অবশেষে মিলল সুসংবাদ, শ্যুটিং-এ ফিরছেন কিং খান

shah rukh khan

বায়োস্কোপ ডেস্ক, মুম্বই: পাঠান ছবির শুটিং শুরু করতে চলেছেন শাহরুখ খান। ভক্তদের জন্য এর থেকে বড় আনন্দের খবর আর কি হতে পারে। অক্টোবর মাস থেকেই ঝড় বয়ে গেছে কিং খানের জীবনে। টানা তিন বছরের এক লম্বা বিরতির পর ছবির শুটিংয়ে হাত দিয়েছিলেন শাহরুখ খান। স্পেনে সবটাই ছিল রেডি। ঠিক ঘড়ি ধরে টাইম মতো বিমান পথে পাড়ি দেওয়ার সময় মিলেছিল দুঃসংবাদ।

গ্রেফতার করা হয়েছে আরিয়ানকে। ছেলের টানে সেখান থেকে ফিরে এসে নাজেহাল হতে হয় কিং খানকে। টানা ২১ দিন ঘরে-বাইরে ভয়ানক লড়াইয়ে সামলে ছেলেকে বাড়ি ফেরানোর চেষ্টায় সফল হয়েছিলেন তিনি। শেষে টানা তিনদিন শুনানি চলার পর অবশেষে আরিয়ানকে একাধিক শর্তে বাড়ি ছাড়তে রাজি হয় আদালত। বদলে জানানো হয় প্রত্যেক শুক্রবার হাজিরা দিতে হবে আরিয়ানকে, পাশাপাশি এই বিষয় নিয়ে কোনোরকম মুখ খোলা যাবে না কারুর কাছে।

Shah Rukh's son Aryan

সোশ্যাল মিডিয়ার সমস্ত রকমের পোস্ট এড়িয়ে চলতে হবে। এই পরই শাহরুখ খানকে দিল্লিতে যেতে দেখা যায়। আনুমানিক কিং খানের অনুপস্থিতিতে যাতে আরিয়ানকে পুনরায় নিয়ে টানাটানি না করা হয় সেই কারণেই শাহরুখ সাক্ষাৎ সেরেছেন বিভিন্ন আইন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে। সব ঠিক থাকলে চলতি মাসেই পাঠান ছবি শুরু করবেন শাহরুখ খান। এই ছবির সঙ্গে ভাগ্য জড়িয়ে রয়েছে সালমান খানের।

ছবিতে একটি বিশেষ অংশে শুট করতে দেখা যাবে তাকে। কিন্তু সেই ডেট চলে গিয়েছে অক্টোবর মাসেই। পুনরায় এই ছবিতে সময় দেওয়া সালমান খানের পক্ষে সম্ভব কিনা তা এখনও স্পষ্ট করে কিছুই জানাননি ভাইজান। তবে সুখের খবর এটাই শুটিংয়ে ফিরছেন শাহরুখ খান।

সমীর নন, আরিয়ান খান মামলার তদন্ত করবেন এনসিবির সিনিয়র অফিসার সঞ্জয় সিং

Sanjay Singh

News Desk: আরিয়ান খান (Aryan Khan) মামলার তদন্তভার পাচ্ছেন নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর সিনিয়র অফিসার সঞ্জয় সিং (sanjay sing)। তবে শুধু আরিয়ান খান মামলাই নয়, আরও পাঁচটি মামলার তদন্ত করবেন সঞ্জয়। যার মধ্যে রয়েছে মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিকের (nabab malik) জামাই সমীর খানের মামলাটিও।

একদিন আগেই আরিয়ান খান মামলার তদন্তভার সমীরের হাত থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার সন্ধ্যাতেই এনসিবির পক্ষ থেকে মুথা অশোক (mutha ashok) জানিয়েছিলেন, আরিয়ান খান মামলা-সহ মোট ৬টি মামলার তদন্ত করবে এনসিবির বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিটি। যথারীতি সিটের নেতৃত্বে থাকছেন এনসিবির ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল (অপারেশন) সঞ্জয় সিং। যদিও সমীরের (samir) দাবি, তিনি নিজেই আরিয়ান খান মামলা থেকে সরে দাঁড়ানোর দাবি জানিয়েছিলেন।

তবে সমীর যাই বলুন না কেন, সকলেই মনে করছেন, ঘুষ, তোলাবাজি, প্রতারণার মতো একের পর এক অভিযোগ ওঠার কারণেই সমীরের হাত থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে মাদককাণ্ডে আগেই গ্রেফতার হয়েছেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিকের জামাই সমীর খান। বর্তমানে জামিনে মুক্ত মন্ত্রীর জামাই। সমীর খানের জামিনের বিরোধিতা করে এনসিবি এবার নতুন করে আদালতে যেতে পারে। নবাবের জামাই সমীরের জামিনের বিরোধিতা করে এনসিবি আদালতে গেলে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হতে পারে বলে অনুমান।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এনসিবি একটি মাদক পাচারের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মন্ত্রীর জামাই সমীরকে গ্রেফতার করেছিল। এনসিবির অভিযোগ, ২০০ কেজি মাদক পাচারের ঘটনায় যুক্ত ছিল নবাবের জামাই। যদিও মন্ত্রীর দাবি, তাঁর জামাইয়ের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মিথ্যা। অকারণেই তাঁর জামাইকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। দীর্ঘ প্রায় আট মাস লড়াইয়ের পর সেপ্টেম্বর মাসেই জামিন পেয়েছেন সমীর।

সূত্রের খবর, এই ৬ মাদক মামলার তদন্তের দায়িত্ব নিয়ে এনসিবির বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রধান সঞ্জয় সিং সমীরের জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। এনসিবি যদি শেষ পর্যন্ত নবাব মালিকের জামাইয়ের জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে আর্জি জানায় সে ক্ষেত্রে এই মামলা এক চাঞ্চল্যকর মোড় নিতে পারে। মাদক মামলায় আরিয়ান খান গ্রেফতার হওয়ার পরই এনসিবি তথা সংস্থার জোনাল ডিরেক্টরের সমীর ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ করেছেন এনসিপি নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী নবাব মালিক।

রাজনৈতিক মহলের অনুমান ঘুষ, তোলাবাজি, প্রতারণার মত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ ওঠার কারণেই সমীরকে এই মামলার তদন্ত থেকে সরিয়ে দেওয়া হল। শুধু তাই নয় সমীরের বিরুদ্ধে শীঘ্রই বিভাগীয় তদন্ত শুরু হতে চলেছে বলে সূত্র খবর।

Aryan Khan: জেল থেকে বেরিয়ে বাবা শাহরুখের সঙ্গে মন্নত ফিরলেন আরিয়ান

Aryan Khan released from jail

News Desk: প্রত্যাশামতোই শনিবার সকালে জেল থেকে মুক্তি ঘটল শাহরুখপুত্র আরিয়ান খানের (Aryan Khan)। আরিয়ানকে বাড়ি নিয়ে যেতে এদিন শাহরুখ খান স্বয়ং চলে আসেন। তবে তিনি আর্থার রোড জেলে যাননি। জেল থেকে বের হওয়ার পর শাহরুখের দেহরক্ষীরাই আরিয়ানকে নিয়ে গাড়িতে ওঠেন। আর্থার রোড জেল থেকে আড়াই কিলোমিটার দূরে একটি হোটেলে অপেক্ষা করছিলেন ছোটা নবাব।

এদিন নির্দিষ্ট কিছু আইনি প্রক্রিয়া শেষ করার পর সকাল এগারোটা নাগাদ আর্থার রোড জেল থেকে বেরিয়ে আসেন আরিয়ান। শাহরুখের দেহরক্ষীদের আনা গাড়িতেই তিনি মন্নতের উদ্দেশে রওনা হন। মাঝ রাস্তায় শাহরুখ আরিয়ানের সঙ্গে যোগ দেন।

অন্যদিকে মন্নতের সামনে এদিন ছিল শাহরুখ ভক্তদের উপচে পড়া ভিড়। ভক্তদের মধ্যে ছিল প্রবল উচ্ছ্বাস। আরিয়ানকে স্বাগত জানাতে রীতিমতো প্রস্তুতি নিয়েছিলেন শাহরুখ ভক্তরা। এমনকী, আরিয়ানের মঙ্গলকামনায় একাধিক পোস্টার দেখা যায় শাহরুখ ভক্তদের হাতে। শাহরুখ ভক্তরা সকলেই একবার আরিয়ানকে দেখতে উদগ্রীব ছিলেন। শনিবার সকাল থেকেই মন্নতে ছিল অকাল দেওয়ালি। আরিয়ানের গাড়ি দেখতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শাহরুখ ভক্তরা আতসবাজি পোড়াতে থাকেন। মন্নতের প্রতিটি সদস্যই এদিন সকাল থেকেই খুশিতে মেতে ওঠেন। চলে মিষ্টিমুখের পালা। তবে সকলেই অপেক্ষা করছিলেন আরিয়ানের বাড়ি ফেরার জন্য।

