किचन में मौजूद ये चीजें आपको बनाएंगी चांद सी खूबसूरत

नई दिल्ली :  हर महिला का सपना होता है खूबसूरत लगना। खूबसूरत लगने के लिए अक्सर महिलाऐं मार्केट में मौजूद कई तरह के प्रोडक्ट्स का इस्तेमाल करने लगती हैं। कई बार ये जो प्रोडक्ट्स होते हैं ये आपकी स्किन को नुकसान पहुंचाकर आपके चेहरे को बर्बाद कर सकते हैं। आज की यह आर्टिकल उन लोगों के काम की है बिना किसी केमिकल वाले प्रोडक्ट का इस्तेमाल कर एक खूबसूरत और ग्लोइंग चेहरा पाना चाहते हैं. आज हम आपको आपकी ही किचन में मौजूद कुछ ऐसी चीजों के बारे में बताने वाले हैं जिनका इस्तेमाल आप कर सकते हैं. तो चलिए इन चीजों के बारे में विस्तार से जानते हैं।

हम सभी के किचन में हल्दी एक ऐसा चीज है जो पाया ही जाता है. यह कई तरह की चीजों में हमारी मदद करता है। यह आपके चेहरे को ग्लोइंग बनाने में भी मदद करता है। अगर आप हल्दी का इस्तेमाल एक खूबसूरत चेहरा पाने के लिए करना चाहते हैं तो ऐसे में आप इससे एक मास्क तैयार कर सकते हैं। इस मास्क को तैयार करने के लिए आपको एक बाउल में हल्दी पाउडर, दही और शहद को मिला लें. इस मास्क को आपको अपने चेहरे पर लगा लें और करीब 15 से 20 मिनट तक छोड़ दें। बाद में इसे अच्छी तरह से धो लें।

दही एक ऐसा प्रोडक्ट है जो लैक्टिक एसिड और प्रोबायोटिक्स से भरपूर होता है। दही आपके स्किन की बनावट को बेहतर बनाता है. दही आपकी स्किन को काफी कोमलता से एक्सफोलिएट करता है। अगर आप दही का इस्तेमाल अपने चेहरे पर करना चाहते हैं तो ऐसे में आपको अपने चेहरे पर दही की एक पतली लेयर लगानी होती है। इसे कुछ देर तक अपने चेहरे पर लगाकर रहने दें। बाद में इस मास्क को क्लींजर की मदद से धो लें। यह आपकी स्किन को सॉफ्ट बनाने के साथ ही ग्लोइंग भी बनाता है।

हमारे किचन में शहद काफी आसानी से मिल जाता है. यह सिर्फ खाने में ही स्वादिष्ट नहीं होता बल्कि, आपकी त्वचा के लिए भी काफी फायदेमंद होता है। अगर आप शहद का इस्तेमाल खूबसूरत त्वचा पाने के लिए करना चाहते है तो इसके लिए आपको कच्चे शहद की एक पतली सी लेयर अपने चेहरे पर लगा लेनी होगी। करीब 20 मिनट तक इसे चेहरे पर छोड़ दें. बाद में इसे हल्के गर्म पानी से धो लें. शहद और शीआ बटर को आपस में मिलाकर आप एक ग्लोइंग चेहरा पा सकते हैं।

মাথায় টাক পড়ছে! এবার ঘরোয়া উপায় মিলবে সমস্যার সমাধান

reduce-hair-fall-problem-with-this-tips

চুল পড়ার সমস্যায় জেরবার হয়ে গেছেন? টাকা খরচ করে পার্লারে গিয়ে ট্রিটমেন্ট করিয়ে কোনো লাভ হয় নি? জেনে নিন বাড়িতে বসে সহজে চুল পড়া বন্ধের উপায়। মাথায় টাক পড়ে গেছে? জেনে নিন সমস্যার সমাধান
চুলের যত্ন নিন ঘরোয়া উপায়ে

