‘অশালীন’ বিজ্ঞাপনের অভিযোগে ডিজাইনার সব্যসাচী মুখার্জির বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ

designer Sabyasachi Mukherjee

News Desk: বিজেপির এক আইনি উপদেষ্টা শনিবার ফ্যাশন ডিজাইনার সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়কে ( Sabyasachi Mukherjee) একটি মঙ্গলসূত্র সংগ্রহের বিজ্ঞাপনের জন্য “অর্ধ-নগ্ন মডেল” ব্যবহার করা এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার জন্য একটি আইনি নোটিশ জারি করেছেন। তিনি ওই নোটিশের মাধ্যমে ফ্যাশন ডিজাইনার সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়কে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা বিজ্ঞাপনটি ফিরিয়ে নিতে এবং মানুষের কাছে ক্ষমা চাইতে বলেছেন।

মহারাষ্ট্রের পালঘর জেলার বিজেপি আইনী উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট আশুতোষ দুবে তার নোটিশে বলেছেন যে বিজ্ঞাপনটি সমগ্র হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশাপাশি হিন্দু বিবাহের জন্য সম্পূর্ণ আপত্তিজনক। ওই নোটিশ এর মাধ্যমে ১৫ দিনের মধ্যে বিজ্ঞাপনটি বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ জারি করা হয় প্রখ্যাত ডিজাইনারের বিরুদ্ধে। আশুতোষ দুবে ওই আইনি চিঠিতে লিখেছেন, “আমি লক্ষ্য করেছি যে আপনার প্রচারমূলক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টগুলিতে মডেলদের একক বা অন্যদের সাথে ঘনিষ্ঠ অবস্থানে পোজ দিচ্ছেন।

একটি ছবিতে, একজন মহিলা মডেলকে একটি কালো ব্রেসিয়ার এবং সব্যসাচীর মঙ্গলসূত্র পরা অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। বিজ্ঞাপনের ওই ছবিতে অর্ধনগ্ন ওই মডেলকে এখন শার্ট বিহীন পুরুষ মডেলের বুকে মাথা রেখে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। এটি কেবল হিন্দু ধর্ম নয়, হিন্দু বিবাহের রীতির প্রসঙ্গে অত্যন্ত আপত্তিকর।”

নোটিশে বিজেপির আইনী উপদেষ্টা আরও বলেছেন, “মঙ্গলসূত্রটি প্রতীকী যে বর এবং কনে আজীবন সঙ্গী হবে যতক্ষণ না মৃত্যু তাদের আলাদা করে এবং আপনি অশ্লীল উপায়ে “মঙ্গলসূত্র” প্রদর্শন করছেন তা আপত্তিকর এবং ভিত্তিহীন।” সব্যসাচী মুখার্জির বিজ্ঞাপনটিকে ‘অশালীন’ বলে দাবি করেছেন ওই বিজেপির আইন উপদেষ্টা।

প্রসঙ্গত, ভারতীয় বিচার ধারা অনুযায়ী আইটি অ্যাক্টের ৬৭ নং ধারায় অশালীন ছবি বা মিডিয়ার প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যদিও, ‘অশালীন’ বিষয়বস্তুটি সংজ্ঞায়িত করা হয়নি ভারতীয় সংবিধানে। ওই বিজ্ঞাপনের জেরে সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়তে হয় ডিজাইনার সব্যসাচীকে। যদিও, এ বিষয়ে ভারতীয় ফ্যাশন ডিজাইনারের কোনো প্রতিক্রিয়া এখনো অব্দি পাওয়া যায়নি।

সংবাদপত্র ক্ষমা চাইলেও কমছে না বিতর্ক, যোগীর বিজ্ঞাপনকান্ডে এবার RTI করল তৃণমূল

yogi adityanaths advertisement

নিউজ ডেস্ক: পরের বছরই উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন। যোগী ম্যাজিকে আবার ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখছে ভারতীয় জনতা পার্টি। তার আগেই বিতর্কে জড়িয়েছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। যোগী আদিত্যনাথের উন্নয়নের বিজ্ঞাপনে দিতে গিয়েই কেলেঙ্কারি। সংবাদপত্রে দেওয়া ওই বিজ্ঞাপনে কলকাতার মা উড়ালপুলের ছবি ব্যবহার করে বিতর্কে জড়িয়েছিল যোগী সরকার।

