अंबानी की शादी में बढ़ा होटल किराया, लाखों रुपये का मिल रहा कमरा

नई दिल्ली: अरबपति उद्योगपति मुकेश अंबानी के बेटे अनंत अंबानी और उनकी मंगेतर राधिका मर्चेंट  की शादी होने ही वाली है। इससे पहले के जश्न के कारण मुंबई में फाईव स्टार होटलों के आक्यूपेंसी और टैरिफ में भारी वृद्धि हुई है। यात्रा और होटल वेबसाइटों की रिपोर्ट के अनुसार, बांद्रा-कुर्ला कॉम्प्लेक्स  के मुख्य होटल, जहां शादी होने वाली है, पूरी तरह से बुक हैं। साथ ही आसपास के होटलों का किराया भी बढ़ गया है।

14 जुलाई को, एक होटल में कमरों की टैरिफ ₹91,350 प्रति नाइट है। इस होटल में आम दिनों में रूम टैरिफ पर नाइट ₹13,000 रहता है। उल्लेखनीय है कि अनंत अंबानी की शादी 12 जुलाई को मुंबई के बीकेसी में जियो वर्ल्ड कन्वेंशन सेंटर  में होनी है। हालांकि मेहमानों को कहां ठहराया जाएगा, इस बारे में कोई आधिकारिक पुष्टि नहीं हुई है। लेकिन, बीकेसी और आसपास के एरिया में होटल के रूम टैरिफ में काफी बढ़ोतरी हो गई है।

ट्रेवल बुकिंग वेबसाइट्स पर ट्राइडेंट बीकेसी  में रूम टैरिफ 9 जुलाई को प्रति रात्रि ₹10,250 प्लस टैक्स, 15 जुलाई को ₹16,750 प्लस टैक्स, और 16 जुलाई को ₹13,750 प्लस टैक्स। इस होटल में यिद आप 10 जुलाई से 14 जुलाई तक कोई रूम लेना चाहें तो बताया जा रहा है कि एक भी कमरा उपलब्ध नहीं है। होटल की वेबसाइट पर भी इन तिथियों के लिए ‘sold out’ बताया जा रहा है। अगर मीडिया रिपोर्टों पर विश्वास किया जाए, तो शादी 12 जुलाई को, शुभ आशीर्वाद 13 जुलाई को अंतिम कार्यक्रम, मंगल उत्सव या शादी का रिसेप्शन 14 जुलाई को होना है।

अनंत अंबानी और राधिका मर्चेंट की हाई-प्रोफाइल शादी के कारण बीकेसी जाने वालों के लिए मुंबई पुलिस ने भी ट्रैफिक एडवाइजरी जारी की है। जियो वर्ल्ड कन्वेंशन सेंटर की ओर जाने वाली कई सड़कों पर 12 से 15 जुलाई तक दोपहर 1 बजे से आधी रात के बीच प्रवेश प्रतिबंधित रहेगा। मुंबई पुलिस द्वारा पांच जुलाई को जारी एक प्रेस नोट में बताया गया है “5 जुलाई तथा 12 से 15 जुलाई को मुंबई के बांद्रा इलाके में जियो वर्ल्ड कन्वेंशन सेंटर, बीकेसी में एक सामाजिक कार्यक्रम का आयोजन किया जा रहा है। लोगों को असुविधा से बचाने के लिए, जियो कन्वेंशन सेंटर की ओर जाने वाली सड़क पर वाहनों के यातायात को डायवर्ट करने की जरूरत है। ”

দেশের উন্নয়নে যেমন কিষানদের চাই, তেমনই চাই আম্বানি-আদানিদের: Mamata Banerjee

mamata banerje

News Desk: দেশের উন্নয়নের জন্য যেমন কিষানদের (Farmer) চাই, তেমনই চাই আম্বানি-আদানিদের (Ambani-Adani) মত শিল্পপতিদের। দেশের উন্নয়ন (Development) ও অগ্রগতির জন্য যেমন হিন্দুদের প্রয়োজন, তেমনই প্রয়োজন মুসলিম, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রীস্টান পারসিক ও জৈনদের। বুধবার মুম্বই সফররত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এই মন্তব্য করেন। বিশিষ্ট সমাজকর্মী মেধা পাটকরের এক প্রশ্নের উত্তরে এই মন্তব্য করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা।

মেধা এদিন মমতাকে বলেন উদার অর্থনীতি, বেসরকারিকরণ, বাণিজ্যিকীকরণ গোটা দেশে আমূল পরিবর্তন ঘটিয়েছে। কৃষিক্ষেত্রে কর্পোরেট পুঁজির অনুপ্রবেশ কৃষকদের চরম সঙ্কটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?