আরিয়ান বাড়ি ফিরতেই সেই আনন্দ যেন উথলে ওঠে। আরিয়ানকে গাড়ি থেকে নামতে নামতে দেখেই তাঁর মা গৌরী দেবীকে চোখের জল মুছতে দেখা যায়। শাহরুখের অন্য সন্তান-সন্ততিরাও আরিয়ানের গাড়ি ঢুকতে দেখে দৌড়ে যান বাড়ির গেটে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার বিকেলে বম্বে হাইকোর্ট আরিয়ানের জামিন মঞ্জুর করেছিল। কিন্তু জামিন মঞ্জুর করার পরেও থাকে বেশকিছু আইনি প্রক্রিয়া। সেই আইনি প্রক্রিয়া শুক্রবারও না মেটায় শেষ পর্যন্ত আরও একটা দিন আরিয়ানকে আর্থার রোড জেলেই থাকতে হয়। আর্থার রোড জেল সুপার শুক্রবার বেশ কিছুক্ষণ অতিরিক্ত সময় আরিয়ানের মুক্তির জন্য অপেক্ষা করেছিলেন। কিন্তু সেই আইনি প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট সময়ে শেষ না হওয়ায় শুক্রবারও মুক্তি পাননি আরিয়ান। শনিবার সকালেই আর্থার রোড জেলবক্সে আরিয়ানের রিলিজ অর্ডার বা মুক্তির নির্দেশ এসে পৌঁছয়। তারপরই আরিয়ানকে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তি পেলেও আরিয়ানকে আপাতত বেশ কিছুদিন আদালতের বেঁধে দেওয়া একাধিক শর্ত মেনে চলতে হবে।

Aryan Khan: ট্র্যাফিক জ্যামের জেরে জুম্বাবারেও ঘরে ফেরা হল না শাখরুখ-পুত্রের

Aryan Khan

News Desk, Mumbai: বৃহস্পতিবার জামিন দিয়েছিল বম্বে হাইকোর্ট। কিন্তু দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শুক্রবারও শেষ না হওয়ায় আজকের রাতটাও মুম্বইয়ের আর্থার রোড জেলেই কাটাতে হচ্ছে শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খানকে (Aryan Khan)। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে শনিবার সকালেই মন্নতে ফিরছেন আরিয়ান৷

বৃহস্পতিবার বিকেলে বম্বে হাইকোর্ট আরিয়ানের জামিন মঞ্জুর করেছিল। জানা গিয়েছে, এদিন তাঁর জেল মুক্তির অর্ডারের নির্দেশটি বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত আর্থার রোড জেলে পৌঁছয়নি। রাস্তায় ট্রাফিক জ্যামে আটকে পড়েছিলেন আইনজীবা৷ আরিয়ান যাতে জেল থেকে ছাড়া পেতে পারেন সেজন্য জেলের সুপার নীতিন ওয়েচাল ৫ টা ৩৫ পর্যন্ত রিলিজ অর্ডারের জন্য অপেক্ষা করেছিলেন। কিন্তু সেই অর্ডার জেলে এসে পৌঁছয়নি। সে কারণেই এদিন আর জেল থেকে ছাড়া পেলেন না আরিয়ান। তাই শুক্রবার রাতেও আরিয়ানকে আর্থার রোড জেলেই কাটাতে হবে।

আরিয়ানের হয়ে এদিন জামিনদার হন বলিউড তারকা জুহি চাওলা। জানা গিয়েছে ১৪টি শর্তে আরিয়ানের জামিন মঞ্জুর করেছে আদালত। ব্যক্তিগত এক লক্ষ টাকার বন্ডে জামিন পেয়েছেন আরিয়ান। একই সঙ্গে তাঁকে পাসপোর্ট জমা রাখতে হয়েছে। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক জামিনের প্রধান শর্ত গুলি কি কি?

বিচারপতি জানিয়েছেন, আদালতের অনুমতি ছাড়া আরিয়ান দেশ ছাড়তে পারবেন না। জামিনে মুক্ত থাকা অবস্থায় তিনি কোনও রকম মাদক সেবন করতে পারবেন না। এই মামলায় জামিন প্রাপ্ত অপর দুইজন অর্থাৎ আরবাজ খান ও মুনমুন ধামেচার সঙ্গে কোনও রকম যোগাযোগ রাখতে পারবেন না। পাসপোর্ট জমা থাকার কারণে আপাতত বিদেশ ভ্রমণেও যেতে পারছেন না আরিয়ান।

হাইকোর্ট জানিয়েছে নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো বা এনসিবির অফিসে প্রতিদিন হাজিরা দিতে হবে আরিয়ানকে। বিদেশের যাওয়া তো দূরের কথা, দেশের ভিতরে কোথাও যেতে হলে তদন্তকারী অফিসারদের অনুমতি নিতে হবে। কোনওরকম রেভ পার্টিতে আপাতত যোগ দিতে পারবেন না। মাদক মামলার কোনও সাক্ষী বা অভিযুক্তকে কোনও রকমভাবেই প্রভাবিত করার চেষ্টা করতে পারবেন না। পারবেন না তথ্য প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করতে। আদালত আরও জানিয়েছে, জেল থেকে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে কোনও বিষয় নিয়ে মুখ খুলতে পারবেন না আরিয়ান। এমনকী, সোশ্যাল মিডিয়াতেও কোনও লেখা বা পোস্ট করতে পারবেন না। মাদক মামলা নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে গ্রুপেও কোনও চ্যাট করতে পারবেন না।

আদালত এইসব শর্তের প্রেক্ষিতে বলা যায়, আপাতত জামিন মিললেও একাধিক বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে আরিয়ানকে। তাঁকে বাড়িতে কার্যত বন্দি জীবন কাটাতে হবে। মাদক কাণ্ডের তদন্ত যতদিন না শেষ হয় ততদিন পর্যন্ত কড়া নজরদারিতে থাকছেন আরিয়ান। আদালতের নির্দেশের বাইরে গিয়ে কোনও পদক্ষেপ করায় তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।

Aryan Khan: তিন দিনের শুনানি শেষে আরিয়ানকে জামিন দিল বম্বে হাইকোর্ট

Aryan Khan

News Desk: বম্বে হাইকোর্টে একটানা তিনদিন শুনানির চলার পর শেষ পর্যন্ত শেষহাসি হাসলেন শাহরুখ এবং তাঁর ছেলে আরিয়ান খান। বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট আরিয়ানের জামিন মঞ্জুর করেছে। আদালতের নির্দেশে দীপাবলীর আগেই বাড়ি ফিরবেন শাহরুখ-গৌরির প্রথম সন্তান আরিয়ান। মাদক মামলায় একটানা ২৫ দিন জেলে রাত কাটানোর পর জামিন পেলেন আরিয়ান। আদালতের এদিনের নির্দেশে দীপাবলীর আগেই আলোর রোশনাই মন্নতে।

মঙ্গল এবং বুধবার পরপর দু’দিন হাইকোর্টে আরিয়ানের জামিনের শুনানি চললেও তা শেষ হয়নি। বৃহস্পতিবার দুপুরে হাইকোর্টে বিচারপতির এন সামব্রের এজলাস যথারীতি জামিনের শুনানি শুরু হয়। এদিন এনসিবির তরফে আইনজীবী অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অনিল সিং বক্তব্য পেশ করেন।

উভয় পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি শেষ পর্যন্ত আরিয়ানের জামিন মঞ্জুর করেছেন। আদালতের নির্দেশ মেলায় মনে করা হচ্ছে শুক্রবার বিকেলে বা শনিবারে সকালেই মন্নতে ফিরতে চলেছেন আরিয়ান। আরিয়ানের সঙ্গে সঙ্গেই বিচারপতি এদিন আরবাজ মার্চেন্ট এবং মুনমুন ধমেচাকেও জামিন দিয়েছে। উল্লেখ্য চলতি মাসের ২ তারিখে মুম্বইয়ে গোয়াগামী প্রমোদতরী কর্ডেলিয়া থেকে আরিয়ানকে আটক করেছিল নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরে বা এনসিবি। দীর্ঘ ১৬ ঘণ্টা জেরা করার পর ৩ অক্টোবর এনসিবি আরিয়ানকে গ্রেফতার করে। নিম্ন আদালতে এর আগে একাধিকবার আরিয়ানের জামিনের আর্জি খারিজ হয়েছিল।

এনসিবি আদালতে জানিয়েছিল, আরিয়ানকে মুক্তি দেওয়া হলে তিনি যাবতীয় তথ্য প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা চালাবেন। কারণ আরিয়ান একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির পুত্র। অন্যদিকে আরিয়ানের আইনজীবী এনসিবির এই বক্তব্যকেই হাতিয়ার করেন। দেশের প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল তথা আরিয়ানের আইনজীবী মুকুল রোহতাগি বলেন, আরিয়ান একজন বিশিষ্ট ব্যক্তির ছেলে। তাই তাঁকে জামিন দেওয়া হলে তিনি কখনই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাবেন না। আরিয়ানের পরিবারের একটা সম্মান আছে।