আরও পড়ুন নাম পরিবর্তনের পথে যোগী রাজ্যের তৃতীয় জেলা, সুলতানপুর হচ্ছে কুশভবনপুর

যদিও বিভিন্ন মহল থেকেই বলা হচ্ছিল যে সংবাদপত্র গুলির ক্ষেত্রে এই ধরনের বিজ্ঞাপন বেসরকারি সংস্থা বা তাদের নিজস্ব বিভাগই বানিয়ে থাকে। ফলে তাদের ভুলেই ঘটেছে এই কান্ড। যোগী সরকারের তরফে পশ্চিমবঙ্গের কোনও ছবি দেওয়া হয়নি বলেও মনে করা হচ্ছে। ভারতীয় জনতা পার্টির পশ্চিমবঙ্গের মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যও বলেন, ‘‘ওই সংবাদপত্র বা বিজ্ঞাপন সংস্থা ভুল করে এটা করেছে।’’ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের পক্ষ থেকেও টুইট করে জানানো হয়েছে, ‘উত্তরপ্রদেশ নিয়ে বিজ্ঞাপনের কভারে আমাদের সংবাদপত্রের মার্কেটিং বিভাগ একটি ভুল ছবি ব্যবহার করেছে। সংবাদপত্রের সব ডিজিটাল মাধ্যম থেকে ওই ছবি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

কিন্তু তাতেও বিতর্ক থামছে কই? ছবি ভাইরাল হওয়ার পরেই উত্তরপ্রদেশ সরকারকে একে একে তোপ দাগতে শুরু করেছিলেন তৃণমূল নেতারা। টুইট করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও লেখেন, ‘যোগীর কাছে উত্তরপ্রদেশের পরিবর্তন মানে বাংলার পরিকাঠামোর ছবি চুরি করা।’ এবার যোগীর বিজ্ঞাপন বিতর্কে RTI দায়ের করলেন তৃণমূলের ‌নেতা সাকেত গোখলে। উত্তরপ্রদেশ সরকারের কাছে তিনি জানতে চেয়েছেন, ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে প্রকাশিত ওই ‌বিজ্ঞাপনের অনুমোদন কে দিয়েছিল? চুক্তির প্রতিলিপি এবং বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত সমস্ত ছবি চাওয়া হয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকারের কাছ থেকে।’‌

বিজ্ঞাপনের ওই ছবি যে কলকাতার, তা উড়ালপুলের পাশের একটি হোটেলের ছবি থেকেও স্পষ্ট। শুধু তাই নয়, উড়ালপুলের উপর চলছে কলকাতার অন্যতম পরিচয় হলুদ ট্যাক্সিও। যা উত্তরপ্রদেশে দেখা যায় না। দেশের জনপ্রিয় সংবাদ প্রতিষ্ঠান ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ এর ডিজিটাল এবং প্রিন্ট, দুই মাধ্যমেই ওই ছবি প্রকাশ্যে আসার পর সমালোচনার ঝড় উঠেছিল নেট মাধ্যমে। অনেকেই দাবি করেছেন, বেসরকারি সংস্থা কিংবা সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন এবং মার্কেটিং বিভাগ বিজ্ঞাপন তৈরি করলেও ক্লায়েন্টের গ্রীণ সিগনাল ছাড়া তা প্রকাশিত হয় না। ফলে এই ঘটনায় খানিকটা হলেও যোগী সরকারের দায় থেকেই যায়। এর আগেও বাংলার বিভিন্ন ছবি ব্যবহার করে অন্য রাজ্যের ভোটের প্রচারে কাজে লাগিয়েছে বিজেপি, সেকথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন অনেকে।

যোগী সরকার নয়, উত্তরপ্রদেশ উন্নয়নে ভুল করে ‘মা’ উড়ালপুল জুড়েছিল জনপ্রিয় সংবাদপত্র

yogi adityanaths advertisement

নিউজ ডেস্ক: পরের বছরই উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন। যোগী ম্যাজিকে আবার ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখছে ভারতীয় জনতা পার্টি। তার আগেই বিতর্কে জড়াল যোগী আদিত্যনাথের সরকার। যোগী আদিত্যনাথের উন্নয়নের বিজ্ঞাপনে দিতে গিয়েই কেলেঙ্কারি। সংবাদপত্রে দেওয়া ওই বিজ্ঞাপনে কলকাতার মা উড়ালপুলের ছবি ব্যবহার করল যোগী সরকার।

আরও পড়ুন মমতার বিরুদ্ধে লড়বেন, চিনে নিন পদ্মপ্রার্থী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল


আরও পড়ুন মমতাও হেরেছেন বলেই আবার ভোটে লড়ছেন, এন্টালিতে প্রিয়ঙ্কার হার প্রসঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ তথাগতর