পার্লারে গিয়ে হাজার হাজার টাকা খরচ না করে ঘরোয়া উপায়ে চুলের যত্ন নিন।
শ্যাম্পুর সঙ্গে অ্যালো ভেরা জেল মিশিয়ে ব্যবহার করুন। অ্যালোভেরার গুণে আপনার চুল পড়া কমবে অনেকাংশে।

চুলের বিভিন্ন স্টাইল করার জন্য হেয়ার স্ট্রেটনারের বা ব্লো ড্রায়ারের ব্যবহার বেশি করলে চুলের গোড়া আলগা হয়ে যায় যার থেকে চুল পড়া বেড়ে যায়।
কেমিক্যাল প্রোডাক্টের ব্যবহার কমান।

চুলে রঙ করা, চুল স্ট্রেট করার জন্য কেমিক্যাল প্রোডাক্ট চুলের ক্ষতি করে। তাই চুল ভালো রাখতে মাইল্ড শ্যাম্পু ও তেল ব্যবহার করুন।

চুল ভিজে থাকা অবস্থায় আঁচড়াবেন না, ভেজা চুলের গোড়া আলগা থাকে।তাই চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যায়।
দিনে অন্তত তিন থেকে চার বার চুল আঁচড়ান। চুলে জট কম পড়বে ও চুল পড়া কমবে।
বাইরে বেড়োলে রোদ, ধুলো ও দূষণের হাত থেকে চুল রক্ষা করুন। ছাতা ও টুপির ব্যবহার করুন রোদ থেকে বাঁচতে।

চুল বেঁধে রাখুন এতে চুল পড়া কমবে।
সুসম খাবার খান। আপনার খাবারের প্রভাব চুলের উপরেও পড়ে। ফল, সবজি বেশি খান। ফ্যাট জাতীয় খাবার কম খান। প্রোটিন, ভিটামিন ও বায়োটিন জাতীয় খাবারের গুণে আপনার চুল পড়ার সমস্যা বন্ধ হতে পারে।
মানসিক চাপ কম নিন। টেনশান ও স্ট্রেস থেকেও চুল পড়ার সমস্যা দেখা দেয় তাই টেনশান কম করুন।

ধূমপান বর্জন করুন। বিশেষজ্ঞদের মতে ধূমপান শরীরের সঙ্গে চুলেরও ক্ষতি করে। ধূমপান করলে সাধারণত চুল পড়ার সমস্যা দেখা যায় তাই চুল ভালো রাখতে এর থেকে বিরত থাকুন।

ঘুমের দিকে নজর দিন। রোজ ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান। ঘুমাতে যাওয়ার আগে চুল বেশি চেপে বাঁধবেন না।
চুল অপরিষ্কার রাখবেন না এতে চুল ওঠার সমস্যা বাড়ে। সপ্তাহে অন্তত তিন বার শ্যাম্পু করুন।
নিজের জীবনশৈলীতে এই ছোট্ট পরিবর্তন করুন আপনার চুল হবে মজবুত ও ঘন।

মাস্ক পরে মুখের ত্বকের সমস্যা! দ্রুত সমাধানে মাথায় রাখুন কয়েকটি টিপস

mask

স্বাস্থ্যগত সুরক্ষার জন্য মাস্ক পরার কোনো বিকল্প নেই। তবে ত্বকের সমস্যা সমাধানে অনেক বিকল্পই ব্যবহার করা যায়। ত্বকের ভিন্ন ভিন্ন ধরন, সমস্যা ও মাস্ক পরার সময়ের ওপর নির্ভর করে বেছে নেওয়া যাবে নির্দিষ্ট সমাধান। মাস্ক পরে মুখের ত্বকের সমস্যা!