তাছাড়া এনসিবি এটা প্রমাণ করতে পারেনি যে, আরিয়ান মাদক সেবন করেছিলেন। তাই আরিয়ানকে জামিন দেওয়া হোক। আইনজীবীদের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি শেষ পর্যন্ত রোহতাগির মতামতকেই মান্যতা দেন। সে কারণে দীর্ঘ শুনানির পর বৃহস্পতিবার বিকেলে আরিয়ানের জামিন মঞ্জুর করে হাইকোর্ট। ২ নভেম্বর ৫৬ বছরে পা দিতে চলেছেন বলিউড তারকা শাহরুখ। জন্মদিনের আগেই ঘরে ফিরছে তাঁর বড় ছেলে আরিয়ান। তাই মন্নতে এবার শাহরুখের জন্মদিন যে যথেষ্টই ধুমধামের সঙ্গে পালন করা হবে তা না বললেও চলে। পাশাপাশি এবার মন্নতে ঢুকবে মিষ্টিও। কারণ শাহরুখের স্ত্রী গৌরী জানিয়েছিলেন, যতদিন না আরিয়ান বাড়ি ফিরছেন ততদিন মন্নতে মিষ্টি ঢুকবে না। তাঁরা কেউ মিষ্টি খাবেন না। এবার সেই প্রতীক্ষারও অবসান হল।

জামিন অমিল: বুধবার রাতেও জেলে থাকতে হবে আরিয়ানকে

ariyan khan

News Desk: শুনানি শেষ না হওয়ায় বুধবারও জামিন হল না শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খানের। ফলে বুধবার রাতেও জেলেই কাটাতে হবে আরিয়ানকে। বৃহস্পতিবার বম্বে হাইকোর্টে ফের এই জামিন মামলার শুনানি হবে। মুম্বইয়ের প্রমোদতরী কর্ডেলিয়া থেকে ধৃত আরিয়ান ১৯ দিন হল জেল হেফাজতে রয়েছেন।

বুধবার বিকেল ৩ টে ৫০ মিনিট নাগাদ বম্বে হাইকোর্টে আরিয়ানের জামিনের আর্জির শুনানি শুরু হয়। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উভয় পক্ষের আইনজীবীর সওয়াল-জবাব শেষ না হওয়ায় আদালত শেষ পর্যন্ত এ দিনের শুনানি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মুলতবি রাখতে বাধ্য হন। এই নিয়ে পরপর দু’দিন বম্বে হাইকোর্ট আরিয়ানের জামিনের আর্জির শুনানি মুলতবি রাখল। বিচারপতি এন সামব্রে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটা থেকে এই জামিন মামলার শুনানি শুরু হবে।

এদিন জামিন না মেলায় বুধবারও যে আরিয়ানকে আর্থার রোড জেলেই থাকতে হবে তা স্পষ্ট। এদিন হাইকোর্টে এনসিবির হয়ে সওয়াল করেন অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অনিল সিং। অন্যদিকে আরিয়ানের হয়ে সওয়াল করেন দেশের প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল মুকুল রোহতাগি। এদিন রোহতাগি প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁর মক্কেলের জামিনের জন্য জোরদার সওয়াল করেন। রোহতাগির বক্তব্য শেষ হওয়ার পর বিচারপতি সামব্রে এনসিবির আইনজীবীর কাছে জানতে চান, তাঁর বক্তব্য রাখতে কতক্ষণ সময় লাগবে। এর উত্তরে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন কমপক্ষে ১ ঘন্টা। এনসিবির আইনজীবীর ওই মন্তব্য শোনার পর বিচারপতি বলেন, তাহলে আজ আর সময় নেই। আগামীকাল বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হবে। শুনানি শুরু হবে বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার সময়।

আদালতের এদিনের শুনানি শেষে স্বস্তি ফিরল না খান পরিবারে। আরিয়ানের পাশাপাশি অপর দুই অভিযুক্ত আরবাজ মার্চেন্ট এবং মুনমুন ধামেচার জামিনের আর্জিও খারিজ হয়ে গিয়েছে। বুধবার শুনানি চলার সময় এনসিবির আইনজীবী আরিয়ান খানের একটি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট আদালতে পেশ করেন। এক নায়িকার সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে আরিয়ান মাদক নিয়ে লম্বা চ্যাট করেছেন। সেই চ্যাট-ই আইনজীবী বিচারপতির কাছে জমা দেন। ওই হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট খতিয়ে দেখেন বিচারপতি।

অন্যদিকে আরিয়ানের আইনজীবী তাঁর মক্কেলের জামিনের জন্য জোরদার সওয়াল করেন। আরিয়ানের আইনজীবী বলেন, তাঁর মক্কেল মাদক সেবন করেছিলেন এমন কোনও তথ্য-প্রমাণ এনসিবির কাছে নেই। তারপরেও এনসিবি কী করে আরিয়ানের জামিনের বিরোধিতা করছে। বিচারপতি উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর শেষ পর্যন্ত অবশ্য এ দিনের শুনানি স্থগিত রাখেন। বিচারপতি জানান আগামীকাল বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি চলবে।

বোম্বে হাইকোর্টের এদিনের সিদ্ধান্তের ফলে স্বভাবতই উদ্বেগ বেড়েছে শাহরুখ ও গৌরী খানের। সূত্রের খবর, শাহরুখ এবং তাঁর স্ত্রী আরিয়ানের আইনজীবীর কাজে আদৌ সন্তুষ্ট নন। নিম্ন আদালতে আরিয়ানের জামিন না হওয়ায় একদফা আইনজীবী সতীশ মানসিন্ডেকে সরিয়ে দিয়ে নতুন আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ করেন অমিত দেশাইকে। কিন্তু দু’দিন হাইকোর্টে শুনানি চলার পরেও আরিয়ানের জামিন করাতে পারলেন না অমিত।

যদিও অমিত এদিন আদালতে বলেন, এনসিবি তদন্ত করতেই পারে। কিন্তু প্রশাসনিক কারণে কারও মুক্তি আটকাতে পারে না। জামিনের আবেদন কখনওই তদন্তের উপর নির্ভর করে না। কিন্তু অমিত দেশাইয়ের এই যুক্তি আদালতে ধোপে টেকেনি। উল্লেখ্য ৩ অক্টোবর রাতে মুম্বাইয়ের প্রমোদতরী কর্ডেলিয়া থেকে এনসিবি শাহরুখপুত্র আরিয়ানকে আটক করেছিল। দীর্ঘ প্রায় ১৬ ঘণ্টা জেরা করার পর আরিয়ানকে গ্রেফতার করেছিল এনসিবি।

তিনদিন আরিয়ান ছিল নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর হেফাজতে। তারপর থেকেই শাহরুখপুত্র জেল হেফাজতে রয়েছেন। এই মুহূর্তে দেশের হাইপ্রোফাইল মামলাগুলির মধ্যে আরিয়ানের জামিনের মামলাটি অন্যতম। তাই স্বাভাবিকভাবেই বৃহস্পতিবার গোটা দেশের নজর থাকবে বম্বে হাইকোর্টের দিকে।

বোম্বে হাইকোর্টেও জামিন পেলেন না আরিয়ান, বুধবারও শুনানি চলবে

ariyan-khan

News Desk, Mumbai: দীর্ঘ শুনানি শেষে বম্বে হাইকোর্টেও জামিন পেলেন না শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খান। বুধবারও আরিয়ানের জামিনের আর্জির শুনানি চলবে বলে জানিয়েছেন বিচারপতি।

মঙ্গলবার বিচারপতি এন ডব্লিউ সামব্রের এজলাসে আরিয়ানের জামিনের আর্জি শুনানি শুরু হয়। এনসিবির পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অনিল সিং আরিয়ানের জামিনের আর্জির বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, আরিয়ান যে শুধু নিজেই মাদক সেবন করতেন তা নয়, তিনি অবৈধ মাদক পাচারের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। আরিয়ান এবং শাহরুখের ম্যানেজার পূজা দাদলানি বিভিন্ন তথ্য প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেছেন। এমনকী, সাক্ষীদেরও প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন তাঁরা। তাঁদের মূল উদ্দেশ্য ছিল তদন্তকে বিপথে চালনা করা।

অন্যদিকে শাহরুখপুত্র আরিয়ানের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল মুকুল রোহতাগি। তিনি বলেন, মুম্বইয়ের গোয়াগামী প্রমোদতরীতে আরিয়ান খান কোনও ক্রেতা ছিলেন না। তিনি একজন বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন। প্রদীপ গাবা নামে এক ব্যক্তি তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। প্রদীপ ছিলেন একজন ইভেন্ট ম্যানেজার। আরিয়ানের সঙ্গেই প্রদীপ আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন আরবাজকে। আমন্ত্রিত হওয়ায় ওই দুইজনকে ক্রুজে চড়ার জন্য কোনও টিকিট কিনতে হয়নি। ৩ অক্টোবর তাঁরা বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ ওই ক্রুজ টার্মিনালে গিয়ে পৌঁছেছিলেন।

রোহতাগি আরও বলেন, সবকিছু দেখে শুনে মনে হচ্ছে এনসিবির কাছে আগে থাকতেই খবর ছিল যে, ওই প্রমোদতরীতে ড্রাগ উঠবে। সে কারণেই তারা আগে থাকতেই সেখানে পৌঁছে গিয়েছিল। আরিয়ান এবং আরবাজ সহ আরও অনেকেই

সেদিন গ্রেফতার হয়েছিল। কিন্তু আরিয়ানের কাছ থেকে কোনও কিছুই উদ্ধার হয়নি। আরিয়ানের কোনও মেডিক্যাল চেকআপও করা হয়নি। মেডিক্যাল চেকআপ না হওয়ায় প্রমাণ হয়নি যে, আরিয়ান মাদক সেবন করেছিলেন। এনসিবি দাবি করেছে, আরবাজের জুতোর ভেতর থেকে ছয়গ্রাম মাদক পাওয়া গিয়েছে। যদিও আরবাজ সে কথা অস্বীকার করেছে। এটা এনসিবির পরিকল্পনা কিনা সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত নই।