বিজ্ঞাপনের ওই ছবি যে কলকাতার, তা উড়ালপুলের পাশের একটি হোটেলের ছবি থেকেও স্পষ্ট। শুধু তাই নয়, উড়ালপুলের উপর চলছে কলকাতার অন্যতম পরিচয় হলুদ ট্যাক্সিও। যা উত্তরপ্রদেশে দেখা যায় না। দেশের জনপ্রিয় সংবাদ প্রতিষ্ঠান ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ এর ডিজিটাল এবং প্রিন্ট, দুই মাধ্যমেই ওই ছবি প্রকাশ্যে আসার পর সমালোচনার ঝড় উঠেছিল নেট মাধ্যমে।  টুইট করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও লেখেন, ‘যোগীর কাছে উত্তরপ্রদেশের পরিবর্তন মানে বাংলার পরিকাঠামোর ছবি চুরি করা।’

যদিও বিভিন্ন মহল থেকেই বলা হচ্ছিল যে সংবাদপত্র গুলির ক্ষেত্রে এই ধরনের বিজ্ঞাপন বেসরকারি সংস্থা বা তাদের নিজস্ব বিভাগই বানিয়ে থাকে। ফলে তাদের ভুলেই ঘটেছে এই কান্ড। যোগী সরকারের তরফে পশ্চিমবঙ্গের কোনও ছবি দেওয়া হয়নি বলেও মনে করা হচ্ছে। ভারতীয় জনতা পার্টির পশ্চিমবঙ্গের মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যও বলেন, ‘‘ওই সংবাদপত্র বা বিজ্ঞাপন সংস্থা ভুল করে এটা করেছে।’’ এবার এই ঘটনার জন্য দায় স্বীকার করল জনপ্রিয় সংবাদপত্র ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’। তারা জানিয়েছে, তাদের মার্কেটিং বিভাগের ভুলেই এই বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয়েছে। এই ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়ে টুইট করেছে তারা।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের পক্ষ থেকে টুইট করে জানানো হয়েছে, ‘উত্তরপ্রদেশ নিয়ে বিজ্ঞাপনের কভারে আমাদের সংবাদপত্রের মার্কেটিং বিভাগ একটি ভুল ছবি ব্যবহার করেছে। সংবাদপত্রের সব ডিজিটাল মাধ্যম থেকে ওই ছবি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

হিন্দুধর্মের অবমাননা: ট্যুইটারে ভাইরাল #BoycottMyntra

নিউজ ডেস্ক: বিজ্ঞাপনে হিন্দুধর্মের অবমাননা করায় নেটিজেনদের কোপের মুখে অনলাইন শপিং প্ল্যাটফর্ম ‘মিন্ট্রা’ (Myntra)। “হিন্দু বিরোধী” বিজ্ঞাপন ভাইরাল হওয়ার পর হ্যাশট্যাগ বয়কট মিন্ট্রা সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং শুরু করে। ওই বিতর্কিত বিজ্ঞাপনটি ছিল মহাকাব্য মহাভারতের একটি দৃশ্যের উপর ভিত্তি করে। কৃষ্ণ “দ্রৌপদী বস্ত্রহরণ” এর সময় মিন্ট্রা অ্যাপে ‘অতিরিক্ত দীর্ঘ’ শাড়ির জন্য অনলাইন কেনাকাটা করছেন।

আরও পড়ুন তালিবান উৎখাতে আফগান নাগরিকদের ভরসা ‘রিয়েল হিরো’ আমরুল্লাহ সালেহ

@Hindutvaoutloud নামের একটি ইনস্টাগ্রাম পেজ থেকে এই ছবিটি শেয়ার করা হয়। তারপর থেকেই হিন্দুধর্মকে অবজ্ঞা করে বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মকে বয়কট করা শুরু করে অনেকে। একটি বিজ্ঞাপনভিত্তিক মিম সোশ্যাল মিডিয়াকে এত খারাপভাবে প্রভাবিত করেছে, যে কয়েকঘন্টার মধ্যেই ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মটিকে বন্ধ করার দাবি তুলেছে কয়েক হাজার নেটিজেন।

https://twitter.com/pappuchikna001/status/1429353125798768640?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1429353125798768640%7Ctwgr%5E%7Ctwcon%5Es1_c10&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.shethepeople.tv%2Fnews%2Fwhy-boycott-myntra-trending-on-twitter%2F

অনেকেই বিজ্ঞাপিত গ্রাফিকটিকে তাদের ধর্মের প্রতি অসম্মানজনক বলে অভিহিত করেছেন। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, “আপনার কি অন্য ধর্মের শ্রদ্ধেয় দেবতাদের ছবি ব্যবহার করে একই ধরনের প্রচার করার সাহস আছে? যদি তা না হয় তবে ক্ষমা চান। আপনার সমস্ত প্ল্যাটফর্ম থেকে এই বিজ্ঞাপনটিকে সরিয়ে দিন।” আরেক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী লিখেছেন, “এই অপমানজনক বিজ্ঞাপনের জন্য মিন্ট্রা আনইনস্টল করলাম l ফ্লিপকার্ট সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কাছে এই অবমাননাকর বিজ্ঞাপনের ব্যপারে তাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার জন্য সময় দিলাম। নয়তো সেগুলোও আনইনস্টল হবে।”

