India vs South Africa: প্রোটিয়াদের জমকালো বোলিং পারফরম্যান্স, অশ্বিনের দুরন্ত ব্যাটিং

South Africa

ওয়ান্ডারার্সে দ্বিতীয় টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার (South Africa) বাহাতি জোরে বোলার মার্কো জ্যানসনের ৪ উইকেট, ৩১ রানে।ভারত প্রথম টসে জিতে ব্যাটিংর সিদ্ধান্ত নেয়। প্রথম ইনিংসে কেএল রাহুলের টিম ইন্ডিয়া ২০২ রানে অল আউট। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ৫০ বলে ৪৬ রানের দুরন্ত ব্যাটিং।

এদিন সকালে ম্যাচ শুরর আগে পিঠের ওপড়ের অংশে খিঁচুনি অনুভব করেন। বাধ্য হয়ে টিম ম্যানেজমেন্ট বিরাট কোহলিকে বাদ দিয়ে প্রথম একাদশ নির্বাচন করে। কেএল রাহুলকে অধিনায়ক ঘোষণা করে ভারত টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়।

Ashwin

অধিনায়ক লোকেশ রাহুল ১৩৩ বলে ৫০ রান করে মার্কো জ্যানসনের বলে রাবাদার হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়ন ফিরে আসে। বিরাট কোহলির বাদ যাওয়ার কারণে প্রথম একাদশে জায়গা পাওয়া হনুমা বিহারি তেমন কিছুই করতে পারেনি,২০ রান করে ফিরে আসে।

অজিঙ্কা রাহানে রানের খাতা না খুলেই প্যাভিলিয়নের রাস্তা ধরেন। কেএল রাহুল এবং অশ্বিন ছাড়া কোনও ভারতীয় ব্যাটসম্যান প্রোটিয়া বোলিং লাইন আপের বিরুদ্ধে মুখ তুলে দাঁড়াতে পারেনি।

<

p style=”text-align: justify;”>মায়াঙ্ক ২৬,পূজারা ৩,পহ্ন ১৭ অন্যদিকে শার্দূল ঠাকুর রানের খাতা না খুলেই আউট। এই হল প্রথম ইনিংসে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্স।
কাগিসো রাবাদা এবং ডুয়ান অলিভিয়ার ৩ টি করে উইকেট পেয়েছে। এই প্রতিবেদন লেখার সময়, জবাবে ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংসে ১৮ রানে ১ উইকেট। মহম্মদ সামির বলে মার্করাম ৭ রানে এলবিডব্লু আউট। ক্রিজে অধিনায়ক ডিন এলগার ৬ এবং কিগুন পিটারসন ৩ রানে ব্যাট করছে।

অশ্বিনের আক্ষেপের ঢঙে “বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি” ঘিরে চাঞ্চল্য ক্রিকেট মহলে

Ravichandran Ashwin

Sports desk: সাড়ে চার বছর পর বিগত টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ টিম ইন্ডিয়ার স্কোয়াডে এসে নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে সকলেকে তাক লাগিয়ে দেন স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। “ক্রিকেটের ভগবান” সচীন রমেশ তেন্ডুলকর বিশ্বকাপে অশ্বিনের ডেলিভারিতে নতুনত্ব’র ছোঁয়া দেখে ভূয়সী প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন।

গোটা টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অশ্বিনের নজর কাড়া পারফরম্যান্স নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর আলোচনা শুরু হয়েছে শুধু ভারতীয় ক্রিকেট মহলেই নয়, বিশ্ব ক্রিকেট মহলেও। অশ্বিন কতদূর পৌছতে পারবে,মুত্থাইয়া মুরলিধরনের রেকর্ড ভাঙতে পারবে চর্চ্চা চলছে জোরকদমে। অবশ্য অশ্বিন নিজে মুরলিধরনের রেকর্ড ভাঙা প্রসঙ্গে কৌশলী অবস্থানে চাপ মুক্ত রাখতে চাইছে। এমন একটা আবহে ভারত এখন দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে তিন টেস্ট এবং সম সংখ্যক ওডিআই সিরিজ খেলতে, এই ক্ষণে দাঁড়িয়ে ভারতীয় স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন বোমা ফাটিয়েছে নিজের আন্তজার্তিক ক্রিকেট কেরিয়ার প্রসঙ্গে।

ভারতীয় স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা ক্রিকেট আঙিনায়। বিস্ফোরক স্বীকারোক্তিতে রবিচন্দ্রন অশ্বিন সাফ করে দিয়ে বলেন,” ২০১৮ সালে, তিনি অবসর নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে ভেবেছিলেন”। বর্তমানে দুরন্ত ফর্মে থাকা অশ্বিন বলেন, “একটা সময় ছিল যখন তিনি এক ওভারের ছয় বল করার পর ক্লান্ত বোধ করতেন”।

