Belur Math: অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ বেলুড় মঠ

রাজ্যজুড়ে হু হু করে বেড়ে চলেছে করোনা। এই পরিস্থিতিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হল বেলুড় মঠের দরজা। এর আগে ১ জানুয়ারি থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মঠে ভক্তদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। রবিবার ফের বিজ্ঞপ্তি জারি করে বেলুড় মঠ কর্তৃপক্ষ। রাজ্য সরকারের কোভিড নির্দেশিকা মেনে অনির্দিষ্টকালের জন্য মঠ প্রাঙ্গণে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানায় মঠ কর্তৃপক্ষ।

কল্পতরু উত্‍সবের আগেই ঘোষণা হয়েছিল,  ১ জানুয়ারি থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত বেলুড় মঠ বন্ধ থাকবে। ওই সময় মঠে ভক্তরা প্রবেশ করতে পারবেন না। মঠ কর্তৃপক্ষ জানায়, অনিবার্য কারণবশত এই পদক্ষেপ। তবে মনে করা হচ্ছে, কোভিড সতর্কতার কারণেই অতিরিক্ত ভিড় এড়াতে এই সিদ্ধান্ত।

মঠ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, ৫ জানুয়ারি থেকে ফের যথারীতি খুলে যাবে বেলুড় মঠ।  কিন্তু এরই মধ্যে করোনা পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। ক্রমেই ভয়ঙ্কর হচ্ছে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি। ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার ছাড়িয়ে গেল।

গত সাতদিনেই ৪৩৯ থেকে বেড়ে রাজ্যের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজারের বেশি। শুধু কলকাতাতেই সংক্রামিতের সংখ্যা বেড়েছে ১৬ গুণ। উত্তর ২৪ পরগনায় দৈনিক আক্রান্ত প্রায় হাজার। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ৮ জন করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই এই সিদ্ধান্ত বেলুড় মঠ কর্তৃপক্ষের।  

Bank close: বছরের প্রথম মাসেই অর্ধেকেরও বেশি দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক

Bank close

প্রতিবারের মতো এবারও জানুয়ারি (January) মাসে রয়েছে একাধিক উৎসব। স্বাভাবিকভাবেই উৎসবের দিনগুলিতে বন্ধ থাকবে ব্যাংক (Bank close)। করোনাজনিত কারণে বিশেষ করে নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের (omicron) জন্যে এমনিতেই মানুষ বাড়ির বাইরে যেতে ভয় পাচ্ছেন।

তাই কোনও কাজে ব্যাংকে গিয়ে যদি ফিরে আসতে হয় তবে মানুষের বিরক্তি আরও বাড়বে। বিশেষ করে সমস্যায় পড়বেন প্রবীণ নাগরিকরা। তাই কোনও প্রয়োজনীয় কাজে ব্যাংকে যাওয়ার আগে জেনে রাখা দরকার জানুয়ারি মাসে কোন কোন দিন এবার ব্যাংক বন্ধ থাকছে। তবে রাজ্য ভিত্তিতে ছুটির তালিকায় কিছু হেরফের রয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ২, ৯, ১৬, ২৩ ও ৩০ তারিখ রবিবার। তাই স্বাভাবিকভাবেই এই পাঁচদিন ব্যাংক বন্ধ থাকছে। ৮ ও ২২ জানুয়ারি যথাক্রমে দ্বিতীয় ও চতুর্থ শনিবার ব্যাংক বন্ধ থাকছে। রিজার্ভ ব্যাংকের ছুটির তালিকায় (holiday list) এবার জানুয়ারি মাসে আর যে সমস্ত দিনগুলিতে ছুটি রয়েছে সেগুলি একবার দেখে নেওয়া যাক।

জানুয়ারির ৩ ও ৪ তারিখে নববর্ষ অথবা লাসুং পরবের জন্য আইজল এবং গ্যাংটকে ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ১১ জানুয়ারির মিশনারি দিবস হিসেবে আইজলে ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ১২ জানুয়ারি স্বামী বিবেকানন্দর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কলকাতায় ব্যাংক থাকবে। ১৪ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তির কারণে চেন্নাই, আহমেদাবাদ, ও ইম্ফলে ব্যাংক বন্ধ।

