Tripura: পুর ভোটে BJP-CPIM প্রচার তুঙ্গে, গোরু খোঁজার মতো প্রার্থী খুঁজছে TMC

tripura election TMC

News Desk: তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জনসভা থেকে দুটি চ্যালেঞ্জ করেছেন। তিনি বলেছেন বিজেপি ভাইরাসকে দুটি ডোজের টিকা দিতে হবে প্রথম ডোজ আসন্ন আগরতলা পুরনিগম ভোটে ও দ্বিতীয় ডোজ আগামী বিধানসভা ভোটে।

টিএমসি ত্রিপুরা প্রদেশের একাংশ নেতার অভিযোগ, জনসভায় হাওয়া গরম ভাষণ তো দিয়েছেন অভিষেক কিন্তু প্রথম ডোজের জন্য প্রার্থী খুঁজতেই হিমশিম খাচ্ছি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নেতার খেদোক্তি, এভাবে ঘেঁটে না দিলেই পারতেন তিনি।

tripura election

আগরতলা পুরনিগম নির্বাচনের প্রচারে রাজ্যের শাসক বিজেপি ও বিরোধী সিপিআইএমের মধ্যে মূল লড়াই সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। নির্বাচন ঘোষণা হতেই শাসকপক্ষকে চমকে দিয়ে বামফ্রন্ট প্রার্থী ঘোষণা করে। সিপিআইএম ত্রিপুরার রাজ্য সম্পাদক জীতেন্দ্র চৌধুরী জানান, সরকারের প্রতি জনগণের ক্ষোভের প্রকাশ হতে চলেছে ভোটে।

বিরোধী দলের প্রচার শুরু হতেই ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মিটিয়ে’ শাসক বিজেপি তাদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে। তবে এর পরেই আগরতলা পুরনিগমের বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিক্ষুব্ধ বিজেপি প্রার্থীদের নিয়ে গলদঘর্ম পরিস্থিতি। অভিযোগ, এরই মাঝে বেশ কয়েকজন প্রার্থী ও আরএসএস নেতা আক্রান্ত হয়েছেন। প্রতিক্ষেত্রেই এসেছে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা।

শাসক ও বিরোধীদের পুরনিগম ভোট যুদ্ধের মাঝে দেখা নেই কংগ্রেসের। তবে কংগ্রেস প্রার্থী বাছাই করছে বলেই জানান প্রদেশ নেতারা।

<

p style=”text-align: justify;”>তবে সব নজর আটকেছে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী কারা হচ্ছেন তার উপরেই। টিএমসির দাবি সাময়িক কিছু সমস্যা আছে। ত্রিপুরায় এবার সরাসরি প্রখমবার ভোটে নামছে দল। শাসকদল বিজেপি থেকে ক্রমাগত সমর্থক ও নেতারা ভেঙে আসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে। দ্রুত প্রার্থীদের নাম জানানো হবে। কিন্তু কবে বের হবে সেই তালিকা? টিএমসি ত্রিুপুরা নেতারা বলছেন, সবই জানেন কলকাতার লোকেরা!

Teipura: আগরতলা পুর নির্বাচনে BJP-CPIM কুস্তির মধ্যেই TMC খুঁজছে ফাঁক

abhishek

News Desk: রাতভর জনসভাস্থলের অনুমতি নিয়ে বিস্তর টালবাহানা চলেছে। সর্বশেষ ফের আগরতলায় পূর্ব নির্ধারিত রবীন্দ্রভবন সংলগ্ন স্থানেই মিলেছে তৃণমূল কংগ্রেসের জনসভার অনুমতি। এই মঞ্চে ভাষণ দেবেন টিএমসির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

সূত্রের খবর, গোয়ায় দলের ভোট পূর্ববর্তী কর্মসূচি সেরে কলকাতা ফিরবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসন্ন আগরতলা পুরনিগম ভোটে তিনিও প্রচারে আসবেন। তবে তার আগে ভাইপো কে দিয়েই নতুন করে ত্রিপুরায় রাজনৈতিক যুদ্ধ শুরু করিয়ে দিয়েছেন মমতা।

পশ্চিমবঙ্গে টানা তিনবার শাসনে এসে তৃণমূল কংগ্রেস বাংলাভাষী প্রধান রাজ্য ত্রিপুরায় নিজেদের বিস্তার ঘটাতে মরিয়া। সর্বশেষ ভোট পরিসংখ্যান বলছে তৃণমূল এ রাজ্যে ০.৩ শতাংশ ভোট পেয়েছে। সেই পুঁজি নিয়েই বারবার ত্রিপুরার শাসকদল বিজেপিকে আক্রমণ শুরু করেছে তৃণমূল।

আসন্ন আগরতলা পুরনিগম ভোটে পরীক্ষা দিতে মরিয়া টিএমসি। যদিও দলের তরফে কোনও প্রার্থী ঘোষণা হয়নি। টিএমসির দাবি, বিজেপি থেকে হু হু করে সমর্থক চলে আসছেন মমতার শিবিরে। টিএমসির উপর বারবার হামলার প্রমাণ রাজ্যের বিজেপি জোট সরকার ভীত। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব গণতান্ত্রিক পথ নিতে চাননা।

আগরতলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ছিল শনিবার। রাতে সভার অনুমতি মিলতেই ‘বিজয় উল্লাস’ পালন করেন টিএমসি নেতা কর্মীরা। অভিযোগে এদের বেশিরভাগই পশ্চিমবঙ্গের। শুধুমাত্র রাজ্যে টিএমসির সাংগঠনিক প্রসারের দায়িত্ব নিয়ে আসা সুস্মিতা দেব অসমবাসী।

আগরতলা পুরনিগম দখলে শাসক বিজেপি ও বিরোধী সিপিআইএমের মধ্যে মূল লড়াই হবে। বিজেপি শিবিরও জানিয়েছে, বিরোধী বামেরা প্রচারে এগিয়ে। তবে রবিবার থেকেই পূর্ণ উদ্যমে নামছে বিজেপি। পুর যুদ্ধে রয়েছে একদা রাজ্যের শাসক ও টানা কয়েক দশক বিরোধী থাকা কংগ্রেস।

