Bank close: বছরের প্রথম মাসেই অর্ধেকেরও বেশি দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক

Bank close

প্রতিবারের মতো এবারও জানুয়ারি (January) মাসে রয়েছে একাধিক উৎসব। স্বাভাবিকভাবেই উৎসবের দিনগুলিতে বন্ধ থাকবে ব্যাংক (Bank close)। করোনাজনিত কারণে বিশেষ করে নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের (omicron) জন্যে এমনিতেই মানুষ বাড়ির বাইরে যেতে ভয় পাচ্ছেন।

তাই কোনও কাজে ব্যাংকে গিয়ে যদি ফিরে আসতে হয় তবে মানুষের বিরক্তি আরও বাড়বে। বিশেষ করে সমস্যায় পড়বেন প্রবীণ নাগরিকরা। তাই কোনও প্রয়োজনীয় কাজে ব্যাংকে যাওয়ার আগে জেনে রাখা দরকার জানুয়ারি মাসে কোন কোন দিন এবার ব্যাংক বন্ধ থাকছে। তবে রাজ্য ভিত্তিতে ছুটির তালিকায় কিছু হেরফের রয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ২, ৯, ১৬, ২৩ ও ৩০ তারিখ রবিবার। তাই স্বাভাবিকভাবেই এই পাঁচদিন ব্যাংক বন্ধ থাকছে। ৮ ও ২২ জানুয়ারি যথাক্রমে দ্বিতীয় ও চতুর্থ শনিবার ব্যাংক বন্ধ থাকছে। রিজার্ভ ব্যাংকের ছুটির তালিকায় (holiday list) এবার জানুয়ারি মাসে আর যে সমস্ত দিনগুলিতে ছুটি রয়েছে সেগুলি একবার দেখে নেওয়া যাক।

জানুয়ারির ৩ ও ৪ তারিখে নববর্ষ অথবা লাসুং পরবের জন্য আইজল এবং গ্যাংটকে ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ১১ জানুয়ারির মিশনারি দিবস হিসেবে আইজলে ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ১২ জানুয়ারি স্বামী বিবেকানন্দর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কলকাতায় ব্যাংক থাকবে। ১৪ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তির কারণে চেন্নাই, আহমেদাবাদ, ও ইম্ফলে ব্যাংক বন্ধ।

১৫ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তি, পোঙ্গল-সহ (Pongal) বিভিন্ন উৎসবের কারণে গ্যাংটক, গুয়াহাটি, ইম্ফল, হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু, চেন্নাইয়েও ব্যাংকিং পরিষেবা বন্ধ থাকবে। ১৮ জানুয়ারি থাই পুসম উপলক্ষে চেন্নাইয়ে ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ২৬ জানুয়ারি সাধারণতন্ত্র দিবস (Republic Day) উপলক্ষেক্ষে কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারিকা সর্বত্রই ব্যাংকের ছুটি। প্রসঙ্গত, প্রতি বছরের মত এবারও ১ জানুয়ারি ইম্ফল, শিলং, গ্যাংটক, আইজল ও চেন্নাইয়ে চলতি নববর্ষ উজলক্ষ্যে ব্যাংক বন্ধ ছিল।

তবে এই সব ছুটির দিনেও যথারীতি অনলাইন ব্যাংকিং, নেট ব্যাংকিং ও এটিএম পরিষেবা চালু থাকবে। তাই গ্রাহকরা ব্যাংকে না গিয়েও লেনদেন সংক্রারান্ত কিছু জরুরি কাজ বাড়িতে বসেও সারতে পারবেন।

Privatization: আরও দুটি রাষ্ট্রয়ত্ত ব্যাংক বেসরকারি হাতে

private sector

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাহবে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (nirmala sitaraman) ঘোষণা করেছিলেন, দু’টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংককে (nationalised bank) বেসরকারি (Privatization) হাতে তুলে দেওয়া হবে। এই দু’টি রাষ্ট্রয়ত্ত ব্যাংক বেসরকারীকরণ করে সরকারের ঘরে আসবে এক লক্ষ ৭৫ হাজার কোটি টাকা। দু’টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার জন্য সংসদের আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে (winter season) বিল আনা হচ্ছে। আগামী সোমবার ( monday) ২৯ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন।

জানা গিয়েছে, দু’টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক বেসরকারিকরণের জন্য ব্যাংকিং কোম্পানিস আইন ১৯৭০ ও ১৯৮০ এবং ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যাক্ট ১৯৪৯ সংশোধন করতে হবে। সে কারণেই সংসদে বিল আনা হচ্ছে। রাষ্ট্রয়ত্ত ব্যাংকের বেসরকারিকরণের এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছে প্রায় সব রাজনৈতিক দল। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নও মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পথে নামার হুমকি দিয়েছে। আর্থিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের অর্থনীতির বেহাল পরিস্থিতির কারণে সরকারের আয়ের পথ অত্যন্ত সংকুচিত হয়েছে। ফলে দেশের আর্থিক পরিকাঠামো ভেঙে পড়ার মুখে। তাই সরকার আয় বাড়াতে এভাবে লাভজনক সংস্থাকেও বেসরকারিকরণ করতে চাইছে।

nirmala sitaraman

এবারের শীতকালীন অধিবেশনে পেনশন ফান্ড রেগুলেটরি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (সংশোধনী) বিল ২০২১ পেশ করা হবে। চলতি আইন সংশোধন করতেই এই বিল পেশ করা হবে। এই সংশোধনীর মাধ্যমে পেনশন ফান্ড রেগুলেটরি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি থেকে ন্যাশনাল পেনশন সিস্টেম ট্রাস্টকে আলাদা করা সম্ভব হবে। অর্থমন্ত্রী সীতারমন তাঁর বাজেট প্রস্তাবে ইউনিভার্সাল পেনশন কভারেজের কথা ঘোষণা করেছিলেন। নতুন বিল এনে সেই ঘোষণাকেই বাস্তবে রূপদান করতে চায় কেন্দ্র।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতা দখলের পর নরেন্দ্র মোদি সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি বেসরকারিকরণের উপর বিশেষ জোর দিচ্ছে। যদিও কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ এসেছে বিভিন্ন মহল থেকে। কিন্তু মোদি সরকার কোন কথাতেই কর্ণপাত করেনি। সম্প্রতি রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়াকেও টাটা গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়ার বিলগ্নিকরণ করে মোদি সরকারের ঘরে এসেছে ১৮ হাজার কোটি টাকা। যদিও আর্থিক বিশেষজ্ঞরা অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, মোদি সরকার যেভাবে লাভজনক সংস্থাগুলিকে বেসরকারি হাতে তুলে দিচ্ছে তা যথেষ্ট উদ্বেগের। আগামী দিনে এর জন্য গোটা দেশকে মাসুল চোকাতে হতে পারে।