राजभवन के सामने रात भर धरना देंगे अभिषेक

राज्यपाल के कोलकाता लौटने तक तृणमूल नेतृत्व राजभवन के सामने धरना देगा. तृणमूल कांग्रेस के राष्ट्रीय महासचिव अभिषेक बनर्जी ने राजभवन के सामने यह घोषणा की. उनका रात्रि विश्राम भी धरनास्थल पर ही होगा. हालांकि, अभिषेक बनर्जी ने कहा कि जो लोग दूर-दूर से तृणमूल की बैठक में शामिल होने आए हैं, वे चाहें तो वापस जा सकते हैं. शुक्रवार सुबह 11 बजे से राजभवन के सामने फिर से तृणमूल का कार्यक्रम शुरू होगा.

राज्यपाल के कोलकाता लौटने तक तृणमूल नेतृत्व राजभवन के सामने धरना देगा. तृणमूल कांग्रेस के राष्ट्रीय महासचिव अभिषेक बनर्जी ने राजभवन के सामने यह घोषणा की. उनका रात्रि विश्राम भी धरनास्थल पर ही होगा. हालांकि, अभिषेक बनर्जी ने कहा कि जो लोग दूर-दूर से तृणमूल की बैठक में शामिल होने आए हैं, वे चाहें तो वापस जा सकते हैं. शुक्रवार सुबह 11 बजे से राजभवन के सामने फिर से तृणमूल का कार्यक्रम शुरू होगा.

दिल्ली से वापस आकर, तृणमूल ने केंद्रीय धन आवंटन के खिलाफ ‘राजभवन अभियान’ का आह्वान किया था. बुधवार को दोपहर दो बजे के बाद रवीन्द्र सदन से जुलूस शुरू हुआ. अभिषेक ने कहा कि मैंने कई राजनीतिक कार्यक्रम देखे हैं. आज की रैली के लिए हमें सिर्फ 24 घंटे मिले. इतने सारे लोग आये हैं. इस जुलूस ने सारे रिकॉर्ड तोड़ दिए. यह लोगों का स्वत:स्फूर्त जुड़ाव है.

Abhishek Banerjee: आमने-सामने ईडी और अभिषेक बनर्जी

Abhishek Banerjee

राजधानी दिल्ली में ममता बनर्जी की पार्टी तृणमूल कांग्रेस शक्ति प्रदर्शन करने जा रही है. मनरेगा और आवास योजना पर टीएमसी के नेता जंतर-मंतर पर केंद्र सरकार के खिलाफ धरना देंगे. दूसरी ओर आज मुख्यमंत्री ममता बनर्जी के सांसद भतीजे अभिषेक बनर्जी (Abhishek Banerjee) को प्रवर्तन निदेशालय (ईडी) ने पूछताछ के लिए बुलाया है.

हालांकि उन्होंने एजेंसी के सामने पेश होने से साफ इनकार कर दिया है, जिसके बाद भारी बवाल होना तय है.टीएमसी के राष्ट्रीय महासचिव अभिषेक बनर्जी को ईडी ने पश्चिम बंगाल में स्कूल में नौकरी के लिए करोड़ों रुपए के नकद लेन देने के केस में तीन अक्टूबर यानी आज पूछताछ के लिए बुलाया था, लेकिन अभिषेक बनर्जी ने स्पष्ट कर दिया है कि मैं दिल्ली में पार्टी के कार्यक्रम में व्यस्त होने की वजह से ईडी के कोलकाता कार्यालय में पेश नहीं होऊंगा.

अभिषेक बनर्जी ने एक्स (पहले ट्विटर) पर लिखा, ”दुनिया की कोई भी ताकत बंगाल के लोगों और उनके मौलिक अधिकारों के लिए लड़ने के मेरे समर्पण में बाधा नहीं बन सकती. मैं दो और तीन अक्टूबर को विरोध प्रदर्शन में शामिल होने के लिए दिल्ली जाऊंगा, अगर रोक सको तो मुझे रोक लो.

Job scam case: नौकरी घोटाला मामले में अभिषेक बनर्जी हुए तलब

Abhishek Banerjee

कोलकाता. प्रवर्तन निदेशालय (ED) ने कोलकाता में स्कूल नौकरी घोटाला मामले (Job scam) में पूछताछ के लिए तृणमूल कांग्रेस के नेता अभिषेक बनर्जी को तीन अक्टूबर को तलब किया है. बनर्जी ने बृहस्पतिवार को कहा कि संयोग से इसी दिन महात्मा गांधी राष्ट्रीय ग्रामीण रोजगार योजना (मनरेगा) के तहत राज्य का बकाया रोकने के केंद्र के फैसले के खिलाफ दिल्ली में पार्टी विरोध प्रर्दशन करने वाली है जिसका नेतृत्व उन्हें करना है.

टीएमसी नेता ने दावा किया कि इससे भाजपा का डर उजागर हो गया है. टीएमसी सांसद ने केंद्रीय एजेंसी द्वारा उन्हें भेजे गए पत्र को ‘एक्स’ (पूर्व में ट्विटर) पर साझा किया. अभिषेक बनर्जी ने कहा, ‘इस महीने की शुरुआत में, ईडी ने मुझे दिल्ली में विपक्षी दलों के गठबंधन ‘इंडिया’ की एक महत्वपूर्ण समन्वय बैठक के दिन तलब किया था. मैंने समन का पालन किया और उपस्थित हुआ था.’