মেধার এই প্রশ্নের উত্তরেই মমতা বলেন, দেশ চালাতে গেলে সকলকেই দরকার আছে। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য যেমন কৃষকদের প্রয়োজন আছে তেমনই আম্বানি-আদানিদের মত শিল্পপতিদেরও প্রয়োজন আছে। প্রয়োজন আছে আরও বেশি শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, গরীব ও দুঃস্থ মানুষের খারাপ হয় এমন কোনও কাজ তিনি করেন না এবং করতে দেবেন না। দেশের প্রতিটি প্রান্তিক মানুষের যাতে ভাল হয় সেটা সেটা নিশ্চিত করাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য।

আগামী দিনে দেশ ও রাজ্যের উন্নয়নে তাঁর পরিকল্পনা কী? এই প্রশ্নের উত্তরে মমতা বলেন, সবার আগে দেশ থেকে বিজেপিকে হঠানো দরকার। বিজেপি ক্ষমতা থেকে সরে গেলে অনেক সমস্যাই মিটে যাবে। আম্বানি-আদানিদের মত শিল্পপতিদের বিষয়ে মমতার বক্তব্যকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন সিপিএমের পলিটব্যুরোর সদস্য বৃন্দ কারাট।

বৃন্দা বলেন, মমতার রাজনীতি দ্বিচারিতায় ভরা। উনি সবসময় মুখোশ নিয়ে রাজনীতি করেন। মাঝে মধ্যে সেটা খসে গিয়ে মমতার আসল চেহারা বেরিয়ে পড়ে। মমতা আম্বানি- আদানিদের বিরুদ্ধে কথা বলবেন কীভাবে! ওঁর দলের সিন্দুকের চাবি কাঠি তো ওই সমস্ত শিল্পপতিদের হাতে।

বিস্ফোরক সত্যপাল: আম্বানির ফাইলে সই করতে তাঁকে ৩০০ কোটি টাকা ঘুষের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল

Satyapal malik

নিউজ ডেস্ক: ফের এক বড়সড় বোমা ফাটালেন বিজেপি ঘনিষ্ঠ মেঘালয়ের রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক। রাজস্থানে এক অনুষ্ঠানে সত্যপাল বলেন, অবৈধভাবে দুটি ফাইল সই করার জন্য তাঁকে ৩০০ কোটি টাকা ঘুষের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

ওই ফাইল দুটির একটি ছিল নরেন্দ্র মোদি ঘনিষ্ঠ শিল্পপতি অনিল আম্বানির এবং অন্যটি ছিল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের এক প্রথম সারির নেতার। যে সময় ওই ফাইল দুটি সই করার জন্য তাঁর কাছে পাঠানো হয়েছিল সে সময় তিনি কাশ্মীরের রাজ্যপাল ছিলেন বলে সত্যপাল জানিয়েছেন।

কয়েক ঘন্টা আগে সত্যপাল মালিকের বক্তৃতার একটি ভিডিয়ো টুইটারে প্রকাশ হয়। ওই ভিডিও পোস্টে সত্যপাল বলছেন, আমি জম্মু-কাশ্মীরের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরেই আমার কাছে দুটি ফাইল আসে। ওই ফাইল দুটি আমাকে সই করে দেওয়ার জন্য বলা হয়েছিল। ওই ফাইলে সই করলে আমাকে ৩০০ কোটি টাকা দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়। ওই ফাইল দুটির একটি ছিল অনিল আম্বানির এবং অপরটি ছিল আরএসএসের এক প্রথম সারির কর্তার।

এ প্রসঙ্গে সত্যপাল বলেন, তাঁর অফিসের একজন কর্মী তাঁকে বলেছিলেন ওই ফাইল দুটি সই করে দিলে তিনি প্রতিটির জন্য ১৫০ কোটি করে মোট ৩০০ কোটি টাকা পাবেন।

প্রশ্ন হল ওই প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে কী বলেছিলেন সত্যপাল। নিজের জবাবও টুইটারে পোস্ট করেছেন মেঘালয়ের বর্তমান রাজ্যপাল। সত্যপাল বলেছেন, অফিসারদের বলেছিলাম আমি পাঁচটা পায়জামা-পাঞ্জাবি নিয়ে কাশ্মীর এসেছি। ওগুলো নিয়েই বাড়ি ফিরে যাব। তাই শেষ পর্যন্ত তিনি কোনও বেআইনি ফাইলে সই করেননি। উল্লেখ্য গত সপ্তাহে রাজস্থানের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় এই কথাগুলি বলেছিলেন সত্যপাল। যদিও মাত্র কয়েক ঘন্টা আগে সেই অনুষ্ঠানের ভিডিয়োটি টুইটারে প্রকাশ হয়।

সূত্রের খবর জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন রাজ্যপাল যে দুটি ফাইলে সই করার কথা বলেছেন তার একটি ছিল রাজ্যের সরকারি কর্মচারী, সাংবাদিক এবং পেনশনভোগীদের স্বাস্থ্য বীমা সম্পর্কে। এই বীমার জন্য জম্মু-কাশ্মীর সরকার রিলায়েন্স জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের সঙ্গে চুক্তি করেছিল। এই বিমা সংস্থাটির মালিক হল অনিল আম্বানির নেতৃত্বাধীন রিলায়েন্স গ্রুপ। শেষ পর্যন্ত সত্যপাল ওই চুক্তিতে সই না করায় সেটি বাতিল হয়ে গিয়েছিল। দ্বিতীয় ফাইলটি কী বিষয়ে বা কার তা জানা যায়নি।

সত্যপাল এদিন আরও বলেন, আমি যদি কাশ্মীরে কোনও অন্যায় বা অনৈতিক কাজ করতাম তবে এতদিনে আমার বাড়িতে ইডি, সিবিআই বা আয়কর দফতরের লোকজন পৌঁছে যেত। তবে আমি কাউকেই বিশ্বাস করি না। এসব কথা বলার জন্য ওই সমস্ত কেন্দ্রীয় সংস্থা হয়তো যে কোনও অজুহাতে আমার বাড়িতে চলে আসতে পারে। তবে আমি ভয় পাই না। কারণ আমার গোপন করার মত কিছু নেই। আমি কখনও অন্যায় কাজ করি না।