক্রিকেট হোক কিংবা রাজনৈতিক কোনো বক্তব্য- শহীদ আফ্রিদি প্রায়ই পাকিস্তানে আলোচনার কেন্দ্রে থাকেন। তবে গত কয়েকদিন আফ্রিদি পাকিস্তানের চেয়ে ভারতেই বেশি আলোচনায় ছিলেন। আফ্রিদি বলেন, “এটা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই তালিবানরা এবারে অনেক ইতিবাচক। যা আগে কখনো দেখা যায়নি। আল্লাহ যদি চান, যদি সব ঠিক থাকে তবে তালিবানরা এবারে নারীদের চাকরি, লেখাপড়া, রাজনীতি সবই করতে দেবে।”

আরও পড়ুন একে একে কমিছে বিধায়ক, বঙ্গে ক্রমশ ব্যাকফুটে বিজেপি

শুধু আফগানিস্তান এবং তালিবান নিয়ে নয়, আফ্রিদি মন্তব্য করেছিলেন আফগানিস্তানের ক্রিকেটের ভবিষ্যত নিয়েও। তিনি জানান, “”তালেবানরা অন্য সবকিছুর মতো ক্রিকেটেরও নিয়ন্ত্রণ নেবে এতে করে আফগানিস্তানের ক্রিকেটে ভারতের আধিপত্য কমে যাবে।” আফ্রিদি দাবি করেন, তার সাথে আফগানিস্তানের অনেক ক্রিকেটার যোগাযোগ করেছেন এবং তারা সবাই একমত আফগানিস্তানে ক্রিকেট আগের মতোই চলবে, তালিবানরা ক্রিকেটের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবেন না।”

এবার সেই ঘটনাতেই আফ্রিদিকে রীতিমতো ধুইয়ে দিলেন নেটিজেনরা। টুইটারে এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘এবার তালিবান প্রিমিয়ার লিগের দায়িত্বে থাকবে আফ্রিদি।’ আরেকজন লিখেছেন, “ক্রিকেট নিয়ে বললেই, নারী অধিকার নিয়ে কথা বলার ‘অধিকার’ আফ্রিদিকে কে দিয়েছে?”

কাবুল দখল নেওয়ার পর নিজেদের ঘোষিত অবস্থানের উল্টো পথেই হাঁটছে তালিবান। আফগান মহিলাদের ঘরেই থাকতে হবে। এমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রথমে ছেলে-মেয়ে একসঙ্গে পড়ার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা, এখন মহিলাদের কর্মস্থলে না যাওয়ার ফরমান-এরপর কী মাথা কাটার ফতোয়া? আফগানিস্তানের মহিলাদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়েছে বিস্তর। কারণ এর আগে ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত তালিবান সরকারের ভয়ঙ্কর রূপ দেখেছেন আফগানবাসী।

আরও পড়ুন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত-তালিবান আলোচনা শুরু, বড়সড় কূটনৈতিক ইঙ্গিত

তালিবান স্পষ্ট জানিয়েছে আফগানিস্তানে শরিয়া আইন জারি চলবে। কড়া ধর্মীয় এই নিয়মকানুনে মহিলাদের জন্য ভয়ঙ্কর সব নিদান রয়েছে। এর একটু ভুল হলেই প্রকাশ্যে নিদারুণ যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি পেতে হয়। সেই বিষয়েই আফ্রিদির ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ মন্তব্যে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন নেটিজেনরা।

চলতি মাসেই বদল আসছে পিএফ, প্যান-আধার লিঙ্ক, জিএসটি সংক্রান্ত একগুচ্ছ নিয়মে

নয়াদিল্লি: পিএফ, প্যান-আধার লিঙ্ক, জিএসটি-সহ বেশ কয়েকটি নিয়ম সেপ্টেম্বর থেকে বদলে যেতে চলেছে। যেহেতু এই নতুন নিয়মগুলি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলবে, তাই এই পরিবর্তনগুলি সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানা গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন একে একে কমিছে বিধায়ক, বঙ্গে ক্রমশ ব্যাকফুটে বিজেপি

জিএসটি: জিএসটিএন তার উপদেষ্টায় বলেছে যে কেন্দ্রীয় জিএসটি বিধিমালার নিয়ম -৫৯ (৬) যা জিএসটিআর-১ জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ প্রদান করে, চলতি বছরের ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে। যদি কেউ পূর্ববর্তী দুই মাসের জন্য জিএসটিআর-৩বি (GSTR-3B) ফর্মের রিটার্ন জমা না দেন তাহলে জিএসটিআর-১ (GSTR-1) ফর্মে পণ্য বা পরিষেবার বাহ্যিক সরবরাহের বিবরণ সরবরাহ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

নতুন পিএফ নিয়ম: পিএফ গ্রাহকদের, ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পিএফ অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার কার্ড লিঙ্ক করা বাধ্যতামূলক। তা না হলে ইপিএফ সুবিধাগুলি কমিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি পিএফ অ্যাকাউন্ট আধারের সাথে সংযুক্ত না হয় বা ইউএএন (UAN) আধার যাচাই না হয়, তাহলে তার ইসিআর-ইলেকট্রনিক চালান কাম রিটার্ন পূরণ করা হবে না।

আধারের সঙ্গে প্যান লিঙ্ক করা: আধারের সঙ্গে স্থায়ী অ্যাকাউন্ট নম্বর (PAN) সংযুক্ত করার সময়সীমা সেপ্টেম্বরে শেষ হচ্ছে। এর আগে সময়সীমা ছিল জুন, ২০২১, যা পরে তিন মাস বাড়ানো হয়েছিল।

এলপিজির দাম: এলপিজি সিলিন্ডার রান্নার গ্যাসের দাম প্রতি সিলিন্ডারে ২৫ টাকা বেড়েছে, আগের দাম ৮৫৯.৫০ টাকা। ১৪.২ কেজি ভর্তুকিযুক্ত এবং ভর্তুকিহীন এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এখন দিল্লি এবং মুম্বাইতে ৮৮৪.৫০ টাকা। কলকাতায় ১৪.২ কেজি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ৯১১ টাকা এবং চেন্নাইতে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে হবে ৯০০ টাকা।

পজিটিভ পে সিস্টেম: RBI-এর পজিটিভ পে সিস্টেম যদিও ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে। বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্ক ইতিমধ্যেই নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক ১ সেপ্টেম্বর থেকে এটির বাস্তবায়ন করবে।

ভারত সিরিজ (বিএইচ-সিরিজ): পরিবহন মন্ত্রক নতুন যানবাহনগুলির জন্য একটি নতুন নিবন্ধন চিহ্ন চালু করেছে, যেমন “ভারত সিরিজ (বিএইচ-সিরিজ)”। এই নিবন্ধন চিহ্ন বহনকারী গাড়ির মালিক যখন এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাবেন, তখন নতুন নিবন্ধন চিহ্নের প্রয়োজন হবে না।

পিএনবি সেভিংস অ্যাকাউন্ট: পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক ১ সেপ্টেম্বর থেকে আমানত সংরক্ষণের সুদের হার পুনর্বিবেচনা করবে।

ব্যয়বহুল OTT সাবস্ক্রিপশন: ডিটিএন + হটস্টার গ্রাহকদের ওটিটি সাবস্ক্রিপশনের জন্য আরও বেশি ব্যায় করতে হবে। OTT প্লেয়ার ৩৯৯ টাকা থেকে ৪৯৯ টাকা হয়েছে।

 

ঘরবন্দি খালেদা জিয়া, বেগম-বিহীন ‘৪৩’ এর বিএনপি ছন্নছাড়া

Khaleda Zia

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: বাংলাদেশ (Bangladesh) জাতীয় রাজনীতিতে প্রধান বিরোধী দল কোনটি? ধাঁধার প্রশ্ন। উত্তরটা মজার। বিএনপি বিরোধী দল আবার নয় ! দলটি ৪৩ বছরে পা রেখে এই ধাঁধা গোলকে ঘুরপাক খাচ্ছে।
বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম দল বিএনপির ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ১ সেপ্টেম্বর। ১৯৭৮ সালের এই দিনে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদ ও ইসলামী মূল্যবোধ সামনে রেখে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই দল গঠন করেন।

বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সেনা অভ্যুত্থানে খুন করা হয় ১৯৭৫ সালে। এর পরেই ততকালীন অন্যতম সেনাকর্তা জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসেছিলেন। চূড়ান্ত অরাজকতা তখন ঢাকায়। রাষ্ট্রপতি ভবন অর্থাৎ বঙ্গভবন ঘিরে যুযুধান দুই সেনা পক্ষের ট্যাংক ঘিরে রেখেছিল। তেমনই পরিস্থিতে ক্ষমতার শীর্ষে চলে যান জিয়াউর রহমান।

সেই বিখ্যাত ধাঁধা!
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন আওয়ামী লীগ জোয়ার। আর জাতীয় সংসদের বিরোধী আসনে নেই একসময়ের ক্ষমতাধর বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি (বিএনপি)। ভোটে বিলীন হয়ে গিয়েছে দলটি। টায়টোয় ৬টি আসন! তবে যে কোনও মুহূর্তে রাজপথ দখল করে নিতে পারে বা নেয় বাংলাদেশের এই দলটি। বাংলাদেশের জনগণ জানেন বিরোধী দল বিএনপি। আর সরকারি হিসেবে গত দুটি জাতীয় নির্বাচনের পর সংসদে বিরোধী দল হয়েছে একদা সামরিক শাসক প্রয়াত হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের দল জাতীয় পার্টি (জাপা)।

দ্বিতীয় ধাঁধা, বাংলাদেশের বিরোধী নেত্রী কে? একশ জনের মধ্যে নিরানব্বই জন বাংলাদেশি বা বিদেশি যারা বাংলাদেশের খবর রাখেন-এক ঝটকায় বলে দেবেন খালেদা জিয়ার (Khaleda Zia) নাম। আদৌ তা নয়। দেশটিতে প্রায় অস্তিত্বহীন ‘জাপা’ দলের (রংপুর বাদে) নেত্রী রওশন এরশাদ বিরোধী নেত্রী। তিনি প্রয়াত এরশাদের স্ত্রী।

দুটি ধাঁধাতেই লুকিয়ে আছে বাংলাদেশের গত তিনটি জাতীয় নির্বাচনের চরিত্র। পরপর তিনবার জয়ী হয়েছে আওয়ামী লীগ। পরপর তিনবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত তিনটি নির্বাচনের মধ্যে প্রথম দুটি নির্বাচনে ব্যাপক রিগিংয়ের অভিযোগ তুলে ভোট বয়কট করেন তৎকালীন বিরোধী নেত্রী খালেদা জিয়া। জোট শরিক জামাত ইসলামিকে পাশে নিয়ে হিংসাত্মক জ্বালাও-পোড়াও নীতি নিয়েছিল বিএনপি। শতাধিক মৃত্যু হয়। বিএনপির উগ্র আন্দোলন দলটিতে রাজনৈতিকভাবে জনবিমুখ করে তেমনই দলটির কট্টরপন্থী সমর্থকরা আরও সংঘবদ্ধ হয়। তবে দলের অভ্যন্তরে খালেদা জিয়া ভোট বয়কট প্রশ্নে বিদ্ধ হন।

বিএনপির এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের তকমা পায় এরশাদ প্রতিষ্ঠিত জাতীয় পার্টি। কুর্সিতে থাকা আওয়ামী লীগের সঙ্গে নরম সম্পর্কের খাতিরে বিরোধী দল হয়েও ‘জাপা’ এখন সরকারি দলের বর্ধিত অংশ বলেই বিবেচিত। এই অবস্থায় বিএনপি সংসদে প্রায় না থেকেও বাংলাদেশের রাজপথের বিরোধী দল হিসেবে পরিচিত।

১৯৮১ সালের ৩০ মে ফের সেনা অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খুন হন। তাঁর সহধর্মিনী বেগম খালেদা জিয়া আসেন নেতৃত্বে। তাঁর নেতৃত্বে ১৯৯১ ও ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসে বিএনপি। এর পরেই হয় তাদের বিপর্যয়ের শুরু। আওয়ামী লীগের দ্রুত উত্থান। ফের কুর্সিতে বসেন শেখ হাসিনা। টানা হাসিনা শাসনে ঢুকে পড়েছে বাংলাদেশ।

তবে বিএনপি দলনেত্রী খালেদা জিয়া যিনি দলের অভ্যন্তরে ম্যাডাম ও বাংলাদেশের সর্বত্র বেগম জিয়া নামে সুপরিচিত তিনি রাজনৈতিক বিপর্যয়ের সাথে দুর্নীতির মামলায় জর্জরিত হতে থাকেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দুটি মামলা দায়ের করে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল সোসাইটির আর্থিক দুর্নীতির মামলায় জেলে যান খালেদা জিয়া। অসুস্থতার কারণে তিনি এখন ঘরবন্দি। দেশ ছেড়ে বাইরে যেতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

এই অবস্থায় বিএনপি দিশেহারা। আন্দোলনের ডাক দিলে হাজার হাজার সমর্থক রাজপথে জড় হন। কিন্তু আন্দোলনের নেতৃত্বে রয়েছে ঘাটতি।

এক যুগের দেশ শাসন, টানা এক যুগেরও বেশি ক্ষমতার বাইরে। দুই দফা আন্দোলনে ব্যর্থতা, দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাবন্দিত্ব এবং দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা। এমন বাস্তবতায় প্রতিষ্ঠার ৪৩তম বছরে এসে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।

চারবার রাষ্ট্র ক্ষমতা এবং দু বার বিরোধী দলে থাকা বিএনপির ভবিষ্যৎ ঘরবন্দি বেগমের নির্দেশে চলে। তবে ক্ষয় হচ্ছে দ্রুত।

‘‘রিস্তে মে তো হম তোমারা বাপ লাগতে হ্যায়’’- দাদাকে পাশে বসিয়ে পাকিস্তানকে তোপ বীরুর

নিউজ ডেস্ক: টিভি রিয়েলিটি শো কৌন বনেগা কৌরপতি দেশের কোটি কোটি মানুষ দেখেন। এই অনুষ্ঠানর সঞ্চালনা করেন বলিউড অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন৷ কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব বা সাধারণ মানুষ প্রতিদিন এই শোতে আসেন৷ কৌন বনেগার একটি নতুন প্রোমো প্রকাশ করেছে৷ যেখানে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী এবং বীরেন্দ্র বীরেন্দ্র সেওয়াগকে দেখা যাচ্ছে।

কেবিসির এই নতুন প্রোমোতে বীরু এবং সৌরভের সঙ্গে অমিতাভ বচ্চনের অনেক মজা করতে দেখা গিয়েছে। অমিতাভ বীরুকে জিজ্ঞেস করেন, ব্যাটিংয়ের সময় আপনি নাকি গুন গুন করে গান করেন? এই প্রশ্নের উত্তরে, বীরু মাথা নেড়ে কিশোর কুমারের গান ‘চালা যাতা হু কিসি কি ধুন মে’ গাইতে শুরু করেন। শুধু তাই নয়, অমিতাভ অনেকবার বীরু এবং মহারাজের সঙ্গে মজা করেছেন।

 

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

 

A post shared by Sony Entertainment Television (@sonytvofficial)

এই শোতে অমিতাভ বচ্চন একবার সেওয়াগকে ফের জিজ্ঞাসা করেন, যদি ভারতীয় দল পাকিস্তান বা অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে জিততে পারে, তাহলে আপনি টিম ইন্ডিয়ার জন্য কোন দুটি লাইন উৎসর্গ করবেন? এই বিষয়ে বীরু হাসতে হাসতে অমিতাভের জনপ্রিয় শাহেনশাহের সংলাপ তুলে ধরে বলেন, ‘‘‘রিস্তে মে তো হম তোমারা বাপ লাগতে হ্যায়’’৷

