Lakhimpur Kheri: মন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ‘শুধর যাও’ গাড়িতে পিষে কৃষকদের ‘খুনের’ পর কী ঘটেছিল?

Lakhimpur Kheri

নিউজ ডেস্ক: নেপাল সীমান্ত লাগোয়া উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরির পরিস্থিতি তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ। রবিবার এখানেই গাড়ি চাপা দিয়ে কয়েকজন কৃষককে মারার অভিযোগ উঠেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিসের বিরুদ্ধে।

কী ঘটেছিল লখিমপুর খেরিতে?
www.ekolkata24x7.com আন্দোলনকারী কিছু কৃষকদের নম্বর যোগাড় করে। তারা জানান, এই এলাকায় বিজেপির সাংসদ অজয় মিশ্র সম্প্রতি কৃষি আইনের বিরোধিতাকারী কৃষকদের হুমকি দেন ‘শুধর যাও’ বলে। এর পর জমায়েত আরও বড় হতে থাকে।

Lakhimpurkheri

কুস্তি প্রতিযেগিতা শুরু হওয়ার আগে…
রবিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সহকারী রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্র নিজ এলাকায় একটি কুস্তি প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যেতে চাইলে তাঁকে রাজ্য পুলিশের তরফে সাবধান করা হয়। বলা হয়েছিল, কৃষকদের বিক্ষোভ থেকে হামলার আশঙ্কা রয়েছে। অজয় মিশ্র সেকথা মানেননি। তিনি ও উত্তর প্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশবপ্রসাদ মৌর্য লখিমপুর খেরি যান।

আচমকা আসল গাড়িটা…
রাস্তাতেই খবর আসে কৃষকদের জমায়েত বিরাট আকার নিয়েছে। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র তার কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে একটি গাড়িতে করে জমায়েতের মাঝে জোরে চালিয়ে দেয়। ঘটনাস্থলেই দু জনের মৃত্যু হয়। উত্তেজিত কৃষকরা ওই গাড়ি তাড়া করেন। তখন গুলি চালায় আশিসের বন্ধুরা। গাড়ি থেকে কোনওরকমে পালায় আশিস মিশ্র। তবে গাড়িটিতে আগুন ধরানো হয়। এর পর গাড়িটা রাস্তার ঢাল থেকে ফেলে দেওয়া হয়। গাড়িতে থাকা আশিসের তিন জন পরিচিত ও কয়েকজন কৃষক গুরুতর জখম হয়। পরে তারা মারা যায়।

টার্গেট কৃষক নেতারা ?
বেশ কয়েকজন কৃষক নেতাকে টার্গেট করা হয়েছিল। এমনই অভিযোগ, কিষাণ একতা মঞ্চ, ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন (BKU) ও সারা ভারত কৃষকসভা (AIKS) সংগঠনের।

সর্বশেষ খবর, লখিমপুর খেরিতে সরকারিভাবে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন গুলিবিদ্ধ কৃষক। আন্দোলনরত কৃষকদের দাবি মৃত ৯ জন। তবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রর দাবি, ঘটনার সময় তাঁর পুত্র ছিলেন না।

বিধানসভা ভোটের আগে লখিমপুর খেরির রক্তাক্ত ঘটনায় প্রবল উত্তপ্ত দেশ। বিজেপি (BJP) শাসিত দুই রাজ্য অসম ও উত্তর প্রদেশের পরপর হিংসাত্মক ঘটনায় উঠে এসেছে বিকৃত মানসিকতার পরিচয়। অসমের (Assam) দরং জেলার গরুখুঁটিতে পুলিশের গুলিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তির মৃতদেহে লাথি মারার বিতর্ক যেমন তেমনই উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) লখিমপুর খেরিতে কৃষদের গাড়ির চাকায় পিষে মারার ঘটনাও তীব্র বিতর্কিত।

পরিস্থিতির চাপে ও কৃষক সংগঠনগুলির ঘেরাও অভিযানের আহ্বানে প্রমাদ গুনছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সংবাদ সংস্থাগুলির খবর, লখিমপুর খেরিতে মৃতদের পরিবার পিছু ৪০-৪৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ও সরকারি চাকরি দেওয়ার ঘোষণা করল রাজ্যের বিজেপি সরকার।

#Lakhimpurkheri: ৮ কৃষক ‘খুন’ ঘটনায় মন্ত্রী-পুত্রকে গ্রেফতার দাবি হান্নান মোল্লার, নিন্দা মমতার