দ্রুত সমাধানে মাথায় রাখুন কয়েকটি টিপস

ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার
মুখ অবশ্যই প্রতিদিন অন্তত দুবার ক্লিনজার বা ফেসওয়াশ দিয়ে পরিষ্কার করে ভালো করে মুছে নিয়ে ময়শ্চারাইজার লাগাতে হবে।

যাঁদের ত্বক শুষ্ক, তাঁরা ক্রিমি ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারেন।

স্বাভাবিক ত্বকে লোশন ময়শ্চারাইজার ও তৈলাক্ত ত্বকে জেল ময়শ্চারাইজার ভালো কাজ করবে।

সানস্ক্রিন ব্যবহার
মাস্কে মুখের অনেকটাই ঢাকা থাকলেও ঘর থেকে বের হওয়ার আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি।

এ ক্ষেত্রে মিনারেল আর পানি আছে, এমন সানস্ক্রিন বেছে নেওয়া জরুরি।

চন্দন ব্যবহার
মাস্ক দিয়ে মুখ ঢেকে রাখার ফলে খুব ঘাম হতে থাকে। ফলে ব্রণ ও ব্যথা হয়।

এ ক্ষেত্রে চন্দন লাগালে আরাম পাওয়া যায়। তবে প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার
ত্বক স্পর্শকাতর হলে মাস্ক ব্যবহারে ত্বক লাল হয়ে যেতে পারে, র‍্যাশও হতে পারে। অনেক সময় চুলকায় এবং এর ফলে চামড়াও ওঠে।

এর কারণ মাস্কের উপাদানের সঙ্গে ত্বকের বিক্রিয়া। তাই বাড়ি ফিরেই মাস্ক খুলে ফেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে।

এই ত্বকে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহারে লালচে ভাব কেটে যাবে।

বর্ষায় ত্বকের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চান, এই টিপসগুলি ফলো করুন

বর্ষা কালে ত্বকের সমস্যা খুবই সাধারণ বিষয়। তবে সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন না করলে সমস্যা আরও বেড়ে যায়। বর্ষা মানেই স্যাঁতস্যাঁতে ভাব, রোদের দেখা নেই, আদ্রতা, রাস্তায় জল জমে থাকা। এই সময় পেটের রোগের পাশাপাশি নানা রকম ত্বকের সমস্যাও দেখা দেয়। দাদ, অ্যালার্জি, ব্রন, একজিমা, ফুসকুড়ি, ত্বকে র‍্যাসের মতো নানা সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যাগুলোকে এড়িয়ে যাওয়া কোন ভাবেই ঠিক নয়। কিছু সহজ পধুতি অবলম্বন করলে এই সমস্যাগুলিকে এড়িয়ে চলা যায়।

১) জল ত্বকের পক্ষে খুবই ভালো ওষুধ। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খেলে ত্বকের অনেক সমস্যাকেই কাবু করা যায়। তাই প্রতিদিন কমপক্ষে ২ লিটার জল পান করুন, এতে ব্রন এবং ফুসকুড়ির মতো সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

২) অনেকে মনে করেন বৃষ্টির দিনে সানক্রিমের কোন প্রয়োজন নেই। এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। রোধ না উঠলেও আপনার ত্বককে সূর্যের রশ্মির হাত থেকে বাঁচাতে অবশ্যই সানচ্রিম ব্যাবহার করুন।

৩) দাম দিয়ে নানা রকম প্রসাধনী না কিনে গালে বরফ ঘষুন। এতে ত্বকের তেলাক্ত ভাব কমে। এর পাশাপাশি বরফ মুখে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করে। যার ফলে ত্বক সব সময় উজ্জল থাকে।

৪) এই সময় জল বেশি ঘাটলেই মুশকিল। বর্ষায় অতিরিক্ত জল ঘটলে অ্যাকজিমা, ফুসকুড়ি, চুলকানির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। জলের কাজ করলে হাতে দস্তানা পড়ে কাজ করুন। কাজ শেষ হলে সঙ্গে সঙ্গে হাত শুকিয়ে নিন।

