Argentina: ভালোবাসার ছলে এসেছে ভয়াবহ মেঘ, স্মৃতিতে চেরনোবিল পরমাণু বিপর্যয়

sky

News Desk: অদ্ভুত মেঘের দল ঘুরে গিয়েছে আর্জেন্টিনার আকাশে। দেখলে মনে হবে প্রকৃতির ভালোবাসা এসেছে। ঘোলাটে তুলার বলের মতো মেঘ দেখে নেটিজেনরা একদম অবাক হয়ে যাচ্ছেন। যদিও এই মেঘের ছবি গত ১৩ নভেম্বরের। আর্জেন্টিনাপ কর্ডোবার কাসা গ্র্যান্ডের কাছে তোলা হয়েছিল।

বুধবার ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম Daily Mail জানিয়েছে, আর্জেন্টিনার আকাশে ১৩ নভেম্বর ওই মেঘ দেখা গিয়েছিল। বিরল ওই মেঘকে বিশেষজ্ঞরা ম্যাম্যাটাস মেঘ বলে চিহ্নিত করেছেন।

কী এই ম্যামাটাস মেঘ?
ম্যাম্যাটাস মেঘ সবচেয়ে অনন্য এবং স্বতন্ত্র মেঘ। এই মেঘ এমনভাবে গঠিত যে একটি মেঘের গোড়া থেকে একের পর এক থলিসদৃশ মেঘ বের হয়। এই মেঘ থেকে সাধারণত বজ্রপাত হয়।  এই মেঘ থেকে ভারি বৃষ্টি, বজ্রপাত এমনকি শিলাবৃষ্টিও হতে পারে।
এই মেঘের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। কেউ কেউ  এই মেঘ দেখে মুগ্ধ হলেও, অনেকেই ভেবেছেন এই মেঘের জন্ম পৃথিবীর বাইরে। 

আতঙ্কের কারণ ম্যামাটাস মেঘ:

আর্জেন্টিনায় যে ম্যামাটাস মেঘ এসেছিল সেরকম এর আগেও দেখা গিয়েছে। ১৯৬৮ সালে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ পারমাণবিক বিপর্যয় হয় তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের বিশ্ববিখ্যাত চেরনোবিলে। সেখানেও এই ম্যামাটাস মেঘ ঘুরেছিল। তবে বিজ্ঞানীরা জানান, চেরনোবিল বিপর্যয়ের কারণ ও ম্যামাটাস মেঘ আসা কাকতালীয় ঘটনা। মেঘের কারণে বিপর্যয় হয়নি।

আর্জেন্টিনা সরকার দেশের জনগণকে জানিয়েছে এই ম্যামাটাস মেঘ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। 

পাকিস্তানি যুদ্ধ বিমানের খদ্দের আর্জেন্টিনা তারপর তালিবান

JF-17 Thunder

নিউজ ডেস্ক: প্রথম খদ্দের আর্জেন্টিনা সরকার। পাকিস্তানের তৈরি যুদ্ধ বিমান কিনতে রাজি হয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশটি। কিন্তু পরের খদ্দের কে? স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসছে আফগানিস্তানের বর্তমান শাসক তালিবান জঙ্গিদের নাম। মনে করা হচ্ছে, তাদেরও যুদ্ধ বিমান বিক্রি করবে পাক সরকার।

ইসলামাবাদ থেকে ১২টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধ বিমান কেনার পরিকল্পনা করেছে আর্জেন্টিনা। পাক সংবাদপত্র ‘The Dawn’ জানাচ্ছে এই খবর।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের কাছ থেকে যুদ্ধ বিমান কেনার জন্য আর্জেন্টিনা ২০২২ সালের খসড়া বাজেটের ৬৪ কোটি ৪০ লক্ষ ডলার বরাদ্দ করেছে। জেএফ-১৭ থান্ডার বিমান হচ্ছে চিন ও পাকিস্তানের যৌথ প্রচেষ্টায় তৈরি এক ইঞ্জিনে বহুমুখী যুদ্ধবিমান।