উভয় পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি সামব্রে অবশ্য এদিন আরিয়ানের জামিন মঞ্জুর করেননি। বরং বিচারপতি জানিয়েছেন, বুধবারও তিনি এই মামলার সওয়াল শুনবেন। বুধবার আরিয়ান জামিন পান কিনা এখন গোটা দেশের নজর সেদিকেই।

তবে আরিয়ান এদিন জামিন না পেলেও তার সঙ্গেই গ্রেফতার হওয়া আভিন সাহু এবং মণীশ রাজগাড়িয়া নামে দুই ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর করেছে বিশেষ এনডিপিএস আদালত। মুম্বইয়ের প্রমোদতরীর মাদক মামলায় এই প্রথম কোনও ধৃতের জামিন মঞ্জুর হল।

Aryan Khan Case: ফোন ট্যাপ করে ফাঁসানোর চক্রান্ত করছেন NCB কর্তা সমীর, মন্ত্রীর অভিযোগ

sameer-wankhede

News Desk: মুম্বইয়ের প্রমোদতরীর মাদক কাণ্ডের জল ক্রমশ ঘোলা হচ্ছে। যার কেন্দ্রে রয়েছেন নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর ডিরেক্টর সমীর ওয়াংখেড়ে। খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে সমীরের নাম। ঘুষ নেওয়া থেকে শুরু করে একের পর এক অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এবার মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিক অভিযোগ করলেন, সমীর আইন বহির্ভূতভাবে বহু ব্যক্তির ফোন ট্যাপ করেছেন। যার মধ্যে রয়েছেন বলিউড তারকারা।

এনসিবির জোনাল হেড সমীর একজন সৎ এবং দক্ষ অফিসার হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। যে কারণে আরিয়ান খান মামলায় এই তদন্তকারী অফিসার যথেষ্ট ব্যাকফুটে। সম্প্রতি তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে এই আশঙ্কা প্রকাশ করে আদালতেও গিয়েছেন তিনি। এই মানুষটিকে নিয়ে এখন একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে।

অনেকেই বলছেন, কেন্দ্রের মোদী সরকারের ইশারাতেই বিভিন্ন জরুরি বিষয় থেকে মানুষের নজর ঘুরিয়ে দিতেই এনসিবি আরিয়ানকে নিয়ে পড়েছে। এদিন নবাব অভিযোগ করেন, সমীর নিয়মিত বলিউড তারকাদের ফোন ট্যাপ করতেন। এমনকী, তাঁর মেয়ে নিলোফারের কললিস্টও চেয়ে পাঠিয়েছিলেন। তবে মুম্বই পুলিশ সেটা তাঁকে দেয়নি। তাঁর নিজের ফোনও ট্যাপ করা হয়েছে বলে নবাব দাবি করেন।

নবাব আরও বলেন, এনসিবির এক অফিসার নিজের নাম গোপন করে তাঁকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। ওই চিঠিতে ২৬টি মামলার কথা তাঁকে জানানো হয়েছে। ওই সমস্ত মামলাগুলির মধ্যে কয়েকটিতে বলিউড তারকারা জড়িত। ওই সমস্ত মামলাগুলির তদন্ত সমীর যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে করেননি। সমীর সবসময় চেষ্টা করেছেন বিভিন্ন মানুষকে ফাঁসিয়ে দিতে। তাঁদের বিরুদ্ধে এজন্যই তিনি মিথ্যা অভিযোগ এনেছেন।

ওই চিঠিটি তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে, পুলিশের ডিজি, এনসিবির শীর্ষ কর্তা এবং অন্যদের কাছেও পাঠিয়েছেন। একই সঙ্গে ওই মামলাগুলির যথাযথ তদন্তের দাবিও তুলেছেন নবাব। মন্ত্রীর আরও অভিযোগ, সমীর তাঁর নিজের পদমর্যাদাকে কাজে লাগিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা কামিয়ে চলেছেন।

নবাব এদিন বলেন, আমি এনসিবির বিরুদ্ধে কোনও লড়াই করছি না। আমার লড়াইটা অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে। একজন ব্যক্তি যিনি প্রতারণার মাধ্যমে চাকরি পেয়েছেন আমি সেই বিষয়টি সামনে আনতে চাইছি। সমীর তাঁর জন্মের ভুয়ো শংসাপত্র দিয়ে এনসিবির চাকরি পেয়েছেন।

নবাবের তোলা এই সমস্ত অভিযোগের কোনও জবাব দেননি সমীর। তবে, এদিন মুখ খুলেছেন তাঁর স্ত্রী। এদিন সমীরের স্ত্রী বলেন, আমার স্বামী কখনও কোনও অন্যায় কাজ করেন না। এ ধরনের চিঠির কোন সারবত্তা নেই। এসব অভিযোগের বিরুদ্ধে আমরা আদালতে যাব। যারা আমাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ করছেন আদালতে তাদের সেগুলি প্রমাণ করতে হবে। আমরা কোটিপতি নই। আমরা আর পাঁচজনের মতো সাধারণ মানুষ। আমার স্বামী সমীর একজন অত্যন্ত সৎ, দক্ষ ও দায়িত্বশীল অফিসার। নবাবের পাঠানো চিঠিতে সম্পর্কে এনসিবির ডিরেক্টর জেনারেল অশোক জইন বলেছেন, তিনি একটি চিঠি পেয়েছেন এবং দেখেছেন। সব খতিয়ে দেখে এ ব্যাপারে তিনি নিশ্চিতভাবেই ব্যবস্থা নেবেন।

চাঞ্চল্যকর অভিযোগ: আরিয়ান খান মামলায় ১৮ কোটি টাকার ঘুষ লেনদেন

Aryan Khan

News Desk: এই মুহূর্তে খবরের শিরোনামে রয়েছে নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো বা এনসিবি। শাহরুখ খানের বড় ছেলে আরিয়ানকে মাদক কাণ্ডে গ্রেফতারের পরই এনসিবির নাম নিয়ে সর্বত্র আলোচনা চলছে। এবার এনসিবির বিরুদ্ধেই ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ করলেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। ওই ব্যক্তির দাবি আরিয়ান খান মামলায় ১৮ কোটি টাকার ঘুষ দেওয়া নেওয়া হয়েছে।

প্রমোদতরীতে আরিয়ান খানের সঙ্গে এক ব্যক্তির তোলা সেলফি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল। ওই ব্যক্তিকে নিয়ে প্রথম থেকেই ছিল বিতর্ক। কারণ ওই ব্যক্তি এনসিবির কেউ ছিলেন না। তাহলে তিনি কেন বা কী কারণে আরিয়ানের পাশে ছিলেন তা নিয়েই বিতর্ক বাধে। পরে জানা যায় ওই ব্যক্তির নাম কেপি গোসাভি। তিনি একজন প্রাইভেট ডিটেকটিভ। এই গোসাভির দেহরক্ষী প্রভাকর সইল ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।

প্রভাকরের দাবি, তিনি নিজের চোখে ১৮ কোটি টাকা লেনদেন হতে দেখেছেন। কেপি গোসাভি এবং শ্যাম ডিসুজা নামে দুই ব্যক্তির মধ্যে ১৮ কোটি টাজার একটি চুক্তি হয়। এই ১৮ কোটি টাকা থেকেই ৮ কোটি টাকা পাওয়ার কথা এনসিবি কর্তা সমীর ওয়াংখেড়ের। প্রভাকরের দাবি, সমীর ওই টাকা ঘুষ হিসেবেই পেতেন। সাক্ষী হিসাবে সাদা কাগজে তাঁকে দিয়ে সই করিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

যথারীতি প্রভাকরের এই দাবি সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে এনসিবি। যার বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠছে সেই সমীর ওয়াংখেড়ে এদিন জানিয়েছেন তিনি এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করবেন। ঘুষ নেওয়ার যে অভিযোগ প্রভাকর করেছেন, সেটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং কল্পনাপ্রসূত। যদি তিনি প্রকৃতই এই বিপুল পরিমাণ টাকা নিতেন তাহলে কি এখনও আরিয়ানকে জেলে থাকতে হত, বলে পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন সমীর।

অন্যদিকে এনসিবি দফতরের যে সমস্ত সিসিটিভির ফুটেজ রয়েছে সেখানেও আর্থিক লেনদেনের এমন কোনও কিছুর খোঁজ মেলেনি। এনসিবি পক্ষ থেকে পাল্টা জানানো হয়েছে, আরিয়ান খান একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির পুত্র। কিন্তু মাদক মামলায় তাঁকে জেলে থাকতে হচ্ছে। তাই আরিয়ানকে ছাড়িয়ে আনতে এ ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হচ্ছে। আসলে এনসিবির গায়ে কালি ছেটাতেই এটা করা হচ্ছে। তবে এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউত। ওই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে এনসিবির দফতরে আরিয়ানের পাশে বসে তাঁর সঙ্গে কথা বলছেন গোসাভি। পরবর্তী ক্ষেত্রে গোসাভির মোবাইল থেকে আরিয়ান অন্য কারও সাথে কথা বলছেন। রাউত প্রশ্ন তুলেছেন, আরিয়ান গোসাভির ফোন থেকে কার সঙ্গে কথা বলছিলেন তা জানাক এনসিবি। অন্যদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে বলেছেন, মহারাষ্ট্রে বদনাম করতেই কেন্দ্রের ইশারায় এনসিবি চক্রান্ত করছে।