১৫ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তি, পোঙ্গল-সহ (Pongal) বিভিন্ন উৎসবের কারণে গ্যাংটক, গুয়াহাটি, ইম্ফল, হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু, চেন্নাইয়েও ব্যাংকিং পরিষেবা বন্ধ থাকবে। ১৮ জানুয়ারি থাই পুসম উপলক্ষে চেন্নাইয়ে ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ২৬ জানুয়ারি সাধারণতন্ত্র দিবস (Republic Day) উপলক্ষেক্ষে কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারিকা সর্বত্রই ব্যাংকের ছুটি। প্রসঙ্গত, প্রতি বছরের মত এবারও ১ জানুয়ারি ইম্ফল, শিলং, গ্যাংটক, আইজল ও চেন্নাইয়ে চলতি নববর্ষ উজলক্ষ্যে ব্যাংক বন্ধ ছিল।

তবে এই সব ছুটির দিনেও যথারীতি অনলাইন ব্যাংকিং, নেট ব্যাংকিং ও এটিএম পরিষেবা চালু থাকবে। তাই গ্রাহকরা ব্যাংকে না গিয়েও লেনদেন সংক্রারান্ত কিছু জরুরি কাজ বাড়িতে বসেও সারতে পারবেন।

Mohun Bagan Academy: দুর্গাপুরে মোহনবাগান আকাদেমি বন্ধ হয়ে গেল

Joe Paul Ancheri

Sports desk: দুর্গাপুরে মোহনবাগান আকাদেমি (Mohun Bagan Academy) বন্ধ হয়ে গেল। আর এই খবরে সবুজ মেরুন সমর্থকরা যতটা “হতাশ”, এর থেকে আরও বেশি “স্তম্ভিত” আকাদেমির দায়িত্বতে থাকা প্রাক্তন জাতীয় তথা মোহনবাগানের হয়ে খেলা ফুটবলার জো পল আনচেরি।

Kolkata24X7.in -কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে দুর্গাপুরে মোহনবাগান আকাদেমি বন্ধের খবর শুনে “স্তম্ভিত” হয়ে পড়েন প্রাক্তন ফুটবলার জো পল আনচেরি। নিজের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়াতে আনচেরি বলেছেন,”অনূর্ধ্ব -১৭ এবং ১৮ দায়িত্ব দিয়েছিলেন স্বপন সাধন বসু(টুটু বসু),সৃঞ্জয় বসু(টুম্পাই দা) এবং অঞ্জন মিত্র একযোগে সিদ্ধান্ত নিয়ে।আমি চার বছর কাজ করেছি দুর্গাপুরে মোহনবাগান আকাদেমিতে”। সঙ্গে তিনি এও বলেন,”আকাদেমি বন্ধের কারণ আমার জানা নেই, কোভিড-১৯ এবং নতুন করে ‘ওমিক্রন’ ভাইরাসের বাড়বাড়ন্তের জেরে কেরালাতে পরিবারের সঙ্গে দিন কাটছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনও ফুটবলের সঙ্গে যোগাযোগ নেই।তবে অতিমারির পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই আবার ফুটবলের চেনা জগৎ’এ -সবুজ গালিচায় পা রাখবো”।

দুর্গাপুরে মোহনবাগান আকাদেমি গড়ার মূল লক্ষ্য ছিল, দলের সাপ্লাই লাইনের শক্তি বাড়িয়ে তোলা। আকাদেমির এই মূল টার্গেট সফল হয়ে উঠেছিল। মোহনবাগানের দুর্গাপুরে ফুটবল আকাদেমির সাফল্য নিয়ে বলতে গিয়ে জো পল আনচেরি বলেন,”শুভ ঘোষ, প্রণয় হালদার সহ অনেক ফুটবলার উঠে এসেছে এবং এখনও তারা ভারতের বিভিন্ন ফুটবল ক্লাবে খেলে চলেছে”।

২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত প্রথম পর্যায়ে মোহনবাগানের দুর্গাপুর আকাদেমির সঙ্গে জড়িত ছিলেন আনচেরি। এরপর সাময়িক বিরতি আকাদেমি থেকে, ফের জো পল আনচেরির মোহনবাগানের দুর্গাপুর আকাদেমির দায়িত্ব নেওয়া, ২০১৫ সাল পর্যন্ত।

স্টিল অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (SAIL) এবং মোহনবাগানের ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে দুর্গাপুরে এই আকাদেমি গড়ে ওঠে।২০০২ সালের ২০ জুলাই আবাসিক শিবির হিসেবে দুর্গাপুরে মোহনবাগান আকাদেমির পথ চলা শুরু। ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে,আরও বেশি করে দেশের প্রতিভাবান ফুটবলারদের তুলে আনার লক্ষ্য নিয়েই এই আকাদেমির পথ চলা শুরু।

