भारत को अमेरिका से मिलेंगे MQ-9B स्काई गार्जियन और सी गार्जियन ड्रोन, बाइडेन-मोदी ने डन की डील

नई दिल्ली :  अमेरिका से भारत लेटेस्ट टेक्नोलॉजी से लेस किलर ड्रोन खरीदने जा रहा है। इस डील को प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी और राष्ट्रपति जो बाइडेन ने अंतिम रूप दे दिया है। भारत, अमेरिका से 31 MQ-9B (16 स्काई गार्जियन और 15 सी गार्जियन) रिमोटली पायलटेड एयरक्राफ्ट ड्रोन खरीदने जा रहा है. इन ड्रोन की कीमत करीब 3 अरब डॉलर है।

पिछले साल जून में रक्षा मंत्रालय ने अमेरिका से हवा से सतह पर मार करने वाली मिसाइलों और लेजर-गाइडेड बमों से लैस MQ-9B स्काई गार्जियन और सी गार्जियन सशस्त्र ड्रोन की खरीद को मंजूरी दी थी।

मोदी और बाइडेन ने इंडिया-अमेरिका डिफेंस इंडस्ट्रियल को-ऑपरेशन रोडमैप को सराहा. इस रोडमैप के तहत जेट इंजन, गोला-बारूद और ग्राउंड मोबिलिटी सिस्टम जैसे भारी इक्वीपमेंट्स और हथियारों का निर्माण शामिल है. इस अहम सहयोग में लिक्विड रोबोटिक्स और भारत के सागर डिफेंस इंजीनियरिंग, मेरिटाइम सुरक्षा को बढ़ाने के लिए मानवरहित सतही वाहनों के प्रोडक्शन पर भी जोर दिया गया.

क्वाड सम्मेलन के बाद दोनों नेताओं ने द्विपक्षीय बैठक की। इस बैठक में दोनों नेताओं ने भारत-अमेरिका साझेदारी को काफी मजबूत बताया। दोनों नेताओं ने आपसी हित के क्षेत्रों में द्विपक्षीय साझेदारी को और गहरा करने के तरीकों पर चर्चा की। बैठक में हिंद-प्रशांत क्षेत्र सहित वैश्विक और क्षेत्रीय मुद्दों पर बातचीत की। द्विपक्षीय बैठक में रूस यूक्रेन युद्ध और मोदी की हालिया यूक्रेन यात्रा पर चर्चा हुई।

बैठक में दोनों लीडर्स ने यूएस-इंडिया सीईओ फोरम की सह-अध्यक्षता करने वाली दो कंपनियों लॉकहीड मार्टिन और टाटा एडवांस्ड सिस्टम्स लिमिटेड के बीच सी-130जे सुपर हरक्यूलिस विमान पर टीमिंग समझौते की सराहना की।

यह समझौता भारतीय बेड़े और सी-130 सुपर हरक्यूलिस विमान संचालित करने वाले वैश्विक भागीदारों की तैयारी का समर्थन करने के लिए भारत में एक नई रखरखाव, मरम्मत और ओवरहाल (MRO) सुविधा स्थापित करेगा। अमेरिका-भारत रक्षा और एयरोस्पेस सहयोग में यह एक महत्वपूर्ण कदम है। यह दोनों पक्षों की गहरी होती रणनीतिक और प्रौद्योगिकी साझेदारी संबंधों को दर्शाता है।

Kerala: চিনে নয়, কমিউনিস্ট মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন চিকিৎসা করাবেন আমেরিকায়

কমিউনিজম কি কেবলই বই পড়া কিছু আপ্তবাক্য? প্রশ্ন উঠতেই পারে। কারণ কেরলের  (Kerala) মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয় চিকিৎসা করাতে যাচ্ছেন আমেরিকায়, চিনে নয়৷

ভারতীয় বামপন্থীদের কথা উঠলে সমান্তরালভাবে চলে আসে চিনের নাম। যদিও বামেদের অনেকেই এই তুলনা শুনলে নাম সিঁটকোন। কিন্তু সে দেশেই একছত্রভাবে চলে আসছে কমিউনিস্ট শাসন। অন্য দিকে আমেরিকার নামের সঙ্গে সেঁটে রয়েছে ‘পুঁজিবাদী’ লেবেল। বামেরা কি তা অস্বীকার করবেন?