এই যুদ্ধ বিমান ইন্টারসেপশন, গ্রাউন্ড অ্যাটাক, জাহাজে হামলা ও নজরদারির কাজে ব্যবহার করা যায়। বিমানটির ৪২ শতাংশ চিনে তৈরি আর বাকিটা পাকিস্তানে। তবে চূড়ান্ত মেরামতির কাজ পাকিস্তানেই হয়।

গত কয়েক বছর ধরে আর্জেন্টিনা বেশ কয়েকটি দেশের কাছ থেকে যুদ্ধ বিমান কেনার চেষ্টা করে আসছে, কিন্তু ব্রিটেনের আপত্তির কারণে তা হয়নি।

চিরশত্রু ব্রাজিলকে হারিয়ে ট্রফি জয়ের শাপমুক্তি মেসির

Lionel-Messi

রিও ডি জেনেইরো: ক্লাব ফুটবলে প্রতিটি ট্রফি জিতেছেন৷ বার্সেলোনার হয়ে জেতা ট্রফিতে ড্রয়িংরুম উপচে পড়ছে লিওনেল মেসির। তবে দেশের জার্সিতে ট্রফি জিততে না-পারার আক্ষেপ অবশেষে মিটল আর্জেন্তাইন সুপারস্টারের৷ রবিবাসরীয় সকালে মেসির হাত ধরেই আর্জেন্তিনা ফুটবলের নতুন সূর্যোদয় দেখলেন ফুটবলপ্রেমীরা৷ মারাকানায় ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন হল আর্জেন্তিনা। সেই সঙ্গে প্রথমবার দেশকে খেতাব এনে দিয়ে শাপমুক্তি হল মেসি’র৷

২৮ বছর পর প্রথম কোনও বড় টুর্নামেন্টে খেতাব জিতল আর্জেন্তিনা। সেই সঙ্গে দেশের জার্সিতে প্রথম ট্রফি জয়ের স্বাদ পেলেন মেসি৷ শেষবার ১৯৯৩ সালে কোপা আমেরিকা খেতাব জিতেছিল আর্জেন্তিনা। এবার জিতে স্পর্শ করল কোপা আমেরিকায় সর্বাধিক ১৫ বার খেতাব জয়ের রেকর্ডধারী উরুগুয়েকে ছুঁল তারা৷ এর আগে দেশের হয়ে একটি বিশ্বকাপ ও তিনটি কোপা আমেরিকার ফাইনালে খেলেছিলেন মেসি। প্রতিবারই ফিরেছিলেন শূন্য হাতে। তবে এবার আর খালি হাতে নয়, সাফল্যের ঝুলি ভরে দেশে ফিরছেন মেসি৷ দেশকে চ্যাম্পিয়ন করার পাশাপাশি ব্যক্তিগত সাফল্যে জিতেছেন গোল্ডেন বুট৷

ফাইনালের আগেই মেসি ও নেইমারকে যৌথভাবে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় ঘোষণা করে কোপা আমেরিকার আয়োজক কনমেবল। ৪ গোলের সঙ্গে ৫ অ্যাসিস্টের জন্য মেসি জিতেছেন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার। সময়ের সেরা ছাপিয়ে অনেকে মেসিকে সর্বকালের সেরার তালিকায় রাখেন। ফুটবল কিংবদন্তি পেলে ও মারাদোনার চেয়েও তাঁকে বড় করে দেখেন অনেক বিশেষজ্ঞ। কিন্তু এতদিন দেশের হয়ে কোনও ট্রফি না-থাকায় মেসিকে শুনতে হয়েছিলও অনেক সমালোচনাও৷