আর একটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় বীরু প্রাক্তন ভারতীয় কোচ গ্রেগ চ্যাপেলের দিকেও কটাক্ষ করেছিলেন। অমিতাভ তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, যদি গ্রেগ চ্যাপেলের জন্য একটি গান উৎসর্গ করতে হয়, তাহলে সেটা কোনটি হবে? বীরু এই বিষয়ে গেয়ে ওঠেন, অপনি তো জেয়সে তেয়সে কাট জায়েগি, আপকা কেয়া হোগা জবান-ই-আলি’৷ গাঙ্গুলি এবং অমিতাভ দুজনেই এটা শুনে হাসতে লাগলেন। আসলে গাঙ্গুলি এবং চ্যাপেলের মধ্যে অনেক বিতর্ক ছিল।

মাদক মামলায় জেল থেকে বেরিয়ে দুরন্ত সেলফি লুক পরীমণির

Porimoni return from jail and took selfi

নিউজ ডেস্ক: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় জামিনের পর জেল থেকে মুক্তি পেয়ে গাড়িতে দাঁড়িয়ে উপস্থিত ভক্তদের উদ্দেশে সেলফি লুক দিলেন পরীমণি। ১৯ দিন জেল খেটে তিনি জামিনে মুক্তি পেলেন।

বাংলাদেশের সমকালীন সর্বাধিক জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমণিকে মাদক পাচার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল গত ৪ আগস্ট। সেই মামলায় পরীমণি জামিন পেলেন। ঢাকার অভিজাত বনানী এলাকায় সামসুন্নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমণির ফ্ল্যাটে নাটকীয় অভিযান চালায় র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন। ইয়াবা সহ বিভিন্ন মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়। এই মামলায় আদালতের নির্দেশে পরীমণিকে জেলে পাঠানো হয়।

Porimoni return from jail and took selfi

তবে পরীমণি মাদক মামলায় জড়ানোর আগে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য নাসিরউদ্দিন মাহমুদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও খুনের চেষ্টার অভিযোগ করেন। পরীমণির জেলে যাওয়া, মাদক মামলায় জড়ানোর ধাক্কা এসে লাগে টলিউডে। কারণ, বাংলাদেশের এই অভিনেত্রী পশ্চিমবঙ্গে প্রবল জনপ্রিয়। তদন্তে ঢাকা মহানগর পুলিশের ইঙ্গিত, কলকাতার চলচ্চিত্র মহলেও পরীমণির মাদক ব্যবসা ছড়িয়েছে। তবে টলিউডের কারা জড়িত সে বিষয়ে নীরব বাংলাদেশ সরকার।

পরীমণির অভিযোগ ছিল, তাঁকে ঢাকা বোট ক্লাবে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে নাসিরউদ্দিনের উপস্থিতিতে। অভিযোগের পরেই পুলিশ অভিযুক্ত রাজনীতিক নাসিরউদ্দিনকে গ্রেফতার করে। পরে তিনি জামিন পান। জেল থেকে বেরিয়ে পরীমণিকে হুঁশিয়ারি দেন মানহানির মামলার।

এদিকে পরীমণিকে ঘিরে তৈরি হয় পরপর নাটক। আচমকা তিনি মাদক পাচার মামলায় জড়িয়ে পড়েন। তাঁর ফ্ল্যাটে বিপুল পরিমাণ মাদক, বিদেশি মুদ্রা উদ্ধার হয়। তদন্তে উঠে আসে পরীমণি বিকৃত যৌন ব্যবসা করাতেন। এই কাজে ঢালিউডের বেশকয়েকজন উঠতি মডেল ও নায়িকা যুক্ত। তাদেরও চিহ্নিত করা হয়।

একে একে কমিছে বিধায়ক, বঙ্গে ক্রমশ ব্যাকফুটে বিজেপি

অনুভব খাসনবীশ: ‘আবকি বার, ২০০ পার (अबकी बार, २०० पार)’, রাজ্যে চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই কথাটিই শোনা গিয়েছিল ভারতীয় জনতা পার্টির নেতৃত্বর মুখে। কেন্দ্রীয় নেতা থেকে শুরু করে রাজ্য নেতৃত্ব, পদ্মঝড়ে বিজেপির আসন সংখ্যা ডবল সেঞ্চুরি করবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন প্রত্যেকে। যার শুরুটা করেছিলেন বিজেপির সেকেন্ড ইন কমান্ড, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বাংলায় করা প্রত্যেকটি শাহী সফরেই ‘২০০ আসন নিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় আসছে বিজেপি’ শোনা গিয়েছে তাঁর মুখে। অন্যদিকে এর শেষ করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃতীয়বার ক্ষমতায় জিতে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন, দলের আসনসংখ্যা বাড়িয়েছেন শুধু নয়, আমিত শাহের দলের আসন সংখ্যাকে তিন অঙ্কেও পৌঁছতে দেননি।

আরও পড়ুন উত্তরে বিজেপির ধস নামছে, চিন্তা বাড়ছে দিলীপ-শুভেন্দুর

লক্ষ্যমাত্রার থেকে মাত্র ১২৩ টি আসন কম পেয়ে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হলেও বঙ্গে ভালো উত্থান হয়েছে গেরুয়া শিবিরেরও। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় ৭৪ জন বিধায়ক, প্রায় ২৮% ভোট বেড়েছে তাদেরও। তারপরেই যেন ছন্দপতন বঙ্গ বিজেপিতে। ৭৭.. ৭৬.. ৭৫.. ৭৪.. ৭৩.. ৭২..গত কয়েকদিনে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা এভাবেই বদলেছে। বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষের দল ছাড়ার চব্বিশ ঘন্টার মধ্যেই গেরুয়া শিবির ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন বাদগার বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস। পরপর দু’দিনে দুই বিধায়ক শাসক শিবিরে চলে যাওয়ায় তা দলের কাছে একটা ধাক্কা বলেই মনে করছে বঙ্গ বিজেপির একাংশ। দু’জনেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে গিয়েছিলেন।

ভোটের আগে নিয়মিত বঙ্গসফরে এসেছিলেন নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ।

ধাক্কাই শুধু নয়, ভোটের আগে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে আসা প্রত্যেক দলবদলুদের দলবদলের একটিই কারণ ছিল, ‘পার্টিতে দমবন্ধ লাগছে কিংবা কাজের পরিবেশ নেই।’ বিজেপি থেকে ফের তৃণমূলে ফিরেই একই কারণ দেখিয়েছেন প্রত্যেকেই। বাগদার বিধায়ক বিশ্বজিত জানিয়েছেন, ‘‘ভুল বোঝাবুঝির কারণেই তৃণমূল ছেড়েছিলাম। কিন্তু ভারতীয় জনতা পার্টিতে কাজের পরিবেশ নেই, দমবন্ধ হয়ে আসছিল। বিজেপি নেতৃত্ব বাংলার আবেগ ধরতে পারেনি।’’ বিশ্বজিতের মতোই বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই একই কারণ দেখিয়ে শিবির বদলেছেন একাধিক নেতা-কর্মী। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী দিনে সংখ্যাটা আরও বাড়বে। গোটা ঘটনায় অস্বস্তিতে পরা বিজেপি নেতৃত্ব যতই ‘ক্ষমতার লোভ’ এর প্রসঙ্গকে সামনে আনুক, বিধানসভা নির্বাচনে দেশের সবচেয়ে ‘আধুনিক’ রাজনৈতিক দলের গেমপ্ল্যান নিয়েই প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।

আরও পড়ুন মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে রাক্ষসী বলে কটাক্ষ বিজেপি বিধায়কের

বিধায়কদের দলত্যাগের পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে গেরুয়া শিবিরের অন্দরে। শাসক শিবির ভাঙিয়ে এনে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করে কী লাভ হল? আদি বিজেপি কর্মীদের এই প্রশ্নের মুখেই এখন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, দল ছেড়ে যারা চলে যাচ্ছেন তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই দুই দলত্যাগীকে শুভেন্দু অধিকারী আইনি নোটিস পাঠিয়েও দিয়েছেন। কিন্তু তাতে আদৌ কোনো লাভ হবে ? দেওয়াল লিখন কিন্তু বলছে অন্য কথা, ‘বঙ্গে ক্রমশ ব্যাকফুটে বিজেপি।’