চিকিৎসা করানোর জন্য আমেরিকায় যাচ্ছেন বিজয়ন। কেরল সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এই খবর। মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসার জন্য যাবতীয় খরচ বহন করবে রাজ্য সরকার। জানুয়ারির ১৫ তারিখে মার্কিন মুলুকের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করার কথা রয়েছে তাঁর। চিকিৎসা করাবেন রচেস্টারের মায়ো ক্লিনিকে। স্ত্রী কমলা এবং ব্যক্তিগত সহকর্মী ভিএম সুনীশও যাচ্ছেন সঙ্গে। ১৫-২৯ তারিখ পর্যন্ত ভারতে থাকবেন না তাঁরা।

২০১৮ সালেও মায়ো ক্লিনিকে গিয়েছিলেন বিজয়ন। যদিও প্রশাসনিক কাজকর্ম সামলেছিলেন সব নিজের হাতেই, আমেরিকা থেকে। নিজ ক্যাবিনেটে কারও কাঁধেই বাড়তি কাজ দিয়ে যাননি তিনি। জানিয়েছিলেন, অনলাইনে কাজ করতে তাঁর কিছু সমস্যা রয়েছে৷ মুখ্যমন্ত্রী কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর সেই মতো কাজ এগোনোর দায়িত্ব পড়েছিল কেরলের তৎকালীন শিল্প মন্ত্রী ইপি জয়রাজনের হাতে। বিজয়নের অনুপস্থিতি তিনিই ক্যাবিনেট বৈঠকের তদারকি করেছিলেন।

এবারে কী করবেন পিনারাই? কাউকে নিজের কিছু কাজ বুঝিয়ে দিয়ে যাবেন, নাকি নিজেই সমস্তটা দেখবেন আমেরিকা থেকে? ঘুরছে একাধিক প্রশ্ন।

Nuclear War: মুখেই কেবল ‘শান্তি… শান্তি’! পারমাণবিক অস্ত্র প্রয়োগের ক্ষেত্রেও অস্পষ্ট চিনের অবস্থান

এক মেরুতে রাশিয়া, ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ফ্রান্স। পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে চিন। তবে তা মৌখিকভাবে। খাতায়-কলমে এখনো রাশিয়া-ব্রিটেনের পাশে নেই জিন পিং-এর দেশ। তাই পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের (Nuclear War) ব্যাপারে এখনও পাওয়া যায়নি সম্মতি পত্র৷

ক্রেমলিন থেকে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পারমাণবিক শক্তি বৃদ্ধি এবং ব্যবহারের বিরুদ্ধে সায় দিয়েছে চিন (China)-সহ ৫ দেশ। আগামী দিনে যাতে পারমাণবিক শক্তি সম্পন্ন দেশগুলির মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি না হয় সে ব্যাপারে সচেষ্ট উক্ত দেশগুলো। সেই সঙ্গে বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা ব্যাপারেও তারা আগ্রহী।

চিনের উপ-বিদেশমন্ত্রী মা জাউসু বলেছেন, ‘যৌথভাবে নেওয়া এই উদ্যোগ পারস্পারিক বিশ্বাসযোগ্যতা এবং ভরসা আদায় করার পক্ষে অনুঘটকের কাজ করতে পারে।’ চিন পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের ব্যাপারে ‘উৎসাহী নয়’ এমনটা প্রকাশিত হয়েছে সে দেশের সংবাদসংস্থায়।