Lakhimpurkheri

নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের লখিমপুরখেরি কৃষক জমায়েতে গাড়ি চাপা দিয়ে অন্তত ৮ কৃষককে ‘মেরে ফেলা’র অভিযোগ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস মিশ্রকেই দায়ি করা হয়েছে।অভিযুক্তকে গ্রেফতারির দাবি তুলেছেন সর্বভারতীয় কৃষক নেতা তথা কৃষকসভার (AIKS) সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা। সোমবারই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ প্রতিনিধিরা।

প্রবল বিতর্কে উত্তর প্রদেশে(UP) ক্ষমতাসীন বিজেপি(BJP)। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জরুরি বৈঠক করেন লখনউতে। তিনি জানান, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে। দোষীকে চিহ্নিত করে কড়া শাস্তি দেওয়া হবে। তাঁর নির্দেশে লখিমপুরখেরিতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

রবিবার রক্তাক্ত ঘটনার সাক্ষী থেকেছে লখিমপুরখেরি। এখানেই কেন্দ্র সরকারের কৃষি আইন বাতিলের প্রতিবাদে কৃষক জমায়েত চলছিল। অভিযোগ, সেই জমায়েতের মধ্যে তীব্র গতিতে গাড়ি চালিয়ে দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস। চাকায় পিষ্ট হন বেশ কয়েকজন কৃষক। মর্মান্তিক এই ঘটনায় অন্তত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আরও জখম ৬ জন। তাদের কয়েকজন আশঙ্কাজনক।

গাড়ি চালিয়ে হামলার অভিযোগে লখিমপুরখেরি প্রবল উত্তপ্ত। উত্তেজিত কৃষকরা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রকে আটকে রাখেন। তবে তিনি দাবি করেন, পুত্র আশিস কোনওভাবেই এই ঘটনায় জড়িত নয়। ঘেরাওয়ের মধ্যে পড়েন উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য। তাঁদের ছাড়াতে গেলে রক্ষীদের সামনেই গাড়িতে আগুন ধরায় বিক্ষোভকারী কৃষকরা। তাদের আরও অভিযোগ, মৃত আট কৃষকের মধ্যে দুজন ‘গুলিবিদ্ধ’।

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

উলুবেড়িয়ার প্রাক্তন সিপিআইএম (CPIM) সাংসদ তথা সর্বভারতীয় কৃষক নেতা হান্নান মোল্লার দাবি, প্রধানমন্ত্রী মোদীর ঘনিষ্ঠ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রকে অবিলম্বে বরখাস্ত করুক সরকার। রাকেশ টিকায়েত সহ কৃষক নেতাদের হুঁশিয়ারি উত্তর প্রদেশ অচল করে দেওয়া হবে।

কৃষক সভা (AIKS) , ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন (BKU) সহ বিভিন্ন কৃষক সংগঠন লখিমপুরখেরি ঘেরাও ডাক দিয়েছে। উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ থেকে কৃষকদের লখিমপুরখেরির দিকে আসার আহ্বান জানানো হয়।

Tension increasing in Lakhimpurkheri

লথিমপুরখেরিতে কৃষকদের ‘খুন’ করা হয়েছে, এমনই অভিযোগ রাজ্যের প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী সমাজবাদী পার্টির (SP) অখিলেশ যাদব ও বহুজন সমাজপার্টির (BSP) মায়াবতীর। দুটি দলই উত্তর প্রদেশ জুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে।

কৃষক বিক্ষোভের রেশে এমনিতেই উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানায় প্রবল। দুই রাজ্যেই বিক্ষোভকারীদের হাতে বারবার লাঞ্ছিত হয়েছেন বিজেপি মন্ত্রী ও নেতারা। লখিমপুরখেরির রক্তাক্ত ঘটনায় ফের মার খাওয়ার আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

কৃষক সংগঠনগুলির অভিযোগ, লখিমপুরখেরিতে ‘ঠান্ডা মাথায় কৃষকদের খুন করেছে বিজেপি (BJP) সরকার। বিক্ষোভ আরও জমাট হবে এমনই হুঁশিয়ারি কৃষক নেতাদের।