Buy 1 get 1 free: করোনা ভ্যাকসিনের দু‘টো ডোজেই মিলবে বিনামূল্যে বিমানযাত্রা

srilankan airlines

নিউজ ডেস্ক: করোনার কোপ থেকে মুক্তি পেতে ভারতে দ্রুতগতিতে টিকাদান অভিযান চালান হচ্ছে৷ সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত সারা দেশে ৬৪ কোটি ৪৮ লক্ষ ডোজ দেওয়া হয়েছে। ভারতে টিকা দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবেশি দেশ শ্রীলঙ্কা ভারতীয়দের জন্য প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে৷

তবে শুধুমাত্র যারা ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজ পেয়েছেন৷ দেশের দরজা খুলে দেওয়ার পাশাপাশি শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্স (srilankan airlines) ভারতীয় যাত্রীদের জন্য একটি বিশেষ অফার নিয়ে এসেছে। শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্স ভারতীয় পর্যটকদের জন্য ‘Buy 1 get 1 free’ অফার নিয়ে এসেছে৷ যার ফলে কলম্বো থেকে ভারতে ফিরে আসার জন্য একটি টিকিটের সঙ্গে একটি টিকিট ফ্রি থাকবে। এই অফার সম্পর্কে জেনে নিন৷

যে সমস্ত ভারতীয় নাগরিকদের ভ্যাকসিনের দুই ডোজ নেওয়া হয়েছেষ তাদের আর শ্রীলঙ্কায় কোয়ারেন্টাইনে থাকার দরকার নেই। কিন্তু এর জন্য কিছু শর্তও রাখা হয়েছে। এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় যাওয়া পর্যটকদের অন্তত ১৪ দিন আগে ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া বাধ্যতামূলক৷ এর পরে শ্রীলঙ্কা যাওয়ার সময় তাকে বাধ্যতামূলকভাবে আরটিপিসিআর পরীক্ষা করা হবে৷ নেগেটিভ রিপোর্ট পেলেই দেশে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে৷ যদি কোনও পর্যটকের পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে, তাহলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে। এছাড়াও করোনা নেগেটিভ পর্যটককরা তার ইচ্ছানুযায়ী দেশের যেকোনও স্থানে ঘুরতে পারবে।

শ্রীলঙ্কায় যাওয়া ভারতীয় নাগরিকদের সেখানে সামাজিক দূরত্ব এবং স্যানিটাইজেশনের বিশেষ যত্ন নিতে হবে। শ্রীলঙ্কা এয়ারলাইন্সের ইন্টারন্যাশনাল সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশনের প্রধান দিমুথু তেনাকুন বলেছেন, কোভাসিনসহ ভারতে পরিচালিত সমস্ত ভ্যাকসিনকে শ্রীলঙ্কা স্বীকৃতি দিচ্ছে। তিনি বলেন, এখনও পর্যন্ত ভারতে ১২ কোটিরও বেশি মানুষ ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজ নিয়েছে৷ এই পরিস্থিতিতে তারা ভ্রমণের পরিকল্পনা করছে। শ্রীলঙ্কা এয়ারলাইন্স ১ সেপ্টেম্বর থেকে ভারতের মধ্যে পরিষেবা পুনরায় শুরু করছে। কলম্বো থেকে মাদুরাই, তিরুচিরাপল্লি, ত্রিভেন্দ্রাম এবং কোচি থেকে সাপ্তাহিক ফ্লাইট চলবে। কলম্বো থেকে দিল্লি এবং হায়দ্রাবাদে সপ্তাহে দু’বার ফ্লাইট চলবে। চেন্নাই এবং মুম্বইয়ের মধ্যে পরিষেবাগুলি সপ্তাহে ৫ দিন বাড়ান হবে এবং বেঙ্গালুরুর মধ্যে পরিষেবাগুলি সপ্তাহে তিন দিন বাড়ান হবে।

কলকাতা লিগে নেই ইস্ট-মোহন, ‘বাংলার ফুটবল’ বাঁচাতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ আইএফএ কর্তারা

স্পোর্টস ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের (Shree Cement) সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের (East Bengal) চুক্তি নিয়ে সমস্যা মিটে গিয়েছে। গতবারও তাঁর উদ্যোগেই ইন্ডিয়ান সুপার লিগে অংশ নিয়েছিল লাল-হলুদ বাহিনী। এবার বাংলার ফুটবলকে বাঁচাতে আইএফএ-র কর্তারাও দ্বারস্থ হচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

আরও পড়ুন শুভ ঘোষ-আদিল খানকে দলে নিয়ে চমক দিল এসসি ইস্টবেঙ্গল

দুই প্রধানকে এবার কলকাতা লিগে খেলতে দেখা যাবে না। সেই ঘটনা জানাতেই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গেলেন ইন্ডিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কর্তারা। রবিবার ছিল এটিকে মোহনবাগানের খেলা। প্রতিপক্ষ রঞ্জন ভট্টাচার্যের জর্জ টেলিগ্রাফ। কল্যাণী স্টেডিয়ামে জর্জের ফুটবলার-সহ কোচ, কর্তারা উপস্থিত থাকলেও দল নামায়নি এটিকে-মোহনবাগান। আজ, মঙ্গলবার কল্যাণীতে ভবানীপুরের বিরুদ্ধে ম্যাচ ছিল এসসি ইস্টবেঙ্গলের। যথারীতি তারাও টিম নামায়নি। জর্জের কোচ রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “ঘরোয়া লিগে ছোট দলের ফুটবলাররা প্রস্তুতি নেয় বড় ম্যাচে খেলবে বলে। মোহনবাগান, এসসি ইস্টবেঙ্গল, মহামেডানের মতো দলগুলোর বিপক্ষে খেললে খেলোয়াড়দের মনোবল বাড়ে। সেটাই এবার সম্ভব হল না।”

কলকাতা লিগে এবার দেখা যাবে না এই চিরপরিচিত দৃশ্য।

মোহনবাগান পৌঁছে গিয়েছে এএফসি কাপের মূলপর্বে। তার উপর জাতীয় দলের হয়ে নেপালে খেলতে চলে গিয়েছেন পাঁচজন ফুটবলার। সেপ্টেম্বরে মূলপর্বের খেলা হওয়ায় দেশেও ফিরে গিয়েছেন দলের অনেক ফুটবলার। ফলে কলকাতা লিগে দল নামাবে না বলে অনেক আগেই আইএফএকে জানিয়েছিল ক্লাব। সৃঞ্জয় বোস জানিয়েছেন, “আগেই বলেছিলাম, আবার শনিবার মেল করে আমরা জানিয়েছিলাম, আমাদের পক্ষে ঘরোয়া লিগে খেলা এবার সম্ভব নয়। এটাতো দেশের সম্মানের প্রশ্ন। তাই আমরা আইএফএ-র সহযোগিতা চেয়েছি। তাছাড়া এবার কোভিড পরিস্থিতির দরুন সেভাবে প্র্যাকটিসও হয়নি।”

বল দখলের লড়াইয়ে কাতসুমি-সৌমিক।

অন্যদিকে সবে চুক্তি সমস্যা মেটার পর দলগঠনে নেমেছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ফলে প্র্যাকটিস ছাড়া দল নামাতে রাজি নন তারাও। লাল-হলুদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০ সেপ্টেম্বরের আগে তাঁদের পক্ষে কলকাতা লিগে দল নামানো অসম্ভব। তারপর খেলতে তাঁদের আপত্তি নেই। যদিও কলকাতা লিগ চলাকালীনই হয়তো আইএসএলেরও খেলা পড়ে যাবে, ফলে আইএফএ কর্তারা ইস্টবেঙ্গলের মাঠে না নামার বিষয়ে একপ্রকার নিশ্চিত। ফলে বাংলার ফুটবলের এই তথৈবচ অবস্থার কথা জানিয়ে বিহিত চাইতেই নবান্ন যাচ্ছেন আইএফএ কর্তারা।