যৌথভাবে বিবৃতি প্রকাশ করা হলেও দুশ্চিন্তার মেঘ সারাতে পারছেন না কূটনৈতিক মহলের একাংশ। শীত যুদ্ধের পর সম্প্রতি-সময়ের আমেরিকা (America), রাশিয়া (Russia) কিংবা চিনের অবস্থান সম্পর্কে তাঁরা সন্দিহান। গত বছর নভেম্বরে পেন্টাগনের পক্ষ থেকে অনুমান করা হয়েছিল ২০২৭ সালের মধ্যে লাল দেশের অস্ত্র ভাণ্ডারে থাকতে পারে প্রায় ৭০০ পারমাণবিক হাতিয়ার। ২০৩০ সালের মধ্যে সেই সংখ্যাটা ছুঁতে পারে ১,০০০। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠতে পারে মৌখিকভাবে যুদ্ধবিরোধী চিন কেন বলীয়ান হতে চাইছেন পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়ে?

এর আগেও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে শান্তির বার্তা শোনা গিয়েছে চিনা প্রতিনিধির মুখে। কিন্তু ভারত (India)-সহ অন্যান্য প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্কে আদৌ কি প্রতিফলিত হচ্ছে সেই বার্তা? লাদাখ সীমান্ত নিয়ে নতুন করে দেখা দিয়েছে চাপানউতোর। প্যাংগং-এর কাছেই নাকি সেতু তৈরির কাজে উদ্যত হয়েছে চিন। ভারত সীমান্তের কাছে উড়ানো হয়েছে জাতীয় পতাকা, এমন খবরও প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে। প্রশ্ন থাকবে, চিনের শান্তির বার্তা শুধুই মৌখিক?

US: দাবানলের আগুনেই নতুন বছর, হাজার হাজার আমেরিকান গৃহহীন

News Desk: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমের অঙ্গরাজ্য কলোরাডোয় দাবানল আরও বড় আকার নিল। বছর শেষ ও নতুন শুরুর মুহূর্তে এ এক নিদারুণ পরিস্থিতি। হাজার হাজার আমেরিকান গৃহহীন।

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে বাড়ি ঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। দমকল কর্মীরা দিন রাত কাজ করছেন। প্রায় ১৬০ কিলোমিটার জুড়ে দাবানল লেগেছে। অন্তত ৫০০ বাড়ি-ঘর আগুনে পুড়ে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো শুষ্ক অঞ্চল। চলতি বছর সেখানে বৃষ্টি হয়নি বললেই চলে। ফলে আরও বেশি শুষ্ক হয়ে গেছে। খরা পরিস্থিতি। এই অবস্থান দাবানল ছড়িয়েছে।

বিবিসি জানাচ্ছে দাবানল ডেনভারের উত্তরে বোল্ডার কাউন্টিতে দ্রুত ছড়াচ্ছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা বলছেন, দাবানলের তাণ্ডবে মৃত্যু ও আহতের আশঙ্কা রয়েছে।
কলোরাডোর মেয়র জানিয়েছেন, ভয়াবহ আগুন এখনও পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি।

America Threatens India: রাশিয়া থেকে অস্ত্র কিনলে আর্থিক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হবে

India Buying Weapons

America Threatens India
নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদী সরকার (Narendra Modi Government )রাশিয়ার থেকেও বেশ কিছু অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঘটনার জেরে এবার ভারতকে কড়া হুমকি দিল আমেরিকা (America )। ওয়াশিংটন ভারতকে স্পষ্ট জানিয়ে দিল, রাশিয়া (Russia) থেকে অস্ত্র কিনলে নয়াদিল্লিকেও (New Delhi) আর্থিক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হবে।

শনিবার মিত্র দেশগুলির প্রতি এক হুঁশিয়ারিতে আমেরিকা জানিয়েছে, রাশিয়া থেকে অস্ত্র কিনলে তাদের ‘কাউন্টারিং আমেরিকাস অ্যাডভাইসারিস থ্রু স্যাংশনস অ্যাক্ট’ বা ‘কাটসা’ আইনের মুখে পড়তে হবে।