আরিয়ান ছাড়াও মাদক মামলায় জড়িয়েছে আরও ৬ স্টারকিডস

In addition to Aryan, Star kids was also involved in drug cases

বায়োস্কোপ ডেস্ক: নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্যের অপব্যবহারের কারণে শাহরুখ খানের বড় ছেলে আরিয়ান খান গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই আবার চর্চার কেন্দ্রবিন্দু তে উঠে এসেছে বলিউড ও ড্রাগের যোগসুত্র।

যদিও হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একাধিকবার মাদক ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে, ২০২০ সালের জুনে অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক জোরালো হয়ে ওঠে। আরিয়ান খান এর গ্রেপ্তারের পর এনসিবির ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে উঠে এসেছে।

অনেকে দাবি করছেন যে, রাজনৈতিক ভাবে প্রভাবিত হয়ে এনসিবি ইচ্ছাকৃতভাবে বলিউডকে নিশানা করেছে বারবার। দেখে নেওয়া যাক এমন কিছু ঘটনা, যেখানে বলিউডের স্টারকিডরা জড়িয়ে গিয়েছিলেন ড্রাগ মামলায়:

sara-ali-khan

১. সারা আলি খান
সুশান্ত সিং রাজপুত এর মৃত্যুর পর সাইফ আলি খান ও অমৃতা সিংহের মেয়ে সারা আলি খানের নামও জড়িয়ে পড়ে মাদক কাণ্ডে। যদিও তিনি সরাসরি মাদক সেবন করেছিলেন কি না এ নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে, কিন্তু সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর তদন্ত করতে গিয়ে ফাঁস হওয়া মাদক চক্র নিয়ে এনসিবি কর্তপক্ষ বেশ কয়েকবার তলব করে তাকে।

sanjay-dutta

২. সঞ্জয় দত্ত
ইন্ডাস্ট্রির সঞ্জুবাবার মতো অজস্র কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে যাওয়া তারকা হয়তো আর দুটি নেই। অভিনেতা নিজেই একসময় স্বীকার করেছিলেন যে কলেজে পড়াকালীন তিনি মাদকচক্রের জড়িয়ে পড়েছিলেন। যদিও তিনি এও দাবি করেছেন যে নিজের চেষ্টাতেই মাদকের নেশা থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন তিনি।

prateik Babbar৩. প্রতীক বাব্বর
অভিনেতা রাজ বাব্বরের ছেলে ও ‘দম মারো দম’ অভিনেতা নিজেই স্বীকার করেছেন যে তিনি মাত্র ১৩ বছর বয়সে মাদকাসক্তির শিকার হয়েছিলেন। তখন এর থেকে বেরিয়ে আসার জন্য তাকে পুনর্বাসনের সাহায্য নিতে হয় বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

Ranbir Kapoor

৪. রণবীর কাপুর
রণবীর কাপুর কেবল এই প্রজন্মের অন্যতম সবচেয়ে জনপ্রিয় অভিনেতাই নন, প্রয়াত অভিনেতা ঋষি কাপুর এবং নিতু সিং এর পুত্র হওয়ার সুবাদে তিনি বলিউডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এক পরিবারের সদস্য। অন্য কয়েকজন বলিউড স্টার কিডের মতো, রণবীরও রকস্টার ছবির শুটিংয়ের সময় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহারের সাথে যুক্ত ছিলেন বলে স্বীকার করেছিলেন।

Fardeen Khan৫. ফারদিন খান
প্রয়াত বলিউড অভিনেতা ফিরোজ খানের ছেলে ফারদিন খান ২০০১ সালে একটি ড্রাগ কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েন, তারপরে তাকে কোকেন রাখার অভিযোগে এনসিবি গ্রেপ্তার করেছিল বলে জানা গেছে।

Puja-Bhat৬. পূজা ভাট
পরিচালক মহেশ ভাট এর মেয়ে পূজা ভাট নিজে স্বীকার করেছিলেন যে তিনি মাত্র ১৬ বছর বয়স থেকে মাদকাসক্তিতে ভুগতেন। বেশ কয়েক বছর আগে এক মাদক মামলার সাথে তার নাম জড়িয়ে যায়, যার জন্য এনসিবি কর্তৃপক্ষ তাকে তলব করেছিল। যদিও তিনি দাবি করেছিলেন যে কোকেনের মতো ভারী ড্রাগ তিনি কখনোই সেবন করেননি।

Shah Rukh Khan: আরিয়ানের সঙ্গে জেলে গিয়ে দেখা করলেন শাহরুখ

Shah Rukh Khan

নিউজ ডেস্ক: পরপর পাঁচবার শাহরুখপুত্র (Shah Rukh Khan) আরিয়ান খানের জামিনের আর্জি খারিজ হয়ে গিয়েছে। বুধবারও জামিন পাননি আরিয়ান। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার সকালেই শাহরুখ মুম্বইয়ের আর্থার রোড জেলে গিয়ে ছেলে আরিয়ানের সঙ্গে দেখা করেন।

জানা গিয়েছে, শাহরুখ আরিয়ানের শারীরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। বাবা ও ছেলের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ কথা হয়। অন্যদিকে শাহরুখ আরিয়ানের সঙ্গে দেখা করে ফেরার কিছুক্ষণ পরেই বৃহস্পতিবার দুপুরে এনসিবির তদন্তকারীরা শাহরুখের বাড়িতে গিয়ে হাজির হন। এনসিবি প্রতিনিধি দলের মন্মতে পৌঁছে যাওয়া শাহরুখকে আরও বেকায়দায় ফেলেছে। অনেকেই মনে করছেন, মাদক মামলায় এনসিবি এবার শাহরুখ বা তাঁর পরিবারের অন্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।

যদিও কী কারণে এনসিবির তদন্তকারীরা মন্নতে গিয়েছেন সে ব্যাপারে এখনও কিছু জানা যায়নি। শাহরুখ বা বাড়ির কোনও সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কিনা বা কোনও তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে কিনা সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। সূত্রের খবর, এনসিবির তদন্তকারীরা শাহরুখের বাড়ি থেকে কিছু নথিপত্র আনার জন্য গিয়েছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদের সময় আরিয়ান যে সমস্ত মন্তব্য করেছে তার ভিত্তিতেই কিছু নথিপত্র শাহরুখের বাড়ি থেকে আনার জন্যই এনসিবি তদন্তকারীরা গিয়েছিলেন। তবে এনসিবির তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, আরিয়ান যে এই প্রথম মাদক নিয়েছেন তা নয়। আরিয়ান দীর্ঘদিন ধরেই মাদক নিতেন। সে কারণেই মাদকচক্রের বহু লোকের নাম একে একে আরিয়ানের কাছ থেকে জানা যাচ্ছে।

এনসিবির একটি প্রতিনিধি দল যখন মন্নতে গিয়েছেন ঠিক একই সময়ে আরও একটি প্রতিনিধিদল গিয়েছেন বলিউড অভিনেতা চাঙ্কি পাণ্ডের অভিনেত্রী মেয়ে অনন্যা পাণ্ডের বাড়িতে। এনসিবি গোয়েন্দাদের দাবি, আরিয়ানের কাছ থেকেই তারা অনন্যার নাম জানতে পেরেছে। আরিয়ানের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটেও অনন্যার নাম পাওয়া গিয়েছে।

সে কারণেই এনসিবির গোয়েন্দারা এদিন মন্নত ছাড়াও অনন্যার বাড়িতে যান। এনসিবি অনন্যাকেও ডেকে পাঠিয়েছে বলে খবর। মাদকচক্রের সঙ্গে অনন্যার কোন যোগাযোগ আছে কিনা অনন্যা মাদকচক্রের কাউকে চেনেন কিনা তা জানতে এই অভিনেত্রীকেও এনসিবি ডেকে পাঠিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আরিয়ান কাণ্ডে যেভাবে একের পর এক বলিউড তারকা নাম ক্রমশই এনসিবির তদন্তকারীরা জানতে পারছেন তাতে এই মামলার জল কোথায় গড়ায় তা নিয়ে একটা কৌতুহল তৈরি হয়েছে।

বুধবার জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ায় বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন আরিয়ান ও তাঁর পরিবার। তবে বম্বে হাইকোর্ট গিয়েও বিশেষ কোনও সুরাহা হয়নি। কারণ হাইকোর্ট এদিন জানিয়ে দিয়েছে, আজ তারা কোনওভাবেই আরিয়ানের জামিনের আর্জি শুনবে না। আরিয়ানের জামিনের আবেদনের পরবর্তী শুনানি হবে ২৬ অক্টোবর। অর্থাৎ ওই দিন জামিন মিললেও আরিয়ানকে আপাতত আরও ছয়দিন জেল হেফাজতেই থাকতে হবে। তবে ২৬ অক্টোবর যদি হাইকোর্ট আরিয়ানকে জামিন না দেয় তাহলে তাকে আরো বেশ কিছুদিন জেলের মধ্যেই কাটাতে হবে। সেক্ষেত্রে দীপাবলির আগে বাড়ি ফেরা হবে না শাহরুখ খানের বড় ছেলে আরিয়ানের।