১২ বছর সতীত্ব বজায় রাখতে গিয়ে সহবাস করতে ভুলেছেন ‘হিপ্পি গার্ল’

juliette herrera

#Australia
নিউজ ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার সিডনি থেকে জুলিয়েট হেরেরা (Juliette Herrera) নামে ৩৫ বছর বয়সী এক মহিলা ভারত সফরের পর জীবনে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ করছেন৷ জুলিয়েট বলেন, এখন থেকে ১২ বছর আগে তিনি ভারতে গিয়েছিলেন। তারপরে তিনি সিডনিতে ফিরে আসেন৷ কিন্তু ততদিনে নিজে ব্যক্তিত্বের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। জুলিয়েট হেরেরা দাবি করেছেন, ভারত থেকে আসার পর তিনি ১২ বছর ধরে শারীরিক সম্পর্ক ত্যাগ করেছিলেন৷ কিন্তু এখন যখন তিনি আবার সম্পর্ক করতে চান, তখন তার সামনে নতুন সমস্যা দেখা দিয়েছে।

Juliette Herrera

৩৫ বছর বয়সী জুলিয়েট হেরেরা ভারতে আধ্যাত্বিক জীবনযাপন করার সময় যৌনতা ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন। তার আগে জুলিয়েট ছিলেন ‘হিপ্পি গার্ল’। তিনি সেক্স, ড্রাগ, অ্যালকোহল এবং সব ধরনের নেশায় আসক্ত ছিলেন৷ কিন্তু যখন তিনি ভারত ভ্রমণ থেকে ফিরে আসার পর তার জীবনে একটি বড় পরিবর্তন ঘটে৷ জুলিয়েট বলেন, এটা ছিল প্রার্থনা এবং ইশ্বরের সঙ্গে একটি সুন্দর সুন্দর অভিজ্ঞতা। বিশ্বাসের সঙ্গে একটি যাত্রা শুরু হয়৷ মাদক, সেক্স, অ্যালকোহল সব জীবন থেকে বিদায় নেয়৷ পাশাপাশি জীবনের চরিত্র পুরো বদলে গিয়েছে৷

Juliette Herrera

<

p style=”text-align: justify;”>কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জুলিয়েট বুঝতে পারলেন, সহবাস থেকে দূরে থাকা কঠিন। ডেইলি স্টারের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে জুলিয়েট পডকাস্ট কিন্ডাকে বলেছিলেন, তিনি ডেটিং করেছিলেন৷ তিনি এখন একটি প্রেমিক খুঁজে পেয়েছেন৷ যার কাছে তিনি ১২ বছর ‘সতীত্ব’ থাকার পর সম্পর্ক করতে প্রস্তুত। কিন্তু জুলিয়েট এখন সহবাস করার আগে খুব অস্বস্তি বোধ করছেন। তিনি দাবি করেন,১২ বছরের দীর্ঘ ব্যবধানে তিনি যৌনতা সম্পর্কে সবকিছু ভুলে গিয়েছেন।

ভারতীয় রাষ্ট্রদূত-তালিবান আলোচনা শুরু, বড়সড় কূটনৈতিক ইঙ্গিত

India’s envoy in Qatar meets Taliban leader

#Afghanistan
নিউজ ডেস্ক: কাবুল (Kabul) থেকে মার্কিন সেনার বিমান সর্বশেষ উড়ানের পরেই আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রক তালিবান জঙ্গিরা বিশ্বজোড়া কূটনৈতিক বার্তা পাঠিয়েছে। তাদের বক্তব্য, সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক! এই বার্তার পরেই চরম কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু করল ভারত। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানাচ্ছে, কাতারের রাজধানী দোহা শহরে ভারতের রাষ্ট্রদূত দীপক মিত্তলের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা হয় তালিবান নেতা স্তানেকজাইয়ের।

কাতারে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত দীপক মিত্তল ভারতীয় দূতাবাসে তালিবান নেতা স্তানেকজাইকে আহ্বান জানান। সেখানে জঙ্গি সংগঠনটির অন্যতম নেতার সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেন।

বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর, স্তানেকজাইয়ের সঙ্গে আলোচনার মূল বিষয় ছিল, ভারতীয় নাগরিকদের দ্রুত দেশে ফেরানোর বিষয়। আলোচনা হয়েছে তাদের নিরাপত্তা নিয়ে। এছাড়াও বেশ কিছু আফগান নাগরিক যারা ইতিমধ্যে ভারতে যাওয়ার আবেদন করেছে, সেই বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

আশির দশকে দেরাদুনে ইন্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে প্রশিক্ষিত স্তানেকজাই পূর্বতন তালিবান সরকারের মন্ত্রী। আফগান সেনা হিসেবে ভারতে এসে দেরাদুন মিলিটারি একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নেয় স্তানেকজাই। দেশে ফিরে সোভিয়েত বিরোধী মুজাহিদিন গোষ্ঠীর হয়ে যুদ্ধে নামে। পরে স্তানেকজাই তালিবান সংগঠনের শীর্ষে ওঠে। আফগানিস্তানের প্রথম তালিবান সরকারের আমলে উপ প্রধানমন্ত্রীর পদ ছিল স্তানেকজাইয়ের।  ২০০১ সালে মার্কিন সেনা অভিযানে তালিবান সরকারের পতন হয়। তখন স্তানেকজাই আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে কাতারে আশ্রয় নেয় স্তানেকজাই৷

দেরাদুন মিলিটারি একাডেমির সেই শেরু অর্থাৎ শের মহম্মদ আব্বাস স্তানেকজাই সম্প্রতি ভারতের কাছে বার্তায় কূটনৈতিক সম্পর্কের কথা বলেছিল। ভারতে সেনা প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুবাদে এই দায়িত্ব দেয় তার সংগঠন।

কাতারে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত ও তালিবানের মধ্যে হয়েছে তাৎপর্যপূর্ণ কূটনৈতিক বৈঠক। কারণ, মঙ্গলবার সর্বশেষ মার্কিন সেনা কাবুল থেকে চলে গিয়েছে। আফগানিস্তানকে মুক্ত ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে ঘোষণা করেছে তালিবান। তারা বিশ্বজোড়া কূটনৈতিক বার্তা দিয়ে সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্কের কথা বলেছে।

শুভ ঘোষ-আদিল খানকে দলে নিয়ে চমক দিল এসসি ইস্টবেঙ্গল

স্পোর্টস ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের (Shree Cement) সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের (East Bengal) চুক্তি নিয়ে সমস্যা মিটে গিয়েছে। আর তার পরেই দল গড়ার কাজে নেমে পড়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। এবার আদিল খান এবং শুভ ঘোষকে সই করিয়ে চমক দিল লাল-হলুদ।

চুক্তিজট কাটার পর ইস্টবেঙ্গলের নজর আপাতত নতুন মরশুমের দল গঠনে। চুক্তি অনুযায়ী চলতি সরশুমেও দল গড়ার দায়িত্ব ইনভেস্টরদের। তবে ক্লাব কর্তারা ফুটবলার বাছাইয়ের কাজে প্রয়োজনে সবরকম সাহায্য করবেন বিনিয়োগকারী সংস্থাকে। দেবব্রত সরকার (নীতু) জানিয়েছেন, ‘আমাদের তরফেও ফুটবলারদের একটি তালিকা তৈরি করা রয়েছে। দল গড়ার দায়িত্ব বিনিয়োগকারীদের হলেও ওরা যদি আমাদের থেকে কোনওরকম সাহায্য চায়, আমরা প্রস্তুত আছি।’ প্রায় শেষ মূহুর্তে দল গড়তে হলেও বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় রয়েছেন লাল-হলুদ অফিশিয়ালদের তালিকায়। যাদের নিয়েই দ্বিতীয় আইএসএলে বাজিমাত করতে চাইছে এসসি ইস্টবেঙ্গল।

শুভ ঘোষ।
আদিল খান।

কিবু ভিকুনার কোচিংয়ে গত বছর মোহনবাগানের হয়ে আই লিগ জিতেছিলেন শুভ ঘোষ। পরের মরসুমে এটিকে মোহনবাগানে যোগ দিলেও হাবাসের দলে জায়গা হচ্ছিল না এই বঙ্গতনয়ের। পরে কেরলে চলে আসেন এই বাঙালি স্ট্রাইকার। সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভর এসসি ইস্টবেঙ্গলে যোগ দেওয়ার খবর জানিয়েছে কেরল ব্লাস্টার্স। যদিও এখনও এসসি ইস্টবেঙ্গলের তরফ থেকে সরকারী ভাবে কিছু ঘোষণা করা হয়নি। ইস্টবেঙ্গল সই করিয়েছে আদিল খানকেও। ফুটবল বিশেষজ্ঞদের আশা, আদিল খান আসায় ডিপ ডিফেন্সের সমস্যা অনেকটাই মিটবে।