মার্কিন বিদেশ দফতরের মুখপাত্র জন কিরবি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, তাঁরা চান আমেরিকার কোনও মিত্রদেশ যেন রাশিয়ার কাছ থেকে অস্ত্রশস্ত্র কেনাকাটা না করে। যদি কোন মিত্র দেশ রাশিয়া থেকে অস্ত্র আমদানি করে থাকে তাহলে তাদের আর্থিক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হবে। এক্ষেত্রে কি ভারতকে ছাড় দেওয়া হবে? এই প্রশ্নের উত্তরে বিদেশ দফতরের মুখপাত্র কিরবি আরও বলেন ভারতকে ছাড় দেওয়ার ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। কারণ কাটসা আইনে কোনও একটি দেশকে ছাড় দেওয়ার মতো কোনও সংস্থান নেই। স্বাভাবিকভাবেই ভারত যদি রাশিয়া থেকে অস্ত্র কেনার চুক্তি করে সেক্ষেত্রে ভারতকেও নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হবে।

India Buying Weapons

তবে আমেরিকার এই হুমকিকে পাত্তাই দিচ্ছে না ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী অজয় ভাট লোকসভায় জানিয়েছেন, রাশিয়া থেকে অস্ত্র কেনার সিদ্ধান্তটি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের সিদ্ধান্ত। অপর কোনও দেশ এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে নাক গলাতে পারে না। দেশের নিরাপত্তা ও সুরক্ষাকেই সর্বাধিক অগ্রাধিকার দেবে সরকার। তাই পরিস্থিতি এবং সেনাবাহিনীর চাহিদার কথা মাথায় রেখে সরকার কোন দেশ থেকে কত দিনের মধ্যে কী ধরনের অস্ত্র আমদানি করবে সেটা ঠিক করবে। অন্য কারও কথায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। স্বাভাবিকভাবেই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই মস্কোর কাছ থেকে ভারতের হাতে আসবে অত্যাধুনিক রুশ মিসাইল সিস্টেম প্রতিরোধকারী অস্ত্র।

প্রসঙ্গত, এই রুশ মিসাইল সিস্টেম কেনা নিয়েই ভারত ও আমেরিকার মধ্যে ঠান্ডা লড়াই শুরু হয়েছে। সম্প্রতি ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা মিসাইল সিস্টেম ‘এস-৪০০ ট্রায়াম্প’ রাশিয়া ভারতে পাঠাতে শুরু করেছে। এই অত্যাধুনিক মিসাইল হাতে পাওয়ায় ভারতীয় বায়ুসেনার শক্তি অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান ও দূরপাল্লার মিসাইল প্রতিরোধের ক্ষেত্রে এস-৪০০ ট্রায়াম্প মিসাইলের কোনও বিকল্প এখনও পর্যন্ত নেই। দেশের উত্তরাংশে লাদাখ ও অরুণাচলে চিনের সঙ্গে ভারতের যখন সীমান্ত বিরোধ ক্রমশই বাড়ছে সে সময় এই এস-৪০০ ট্রায়াম্প মিসাইল হাতে পাওয়া যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

উল্লেখ্য, এর আগে রাশিয়ার কাছ থেকে এই অত্যাধুনিক মিসাইল কিনেছিল তুরস্ক। যে কারণে আমেরিকা তুরস্কের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। তবে ভারতের ক্ষেত্রে আমেরিকার এই হুমকি বিশেষ কার্যকর হবে না বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তারা পাল্টা বলেছে, আমেরিকার হুমকি অগ্রাহ্য করেই রাশিয়ার কাছ থেকে এই অত্যাধুনিক মিসাইল কিনবে ভারত। কারণ ভারত ও রাশিয়ার বন্ধুত্বের কথা গোটা দুনিয়া জানে। বাইডেন সরকারকেও ভারত-রাশিয়ার এই সুপ্রাচীন সম্পর্কের কথাটি মাথায় রাখতে হবে। পাশাপাশি কৌশলগত কারণে বাইডেন সরকারকে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। কারণ চিনকে রুখতে গেলে ভারতকে পাশে পাওয়া ছাড়া আমেরিকার সামনে বিকল্প কোনও রাস্তা নাই।