Aryan Khan: আদালতের নির্দেশে স্পষ্ট হয়ে গেল আরও বেশ কিছুদিন মন্নতে ঢুকবে না মিষ্টি

Aryan Khan's bail application was once again rejected

নিউজ ডেস্ক: বুধবার আদালতের নির্দেশে এটা স্পষ্ট হয়ে গেল যে, আরও বেশ কিছুদিন শাহরুখ খানের বাড়ি মন্নতে মিষ্টি ঢুকবে না। শাহরুখ খানের স্ত্রী গৌরী বলেছিলেন, যতদিন না ছেলে আরিয়ান (Aryan Khan) বাড়ি ফিরছে ততদিন মিষ্টি ঢুকবে না বাড়িতে। তাঁরা কেউ মিষ্টি খাবেন না। বুধবার আরিয়ানের জামিনের আবেদন ফের একবার খারিজ হয়ে গেল। জামিনের আর্জি খারিজ হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই মন্নতে যে আরও বেশ কিছুদিনের জন্য মিষ্টি ঢুকবে না এটা নিশ্চিত হয়ে গেল। আরিয়ানকে জামিনের জন্য পরবর্তী ক্ষেত্রে যেতে হবে বম্বে হাইকোর্ট।

চলতি মাসের ৩ তারিখে মুম্বইয়ে এক প্রমোদতরী থেকে আরিয়ানকে গ্রেফতার করেছিল নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো। আরিয়ানের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছিল বেশ কিছু মাদক। শুধু আরিয়ান নয়, ওই ঘটনায় আরিয়ানের ঘনিষ্ঠ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছিল এনসিবি। গ্রেফতারের পর প্রথম কয়েকদিন আরিয়ানকে নিজেদের হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল এনসিবির তদন্তকারী আধিকারিকরা। আদালতের নির্দেশে ৮ অক্টোবর থেকে মুম্বইয়ের আর্থার রোড জেলে রয়েছেন আরিয়ান। বুধবার আরিয়ানের জামিনের আবেদনের শুনানি শুরু হলে এনসিবি তার বিরোধিতা করে।

তদন্তকারী অফিসাররা জানান, আরিয়ানের কাছ থেকে এখনও বেশ কিছু জিনিস তাঁদের জানার বাকি আছে। জিজ্ঞাসাবাদে আরিয়ানের কাছ থেকে প্রায় প্রতিদিনই মিলছে নতুন তথ্য। তাই এখনই আরিয়ানকে জামিনে মুক্তি দেওয়া সম্ভব নয়। অন্যদিকে আরিয়ানের আইনজীবী এনসিবির অফিসারদের বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, তাঁর মক্কেল তদন্তকারীদের সঙ্গে সব ধরনের সহযোগিতা করছেন। তিনি একজন নামজাদা ব্যক্তির ছেলে। তাই আরিয়ান দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাবেন তা নয়। সে কারণে তার মক্কেলকে জামিন দেওয়া হোক। উভয় পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর শেষ পর্যন্ত অবশ্য আরিয়ানের জামিনের আর্জি খারিজ করে দেন বিচারক।

উল্লেখ্য আরিয়ানকে জেরার ভিত্তিতেই গত শনিবার মুম্বইয়ের বান্দ্রা ও জুহুর একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় এনসিবি। আরও বেশ কিছু জায়গায় এনসিবি তদন্ত চালাবে বলে মনে করা হচ্ছে। সে কারণেই এনসিবি এদিন আরিয়ানের জামিনের বিরোধিতা করে। তবে আদালতের এদিনের নির্দেশের পর একটাই প্রশ্ন, দীপাবলীর আগে কি শাহরুখপুত্র আরিয়ান বাড়ি ফিরতে পারবেন। এই মুহূর্তে জামিন পেতে হলে আরিয়ানকে হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে। কারণ এখনও পর্যন্ত পাঁচবার নিম্ন আদালতে আরিয়ানের জামিনের আর্জি খারিজ হয়েছে। জামিন না মেলায় শাহরুখ ও তার ছেলে আরিয়ানের উপর চাপ বাড়ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

Aryan Khan: ছেলে ফিরলে তবেই মন্নতে ঢুকবে মিঠাই, পণ গৌরীর

Aryan Khan

মুম্বই: দেখতে দেখতে হপ্তা দুই। ছেলে ফেরেনি ঘরে। আরিয়ানকে (Aryan Khan) ছাড়াই নবরাত্রি কাটিয়েছে খান পরিবার। কিন্তু দীপাবলিতে নয়! শাহরুখ -গৌরীর বিশ্বাস, ছেলে বাড়িতেই দীপাবলি উদযাপন করবে। তাইতো বাড়ির সবাই ডেকে মা গৌরি জানিয়ে দিয়েছেন, আরিয়ান না ফেরা পর্যন্ত কোনও রকম মিষ্টি তৈরি হবে না ‘মন্নত’-এ।

খান পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর, এক কর্মীকে মন্নতে ক্ষীর রান্না করতে দেখে তড়িঘড়ি তাঁকে আটকে দেন গৌরী। এর পরেই নির্দেশ দেন, আরিয়ানের অনুপস্থিতিতে কোনও মিষ্টি তৈরি করা হবে না। আরিয়ান গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই হতাশায় ভুগছেন গৌরী। সব কাজও স্থগিত রেখেছেন তিনি। জানা গিয়েছে, ছেলের জন্য নবরাত্রিতে উপোস করেছিলেন তিনি।

বাদশা পুত্র আরিয়ান এখন আর্থার রোড জেলের ৯৫৬ নম্বর কয়েদি। গত ২ অক্টোবর মুম্বইয়ের প্রমোদতরীর মাদক পার্টি থেকে গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে হাজতই এখন তার ঠিকানা। । একাধিক বার জামিনের আবেদন খারিজ করেছে আদালত। শাহরুখ-পুত্রের পক্ষে কোনও যুক্তিই ধোপে টেকেনি সেখানে। কিন্তু তবু আশা ছাড়তে নারাজ শাহরুখ এবং গৌরী।

অন্যদিকে, আর্থার রোড জেল সূত্রে খবর, আরিয়ান জেলের আদবকায়দা মানতে পারছেন না। খেতে পারছেন না জেলের খাবার । কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছেন। এমনকী মাদক কাণ্ডে ধৃত কারও সঙ্গে দেখাও করতে চাইছেন সে। যে কারণে আরিয়ানকে বাকি অভিযুক্তদের থেকে আলাদা, জেলের অন্য ব্যারাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরতে দেওয়া হয়েছে নিজের পোশাক।

প্রসঙ্গত, জেলের খাবারে অরুচি বলে ছেলেকে খাওয়াদাওয়ার খরচ বাবদ মানি অর্ডারে সাড়ে চার হাজার টাকা পাঠিয়েছেন শাহরুখ। কেননা এই মুহূর্তে জেলে বাড়ির খাবার খাওয়ার অনুমতি পাননি তিনি। আপাতত সেখানকার ক্যান্টিনের খাবার খেয়ে দিন কাটছে আরিয়ানের।

জেলে আরিয়ানকে টাকা পাঠাল শাহরুখ

Aryan Khan

মুম্বই:  রং বদলেছে জীবনের। বাদশা পুত্র আরিয়ান এখন আর্থার রোড জেলের ৯৫৬ নম্বর কয়েদি। গত ২ অক্টোবর মুম্বইয়ের প্রমোদতরীর মাদক পার্টি থেকে গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে হাজতই এখন তার ঠিকানা। আর সেই ঠিকানায় সাড়ে ৪ হাজার টাকা মানি অর্ডার করল শাহরুখ।

সক্কাল সক্কাল ঘুম থেকে ওঠা। সাদামাঠা খাবার। বিশেষ কোনও আয়োজন ছাড়াই পাঁচজন অভিযুক্তের মতো জেলে দিন কাটছে আরিয়ান। আর্থার রোড জেল সূত্রে খবর, আরিয়ান জেলের আদবকায়দা মানতে পারছেন না। খেতে পারছেন না জেলের খাবার । কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছেন। এমনকী মাদক কাণ্ডে ধৃত কারও সঙ্গে দেখাও করতে চাইছেন সে। যে কারণে আরিয়ানকে বাকি অভিযুক্তদের থেকে আলাদা, জেলের অন্য ব্যারাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরতে দেওয়া হয়েছে নিজের পোশাক।

অন্যদিকে জেলের খাবারে অরুচি বলে ছেলেকে খাওয়াদাওয়ার খরচ বাবদ মানি অর্ডারে সাড়ে চার হাজার টাকা পাঠিয়েছেন শাহরুখ। কেননা এই মুহূর্তে জেলে বাড়ির খাবার খাওয়ার অনুমতি পাননি তিনি। আপাতত সেখানকার ক্যান্টিনের খাবার খেয়ে দিন কাটছে আরিয়ানের। যদিও বিশেষ কিছু মুখে তুলছেন না বাদশা পুত্র। আর তাই শাহরুখ-পুত্রের স্বাস্থ্য এবং পরিচ্ছন্নতা নিয়ে চিন্তিত জেল কর্তৃপক্ষ।

জানা গিয়েছে, ভিডিও কলে বাবা শাহরুখ এবং মা গৌরী খানের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পান আরিয়ান। সেখানে কেঁদে ফেলেন তিনি। বারবার জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায় আরিয়ানের। আইনজীবী বদল করেও কোনও লাভ হয়নি। আগামী ২০ অক্টোবর ফের আদালতে তোলা হবে তাঁকে।