৫) এই সময় পরিষ্কার পরিছন্ন থাকাটা খুবই জরুরি। অন্যের কাপর, তোয়ালে ব্যাবহার করবেন না। বৃষ্টিতে বা ঘামে জামা কাপর ভিজে গেলে, দ্রুত তা পালটে ফেলুন। এছাড়াও আপনার ত্বকে যদি আগে থেকেই কোন ইনফেকশন হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। অ্যান্টি ফাংগাল পাউডারও ব্যাবহার করতে পারেন।

সানবার্ন-ত্বকের স্পট মুহূর্তে হবে দূর, মধুর ম্যাজিকে হয়ে উঠুন বিউটিফুল

skin

মধুর গুণাগুণ সম্পর্কে আমরা অনেকেই ওয়াকিবহাল। তা সে মিষ্টি হিসাবেই হোক বা রূপচর্চার উপাদান হিসাবেই হোক না কেন। রূপচর্চায় প্রয়োগ করুন মধু, মিলবে মসৃণ সুন্দর ত্বক। 

রূপচর্চায় মধুঃ-

সান বার্ন কমায়ঃ– মধু ও অ্যালোভেরা জেলের মিশ্রণ ত্বকের রোদে পোড়া অংশে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩ বার করে অন্তত ২ মাস ব্যবহার করলে উপকার মিলবে।

ত্বকের দাগ দূর করেঃ– এক চামচ মধু ও এক চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে ত্বকের ক্ষত জায়গায় লাগান এবং ম্যাসাজ করুন। তারপর গরম জলে তোয়ালে ভিজিয়ে বেশ কিছুক্ষণ ভাপ নিন। ঠান্ডা হয়ে গেলে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

honey

চুলের ঔজ্জ্বল্য বজায় রাখেঃ– মধু ও জলের মিশ্রণ সপ্তাহে একবার চুলে লাগিয়ে রেখে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চুলের ঔজ্জ্বল্য বজায় থাকে।

হেয়ার কন্ডিশানার হিসাবেঃ– নারিকেল তেল ও মধুর মিশ্রণ ২০ মিনিট চুলে লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। তা অবশ্যই কন্ডিশানার হিসাবে উপকার দেবে।

ত্বকের রুক্ষতা দূর করেঃ– টকদই ও মধুর মিশ্রণ নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বকের রুক্ষতা দূর হয়।

ত্বকের ঔজ্বল্য বজায় রাখেঃ– মুলতানি মাটি ও মধুর মিশ্রণ ত্বকের পক্ষে সব থেকে উপকারি। সপ্তাহে অন্তত ৩ বার এই মিশ্রণ ব্যবহার করলে উপকার মিলবেই।

 

বর্ষার সময় পায়ের সঠিক পরিচর্যা, ঘরোয়া টিপসেই দেখুন ম্যাজিক

foot

শরীর যতই বড় হোক না কেন তার সম্পুর্ণ ভার বহন করে আমদের দুটি পা। মস্তিষ্কের সাথে আমদের পায়ের একটি সম্পর্ক আছে, তা আমরা জানি। তার জন্য আমদের সবসময় পায়ের যত্ন নেওয়াটা অত্যন্ত জরুরী। কারণ সারাদিন অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থেকে অনেক বেশি ধকল সহ্য করে আমদের দুটি পা। আরও ভালো করে বলতে গেলে আমাদের দুটি পায়ের পাতা।

আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে যত্ন নেবেন আপনার দুটি পায়েরঃ-