সীমান্তের সুরক্ষায় আমেরিকা থেকে প্রিডেটর ড্রোন কিনছে ভারত

India is buying Predator drones

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: সীমান্তের সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও নিশ্ছিদ্র করতে এবার আমেরিকা (america) থেকে প্রিডেটর ড্রোন (predator drone) কিনছে কেন্দ্রীয় সরকার। দেশের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে তড়িঘড়ি ৩০টি প্রিডেটর ড্রোন কেনার জন্য ২১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

জেনারেল অ্যাটোমিক্স নামে একটি মার্কিন সংস্থা এই শক্তিশালী ড্রোন তৈরি করে। এই শক্তিশালী ও বিশেষ ধরনের ড্রোনের সাহায্যেই আমেরিকা সিরিয়া, আফগানিস্তান, ইরাকের একাধিক শীর্ষ জঙ্গি নেতাকে খতম করেছে।

সম্প্রতি লাদাখ, (ladakh) অরুণাচল(arunachal) সীমান্তে ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপর ক্রমশই চাপ বাড়ছে। এমনকী, কিন্নর প্রদেশেও চিনের লালফৌজের উপস্থিতি টের পাওয়া গিয়েছে। অন্যদিকে কাশ্মীরে (kashmir) প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা সংলগ্ন এলাকায় পাকিস্তানের গোপন হানা নিয়মিত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সীমান্তের সুরক্ষা আরও মজবুত করতে স্থল, বায়ু, নৌ তিন বাহিনীকেই আরও শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। এজন্যই বিভিন্ন দেশের কাছ থেকে আনা হচ্ছে শক্তিশালী ও অত্যাধুনিক অস্ত্র। তারই সর্বশেষ সংযোজন হল প্রিডেটর ড্রোন বা এমকিউ-৯বি ( mq-9b)।

India is buying Predator drones

প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে খবর, ড্রোন কেনার বিষয়ে ইতিমধ্যেই মার্কিন সংস্থার সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তা হয়েছে। ওই মার্কিন সংস্থার কাছ থেকে এমকিউ-নাইনবি-এর ‘স্কাই গার্ডিয়ান’ (sky guardian) এবং ‘সি গার্ডিয়ান’ (sea guardian) মডেল কিনবে ভারতীয় সেনা। সেনাবাহিনীর তিন শাখাকেই ১০টি করে এই ড্রোন দেওয়া হবে। এই ড্রোনের মাধ্যমে খুব সহজেই বড় ধরনের হামলা চালানো যাবে। কারণ এই ড্রোন চালনার জন্য কোনও মানুষের প্রয়োজন থাকে না। দূর থেকেই পুরোপুরি রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে ড্রোনকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ফলে এই ড্রোন সহজেই শত্রুপক্ষের সীমানায় ঢুকে শত্রুদের খতম করে আসতে পারবে।

<

p style=”text-align: justify;”>প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভারতীয় সেনার হাতে এই প্রিডেটর ড্রোন এলে সীমান্তে নজরদারি কাজ আরও দক্ষতার সঙ্গে সামলানো যাবে। বিশেষ করে কাশ্মীর সীমান্তে পাকিস্তানের (pakistan) দিক থেকে অনুপ্রবেশ জন্য অপেক্ষারত জঙ্গিদের সহজেই চিহ্নিত করে তাদের উপর আক্রমণ চালানো যাবে। সেক্ষেত্রে দেশের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুরক্ষিত হবে।