এই বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি প্রসঙ্গে অশ্বিন নিজের ক্রিকেট কেরিয়ার বিশ্লেষণ ব্যাখা করতে গিয়ে বলেন,” তিনি তার কৌশল পরিবর্তন করেছেন, তারপরে তিনি আবার সাফল্য পেতে শুরু করেছেন”।

নিজের বিস্ফোরক স্বীকারোক্তিতে অশ্বিন বলেন “২০১৮ এবং ২০২০’র মধ্যে আমি বেশ কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করে গেমটি ছেড়ে দেওয়ার কথা ভেবেছিলাম। আমি ভেবেছিলাম, ‘আমি অনেক চেষ্টা করেছি, কিন্তু সক্ষম হইনি।”

এক সাক্ষাৎকারে রবিচন্দ্রন অশ্বিননের বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি চাঞ্চল্য ছড়ানো প্রসঙ্গে অশ্বিন মুখ খুলে বলেন, এই সময়ে আমি অনেক বিষয়ে কাজ শুরু করেছি। অশ্বিন জানান, “যখন হাঁটুতে ব্যথা হয়, তখন আমি নিচুতে লাফ দিতে শুরু করি এবং যদি আমি নিচে লাফ দেই, সমস্ত জোর আমার পিঠে এবং কাঁধে দিতে হয়”।

নিজের চোট প্রসঙ্গে স্বীকারোক্তিতে অকপট অশ্বিন খোলসা করে জবাব,”তৃতীয় ডেলিভারিতে বোলিং করার সময় কনুই’র ব্যবহার করার চেষ্টা করা অতিরিক্ত সাইড-অন হতে পারে। আমি ছয় বল খেলেই ক্লান্ত হয়ে পড়তাম, তখন আমার বিরতি দরকার ছিল”।

চোটের কারণে নিজের যন্ত্রণার কথা আক্ষেপের ঢঙে অশ্বিন বলেন, আমার চোট নিয়ে লোকজনকে খুব একটা চিন্তিত মনে হয়নি। আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে অনেক খেলোয়াড় এভাবে চোটের পরে সমর্থন পান কিন্তু কেন আমি তা পাইনি জানি না! কারো সাহায্য নেওয়ার অভ্যাস আমার নেই, একটা সময়ের জন্য অনুভব করলাম এখন সাপোর্ট ছাড়া এগোতে পারব না।

অশ্বিন এও বলেন, আমি বুঝতে পেরেছি যে এখন আমাকে অন্য কিছু চেষ্টা করতে হবে। এই প্রসঙ্গে অশ্বিন আরও বলেন, ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরের পরে অবসর নেওয়ার কথা ভেবেছিলেন, যখন তিনি আবার চোট পেয়েছিলেন।

বিস্ফোরক ওই স্বীকারোক্তিতে অশ্বিন পরিষ্কার করেছেন,অশ্বিন বলেছেন, “ইংল্যান্ড সফরে ২০১৮ সিরিজের সাউদাম্পটনের পরে, একই রকম একটি পর্যায় ছিল, ওই বছরের পরে অস্ট্রেলিয়ায় আমি সিডনির আগে এবং অ্যাডিলেড টেস্টের পরে ইনজুরিতে পড়েছিলাম। ওই সময়েও ক্রিকেট কেরিয়ার থেকে সন্ন্যাস নিয়ে চিন্তাভাবনা আসতে শুরু করে”।

নিজের আন্তজার্তিক ক্রিকেট কেরিয়ারের ব্যাডপ্যাচে’র মুহুর্তকে তলিয়ে দেখতে গিয়ে বিস্ফোরক ভঙ্গিতে মন ছুঁয়ে যাওয়া স্বীকারোক্তিতে অশ্বিন পরিবারের অবদানকে কুর্নিস জানিয়ে বলেন, “আমি কেবল আমার স্ত্রীর সাথে এই বিষয়ে কথা বলতাম তবে আমার বাবা বলেছিলেন যে তুমি অবশ্যই সাদা বলের ক্রিকেটে ফিরবে” এবং হৃদয়ের অতি স্পর্শকাতর মুহুর্তের স্মরণে অশ্বিন নিজের মুখেই বলেন,”আমি(বাবা) মারা যাওয়ার আগে আমি তোমাকে আবার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে খেলতে দেখতে চাই”।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিন টেস্ট ম্যাচের সিরিজে বোলিং’এ নিজের সেরাটা নিঙড়ে দিতে অশ্বিন এখন ব্যাকুল এই কারণেই যে গত সোমবার শ্রেয়স আইয়ার বিসিসিআই টুইটে আসন্ন প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়নের সুপারস্পোর্টস পার্কের পিচের চরিত্রের আভাস প্রসঙ্গে বলেন,”পিচ ভেজা রয়েছে,তাই বল ঘুরতে পারে প্রথম দিকে” এমন একট সম্ভাবনা সামনে আসতেই ভারতীয় স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন ‘বক্সিং ডে’ টেস্টে কতটা জোরে নিজের পাখনা মেলে প্রোটিয়ার্সদের শুরুতে আঘাত করতে পারে(উইকেট তুলে নিতে পারে), ওইদিকেই তাকিয়ে গোটা ক্রিকেট মহল।