দুর্গাপুরে মোহনবাগান ফুটবল আকাদেমির সাফল্য তরুণ প্রতিভাবান ফুটবলার তুলে আনা, এরাই আকাদেমির “ফসল”। এই নিয়ে আকাদেমির দায়িত্বতে থাকা প্রাক্তন ফুটবলার জো পল আনচেরির প্রতিক্রিয়া, “গত কয়েক বছরে মোহনবাগান সেল ফুটবল একাডেমি মনীশ ভার্গব (মোহনবাগান এসি), রাম মালিক (মোহনবাগান এসি), দীপেন্দু দোওয়ারি (ভবানীপুর স্পোর্টিং ক্লাব), সৌভিক চক্রবর্তী (মোহনবাগান এসি, ইউনাইটেড স্পোর্টস ক্লাব, দিল্লি ডায়নামোস,) এর মতো খেলোয়াড় তৈরি করেছে। জামশেদপুর এফসি), শঙ্কর ওরাওঁ (মোহনবাগান এসি), সাফার সরদার (ইস্ট বেঙ্গল), ভাশুম (ইস্ট বেঙ্গল, টিআরএইউ এফসি), প্রণয় হালদার (ডেম্পো এসসি, মোহনবাগান এসি, ইন্ডিয়া জাতীয় দল), তীর্থঙ্কর সরকার (মোহনবাগান এসি) , সঞ্জয় বোরো (আসাম ইলেকট্রিসিটি বোর্ড), অর্ঘা চক্রবর্তী (মোহনবাগান এসি), সৌরভ চক্রবর্তী (ভবানীপুর এসসি), টি. লালনুন পুইয়া (রাংদাজিয়াদ এফসি), অমিত সাহা (রাংদাজিয়াদ এফসি), আদর্শ লামা তামাং (মোহনবাগান এসি), সুদীপ্তা ব্যানার্জী (ভবানীপুর স্পোর্টিং ক্লাব) এবং আরও অনেকে যারা এখন ভারতীয় ফুটবলে আধিপত্য বিস্তার করছেন”।

মোহনবাগান সেল ফুটবল একাডেমি তার ক্যাডেটদের জন্য গর্বিত এই কারণে যে আকাদেমি থেকে উঠে আসা তরুণ ফুটবলারেরা ভারতীয় ফুটবলের এখন “ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার”।

Omicron: ওমিক্রন রুখতে তিনদিন বন্ধ থাকবে পুরীর জগন্নাথ মন্দির

Jagannath Temple

নিউজ ডেস্ক:  করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন (omicron) আক্রান্তের সংখ্যা দেশে ক্রমশই বাড়ছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে চলতি বছরের শেষে ফের পুরীর জগন্নাথ মন্দির (jaganath temple) তিন দিন বন্ধ রাখা হবে বলে সিদ্ধান্ত নিল মন্দির কর্তৃপক্ষ।

মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩১ ডিসেম্বর (december) থেকে আগামী বছরের ২ জানুয়ারি (january) পর্যন্ত অর্থাৎ তিন দিন জগন্নাথ মন্দির বন্ধ থাকবে। বছরের শেষে সাধারণত পুরীর (puri) মন্দিরে ভিড় থাকে অত্যন্ত বেশি। সেই ভিড় ঠেকাতেই মন্দির বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত।

দেশে ইতিমধ্যেই ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশই বাড়ছে। মহারাষ্ট্রে তিন বছরের শিশুর শরীরেও নতুন ভেরিয়েন্টের হদিশ মিলেছে। এই অবস্থায় যাতে নতুন করে যাতে ওমিক্রনের সংক্রমণ না ছড়ায় তার জন্যই সক্রিয় হল পুরীর জগন্নাথ মন্দির কমিটি। শুক্রবার সন্ধ্যায় মন্দির কমিটির সদস্যরা বৈঠকে বসেন। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয় বছরের শেষ দিন এবং নতুন বছরের প্রথম দু’দিন মন্দির বন্ধ রাখা হবে।

মন্দির কমিটির প্রধান কৃষ্ণ কুমার জানিয়েছেন, চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের ১ ও ২ জানুয়ারি এই তিনদিন মন্দির বন্ধ রাখা হবে। করোনার নতুন ভেরিয়েন্টের কথা মাথায় রেখেই এই সতর্কতামূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকেই পুরীর জগন্নাথ মন্দির বন্ধ ছিল। দীর্ঘ নয় মাস বন্ধ থাকার পর ওই বছরের ডিসেম্বরে মন্দির খুলেছিল। তবে ভক্তদের সব ধরনের করোনাবিধি মেনে মন্দিরে আসতে হত। চলতি বছরে পুরীতে রথযাত্রা হলেও সেখানে জমায়েত ছিল নিষিদ্ধ। শুধুমাত্র চিরাচরিত আচার-আচরণ পালন করা হয়েছিল।