Tripura: মমতার জয়ে আগরতলায় রসগোল্লা উৎসবে মত্ত TMC

mamata banerjee tmc supporters of tripura distributed rosogolla

নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ থেকে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata banerjee) জয়ের সংবাদ এক মুহূর্তে পৌঁছে গেল ত্রিপুরায়। বাংলাভাষী প্রধান এই রাজ্যেও শূন্য হয়ে যাওয়া টিএমসি সমর্থকদের মধ্যে এতটাই উল্লাস যে তারা রসগোল্লা উৎসব শুরু করেছেন।

হাঁড়ি হাঁড়ি রসগোল্লা পথচলতি সবাইকে খাওয়ানোর পালা চলছে। আগরতলায় তৃণমূল সমর্থকদের দাবি, পশ্চিমবঙ্গের পর ত্রিপুরাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিজেপি ও সিপিআইএমকে পরাজিত করে সরকার গড়া হবে।

রসগোল্লা খাওয়ানোর পিছনে জয় ও জনসংযোগ দুটোই চালাচ্ছে ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেস। তবে এই রাজ্যে লোকসভা ভোটের নিরিখে তৃণমূলের প্রাপ্তি ০.৩ শতাংশ। এই শক্তি নিয়েই ত্রিপুরার আসন্ন বিধানসভা ভোটে ঝাঁপিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

mamata banerjee tmc supporters of tripura distributed rosogolla

সূত্রের খবর সরকারে থাকা বিজেপির বিধায়করা দলত্যাগে তৈরি। ত্রিপুরায় বিজেপি শিবিরেও ভাঙন স্পষ্ট। সূত্রের খবর, উপনির্বাচনে মমতার জয় ঘোষণা হতেই ত্রিপুরায় শাসক বিজেপির বিদ্রোহী বিধায়করা দলত্যাগ শুরু করবেন। এদের নেতৃত্বে রয়েছেন বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ।

সুদীপবাবু গত বিধানসভা ভোটের আগে কংগ্রেস ছেড়ে অনুগামীদের নিয়ে তৃণমূলে যান। সে রাজ্যে বিরোধী দল হয় টিএমসি। পরে তিনিই আবার অনুগামীদের নিয়ে বিজেপিতে যান। ভোটে সরকার পরিবর্তন হয়। বাম সরকারকে হারিয়ে বিজেপি জোট সরকার গড়ে।

পশ্চিমবঙ্গে তিনবার সরকার গড়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসকে পুনরায় শক্তিশালী করতে মরিয়া। ইতিমধ্যেই বিজেপিতে ভাঙন ধরছে। শনিবার বিজেপি বিধায়ক আশিস দাস কলকাতায় টিএমসি ভবনে এসে কথাবার্তা পাকা করেছেন বলেই সূত্রের খবর

#BharatBandah: ত্রিপুরায় বনধে সফল মানিক, বাংলায় বিফল সূর্য-সেলিম

Bharat-Bandh tripura

নিউজ ডেস্ক: সরকারে নেই দু রাজ্যেই। তবে সরকার হারানোর বামেদের পর তেজ কিন্তু ত্রিপুরাতেই। আগামী বিধানসভা ভোটের আগে ফের সাংগঠনিক শক্তির দেখনাদারিতে সফল হলেন মানিক সরকার। ত্রিপুরায় বনধের বিরাট প্রভাব। এমনকি বিজেপির দখল করা বিধানসভাগুলিতেও জনজীবন স্তব্ধ হয়ে গেছে।

দেশজোড়া বনধের জেরে উত্তর পশ্চিম ভারতের সঙ্গে রাজধানী নয়াদিল্লির সড়ক ও রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে কৃষক সংগঠনগুলি। বিভিন্ন রাজ্যে বনধের প্রভাব পড়লেও পশ্চিমবঙ্গে বনধ পালনে ফের ব্যর্থ বামেরা। বিক্ষিপ্ত কিছু ট্রেন রোকো ও বাজার বন্ধ করাতে পারলেও মোটের উপর রাজ্যে বনধ ব্যর্থ করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তিনি বনধের সবকটি ইস্যুকে সমর্থন করছেন বলে জানান।

বনধ যে বাংলায় তেমন হবে না তা বুঝেই গিয়েছিল সিপিআইএম সহ বাম দলগুলি। কিন্তু বঙ্গ বামেদের লজ্জায় ফেলে দিয়ে ফের শক্তি পরীক্ষায় পাশ মার্ক পেল ত্রিপুরা সিপিআইএম। এ রাজ্যে বিরোধী দলের ডাকা যতগুলি বনধ হয়েছে সবকটিকেই ছাপিয়ে গেছে সোমবারের ভারত বনধের ছবি।

কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের কৃষি আইনের বিরোধিতায় সর্বভারতীয় কৃষক সংগঠনগুলির ডাকা ভারত বনধের সমর্থনে মানিক সরকার আগেই জানিয়েছিলেন, ত্রিপুরা স্তব্ধ করে দেওয়া হবে। খোদ বিজেপি শাসিত রাজ্য সকাল থেকেই স্তব্ধ।

রাজধানী আগরতলা শুনশান। কৈলাসহর, ধর্মনগর, সাব্রুম, পানিসাগর, গোমতী, বিশালগড়, উদয়পুর সহ রাজ্যের সর্বত্র বনধে বিরাট প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। একেবারে শুনশান চারিদিক। আগরতলায় বনধের প্রভাব সবথেকে বেশি বলেই মনে করা হচ্ছে। বনধে বিক্ষিপ্ত অশান্তি রুখতে রাজ্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

সবথেকে উল্লেখযোগ্য, যে পার্বত্য উপজাতি অঞ্চলে সিপিআইএম এবারের বোর্ড হারিয়ে শূন্য হয়েছে এডিসি নির্বাচনে সেখানেও বনধের বড় প্রভাব পড়েছে।

গত নির্বাচনে টানা ২৫ বছরের বাম সরকারের পতন হয় ত্রিপুরায়। বিরোধী দল সিপিআইএমের দখলে থাকা বিধানসভাগুলির পাশাপাশি সরকারপক্ষ বিজেপি ও আইপিএফটি জোটের দখলে যাওয়া বিধানসভাতেও বনধের ‘সর্বাত্মক প্রভাব’ পড়েছে।

