Myanmar: বর্মী সেনার বিমান হামলা, বিদ্রোহী চিন প্রদেশে বিশ্বযুদ্ধের ভয়াল স্মৃতি

Myanmar military attack started on rebel force controlled chinland states

News Desk: আশঙ্কা মিলিয়েই মায়ানমারের সামরিক সরকারের নির্দেশে শুরু হয়েছে বর্মী সেনার হামলা। বিশেষ সূত্র থেকে www.ekolkata24.com সরাসরি মায়ানমার থেকে সেই ভয়াবহ হামলার ছবি সংগ্রহ করেছে।

Myanmar military attack started on rebel force controlled chinland statesবিমান হামলা শুরু করেছে বর্মী সেনা। জ্বলছে চিন প্রদেশের বহু এলাকা। চার্চ, মন্দিরের উপরে বৃষ্টির মতো বোমা ফেলা হয়েছে। বহু এলাকায় বোমা মেরেছে বর্মী সেনা। সঠিক সংখ্যা জানা না গেলেও হতাহত অনেকে বলেই খবর আসছে।

Myanmar military attack started on rebel force controlled chinland states

রাষ্ট্রসংঘ আগেই আশঙ্কা করেছিল মায়ানমারে সেনা প্রধান তথা সামরিক সরকারের সুপ্রিমো মিন অং হ্লাইং রক্তাক্ত পরিবেশ তৈরি করবেন। সেই লক্ষ্যেই সেনা শাসন বিরোধী বিদ্রোহী গোষ্ঠীদের দখলে থাকা দুটি রাজ্য চিন ও কাচিনে হামলা শুরু হয়েছে শুক্রবার বিকেলের পর থেকে।

Myanmar military attack started on rebel force controlled chinland states

মায়ানমারের জাতীয় নির্বাচনে বিপুল জয় পেয়ে ফের সরকার ধরে রাখে নোবেল জয়ী নেত্রী আউং সান সু কি নেতৃত্বে চলা এনএলডি। সেনা সমর্থিত দল তেমন কিছু করতে পারেনি। সরকার গড়ার আগেই জেনারেল হ্লাইং অভ্যুত্থানের পরিকল্পনা করেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসে রক্তপাতহীন সামরিক অভ্যুত্থানে বন্দি হন ততকালীন দেশটির সর্বময় নেত্রী সু কি সহ সরকারের মন্ত্রীরা।

Myanmar military attack started on rebel force controlled chinland states
মায়ানমারে বর্তমান সামরিক সরকারের প্রধান জেনারেল মিন অন হ্লাইং, বন্দি সু কি বিচারের মুহূর্তে আদালতে

অভ্যুত্থানের পর থেকেই গণতন্ত্র ফেরানোর দাবিতে আন্দোলন শুরু হয় মায়ানমারে। আন্দোলন রুখতে বর্মী সেনা গুলি চালায়। হাজারের বেশি মৃত। হাজার হাজার গণতন্ত্রীপন্থীরা বন্দি হয়েছেন। মায়ানমারের সামরিক সরকারের অধীনতা মানতে নারাজ বরাবরের বিদ্রোহী দুটি প্রদেশ চিন ও কাচিন। দুই প্রাদেশিক সরকার তাদের মিলিশিয়া বাহিনী নিয়ে সেনা শাসনের বিরোধিতা শুরু করেছে। অভিযোগ, বর্মী সেনা গণহত্যা শুরু করেছে।

রাষ্ট্রসংঘ সম্প্রতি জানায়, মায়ানমারে গৃহযুদ্ধ শুরু হতে চলেছে। ভারত সীমাল্ত লাগোয়া মিজেরাম, মনিপুর ও নাগাল্যান্ডের লাগোয়া চিন ও কাচিন প্রদেশে সেনা বনাম বিদ্রোহী চিনল্যান্ড ডিফেন্স ফোর্স ও কাচিন আর্মির সংঘর্ষ চলছে।

Mayanmar: Chin-Kachin সেনার মুখোমুখি হচ্ছে বর্মী বাহিনী, গণহত্যার প্রবল আশঙ্কা

myanmar-army

News Desk: টানা ৪৮ ঘন্টা ঘরে মুখোমুখি মায়ানমারের সামরিক সরকারের সেনা ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী পরিচালিত দেশটির চিন ও কাচিন প্রদেশের নিজস্ব বাহিনী।

রাষ্ট্রসংঘ আশঙ্কা করছে মায়ানমারের সেনা সরকারের প্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের নির্দেশে বর্মী সেমা ফের গণহত্যা চালাতে প্রস্তুত। যদিও www.ekolkata24.com বিশেষ সূত্র থেকে মিজোরাম, মনিপুর ও নাগাল্যান্ড সীমান্ত লাগোয়া মায়ানমারের কিছু এলাকায় প্রতিরোধ ব্যবস্থার ছবি সংগ্রহ করেছে।

myanmar

দুই সেনার মুখোমুখি
বর্মী সেনা (Myanmar Army) বনাম চিন (Chin) ও কাচিন (Kachin) বাহিনীর সংঘর্ষ যে কোনও সময় বাঁধতে পারে। বহু বর্মী সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের দিকে ঢুকেছেন, আরও আসছেন। পরিস্থিতি কেমন সেটা জানতে আগে চোখ রাখুন এলাকার মানচিত্রে।

myanmar 2

মানচিত্র
আন্তর্জাতিক সীমান্তের ওপারের ঘটনাবলী কেমন তা তুলে ধরছি আমরা। ফেব্রুয়ারি মাসে রক্তপাতহীন সেনা অভ্যুত্থানে মায়ানমারে নির্বাচিত এনএলডি (NLD) সরকারকে উৎখাত করা হয়। সেই থেকে বন্দি মায়ানমারের সর্বচ্চো নেত্রী সু কি ও তাঁর সরকারের প্রেসিডেন্ট সহ বহু মন্ত্রী নেতারা। বর্মী জনগণ গণতন্ত্রের দাবিতে আন্দোলন চালাচ্ছেন। সেনা বাহিনীর গুলিতে মৃত এক হাজারের বেশি। শয়ে শয়ে বন্দি। দেশটির দুটি প্রদেশ চিন (Chin) ও কাচিন (Kachin) এর প্রাদেশিক সরকার বর্মী সেনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

myanmar 3

 

বিবিসি জানাচ্ছে, মায়ানমারের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি আরও রক্তাক্ত হতে পারে। কাচিন আর্মি ও চিনল্যান্ড ডিফেন্স ফোর্স প্রত্যাঘাতের জন্য তৈরি। বোমা মেরে বিভিন্ন এলাকার সেতু ভেঙে দিয়েছে তারা।

myanmar 4

বর্মী সেনার ট্যাংক বহর দুটি প্রদেশেই প্রবেশ করতে শুরু করেছে। কয়েকটি এলাকায় হচ্ছে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ।

myanmar 5

সীমান্তের এপারে মিজেরাম সরকার উদ্বিগ্ন। মিজোরামের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় ঢুকে পড়া বর্মীরা শরণার্থী শিবিরে রয়েছেন।

myanmar
আশঙ্কা করা হচ্ছে, সামরিক সরকারের প্রধান জেনারেল হ্লাইংয়ের নির্দেশ এলেই শুরু হবে চূড়ান্ত অভিযান। গণতন্ত্রী গোষ্ঠী বিশেষ করে মায়ানমার সরকারের বিরোধী সশস্ত্র চিন আর্মির বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।