Dinesh Karthik: প্রোটিয়ার্সদের বোলিং লাইন আপ টিম ইন্ডিয়ার কাছে চ্যালেঞ্জিং

Dinesh Karthik

Sports desk: ঘরের মাঠে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে নিউজিল্যান্ডকে পরাজিত করার পর, ভারত সেঞ্চুরিয়নে ২৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। দক্ষিণ আফ্রিকায় সফরকারী দলের প্রস্তুতি এবং সম্ভাবনা সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে প্রাক্তন ভারতীয় উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান দীনেশ কার্তিক (Dinesh Karthik) বলেছেন যে “এটি ভারতের জন্য সেরা সুযোগ” প্রোটিয়াদের তাদের ঘরে হারানোর।
কার্তিক এই নিয়ে বলেছেন,”অবশ্যই, শতভাগ, ভারতের কাছে দক্ষিণ আফ্রিকাকে তাদের ঘরের কন্ডিশনে মোকাবেলা করার এটাই সেরা সুযোগ এবং সম্ভবত এটি জিততে এবং বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে জিতে যেতে পারে। আমি বলছি কারণ ভারতের একটি শক্তিশালী ফাস্ট বোলিং লাইনআপ রয়েছে এবং তাদের কাছে খুব ভালো সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি খুব ভালো ব্যাটিং লাইনআপ রয়েছে”। নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার সাইমন ডলের সঙ্গে একটি চ্যাটারে দীনেশ কার্তিক একথা বলেছেন।

কার্তিক দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং আক্রমণেরও প্রশংসা করে বলেছেন, তাদের ব্যাটিং লাইনআপ “অরক্ষিত” এবং তারা কিছু খেলোয়াড়ের ওপর নির্ভরশীল।

প্রসঙ্গত, শেষবার যখন ভারত ২০১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর করেছিল, তারা প্রতিটি খেলায় কঠিন লড়াই করেছিল। কিন্তু তিন টেস্টে মাত্র একটি খেলায় জিতেছিল।ভারত কখনও দক্ষিণ আফ্রিকায় টেস্ট সিরিজ জিততে পারেনি।

দীনেশ কার্তিক চ্যাটারে বলেছেন “অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার খুব ভালো বোলিং লাইন আপ রয়েছে, বিশেষ করে ফাস্ট বোলাররা- (কাগিডো) রাবাদা, (অ্যানরিচ) নর্টজে, (ডোয়াইন) প্রিটোরিয়াস এবং তাদের পছন্দ। তবে যখন তাদের ব্যাটিংয়ের কথা আসে তখন এটি বেশ দুর্বল, তারা ফায়ার করার জন্য এক বা দুইজন খেলোয়াড়ের উপর নির্ভরশীল। তাদের বাকিদের কাছে ভারতের মতো উচ্চমানের বোলিং লাইন আপ পরিচালনা করার মতো অভিজ্ঞতা বা উপায় নেই। সুতরাং, অবশ্যই, এই পর্যায়ে আমার অর্থ ভারতে থাকবে।”

প্রাক্তন কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক আরও বলেছেন, বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন দলের ব্যাটসম্যানরা কীভাবে শীর্ষ শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান বোলিং’র বিরুদ্ধে যাবে তা দেখা আকর্ষণীয় হবে।