Aryan Khan: কয়েক বছর ধরেই মাদকাসক্ত আরিয়ান, আদালতে জানালেন সলিসিটর জেনারেল

ariyan khan

নিউজ ডেস্ক, মুম্বই: নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো বা এনসিবি আরিয়ান মামলার শুনানিতে আদালতে জানায়, শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ানের (Aryan Khan) কাছ থেকে মাদক পাওয়া যায়নি এটা ঠিক। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, তিনি মাদক নিতেন না। তাই তাঁকে জামিন দিতে হবে। এনসিবির পক্ষে আদালতে এই কথা বলেছেন সলিসিটর জেনারেল অনিল সিং।

বৃহস্পতিবার আরিয়ানের মাদক মামলার শুনানিতে অনিল সিং মডেল রিয়া চক্রবর্তী ও তাঁর ভাই সৌভিক চক্রবর্তীর মামলার কথা উল্লেখ করেন। সলিসিটর জেনারেল বলেন, এই দুইজনের কাছ থেকে মাদক পাওয়া যায়নি। কিন্তু আদালত রিয়া এবং তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল।

অনিল সিং আরও বলেন, এনসিবির কাছে প্রমাণ রয়েছে যে, গত কয়েক বছর ধরেই আরিয়ন নিয়মিত মাদক নিতেন। আরিয়ানের বন্ধু আরবাজ মার্চেন্টের কাছে যে মাদক পাওয়া গিয়েছে সেটা আরিয়ানের কাছে যাবার কথা ছিল। তদন্তে এটা জানা গিয়েছে যে, আরবাজের হাত ঘুরেই মাদক যেত আরিয়ানের কাছে। মাদকচক্রের সঙ্গে যদি কারও যোগ থাকে তবে তো তাকে শাস্তি পেতেই হবে।

সলিসিটর জেনারেল আরও বলেন, আরিয়ানের কাছে মাদক পাওয়া যায়নি এটা সত্যি। কিন্তু আরবাজের কাছে যে মাদক রয়েছে সেটা আরিয়ান জানতো। আরিয়ানের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকেই এটা জানা গিয়েছে।

এরই মধ্যে আরিয়ানের পাশে এক ব্যক্তির ছবি ভাইরাল হওয়ায় রহস্য আরও বেড়েছে। সেই লোকটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ওই লোকটিকে খুঁজে পেতে পুণে পুলিশ লুক আউট নোটিস জারি করেছে। পুলিশের দাবি, পলাতক ওই ব্যক্তির নাম কে গোসাবি। বছর তিনেক আগে এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার মামলা দায়ের হয়েছিল। তিন বছর ধরে সে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

তবে লুক আউট নোটিস জারি হওয়ায় সে আর দেশ ছেড়ে পালাতে পারবে না। আরিয়ানের বিরুদ্ধে মামলায় যে সমস্ত সাক্ষীর নাম রয়েছে তাদের মধ্যে গোসাবির নামও আছে। রাজ্যের মন্ত্রী নবাব মালিক ইতিমধ্যেই এনসিবির অফিসে গোসাবির উপস্থিতি নিয়ে তীব্র আপত্তি তুলেছেন। জানা গিয়েছে, পলাতক ওই ব্যক্তি নিজেকে প্রাইভেট ডিটেকটিভ বলে পরিচয় দিয়ে থাকে। বিদেশে চাকরি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সে বহু মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে।

আরিয়ানের জন্য বাড়ি থেকে আনা খাবার ফিরিয়ে দিল আর্থার রোড জেল কর্তৃপক্ষ

Aryan khan

নিউজ ডেস্ক: আদালতের নির্দেশে মাদক কাণ্ডে জড়িত শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খান রয়েছেন মুম্বইয়ের আর্থার রোড জেলে। শনিবার সকালে আরিয়ানের জন্য শাহরুখের বাড়ি মন্নত থেকে পাঠানো হয়েছিল খাবার ও রেজকার ব্যবহারের কিছু জিনিস। কিন্তু জেল কর্তৃপক্ষ শাহরুখের বাড়ি থেকে আনা খাবার বা অন্যান্য জিনিস জেলের ভেতরে ঢুকতেই দেয়নি। অর্থাৎ আপাতত ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত আরিয়ানকে জেলের ভিতর সেখানকার খাবারই খেতে হবে। থাকতে হবে আর পাঁচজন সাধারণ অপরাধীর মতই।

নিয়ম অনুযায়ী জেল বন্দিদের জন্য বাইরের খাবার একেবারে নিষিদ্ধ। সে কারণেই এদিন আরিয়ানের জন্য আনা খাবারও জেল কর্তৃপক্ষ ফিরিয়ে দিয়েছে। তবে শুধু জেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নয় আরিয়ানের কারণ কারণে এদিন এক বিজ্ঞাপনী সংস্থার কাছ থেকেও বড় মাপের ধাক্কা খেয়েছেন শাহরুখ।

একটি অনলাইন শিক্ষাদানকারী সংস্থার সঙ্গে শাহরুখের বিজ্ঞাপনী চুক্তি ছিল। কিন্তু আরিয়ান কাণ্ডের জেরে শাহরুখ খানকে ওই বিজ্ঞাপনী চুক্তি থেকে ছেঁটে ফেলল সংশ্লিষ্ট সংস্থা। ওই সংস্থা জানিয়েছে, আপাতত সব বিজ্ঞাপন থেকেই শাহরুখকে তুলে নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নতুন মুখের সন্ধানও শুরু করে দিয়েছে ওই সংস্থা। তবে বিজ্ঞাপন থেকে শাহরুখকে তুলে নেওয়ায় সংশ্লিষ্ট সংস্থা এবং শাহরুখ উভয়েরই বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।

Aryan Khan: আরিয়ানের জামিন আবেদন খারিজ হতেই শাহরুখের বাড়ি পৌঁছলেন করণ জোহর

Karan Johar Rushes to Mannat

বায়োস্কোপ ডেস্ক: এই মুহূর্তে শাহরুখের পরিবারের প্রতিটি গতিবিধি সম্পর্কে জানতে মুখিয়ে রয়েছে গোটা বিশ্ব। শাহরুখের ছেলে আরিয়ান খান (Aryan Khan) গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই বলিউডের একাংশ পাশে দাঁড়িয়েছে আরিয়ানের।

বলিউড তারকাদের অনেকেই একান্তে সাক্ষাৎ করেছেন শাহরুখের সাথে। শুক্রবার মুম্বাই আদালতে আরিয়ানের জামিন আবেদন খারিজ হওয়ার পর করণ জোহর মান্নত এলেন শাহরুখের পরিবারের সাথে দেখা করতে। মান্নতের বাইরে অপেক্ষারত চিত্রসাংবাদিকরা এইদিন শাহরুখের বাড়িতে বেশ কিছু গাড়ি ঢুকতে ও বেরোতে দেখেন। তার মধ্যে একটিতে দেখা যায় কারণ জোহার বসে আছেন।

সূত্রের খবর, কঠিন সময়ে বন্ধু শাহরুখ খানের পাশে দাঁড়াতেই বন্যা তে তার পরিবারের সাথে দেখা করতে এসেছেন করণ জোহর। ইতিমধ্যেই সাংবাদিকেরা প্রবীণ আইনজীবী রুস্তম মুল্লাকে মান্নত থেকে বেরুতেও দেখেন। প্রসঙ্গত মুম্বাই আদালত এই দিন আরিয়ানের অন্তর্বর্তী জামিন আবেদন খারিজ হয়ে গেছে। জামিনের আবেদন খারিজ করা হয়েছে মুম্বাই মাদক কাণ্ডে ধৃত আরো দুই অভিযুক্ত মুনমুন ধামেচা ও আরবাজ মার্চেন্টের।

অভিযুক্তদের জামিন আবেদন প্রসঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেট জানিয়েছেন, “এই মুহূর্তে জামিনের আবেদন করা কোনমতেই আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।” এই দিন আবেদনের শুনানির পর আরিয়ানকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় আর্থার জেলে। বৃহস্পতিবার তাদের জেলে যাওয়ার কথা থাকলেও RT-PCR রিপোর্ট না থাকার কারণে এতদিন এনসিবি কর্তৃপক্ষের হেফাজতেই ছিলেন অভিযুক্তরা। আপাতত ১৪ দিনের জেল হেফাজতে নেওয়া হয়েছে শাহরুখ পুত্রকে।

মুম্বাই ক্রুজ কাণ্ডের প্রসঙ্গে বলিউডের এক অংশের বক্তব্য, প্রভাবশালী ব্যক্তির ছেলে বলেই আরিয়ানকে নিয়ে এতটা বাড়াবাড়ি হচ্ছে। কিছুদিন আগে আরিয়ান খান কে সোশ্যাল মিডিয়া একটি খোলা চিঠি লিখেছিলেন ঋত্বিক রোশান। তিনি কঠিন সময়ের মধ্যেও আরিয়ানকে শক্ত থাকার বার্তা জানিয়েছেন ওই চিঠিতে। ফারাহ খান থেকে রবিনা তান্ডন আরিয়ানের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন ও তাকে সাহস যুগিয়েছেন। শুক্রবার আরিয়ানের মা গৌরী খানের জন্মদিন থাকায়, সারা খান সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তাকে শুভেচ্ছা বার্তা জানাতে গিয়ে সিংহীর সাথে তুলনা করেছেন গৌরী খানকে এই কঠিন সময়েও অসীম সাহস ধারণ করার জন্যই।

