PM MODI: ভোটমুখী রাজ্যগুলি থেকে সরানো হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর ছবি

ভোটমুখী পাঁচ রাজ্যের জন্য নয়া নির্দেশিকা জারি করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। করোনাকালে সাত দফায় দেশের পাঁচ রাজ্য অর্থাৎ পাঞ্জাব, গোয়া, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড ও মণিপুরে ভোট। মোট ৭ দফায় হবে এই ভোটগ্রহণ। এরই মাঝে নির্বাচনী আচরণ বিধি লাগু হয়ে গিয়েছে। যদিও এই আচরণ বিধি যাতে লঙ্ঘন না হয় তার জন্য বড় ঘোষণা করেছে কমিশন।

ভোটমুখী ওই পাঁচ রাজ্যে করোনা টিকার শংসাপত্র থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নাম সরিয়ে ফেলা হবে বলে খবর। জানা গিয়েছে, ভোটমুখী গোয়া, মণিপুর, পাঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড ও উত্তর প্রদেশের জনগণকে দেওয়া টিকাকরণ শংসাপত্র থেকে মোদীর ছবি অপসারণের জন্য কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক কোউইন প্ল্যাটফর্মে প্রয়োজনীয় ফিল্টার প্রয়োগ করবে শীঘ্রই। উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন শনিবার পাঁচটি রাজ্যের জন্য ভোটের সময়সূচী ঘোষণা করে। ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে এবং গণনা হবে আগামী ১০ মার্চ। ১০ ফেব্রুয়ারি উত্তরপ্রদেশে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। পাঞ্জাব, গোয়া ও উত্তরাখণ্ডের সঙ্গে উত্তরপ্রদেশের দ্বিতীয় দফার ভোট ১৪ ফেব্রুয়ারি। উত্তরপ্রদেশে তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ ২০ ফেব্রুয়ারি। ২৩ ফেব্রুয়ারি চতুর্থ দফার ভোট। মণিপুরে প্রথম দফা ও উত্তরপ্রদেশে পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণ ২৭ ফেব্রুয়ারি। উত্তরপ্রদেশে ষষ্ঠ দফার ভোট ও দ্বিতীয় দফার ভোট মণিপুরে ৩ মার্চ। উত্তরপ্রদেশে সপ্তম দফার ভোটগ্রহণ ৭ মার্চ। ১০ মার্চ ভোটের ফল ঘোষণা।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের শুরুতে আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, পুদুচেরি এবং কেরালা বিধানসভার নির্বাচনের সময়ও একই ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছিল, যখন নির্বাচন কমিশন স্বাস্থ্য মন্ত্রককে চিঠি লিখে ভোটের সময় সরকারী বিজ্ঞাপনে রাজনৈতিক নেতাদের ছবি ব্যবহারের বিরুদ্ধে তাদের স্থায়ী নির্দেশাবলীর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। কেন্দ্রীয় কোউইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শংসাপত্র তৈরি হওয়ায় স্বাস্থ্য মন্ত্রক ভোটমুখী রাজ্যগুলির প্রাপকদের জন্য ফিল্টার গুলি নিয়ে আসতে কয়েক দিন সময় নিয়েছিল।

 

 

পেনশন প্রাপকদের জন্য স্বস্তি, বাড়ল লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার সময়সীমা

Relief for Pensioners

নিউজ ডেস্ক, মুম্বই: পেনশন প্রাপকদের (Penson Holder) জন্য সুখবর শোনাল নরেন্দ্র মোদি সরকার (Narendra Modi Government)। শনিবার কেন্দ্র জানিয়েছে, যারা অবসর নিয়েছেন তাঁদের লাইফ সার্টিফিকেট বা জীবনের প্রমাণপত্র (Life Certificate) জমা দেওয়ার সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর (December) পর্যন্ত বাড়ানো হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতির জন্যই সময়সীমা বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত।

সাধারণত সরকারি পেনশন প্রাপকদের প্রতিবছরই লাইফ সার্টিফিকেট জমা দিতে হয়। এই সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার মাধ্যমে পেনশন প্রাপকদের নিশ্চিত করতে হয় যে তাঁরা জীবিত আছেন। সার্টিফিকেট জমা না করলে পেনশন বন্ধ হয়ে যায়। সাধারণত লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময়সীমা ৩০ নভেম্বর। সেই সময়সীমা ইতিমধ্যেই পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু করানোজনিত কারণে দেশের পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। সে কারণেই শনিবার কেন্দ্র এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানাল, পেনশন প্রাপকদের জীবনের শংসাপত্র বা লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হল।

করোনাজনিত পরিস্থিতিতে প্রবীণ মানুষেরা অনেকেই বাড়ির বাইরে বের হওয়ার ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। তাই বয়স্ক মানুষদের কাছে লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়া এক সমস্যার বিষয় হয়ে উঠেছে। তাই হুড়োহুড়ি না করে সকলেই যাতে ধীরেসুস্থে এই সার্টিফিকেট জমা দিতে পারেন তার জন্যই সময়সীমা বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত। সরকার আরও জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যাঁরা শংসাপত্র জমা করতে পারেননি তাদের পেনশন আটকে রাখা হবে না।

তবে অবসর প্রাপ্তদের শুধু যে ব্যাংকে গিয়ে এই সার্টিফিকেট জমা করতে হবে তা নয়। প্রয়োজন মনে করলে অবসরপ্রাপ্ত ব্যাক্তি অনলাইনে বাড়ি থেকেও এই সার্টিফিকেট জমা দিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে তাঁর মোবাইলে ‘জীবন প্রমাণ মোবাইল অ্যাপ’ ডাউনলোড করতে হবে। সেখানে আধার নম্বর, পেনশনের অর্ডার নম্বর, ব্যাংকের বিবরণ ও অন্যান্য কিছু তথ্য জানাতে হবে। দিতে হবে আঙুলে ছাপ।