প্রতি বছরের শেষেই পুরীতে দর্শনার্থী থেকে শুরু করে সাধারণ ভক্ত মানুষের ঢল নামে। সে ক্ষেত্রে পুরীর মন্দিরের ভিড়ও হয় অনেক বেশি। সেকারণেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বছরের শেষ এবং নতুন বছরের শুরুর দু’দিন মন্দির বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত।

বন্ধ হয়ে যাওয়া রাষ্ট্রয়ত্ত সংস্থার কর্মীদের জন্য কেন্দ্রের কোন চিন্তাভাবনাই নেই

Dr Bhagwat Kishanrao Karad

News Desk, New Delhi:  যে সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা (public sector unit) সম্প্রতি বন্ধ হয়ে গিয়েছে সেই সমস্ত সংস্থার কর্মীরা চরম আর্থিক সমস্যায় পড়েছেন। এই সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার কর্মীদের বিষয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর (Finance Minister) কাছে একাধিক প্রশ্ন রাখেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee )।

তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamul congress) সাংসদ জানতে চান, বন্ধ হয়ে যাওয়া রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির কর্মীদের আর্থিক পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে তাঁরা তাঁদের ছেলে মেয়েদের স্কুলের বেতন দিতে পারছেন না। এজন্য তাঁরা মানুষের কাছ থেকে সাহায্য চাইছেন, এই অভিযোগ কি ঠিক? যদি এই অভিযোগ ঠিক হয়, তবে তা দূর করার জন্য কেন্দ্র কি ব্যবস্থা নিয়েছে।

একইসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ জানতে চান, ২০২১-২২ অর্থবর্ষে কেন্দ্র আর কোন কোন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিলগ্নীকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে? যে সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বিলগ্নীকরণ হতে চলেছে সেই সমস্ত সংস্থার স্থায়ী এবং চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য কেন্দ্রের পরিকল্পনা কি? আগামী পাঁচ বছরের জন্য কেন্দ্রের বিলগ্নীকরণ পরিকল্পনার কথাও জানতে চান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের ওই প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী ভাগবত কৃষ্ণরাও কারাড বলেন, যে সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিলগ্নীকরণ হয়েছে সেই সমস্ত সংস্থার কর্মীদের ভিআরএস ও ভিএসএস নীতি মেনে সব ধরনের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া ওই সব সংস্থার কর্মীদের জন্য যাতে বিকল্প কোনও কাজের ব্যবস্থা করা যায় সরকার সে ব্যাপারেও আলোচনা করছে।

অর্থপ্রতিমন্ত্রী কারাড আরও বলেন, ২০১৬ সাল থেকে মোট ৩৫ টি রাষ্ট্রয়ত্ত সংস্থাকে বিলগ্নীকরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ৩৫টি সংস্থার মধ্যে রয়েছে ব্রিজ অ্যান্ড রুফ, বিইএমএল লিমিটেড, দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্ট, পবন হংস লিমিটেড, এয়ার ইন্ডিয়া এবং তার অধিনস্ত আরও পাঁচটি সংস্থা। এছাড়াও বিলগ্নিকরণের তালিকায় আছে ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড, শিপিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড, নীলাচল ইস্পাত নিগম, রাষ্ট্রীয় ইস্পাত নিগম বেঙ্গল কেমিক্যালস অ্যান্ড ফার্মাকিউটিক্যালস লিমিটেড, হিন্দুস্থান নিউজপ্রিন্ট লিমিটেড, হিন্দুস্থান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড, রুরাল এলেক্ট্রিফিকেশন কর্পোরেশন লিমিটেড প্রভৃতি।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্নের উত্তরে এদিন বন্ধ হয়ে যাওয়া রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার কর্মীদের তাৎক্ষণিক সাহায্যের জন্য কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের পক্ষ থেকে কোনও আশ্বাস দেওয়া হয়নি। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বন্ধ হয়ে যাওয়া রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির কর্মীদের পুনর্নিয়োগের জন্য চিন্তাভাবনা করছে সরকার। কিন্তু কবে পুনর্নিয়োগের প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন হবে সে বিষয়ে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে কোনও কিছুই বলা হয়নি।