Aryan Khan: ফের খারিজ জামিনের আবেদন, আপাতত জেলই ঠিকানা আরিয়ানের

Aryan Khan

বায়োস্কোপ ডেস্ক: মুম্বই ক্রুজ কাণ্ডে গ্রেপ্তার হওয়ার পর শুক্রবার আদালতে শাহরুখ খানের বড় ছেলে আরিয়ানের (Aryan Khan) জামিন আবেদনের শুনানি ছিল। কিন্তু এত তাড়াতাড়ি রেহাই পাচ্ছেন না জুনিয়র ‘কিং খান’। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে নারকটিকস ব্যুরোর হেফাজতে রয়েছেন আরিয়ান খান।

এদিন আদালতে ১৪ দিনের জামিনের আবেদন পেশ করা হলে তা খারিজ করে দিল বিচারক। আদালতে আরিয়ান ছাড়াও মাদক কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া আরো দুজনের জামিনের আবেদন খারিজ করল আদালত। 

Aryan Khan

শুনানি চলাকালীন এনসিবির তরফ থেকে আরিয়ানের জামিনের আবেদনের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়। এনসিবি কর্তপক্ষ থেকে থেকে দাবি করা হয় যে আরিয়ানের থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পেরেছে। তদন্তের স্বার্থেই তাই জামিন দেওয়া হলনা শাহরুখ পুত্রকে।

এদিন আদালতে আরিয়ান ছাড়াও জামিনের আবেদন পেশ করেছিলেন মুনমুন ঢামেছা ও আরবাজ মার্চেন্ট। জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করে এনসিবি কর্তৃপক্ষ বলেন, “এরা প্রত্যেকেই যথেষ্ট প্রভাবশালী ব্যক্তি, সুযোগ পেলে তদন্তের প্রয়োজনীয় প্রমাণ অনুমতি পত্র নষ্ট করে দিতে পারেন।” জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ার পর ফের অভিযুক্তদের পক্ষকে NDPS আদালতে জামিনের আবেদন জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

Aryan Khan’s arrest

আদালতের রায় ঘোষণার পর বেশ হতাশ আরিয়ানের আইনজীবী। তিনি জানিয়েছেন, “প্রভাবশালী ব্যক্তির ছেলে বলে প্রমাণ নষ্ট করে দেবো এটা কোন যুক্তি হতে পারে না। এর চেয়েও অনেক গুরুতর অপরাধ করে অপরাধীরা মুক্ত হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে।”

আরিয়ানের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন ফারাহ খান থেকে বলিউড অভিনেত্রী সমি আলি। বিনোদন জগতের একাংশের মতে, এনসিবি কর্তৃপক্ষ শুধু খবরে আসার জন্য আরিয়ান খানকে ব্যবহার করে চলেছে। প্রসঙ্গত, আরিয়ানের মা গৌরী খানের জন্মদিন ছিল এইদিন। ফারাহ খান সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে শুভেচ্ছা বার্তা জানাতে গিয়ে বলেছেন, “গত এক সপ্তাহ জুড়ে গৌরী হয়তো পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী মায়ের ভূমিকা পালন করছেন।”

Aryan Khan: জামিন আবেদন খারিজ শাহরুখ-পুত্র আরিয়ানের

Aryan Khan

বায়োস্কোপ ডেস্ক: মুম্বই ক্লোজ মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার ফের আদালতে পেশ করা হয়েছিল আরিয়ান খানকে (Aryan Khan)। আরিয়ানের আইনজীবীর তরফ থেকে এই দিন জামিনের আবেদন পেশ করা হলে আদালতের পক্ষ থেকে তা খারিজ হয়ে যায়। ইতিমধ্যেই মোট ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে এনসিবি কর্তৃপক্ষ।

সূত্র মাধ্যমে খবর, আরিয়ানের কাছ থেকে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পেরেছে এনসিবি কর্তৃপক্ষ তদন্তে নতুন মোড় এনে দিয়েছে। এই ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া অচিত কুমারকে পাকড়াও করা হয়েছে আরিয়ানের থেকে পাওয়া জরুরি তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই। তাই, এনসিবি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আদালতে আরিয়ানের হেফাজতের জন্য আরো কিছুটা সময় দাবি করা হয়। সে কারণেই আগামী ১৯ তারিখ পর্যন্ত আরিয়ানের জেল হেফাজতের মেয়াদ বাড়ালো আদালত। আদালতের রায় ঘোষণা পড়ে অন্তর্বর্তী জামিন এ দাবি করা হয় আরিয়ানের আইনজীবীর পক্ষ থেকে। আগামী শুক্রবার সেই আবেদনের শুনানি হবে বলে জানা গিয়েছে।

মুম্বাইয়ের সেই ক্রুজ পার্টির আয়োজকদের ও গ্রেপ্তার করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। সূত্র মাধ্যমে জানা গিয়েছে মোট ১৩০০ জন ওই পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন। ওই পার্টিতে একমাত্র আমন্ত্রিত ছিলেন আরিয়ান খান। তবে তল্লাশি করার পরেও আরিয়ানের থেকেই কোন রকমের মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়নি বলেই সূত্র মাধ্যমে খবর। আরবাজ মার্চেন্টের সাথে বিশেষ বন্ধুত্বের জেরেই ওই পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন আরিয়ান। সেই সূত্র ধরেই এই মামলায় নাম জড়িয়েছে অচিত কুমারের।

এদিন অজিতকেও এনসিবির আবেদনে আগামী চার দিনের জন্য জেল হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বুধবার মধ্যরাতে আরবাজ মার্চেনট ও আরিয়ান খানের বাড়ির কাছ থেকেই দুজন মাদক পাচারকারীকে গ্রেফতার করে এনসিবি। সেই মাদক পাচারকারীদের কাছ থেকে প্রচুর পরিমাণে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। মাদক পাচারকারীদের গ্রেপ্তারের পরই তদন্তে নতুন গতি আসে। এর পরেই আরিয়ান খানের জামিনের আশঙ্কা ক্ষীণ হয়ে যায় বলে সূত্রের দাবি।

Aryan Khan: জেরার মুখে ভাঙলেন আরিয়ান খান, স্বীকার করলেন মাদকাসক্তির কথা

Aryan Khan

বায়োস্কোপ ডেস্ক: শনিবার রাতে মুম্বাইয়ের সুমুদ্র সৈকতে এক বিলাসবহুল ক্রুজ থেকে মাদক কাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য গ্রেপ্তার করা হয় শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খানকে (Aryan Khan)। ছদ্মবেশে মাদক সরবরাহকারীর সুত্র ধরেই শনিবার ক্রুজে তল্লাশী চালায় এনসিবি।

কোর্টে হাজির করার পর একদিনের জেল হেফাজতে রাখা হয় তাকে। সোমবার মেডিক্যাল পরীক্ষায় ধরা পড়ে যে দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবনের সাথে জড়িত থেকেছেন আরিয়ান খান। এনসিবি কর্তিপক্ষের জেরার মুখে মুখ খুললেন স্টার কিডও। আরিয়ান স্বীকার করেছেন, দীর্ঘ ৪ বছর ধরে দুবাই ও ব্রিটেনে থাকাকালীন মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। প্রসঙ্গত, আরিয়ানের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকেও মাদদ্রব্য অর্ডার করার প্রমাণ পাওয়া যায়।

সূত্র মাধ্যমে এও জানা গেছে যে, এদিন এনসিবি কর্তৃপক্ষ শাহরুখ খানের সাথে কথা বলার অনুমতি দেয় আরিয়ানকে। টলিফোন মাধ্যমে দু মিনিট মতো তাদের কথা হয় বলে জানা গিয়েছে। টুস কাণ্ডে শাহরুখ খানের ছেলে ছাড়াও গ্রেপ্তার হয়েছে মুনমুন ধামেচা, মোহাক জয়সওয়াল, নূপুর সারিকা, ইজমিত সিংহ, আরবাজ মার্চেন্ট ও বিক্রান্ত চকার। ক্রুজ থেকে এনসিবি অধিকারীকরা ২১ গ্রাম চরস, ৫ গ্রাম এমডি, ২২ টি এসটিসি পিল এবং অন্যান্য নিষিদ্ধ মাদক। মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে শার্টের সেলাই বা জুতোর হিলের নীচ থেকে। মাদকদ্রব্য ছাড়াও পার্টি থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় দেড় লাখ টাকা নগদ।

শনিবার রাতেই গ্রেফতারির পর থেকে একের পর এক চমক দেখা যাচ্ছে মুম্বাই ক্রুজ কাণ্ডে। জেজে হাসপাতাল থেকে নারকটিকস ব্যুরোর নির্দেশ মতো মেডিকেল টেস্ট করা হয় আরিয়ান খানের। সূত্র মাধ্যমে জানা গিয়েছে প্রায় দুই সপ্তাহ নজরদারি করার পর এই তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। বলিউডের অন্য কোন ক্ষেত্রের সাথে এই ঘটনার যোগাযোগ আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে এনসিবি কর্তৃপক্ষ।