পাক হামলার বিরুদ্ধে জনমত গঠন, CPIM ত্রিপুরা রাজ্য সম্পাদককে শেষ শ্রদ্ধা বাংলাদেশের

Cpim leader Goutam das passes away

নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১ সালে ভারত পাকিস্তান সংঘর্ষের আরও একটি রাজনৈতিক দিক হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রাম-মুক্তিযুদ্ধ। সেই সংঘর্ষের অন্যতম কেন্দ্র ছিল আগরতলা। ততকালীন ত্রিপুরার তরুণ সিপিআইএম নেতা গৌতম দাস মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে জনমত গঠন করতেন। সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তাঁর লেখনি আলোড়ন ফেলত।

প্রয়াত সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক গৌতম দাসকে শেষ শ্রদ্ধা জানাল বাংলাদেশ সরকার। সিপিআইএম পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা কার্যালয়ে গিয়ে প্রয়াত নেতার দেহে পুষ্পস্তবক দেন আগরতলার বাংলাদেশ অ্যাসিস্ট্যান্ট হাইকমিশনার ও দূতাবাসের কর্মীরা।

রাজনৈতিক জীবনে বহু সম্মান পেয়েছেন গৌতম দাস। এর মধ্যে ছিল অনন্য ‘মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা’। প্রতিবেশি বাংলাদেশের স্বাধীনতার লড়াই ‘মুক্তিযুদ্ধ’ চলাকালীন ত্রিপুরায় সিপিআইএমের তরুণ নেতা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন গৌতম দাস। সেই সূত্রে তাঁকে এই সম্মান দেয় বাংলাদেশ সরকার।

সিপিআইএম ত্রিপুরা রাজ্য কমিটি জানিয়েছে, গৌতম দাসের জন্ম ১৯৫১ সালের ২৬ আগস্ট তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের চট্টগ্রামে। পরে তাঁর পরিবার আগরতলায় চলে আসে। রাজনৈতিক জীবনে গৌতম দাস বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখতেন। প্রতিবেশি দেশের বামপন্থী দল ওয়ার্কাস পার্টি, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ছিল।

বৃহস্পতিবার সিপিআইএম ত্রিপুরা রাজ্য সম্পাদকের প্রয়াণ হয় কলকাতায়। রাতেই তাঁর দেহ আনা হয় ত্রিপুরায়। রাতভর ভিড় ছিল রাজ্যের বিরোধী দলের রাজ্য দফতরে। আগরতলা লোকারণ্য। সিপিআইএমের প্রয়াত রাজ্য সম্পাদককে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন ত্রিপুরাবাসী।

মানিক, বাদল, জীতেন্দ্র, কার হাতে সিপিআইএমের ভার, প্রবল গুঞ্জন ত্রিপুরায়

next state secretary of tripura cpim

নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত ত্রিপুরা সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক গৌতম দাস। করোনা আক্রান্ত হয়ে কলকাতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর প্রয়াণ হয়। গৌতমবাবু এমন সময়ে প্রয়াত হলেন যখন ত্রিপুরায় বিধানসভা ভোট নিকটে এসে পড়েছে। বিরোধী দল সিপিআইএম কোমর বেঁধে নামছে ভোট ময়দানে। দলের তরফে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী তথা টানা কুড়ি বছরের মুখ্যমন্ত্রী থাকা মানিক সরকার।

বৃহস্পতিবার কলকাতায় গৌতম দাসের প্রয়াত হতেই আগরতলার রাজনৈতিক মহলে শোক ছড়ায়। তাৎপর্যপূর্ণ, তিনি যে বছর সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক হন সেই ২০১৮ সালেই ত্রিপুরায় পতন হয় টানা ২৫ বছরের বাম শাসনের। ক্ষমতায় আসে বিজেপি আইপিএফটি জোট সরকার। সিপিআইএম হয়ে যায় বিরোধী দল।

সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক থাকাকালীন বারবার সরকারের বিরুদ্ধে তীক্ষ্ণ আক্রমণ করেছেন গৌতমবাবু। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের পরেই তাঁর মুখ আগরতলার সংবাদ মাধ্যমে বাম নেতাদের মধ্যে বেশি ভেসে উঠত। সোমবার তিনি প্রয়াত হওয়ার পর রাজ্য সম্পাদক পদে কে বসছেন ? এই প্রশ্ন যেমন বাম মহলে, তেমনই সরকারপক্ষ বিজেপিতেও। কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যেও ঘুরছে একই প্রশ্ন।

গুঞ্জন, বিরোধী দলনেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারকে রাজ্য সম্পাদকের সাময়িক দায়িত্ব দিতে পারে সিপিআইএম। তিনি এক সময় এই দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে আরও দুটি মুখ বেছে রাখা হচ্ছে। প্রথমেই রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ ও দাপুটে নেতা জীতেন্দ্র চৌধুরী ও দ্বিতীয় পছন্দ হিসেবে প্রাক্তন মন্ত্রী বাদল চৌধুরী। এর পরে নাম ভেসে আসছে প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার পবিত্র করের।

মানিক বাদল জীতেন্দ্র ত্রিপুরা সিপিআইএমের তিন জবরদস্ত মুখ। বলা হয়,বঙ্গ বাম যেমন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের পর দ্বিতীয় কোনও মুখ তৈরি না করার খেসারত দিয়ে ভোট ময়দানে শূন্য হয়েছে, সেই ভুল করেনি ত্রিপুরার সিপিআইএম। তাদের তিন নেতা সবসময় সামনের সরিতে।

মানিক সরকারের পরিচিতি দেশ ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও। জীতেন্দ্র চৌধুরীর রাষ্ট্র জনপ্রিয়তা উপজাতি মহলে। সেখানে তিনি নতুন করে সংগঠন চাঙ্গা করছেন। আর প্রাক্তন পূর্ত মন্ত্রী বাদল চৌধুরী দাপুটে নেতা হিসেবে পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে জেলে পাঠিয়েছিল সরকার। তবে আইনি প্রক্রিয়ায় সরকারের মুখ পুড়েছে। বাদলবাবু জনপ্রিয়। এর পরেই থাকছেন পবিত্র কর। বিধানসভা পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাইবে দল।