Abhishek Banerjee: ত্রিপুরায় জেলায় দলের সংগঠন মজবুত করতে নির্দেশ অভিষেকের

Abhishek Banerjee

পুরভোটে বিজেপির কাছে পর্যদুস্ত হলেও ২০২৩ সালে ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই কোমর বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছে বাংলার শাসক দল। রবিবারই দু’দিনের সফরে ত্রিপুরায় পৌঁছন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।

এদিন আগরতলা (agartala) পৌঁছনোর পর খয়েরপুরে চতুর্দশ দেবতার মন্দিরে পুজো দেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (general secretary)। পুজো দিয়ে বেরিয়ে এসে কড়া ভাষায় বিজেপিকে আক্রমণ করেন তিনি। স্পষ্ট জানান, তৃণমূল (trinamul congress) লড়াইয়ের ময়দানে বিজেপিকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়বে না।

মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ব্যর্থ । তাঁর নেতৃত্বে ত্রিপুরায় হার্মাদরা পৈশাচিক আচরণ করছে। লাগাতার আমাদের কর্মীদের উপর হামলা চালানো হচ্ছে। ওরা ভাবছে ভয় দেখিয়ে আমাদের আটকে রাখবে। তবে ওরা ভুল ভাবছে। তৃণমূল হল বিশুদ্ধ লোহা, যত তাতাবে তত শক্তিশালী হবে। সিএম ২৫ বছরে এই রাজ্যকে যতখানি পিছিয়ে দিয়েছিল বিজেপির বিপ্লব দেব ৩ বছরে তার থেকে আরও অনেক বেশি পিছিয়ে দিয়েছে ত্রিপুরাকে। ত্রিপুরায় ‘দুয়ারে গুন্ডা’ মডেল চলছে। তবে আর বেশিদিন এটা চলবে না। খুব তাড়াতাড়ি এ রাজ্যেও ‘দুয়ারে সরকার’ হবে।

শুধু তাই নয়, উন্নয়নের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গের কথা তুলে ধরে অভিষেক এদিন সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চ্যালেঞ্জ জানান। অভিষেক বলেন, ত্রিপুরায় কোনও উন্নয়নই হয়নি। এ রাজ্যে কটা বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে? কটা মেডিকেল কলেজ হচ্ছে? এখানকার রাস্তাঘাটের হাল কী? উন্নয়নের মডেলে লড়াই হোক। আমরা বুঝে নেব। বিজেপি সরকার ত্রিপুরার কী উন্নয়ন করেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কি সেটা জানাবেন! ওরা যদি জানতে চায়, তৃণমূল সরকার বাংলার কী উন্নয়ন করেছে তবে আমরা এখনই সেটা জানিয়ে দেব।

এদিন বড়মুড়া ইকোলজিক্যাল পার্কে অভিষেকের একটি অনুষ্ঠান ছিল। এই অনুষ্ঠানের জন্য আগাম আবেদন করা থাকলেও শেষ মুহূর্তে অনুষ্ঠানের অনুমতি বাতিল করে দেয় প্রশাসন। এদিন দুপুরে তেলিয়ামুড়ায় এক তৃণমূল কর্মী আক্রান্ত হন। তেলিয়ামুড়ায় এক দলীয় কর্মীর বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারেন অভিষেক। তেলিয়ামুড়ায় এদিন দলের একটি অফিসও উদ্বোধন করেন তিনি। এদিন তিনি আগরতলার বড়দোয়ালিতে এক আক্রান্ত দলীয়কর্মীর বাড়িতে গিয়ে তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। দলীয় কর্মীদের তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে উৎসাহ দেন।

সন্ধ্যায় অভিষেক দলের শীর্ষ নের্তৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন। এই বৈঠকে তিনি বিধানসভা ভোটের আগে জেলায় জেলায় সংগঠনকে মজবুত করার জন্য সকলকে এখন থেকে কাজ শুরু করার নির্দেশ দেন।

Abhishek Banerjee: আজ ত্রিপুরায় অভিষেক, রয়েছে একাধিক কর্মসূচি

Abhishek Banerjee

ফের ত্রিপুরা সফরে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। ইতিমধ্যে ত্রিপুরা স্টেট রাইফেলসের নিয়োগ নিয়ে উত্তাল ত্রিপুরা। বিভিন্ন জেলায় দফায় দফায় পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভে চাপে পড়েছে বিজেপি সরকার। শিক্ষকদের বঞ্চনার পর এই নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ ইস্যুতে ক্ষুব্ধ যুবসমাজ।

অভিষেকের এবারের কর্মসূচির মধ্যে মূলত রয়েছে বিজেপির হাতে আক্রান্ত কর্মীদের বাড়ি যাওয়া ও নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে পরবর্তী পদক্ষেপ চূড়ান্ত করা। তাঁর সফর ঘিরে উন্মাদনাও তুঙ্গে। বেলা ১২ টা নাগাদ আগরতলায় নেমেই চতুর্দশ দেবতা মন্দিরের উদ্দেশে রওনা দেবেন। সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গেও কথা বলবেন। দুপুরে তেলিয়ামুড়া এলাকার কালি তিলিয়ায় দলীয় কর্মী অনির্বাণ সরকারের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন। এরপরই আগরতলায় সূর্যমণিনগরে বিজেপির (BJP) হাতে আক্রান্ত তপনকুমার বিশ্বাসের বাড়িতে যাবেন। বিকেলে বরদলইতে সংহিতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে চা খাবেন। তিনিও বিজেপির আক্রমণের শিকার।

সোমবার সকালে মিডিয়ার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতরাশ সারবেন অভিষেক। হোটেলেই দলের ত্রিপুরা স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য ও অন্য নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে তাঁর।

