Mamata Banerjee: বেলা গড়াচ্ছে-মমতা এগোচ্ছেন, বিজেপি শিবিরে দলত্যাগ আতঙ্ক চড়ছে

After durga puja Bjp bengal will face masive blow

নিউজ ডেস্ক: তিন কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের তরতরিয়ে এগিয়ে যাওয়া শাসক শিবিরে স্বস্তি। কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata banerjee) বিধায়ক হতে চলেছেন। ভবানীপুর কেন্দ্রে তিনি গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে। অন্যদিকে মুর্শিদাবাদের দুটি কেন্দ্র সামসেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুরেও জোড়াফুলের ঝড় শুরু। 

বেলা গড়াচ্ছে রাজ্যের তিন কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ফলে টিএমসির তরতরিয়ে এগিয়ে যাওয়ায় বিরোধী দল বিজেপির অন্দরে ফের ধ্বস আতঙ্ক। সূত্রের খবর, ভবানীপুরে সম্পূর্ণ ফলাফল ঘোষণা হতেই তৃণমূল শুরু করবে তার বিধায়ক শক্তি আরও বাড়িয়ে নিতে। আপাতত বিজেপিতে আছেন ৭০ জন।

উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের বিজেপি বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যানীর দলত্যাগের পর থেকে আরও অন্তত ৫ বিধায়ক তৈরি তৃণমূলে যোগ দিতে। এই তালিকায় পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুর, কোচবিহার ও দার্জিলিং জেলার আরও তিন বিধায়ক রয়েছেন। সবমিলে দুর্গা পূজার আগেই বড়সড় ধ্বস নামতে চলেছে বিরোধী দলে। আছেন দুই বিজেপি সাংসদ।

যদিও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানান, দলত্যাগে দলের ক্ষতি হবে না। কিন্তু তিনিও প্রবল চাপে আছেন এমনই জানাচ্ছেন তাঁর ঘনিষ্টরা।
শুধু রাজ্যেই নয়, আগামী দু সপ্তাহের মধ্যে দুটি রাজ্যের বড় অংশের বিজেপি ও কংগ্রেস বিধায়করা তৃণমূল শিবিরে যোগ দিতে চলেছেন।

Mamata Banerjee: ভবানীপুরে টার্গেট ‘১ লাখ মার্জিন’, মমতা শিবিরে চিন্তার মেঘ

West Bengal Chief Minister and TMC supremo Mamata Banerjee

নিউজ ডেস্ক: উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক লাখ ভোটের মার্জিনে জেতানোর টার্গেট রেখেছে শাসকপক্ষ। তৃ়ণমূল কংগ্রেস শিবিরের তাবড় তাবড় সেনাপতিরা প্রচার ও ভোটের দিন ভবানীপুরে মাটি কামড়ে পড়ে আছেন।

বেলা যত গড়াচ্ছে তত বাড়ছে টেনশন। টার্গেট ছোঁয়া যাবে তো এই চিন্তা এখন শাসক শিবিরে। কারণ ভবানীপুর কেন্দ্রে ভোট পড়ার হার ততটা উল্লেখযোগ্য নয়। ফলে তৃণমূল নেতৃত্বের ঘাড়ে শেষ বেলায় ভোটারদের বুথমুখী করানোর বাড়তি দায়িত্ব পড়েছে।

এরই মাঝে বিরোধী বিজেপির মারাত্মক দাবি, ফলাফল বলে দেবে এই রাজ্যে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছে। বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া এক সংবাদ মাধ্যমে একথা বলেন। তিনি বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের উপর কিছু টিএমসি সমর্থকের হামলার নিন্দা করেন।

ভবানীপুর কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেসের সেফ সিট বলে চিহ্নিত। এই কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভা ভোটে তিনি ভবানীপুর ছেড়ে নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে পরাজিত হন। তবে টিএমসি সরকার গড়ে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা থাকলেও তাঁকে বিধায়ক হতেই হবে। সেই সূত্রে ভবানীপুরের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় পদত্যাগ করেন। আসনটিতে উপনির্বাচন হচ্ছে।

ভবানীপুরে মমতার প্রেস্টিজ ফাইট। তিনি স্বাধীনতা পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি হেরে গিয়েও পদে আছেন দল জিতে যাওয়ায়। ফলাফল বিপরীত হলে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে বিরাট ধাক্কা লাগবে। মমতা প্রচারে জানিয়েছিলেন, আমাকে জেতান না হলে অন্য মুখ্যমন্ত্রী পাবেন।

ভবানীপুরে ‘হাওয়া গরম’ বুঝছে কমিশন, নির্বিঘ্নে ভোট করানো চ্যালেঞ্জ

by election politics tension spreading in bheanipur

নিউজ ডেস্ক: বিরোধী দল বিজেপির অভিযোগ লোক ঢোকাচ্ছে তৃণমূল। তৃতীয় পক্ষ বামেদের অভিযোগ, ভবানীপুর ও সংলগ্ন এলাকার বিভিন্ন অনুষ্ঠান বাড়ি, হোটেল বুকিং করা হয়েছে। কেন এত বুকিং? শাসক টিএমসির টার্গেট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জেতানো। সবমিলে উপনির্বাচনের হাওয়া গরম। নির্বাচন কমিশন নির্বিঘ্নে ভোট করানোর চেষ্টা করছে।

একটি মাত্র কেন্দ্র তাতেই গলদঘর্ম কমিশনের। নির্বাচনের দিন যে কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কুইক রেষপন্স টিম থাকবে। কিন্তু কুইক রেসপন্স হবে কি ?.প্রশ্ন বিরোধী দল বিজেপির।

ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের দখলেই গিয়েছে। বিধায়ক হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে টিএমসি তিনবার টানা সরকার ধরে রাখে। মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকতে বিধায়ক হতে হবে মমতাকে। তাঁকে ভবানীপুর ছেড়ে দেন শোভনদেব।

by election politics tension spreading in bheanipur

উপনির্বাচন ঘিরে টানটান পরিস্থিতি। বিরোধী বিজেপি, তিন নম্বরে থাকা বামফ্রন্টের প্রচারে বাধার ঘটনায় বারবার উত্তপ্ত হয়েছে ভবানীপুর। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, উপনির্বাচনে হাওয়া গরম করতে চাইছে বিরোধীরা।

টিএমসি সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় কর্মীদের কাছে এক লক্ষ ভোটে জয়ের টার্গেট বেধে দিয়েছেন। অভিযোগ, এই টার্গেট পূরণ করতে বহিরাগতদের আনাচ্ছে শাসকদল।

শাসক বিরোধী রোষের ভবানীরুরের সব বুথে ঝামেলা হওয়ার আশঙ্কা কমিশনের। ভোট পর্ব ঘিরে বিক্ষিপ্ত অশান্তি হবে ধরে নিয়েই নিজেদের প্রস্তুত রাখছে কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি, সশস্ত্র পুলিশ, কুইক রেসপন্স টিম, সিসিটিভি নিয়ে ভোটদানের নিরাপত্তা থাকলেও ভবানীপুরবাসী নিশ্চিত কিছু একটা হবেই। কারণ হাওয়া বেশ গরম