আরও পড়ুন এবারে শীতে বড় পর্দায় আসতে চলেছে দেব-রুক্মিণীর ‘কিশমিশ’, প্রকাশ্যে ছবির অ্যানিমেটেড টিজার

২০১৬ সালেও বিতর্ক সৃষ্টি করেছিল ঠিক একই ধরনের আরেকটি বিজ্ঞাপন। সেসময় লোকেরা ধরে নিয়েছিল যে এটি মিন্ট্রার বিজ্ঞাপন। পরে জানা যায়, স্ক্রোলড্রোল নামে এক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী ওই ছবিটি পোস্ট করেছিলেন, মূল উদ্দেশ্য ছিল একবিংশ শতকের প্রযুক্তি ব্যবহার করলে কী হবে দেখানো। এই বছরের শুরুর দিকে আরেকটি বিতর্কেও জড়িয়ে পড়েছিল জনপ্রিয় এই ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম। মুম্বাই সাইবার ক্রাইমে কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয় ‘মিন্ট্রা’র নামে। মিন্ট্রার লোগোটি মহিলাদের প্রতি অপমানজনক এবং আপত্তিকর বলে অভিযোগ করেছিলেন এক মহিলা। পরে সমস্ত জায়গা থেকে সরকারীভাবে লোগো পরিবর্তন করেছিল ফ্লিপকার্টের মালিকানাধীন এই সংস্থা।

আমরা শীর্ষে: বিজ্ঞাপনে বুর্জ খলিফার চূড়ায় সুন্দরীকে দাঁড় করাল এমিরেটস

Emirates puts beauty on top of Burj Khalifa in advertisement

নিউজ ডেস্ক: আমরাই শীর্ষে! এই দাবি আক্ষরিক অর্থেই প্রমাণ করতেই এক অভিনব বিজ্ঞাপন৷ আর এই বিজ্ঞাপন তৈরি করল সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমান সংস্থা এমিরেটস (United Arab Emirates) এয়ারলাইন৷ তাদের এই বিজ্ঞাপনটি ইতিমধ্যেই সংবাদ শিরোনামে৷ প্রকৃতপক্ষে, এয়ারলাইন্স কোম্পানি তাদের এই বিজ্ঞাপনে এক সুন্দরী মডেলকে বিশ্বের অন্যতম উঁচু ইমরত বুর্জ খলিফার চূড়ায় তুলেছে৷

Emirates puts beauty on top of Burj Khalifa in advertisement

বিশ্বের সব থেকে বিলাসবহুল এমিরেটস বিমান সংস্থার পক্ষ থেকে প্রকাশিত ভিডিওতে একটি দেখা যাচ্ছে, এয়ারলাইন্সের ক্রু সদস্যের পোশাকে একজন মহিলা বুর্জ খলিফার চূড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন। মহিলার হাতে ধরা কিছু প্ল্যাকার্ড৷

মহিলার নাম নিকোল স্মিথ লুডভিক। তাঁকে বুর্জ খলিফার উপরে দেখা যাচ্ছে, একটি এমিরেটস এয়ারলাইন্সের পোষাকের বিজ্ঞাপন ধারণকারী প্ল্যাকার্ডে লেখা আছে, “ইউকে অ্যাম্বার লিস্টে সংযুক্ত আরব আমিরাতের এমিরেটসকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় মনে করেছে।

Emirates puts beauty on top of Burj Khalifa in advertisement

এই মহিলা মডেলও আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপনটি শেয়ার করেছেন তাঁর সোস্যাল হ্যান্ডেলে৷ কোম্পানির বিজ্ঞাপনে দুবাইয়ে বুর্জ খলিফার শীর্ষে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি মহিলা। যে ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্রমশ ভাইরাল হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, দুবাইয়ের বুর্জ খলিফা ভবনটি বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ইমারতের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। এই পরিস্থিতিতে তার চূঁড়ায় উপরে দাঁড়িয়ে থাকা রীতিমতো সাহসিকতার কাজ। আর এই সুন্দরী মডেলের সাহস দেখে হতাবাক বিশ্ব৷

বিজ্ঞাপনের ভিডিও ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করে নিকোল।লিখেছেন যে, এটি নিঃসন্দেহে আমার করা সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ স্টান্টগুলির মধ্যে একটি। এমিরেটস এয়ারলাইন্স টিমের অংশ হতে পেরে আনন্দিত।
এই বিজ্ঞাপনটি দেখে নেটিজেনরা রীতিমতো অবাক হয়েছেন৷ তারা পোস্টে অনেক প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। এই ভিডিওটি এখন পর্যন্ত এক লক্ষেরও বেশি বার দেখা হয়েছে।