छत्तीसगढ़ के पड़ोसी राज्यों के समन्वय से नक्सल विरोधी अभियान को मिलेगा बूस्टर डोज

छत्तीसगढ़ :ओडिशा में भाजपा सरकार बनने और आंध प्रदेश में तेलुगु देसम पार्टी (टीडीपी) की सत्ता में वापसी से नक्सलियों के विरुद्ध चल रहे अभियान को छत्तीसगढ़ में बूस्टर डोज मिलने वाला है। विशेषज्ञों के अनुसार नक्सल विरोधी अभियान में राज्यों के मध्य समन्वय बढ़ेगा, जिससे सीमावर्ती क्षेत्रों में नक्सलियों के विरुद्ध अभियान में प्रभावकारी बढ़त मिल सकती है।

छत्तीसगढ़ के नक्सल प्रभावित सुकमा जिले की सीमा ओडिशा प्रांत से सटी हुई है। आंध्रप्रदेश से सटे नक्सलियों के सबसे ताकतवर क्षेत्र बीजापुर व सुकमा जिले में भी पिछले पांच माह में सुरक्षा बल के कैंप स्थापित कर वहां से अभियान शुरू किए गए हैं। आंध्रप्रदेश में एनडीए के घटक दल तेलुगु देसम पार्टी के मुखिया चंद्रबाबू नायडू नक्सलवाद के प्रखर विरोधी माने जाते हैं। नक्सलियों ने उन पर तिरुपति के पास हमला भी किया था।

हरियाणा के सूरजकुंड में वर्ष 2022 में नक्सल प्रभावित राज्यों की बैठक हुई। इसमें आपसी समन्वय से नक्सलियों के विरुद्ध रणनीति तैयार की गई थी। तब प्रदेश में भाजपा सरकार नहीं होने से नक्सलियों के विरुद्ध अभियान धीमा ही रहा। अब जबकि प्रदेश में डबल इंजन की सरकार है, पिछले पांच माह में नक्सलियों के विरुद्ध अभियान तेज हुआ है।

केंद्रीय नेतृत्व की मंशा के अनुसार राज्य के मुख्यमंत्री विष्णुदेव साय और गृहमंत्री विजय शर्मा लगातार नक्सलवाद के खात्मे के लिए संकल्पित दिखाई दिए हैं। राज्य में शांति स्थापना के उद्देश्य से नक्सलियों से वार्ता का रास्ता भी खुला रखा हुआ है। आत्सममर्पण पर जोर देने के साथ ही संवेदनशील क्षेत्र के विकास के लिए ‘नियद नेल्ला नार’ योजना शुरू की गई है, ताकि सुरक्षा कैंपों के आसपास के क्षेत्र में आधारभूत विकास कार्य भी शुरू किए जा सके।

समानांतर नेतृत्व का नक्सल अभियान पर दिखेगा असर
नक्सल मामलों पर लंबा अनुभव रखने वाले छत्तीसगढ़ के पूर्व पुलिस महानिदेशक आरके विज बताते हैं कि नक्सल संगठन दंडकारण्य स्पेशल जोनल कमेटी, महाराष्ट्र- मध्य प्रदेश, छत्तीसगढ़ जोनल कमेटी व तेलंगाना स्टेट कमेटी के प्रभाव वाले क्षेत्र एक- दूसरे राज्य तक विस्तारित हैं।

राज्यों का समन्वय नक्सल विरोधी अभियान में महत्वपूर्ण हो जाता है। छत्तीसगढ़ के पड़ोसी मध्यप्रदेश, महाराष्ट्र व ओडिशा में भाजपा की सरकार है। वहीं आंध्रप्रदेश में तेलुगु देसम पार्टी को सत्ता मिली है। इस स्थिति में सीमा क्षेत्र में नक्सल विरोधी अभियान में बेहतर समन्वय आने वाले दिनों में देखने को मिल सकता है।