রাজা প্রদ্যোতের সঙ্গে জোট সম্ভাবনা, মমতার জমি শক্ত হচ্ছে ত্রিপুরায়

Mamata and Pradyot Manikya

#Tripura নিউজ ডেস্ক: বঙ্গ বিধানসভার সর্বশেষ ভোটের ফলাফলে টিএমসি ও বিজেপির দ্বৈরথে ‘ছাগলের তৃতীয় সন্তানের মতো অবস্থা’ একদা রাজ্যের দুই শাসক দলের। সে ছিল এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার ফলাফল ঘোষিত হচ্ছিল। টিএমসি ও বিজেপির প্রার্থীদের জয় ও সংযুক্ত মোর্চার পরাজয়ের সংবাদ আসছিল। সর্বশেষে বঙ্গ বিধানসভায় শূন্য হয়ে গেল বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস। মুজফ্ফর আহমেদ ভবনে সিপিআইএম রাজ্য দফতরের নেমেছিল ঘুমঘুম ভাব। বিধান ভবনে প্রদেশ কংগ্রেস দফতরে অসহায় নীরবতা। জোটের শরিক একমাত্র আইএসএফের দখলে একটি আসন।

পশ্চিমবঙ্গের মতো ত্রিপুরার (Tripura) উপজাতি পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদ (ADC) বোর্ড গঠনের ফলাফলে শূন্য প্রাপ্তি হয় বামেদের। তবে শাসক বিজেপি তাদের উপজাতি শরিক দলও পারেনি বোর্ডের দখল নিতে। আচমকা ঝড়ের মতো এসে ক্ষমতা দখল করে নিলেন রাজা প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মা (Pradyot Bikram Manikya Deb Barma)। তাঁর দল তিপ্রা মথা উপজাতি এলাকার সদর খুমলুঙের নিয়ন্ত্রক। আগরতলার রাজনৈতিক মহলের গুঞ্জন রাজামশাইয়ের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সুসম্পর্ক আরও একটা চমক তৈরি করবে।

বিধানসভার মোট ৬০ টি আসন। উপজাতি এলাকার মধ্যে পড়ছে ২০টি আসন। তার প্রায় নিরানব্বই শতাংশ এলাকায় এখন তিপ্রা মথা অর্থাত রাজা প্রদ্যোতের কর্তৃত্ব। বাকি থাকে ৪০টি আসন। এতে লড়াইয়ে আছে বিরোধী দল সিপিআইএম ও কংগ্রেস। সূত্রের খবর সরকারে থাকলেও বিজেপি ক্রমে জমি হারাচ্ছে সর্বত্র।

পশ্চিমবঙ্গে টানা তিনবার জয়ী হয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নজর ঘুরিয়েছেন ত্রিপুরার দিকে। ফের এই রাজ্যে টিএমসির রাজনৈতিক কর্মসূচি চলছে। দলনেত্রীর তরফে রাজ্য চষছেন সুস্মিতা দেব। অসমের শিলচরের সদ্য কংগ্রেসত্যাগী সুস্মিতা প্রয়াত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সন্তোষ মোহন দেবের কন্যা। তিনি রাজা প্রদ্যোত একসঙ্গে দীর্ঘ সময় কংগ্রেসে ছিলেন। পুরনো সম্পর্ক। মনে করা হচ্ছে জোটের সমীকরণে বড় ভূমিকা নিচ্ছেন সুস্মিতা দেব।

সূত্রের খবর, রাজা প্রদ্যোতের সঙ্গে সুসম্পর্ক মমতারও। তিপ্রা মথা ও টিএমসির জোটে এই সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। পরিস্থিতি এই দিকে গেলে তৃণমূল কংগ্রেসের জমি শক্ত হবে ত্রিপুরায়। পার্বত্য উপজাতি এলাকা শরিকদের হাতে ছেড়ে বহু পরিচিত বিজেপির বিক্ষুব্ধ নেতার শক্তিতে সমতল এলাকায় রাজনৈতিক যুদ্ধে নামবেন মমতা। সূত্র খবর, এই নেতা মনস্থির করে নিয়েছেন। শুধু বিজেপি ত্যাগ করার ঘোষণার অপেক্ষা। তাঁর নেতৃত্বে গত নির্বাচনের আগে ত্রিপুরার বিরোধী দল কংগ্রেস এক নিমেষে তৃণমূল হয়েছিল। তারই নেতৃত্বে সেই তৃণমূলীরা হয়েছেন বিজেপি। ফের তারা মমতামুখী।

Photo Gallery: জ্বলছে ত্রিপুরা-আগরতলায় আতঙ্ক

Attack on cpim tripura state office at agaartala

রাজনৈতিক হামলায় বিরোধী দল সিপিআইএম রাজ্য দফতর পুড়েছে। এমনই আগুন যে আসেপাশের কয়েকটি বাড়িতেও আগুন ছড়ায়। অভিযোগ পুলিশ নির্বিকার। হামলায় অভিযুক্ত সরকারে থাকা বিজেপি সমর্থকরা। বু়ধবার ত্রিপুরায় একের পর এক জেলা সদর, মহকুমা ছাড়িয়ে তীব্র রাজনৈতিক উত্তাপে খোদ রাজধানী আগরতলা শহর যেন জ্বলন্তপুরী। আগুনে জ্বলছে ত্রিপুরা দেখুন ছবিতে

জ্বলছে আগরতলা, মাইনাস জিরো পারফরম্যান্স বিজেপির, জনবিচ্ছিন্ন দল: মানিক সরকার

Political vandalism creats controversy in tripura

নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক হামলায় বিরোধী দল সিপিআইএম রাজ্য দফতর পুড়েছে। এমনই আগুন যে আসেপাশের কয়েকটি বাড়িতেও আগুন ছড়ায়। অভিযোগ পুলিশ নির্বিকার। হামলায় অভিযুক্ত সরকারে থাকা বিজেপি সমর্থকরা। বু়ধবার ত্রিপুরায় একের পর এক জেলা সদর, মহকুমা ছাড়িয়ে তীব্র রাজনৈতিক উত্তাপে খোদ রাজধানী আগরতলা শহর যেন জ্বলন্তপুরী।