Uttar Pradesh: মোদী সরকারের মন্ত্রীর ছেলে গাড়িতে পিষে মারলেন ৮ কৃষককে

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

নিউজ ডেস্ক: কৃষক জমায়েতের মধ্যে প্রবল গতিতে গাড়ি চালিয়ে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রীর পুত্র। মর্নান্তিক এই ঘটনায় আট কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। আরও কয়েকজন জখম। প্রবল উত্তপ্ত উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) লখিমপুর খেরি। উত্তেজিত কৃষকরা একটি গাড়িতে আগুন ধরান। 

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

অভিযুক্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্রকে রক্ষা করতে গিয়ে পুলিশ আক্রান্ত হয়। ঘটনাস্থলে এসে প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েন উত্তর প্রদেশের উপ মুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য। সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্র। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। পুলিশ বলছে দু জন। অসমর্থিত সূত্র বলছে ৮ ৷ ভারতীয় কিসান ইউনিয়নের (BKU) দাবি মৃত ৮ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে৷

Haryana: গান্ধী জয়ন্তীতে অনশনরত কৃষকদের উপর লাঠি চার্জ, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি ঘেরাও

haryana police use water cannon against kisan

নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতা করে গান্ধী জয়ন্তীতে অনশনকারী কৃষকদের উপর জলকামান ও লাঠি চার্জের ঘটনায় প্রবল উত্তপ্ত হরিয়ানা। রাজধানী চন্ডীগড়ে মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টারের বাসভবন ঘেরাও করলেন কৃষকরা। বিক্ষোভকারীরা ভেঙে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের নিরাপত্তা বলয়ের ব্যারিকেড।

বিক্ষোভের এই ছবি ও সংবাদ হরিয়ানা থেকে হু হু করে ছড়িয়েছে উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ সহ দেশ জুড়ে। উত্তপ্ত হরিয়ানার কারনাল। পার্শ্ববর্তী উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে বিক্ষোভ ছড়াতে শুরু করেছে।

বিক্ষোভকারী কৃষকদের অভিযোগ, আন্দোলন দমাতে হরিয়ানার বিজেপি সরকার ধান কেনার সময় দশ দিন পিছিয়ে দিয়েছে। এর ফলে বৃষ্টিতে ধান নষ্ট হওয়ার প্রবল আশঙ্কা। বিক্ষোভকারী কৃষকরা সকাল থেকেই হরিয়নার বিভিন্ন এলাকার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কেন্দ্রগুলির দিকে মিছিল করে আসতে থাকেন।

মিছিল আটকে দিয়ে পুলিশের তরফে অনুরোধ জানানো হয় এভাবে মুখ্যমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীদের বাসভবনের দিকে যাওয়া যাবে না। উত্তেজিত কৃষকরা পুলিশের ব্যারিকেডের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। শুরু হয় ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। পুলিশ লাঠি চালায়। পরে জলকামান চার্জ করে। মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টারের বিরুদ্ধে সংযুক্ত কিষান মোর্চার অভিযোগ, তিনি কৃষকদের দাবিকে মান্যতা দিচ্ছেন না।

পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুসারে সংযুক্ত কিষান মোর্চা (SKM) ও সারা ভারত কৃষকসভা (AIKS) নেতৃত্বে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর জন্ম জয়ন্তীর দিন অনশন পালন চলছে। কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে অনড় লক্ষ লক্ষ কৃষক। কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক তথা উলুবেড়িয়ার প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ হান্নান মোল্লা জানিয়েছেন, দিনভর অনশন কর্মসূচি চলবে।

সংযুক্ত কিষান মোর্চা জানিয়েছে, গান্ধী জয়ন্তীর দিন স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্র বিহারের চম্পারণ থেকে উত্তর প্রদেশের বারাণসী পর্যন্ত পদযাত্রা শুরু হবে। টানা ১৮ দিনের এই পদযাত্রায় ওডিশা, বিহার, উত্তর প্রদেশ থেকে কৃষকরা অংশ নেবেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীর সংসদীয় কেন্দ্র বারাণসীতেই হবে বিক্ষোভ।

#BharatBandah: ত্রিপুরায় বনধে সফল মানিক, বাংলায় বিফল সূর্য-সেলিম

Bharat-Bandh tripura

নিউজ ডেস্ক: সরকারে নেই দু রাজ্যেই। তবে সরকার হারানোর বামেদের পর তেজ কিন্তু ত্রিপুরাতেই। আগামী বিধানসভা ভোটের আগে ফের সাংগঠনিক শক্তির দেখনাদারিতে সফল হলেন মানিক সরকার। ত্রিপুরায় বনধের বিরাট প্রভাব। এমনকি বিজেপির দখল করা বিধানসভাগুলিতেও জনজীবন স্তব্ধ হয়ে গেছে।