বুস্টার ডোজ নিতে লাগবে না কোমর্বিডিটির প্রমাণপত্র জানাল কেন্দ্র

vaccine

News Desk: করোনাযোদ্ধা, স্বাস্থ্য কর্মী এবং ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সিদের করোনার বুস্টার বা তৃতীয় ডোজ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার দু’দিন পরে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছিল, কোমর্বিডিটি রয়েছে এমন প্রবীণ নাগরিকদের দুটি টিকা নেওয়ার পর বুস্টার বা তৃতীয় ডোজ দেওয়া হবে। তবে তাঁদের কোমর্বিডিটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রমানপত্র পেশ করতে হবে। অর্থাৎ হাসপাতাল বা চিকিৎসকের দেওয়া প্রেসক্রিপশন দাখিল করলে তবেই মিলবে বুস্টার ডোজ। 

কিন্তু মঙ্গলবার স্বাস্থ্যমন্ত্রক নিজেদের সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এল। এদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সিদের তৃতীয় বা বুস্টার ডোজ নিতে গেলে কোমর্বিডিটি সংক্রান্ত কোনও তথ্য প্রমাণ পেশ করার প্রয়োজন হবে না। প্রমাণপত্র ছাড়াই কোমর্বিডিটির সমস্যায় ভোগা ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সিরা অনায়াসেই তৃতীয় ডোজ নিতে পারবেন। এক্ষেত্রে তাঁদের চিকিৎসক বা হাসপাতালের কোন প্রমাণপত্র দাখিল করার প্রয়োজন হবে না। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের এই ঘোষণাকে অনেকেই স্বাগত জানিয়েছেন।

কোমর্বিডিটি বা জটিল সমস্যায় ভোগা অনেকেই জানিয়েছেন, তাঁরা হয়তো নিয়মিত চিকিৎসকের কাছ থেকে প্রেসক্রিপশন করিয়ে নিয়ে এসে ওষুধ খান না। একবার প্রেসক্রিপশন করার পর তাঁরা সেই প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী দীর্ঘদিন ধরে ওষুধ খেয়ে চলেছেন। তাই কেন্দ্রের আগের নির্দেশে তাঁরা নিশ্চিতভাবেই সমস্যায় পড়তেন। কিন্তু কেন্দ্রের নতুন নির্দেশিকায় তাদের সেই সমস্যা কেটে গেল। উল্লেখ্য, টিকাকরণ সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের দুটি কমিটি আছে। এই কমিটির পরামর্শ মেনেই ওমিক্রনের সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে প্রবীণ মানুষদের দ্রুত দেওয়ার বুস্টার ডোজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এরইমধ্যে রাজধানী দিল্লিতে ওমিক্রনের সংক্রমণ ক্রমশই বাড়ছে। ওমিক্রন প্রতিরোধ করতে কেজরিওয়াল সরকার দিল্লিতে জারি করল হলুদ সর্তকতা। একই সঙ্গে বেশ কিছু নতুন নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে কেজরি সরকার। ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, আগামী বেশ কিছুদিন প্রতিটি অফিসে ৫০ শতাংশ কর্মীকে নিয়ে কাজ করতে হবে। স্কুল-কলেজ, জিম সিনেমা হল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। শপিং মল এবং অন্যান্য সাধারণ দোকান গুলি জোর-বিজোড় হিসেবে খোলা থাকবে। দোকান খোলার সময় সকাল ১০ টা থেকে রাত ৮টা। রাত ১০টার পর বন্ধ রাখতে হবে রেস্তোরাঁ। রাত ১০ টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত জারি থাকবে নাইট কারফিউ।