দলীয় রাজ্য দফতরে আগুন ধরানো ও জনজীবনে হামলার প্রতিক্রিয়ায় বিরোধী দলনেতা ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার ক্ষোভ উগরে দেন। তিনি বলেন, মাইনাস জিরো পারফরম্যান্স বিজেপির, জনবিচ্ছিন্ন দল হয়ে গিয়েছে। তবে পুরো ঘটনায় বিজেপি ত্রিপুরা প্রদেশ সম্পূর্ণ নীরব।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ত্রিপুরার রাজনৈতিক জ্বলন্ত পরিবেশ। ভয়াবহ পরিস্থিতি। রাজপথ দিয়ে দৌড়ে পালাচ্ছেন জনগণ। পরপর দোকান লুঠ হচ্ছে। একের পর এক গাড়িতে আগুন ধরানো হচ্ছে। সেই সঙ্গে স্লোগান ‘জয় শ্রী রাম’, এই মাটিতেই হিসেব হবে। আতঙ্কিত আগরতলাবাসী। খোদ ত্রিপুরার রাজধানীতে এখন অগ্নিগর্ভ পরিবেশ। হামলায় অভিযুক্ত বিজেপি।

জ্বলছে ত্রিপুরা

পরিস্থিতি এমন যে আগরতলায় জনগণ প্রবল আতঙ্কিত। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের কনভয় সোমবার তাঁর বিধানসভা কেন্দ্র ধনপুরে আটকেছিল বিজেপি সমর্থকরা। মানিকবাবু নিজে নেমে রুদ্রমূর্তি নেন। বাম সমর্থকরা ঝাঁপিয়ে পড়ে বিজেপির সমর্থকদের উপরে। রণে ভঙ্গ দেয় বিজেপি। মাত্র একদিনের মধ্যেই মারের বদলা নিতে অগ্নিমূর্তি ধারণ করল বিজেপি বলে অভিযোগ। আগরতলা জ্বলছে। বিশালগড়, উদয়পুর সহ রাজ্যের সর্বত্র হামলায় অভিযুক্ত বিজেপি। অভিযোগ, পুলিশের সামনেই পরপর আগরতলায় একটার পর একটা দোকান ভাঙচুর করা হয়।

আগরতলায় সিপিআইএমের রাজ্য দফতরে হামলার পাশাপাশি কয়েকটি সংবাদপত্র দফতরেও হামলা হয়। সিপিআইএম ত্রিপুরা রাজ্য কমিটির অভিযোগ, বিশালগড়ে তাদের দলীয় দফতরে হামলা করে আগুন ধরিয়েছে বিজেপির সমর্থকরা। প্রকাশ্যেই আগ্মেয়াস্ত্র নিয়ে আস্ফালন করছে হামলাকারীরা। এমন ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

Tripura: ‘জয় শ্রী রাম’ বলে হামলা CPIM রাজ্য দফতরে, পরপর গাড়িতে আগুন

Attack on cpim tripura state office at agaartala

আগরতলা: মাত্র একদিনের মধ্যেই মারের বদলা নিতে অগ্নিমূর্তি ধারণ করল বিজেপি। আগরতলা জ্বলছে। সিপিআইএম রাজ্য দফতরে হামলায় অভিযুক্ত বিজেপি। রাজপথে থাকা একটার পর একটা গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ সরকারে থাকা দলটির সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

Attack on cpim tripura state office at agaartala

পরিস্থিতি এমন যে আগরতলায় জনগণ প্রবল আতঙ্কিত। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের কনভয় তাঁর বিধনসভা কেন্দ্র ধনপুরে আটকেছিল বিজেপি সমর্থকরা। মানিকবাবু নিজে নেমে রুদ্রমূর্তি নেন। বাম সমর্থকরা ঝাঁপিয়ে পড়ে বিজেপির সমর্থকদের উপরে। রণে ভঙ্গ দেয় বিজেপি।

Attack on cpim tripura state office at agaartala

ঘটনার জেরে ত্রিপুরা সহ গোটা দেশে ছড়ায় চাঞ্চল্য। বুধবার আগরতলা, বিশালগড়, উদয়পুর সহ রাজ্যের সর্বত্র অগ্নিমূর্তি নেয় বিজেপি সমর্থকরা। অভিযোগ, পুলিশের সামনেই পরপর আগরতলায় একটার পর একটা দোকান ভাঙচুর করা হয়। আগরতলায় সিপিআইএমের রাজ্য দফতরে হামলা হয়েছে।

 

সিপিআইএম ত্রিপুরা রাজ্য কমিটির অভিযোগ, বিশালগড়ে তাদের দলীয় দফতরে হামলা করে আগুন ধরিয়েছে বিজেপির সমর্থকরা। আগরতলার পরিস্থিতি প্রবল উত্তপ্ত। প্রকাশ্যেই আগ্মেয়াস্ত্র নিয়ে আস্ফালন করছে হামলাকারীরা। এমন ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

ত্রিপুরা: সন্তোষ মোহনের নেতৃত্বে বাম হটিয়ে কংগ্রেস সরকার গড়েছিল, সুস্মিতায় বাজি মমতার

Susmita Dev

#Tripura
নিউজ ডেস্ক: পিতা সন্তোষমোহন দেব পাঁচবার অসমের শিলচরের সাংসদ। দুবার ত্রিপুরা থেকে নির্বাচিত। তাঁর নেতৃত্বেই কংগ্রেস ত্রিপুরায় হারিয়েছিল কিংবদন্তি সিপিআইএম নেতা নৃপেন চক্রবর্তীর নেতৃত্বে চলা বামফ্রন্ট সরকারকে। গান্ধী পরিবার ঘনিষ্ঠ প্রয়াত সন্তোষ মোহনের কন্যা সুস্মিতাকে এবার আগরতলার রাজনৈতিক মাঠে বাজি ধরলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বুধবার ত্রিপুরায় পৌঁছান সন্তোষ মোহন কন্যা সুস্মিতা দেব। তিনি সদ্য কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। আগরতলায় সাংবাদিক সম্মেলনে সুস্মিতা দেব রাজ্যে আসন্ন বিধানসভার ভোটে কংগ্রেসের সঙ্গে জোটের ইঙ্গিত দিয়েছেন।

সূত্রের খবর, ত্রিপুরায় কংগ্রেসের যে ভোটব্যাংক রয়েছে সেটির দিকে নজর তৃণমূল কংগ্রেসের। ফলে প্রয়াত সন্তোষ মোহন দেবের কন্যাকে আগরতলার রাজনৈতিক লড়াইয়ে নামিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।

