ছাগলের গর্ভে জন্মাল মানুষের মত দেখতে এক বাচ্চা

Goat Gives Birth To 'Human-like' Baby

নিউজ ডেস্ক: সোমবার বেলা বাড়তেই অসমের (assam) কাছাড় জেলার গঙ্গাপুর (gangapur village) গ্রামে এক ব্যক্তির বাড়িতে উপচে পড়ল ভিড়। সকলেই ওই ব্যক্তির বাড়িতে সদ্য জন্মানো একটি ছাগলছানাকে একবার চাক্ষুষ করতে চাইছেন। একটি ছাগলছানাকে (kid) দেখতে মানুষের কিসের এত আগ্রহ!

জানা গিয়েছে, গঙ্গাপুর গ্রামের দরিদ্র এক ব্যক্তির ছাগলের সদ্য জন্ম দেওয়া বাচ্চাটি দেখতে ছিল একেবারে মানব শিশুর মত। ছাগল বাচ্চাটির মুখ, নাক ও চোখ দেখতে ছিল একেবারে মানুষের মতো। এমনকী, ওই ছাগল বাচ্চার পাও ছিল দুটি। একমাত্র ছাগল বাচ্চাটির কান দু’টি ছিল ছাগলের মতই। ছাগলের পেটে মানুষের বাচ্চার মত একটি শাবকের জন্মের খবর পেয়েই কাতারে কাতারে মানুষ (crowd) গঙ্গাপুর গ্রামে ওই ব্যক্তির বাড়িতে ভিড় করেন।

ওই ছাগলের মালিক জানিয়েছেন, সোমবার সকালে তাঁর বাড়ির ছাগলটি যে বাচ্চার জন্ম দিয়েছিল সেটি দেখতে একেবারে অবিকল মানুষের বাচ্চার মত। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই ছাগল পোষেন। কিন্তু ছাগলের পেটে এই ধরনের মানুষের মত বাচ্চা এই প্রথম। ওই ছানাটিকে দেখে তিনি নিজেও প্রথমে একটু ভয় পেয়েছিলেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁদের গ্রাম ও সংলগ্ন এলাকায় এই অদ্ভুতদর্শন ছাগল বাচ্চার খবর ছড়িয়ে পড়তেই কাতারে কাতারে মানুষ তাঁর বাড়ির উঠোনে এসে হাজির হন। তবে ছাগলছানাটি বেশিক্ষণ বাঁচেনি।

স্থানীয় পশু চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অপুষ্টির কারণেই গর্ভে বাচ্চাটি পরিপুষ্ট হয়নি। হয়নি স্বাভাবিক বৃদ্ধি। সে কারণেই এমন অদ্ভুতদর্শন ছাগল ছানার জন্ম হয়েছে।

Jharkhand: দুই মাথাওয়ালা শিশুর জন্ম দেওয়া সদ্যোজাতকে হাসপাতালে রেখেই চম্পট মা-বাবার

birth-to-two-headed-baby-

নিউজ ডেস্ক, রাঁচি: সদ্যোজাত সন্তানকে হাসপাতালে ফেলে রেখে চলে যাওয়া আমাদের দেশে নতুন কোনও ঘটনা নয়। এমনকী, বহু ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, সদ্যোজাতকে (new born) রাস্তার পাশে ঝোপেঝাড়ে ফেলে দিয়ে চলে গিয়েছে মা-বাবা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কন্যা (girl child) সন্তানদের ভাগ্যে এমনটা ঘটে থাকে।

বহু ক্ষেত্রে দারিদ্র্যের (poverty) কারণেও মা-বাবা সদ্যোজাত সন্তানকে ফেলে দিয়ে চলে যায়। এবার ঝাড়খণ্ডের (jharkhand) রাজধানী রাঁচির (ranchi) অত্যন্ত পরিচিত হাসপাতাল রাজেন্দ্র ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স বা রিমসে একটি সদ্যোজাত সন্তানকে ফেলে রেখে চলে গেল তার মা-বাবা। তবে, মেয়ে হয়েছে বলে যে ফেলে রেখে গিয়েছে তা নয়। জানা গিয়েছে শিশুটির দুটি মাথা। অর্থাৎ শিশুটি স্বাভাবিক নয়। সে কারণেই তাকে ফেলে রেখে চলে গিয়েছে তার বাবা-মা।