Booster Dose: ৯ মাস আগে টিকার দ্বিতীয় ডোজ পাওয়া ব্যক্তিরাই বুস্টার পাবেন

covid booster shot

নিউজ ডেস্ক : গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে করোনার বুস্টার ডোজ প্রয়োগের ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি জানান, আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে করোনার বুস্টার ডোজের (booster dose) প্রয়োগ শুরু হবে। স্বাস্থ্যকর্মী ও একেবারে সামনের সারির কোভিড যোদ্ধারা পাবেন এই ডোজ। এছাড়াও ষাটোর্ধ্ব কোমর্বিডিটি থাকা ব্যক্তিদের করোনার ‘সতর্কতামূলক’ ডোজ দেওয়া হবে। তবে ৯ মাস আগে যাঁরা করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজটি পেয়েছেন তাঁদেরই আগে এই বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে।

আইসিএমআর (ICMR) ও ফরিদাবাদের ট্রান্সলেশনাল হেলথ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে পরিচালিত পাঁচটি বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফলের ভিত্তিতে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ডোজগুলির মধ্যে ব্যবধান ৯ মাসের রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ৯ মাসের মাথায় এই বুস্টার ডোজের মানে হল চলতি বছরের ১০ এপ্রিলের মধ্যে যাঁরা দ্বিতীয় ডোজটি পেয়েছিলেন তাঁরাই সতর্কতামূলক ভ্যাকসিনের প্রাথমিক ডোজগুলি নিতে পারবেন। অর্থাত্‍, প্রধানত স্বাস্থ্যকর্মী এবং ফ্রন্টলাইন কর্মীরাই প্রথম এই বুস্টার ডোজ পাবেন।

প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তা জানিয়েছেন, ‘কারা বুস্টার ডোজের জন্য যোগ্য হবেন তা ‘কো-উইন’ প্ল্যাটফর্মে দেখা যাবে। আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে কতজন যোগ্য হবেন সেই সংখ্যা আমাদের কাছে তৈরি রয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ঘোষণা করা হবে।’ সূত্রের খবর, আমেরিকা ও ব্রিটেন-সহ বিশ্বের বাকি দেশগুলিতে যে পদ্ধতি মেনে বুস্টার ডোজের প্রয়োগ চলছে তার থেকে ভারতের পদ্ধতি আলাদা হবে।

Omicron: বুস্টার ডোজ নিয়েও শিকার হতে হচ্ছে ওমিক্রনের

Omicron

News Desk, New Delhi: দেশে করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন (Omicron) আতঙ্ক ছড়ালেও স্বস্তির খবর এই যে, আক্রান্তরা সকলেই দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেছেন। মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) যারা করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন তাঁরা আগেই সুস্থ হয়েছেন। এবার রাজস্থানে (Rajasthan) একই পরিবারের আক্রান্ত ৯ সদস্যও সুস্থ হয়ে উঠছেন বলে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে।

রাজস্থানের স্বাস্থ্য দফতর আরও জানিয়েছে, ওমিক্রনের হাত থেকে আর রক্ষা পেতে হলে চলতি করোনা জনিত বিধি-নিষেধগুলি (restriction) অত্যন্ত ভালো ভাবে মেনে চলতে হবে। অন্যদিকে ওমিক্রন এর হাত থেকে বাঁচতে কর্নাটক সরকার আরও বেশকিছু নতুন নিষেধাজ্ঞা জারির কথা জানিয়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহ থেকেই এই নতুন নিষেধাজ্ঞা বলবৎ হবে। কর্নাটকেই প্রথম ওমিক্রন আক্রান্তের হদিশ মিলেছিল।

এরই মধ্যে কেউ কেউ বলছিলেন, বুস্টার ডোজ নেওয়া থাকলে ওমিক্রনের হাত থেকে রেহাই মিলবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র সে কথা বলছে না। জানা গিয়েছে, বুস্টার ডোজ নেওয়ার পরেও সিঙ্গাপুরের দুই ব্যক্তি ওমিক্রন আক্রান্ত হয়েছেন। আমেরিকা থেকেও বুস্টার ডোজ নেওয়ার পর একজনের আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে। সিঙ্গাপুরের স্থাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, আক্রান্ত দু’জনেই করোনার টিকার বুস্টার ডোজ নিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেও তাঁরা ওমিক্রনের সংক্রমণের হাত থেকে রেহাই পাননি।

