Shovan-Baisakhi Relationship: মহাষ্টমীতে ‘প্রেমশ্রী’ পুরস্কার ‘শোবৈ’ জুটির হাতেই!

shovan chattopadhyay, baishakhi banerjee

বিশেষ প্রতিবেদন: পুজোর সেরা প্রেম বলে যদি কোনও পুরস্কার দেওয়া হয় বা যদি সরকারি রাজ্য প্রকল্পের মতো ইশ্ৰী, বিশ্রী পুরস্কার থাকে, তাহলে সেই পুরস্কার কার প্রাপ্য? এই যেমন ধরুন প্রেমশ্রী পুরস্কার কে পাবে?

এমনিতে তো আজ অষ্টমীতে পুষ্পাঞ্জলির সময় হাজার হাজার নতুন মন দেওয়া নেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাদের সবাইকে অনেক আগেই সাইড লাইনে করে দিয়েছে একটাই জুটি। ভেবে বলুন দেখি। পারলেন না তো? আর এত সহজ উত্তরটা পারলেন না? শোবৈ …শোবৈ।

এখনও বোঝা গেল না? জল শোভন ও আগুন বৈশাখী। হ্যাঁ, সোশ্যাল মাধ্যমে তাঁদের এখন অনেকে এমনভাবেই ডাকাডাকি করছে। হয় শোবৈ, নয় জল শোভন দা ও আগুন বৈশাখীদি। ট্রোলে ট্রোলে ভরে গিয়েছে সোশ্যাল মাধ্যমে কিন্তু তাদের নাচানাচি, ফিটন গাড়িতে প্রেম কিংবা আজকাল তেরে মেরে পেয়ার কিংবা পিয়ানোর ছন্দে ট্রাডিশনাল লুকে পা দোলানো কিছুই বন্ধ হয়নি।

এই সংক্রান্ত আরও খবর: Shovan-Baisakhi Relationship: বৈশাখী-শোভনের ‘বিয়ে’তে ‘বাঁশ’ হলেন রত্না

shovan chattopadhyay, baishakhi banerjee

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এর মাধ্যমে তাদের টিআরপি তুলেছে। তাঁরাও এতে সায় দিয়ে একপ্রকার নিজেদের টিআরপি ধরে রাখার চেষ্টা করেছেন। টেক্কা দিয়েছেন মদন মিত্রকেও। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন শোভনবাবুর রাজনৈতিক কেরিয়ার মোটামুটি ইতি হয়ে গিয়েছে। তাঁর ধুতির কাছা ধরে রাজনীতিতে প্রবেশ করেও ব্যর্থ বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বাজারে থাকতে গেলে কিছু একটা তো করতে হবে। তাই এসব নাচ গান করা। তাঁরা ভালো করেই জানেন এতে তাঁদের যে ব্যক্তিগত ইমেজ ছিল তা বিশ্রীভাবে নষ্ট হচ্ছে তবু মার্কেট ধরে রাখার প্ৰচেষ্টা সে যেভাবেই হোক না কেন। তাতে যদি ট্রোলের শিকার হতে হয় হবে কিন্তু বাজারে থাকতে হবে। তাই অষ্টমীতে প্রেমশ্রী পুরস্কার পাচ্ছেন শোবৈ জুটিই।

shovan chattopadhyay, baishakhi banerjee
সোশাল মিডিয়ার এমনই সব ট্রোলে ভরেছে

এই মুহূর্তে বঙ্গ রাজনীতির অন্যতম ‘জনপ্রিয়’ ও ‘বিতর্কিত’ জুটি শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই স্বামীর কাছে ডিভোর্স চেয়েছেন বৈশাখী। এমনকি শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বাসস্থানও নাকি তিনি কিনে নিয়েছেন ১ কোটি টাকায়, এমনটাই সূত্রের খবর। রাজনৈতিক ময়দানে দু’জনকে রংমিলান্তি পোশাকে অর্থাৎ ম্যাচিং পোশাক পরতেই অভ্যস্ত তাঁরা।

এই সংক্রান্ত আরও খবর: Shovan-Baisakhi Relationship: শোভনের ঢাকের তালে নেচে উঠলেন বৈশাখী

শোভন চট্টোপাধ্যায় সবুজ পরলে বৈশাখীর পরনেও থাকত সবুজ শাড়ি। কখনও সবুজ, কখনও গোলাপি কখনও নীল, মিলিয়ে মিলিয়ে পোশাক পরতেই পছন্দ করেন এই জুটি। শোভন-বৈশাখীর এই অভিনব যুগলবন্দি বেশ এনজয় করছেন নেটিজেনরা।এখন আবার পা মেলাচ্ছেন রবি থেকে রফি সবার গানেই।