এদিকে, ত্রিপুরা স্টেট রাইফেলসে কর্মী নিয়োগে ব্যাপক বেনিয়মের অভিযোগে বিক্ষোভ অব্যাহত চাকরিপ্রার্থীদের। যদিও অভিষেকের ত্রিপুরা সফর নিয়ে কটাক্ষ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের। ওখানে অভিষেক কি করতে যাচ্ছেন? প্রশ্ন তাঁর। সে রাজ্যের মানুষ তো তৃণমূলকে রাস্তা দেখিয়ে দিয়েছে বলে জানান বিজেপি সাংসদ।

উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগেই ত্রিপুরাতে পুর নির্বাচন ছিল। আর সেই নির্বাচন ঘিরে ব্যাপক অশান্তি দেখে সে রাজ্যের মানুষ। দফায় দফায় তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ হয়। এমনকী ভোটের দিনেও ব্যাপক অশান্তির খবর সামনে আসে। আর এই অশান্তির মধ্যেও সে রাজ্যের পুরনির্বাচনে মোটের উপর ভালো ফল করে তৃণমূল। আর এরপরে আগামিদিনে কীভাবে ত্রিপুরার মাটিতে এগোবে দল এদিনের বৈঠকে চূড়ান্ত করে দিতে পারেন অভিষেক। এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের।

Explosive Abhishek Banerjee: গোয়া বিধানসভা দখলের ‘স্বপ্ন’ দেখছে না তৃণমূল কংগ্রেস

Abhishek Banerjee

নিউজ ডেস্ক: এ যেন অনেকটা ত্রিপুরার (Tripura) ঘটনারই প্রতিচ্ছবি। ত্রিপুরা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেস ঢাকঢোল পিটিয়ে দাবি করেছিল, তারাই ওই রাজ্যে সমস্ত পুরসভায় ক্ষমতায় আসতে চলেছে। কিন্তু নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশের পর দেখা গিয়েছে, একমাত্র আগরতলা পুরসভায় (Agartala Municipality) একটি ওয়ার্ডে জিতে কোনওরকমে মানরক্ষা হয়েছে বাংলার শাসক দলের।

ত্রিপুরার পর এবার গোয়ার (goa) দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) দল। কয়েকদিন আগেও মমতা এবং তাঁর ভাইপো তথা দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Avishek Banerjee) দাবি করেছিলেন, তৃণমূলই গোয়ায় সরকার গড়বে। কিন্তু শুক্রবার কলকাতা পুরভোটের প্রচারের শেষে কালীঘাটে অভিষেকের গলায় অন্যরকম সুর শোনা গেল।

পুরভোটের প্রচার শেষে অভিষেক এদিন বলেন, গোয়ার নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস হয় সরকার গড়বে, নয় তারা প্রধান বিরোধীদল হবে। মাঝামাঝি কিছু হবে না। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, গোয়ার হাওয়া কিছুটা হলেও টের পেয়েছেন অভিষেক। সেজন্যই তিনি আগে থাকতেই প্রধান বিরোধীদল হওয়ার দাবি করে রাখলেন।

যদিও অভিষেক এদিন ত্রিপুরার প্রসঙ্গ টেনে বলেছেন, তিন মাসের চেষ্টায় ত্রিপুরায় প্রধান বিরোধী দল হয়েছে তৃণমূল। শূন্য থেকে শুরু করে ২৪ শতাংশ ভোট পেয়েছে তাঁদের দল। ভারতের কোনও রাজনৈতিক দল তিন মাসে এই ফলাফল কল্পনাও করতে পারবে না। গোয়াতেও আমরা লড়াই করার চেষ্টা চালাচ্ছি। আসন্ন গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস হয় সরকার গঠন করবে, না হলে তারা প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।

অভিষেকের এদিনের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে কংগ্রেস। এদিন কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিজেপির ভাড়া করা বাহিনী হয়ে তৃণমূল চেষ্টা করছে কংগ্রেসকে শেষ করার। আসলে তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপিকে সহযোগিতা করতেই কাজ করছে। অভিষেকের কথাতেই আজ বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে গেল। আসলে তৃণমূল চায়, গোয়ায় বিজেপি সরকার গঠন করুক। অন্যদিকে তারা বিরোধী হয়ে বিজেপির মদতে লুটপাট চালাবে। বিরোধী ভোট ভাগ করতেই তৃণমূলের যত তৎপরতা।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে একক বৃহত্তম দল হয়েছিল কংগ্রেস। কিন্তু তারপরেও তারা সরকার গঠন করতে পারেনি। তৃণমূল কংগ্রেস অবশ্য মনে করে, রাজনৈতিক দূরদর্শিতার অভাবের জন্যই কংগ্রেস গোয়ায় সরকার গড়তে পারেনি। গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে সরকার গড়ার লক্ষ্যে সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূলের একাধিক নেতা নিয়মিত ওই রাজ্য সফর করছেন। কিন্তু অভিষেক এদিন যে কথা বলেলেন তাতে পশ্চিম উপকূলের এই রাজ্যেও তৃণমূল কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ অনিশ্চত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Mamata Banerjee: এ মাসেই অসম-মেঘালয়ে মমতা ও অভিষেক

mamata banerjee abhishek banerjee

নিউজ ডেস্ক : চলতি মাসে অসম, মেঘালয় ও গোয়া সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর সঙ্গে যাবেন দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