কোপা আমেরিকা খেতাব জয়ে আর্জেন্তিনার ২৮ বছরের ট্রফি জয়ের খরা কাটিয়ে মেসি যে বিশ্বজয়ী পেলে, মারাদোনাকে ছাপিয়ে গিয়েছেন এমন নয়। তবে সর্বকালের সেরার আলোচনায় মেসির উপস্থিতি থাকবে এমনটা বলাবাহুল্য। ছ’ ব্যালন ডি’অর জয়ের রেকর্ড আগে থেকেই ছিল মেসির। কোপা আমেরিকার মুকুট মাথায় ওঠার পর সম্ভবত সপ্তমটিও আসতে আর্জেন্তাইন সুপারস্টারের দখলে।

২০১৪ সালে এই মারাকানাতে জার্মানির বিরুদ্ধে হেরে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হয় মেসি৷ সেই মাঠেই কোপা জিতে বিশ্বকাপ হাতছাড়া হওয়ার ক্ষতে কিছুটা হলেও প্রলেপ লাগালেন মেসি৷ ব্রাজিল বিশ্বকাপে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার হিসেবে গোল্ডেন বল জিতেছিলেন মেসি। কিন্তু ট্রফি জিততে না-পারায় হতাশায় সেদিন সেলিব্রেশন করেননি আর্জেন্তাইন ফুটবলের রাজপুত্র৷

এদিন কোপা আমেরিকা ট্রফি জেতার পাশাপাশি টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতায় মেসিকে আনন্দে উদ্বেলিত সতীর্থরা৷ ট্রফি জয়ের পরেই মেসিকে নিয়ে মারাকানায় সেলিব্রেশনে মেতে ওঠে টিম আর্জেন্তিনা। মেসিকে কাঁধে নিয়ে তারপর শূন্যে ছুঁড়ে আবেগের বিস্ফোরণ ঘটান সতীর্থরা৷ ম্যাচ জিতেই মাঠের মধ্যে মেসিকে ঘিরে চলে মার্টিনেজ, আগুয়েরোদের উচ্ছাস। গ্রুপ ও নক-আউট পর্ব মিলিয়ে ছ’ ম্যাচের সবকটিতেই খেলেছেন আর্জেন্তিনা অধিনায়ক। এই ছয় ম্যাচের চারটিতেই ম্যাচ সেরা হয়েছেন মেসি। তাঁর চোখে এদিন আনন্দের বিস্ফোরণ হলেও একসময়ে বার্সেলোনায় ব্রাজিলীয় সতীর্থ নেইমারের চোখে জল দেখে স্থির থাকতে পারেন আর্জেন্তাইন তারকা৷ নেইমারকে বুকে জড়িয়ে সান্ত্বনা দিতে দেখা গিয়েছে মেসিকে৷

তিন দশকের অপেক্ষার অবসান, কোপা চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্তিনা

copa-argentina

রিও ডি জেনেইরো: ২৮ বছরের অপেক্ষার অবসান। ১৯৯৩ সালের পর প্রথমবার ব্রাজিলকে হারিয়ে কোপা আমেরিকায় খেতাব জয় আর্জেন্তিনার। অতীতের গ্লানি, হতাশাকে এক লহমায় বদলে দিলেন অ্যাঞ্জেল ডি’ মারিয়া৷ তাঁর একমাত্র গোলেই স্বপ্ন সফল লিওনেল মেসির৷ রবিবার সকালে মারাকান স্টেডিয়ামে হলুদ ঝড় থামিয়ে কোপা চ্যাম্পিয়ন হল আর্জেন্তিনা৷

২৮ বছর পর প্রথম কোনও বড় টুর্নামেন্টে খেতাব জিতল আর্জেন্তিনা। সেই সঙ্গে দেশের জার্সিতে প্রথম ট্রফি জয়ের অনন্য স্বাদ পেলেন মেসি৷ আর্জেন্তিনা শেষবার ১৯৯৩ সালে কোপা আমেরিকা খেতাব জিতেছিল। এবার জিতে স্পর্শ করল কোপা আমেরিকায় সর্বাধিক ১৫ বার খেতাব জয়ের রেকর্ডধারী উরুগুয়েকে ছুঁল আর্জেন্তিনা৷ ব্রাজিলের মাটিতে সেলেকাওদের হারানোর কঠিন চ্যালেঞ্জ জিতল মেসি অ্যান্ড কোং৷ ডি’ মারিয়ার গোলে কোপা আমেরিকায় খেতাব জিতল লিওনেল স্কালোনির দল। ফাইনালে ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্তিনা।