যদিও মার্কিন সংস্থা ফাইজারের দাবি করেছে, তাদের তৈরি টিকার তিনটি ডোজ নিলে ওমিক্রন ভেরিয়েন্টের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ফাইজারের এই বক্তব্যে ভরসা রাখতে পারছে না। হু জানিয়েছে, উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া এখনই এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না।

এরইমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আরও জানিয়েছে, সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে বেশ কিছু দেশ ভ্যাকসিন মজুত করতে শুরু করেছে। ওই সব দেশ মনে করছে, করোনা রুখতে তৃতীয় ডোজ দিতে হবে। কিন্তু ওই সমস্ত দেশগুলির মনে রাখা উচিত যে, তৃতীয় ডোজ নিলেই ওমিক্রনের সংক্রমণ রোধ করা যাবে এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি। হু তাই সংশ্লিষ্ট দেশগুলিকে অনুরোধ করেছে, এভাবে টিকা মজুত না করে যে সমস্ত দেশে ভ্যাকসিনের অভাব রয়েছে সেখানে যেন সরবরাহ করা হয়।

Omicron: বুস্টার ডোজ হিসেবে কোভিশিল্ড ব্যবহারের অনুমোদন চাইল সেরাম ইনস্টিটিউট

boster-dose

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি : করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের জেরে ক্রমশ জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি। এবার আমেরিকায় হানা দিল ওমিক্রন (omicron)। ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দার শরীরে এর হদিশ মিলল। ফলে মানুষের মনেও ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন জাগছে।

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টের হদিশ মেলায় দেশজুড়ে বুস্টার ডোজের চাহিদা বেড়েছে। কেরল, রাজস্থান, কর্ণাটক, ছত্তিশগড়ের মতো রাজ্য ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের কাছে বুস্টার ডোজের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আর্জি জানিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া, DCGI-এর কাছে বুস্টার ডোজ হিসেবে কোভিশিল্ড (covishield) ব্যবহারের অনুমোদন চেয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউট (serum institute)। 

সেরামের পক্ষ থেকে আর্জি জানানো হয়েছে, ওমিক্রনের কথা মাথায় রেখে কোভিশিল্ডকে বুস্টার ডোজ হিসেবে প্রয়োগ করার অনুমতি দেওয়া হোক। ভারতে এখন যথেষ্ট ভ্যাকসিনের স্টক রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে যাদের দুটি করে ডোজ নেওয়া হয়ে গিয়েছে, তাদের বুস্টার ডোজ প্রয়োগের ছাড়পত্র দেওয়া হোক। 

ভারতের ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেলের (DGCI) কাছে একটি আবেদনে সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার (SII) অন্যতম ডিরেক্টর বলেন, যুক্তরাজ্যের মেডিসিন এবং হেলথ কেয়ার প্রোডাক্ট রেগুলেটরি এজেন্সি ইতিমধ্যেই এর বুস্টার ডোজ অনুমোদন দিয়েছে AstraZeneca ChAdOx1 nCoV-19 ভ্যাকসিনকে।

উল্লেখ্য, ভারতে ওমিক্রন পীড়িত দেশ থেকে বিভিন্ন বিমানে আসা যাত্রীদের প্রথম দিনের পরীক্ষাতেই ৬ জনের কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। আক্রান্তদের নমুনা জেনোমিক সিকোয়েন্সিংয় জন্য পাঠানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশ থেকে আসা যাত্রীদের জন্যও কড়াকড়ি করেছে কেন্দ্র। জানা গেছে, ওমিক্রন আক্রান্ত বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ১১টি আন্তর্জাতিক বিমানের ৩,৪৭৬ জন যাত্রীকে পরীক্ষা করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যেই ৬ জনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে।  এই পরিস্থিতিতে বুস্টার ডোজের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে। 