  • শুকনো রাখুন- এই স্যাঁতস্যাঁতে বর্ষায় পায়ের পাতা যত সম্ভব শুকনো রাখার চেষ্টা করুন। তাতে আঙ্গুলের মাঝে হাজা বা দাদ জাতীয় রোগ হবে না।
  • বৃষ্টির জল ধুয়ে ফেলুন- বর্ষায় বাইরে ছাতা নিয়ে বেরোলে মাথা হয়তো বাঁচে তবে যাবতীয় নোংরা জলের থেকে কিন্তু পায়ের পাতাকে কেউ বাঁচাতে পারে না। তাই সবার আগে অ্যান্টিসেপ্টিক লিকুইড জলে মিশিয়ে ভালো করে পা দুয়ে ফেলুন। তারপর শুকনো করে মুছে নিন।
  • স্ক্র্যাব করুন- অনেকের সারা বছরই পায়ের চামড়া ফেটে থাকে, তাই কিছুদিন ছাড়াছাড়া পায়ের পাতা স্ক্র্যাব করুন। চামড়ায় এবং আঙ্গুলে ঢুকে থাকে নোংরা বেরিয়ে যাবে এবং ব্যাক্টেরিয়ারা পায়ে জমার সুযোগ পাবে না।
  • ময়েশ্চরাইজার- স্ক্র্যাব হয়ে গেলে ভালো করে পুরো পায়ে ময়েশ্চরাইজার লাগান। না হলে চামড়া ফেটে যাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাবে।
  • বাড়িতে থাকুন- যদি বর্ষাকালে পায়ের পাতায় কোনও দাদ-হাজার সমস্যা দেখেন তাহলে বাড়িতে থাকার চেষ্টা করুন। নাহলে বৃষ্টির জল ও রাস্তার নোংরা জলে আরও রোগ বাড়বে।
  • পা পরিষ্কার রাখুন- সময় মত নখ কেটে, পায়ে ম্যানিকিওর করে পা পরিষ্কার রাখুন।

কয়েকটি ঘরোয়া পদ্ধতি পায়ের যত্ন নেওয়ার জন্যঃ-

  • লেবু ও গুঁড়ো চা পাতা- উষ্ণ গরম জলে অর্ধেক পাতিলেবুর রস ও গুঁড়ো চা পাতা মিশিয়ে নিয়ে ২০-২৫ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন, তাতে পায়ে রক্তচলাচল সঠিকভাবে হবে, সুস্থ বোধ করবেন।
  • নুন ও বেকিং সোডা- তিন চামচ বেকিং সোডার মধ্যে একটু নুন নিয়ে উষ্ণ গরম জল ও পারলে একটু গোলাপ জল ও নারকেল তেল মিশিয়ে নিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। তারপর সেটিকে স্ক্র্যাবার হিসাবে পায়ের পাতায় ব্যবহার করুন তাতে পায়ের সুস্বাস্থ্য বজায় থাকবে।
  • টকদই ও পাকা আনারস- টকদই ও পাকা আনারস নিয়ে তার সাথে একটু চিনি মিশিয়ে পায়ে ম্যাসাজ করুন। তাতে পা কোমল ও স্বাস্থ্যকর হবে।

এই কিছু ঘরোয়া পদ্ধতির মাধ্যমে বর্ষাকালে নিজের ও পরিবারের সকলের পায়ের যত্ন নিন।

ভাতের মাড় ফেলে দেন, এখন থেকে ত্বক ও চুলের যত্নে কাজে লাগান

hair

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভাতের মাড় ফেলা যায়। ভাত ঝরঝরে করতে ভালোভাবে মাড় ঝরিয়ে নেন সকলেই। এছাড়াও ভাতে জমে থাকা মাড় দীর্ঘদিন খেলে, মোটা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ভাত থেকে মাড় আলাদা করেই, সেই মাড় ফেলে দেন অনেকেই। কিন্তু জানলে অবাক হবেন ত্বক এবং চুলের যত্নে ভাতের মাড়ের ভূমিকা অপরিসীম। তাই এবার থেকে ভাতের মাড়কে না ফেলে কাজে লাগান। চলুন এক নজরে জেনে নেওয়া যাক ত্বক ও চুলের যত্নে ভাতের মাড়ের ব্যবহার।

১) আপনার ত্বকে র‍্যাশ বা চুলকানির সমস্যা থাকলে, এখন থেকে ভাতের মাড়কে আপন করুন। প্রতিদিন জলের সঙ্গে ভাতের মাড় মিশিয়ে স্নান করুন। এতে চুলকানি ও র‍্যাশ এর পাশাপাশি ত্বকের জ্বালা ভাব থেকেও মুক্তি পাওয়া যাবে।