আরও পড়ুন দেখে নিন আইএসএল জিততে মরিয়া ইস্টবেঙ্গলের নজরে রয়েছেন কোন ফুটবলাররা

রবি ফাউলার দু’জন কিংবা তিনজন ফ্রি প্লেয়ারকে (বিদেশি) নিয়ে আসবেন। তবে শ্রী সিমেন্ট কর্তৃপক্ষ ব্রাইট এনোবাখারেকে কভেন্ট্রি সিটি থেকে লিয়েনে নিতে চাইছে। এফসি গোয়ার হয়ে গত মরশুমে খুব বেশি ম্যাচ খেলেননি ঈশান পাণ্ডিতিয়া, যদিও বেশিরভাগ ম্যাচেই শেষ মুহুর্তে নেমে গোল পেয়েছিলেন। তাকেও চাইছে ইস্টবেঙ্গল।

মাদক পাচার মামলায় জামিন পরীমণির, হাঁফ ছাড়ল টলিউড

angladeshi actress Pori Moni

নিউজ ডেস্ক: মাদক পাচার মামলায় বাংলাদেশের জনপ্রিয় নায়িকা পরীমণি (সামসুন্নাহার স্মৃতি) জামিন পেলেন। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ জামিন মঞ্জুর করেন।

গত ৪ আগস্ট বাংলাদেশের সমকালীন সর্বাধিক জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমণিকে মাদক পাচার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। ঢাকার অভিজাত বনানী এলাকায় পরীমণির ফ্ল্যাটে নাটকীয় অভিযান চালায় র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

পরীমণির ফ্ল্যাটের থেকে ইয়াবা সহ বিভিন্ন মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়। এই মামলায় আদালতের নির্দেশে পরীমণিকে জেলে পাঠানো হয়। তবে পরীমণি মাদক মামলায় জড়ানোর আগে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির

প্রেসিডিয়াম সদস্য নাসিরউদ্দিন মাহমুদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও খুনের চেষ্টার অভিযোগ করেন। তাঁর সেই সাংবাদিক সম্মেলন ঘিরে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্র মহলে শোরগোল পড়ে যায়। পরীমণির অভিযোগ ছিল, তাঁকে ঢাকা বোট ক্লাবে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে নাসিরউদ্দিনের উপস্থিতিতে। অভিযোগের পরেই পুলিশ অভিযুক্ত রাজনীতিক নাসিরউদ্দিনকে গ্রেফতার করে। পরে তিনি জামিন পান। জেল থেকে বেরিয়ে পরীমণিকে হুঁশিয়ারি দেন মানহানির মামলার।

পরীমণিকে ঘিরে তৈরি হয় পরপর নাটক। আচমকা তিনি মাদক পাচার মামলায় জড়িয়ে পড়েন। তাঁর ফ্ল্যাটে বিপুল পরিমাণ মাদক, বিদেশি মুদ্রা উদ্ধার হয়। তদন্তে উঠে আসে পরীমণি বিকৃত যৌন ব্যবসা করাতেন। এই কাজে ঢালিউডের বেশকয়েকজন উঠতি মডেল ও নায়িকা যুক্ত। তাদেরও চিহ্নিত করা হয়।

এদিকে পরীমণির জেলে যাওয়া, মাদক মামলায় জড়ানোর ধাক্কা এসে লাগে টলিউডে। কারণ, বাংলাদেশের এই অভিনেত্রী পশ্চিমবঙ্গে প্রবল জনপ্রিয়। তদন্তে ঢাকা মহানগর পুলিশের ইঙ্গিত, কলকাতার চলচ্চিত্র মহলেও পরীমণির মাদক ব্যবসা ছড়িয়েছে। তবে টলিউডের কারা জড়িত সে বিষয়ে নীরব বাংলাদেশ সরকার।

পরীমণির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মাদক পাচার, যৌন ব্যবসা চালানো, ব্ল্যাকমেলিং বিজনেস করার মতো অভিযোগ রয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে বাংলাদেশের বহু প্রভাবশালী এতে জড়িত।

তালিবান জঙ্গিদের বার্তা: ভারত-আমেরিকাসহ সবার সঙ্গে কূটনৈতিক সুসম্পর্ক চাই

Taliban army in kabul airport

নিউজ ডেস্ক: বিবৃতির চমক। প্রথমে আফগানিস্তানকে (Afghanistan) সার্বভৌম দাবি করা। কিছু পরে সব দেশের সঙ্গে কূটনীতি সুসম্পর্কের বার্তা। মার্কিন সেনার কাবুল ত্যাগের পর তালিবান যে বার্তা দিচ্ছে তাতে আন্তর্জাতিক মহল চমকে যাচ্ছে।

তবে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে প্রবল উদ্বেগে ভারত সরকার। গোয়েন্দা সতর্কতা যে কোনও সময়ে জম্মু-কাশ্মীরে তালিবান ঘনিষ্ঠ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা নাশকতা ঘটাবে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই নাশকতার পরিক্লপনা করছে জঙ্গি নেতা পাকিস্তানে থাকা মাসুদ আজাহার।

এদিকে দীর্ঘ ২০ বছর পর মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট সকালেই মার্তিন যুক্তরাষ্ট্রের শেষ বিমানটিতে সেনাকর্মীরা আফগানিস্তান ছেড়ে যান। এরপরেই আফগানিস্তানের ‘পূর্ণ স্বাধীনতা’ ঘোষণা করেছে তালিবান। মার্কিন বাহিনি প্রত্যাহারের মুহূর্তকে ঐতিহাসিক আখ্যায়িত করে আফগানবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছে জঙ্গি সংগঠনটি। বিমানবন্দরের রানওয়ে থেকে তালিবান মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদ বলে, আফগানিস্তানকে অভিনন্দন। এই বিজয় আমাদের সবার। আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পুরো বিশ্বের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে চাই। সবার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী।

মার্কিন বাহিনির শেষ বিমানটি কাবুল ত্যাগ করার পর কাবুল বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তালিবান। বিমানবন্দরে ঢুকেই ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে উদযাপন শুরু করে তারা।

মার্কিন বাহিনীর জেনারেল কেনেথ ম্যাকেঞ্জি জানিয়েছেন, ছয় হাজার মার্কিন নাগরিক সহ ৭৯ হাজার মানুষকে কাবুল থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ১৫ আগস্ট তালিবান কাবুল দখল করার পর অল্প সময়ের মধ্যে সব মিলিয়ে কাবুল থেকে এক লাখ ২৩ হাজার সাধারণ আফগানি ও বিদেশি বিভিন্ন দেশে পালিয়েছেন।

গত এপ্রিলেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আফগানিস্তান থেকে ৩১ আগস্টের মধ্যে সেনা পুরোপুরি প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই ঘোষণা অনুযায়ী মঙ্গলবার সেনা প্রত্যাহার শেষ করল ওয়াশিংটন।

ভ্যাকসিন কাজ করবে না করোনার নতুন স্ট্রেনে, ফাঁস বিস্ফোরক তথ্য

নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাসের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের দাপটে নাজেহাল গোটা বিশ্ব। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে করোনার ‘সুপার ভ্যারিয়্যান্ট’ কোভিড-২২! ২০২২ সালে করোনার এই নতুন ভ্যারিয়্যান্ট তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন এক বিশেষজ্ঞ। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ আফ্রিকা ও বিশ্বের অনেক দেশে করোনা ভাইরাসের নতুন স্ট্রেন শনাক্ত করা গিয়েছে। এটি আরও বেশি সংক্রমণযোগ্য এবং ভ্যাকসিন থেকে পাওয়া সুরক্ষাও এড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। করোনাভাইরাসের আরো নতুন স্ট্রেন ভবিষ্যতে আসতে পারে, সেই বিষয়ে আগেই সতর্ক করেছিলেন বিজ্ঞানীরা। তার উপর করোনার নতুন এই স্ট্রেনের বিষয়টি সামনে আসায় চাঞ্চল্য বেড়েছে।