সূত্রের খবর, আগামী ২০ ডিসেম্বর মুখ্যমন্ত্রী অসমে (Assam) যাবেন। তবে ওই রাজ্যে এখনও তাঁর কোন দলীয় কর্মসূচি নেই। ওইদিন গুয়াহাটিতে কামাখ্যা মন্দিরে (Kamakhya temple) পুজো দিয়ে তারপর দিন অর্থাৎ ২১ ডিসেম্বর সেখান থেকে সড়ক পথে শিলং (Shilong) যাবেন। সেখানে সংগঠনের কাজ খতিয়ে দেখার পর সাংবাদিক সম্মেলন করতে পারেন তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো।

এদিকে আগামী ১৩ ডিসেম্বর আবার গোয়া (Goa) যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে দুজনেই গোয়ায় রাজনৈতিক সফর করেছেন। আগামী সপ্তাহে গোয়ায় ফের তাঁদের ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে। গত ২৫ নভেম্বর সদলবলে তৃণমূলে (TMC) যোগ দিয়েছেন মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা (Mukul Sangma)-সহ ১২ জন বিধায়ক। এ রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভুঁইঞার উপস্থিতিতে ঘাসফুল শিবিরের পতাকা হাতে তুলে নেন তাঁরা। আর তাঁরা কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিতেই মেঘালয়ের প্রধান বিরোধী দলের তকমা পেয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

অন্যদিকে, মেঘালয়ে সম্প্রতি যথেষ্ট শক্তি বাড়িয়েছে তৃণমূল। কংগ্রেসের ১২ জন কাউন্সিলরকে নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। মমতা এই প্রথম মেঘালয়ে গিয়ে সেখানকার তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাংগঠনিক বৈঠক করবেন। দলীয় সূত্রে খবর একটি জনসভা করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। সবমিলিয়ে, তৃণমূল নেত্রীর শিলং সফর বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।

Abhishek Banerjee: তৃণমূলের বাড়বাড়ন্তে কংগ্রেসি সমালোচনার জবাবে কড়া বার্তা অভিষেকের

abhishek banerjee

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: সারাদেশে যদি তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) শক্তি বাড়ে তাহলে কংগ্রেসের এত গায়ের জ্বালা কেন? তৃণমূল কংগ্রেস তো তাদের পাকা ধানে মই দেয়নি। প্রতিটি রাজনৈতিক দলেরই (political party) নিজেদের রাজনৈতিক শক্তি বাড়ানো বা সংগঠন মজবুত করার পূর্ণ অধিকার আছে। সেই সূত্র মেনেই তৃণমূল কংগ্রেসও বিভিন্ন রাজ্যে তাদের শক্তি বাড়াচ্ছে। কিন্তু এতে কংগ্রেসের এত ক্ষোভ কেন বুঝতে পারছি না। কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরাসরি এই প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।

তৃণমূল কংগ্রেসের এই তরুণ নেতা এদিন কংগ্রেসকে (congress) কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন। অভিষেক বলেন, মে মাসে বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস রাজ্যে সিপিএম এবং আইএসএফ-এর সঙ্গে জোট করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর জন্য মরিয়া চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তখন তো আমরা তাদের বিরুদ্ধে কোনও কথা বলিনি। রাজনীতিতে তো এটা হতেই পারে। সব দলই চাইবে নিজের শক্তি বৃদ্ধি করতে। তাহলে আমাদের শক্তি বাড়লে সেটা কেন দোষের হবে? আমারা তো কাউকে জোর করে আমাদের দলে আনছি না। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন। কিন্তু তাতে কংগ্রেসের এত গাত্রদাহ হচ্ছে কেন?

সম্প্রতি দেশে একাধিক রাজ্যে কংগ্রেস ছেড়ে অনেকেই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। এই ঘটনায় প্রবল ক্ষোভ প্রকাশ করেছে কংগ্রেস। তবে কংগ্রেসের এই ক্ষোভকে তিনি যে আদৌ পাত্তা দিচ্ছেন না সেটা স্পষ্ট করে দিয়েছেন অভিষেক। এই তরুণ নেতা এদিন স্পষ্ট বলেন, এখন তৃণমূল কংগ্রেস যা যা করে কংগ্রেস সেটারই অনুসরণ করে। তৃণমূল কংগ্রেস যা করে কংগ্রেস সেটা একেবারে টুকলি করে দেয়। একইসঙ্গে অভিষেকের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস যেখানে যাবে সেখানে তারা তৃতীয় বা চতুর্থ হওয়ার জন্য লড়বে না। তৃণমূলের একটাই লক্ষ্য হল ক্ষমতা দখল করা।

একইসঙ্গে মোদি সরকারকে আক্রমণ করে অভিষেক বলেন, আফস্পা নিয়ে সরকারের বক্তব্য কী লোকসভায় সেটা স্পষ্ট করে জানানো হোক। আজ আমরা আফস্পা নিয়ে মোদি সরকারের বক্তব্য জানতে চাইছি। আগামীকাল হয়তো দেখব কংগ্রেস আমাদের দেখাদেখি এ ব্যাপারে মোদি সরকারের কাছে জবাব চাইবে।

TMC in Goa: এবার গোয়াতেও দিদির দূত

TMC in Goa

নিউজ ডেস্ক : বাংলার ছকেই এবার গোয়ায় জনসংযোগে নামতে চলেছে তৃণমূল (TMC)। জানা গেছে, তৃণমূল নেতারা পশ্চিম ভারতের এই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রচারে যাবেন। থাকবেন তৃণমূল স্তরের নেতা-কর্মীদের এলাকায়। মত্‍স্যজীবী, কৃষক, সাফাই কর্মী সকলের কাছেই পৌঁছে যেতে চাইছেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। তাই বাংলার শাসক দলের (TMC in Goa) এই বিশেষ প্রচার কৌশল।