ওই চ্যাটারে দীনেশ কার্তিক প্রোটিয়ার্সদের বোলিং লাইন আপ নিয়ে নিজের মত রেখে বলেছেন, “আমি মনে করি যে ভারত দক্ষিণ আফ্রিকায় যাওয়ার সময় চ্যালেঞ্জ ধরে কারণ তাদের আত্মবিশ্বাস বেশি। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিংয়ের বিরুদ্ধে ভারতীয় ব্যাটিং কীভাবে রূপ নেয় তা দেখা সত্যিই আকর্ষণীয় হবে, এটি একটি বড় বিষয়। ভারত যদি পার্টনারশিপ সেলাই করার উপায় খুঁজে পায়(ব্যাটিং জুটি গঠন ম্যাচে) এবং প্রতিবার যখন কেউ ব্যাট করতে যায় তখন দুয়েকটি শতরান করে, তবে আমি মনে করি ভারত অস্ট্রেলিয়ায় যা অসাধারণভাবে করেছে, তা করার পথে ভাল হবে।”

ক্রিকেটের ইতিহাসের পাতা ঘাটলে দেখা যাবে, দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট সিরিজে কেবলমাত্র তিনটে দল অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড এবং শ্রীলঙ্কা প্রোটিয়ার্সদের হারাতে পেরেছে।

T20 World Cup: কিউইদের বিরুদ্ধে ‘বিরাট’ ভারতের ষষ্ঠ বোলিং অপশন হতে পারেন হার্দিক

Hardik

Sports desk: প্রাক্তন ভারতীয় পেসার জহির খান নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে হার্দিক পান্ডিয়াকে নেট সেশনে বল করতে দেখে আশাবাদী। ভারতীয় অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়াকে চলতি টি-২০ বিশ্বকাপের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে নেটে আবার বোলিং করতে দেখা গিয়েছে।আগামী রবিবার দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ভারত।

সম্প্রতি বিসিসিআই একটি ভিডিও পোস্ট করেছে, যেখানে হার্দিককে ভারতের নেট সেশনের সময় হার্ড ইয়ার্ডে ঢুকে আবার বোলিং করতে দেখা গিয়েছে। জাহির এই খবর শুনে, আশা করেন হার্দিক ভারতের বোলিং বিভাগকে সাহায্য করতে সক্ষম হবেন এবং আগামী ম্যাচগুলোতে বিরাট কোহলিকে আরও একটি বিকল্প দিতে পারবেন।

এই প্রসঙ্গে জাহির বলেছেন, “চারিদিকে একটি গুঞ্জন চলছে কোনও পর্যায়ে তিনি (হার্দিক পান্ডিয়া) বল করতে শুরু করবেন। আমাদের অপেক্ষা করতে হবে এবং দেখতে হবে কখন তিনি ম্যাচে বল করবেন। হ্যাঁ, তিনি নেটে বোলিং শুরু করেছেন, তাই আমি আশাবাদী পরের ম্যাচে সে বোলিং করবে।”

প্রাক্তন বাঁ-হাতি বোলার জাহির খান হার্দিকের বল নিয়ে চিপ ইন করার ক্ষমতার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং ব্যাখ্যা করেন যে অলরাউন্ডার টিমের পক্ষকে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়ভাবে ভারসাম্য প্রদান করে।

জাহির খান হার্দিক পান্ডিয়ার হার্ড ইয়ার্ডে বোলিং করার প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক তুলে ধরে বলেছেন,”এটি গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে কারণ হার্দিক যখন বোলিং করছেন, তখন এটি বোলিং আক্রমণের ভারসাম্যকে একটি ভাল শক্তির দিকে নিয়ে যায়।”

জাহির ষষ্ঠ বোলিং বিকল্পের বিষয়ে হার্দিকের নাম উল্লেখ করেছেন এবং বিশ্বকাপের দলগুলোর মধ্যে ভারত এমন একটি দল যারা শুধুমাত্র পাঁচ বোলিং অপশন নিয়ে খেলছে।

জাহির খানের কথায়,”একজন অধিনায়ক হিসেবে আপনার কাছে সেই ষষ্ঠ বোলিং বিকল্প আছে। আপনি যদি এই মুহূর্তে যেকোনো দলের দিকে তাকান, তাদের সবার কাছে একটি খেলায় ন্যূনতম ৬ টি বোলিং বিকল্প রয়েছে, ভারত বাদে, যারা ৫ টি বোলিং বিকল্প নিয়ে মাঠে নেমেছিল… সে (হার্দিক পান্ডিয়া) নেটে বোলিং করলে দারুণ খবর। আশা করি, সে ম্যাচেও (নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে) বোলিং করবে।”

চলতি টি-২০ বিশ্বকাপে রবিবার ভারতের সামনে ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচ,নিউজিল্যান্ড কঠিন প্রতিপক্ষ। উল্লেখ্য যে , ভারত এবং নিউজিল্যান্ড দুই টিমই বাবর আজমের পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হারের মুখ দেখেছে। তাই দুই টিম জয়ের লক্ষ্যে ঝাঁপাবে বলাই যায়।