দেশজোড়া বনধের জেরে উত্তর পশ্চিম ভারতের সঙ্গে রাজধানী নয়াদিল্লির সড়ক ও রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে কৃষক সংগঠনগুলি। বিভিন্ন রাজ্যে বনধের প্রভাব পড়লেও পশ্চিমবঙ্গে বনধ পালনে ফের ব্যর্থ বামেরা। বিক্ষিপ্ত কিছু ট্রেন রোকো ও বাজার বন্ধ করাতে পারলেও মোটের উপর রাজ্যে বনধ ব্যর্থ করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তিনি বনধের সবকটি ইস্যুকে সমর্থন করছেন বলে জানান।

বনধ যে বাংলায় তেমন হবে না তা বুঝেই গিয়েছিল সিপিআইএম সহ বাম দলগুলি। কিন্তু বঙ্গ বামেদের লজ্জায় ফেলে দিয়ে ফের শক্তি পরীক্ষায় পাশ মার্ক পেল ত্রিপুরা সিপিআইএম। এ রাজ্যে বিরোধী দলের ডাকা যতগুলি বনধ হয়েছে সবকটিকেই ছাপিয়ে গেছে সোমবারের ভারত বনধের ছবি।

কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের কৃষি আইনের বিরোধিতায় সর্বভারতীয় কৃষক সংগঠনগুলির ডাকা ভারত বনধের সমর্থনে মানিক সরকার আগেই জানিয়েছিলেন, ত্রিপুরা স্তব্ধ করে দেওয়া হবে। খোদ বিজেপি শাসিত রাজ্য সকাল থেকেই স্তব্ধ।

রাজধানী আগরতলা শুনশান। কৈলাসহর, ধর্মনগর, সাব্রুম, পানিসাগর, গোমতী, বিশালগড়, উদয়পুর সহ রাজ্যের সর্বত্র বনধে বিরাট প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। একেবারে শুনশান চারিদিক। আগরতলায় বনধের প্রভাব সবথেকে বেশি বলেই মনে করা হচ্ছে। বনধে বিক্ষিপ্ত অশান্তি রুখতে রাজ্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

সবথেকে উল্লেখযোগ্য, যে পার্বত্য উপজাতি অঞ্চলে সিপিআইএম এবারের বোর্ড হারিয়ে শূন্য হয়েছে এডিসি নির্বাচনে সেখানেও বনধের বড় প্রভাব পড়েছে।

গত নির্বাচনে টানা ২৫ বছরের বাম সরকারের পতন হয় ত্রিপুরায়। বিরোধী দল সিপিআইএমের দখলে থাকা বিধানসভাগুলির পাশাপাশি সরকারপক্ষ বিজেপি ও আইপিএফটি জোটের দখলে যাওয়া বিধানসভাতেও বনধের ‘সর্বাত্মক প্রভাব’ পড়েছে।

হেরেও ‘সুশান্ত এফেক্ট’ পশ্চিম মেদিনীপুরে, বনধের রোষ বাম কর্মীদের

Bharat-Bandh

নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা ভোটের আগে প্রবল সাড়া ফেলে নিজ এলাকা পশ্চিম মেদিনীপুরে ফিরে ক্রমাগত তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির বিরুদ্ধে রোষ দেখিয়েছিলেন দাপুটে সিপিআইএম নেতা সুশান্ত ঘোষ। তবে ভোটে শালবনী কেন্দ্রে তিনি পরাজিত হন। প্রাক্তন মন্ত্রী ও বিধায়ক তথা বেনাচাপড়া কঙ্কাল কান্ডে জেল খেটে আসা সুশান্তবাবুর দাপট ফের দেখা গেল ভারত বনধে।

পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের বিস্তির্ণ গ্রামাঞ্চলে প্রায় খড়কুটোর মতো উড়ে যাওয়া সিপিআইএম সমর্থকরা তীব্র রোষ নিয়ে বনধে সামিল। চন্দ্রকোনা, মেদিনীপুর, শালবনি, গড়বেতায় বনধের প্রভাব পড়েছে। ঝাড়গ্রামের জঙ্গলমহল এলাকাতেও একই ছবি। সুশান্তবাবুর খাস এলাকা লাগোয়া বাঁকুড়ার বিভিন্ন গ্রামে বনধের প্রভাবে রাজ্য ও জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ।