তাইওয়ানকে রক্ষার প্রতিশ্রুতি আমেরিকার, আগুন নিয়ে খেলা ঠিক নয় বলে হুমকি বেজিংয়ের

America's promise to protect Taiwan

News Desk: তাইওয়ানকে বেজিংয়ের অন্তর্ভুক্ত করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে শি জিনপিং সরকার। অন্যদিকে নিজেদের স্বাধীনতা অক্ষুন্ন রাখতে আমেরিকার সাহায্য চেয়েছেন তাইওয়ান প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েন। এই অবস্থার প্রেক্ষিতে আমেরিকা স্পষ্ট জানাল, তারা সর্বশক্তি দিয়ে তাইওয়ানের স্বাধীনতা রক্ষা করবে। স্বাভাবিকভাবেই আমেরিকার ওই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বেজিং।

চিনের বিদেশমন্ত্রক সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে, আমেরিকার কখনওই আগুন নিয়ে খেলা করা উচিত নয়। আমেরিকা যদি কোন একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলায় তবে তাদের উপযুক্ত ফল ভোগ করতে হবে। বিশ্বের শক্তিশালী দুই দেশের এভাবে বাকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়াকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই তাইওয়ান নিয়ে মুখ খুলে ছিলেন জিনপিং। চিনের প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, চিন ও তাইওয়ানের পুনর্মিলন সময়ের অপেক্ষা। তাইওয়ান চিনের অংশ। তাই আগামী দিনে এই দেশ চিনের সঙ্গে মিশে যাবে। জিনপিংয়ের ওই বক্তব্যের পর তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট ওয়েন স্পষ্ট বলেছিলেন, চিনের থেকে তাঁদের বিপদ বাড়ছে। কিন্তু দ্বীপরাষ্ট্রের আড়াই কোটি মানুষ নিজেদের স্বাধীনতা অক্ষুন্ন রাখতে চান। বেজিং যদি কোনওভাবে তাইওয়ানের দখল নেয় তাহলে সেটা গণতন্ত্রের পক্ষে এক কালোদিন হিসেবে চিহ্নিত হবে। গোটা বিশ্বের মানুষ গণতন্ত্রের উপর বিশ্বাস হারাবে।

পাশাপাশি লালফৌজের আগ্রাসন ঠেকাতে ইতিমধ্যেই সক্রিয় হয়েছে তাইওয়ান। তারা নিজেদের সেনাবাহিনীকে অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত করে তুলেছে। পাশাপাশি নিজেদের রক্ষা করার জন্য আমেরিকার কাছে আবেদন জানিয়েছে। তার প্রেক্ষিতেই আমেরিকার পক্ষ থেকে ওই মন্তব্য করা হয়।

তাইওয়ানে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সান্দ্রা আউকার্ক বলেন, তাইওয়ানকে রক্ষা করতে আমেরিকা প্রতিশ্রুতি বদ্ধ। আমেরিকা ও তাইওয়ানের সম্পর্ক পাথরের মত শক্ত ও মজবুত। কেউ কোনওভাবেই এই সম্পর্কে ফাটল ধরাতে পারবে না। তাইওয়ানের স্বাধীনতা অক্ষুন্ন রাখতে আমেরিকা সব ধরনের সাহায্য করবে। সান্দ্রার ওই বক্তব্য জানার পরই তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে চিনের বিদেশমন্ত্রক।

বেজিং পাল্টা বলেছে, আমেরিকা আগুন নিয়ে খেলছে। এটা ঠিক নয়। আগুন নিয়ে খেলতে গিয়ে তারা নিজেরাই পুড়ে মরবে। চিন ও আমেরিকার এই বাক্য যুদ্ধের প্রভাব গোটা বিশ্বের রাজনীতিতে পড়বে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। পাশাপাশি তাইওয়ান প্রণালীর শান্তিও নষ্ট হতে পারে বলে তাদের আশঙ্কা।