১৯৩৭ সালের পর কোপা আমেরিকার ফাইনালে ব্রাজিলকে হারানোর স্বপ্ন সফল হল আর্জেন্তিনার।
পরপর দু’বার ফাইনালের চিলির কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল মেসির৷ অবশেষে আর্জেন্তিনার জার্সি গায়ে প্রথম খেতাব জয়ের স্বাদ পেলেন এমএল১০৷ সেমিফাইনালের পর ফাইনালেও আসল সময়ে জ্বলে ওঠেন আর্জেন্তাইন গোলরক্ষক মার্টিনেজ। ৮৭ মিনিটে গ্র্যাবিয়েল বারবোসার গোলমুখী শট পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক থেকে সেভ করে ফের নিজের জাত চেনালেন তিনি। আর আগের কয়েক ম্যাচে বদলি নেমে আলো ছড়ানো ডি’ মারিয়া ফাইনালে প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়েই নায়ক হলেন। তাঁর একমাত্র গোলেই খেতাব জয় আর্জেন্তিনা৷ ২১ মিনিটে নিজেদের প্রথম সুযোগেই সাম্বা ঝড় থামিয়ে দেন ডি’মারিয়া। নিজেদের অর্ধ থেকে রদ্রিগো দে পলের পাস রিসিভ করে গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে জালে পাঠান আর্জেন্তাইন মিডফিল্ডার।

গত বিশ্বকাপের পর এই প্রথম আর্জেন্তিনার হয়ে গোল পেলেন ডি’ মারিয়া। ২০০৫ কনফেডারেশন্স কাপের ফাইনালের পর এই প্রথম কোনও ফাইনালে গোল পেল দু’বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। প্রথমবার দেশের মাটিতে কোপা আমেরিকা খেতাব জিততে ব্যর্থ হল ব্রাজিল৷ আগের পাঁচবারই ট্রফি জিতেছিল তারা। লাতিন আমেরিকার সেরা টুর্নামেন্টে দেশের মাটিতে ১৯৭৫ সালের পর এই প্রথমবার খেতাব হাতছাড়া হল ব্রাজিলের।

ফাইনালে আর্জেন্তিনা, মার্টিনেজে মুগ্ধ মেসি

ব্রাসিলিয়া: দেশকে প্রথমবার খেতাব জেতার লক্ষ্যে সাম্বার দেশে পা-রেখেছেন লিওনেল মেসি৷ ফাইনালে আর্জেন্তিনার খেতাব জয়ের সামনে সেই ব্রাজিল৷ গতবার ফাইনালে নেইমারদের কাছে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল মেসির৷ তবে আর্জেন্তিনার ফাইনালে ওঠার নায়ক মেসি নন, নায়ক হলেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। পেনাল্টি শুট-আউটে তিনটি সেভ আর্জেন্তিনাকে ফাইনালে তুললেন তিনি। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে খেলা ১-১ গোলে শেষ হওয়ার পর টাই-ব্রেকারে গড়ায় ম্যাচ। এই পর্বে মার্টিনেজের বীরত্বে ফাইনালে ওঠে আর্জেন্তিনা। ব্রাসিলিয়ার মানে গারিঞ্চা স্টেডিয়ামে বুধবার সকালে নির্ধারিত সময়ে ম্যাচ ড্র হওয়ার পর টাই-ব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে জেতে মেসি অ্যান্ড কোং৷

টাই-ব্রেকার এড়াতে চেয়েছিলেন আর্জেন্তাইন কোচ লিওনেল স্কালোনি। কিন্তু সেমিফাইনালে সেই ভাগ্য পরীক্ষার মধ্য দিয়েই যেতে হল মেসিদের৷ যাতে ব্যবধান গড়ে দিলেন মার্টিনেস। কলম্বিয়ার তিনটি শট ঠেকিয়ে দলকে কোপা আমেরিকার ফাইনালে তোলার নায়ক এই গোলরক্ষক। আগামী রবিবার রিও ডি জেনেইরোর মারাকানা স্টেডিয়ামে খেতাব নির্ণায়ক ম্যাচে ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে আর্জেন্তিনা।