Susanta-Ghosh

তবে আশ্চর্যজনকভাবে সুশান্ত ঘোষ অদৃশ্য। সূত্রের খবর, তিনি দলীয় কর্মী সমর্থকদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। সেই নির্দেশ মেনে সকাল থেকেই বনধ পালনে নেমেছে বাম সমর্থকরা।

সুশান্ত ঘোষ টানা ৩৪ বছরের বাম জমানার ৩২ বছরের বিধায়ক ছিলেন। বামফ্রন্ট জমানার শেষ দশবছরে ততকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সঙ্গে বিরোধিতা ছিল চরমে। সেই সব কথা বইতে লিখে দল থেকে সাময়িক সাসপেন্ড হন। পরে বিধানসভা ভোটের আগে তাঁকে ফেরায় সিপিআইএম।

সুশান্ত ঘোষের বিরুদ্ধে একাধিক হামলার অভিযোগ রয়েছে। তবে বাম নেতা আইনি প্রক্রিয়ায় জামিন নিয়েছেন। তাঁর মন্ত্রীত্বের সময়ে নেতাই গণহত্যা ঘটে। প্রবল বিতর্কিত সেই সময়। পরে নির্বাচনে বাম জমানা শেষ হয়। কিন্তু ২০১১ সালের ভোটেও জিতেছিলেন সুশান্ত ঘোষ।

#BharatBandh: কৃষক আন্দোলনের ধাক্কা, উত্তর ভারতের গ্রামাঞ্চলে ব্যাপক প্রভাব, বাংলায় নেই

all india strike hits north and weststern states

নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্র সরকারের কৃষি আইনের বিরোধিতা সহ রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থাগুলির বিক্রি করার প্রতিবাদে একাধিক বিজেপি ও অবিজেপি শাসিত রাজ্যে বনধের প্রভাব পড়লেও পশ্চিমবঙ্গে তেমন ছবি নেই।

পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুসারে মধ্যরাত থেকে কৃষক সংগঠনগুলির যৌথ মঞ্চ সারা ভারত কৃষক সংঘর্ষ সমন্বয় সমিতি (AIKSCC) বনধ পালন করছে।

all india strike hits north and weststern states

সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার ডাকা ভারত বনধে পশ্চিম ও উত্তর ভারতে বিক্ষিপ্ত প্রভাব শুরু৷ মহারাষ্ট্রের বড় প্রভাব। পাঞ্জাব, হরিয়ানা অবরোধ। বড় প্রভাব তামিলনাড়ুতেও। সকালেই ত্রিপুরা স্তব্ধ হয়ে যায়। বাম শাসিত রাজ্য কেরল স্তব্ধ। বিহার, ওডিশায় প্রভাব পড়েছে।

এদিকে বনধের ইস্যু সমর্থন করেছে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু বনধ পালনের বিরোধিতা করবে তৃণমূল কংগ্রেস, সেটি আগেই জানানো হয়। সরকারি কর্মীদের হাজিরায় কড়াকড়ি করা হয়েছে।পশ্চিমবঙ্গে বনধ সফল হবে না। তৃণমূলের দাবি। তবে রাস্তায় বিরোধী বামেরা। বনধে সমর্থন করছে কংগ্রেস ও ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট।

all india strike hits north and weststern states

বনধের বড় প্রভাব পড়েছে ব্যাংকে। ব্যাংক কর্মীদের বিভিন্ন সংগঠন সরাসরি বনধে অংশ নিয়েছে। বিমা, রেল, খনিতে কর্মরত শ্রমিকদের বড় অংশ বনধ করছেন। সংঘ পরিবার ও তৃণমূূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন বনধ পালন করছে না। দেশের কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি সরাসরি বনধে সামিল।

সরকারি কর্মীদের বাম সংগঠন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য কোঅর্ডিনেশন কমিটি বনধকে সমর্থন করার কথা জানিয়েছে। কংগ্রেসও বনধকে সমর্থন করবে।

উত্তর প্রদেশ, পাঞ্জাব, হরিয়ানার, হিমচল প্রদেশে বনধের বিরাট প্রভাব পড়েছে গ্রামাঞ্চলে। তামিলনাড়ুতে বনধ সফল, কারণ এই ডিএমকে কংগ্রেস ও বাম জোটের রাজ্য সরকার সরাসরি বনধ সমর্থন করেছে।