তৃণমূলের এক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, ‘বিজেপি শাসিত রাজ্যে সর্বত্র স্বৈরতন্ত্র চালাচ্ছে সরকার। অন্য কোনও দলকে মাঠে নামতে দেওয়া হচ্ছে না। আমাদের কাছে মানুষকে পৌঁছতে দিচ্ছে না। আমরা মানুষের কাছে পৌঁছব। বিজেপিকে স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমরা তৃণমূল কংগ্রেস। কাউকে ভয় পাই না।’

গোয়ায় প্রচারের জন্য একাধিক দল গঠন করা হয়েছে। রাজ্যজুড়ে মমতার বার্তা ছড়িয়ে দেবেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। পাশাপাশি প্রশাসনের বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ জানানো হবে। গোয়ার এই কর্মসূচিতেও বিজেপি বাধা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছে নেতৃত্ব। ‘গোয়েঞ্চি নভি সকাল’ ক্যাম্পেনের সূচনা করে তৃণমূল আগেই জানিয়েছে, ‘আমরা বিজেপির ঘৃণা ও হিংসার রাজনীতিকে ভয় পাই না। গোয়ায় প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে আমরা দায়বদ্ধ।’

গোয়ায় কর্মসূচির জন্য ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি প্রচার-গাড়ি রাস্তায় নামিয়েছে ঘাসফুল শিবির। নীল-সাদা গাড়িগুলির গায়ে লেখা ‘গোয়েঞ্চি নভি সকাল’ (Goenchi Navi Sakal)। এই গাড়িতে চড়েই গোয়ার প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছাতে চায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটে তৃণমূলের খারাপ ফলের পর মানুষের সঙ্গে জনসংযোগে প্রশান্ত কিশোরের টোটকায় শুরু হয়েছিল ‘দিদিকে বলো’ (Didike Bolo) কর্মসূচি। নির্দিষ্ট নম্বরে ফোন করে অভাব-অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি তৃণমূল নেতারা জেলায় জেলায় ঘুরেছেন। সেই কৌশলেই এবার গোয়ায় নামছে মমতার দল (TMC in Goa)।

আগামী সপ্তাহেই মমতা-অভিষেক গোয়া যেতে পারেন। বিধানসভা ভোটের আগে একাধিকবার গোয়া ছুটে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এরমধ্যে বিজেপি শাসিত এই রাজ্যে পায়ের তলার মাটি শক্ত করতে নতুন করে কোমর বাঁধছে জোড়াফুল শিবির। তৃণমূলের শীর্ষ নেতারা ঠিক করেছেন, ভোট ঘোষণা হওয়া পর্যন্ত গোয়া জুড়ে দলের একটানা কর্মসূচি চলবে।

Mamata Banerjee: অভিষেকের সঙ্গে ফের গোয়া সফরে যেতে পারেন মমতা

mamata banerjee abhishek banerjee

নিউজ ডেস্ক : ত্রিপুরার পর এবার গোয়া বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করেছে তৃণমূল (TMC)। আর সে কারণেই ফের গোয়া (Goa) সফরে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এই সফরে তাঁর সঙ্গী হতে পারেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।

সূত্রের খবর, আগামী ১৩ ডিসেম্বর তাঁরা গোয়া যেতে পারেন। ২ দিনের এই সফরে ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে। তার আগে অবশ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেলা সফরে যাওয়ার কথা। সম্ভবত ৭ ডিসেম্বর উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। ওইদিনই প্রথমে গঙ্গারামপুরে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মমতা। এরপর যাবেন রায়গঞ্জে। সেখানেও প্রশাসনিক বৈঠক করার কথা রয়েছে।

৮ তারিখ মালদহ এবং মুর্শিদাবাদে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেখানকার সমস্ত কাজের খতিয়ান নেবেন। কথা বলবেন জেলাশাসক, বিডিও ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে। ৯ তারিখ মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক বৈঠক করবেন নদিয়ার কৃষ্ণনগরে। তারপরেই তিনি যাবেন গোয়ায়। মূলত সংগঠন বিস্তারের কাজই করবেন।

ইতিমধ্যে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোয়ায় ঘুরে এসেছেন। তাঁর হাত ধরে সেখানে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছেন খ্যাতনামা টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ, অভিনেত্রী নাফিসা আলি, গায়ক রেমো ফার্নান্ডেজ। পরে অবশ্য তিনি গোয়ায় সংগঠন তৈরির ভার সঁপে দিয়েছেন দলের অন্যতম ভরসাযোগ্য সাংসদ মহুয়া মৈত্রর (Mohua Moitra) হাতে। তাঁর হাত ধরেও তৃণমূল শিবিরে নাম লেখাচ্ছেন আরও অনেকে। শোনা যাচ্ছে, গোয়ার একমাত্র এনসিপি বিধায়ক চার্চিল আলেমাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এরই মাঝে অবশ্য রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) গোয়ায় গিয়ে ফরোয়ার্ড পার্টির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। জোটের কথা ঘোষণাও করে দিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে জাতীয় স্তরে জমি শক্ত করার মরিয়া চেষ্টায় তৃণমূল। ত্রিপুরা, গোয়া, মেঘালয়ে চলছে সংগঠনকে শক্তিশালী করার কাজ।

বিগ ফ্লপ দেব সরকারকে ১০ গোলে হারানোর চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

biplab-abhishekh

News Desk: ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে ‘বিগ ফ্লপ দেব’ বলে কটাক্ষ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার ত্রিপুরার আগরতলায় এক সভায় অভিষেক বাছা-বাছা বাক্যবাণ নিক্ষেপ করেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের বিরুদ্ধে। অভিষেক বলেন, রবিবার হল ছুটির দিন। এ দিনই ছুটি হয়ে গেল বিগ ফ্লপ দেববাবুর। গতকাল আমরা কোর্টে জিতেছি। ২০২৩-এ এই রাজ্যে আমরা ভোটে জিতবে।