২) ভাতের মাড় ঠাণ্ডা করে তুলো দিয়ে ত্বকের ব্রণ আক্রান্ত অংশে লাগান। সপ্তাহে প্রতিদিন ৩ বার এইভাবে ত্বকের যত্ন নিন। এতে খুব সহজেই ব্রণ ও ফুসকুড়ির মতো সমস্যা দ্রুত সেরে যাবে।

৩) প্রথমে ভাতের মাড় ঠাণ্ডা করুন। এবারে খানিকটা জল মিশিয়ে পাতলা করে নিন। শ্যাম্পু করার পর চুলে এই মাড় ব্যবহার করুন। ৫ মিনিট রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন। চুলের ডগা ফেটে যাওয়ার মতো সমস্যায় এই পদ্ধতি খুবই কার্যকর। এছাড়াও এতে চুল গোড়া থেকে মুজবুত হয়।

৪) অনেকেরই রোদে কাজ করে ত্বকে ট্যান পড়ে। ভাতের মাড় ট্যান পড়া ত্বকের পক্ষে খুবই উপকারী। নিয়মিত ভাতের মাড় ত্বকের ট্যান পড়া স্থানে ব্যবহার করুন। এতে খুব সহজেই ত্বকের ট্যান-এর সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

hair

৫) ভাতের মাড় ঠাণ্ডা করে তাতে সামান্য জল মিশিয়ে নিন। এবারে তুলো দিয়ে নিয়মিত এই মাড় ত্বকে ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের জেল্লা বাড়বে ও ত্বক সতেজ থাকবে। এর পাশাপাশি ত্বকের হাইপারপিগমেন্টেশন এবং ত্বকে বয়সের ছাপ পড়া ঠেকাতে ভাতের মাড় অত্যন্ত কার্যকরী।

৬) চোখের তলায় ডার্ক সার্কেল থাকলে, ভাতের মাড় খুবই কার্যকরী। দিনে ৪ বার ত্বকের ডার্ক সার্কেলের জায়গায় ভাতের মাড় ব্যবহার করুন। কাজ করবে ম্যাজিকেরমতো। ত্বকের কালচে ভাবও দূর হবে।

রূপ থেকে স্বাস্থ্য, অ্যালোভেরার ম্যাজিকে পার্ফেক্ট ফ্রেম

aloe vera

রূপচর্চায় বা ত্বকের যত্ন নিতে অ্যালোভেরার জুরি মেলা ভার। রূপচর্চায় জাদুকাঠি। জেনে নিন অ্যালোভেরার গুণাগুণ। স্কিনের ছোটো-বড় যেকোনো ক্ষত সারিয়ে ফেলতে ব্যবহার করুন অ্যালোভেরা জেল।

জেনে নিন অ্যালোভেরার গুণাগুণ-

  • অ্যালোভেরা জেল পাওয়া যায় এই গাছের পাতা থেকে। গাছের পাতা কেটে ভিতরের জেল মুখে মাখুন। এতে আপনার ত্বক হবে মসৃণ ও উজ্জ্বল।
  • অ্যালোভেরা জেল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টযুক্ত যা ত্বককে সতেজ রাখে।
  • অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টিভাইরাল এই বৈশিষ্ঠ্যগুলি থাকায় রোদ, ধুলো, দূষণে ক্ষতিগ্রস্ত স্কিন সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
  • কাটা দাগ, ক্ষতচিহ্ন, ব্রণর দাগ কমিয়ে আপনাকে দেয় উজ্জ্বল ত্বক।
  • রোদে পুরে যাওয়া চামড়া, চর্ম রোগ সারাতে অধিকাংশ ডাক্তার অ্যালোভেরা জেল লাগানোর পরামর্শ দেন।
  • আগুনে পুরে যাওয়া ক্ষতের দাগ কমিয়ে আপনার যন্ত্রণা উপশম করে।
  • বেশিক্ষণ রোদে থাকার ফলে ত্বকে জ্বালার অনুভূতি হয়। মুখ ভালো করে ধুয়ে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে নিন। জ্বালার অনুভূতি আর হবে না।
  • দাঁতের সমস্যা, দাঁত হলদে হয়ে গেলে অ্যালোভেরা জুস দিয়ে মুখ ধুন। মাত্র ৪ দিনের ব্যবহারে আপনার দাঁতের সমস্যা নিরাময় হয়ে যাবে।
  • অ্যালোভেরা রুক্ষ ত্বক হাইড্রেট ও ময়েশ্চারাইজ করে।

