Haiti: গুলি চলল, পালিয়ে বাঁচলেন প্রধানমন্ত্রী

haiti-prime-minister

ষড়যন্ত্র বানচাল। ষড়যন্ত্রীরা গুলি চালিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে খুনের চেষ্টা করে পার পেল না। হাইতির প্রধানমন্ত্রীর দেহরক্ষীরা গুলি চালিয়ে একজনকে খতম করলেন।

হামলার চেষ্টার চাঞ্চল্যকর ছবি প্রকাশ করেছে হাইতি সরকার। দেখা যাচ্ছে গুলি করে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে হাইতির প্রধানমন্ত্রী অ্যারিয়েল হেনরিকে। স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে হামলা চালানো হয়।  এক গির্জায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

গুলি শুরুর পর হাইতির প্রধানমন্ত্রী অ্যারিয়েল হেনরি ও তার নিরাপত্তা কর্মীরা গাড়ির দিকে ছুটে আত্মরক্ষা করেন। হাইতি নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে একজন নিহত ও দুজন আহত হয়। 

গত বছর থেকে পরপর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে তীব্র অস্থিরতা ক্যারিবিয়ান দ্বীপরাষ্ট্র হাইতিতে। গত বছর ৭ জুলাই রাতে হাইতির রাজধানী পোর্ট অউ প্রিন্সে প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মইসিকে খুন হন। সেই হত্যাকাণ্ডের পরে হাইতিতে শুরু হয়েছে ক্ষমতা দখলের চক্রান্ত।

এবার প্রধানমন্ত্রী অ্যারিয়েল হেনরিকে খুনের চেষ্টা তারই ইঙ্গিত। তিনি ক্ষমতায় আসার পর দেশটির অপহরণকারী চক্রগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর ঘোষণা করেছেন।

Helicopter Crashed: জেনারেল বিপিন রাওয়াতের মৃত্যুতে কি চিনের চক্রান্ত ? প্রশ্ন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের

China's conspiracy in the death of General Bipin Rawat-kolkata24x7.in

News Desk: চব্বিশ ঘন্টা হয়ে গেল হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা (Helicopter Crashed) প্রয়াত হয়েছেন দেশের প্রথম সেনা সর্বাধিনায়ক বিপিন রাওয়াত (Bipin Rawat)। স্ত্রীক ও বাকি জওয়ানদের নিয়ে ১৩ জন মৃত। এই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ কী তা এখনও জানা যায়নি। মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত চলছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ দুর্ঘটনার পিছনে বিদেশি শক্তির হাত থাকার কথা উড়িয়ে দিচ্ছেন না।

বিশেষজ্ঞরা অনেকেই মনে করছেন রাওয়াত নিজের গোটা কর্মজীবনে ছিলেন চিনের (china) পথের কাঁটা। কারণ পাহাড়ে যুদ্ধের ক্ষেত্রে রাওয়াতের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার ধারেকাছে ভারতে কম অফিসার আছেন। অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে সম্বল করেই রাওয়াত বার বার চিনা আগ্রাসন রুখে দিয়েছেন। ডোকলামে চিনের আগ্রাসন রুখতে রাওয়াত মুখ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। সে সময় তিনি ছিলেন দেশের সেনাপ্রধান।

নরেন্দ্র মোদী জমানায় ভারতীয় সেনা নাগা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালিয়েছিল মায়ানমারে। এর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রাওয়াত। পরে সেনা সর্বাধিনায়ক হিসেবেও উত্তরাখণ্ড, অরুণাচল, লাদাখ সীমান্তে চিনা সেনার মোকাবিলা করেছেন। গালওয়ান উপত্যকায় চিনকে রুখে দিতে পরিকল্পনায় ছিলেন রাওয়াত। চিনের সেনার বিরুদ্ধে চিনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন রাওয়াত। বেজিংয়ের চক্ষুশূল। তাই রাওয়াতের কপ্টার দুর্ঘটনার পিছনে বিদেশি শক্তির হাত নেই সেই সম্ভাবনা কেউ একেবারে উড়িয়ে দিতে পারছেন না।