অভিষেক এদিন বিপ্লব দেবকে একেবারে তুলোধোনা করে ছাড়েন। অভিষেক বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ার একটা ক্লাবের সম্পাদক হওয়ার মত যোগ্যতাও নেই। আইন-আদালত কোনও কিছুই মানেন না মুখ্যমন্ত্রী। লক্ষ লক্ষ লক্ষ যুবক যুবতীকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন। কিন্তু কাউকে একটিও চাকরিও দেননি। বরং উনি বহু মানুষের চাকরি খেয়েছেন। ১০ হাজার শিক্ষককে পথে বসিয়েছেন। ওনাকে দেখে ঠিক মহম্মদ বিন তুঘলক বলে মনে হয়। তবে এই মুহূর্তে বিপ্লব দেবকে সরানোর তো কোনও রাস্তা নেই। এজন্য আমাদের আর কয়েকটা মাস অপেক্ষা করতে হবে। ২০২৩-এর ভোটেই ত্রিপুরাবাসী বিপ্লব দেবকে ছুঁড়ে ফেলে দেবে।

আগরতলার এদিনের সভায় অভিষেক অবশ্য বিজেপি সরকারের তুলনায় প্রাক্তন বাম সরকারকে কিছুটা বাড়তি নম্বর দিয়েছেন। তিনি বলেন, বিজেপি সরকারের চেয়ে সিপিএম সরকার কিছুটা হলেও ভাল ছিল। কারণ সে সময় মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা ছিল। মানুষ শান্তিতে রাস্তায় চলাচল করতে পারতেন। কিন্তু বিজেপি সরকারের আমলে সেটা হচ্ছে না। এখানে কেউ বাইরে থেকে এলে তাকে হোটেলের ঘর দেওয়া হচ্ছে না। খাবার দেওয়া হচ্ছে না। এমনকী, গাড়ি ভাড়া নিতে চাইলে তাও মিলছে না। এটাই ত্রিপুরার বিজেপি সরকারের সংস্কৃতি। বিজেপি আর সিপিএম সরকারের মধ্যে এমন কিছু তফাৎ নেই। তবে আগামী দিনে তৃণমূল কংগ্রেস এই রাজ্যে ক্ষমতায় এলে মানুষ স্বস্তির শ্বাস নিতে পারবে। আগামী দিনে বিজেপির উন্মাদ আর সিপিএমের হার্মাদের তৃণমূল বরবাদ করে ছাড়বে।

এদিনের সভায় অভিষেক ঘোষণা করেন, ডিসেম্বর মাসেই ত্রিপুরায় আসবেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিবেকানন্দ ময়দানে সভা করবেন নেত্রী। তবে সেই সভার তারিখ এখনও স্থির হয়নি। অভিষেক বলেন, আজ আমি খুঁটিপুজো সারলাম। ২০২৩- এ বিজেপির বিসর্জন হয়ে যাবে। আজ গোটা দেশ জানে, বিজেপি ভাইরাসের একটাই ভ্যাকসিন সেটা হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের আসন্ন পুরভোটে মানুষকে বিজেপির বিরুদ্ধে ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়ার আহ্বান জানান অভিষেক।

তিনি বলেন এখন পুরভোটে প্রথম ডোজ দিন। দ্বিতীয় ডোজ দেবেন ২০২৩- এর বিধানসভা নির্বাচনে। এদিন সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে হুমকি দিয়ে অভিষেক বলেন, ২০২৩-এ আমি এখানে ঘরবাড়ি নিয়ে বসে থাকব। ক্ষমতা থাকলে আমাকে আটকাও। ২০২৩- এর নির্বাচনে বিজেপিকে ১০ গোলে হারাবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অভিষেক।

কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্তের জেরায় ইডি দফতরে অভিষেক

TMC General Secretary Abhishek Banerjee

নিউজ ডেস্ক: কয়লা কেলেঙ্কারির মামলায় অর্থ পাচারের অভিযোগে তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাউপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট অফিসে পৌঁছলেন৷ নয়াদিল্লির ইডি কার্যালয়ে পৌঁছে সংবাদমাধ্যমকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইডির জারি করা নোটিশের ভিত্তিতে সোমবার তিনি হাজির হয়েছেন। অভিষেক বলেন, তদন্তে তিনি কেন্দ্রীয় সংস্থাকে পুরোপুরি সহযোগিতা করবেন।

দিল্লি যাওয়ার আগে অভিষেক বলেছিলেন, তিনি যেকোনও ধরনের তদন্তের জন্য প্রস্তুত। তবে কবে থেকে তদন্ত শুরু হবে, সে বিষয়ে কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। বলা হচ্ছে, অভিষেককে দ্বিতীয়ার্ধে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এর আগে তাঁর স্ত্রীকেও এজেন্সি ডেকেছিল৷ কিন্তু তিনি করোনা মহামারীর কথা উল্লেখ করে বাড়িতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনুরোধ করেছিলেন।

ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, যদি কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা তাঁর বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে কোনও অবৈধ লেনদেনে জড়িত থাকার প্রমাণ দেয়, তবে তিনি নিজেকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেবেন। একই সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন, রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর বিজেপি রাজনৈতিক প্রতিশোধ নিচ্ছে।