সস্তায় তাক লাগানো চুলের পরিচর্যা, এবার ভাতের মাড় কাজে লাগান

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভাতের মাড় ফেলা যায়। ভাত ঝরঝরে করতে ভালোভাবে মাড় ঝরিয়ে নেন সকলেই। এছাড়াও ভাতে জমে থাকা মাড় দীর্ঘদিন খেলে, মোটা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ভাত থেকে মাড় আলাদা করেই, সেই মাড় ফেলে দেন অনেকেই। কিন্তু জানলে অবাক হবেন ত্বক এবং চুলের যত্নে ভাতের মাড়ের ভূমিকা অপরিসীম। তাই এবার থেকে ভাতের মাড়কে না ফেলে কাজে লাগান। চলুন এক নজরে জেনে নেওয়া যাক ত্বক ও চুলের যত্নে ভাতের মাড়ের ব্যবহার।

১) আপনার ত্বকে র‍্যাশ বা চুলকানির সমস্যা থাকলে, এখন থেকে ভাতের মাড়কে আপন করুন। প্রতিদিন জলের সঙ্গে ভাতের মাড় মিশিয়ে স্নান করুন। এতে চুলকানি ও র‍্যাশ এর পাশাপাশি ত্বকের জ্বালা ভাব থেকেও মুক্তি পাওয়া যাবে।

২) ভাতের মাড় ঠাণ্ডা করে তুলো দিয়ে ত্বকের ব্রণ আক্রান্ত অংশে লাগান। সপ্তাহে প্রতিদিন ৩ বার এইভাবে ত্বকের যত্ন নিন। এতে খুব সহজেই ব্রণ ও ফুসকুড়ির মতো সমস্যা দ্রুত সেরে যাবে।

৩) প্রথমে ভাতের মাড় ঠাণ্ডা করুন। এবারে খানিকটা জল মিশিয়ে পাতলা করে নিন। শ্যাম্পু করার পর চুলে এই মাড় ব্যবহার করুন। ৫ মিনিট রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন। চুলের ডগা ফেটে যাওয়ার মতো সমস্যায় এই পদ্ধতি খুবই কার্যকর। এছাড়াও এতে চুল গোড়া থেকে মুজবুত হয়।

hair care

৪) অনেকেরই রোদে কাজ করে ত্বকে ট্যান পড়ে। ভাতের মাড় ট্যান পড়া ত্বকের পক্ষে খুবই উপকারী। নিয়মিত ভাতের মাড় ত্বকের ট্যান পড়া স্থানে ব্যবহার করুন। এতে খুব সহজেই ত্বকের ট্যান-এর সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

৫) ভাতের মাড় ঠাণ্ডা করে তাতে সামান্য জল মিশিয়ে নিন। এবারে তুলো দিয়ে নিয়মিত এই মাড় ত্বকে ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের জেল্লা বাড়বে ও ত্বক সতেজ থাকবে। এর পাশাপাশি ত্বকের হাইপারপিগমেন্টেশন এবং ত্বকে বয়সের ছাপ পড়া ঠেকাতে ভাতের মাড় অত্যন্ত কার্যকরী।