বুধবার আগরতলায় সাংবাদিক সম্মেলন করেন সুস্মিতা দেব। তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে সংগঠন মজবুত করতে ত্রিপুরায় এসেছেন। এর পরেই তাঁর ইঙ্গিত জোটের দিকে। সুস্মিতা দেব জানিয়েছেন আসন ভাগাভাগি নিয়ে যার সঙ্গে চূড়ান্ত রফা হবে তাদেরই জোটে নেওয়া হবে। কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের মূল রাজনৈতিক শত্রু বিজেপি।

অসমের বরাক উপত্যকা থেকে ত্রিপুরার রাজনীতিতে নেমেই সদ্য তৃণমূলী হওয়া সুস্মিতা দেবের ইঙ্গিত এ রাজ্যেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মা মাটি মানুষের সরকার তৈরি হবে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে।

সদ্য কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন অসমের বরাক উপত্যকার জবরদস্ত নেত্রী সুস্মিতা দেব। তিনি উত্তর পূর্বাঞ্চলের অন্যতম বাঙালি নেত্রী। সুস্মিতা তৃণমূলে আসার পরেই ধারণা করা হচ্ছিল ত্রিপুরা বিধানসভার ভোটে তাঁকে নামাতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আগরতলায় পৌঁছে সুস্মিতা জানিয়েছেন, মমতাদি যে পতাকা হাতে দিয়েছেন তাই নিয়ে ত্রিপুরায় লড়াই করব। অসমের বাংলাভাষী এলাকা বরাক উপত্যকার কাছাড় জেলার তাবড় নেত্রী সুস্মিতা। শিলচর থেকে দুবারের সাংসদ ছিলেন। গত লোকসভা ভোটে তিনি পরাজিত হন। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় মহিলা শাখার নেত্রী ছিলেন।

ত্রিপুরা টালমাটাল: বন্ধ ঘরে মিটিং বিজেপির, মুখ্যমন্ত্রীর থমথমে মুখ

BJP CM Tripura Biplab deb

নিউজ ডেস্ক: কী হবে এবার? বিদ্রোহী বিধায়কদের চাহিদা অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রী বদল নাকি পুরো বিজেপিটাই পড়ে যাবে-দুটি প্রশ্ন নিয়েই টালমাটাল ত্রিপুরা। আগরতলার কৃষ্ণনগরে বিজেপির প্রদেশ কার্যালয়ের সামনে যেন হাজির হয়েছে আশঙ্কার বুলডোজার।

সোমবার সন্ধের পরেই মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব, উপমুখ্যমন্ত্রী যীষ্ণু দেববর্মণ, শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ সহ মন্ত্রিসভার বিপ্লব শিবিরের সবাই মুখ ভার করে ঢুকেছেন বৈঠকে। আগরতলায় এসেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক দিলীপ সইকিয়া। তাঁর উপস্থিতিতেই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

রবিবার দল ও সরকারকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের নেতা সংস্কারপন্থী সুদীপ রায় বর্মণ। তাঁর উদ্যোগে আগরতলায় বিরাট সমাবেশ হয়। তাতে যোগ দেন বিক্ষুব্ধ বিধায়ক ও সমর্থকরা। মঞ্চ থেকেই সুদীপবাবু সরাসরি হুঁশিয়ারি দেন, শেষ সুযোগ দিচ্ছি। শুধরে যান। কর্মীদের কথা শোনা হোক দলে। নতুবা চরম সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সুদীপবাবুর হুমকির পরেই প্রবল আলোড়ন ছড়ায় উত্তর পূর্বাঞ্চলের অন্যতম বাংলাভাষী রাজ্য ত্রিপুরায়। গুঞ্জন, সুদীপবাবু ফের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরবেন। তবে তিনি এই বিষয়ে কিছু বলেননি। কিন্তু তাঁর হুঁশিয়ারি দিচ্ছে ইঙ্গিত। রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব বনাম সুদীপ রাযবর্মণের সংঘাত চলছেই।

ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের দাবি, যে কোনও দিন সরকার পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে সুদীপ রায়বর্মণ নেবেন মুখ্য ভূমিকা। রাজ্যে সংস্কারপন্থী বিধায়কদের তিনিই নেতা। বিজেপির অভ্যন্তরে বিদ্রোহের ছায়া ক্রমে লম্বা হচ্ছে।

বিধানসভায় বিরোধী দল সিপিআইএম। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিরোধী নেতা মানিক সরকারের দাবি, বিজেপির অ-গণতান্ত্রিক রাজনীতি রাজ্যে অসহনীয় পরিবেশ তৈরি করেছে। নির্বাচনে তাদের পতন নিশ্চিত। শক্তি প্রদর্শন করতে বিলোনিয়া, ধর্মনগর, সাব্রুম, আগরতলায় বড়বড় মিছিল করছে বামেদের শাখা সংগঠনগুলি।

পশ্চিমবঙ্গে তিনবার ক্ষমতা ধরে রেখে তৃণমূল কংগ্রেস এবার ত্রিপুরায় ঝাঁপাচ্ছে। গত বিধানসভা ভোটের আগে তৎকালীন বিরোধী দল কংগ্রেসের বিধায়করা দলত্যাগ করে প্রথমে তৃণমূলেই গিয়েছিলেন। তাঁরা পরে বিজেপি হন। ভোটে বিজেপি জোট সরকার গড়ে। ২৫ বছরের বাম সরকার পড়ে যায়। আগামী বিধানসভা ভোটের আগে ফের সেই বিধায়কদের বিদ্রোহ যেন বুলডোজার হয়ে সবকিছু গুঁড়িয়ে দিতে তৈরি।

সেপ্টেম্বর ‘ভয়’: মমতার আগরতলা গমনে বিজেপি সরকার সংখ্যালঘু হওয়ার দিকে

Mamata Banerjee

নিউজ ডেস্ক: আসছে সেপ্টেম্বর মাসে কী জানি কী হয়! এমনই ভয় ছড়িয়ে ত্রিপুরা (Tripura) প্রদেশ বিজেপি কার্যালয়ে। আসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর উপস্থিতিতে বড়সড় ধস নামতে পারে সরকারপক্ষে। ফলে ত্রিপুরায় বিজেপি (TMC) জোটের ডবল ইঞ্জিন সরকার লাইনচ্যুত হওয়ার গুঞ্জন উত্তর পূর্বাঞ্চলের সব রাজ্যে। সেপ্টেম্বরেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আগরতলায় জনসভা হতে চলেছে।

তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে জানা যাচ্ছে, আগরতলার আস্তাবল ময়দানে (বর্তমান স্বামী বিবেকানন্দ স্টেডিয়াম) তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর জনসভা হবে। সেখানেই বিজেপির অন্তত ১২ জন বিধায়ক ফের ফিরতে পারেন তৃণমূল কংগ্রেসে।

কলকাতায় টিএমসি সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করেছেন ত্রিপুরা সরকারের বিদ্রোহী তথা সংস্কারপন্থী বিধায়করা। নেতৃত্বে রয়েছেন সুদীপ রায় বর্মণ। তিনি মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের (Biplab Deb) প্রবল প্রতিপক্ষ।

সুদীপবাবুর হাত ধরেই গত বিধানসভা ভোটের আগে বিরোধী দল কংগ্রেস ছেড়ে এই বিধায়করা টিএমসিতে যোগ দিয়েছিলেন। সেই মুহূর্তে ত্রিপুরায় টিএমসি হয়েছিল বিরোধী দল। মমতা-সুদীপ সখ্যতা বেশিদিন চলেনি। সুদীপবাবুর রাজনৈতিক গুরু মুকুল রায় বিজেপিতে যান। সেই সূত্রেস সুদীপবাবু টিএমসি ত্যাগ করে বিজেপিতে যান। নির্বাচনে টানা ২৫ বছরের বামফ্রন্ট সরকারের পতন হয়। বিজেপি-আইপিএফটি জোট এখন সরকারে।

ত্রিপুরায় বিজেপি প্রথমবার সরকার গড়ে। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হন সুদীপবাবু। তবে সরকারের কাজে লাগাতার অসন্তোষ দেখাতে থাকেন। তাঁকে মন্ত্রিসভা থেকে সরানো হয়। শুরু হয় সুদীপবাবুর বিদ্রোহ।

গত চার বছরে ত্রিপুরা বিজেপির অন্দরে সুদীপবাবুর অনুগামীরা বিতর্কিত স্লোগান চালু করেছেন, ‘বিপ্লব হটাও ত্রিপুরা বাঁচাও’। এই বিদ্রোহী বিধায়কদের সবাই সরাসরি তৃণমূলে ফিরতে মরিয়া। তাঁরা দলত্যাগ করলে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবে বিজেপি।

ত্রিপুরা বিধানসভা এখন এমন-
tripura bidhansavaপশ্চিমবঙ্গে টানা তিনবার সরকার গড়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুুকুল রায় বিজেপি ছেড়ে মমতা শিবিরে ফিরেছেন। সেই থেকে ত্রিপুরায় ফের মুকুল শিষ্য সুদীপ বর্মণ ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমীকরণ জমাট হতে শুরু করেছে।

রাজ্যে ০.৩ শতাংশ ভোট নিয়ে টিএমসি শুরু করেছে ‘খেলা হবে’। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আগরতলা সফরে কী ঘটবে তা স্পষ্ট জানেনা বিজেপি। প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএমের দাবি, কোনও অবস্থায় বাম বিধায়করা পক্ষত্যাগ করবেন না।

গোয়েন্দা রিপোর্ট: ত্রিপুরায় দূর্বল হচ্ছে বিজেপি, ঘর গোছাচ্ছে মানিক-মমতা

Bjp loosing supporter base In tripura

নিউজ ডেস্ক: ফের মানিক নাকি মমতামুখী ত্রিপুরা? আগরতলার রাজনৈতিক মহলের এমন গুঞ্জন যে আসলেই ত্রিপুরার শাসক বিজেপির জন্য বড়সড় ধসের ইঙ্গিত সেটি সরকারকে জানিয়েছে গোয়েন্দা রিপোর্ট।

মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের কাছে পৌঁছে যাওয়া রিপোর্টের কিছু অংশ জেনে ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপির শীর্ষ নেতাদের একাংশ খোদ মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই ক্ষুব্ধ। বিজেপি সমর্থকদের তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে চলে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ছেই। গোয়েন্দা রিপোর্টে এসেছে এই তথ্য।

ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেসে দাবি, হুড়মুড়িয়ে বিজেপি ভেঙে পড়বে। নাম প্রকাশ না করলেও টিএমসি জানাচ্ছে, রাজ্যের শাসকপক্ষের দুই বিধায়ক মমতা শিবিরে ফিরে আসছেন। তাদের সঙ্গেই বাকিরা আসবেন। যদিও ত্রিপুরা প্রদেশ টিএমসি সভাপতি আশীষলাল সিংহ জানান, গত বিধানসভা ভোটের আগে যারা কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে এসেছিলেন তারা পরে বিজেপিতে যান। সেই নেতারা ফিরতে মরিয়া।

গত বিধানসভা ভোটের আগে ত্রিপুরার ততকালীন কংগ্রেস হেভিওয়েট বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ দলবদলে টিএমসিতে যান। তাঁর অনুগামী বিধায়কদের নিয়েই ত্রিপুরায় বিরোধী দল হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই বিধায়করা পরে বিজেপিতে যান। এখন তারা সরকারে। তারাই এখন মুখ্যমন্ত্রীর প্রবল বিরোধী।

ত্রিপুরায় তৃণমূল নিজেদের জমি তৈরিতে ব্যাস্ত। গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, রাজ্যবাসী যাদের বড় অংশ গত নির্বাচনে বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন তারা তৃণমূলমুখী হচ্ছেন। গত নির্বাচনে ত্রিপুরায় টানা ২৫ বছরের বাম জমানা শেষ হয়েছে। সরকারে এখন বিজেপি-আইপিএফটি জোট।

গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে লাগাতার ধাক্কা সামলে সিপিআইএম এখনও সংহত। তাদের সমর্থনে ধস আসছে না। তবে আগামী কয়েকমাসে বাম সমর্থন কিছুটা মমতামুখী হবেন। আর উপজাতি এলাকায় ক্ষমতাসীন নতুন দল হিসেবে রাজা প্রদ্যোত দেববর্মণের দল তিপ্রা মথা হতে চলেছে বিধানসভা ভোটে সবথেকে বড় ফ্যাক্টর।