আরও পড়ুন করোনায় বিশ্বে শিশুমৃত্যুর এক তৃতীয়াংশ ভারতেরঃ বিশ্ব ব্যাংক

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর কমিউনিকেবল ডিজিজেসের (এনআইসিডি) বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই বছরের মে মাসে দেশে প্রথম সি.১.২ ভ্যারিয়েন্টের খোঁজ মেলে। এই ধরনের কোনো স্ট্রেনের ক্ষেত্রে টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলোকে আগে থেকে নতুন ভ্যাকসিন তৈরির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। যা এই ভ্যারিয়্যান্টটিকে সমূলে উচ্ছেদ করবে। নয়তো এই নতুন ভ্যারিয়্যান্ট বিপদের বড় কারণ হয়ে দাঁড়াবে। এই ভ্যারিয়েন্টের অন্যান্য স্ট্রেনের থেকে আরও বেশি মিউটেশন হয়েছে।

আরও পড়ুন ভারতে ছাড়পত্র পেল ডিএনএ-ভিত্তিক ভ্যাক্সিন জাইকোভ-ডি

এক বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, “এটি আরও সংক্রমণযোগ্য হয়ে উঠতে পারে। যেহেতু স্পাইক প্রোটিনে অনেকগুলি মিউটেশন রয়েছে, তাই এটি ভ্যাকসিনের ফলে তৈরি হওয়া প্রতিরোধ ক্ষমতা থেকে রক্ষা পেতে পারে।” প্রসঙ্গত, দেশে দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু কমলেও বেড়েছে সক্রিয় কেসের সংখ্যা। ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজার ৯৪১ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩৫০ জনের। আর করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন মোট ৩৬ হাজার ২৭৫ জন। তবে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা বাড়ছেই। তা নিয়ে নতুন করে চিন্তিত স্বাস্থ্যমহল।

ব্লগার খুন: কলকাতায় ভয় ছড়ানো এবিটি জঙ্গি নেতার মৃত্যুদণ্ড সাজা বাংলাদেশে

Xulhaz Mannan

নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় ভয় ধরানো এবিটি জঙ্গির প্রধান বাংলাদেশ (Bangladesh) সেনার বরখাস্ত মেজর জিয়ার নির্দেশে হয়েছিল ঢাকায় (Dhaka) সমকামী ম্যাগাজিন রূপবান পত্রিকার সম্পাদক জুলহাজ মান্নান ও তার সহযোগী তনয়ের খুন। সেই মামলায় জড়িত জঙ্গিদের ফাঁসির সাজা শোনাল বাংলাদেশের সন্ত্রাস বিরোধী আদালত।

বাংলাদেশের প্রথম সমকামী পত্রিকা ‘রূপবান’ এর প্রতিষ্ঠাতা জুলহাজ মান্নান (Xulhaz Mannan) ও তাঁর বন্ধু মাহবুব তনয়কে কুপিয়ে খুনের মামলায় জঙ্গিদের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। তবে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত মূল জঙ্গি নেতা মেজর জিয়া পলাতক।

মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নেতা মেজর জিয়া এখন আত্মগোপনে। তার তৈরি সংগঠন আনসার আল ইসলাম পশ্চিমবঙ্গে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম বা এবিটি জঙ্গি নামে সক্রিয়। বেশকয়েকজন সদস্য কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় ধরা পড়েছে আগেই।

ABT Militant

আনসারুল্লাহ বাংলা টিম থেকে আনসার আল ইসলাম নাম পাল্টে বাংলাদেশে তালিবানি কায়দায় মাথা কাটার পথ নিয়েছে এই জঙ্গি সংগঠন। যুক্তিবাদী ও ব্লগারদের উপর হামলা বেশ কয়েকবার চালিয়েছে তারা। জঙ্গি নেতা মেজর জিয়ার নির্দেশে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম কুপিয়ে খুন করেছিল বাংলাদেশের দুই পরিচিত ব্লগার জুলহাজ মান্নান ও তার বন্ধু তনয়কে। আলোচিত এই মামলার নাম জুলহাজ-তনয় হত্যাকাণ্ড।

২০১৬ সালের ২৫ এপ্রিল ঢাকার কলাবাগানের লেকসার্কাস রোডের একটি বাড়িতে জুলহাজ মান্নান ও তাঁর বন্ধু মাহবুব তনয়কে কুপিয়ে হত্যা করে জঙ্গিরা। ওই ঘটনায় জুলহাজের বড় ভাই মিনহাজ মান্নান ইমন হত্যা মামলা করেন।

মামলায় দোষী প্রমানিত হয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন আনসার আল ইসলামের কমান্ডার তথা সেনাবাহিনির বরখাস্ত মেজর (বরখাস্ত) সৈয়দ মহম্মদ জিয়াউল জিয়া, আকরাম হোসেন, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন, আরাফাত রহমান, শেখ আব্দুল্লাহ ও আসাদুল্লাহ। রায়ে খালাস পাওয়া দুজন হল সাব্বিরুল হক চৌধুরী ও মওলানা জুনায়েদ আহম্মেদ।

বিশ্ব নজর রেখেছে আফগানিস্তানের উপর। সেদেশে তালিবান সরকার গঠন হচ্ছে। এই পরিস্থিতির মাঝে বাংলাদেশে ঘোষিত হলো উগ্র ধর্মীয় মতাদর্শে বিশ্বাসী আনসার আল ইসলামের ৬ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড। রায় ঘোষণা করল বাংলাদেশের সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইবুন্যাল।

জুলহাজ মান্নান বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডাব্লিউ মজিনার প্রোটোকল কর্মকর্তা ছিলেন। নিহত তনয় নাট্য সংগঠন লোক নাট্যদলের শিশুসংগঠন পিপলস থিয়েটারে জড়িত ছিলেন। এছাড়াও বাংলাদেশের সমকামীদের নিয়ে নিয়মিত ব্লগ ও লেখা প্রকাশ করতেন দুজনেই। তাঁদের পত্রিকার নাম রূপবান।
বিবিসি জানাচ্ছে, সমকামীদের প্রথম পত্রিকা রূপবানের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রকাশক জুলহাজ মান্নান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বাংলাদেশি সমকামী সমাজে ভীতি ছড়িয়ে পড়ে।

আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের তিন বছর পর ২০১৯ সালের ১২ মে সেনাবাহিনি থেকে বহিষ্কৃত মেজর জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের শীর্ষ নেতা জিয়াসহ আটজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক মুহম্মদ মনিরুল। ২০২০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বিচারের জন্য মামলাটি ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। মঙ্গলবার কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলায় কারাগারে থাকা চার আসামিকে আদালতে নিয়ে আসা হয়। বিচারক মৃত্যুদণ্ড দেন।

লক্ষ্য দেশীয় অস্ত্রের আধুনিকীকরণ, ১৫০০০ কোটি টাকার চুক্তির পথে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক

নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ভারতীয় বিমান বাহিনীকে 83 LCA-Mk1A সরবরাহ করার জন্য হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্সের সঙ্গে ৪৮ হাজার কোটি টাকার চুক্তি করেছিল। শুধু তাই নয়, দেশীয় তেজাস লাইট কমব্যাট এয়ারক্রাফট (এলসিএ) এমকে-১ এর শক্তি বাড়ানোর জন্য ৯৯ টি এফ-৪০৪ এয়ারক্রাফট ইঞ্জিন এবং সাপোর্ট সার্ভিসও দেবে হ্যাল। উত্তরপ্রদেশেও তৈরি হতে চলেছে ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানা। সে রাজ্যে কারখানা নির্মাণের ছাড়পত্র দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

আরও পড়ুন যোগী-রাজ্যের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রে ভয়ে কাঁপবে পাকিস্তান-চিন