তদন্তের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি যেকোন তদন্তের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। যদি তারা আমার বিরুদ্ধে প্রমাণ দিতে পারে, তাহলে ইডি এবং সিবিআই ব্যবহার করার দরকার নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন, তারা টিএমসির সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে লড়াই করতে পারে না, তাই এখন তারা প্রতিহিংসার রাজনীতিতে এসেছে। তারা তাদের রাজনৈতিক স্বার্থকে আরও এগিয়ে নিতে তদন্তকারী সংস্থাগুলোকে ব্যবহার করছে।

এর আগে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, কেন্দ্রীয় সরকার তাঁর ভাইপো অভিষেকের বিরুদ্ধে কয়লা কেলেঙ্কারির মামলায় তদন্ত সংস্থা ব্যবহার করছে৷ যাতে বিজেপির পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়া যায়।

কয়লাকাণ্ডে দিল্লির ডাক: অমিত শাহকে অভিষেকের চ্যালেঞ্জ ত্রিপুরা ‘দখল করব’

Abhishek Banerjee

নিউজ ডেস্ক: একই দিনে সমন ও পাল্টা হুমকির খেলায় কলকাতা-নয়াদিল্লি-আগরতলা সব একাকার। শনিবারই তৃণমূল (TMC) কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) কয়লা কাণ্ডে সস্ত্রীক সমন পেয়েছেন। দিল্লিতে ইডি তলব করেছে।

পশ্চিমবঙ্গে শাসক তৃণমূলের কাছে এটা বড় অস্বস্তির। এর পরেই টিএমসি সাধারণ সম্পাদকের হুঁশিয়ারি, “ত্রিপুরায় (Tripura) তৃণমূল পা রাখতেই বিজেপির (BJP) পা কাঁপতে শুরু হয়েছে। ওখান থেকে মুছে যাবে বিজেপি। ত্রিপুরা ছাড়াও অসম বা অন্য যে সব জায়গায় বিজেপি আছে সব জায়গা থেকে তাদের উৎখাত করা হবে।” হুঙ্কার অভিষেক বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়ের।

কলকাতায় তৃণমূল কংগ্রেস ছাত্র পরিষদ (টিএমসিপি) প্রতিষ্ঠাতা দিবসে অভিষেকের হুঁশিয়ারিতে আগরতলায় পড়ে গেল শোরগোল। কারণ এর আগেও আগরতলা গিয়ে সরাসরি তিনি বলেছিলেন চাইলে যে কোনও সময় ত্রিপুরার বিজেপি জোট সরকার ফেলে দিতে পারেন।

এবার সরাসরি ত্রিপুরা দখলের বার্তা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক। একইসঙ্গে তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “আমি অমিত শাহকে চ্যালেঞ্জ করছি- ক্ষমতা থাকলে তৃণমূলকে রুখে দেখাও।”

তাৎপর্যপূর্ণ শনিবারই কয়লা পাচার কাণ্ডে দিল্লিতে জেরার মুখোমুখি হতে ডাক পেয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক। এদিনই তিনি অমিত শাহকে হুঁশিয়ারি দিলেন। দিল্লি ও কলকাতার রাজনৈতিক হাওয়া গরম হয়েছে এই কারণে।

অন্যদিকে আগরতলা সরগরম। সূত্রের খবর, ত্রিপুরার রাজনৈতিক ছক বদলানোর কাণ্ডারী বর্তমান বিজেপি বিধায়ক সুদীপ রায়বর্মণ কলকাতায় এসে তৃণমূল শিবিরের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি গত বিধানসভা ভোটের আগে আগে কলকাতায় এসে ত্রিপুরার তৎকালীন বিরোধী দল কংগ্রেসকে শূন্য করেছিলেন। সবাই টিএমসিতে যোগ দেন। পরে তারা সবাই বিজেপিতে চলে যান। ত্রিপুরায় গত বিধানসভা নির্বাচনে সে রাজ্যে টানা ২৫ বছরের বাম শাসনের অবসান হয়। ক্ষমতায় বিজেপি আইপিএফটি জোট।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গে টানা তিনবার সরকার ধরে রেখেছে টিএমসি। তৃতীয়বার জয়ের পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ত্রিপুরা দখলের জন্য দলনেতাদের নির্দেশ দিয়েছেন। টি়এমসি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বার্তা দিয়েছিলেন, রাজ্যের বাইরে সংগঠনকে প্রতিষ্ঠা করবেন তিনি। ইতিমধ্যেই ত্রিপুরা ও অসমে সংগঠন বিস্তারে মরিয়া হয়ে উঠেছেন তিনি।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাধা বিপত্তি সত্ত্বেও যেভাবে দলে দলে মানুষ ত্রিপুরার রাস্তায় তৃণমূলের মিছিলে সামিল হয়েছেন তাতে স্পষ্ট আগামীদিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরায় পা রাখলে জনস্রোতের বন্যা বইবে। চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অভিষেক বলেন, যতদিন ভারতবর্ষের মাটি থেকে বিজেপির বিদায় ঘন্টা না বাজছে, ততদিন আন্দোলন চলবে।

পশ্চিমবঙ্গে তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর করোনা আবহে ভার্চুয়ালি পালিত হচ্ছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস। এদিন ভার্চুয়ালি দলের যুব কর্মীদের উদ্দেশ্যে বিজেপিকে কড়া বার্তা দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলায় বিজেপিকে রুখে দেওয়ার পরে এবার দেশের অন্যান্য রাজ্য থেকেও পদ্ম শিবিরকে মুছে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন অভিষেক। সরাসরি তিনি নিশানা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় ডায়মন্ডহারবারের সাংসদকে। বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার মাটিতে পরাস্ত হয়েছে বিজেপি। তারপর থেকেই রাজ্যের বাইরে সংগঠন মজবুত করতে সক্রিয় হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।