বনধ সফলে মানিক ‘কনফিডেন্ট’, বঙ্গ বাম হাই তুলছে

Manik sarkar

নিউজ ডেস্ক: দুই বাংলাভাষী রাজ্যেই বামেরা ক্ষমতায় নেই। সরকারে না থাকলেও বঙ্গ বামেদের মতো ঝিমিয়ে যায়নি ত্রিপুরি বামেরা, তা রাজনৈতিক ভূমিকা থেকেই স্পষ্ট। পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা দুই রাজ্যে ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি বনধ বিরোধী। তবুও যে কোনও ইস্যুতে বনধ পালনে কেন্দ্রীয় কমিটির খাতায় ত্রিপুরায় এখনও একশ তে একশ পান মানিক সরকার। আর বঙ্গ বামের কাছে আসে হতাশা।

সোমবার দেশজোড়া বনধ। কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বে চলা এনডিএ সরকারের কৃষি আইনের প্রতিবাদে যে কৃষক অবস্থান বিক্ষোভ চলছে তারই রেশ ধরে বনধ ও চাক্কা জ্যাম কর্মসূচি নিয়েছে কৃষক সংঘর্ষ সমিতি। সর্বভারতীয় কৃষক আন্দোলনের অন্যতম সারা ভারত কৃষক সভা যা কিনা সিপিআইএম ও সিপিআইয়ের শাখা তারাও বনধ সমর্থন করেছে।

শুধু কৃষক সংগঠনগুলি নয়, সংঘ পরিবারের বিএমএস বাদে কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলিও এই বনধকে সমর্থন করেছে। কংগ্রেস, ডিএমকে, সমাজবাদী পার্টি, বিএসপি, আরজেডি ও বাম দলগুলি বনধের পক্ষে। ব্যাংক, বিমা, খনি, রেল সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের শ্রমিক সংগঠনও সমর্থন করেছে।

বনধের ব্যাপক প্রভাব পড়তে চলেছে উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, ছত্তিসগড়, কর্নাটক, কেরলে। বিহার, ওডিশা, পশ্চিমবঙ্গ, অসমে প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

উত্তর পূর্বে বনধের সর্বাধিক প্রভাব পড়তে চলেছে ত্রিপুরায়। রাজ্যের বিরোধী দল সিপিআইএম সরাসরি বনধ পালনে নামবে। ত্রিপুরায় বিরোধী আসনে থেকে বনধ সফল করালেও পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা হারানোর পর বামেদের ডাকা বনধ কর্মসূচি একেবারেই ফ্লপ হয়। তবে বনধের সকালে কিছু রেষ থাকে ট্রেন চলাচলে। কলকাতা শহরতলী লাগোয়া স্টেশনে বনধ পালনকারীদের রোষ দেখা যায়।

কৃষক আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে রাজ্য সরকার জানায়, বনধ পালন হবে না। অন্যদিকে ত্রিপুরায় বিজেপি সরকার সরাসরি কৃষক আন্দোলনের বিরোধিতা করছে। কিন্তু বিরোধী দল সিপিআইএম বনধে অনড়। আশঙ্কা বনধ ঘিরে শাসক ও বিরোধীদের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়াতে পারে। সম্প্রতি যেভাবে রাজনৈতিক সংঘর্ষে জ্বলেছিল ত্রিপুরা, সেরকমই আশঙ্কা থাকছে।

তবে বঙ্গ বামেদের মতো হাই তোলা কর্মসূচি নেই ত্রিপুরার বামেদের। সেখানে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনে মরিয়া বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার। কলকাতায় তাঁর দলীয় সহকর্মীদের আক্ষেপ এমন নেতা কেন যে নেই এই ‘দু:সময়ে’।

বনধের দাবিগুলি একনজরে
★নয়া তিন কৃষি আইন বাতিল করো এবং বিদ্যুৎ বিল বাতিল করো।
★ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য গ্যারান্টি আইন চালু করো।
★ধান, আলু, পাট সহ সমস্ত কৃষি ফসল উৎপাদন খরচের দেড়গুণ দামে সরকারকে কিনতে হবে।
★গ্রামীণ মজুরদের বছরে ২০০ দিনের কাজ ও দৈনিক ৬০০ টাকা মজুরি দিতে হবে।
★আদিবাসীদের জল-জমি-জঙ্গল থেকে উচ্ছেদ করা চলবে না।
★কৃষিপণ্যের মজুতদারী ও কালোবাজারী বন্ধ করো।
★কৃষককে কর্পোরেটদের গোলামে পরিণত করা চলবে না।
★শ্রমিকদের শ্রম আইনের অধিকার কেড়ে নিয়ে শ্রম কোড চাপিয়ে দেওয়া চলবে না।
★পেট্রোল-ডিজেল সহ নিত্যপণ্যের মূলবৃদ্ধি কার স্বার্থে?
★দেশের সরকারী সম্পদ বেসরকারী করা চলবে না।