৬) চোখের তলায় ডার্ক সার্কেল থাকলে, ভাতের মাড় খুবই কার্যকরী। দিনে ৪ বার ত্বকের ডার্ক সার্কেলের জায়গায় ভাতের মাড় ব্যবহার করুন। কাজ করবে ম্যাজিকেরমতো। ত্বকের কালচে ভাবও দূর হবে।

#Fitness জ-লাইন উধাও, গালে চর্বি, ডবল চিনের সমস্যা মেটান এবার পাঁচটি টিপস

face

শরীরের ওজন বাড়লে সবার আগে তাঁর প্রভাব পড়ে মুখে। মুখ ভারী দেখায়, গাল ফুলে যায়, বিশেষ করে থুতনিতে মেদ জমে। এতে মুখের আদলটাই বদলে যায়। তাই মুখের সৌন্দর্য ধরে রাখতে থুতনির নিচে জমা মেদ ঝরিয়ে ফেলা জরুরি। মেকআপ দিয়ে এই সমস্যা ঢাকা গেলেও, তা সাময়িক। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার সহজ উপায় হলো মুখের কিছু এক্সারসাইজ। আসুন জেনে নেওয়া যাক এমন কয়েকটি ব্যায়াম যা মুখে এবং থুতনির নিচে জমে থাকা চর্বি ঝরাতে খুবই কার্যকর।

১) ব্যায়াম ১
মুখ যতটা সম্ভব খোলার চেষ্টা করুন, যতক্ষণ না গালে, ঠোঁটে, ও থুতনিতে টান অনুভব করছেন। এই ভাবে ২-৩ মিনিট থাকার চেষ্টা করুন। তারপর ২০ সেকেন্ড বিশ্রাম নিয়ে আবার শুরু করুন। প্রতিদিন এই ব্যায়াম করলে উপকার পাবেন।

২) ব্যায়াম ২
মাথাটা ধীরে ধীরে পিছনের দিকে হেলাতে থাকুন, যতক্ষণ না ঘাড়ে আর থুতনিতে চাপ অনুভব করছেন। এবারে চোয়াল ডান দিক থেকে বাঁ দিক ও বাঁ দিক থেকে ডান দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করুন। সারাদিনে ১০ মিনিট করে ৬-৭ বার এই ব্যায়াম করুন। এতে সহজেই ঘাড় ও গলার অতিরিক্ত চর্বি ঝরে যাবে।

৩) ব্যায়াম ৩
প্রথমে মুখের মধ্যে আঙুল ঢোকান। এবারে ওই ভঙ্গিতে মুখের ভিতরে হওয়া টেনে গাল দুটোকে যতটা সম্ভব সংকুচিত করুন। এই ভাবে ২০ সেকেন্ড থাকুন, বিশ্রাম নিয়ে পুনরায় শুরু করুন। প্রতিদিন অন্তত ১০ বার এই পদ্ধতিতে ব্যায়াম করতে পারলে, গালের ফোলাভাব থেকে অনেকাংশে মুক্তি পাওয়া যাবে।

৪) ব্যায়াম ৪
মাথা পেছন দিকে হেলিয়ে দু’হাত দিয়ে গালের ওপর সমান ভাবে চাপ সৃষ্টি করুন। একই সঙ্গে যতটা সম্ভব মুখ বন্ধ অবস্থাতেই হাসার চেষ্টা করুন। দিনে অন্তত ১০ মিনিট এই ব্যায়াম করুন। কাজ করবে ম্যাজিকেরমতো।

৫) ব্যায়াম ৫
চোখ বন্ধ করে চোখের ওপর আঙুল রেখে চোখের পাতা নিচের দিকে নামানোর সঙ্গে ভ্রু ওপরে তোলার চেষ্টা করুন। এতে কপাল টান টান হবে। নিয়মিত এই ব্যায়াম করতে পারলে চোখের কোলে জমে থাকা মেদ খুব সহজেই উধাও হয়ে যাবে।