আলো নিভতেই শ্রীভূমি স্পোর্টিংয়ের বুর্জ খলিফায় বান্ধবী বৈশাখীকে নিয়ে মণ্ডপে হাজির শোভন

baishakhi banerjee, shovan chattopadhyay, pujo mandap, Sribhumi Sporting Club

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: পুজোর সেরা জুটির খেতাব এবার প্রায় নিজেদের মুঠোয় এনে ফেলেছেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। পুজোয় এই দুইজন টালা থেকে টালিগঞ্জ সর্বত্রই মনের আনন্দে ঠাকুর দেখে বেড়াচ্ছেন। তবে শুধু ঠাকুর দেখাই নয়, কখনো তাঁরা ঝড় তুলছেন পিয়ানোয়। কখনওবা রবীন্দ্র সংগীতের সঙ্গে কোমর দুলিয়ে নাচছেন। আবার কখনওবা চড়ছেন ঘোড়ার গাড়িতে।

মহা সপ্তমীর রাতে শোভন-বৈশাখী হাজির হয়েছিলেন শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের মণ্ডপে । দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর এই পুজোয় মণ্ডপ তৈরি হয়েছে দুবাইয়ের সবচেয়ে বড় হোটেল বুর্জ খালিফার আদলে। মন্ডপের উচ্চতার সঙ্গে আলোর ঝলকানির কারণে কলকাতা বিমানবন্দরে বিমান অবতরণ সমস্যার মুখে পড়ে। তাই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এই মন্ডপের উচ্চতা ও আলোকসজ্জা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের আপত্তিতে সপ্তমীর রাতে বুর্জ খালিফার সমস্ত আলো নিভিয়ে দেয়। হয় বন্ধ করে দেওয়া হয় দর্শনার্থীদের প্যান্ডেল দর্শন।

কিন্তু মণ্ডপের আলো নিভে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই মণ্ডপ আলোকিত করে হাজির হন শোভন ও বৈশাখী। দুজনের পরনেই ছিল লাল ঝলমলে পোশাক। দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর পুজো দেখে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত শোভন-বৈশাখী।

দীর্ঘ সময় ধরে তাঁরা মন্ডপের কারুকাজ খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখেন। শোভন বলেছেন, দুবাইয়ের সবচেয়ে উঁচু হোটেলের আকর্ষণ কলকাতাতেই হাজির করেছেন সুজিত। সারা পৃথিবীর দর্শনীয় স্থানগুলির মধ্যে বুর্জখালিফা অন্যতম। সব মানুষের তো আর সম্ভব নয় দুবাই যাওয়া। কিন্তু সুজিত কলকাতায় বুর্জ খালিফা তৈরিরে দেখিয়ে দিয়েছেন। সুজিতের এই ভাবনাচিন্তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য।

মণ্ডপ দেখে কি বললেন শোভনের বান্ধবী বৈশাখী! এই প্রাক্তন অধ্যাপিকা বলে,, যেমন সুন্দর মণ্ডপ তেমনই প্রতিমা। মন ভরে গিয়েছে। এরকম প্রতিমা মণ্ডপ দেখতে একবার কেন বারবার আসা যায়। তবে শুধু মন্তব্য করাই নয়, মণ্ডপে মাইকে বাজা ‘বাজলো তোমার আলোর বেণু’ গানের সঙ্গে এক বেশ কয়েকটি কলিও গেয়ে ফেললেন বৈশাখী- শোভন। এভাবেই সপ্তমীর রাতে কলকাতায় ঘুরে ঘুরে পুজো দেখলেন শোভন-বৈশাখী।

অন্যদিকে সুজিত বসুর অনুগামীরা জানিয়েছেন, বিমানবন্দরের আপত্তিতে নয় ভিড় এড়ানোর কারণেই তাঁরা বুর্জ খালিফার আলো নিভিয়ে দিয়েছিলেন। করানোর সময় অতিরিক্ত ভিড় তাঁরা কিছুতেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিলেন না। কিন্তু আলো নেভাতে সেই কাজ তাঁদের কিছুটা সহজ হয়েছে।

বুধবার মহাষ্টমীর দিনেও কলকাতায় ঘুরে ঘুরে ঠাকুর দেখবেন বলে জানিয়েছেন শোভন-বৈশাখী জুটি। তবে তাঁরা কোন কোন মণ্ডপে যাবেন সে বিষয়ে একটি কথাও বলেননি। শোভন মুচকি হেসে বলেছেন দেখুন না আমরা কোথায় যাই!