কোয়ার্টার ফাইনালে টাই-ব্রেকারে উরুগুয়েকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছিল কলম্বিয়া। হুয়ান কুয়াদরাদোর প্রথম শট গোল হলেও। দাভিনসন সানচেস ও ইয়েরি মিনার পরের দু’টি শট বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে রুখে দেন মার্টিনেজ। মিগুয়েল বোরহার বুলেট গতির শট আটকাতে না-পারলেও কারদোনার শট বাঁ-দিকে ঝাঁপিয়ে আটকে দেন মার্টিনেজ। সেই সঙ্গে ফাইনালে ওঠার উচ্ছ্বাসে মাতেন আর্জেন্তাইন ফুটবলাররা৷

ম্যাচের পর দলের গোলরক্ষকের মার্টিনেজের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মেসি বলেন, ‘আমাদের দলে এমি রয়েছে, যে একটা ফেনোমেনন। আমরা ওর ওপর আস্থা রেখেছিলাম। ফাইনালে পৌছনোর পাশপাশি টুর্নামেন্টের সবক’টি ম্যাচ খেলার আমাদের লক্ষ্যও পূর্ণ হল।’ ‘ফেনোমেনন’, শব্দটা শুনলেই ব্রাজিলের ৯ নম্বর জার্সি গায়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণে তছনছ করে দেওয়া রোনাল্ডোর কথা মনে পড়ে। তবে কোপা সেমিফাইনালের রাতে কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে আর্জেন্তিনাও নিজেদের ‘ফেনোমেনন’-কে পেল আর্জেন্তিনা৷

আক্রমণাত্মক শুরু করা আর্জেন্তিনা এগিয়ে যেতে পারত ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে। বল পায়ে তিন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে কলম্বিয়ার ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন মেসি। খুঁজে নেন পেনাল্টি স্পটের কাছে থাকা গনসালেসকে। কিন্তু তাঁর হেড অল্পের জন্য লক্ষভ্রষ্ট হয়। তবে গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি আর্জেন্তিনাকে। সোলসোর কাছ থেকে ডি-বক্সে বল পেয়ে যান মেসি। কলম্বিয়ান এক ডিফেন্ডার বলে পা-ছোঁয়ালেও দ্রুতই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে মেসি পাস বাড়ান মার্টিনেজকে। সুযোগ হাতছাড়া করেননি তিনি৷ ফলে ম্যাচের সপ্তম মিনিটে এগিয়ে যায় দু’বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

চলতি টুর্নামেন্টে এটি মেসির পঞ্চম অ্যাসিস্ট৷ কোপা আমেরিকার ইতিহাসেই যা সর্বোচ্চ। এ নিয়ে কোপায় আর্জেন্টিনার শেষ ১১ গোলের নয়টাতেই থাকল মেসির অবদান। পরের মিনিটেই সমতা ফেরানোর দারুণ সুযোগ ছিল কলম্বিয়ার সামনে। বাঁ-দিক থেকে ক্রস ডি-বক্সে পেয়ে যান কুয়াদরাদো। কিন্তু তাঁর রুখে দেন আর্জেন্তাইন গোলরক্ষক। প্রথমার্ধে আর্জেন্তিনা এগিয়ে থেকে মাঠ ছাড়লেও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে কলম্বিয়াকে সমতায় ফেরান লুইজ দিয়াজ৷ ম্যাচের শেষ তিরিশ মিনিট কোনও দলই গোল করতে পারেনি৷ ফলে ম্যাচ গড়ায় টাই-ব্রেকারে৷ আর এতে বাজিমাত করে আর্জেন্তিনা৷