Bangladesh: পূজামণ্ডপে হামলার পর সংখ্যালঘু হিন্দুপল্লীতে আগুন, রংপুরে জ্বলছে গ্রাম

Communal-tension

নিউজ ডেস্ক:  কোরান অমাননার মতো ভুয়ো অভিযোগ ও গুজবকে কেন্দ্র করে দুর্গামণ্ডপে হামলার রেশ ধরে বাংলাদেশে ফের আক্রান্ত সংখ্যালঘু হিন্দুরা। এবার রংপুরে একটি গ্রাম জ্বালিয়ে দিল হামলাকারীরা। অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতিতেই হামলা হয়েছে। প্রশাসন প্রায় নির্বিকার।

রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার মাঝি পাড়ায় পরপর বাড়িতে আগুন ধরানো হয়েছে। দুটি গ্রামে ৫০ থেকে ৬০ টি হিন্দু বাড়ি ও মন্দিরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করা হয়েছে।

Communal-tension

রংপুরের জেলা শাসক আসিফ আহসান জানান ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে করিমগঞ্জ গ্রামে উত্তেজনা তৈরি হওয়ার খবর পেয়ে আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে ছুটে যাই এবং পরিস্থিতি শান্ত করি। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে দুর্বৃত্তরা পীরগঞ্জের কয়েকটি গ্রামের কিছু হিন্দু বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লায় কোরান ‘অবমাননা’ করা হয়েছে বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলা চলছে। কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, চট্টগ্রামে পরপর দুর্গা প্রতিমা, মন্দির ও স্থানীয় সংখ্যালঘুদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষে মোট মৃত ৬ জন। মৃতদের বেশিরভাগই চাঁদপুরের হামলাকারী বলে বাংলাদেশ পুলিশ জানিয়েছে।

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের জানান,সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের খুঁজে বের করা হচ্ছে।

Assam: ‘উস্কানিমূলক’ মন্তব্যের কারণে কংগ্রেস MLA শেরমন আলির পুলিশি হেফাজত

ssam congress mla Sherman Ali Ahmed

নিউজ ডেস্ক: ‘উস্কানিমূলক মন্তব্যের’ কারণে অসমের বিতর্কিত বিধায়ক শেরমন আলির (Sherman Ali Ahmed) পুলিশি হেফাজত হয়েছে। আদালতের নির্দেশে দু দিনের পুলিশি হেফাজত হয়। শেরমন আলির বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি অসমের (Assam) প্রায় চার দশক পুরনো একটি ঘটনায় বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর প্রসঙ্গ তুলে লাগাতার গোষ্ঠী ভিত্তিক ‘উস্কানিমূলক মন্তব্য’ করছিলেন।

সম্প্রতি রাজ্যের দরং জেলায় গরুখুঁটি গ্রামে সংখ্যালঘুদের উচ্ছেদ ঘিরে বিক্ষোভ হয়। সেই বিক্ষোভে পুলিশ গুলি চালায়। এক ব্যক্তির মৃতদেহের উপর এক চিত্রগ্রাহকের নৃশংস লাফ মারা, মৃতদেহ পা দিয়ে আঘাত করা ঘিরে দেশ জুড়ে বিতর্ক চলছে। সেই চিত্রগ্রাহকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধেও উস্কানিমূলক ব্যবহার করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

অসমের বাঘবর বিধানসভার কংগ্রেস (Congress) বিধায়ক শেরমন আলির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি গরুখুঁটির এই ঘটনার পর দরং জেলার প্রায় চার দশক পুরনো একটি ঘটনায় ৮ জনের মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে ‘সাম্প্রদায়িক মন্তব্য’ করছিলেন। এই বিধায়কের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অন্তত ২৮টি অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

অসমের বিরোধী দল কংগ্রেস। দলের তরফে বিধায়ক শেরমন আলির কাছে জবাবদিহির চিঠি পাঠানো হয়। তারপরেই গুয়াহাটির বিধায়ক আবাস থেকে গ্রেফতার হন শেরমন আলি। অসম প্রদেশ কংগ্রেসের অভিযোগ, এই বিধায়ক বিজেপির এজেন্টের মতো ভূমিকা নিয়ে ‘সাম্প্রদায়িক উস্কানি’ দিচ্ছিলেন।