এবার ভারতীয় সেনাবাহিনীও আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ALH ধ্রুব হেলিকপ্টার সহ দেশীয় অস্ত্রর জন্য প্রায় ১৫০০০ কোটি টাকার অর্ডার দিতে যাচ্ছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ পরিষদ সেনাবাহিনীর এয়ার উইংয়ের কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য আকাশ মিসাইলের দুটি রেজিমেন্ট এবং এয়ারফোর্সের জন্য ২৫ টি ALH হেলিকপ্টার অর্ডার করবে বলে জানা গিয়েছে। সেনাবাহিনী এভিয়েশন স্কোয়াড্রনের জন্য 25 টি ALH ধ্রুব মার্ক ৩ হেলিকপ্টারও কিনতে পারে। চুক্তিটি হলে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে জানা যাচ্ছে।

আকাশ-এস মিসাইল :

ভারতীয় সেনাবাহিনীর আকাশ-এস ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেমের একটি আধুনিক প্রযুক্তি আসতে চলেছে। এই নতুন প্রযুক্তি আকাশ-এস মিসাইলের ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তুলবে। এছাড়াও এই নতুন প্রযুক্তি আসার ফলে শত্রু বিমান এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রকে ২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে নামাতে সাহায্য করবে।

আরও পড়ুন HAL-এর সঙ্গে ৭১৬ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি করল GE Aviation

এছাড়াও ক্ষেপণাস্ত্রগুলি লাদাখের অত্যন্ত ঠাণ্ডা আবহাওয়াতে কাজ করতে করতে সক্ষম। চিন ও পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এবং অন্যান্য অঞ্চলে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সমস্ত প্রয়োজনীয়তা পূরণ করবে এই আধুনিক প্রযুক্তির ক্ষেপনাস্ত্র। প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থার তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই সেনাবাহিনীর কাছে রয়েছে। এর আধুনিক সংস্করণগুলি আগামী দিনে পরিষেবাতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। DRDO সম্প্রতি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার বৈকল্পিক পরীক্ষা করেছে।

সুবর্ণ সুযোগ: মাত্র ৭৯৯৯ টাকা দিয়ে Toyota Urban Cruiser এসইউভি কিনুন

Toyota Urban Cruiser

নিউজ ডেস্ক: Toyota তার Urban Cruiser এসইউভিতে দারুণ অফার নিয়ে এসেছে। যদি আপনিও এই SUV কিনতে চান, তাহলে মাত্র ৭৯৯৯ টাকার EMI দিয়ে কিনে নিতে পারেন৷ জেনে নিন এই এসইউভি সম্পর্কে …

Toyota Urban Cruiser এসইউভির দাম- Toyota Urban Cruiser এসইউভির প্রারম্ভিক মূল্য ৮.৪০ লক্ষ টাকা (এক্স-শোরুম) এবং স্বয়ংক্রিয় ট্রান্সমিশনের দাম ৯.৮০ লক্ষ টাকা। এটি একটি সাব -4 মিটার কমপ্যাক্ট এসইউভি যা Hyundai Venue, Mahindra XUV300 এবং Kia Sonet মতো গাড়ির সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতা করে।

Toyota Urban Cruiser

Toyota Urban Cruiser এসইউভির বৈশিষ্ট্য – এই গাড়িতে ডুয়াল টোন ইন্টেরিয়র দেওয়া হয়েছে। এটিতে ৭ ইঞ্চির টাচস্ক্রিন ইনফোটেইনমেন্ট সিস্টেম রয়েছে৷ যা অ্যাপল কারপ্লে এবং অ্যান্ড্রয়েড অটো সমর্থন করে। এছাড়াও গাড়িতে ইঞ্জিন স্টার্ট/স্টপ বাটন, ক্রুজ কন্ট্রোল, আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ, রেইন সেন্সিং ওয়াইপার এবং রিয়ার পার্কিং ক্যামেরার মতো ফিচার দেওয়া হয়েছে।

Toyota Urban Cruiser এসইউভি এক্সটারিয়র – এক্সটারিয়রের কথা বললে প্রথম যে জিনিসটি লক্ষ্য করা যায় তা হল, গাড়ির ক্রোম গ্রিল, যা টয়োটা ফরচুনার দ্বারা অনুপ্রাণিত। এতে টয়োটা দিয়েছে গতিশীল বোল্ড গ্রিল। তার বাইরে LED প্রজেক্টর হেডল্যাম্প, ডে -টাইম রানিং লাইট (DRL) এবং LED টেইল ল্যাম্প পাওয়া যাবে। গাড়িটি ১৬ ইঞ্চি ডায়মন্ড কাট অ্যালয় হুইল দেওয়া হয়েছে।

Toyota Urban Cruiser এসইউভির ইঞ্জিন – নতুন টয়োটা আরবান ক্রুজারটিতেও মারুতি সুজুকি ভিটারা ব্রেজার মত ১.৫ লিটার, ৪ টি সিলিন্ডার পেট্রল ইঞ্জিন রয়েছে। এই ইঞ্জিনটি ১০৩ Bhp শক্তি এবং ১৩৮ Nm টর্ক উৎপন্ন করে, যা ৫-স্পিড ম্যানুয়াল এবং ৪-স্পিড অটোমেটিক ট্রান্সমিশন (AT) এর সঙ্গে যুক্ত৷

তালিবান কারা? আফগানিস্তানের জঙ্গি শাসকদের কথা

নিউজ ডেস্ক: তালিবান আসলে কারা? কীভাবে এই গোষ্ঠীর উত্থান ঘটে আফগানিস্তানে? এক নজরে জেনে নিন।
পশতু ভাষায় তালিবান মানে ছাত্র।আফগানিস্তানে ১৯৮০-৯০ দশকে ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রণ।সোভিয়েত হটাতে আমেরিকার মদতে মুজাহিদিন বাহিনি যুদ্ধ শুরু করে। শুরু হয় বিখ্যাত আফগান গৃহযুদ্ধ।
১৯৯০ দশক। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন হয়। সেই সময় উত্তর পাকিস্তানে তালিবান সশস্ত্র সংগঠনের জন্ম।

সোভিয়েত বিরোধী কট্টর সুন্নী মতাদর্শের ইসলামই প্রচার করত তালিবান।
সোভিয়েত পতনের পর আফগানভূমি থেকে সরে যায় লাল ফৌজ।
পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান খুব দ্রুত প্রভাবশালী হয় তালিবান।

শুরু হয় তালিবানের কাবুল দখল অভিযান। সোভিয়েত মদতের আফগান সরকারের পতন হয়।
১৯৯৬ সালে তালিবান দখল করে কাবুল। প্রেসিডেন্ট মহম্মদ নাজিবুল্লাহকে খুন করে ঝুলিয়ে দেয়।
১৯৯৬-২০০১ তালিবান সরকার চলে আফগানিস্তানে।

প্রকাশ্যে মহিলাদের মাথা কাটা, গণহত্যার ও গণধর্ষণ শুরু করে তালিবান।
বিবিসি জানাচ্ছে,তালিবান দুর্নীতি দমনে সাফল্যে দেখিয়েছিল। ব্যবসা বাণিজ্যের সুযোগ করে দিয়েছিল। তবে তালিবানের নৃশংসতা সবকিছু ছাপিয়ে যায়।

২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে আল কায়েদা হামলা করে।
আল কায়েদা জঙ্গি সংগঠনটির নেতা লাদেনের সঙ্গে সখ্যতা তালিবানের।
আল কায়েদা ও তালিবান সম্পর্কের কারণে আমেরিকা সরাসরি আফগানিস্তানে সেনা পাঠায়।

মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট সেনার হামলায় ২০০১ সালের ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তালিবান সরকারের পতন ঘটে।
২০০১-২০২১ টানা কুড়ি বছর আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রক আমেরিকা।
২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে আমেরিকাএবং তালিবানের মধ্যে শান্তি চুক্তি হয় কাতারে।
চুক্তি অনুযায়ী আমেরিকান সেনা সরতে শুরু করে। গত ১৫ আগস্ট তালিবান দখল করে কাবুল।
৩১ আগস্ট সম্পূর্ণ চলে গেলে আমেরিকান সেনা। আফগানিস্তানে দ্বিতীয়বার তালিবান সরকার গড়ছে।