ত্রিপুরায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোস্টার ছেঁড়ার ঘটনার নিন্দায় তৃণমূল

Abhishek Banerjee in Tripura

কলকাতা: আগরতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোস্টার ছেঁড়ার প্রতিবাদে সোচ্চার তৃণমূল। লিখিত বিবৃতি দিয়ে ঘটনার নিন্দা তৃণমূলের।

সোমবার ত্রিপুরা পৌঁছেছেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেকের ত্রিপুরা সফরের আগে রাজধানী আগরতলা জুড়ে পোস্টার লাগানো হয় তৃণমূলের উদ্যোগে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া সেই পোস্টার চোখে পড়ে আগরতলার বিভিন্ন প্রান্তে। তবে আগরতলার বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূলের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে কেউ বা কারা। এই ঘটনার পিছনে বিজেপির কর্মীরা যুক্ত বলে অভিযোগ তৃণমূলের।তৃণমূলের তরফে লিখিত বিবৃতি দিয়ে ঘটনার নিন্দা করা হয়েছে।

সোমবার ত্রিপুরায় গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। অভিষেকের কনভয়ে ‘হামলা’র অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। আগরতলার রাস্তায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘গো ব্যাক’ , স্লোগান শোনান বিজেপি কর্মীরা।

পরে এ বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ” ত্রিপুরার মানুষ এর জবাব দেবে। অতিথি দেব ভব- এর উদাহরণ দেখলাম। বিজেপি বলে বাংলায় গণতন্ত্র নেই। ত্রিপুরায় কি অবস্থা।”

আগরতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে ‘হামলা’, কাঠগড়ায় বিজেপি

Abhishek Banerjee in Tripura

আগরতলা: ত্রিপুরায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে ‘হামলা’। অভিষেকের গাড়িতে লাঠির ঘা বিজেপি কর্মীদের। আগরতলার রাস্তায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে গো ব্যাক স্লোগান বিজেপি কর্মীদের।

ত্রিপুরায় গিয়ে বেনজির বিক্ষোভের মুখে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ বিমানবন্দর থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয় ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরের দিকে যাচ্ছিল। সেই সময় রাস্তায় একাধিক জায়গায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তাকে কালো পতাকা দেখান বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। এমনকী রাস্তার একাধিক জায়গায় অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে গো ব্যাক স্লোগান দেওয়া হয়।শুধু তাই নয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ির কাচে লাঠির ঘা পড়ে।

এদিন আগরতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে হামলার প্রতিবাদে সরব তৃণমূল। তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে তুমুল তর্কাতর্কি বেধে যায় পুলিশের। পরে এ বিষয়ে মুখ খোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও। তিনি বলেন, ” ত্রিপুরার মানুষ এর জবাব দেবে। অতিথি দেব ভব- এর উদাহরণ দেখলাম। বিজেপি বলে বাংলায় গণতন্ত্র নেই। ত্রিপুরায় কি অবস্থা।”

এদিন বাধা কাটিয়ে ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে পৌঁছে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে পূজা দিয়েছেন অভিষেক। ত্রিপুরায় একগুচ্ছ রাজনৈতিক কর্মসূচি রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

তৃণমূলের মাটি শক্তিশালী করতে আজ ত্রিপুরায় অভিষেক

Abhishek Banerjee

আগরতলা: তৃণমূলের নজরে ত্রিপুরা। পড়শি রাজ্য ত্রিপুরায় সংগঠন মজবুত করতে তৎপর তৃণমূল। গত শনিবার কের পুজো উপলক্ষে টুইট করে ত্রিপুরাবাসীর মন ছোঁয়ার চেষ্টা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ ত্রিপুরায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বেলা বারোটা নাগাদ ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে পুজো দেবেন ডায়মন্ডহারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক।

এবার নজর ত্রিপুরায়। শনিবারই ত্রিপুরা পৌঁছেছেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ভট্টাচার্য, তৃণমূল নেত্রী জয়া দত্তরা। দিন কয়েক আগে ত্রিপুরায় গিয়ে বেজায় অস্বস্তিতে পড়েন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের ‘আইপ্যাক’ টিমের সদস্যরা। করোনা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে। কার্যত হোটেল বন্দি করে রাখা হয় আইপ্যাকের টিমের সদস্যদের। আগরতলার ধর্মনগরে তৃণমূলের মিছিলে বাধা দেয় প্রশাসন। বিষয়টি নিয়ে ত্রিপুরার বিপ্লব দেবের সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরা সরকারের এই ভূমিকার বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

এদিকে ত্রিপুরায় দলীয় কর্মীদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগ তুলে বাংলা থেকে পৌঁছে যান দলের সাংসদ, নেতারা। ডেরেক ও’ব্রায়েন, মলয় ঘটক, ব্রাত্য বসুরাও ত্রিপুরা সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ উগরে দেন।
এরই মধ্যে ত্রিপুরাতে ‘খেলা হবে’ দিবস পালন করা হবে বলে ঘোষণা করেছে তৃণমূল। তার আগে রাজ্যে সংগঠনকে মজবুত করার মরিয়া চেষ্টা বাংলার শাসক দলের। সেই লক্ষ্যেই সোমবার ত্রিপুরায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

সোমবার দুপুরে পৌঁছে বেলা বারোটা নাগাদ ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে পুজো দেবেন অভিষেক। পরে দলের রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। অভিষেকের উপস্থিতিতে ত্রিপুরায় সোমবার বেশ কয়েকজন রাজনীতিবিদ তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।