সুস্মিতার পর পীযুষ, উত্তরপূর্বে ফের কংগ্রেসের বড় মাথা মমতামুখী

mamata banerjee

বিশেষ প্রতিবেদন: ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন বর্ষিয়ান নেতা পীযুষকান্তি বিশ্বাস। সম্ভবত তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন তিনি।পীযুষবাবুর পদত্যাগে উত্তরপূর্বাঞ্চলে কংগ্রেসের বড় ধাক্কা। তবে তিনি নীরব।

সম্প্রতি অসমের জবরদস্ত কংগ্রেসনেত্রী তথা জাতীয় মহিলা কংগ্রেস সভানেত্রী পদ থেকে সুস্মিতা দেব কলকাতায় এসে টিএমসিতে যোগ দেন। সুস্মিতা দেব অসমের কাছাড় জেলা তথা বরাক উপত্যকার তাবড় নেত্রী। শিলচর থেকে দুবার সাংসদ হন। তিনি প্রয়াত কেন্দ্রীয় ভারি শিল্পমন্ত্রী সন্তোষ মোহন দেবের কন্যা। গান্ধী পরিবারের বিশেষ ঘনিষ্ঠ সুস্মিতা এখন মমতা শিবিরে।৷

সুস্মিতাকে দলে টানার পর ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসে ভাঙন ধরাল টিএমসি বলেই মনে করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের মু়খ্যমন্ত্রী তিনবার পরপর সরকার গড়ার পর অপর বাংলাভাষী প্রধান রাজ্য ত্রিপুরায় নজর দিয়েছেন। টিএমসি সেই লক্ষ্যে আগামী ২০২৩ বিধানসভায় ভোটে ত্রিপুরায় ঝাঁপাচ্ছে।

টিএমসির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগরতলায় সাংবাদিক সম্মেলনে বিরোধী দল সিপিআইএম ও কংগ্রেসের পাশাপাশি বিভিন্ন দলের নেতা কর্মীদের টিএমসিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।

আগেই বিজেপি ত্যাগ করে আসা সুবল ভৌমিক টিএমসিতে এসেছেন। এবার কংগ্রেসের প্রদেশ সভাপতির পদ ছাড়লেন পীযুষবাবু। তিনি সম্প্রতি টিএমসির ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক সংস্থার কর্মীদের আটক করার বিষয়ে আইনি তদারকি করেন। পীযুষবাবু রাজ্যের অন্যতম আইনজীবী।

গত বিধানসভা ভোটে ত্রিপুরায় টিএমসি ভেঙে বিজেপিতে যান ততকালীন বিরোধী কংগ্রেসের বিধায়করা। ভোটে টানা ২৫ বছরের বামফ্রন্ট সরকারের পতন হয়। টানা দু দশকের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার এখন বিরোধী নেতা। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। সরকারে বিজেপি আইপিএফটি জোট।

মমতা-অভিষেকের ছবি দেওয়া পোস্টারে ছেয়েছে আগরতলা

Mamata and Abhishek

আগরতলা: সোমবার ত্রিপুরায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার ‘যুবরাজ’কে স্বাগত জানাতে চেষ্টার কোনও কসুর ছাড়েননি ত্রিপুরার তৃণমূল নেতৃত্ব। রাজধানী আগরতলায় ছেয়ে গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া পোস্টার। যুব তৃণমূল কর্মী কুন্তল ঘোষের উদ্যোগে পোস্টার পড়েছে আগরতলার বিভিন্ন এলাকায়।সেই পোস্টারে লেখা, ” ভারতের যুবরাজ তোমাকে সেলাম। তোমার হাতেই হবে এবার ত্রিপুরাতে জয়ের অভিষেক।”

তৃতীয়বারের জন্য বাংলায় বিপুল জয় তৃণমূলের মনোবল অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে।এর আগেও পড়শি রাজ্য ত্রিপুরায় দলের সংগঠন পোক্ত করার চেষ্টা করেছিল তৃণমূল।সেবার মুকুল রায়ের হাত ধরে ত্রিপুরায় দলের সংগঠন চাঙ্গা করার চেষ্টা করেছিল জোড়াফুল। তবে অচিরেই সেই উদ্যোগ ধাক্কা খায়। পরবর্তী ক্ষেত্রে ত্রিপুরায় তৃণমূল নেতাদের অনেকেই দলবদল করেন।

তবে এবার প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ আলাদা। এই মুহূর্তে সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক তৃণমূল। মোদি বিরোধী জোটের প্রধান মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশের তাবড় রাজনীতিবিদ মোদি বিরোধিতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে চলতে আগ্রহ দেখিয়েছেন। এই মুহূর্তে জাতীয় রাজনীতিতে তৃণমূলকে এড়িয়ে বিজেপি বিরোধী জোটের কথা ভাবা কার্যত দুঃসাধ্য। সম্প্রতি দিল্লি সফরে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও মোদি বিরোধী জোটের সলতে পাকিয়ে এসেছেন। সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী থেকে শুরু করে তৃণমূল সুপ্রিমো দেখা করেছেন বিরোধী দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে। আগামী দিনে বিজেপি বিরোধী জোটের নেতৃত্ব দেওয়ার ব্যাপারেও কথাবার্তা এগিয়েছে অনেকটাই। যদিও মোদি বিরোধী জোটের নেতৃত্বে নয়, জোটের শরিক হতেই বেশি আগ্রহী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এই আবহেই এবার তৃণমূলের নজরে ত্রিপুরা। মিশন ২০২৪- এর আগে ত্রিপুরায় দলের সংগঠন পোক্ত করার মরিয়া বাংলার শাসকদলের। সেই লক্ষ্যেই এবার ত্রিপুরায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরা পৌঁছানোর আগেই রাজধানী আগরতলা ছেয়ে গিয়েছে তৃণমূলের পোস্টারে। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া সেই পোস্টার আগরতলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা যাচ্ছে। অভিষেকের হাত ধরে এবার ত্রিপুরায় বদল আনতে চায় তৃণমূল।