 

Delhi High Court: বুস্টার ডোজ সরকার দেবে না কেন, কেন্দ্রের কাছে জবাবদিহি আদালতের

covid booster shot

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: করোনার মতো মারণব্যাধি প্রতিরোধ করতে কেন বুস্টার ডোজ (booster dose) দেওয়া হবে না, কেন্দ্রের কাছে তার জবাব চাইল দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court )। শুক্রবার আদালত স্পষ্ট জানায়, আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে কখনওই বুস্টার ডোজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। বুস্টার ডোজ সংক্রান্ত বিষয়ে যত শীঘ্র সম্ভব কেন্দ্রীয় সরকারকে (central goverment) তার মতামত জানাতে বলল হাইকোর্ট।

করোনা প্রতিরোধ করতে ইতিমধ্যেই আমেরিকা (America) ও ইউরোপের (Europe) কয়েকটি দেশে বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে, ভারত সরকার চাইছে চলতি বছরের মধ্যেই দেশের প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে টিকার দু’টি ডোজ দিতে। যদিও সরকার নিজের ঠিক করা সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারবে কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। চলতি পরিস্থিতিতে বুস্টার ডোজ নিয়ে মোদী সরকারকে নিজেদের বক্তব্য স্পষ্টভাবে জানাতে বলল দিল্লি হাইকোর্ট।

এদিন হাইকোর্টের বিচারপতি বিপিন সিংঘি এবং বিচারপতি জসমীত সিংয়ের ডিভিশন বেঞ্চে করোনা সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানি হয়। এই মামলায় দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ বুস্টার ডোজ নিয়ে বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞদের মতামত খতিয়ে দেখেন। বেঞ্চ এদিন বলে, বুস্টার ডোজের বিষয়ে ভারতীয় বিশেষজ্ঞরা কোনও জোরদার সওয়াল করেননি। তবে পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেখা যাচ্ছে রোগ প্রতিরোধ করতে হলে বুস্টার ডোজ আবশ্যিক।

আমরা জানি, বুস্টার ডোজ দেওয়া যথেষ্টই ব্যয়বহুল। তবে দেশের মানুষের পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে সকলকেই একেবারে বিনামূল্যেই বুস্টার ডোজ দিতে হবে। দেশের খুব কম মানুষই আছেন যারা এই বুস্টার ডোজ কিনবেন। সরকারের উচিত নয়, মানুষের আর্থিক অবস্থা খতিয়ে দেখে বুস্টার ডোজ দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া। যেহেতু বুস্টার ডোজ দেওয়ার খরচ অনেকটা বেশি সম্ভবত সে কারণেই সরকার এখনই বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে না। যদিও এটা একেবারেই ঠিক নয়।

কারণ আমরা করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভয়াবহতা দেখেছি। নতুন করে আমরা ফের এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে চাই না। সে কারণেই বুস্টার ডোজ দেওয়া আবশ্যিক। তাই সরকার জানাক, বুস্টার ডোজ দেওয়ার বিষয়ে তারা কী ভাবনাচিন্তা করছে।

একইসঙ্গে বেঞ্চ এদিন বলে, ভ্যাকসিনের বহু ডোজ অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। সেই সমস্ত ভ্যাকসিনের মেয়াদও দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। তাই আরও জোর গতিতে টিকাকরণ করতে হবে।

শিশুদের টিকাকরণ নিয়েও দুই বিচারপতির বেঞ্চ এদিন মুখ খুলেছে। বিচারপতিরা বলেন, বিশ্বের বহু দেশে ইতিমধ্যেই শিশুদের টিকাকরণ চলছে। আমাদের দেশেও স্কুল-কলেজ খুলে গিয়েছে। তাই শিশুদের টিকাকরণও দ্রুত শুরু হওয়া দরকার। এ বিষয়ে সরকার কী ভাবছে তা আমাদের জানা দরকার।