কৃষক বিক্ষোভ: প্রবল উত্তপ্ত হরিয়ানা, ইন্টারনেট বন্ধ, মমতাকে বনধ সমর্থনের আহ্বান

Farmers Protest

নিউজ ডেস্ক: কৃষক বিক্ষোভের জেরে হরিয়ানার বহু এলাকা সীমানা ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন। মঙ্গলবার বিক্ষোভকারী কৃষকদের মহাপঞ্চায়েত ঘিরে উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন জেলাতেও প্রবল উত্তেজনা। দুটি রাজ্যেই বিজেপি ক্ষমতাসীন। তবে কৃষক বিক্ষোভের কেন্দ্র কার্নাল হরিয়ানার মধ্যে। সেখানেই জমায়েত।
পরি

স্থিতি সামাল দিতে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টার পাঁচটি জেলায় ইন্টারনেট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। এর জেরে আরও উত্তাপ ছড়িয়েছে। কেন্দ্রের মোদী সরকারের কৃষি নীতির বিরোধিতায় আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ভারত বনধ পালন করবে কৃষক সংগঠনগুলি।

আন্দোলন বন্ধ হবে না। সরকারকে বিতর্কিত কৃষি আইন বাতিল করেই ছাড়ব। এমনই জানিয়েছেন সর্বভারতীয় কৃষক নেতা উলুবেড়িয়ার প্রাক্তন বাম সাংসদ হান্নান মোল্লা। পশ্চিম ভারতের কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েতের হুঙ্কার বিজেপি সরকার পড়ে যাবে হরিয়ানা ও উত্তর প্রদেশে।

Farmers Protest

আন্দোলনরত কৃষকদের যৌথ মঞ্চ কৃষক সংঘর্ষ সমিতির তরফে বার্তা পাঠানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। সর্বভারতীয় কৃষক নেতৃত্বের দাবি, মমতা যখন বিজেপি বিরোধী নেত্রী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরছেন, তাহলে কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে ধর্মঘটে অংশ নিন।

পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার ২০১১ সালে সরকার গড়ার পরেই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ঘোষণা করেন, তাঁর সরকার বনধ সমর্থন করবে না। গত দুটি মেয়াদে টানা সরকার চালিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস একবারও বনধ ডাকেনি। বিরোধীদের ডাকা বনধ রুখতে রাস্তায় থেকেছে টিএমসি সমর্থকরা।

কৃষক সংগঠনগুলির ডাকা ভারত বনধ ঘিরে উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ডে ব্যাহত হবে জনজীবন এমনই মনে করা হচ্ছে। বিহার, মধ্যপ্রদেশ, তামিলনাডু, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটকেও বনধের প্রভাব পড়তে চলেছে। মহারাষ্ট্রে ব্যাপক প্রভাব পড়বে বলেই ধারণা।

বনধের সমর্থন করছে সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস, সিপিআইএম, সিপিআই, শিবসেনা, ডিএমকে, শিরোমনি আকালি দল। দিল্লির সরকারে থাকা আম আদমি পার্টি কী অবস্থান নেয় তাও লক্ষ্যণীয়। দলনেতা তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালের নজরে পাঞ্জাবের নির্বাচন। তিনিও ঝুঁকি নেবেন না বলেই মনে করা হচ্ছে।

এর পরেই আসছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। কৃষক আন্দোলনে সমর্থন দেওয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি বনধ সমর্থন করবেন? কলকাতা থেকে দিল্লি, লখনউ সর্বত্র এই প্রশ্ন।

কৃষক আন্দোলনের ধাক্কায় হরিয়ানার সরকার টলমল করছে।হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টার কৃষক আন্দোলনের প্রবল বিপক্ষে। তবে তাঁর সরকারেই লেগেছে ভাঙন আতঙ্ক। শরিকদলগুলি রুষ্ঠ। এই সুযোগে তাল ঠুকছে বিরোধী কংগ্রেস।