রিমসের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শুক্রবার জন্মের পরেই ওই শিশুটিকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা যখন ওই শিশুটির অস্বাভাবিকতা ও চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত সেই সুযোগে পালিয়ে যায় তার মা-বাবা। এরপরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই শিশুটির মা বাবার খোঁজ শুরু করে। তাদের হাসপাতাল চত্বরের কোথাও পাওয়া যায়নি।

হাসপাতলে ভর্তি হওয়ার সময় তাঁরা যে ঠিকানা দিয়েছিল সেখানে খোঁজ শুরু হয়। কিন্তু দেখা যায় ঠিকানাটি ভুল।

অর্থাৎ কোনওভাবে ওই নবজাতকের মা-বাবা আগে থেকেই জানতেন যে, তাঁদের শিশুটি স্বাভাবিক নয়। সে কারণেই তাঁরা বাচ্চাকে ফেলে রেখে চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। পরিকল্পনা মত প্রসবের কিছুক্ষণ পরেই ওই শিশুটির মা এবং বাবা হাসপাতাল থেকে চম্পট দেয়।

হতভাগ্য এই শিশুটিকে তাই বাঁচিয়ে তোলার দায়িত্ব নিয়েছেন রিমসের চিকিৎসক ও নার্সরা। খবর দেওয়া হয়েছে শিশু কল্যাণ কমিটিকেও। এছাড়াও একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ওই শিশুটির চিকিৎসা ও অন্য যে কোনও ধরনের সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। অস্বাভাবিক ওই শিশুটির চিকিৎসার জন্য তাকে নিউরোসার্জারি বিভাগের দায়িত্বে রাখা হয়েছে।

মেয়ে হওয়ার খুশিতে সস্তায় পেট্রোল-ডিজেল বিক্রি পাম্প মালিক দাদুর

petrol pump

অনলাইন ডেস্ক: এ যেন উলটপুরান। এখনও এদেশে বহু পরিবারের কন্যা সন্তানের জন্মকে ভাল চোখে দেখা হয় না। যে কারণে এদেশে কন্যাভ্রূণ হত্যা আজও এক বড় সমস্যা। কিন্তু এই দেশেই ঘটলো এক বিরল ঘটনা। এক ব্যক্তি নাতনি হওয়ার আনন্দে কম দামে বিক্রি করছেন পেট্রোল ও ডিজেল। বাংলায় নয় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের বেতুলে।

বাড়িতে পুত্রসন্তান জন্ম হলে অনেক পরিবারই সেটা ঢাকঢোল পিটিয়ে উদযাপন করে। কিন্তু কন্যাসন্তান জন্মানোর আনন্দে এ ধরনের কোনও অনুষ্ঠান করা হয় এমন খবর খুব একটা সামনে আসে না।

এরই মধ্যে বলতে পারা যায় ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটলো বেতুলে। জানা গিয়েছে, বেতুলের পেট্রলপাম্প ব্যবসায়ী রাজেন্দ্র সায়ানির ভাইয়ের মেয়ে শিখা একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন নবরাত্রির দিনে। নবরাত্রির মতো পবিত্র দিনে কন্যাসন্তানের জন্ম হওয়ায় ওই পরিবারের আনন্দের সীমা ছিল না। সায়নি পরিবার একটি পেট্রোল পাম্পের মালিক। কন্যা সন্তানের জন্মকে স্মরণীয় করে রাখতে সায়ানি পরিবার সিদ্ধান্ত নেয়, তাদের পেট্রলপাম্পে ১৩ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত গ্রাহকদের একই দামে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত পেট্রোল ও ডিজেল দেওয়া হবে।

একটানা তিন দিন কমদামে পেট্রোল ডিজেল পাওয়ার খবরে সায়ানি পরিবারের পেট্রোল পাম্পে গাড়ির লাইন পড়ে গিয়েছে। অনেকে দূর-দূরান্ত থেকে কম দামে অতিরিক্ত পেট্রোল নিতে ছুটে এসেছেন। পেট্রলপাম্প ব্যবসায়ী রাজেন্দ্র জানিয়েছেন, তাঁর ভাইয়ের মেয়ে শিখার মেয়ে হয়েছে। মেয়ে হওয়ায় তাঁদের পরিবারে সকলেই খুব খুশি। সেই খুশি সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতেই তাঁরা নিজেদের পেট্রলপাম্পে কম দামে পেট্রোল-ডিজেল বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সায়ানি পরিবারের এই সিদ্ধান্তে অবশ্য আমজনতাও খুশি। কারণ তিন দিনের জন্য হলেও তাঁরাও তো এই অগ্নিমূল্যের বাজারে কম দামে তো পাচ্ছেন পেট্রোল, ডিজেল।