রাওয়াতের মৃত্যুর পর নিরাপত্তা কৌশল বিশারদ ব্রহ্মানি চেল্লানি যে মন্তব্য করেছেন তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। চেল্লানি বলেছেন, রাওয়াতের দুর্ঘটনার সঙ্গে তাইওয়ানের চিফ অব জেনারেল স্টাফ শেন ইয়ামিংয়ের কপ্টার দুর্ঘটনার অদ্ভুত মিল রয়েছে। তবে, এর পরেই সতর্ক থাকতে তিনি বলেছেন, এই দুটি ঘটনার মিল থাকার অর্থ এই নয় যে, দুটি ঘটনার মধ্যে কোনও একই শক্তির হাত আছে।

উল্লেখ্য, তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে চিন।এই দাবি বরাবরই খারিজ করেছে তাইওয়ান। ২০২০ সালে তাইপের কাছে এক পাহাড়ি এলাকায় কপ্টার দুর্ঘটনাতেই প্রাণ হারিয়েছিলেন তাইওয়ানের চিফ অব জেনারেল স্টাফ সেন ইয়ামিং। আমেরিকার তৈরি কপ্টারে সওয়ার হয়েছিলেন শেন ও আরো ৭ তাইওয়ান সেনাকর্তা।

রাওয়াতের মৃত্যু নিয়ে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলেও বাক-বিতণ্ডা শুরু হয়েছে। চিন সরকার রাওয়াতের কপ্টার দুর্ঘটনার পিছনে আমেরিকার দিকেই ইঙ্গিত করেছে। চিনা সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসে লেখা হয়েছে, ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ মিসাইল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত আমেরিকা একেবারেই পছন্দ করছে না। রাশিয়ার থেকে এই মিসাইল কেনার বিষয়ে উদ্যোগী ছিলেন তাই রাওয়াত। তাই এর মৃত্যুর পিছনে আমেরিকার যোগ থাকা অসম্ভব কিছু নয়।

বিজেপির বাংলা ভাগ ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাংলাপক্ষের সমাবেশ

Bengla Pakkha in protest of BJP's Bengali partition conspiracy

নিউজ ডেস্ক: বাংলা ভাগের চক্রান্তের বিরুদ্ধে এবার পথে নামল বাংলাপক্ষ৷ রবিবার বাংলাপক্ষের হুগলি জেলা কমিটির উদ্যোগে ডানকুনিতে একটি প্রতিবাদ সভা করা হয়৷ এদিন ডানকুনির ১৩ নম্বর ওয়ার্ড মিলন সংঘ ক্লাবের সামনে এই সমাবেশে বাংলা ভাগের বিরুদ্ধে বাঙালিকে একজোট হওয়ার আহ্বান করা হয়৷ পাশাপাশি ভূমিপুত্র সংরক্ষণ তথা যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের সমস্ত পরীক্ষা বাংলা ভাষায় দেওয়ার সুযোগের দাবিও তোলা হয় এই পথসভায়৷ এই সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডক্টর গর্গ চট্টোপাধ্যায় এবং সংগঠনের অন্যতম নেতা কৌশিক মাইতি।

বাংলা ভাগের চক্রান্ত হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী বিজেপি দীর্ঘদিন করছে৷ এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করে বাংলাকে উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গ দুই রাজ্যে ভাগ করে গোটা বাঙালি জাতিকে দুর্বল করার প্রক্রিয়া এখনও ভীষণ রকম ভাবে সক্রিয় বলে মনে করে বাংলাপক্ষ৷ এই পরিস্থিতিতেবাঙালি জাতির একতা এবং এই বাংলায় নিজেদের চাকরি বাজার, পুঁজি ব্যবসায় আধিপত্য যদি সুনিশ্চিত করতে হয়, তাহলে বাংলা ভাগ যেকোনও মূল্যে প্রতিহত করতে হবে বলে এদিনের সভায় উঠে আসে৷

এছাড়াও বাংলার প্রত্যেকটি সরকারি চাকরিতে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ সুনিশ্চিত করতে বাংলা পক্ষ ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন প্রণয়নের দাবিতে জোর সওয়াল করা হয়৷ বাঙালি তথা যেকোনও অহিন্দি জাতির প্রতিনিধিত্ব দিনের পর দিন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারি চাকরি গুলো থেকে কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং হিন্দিতে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দিয়ে যেভাবে হিন্দি বলয়ের রাজ্যগুলো থেকে সেখানকার বাসিন্দাদের একতরফা চাকরির সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে, তাতে ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোতে আঘাত নেমে আসছে সেই তথ্য তুলে ধরে বাংলা পক্ষ ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র সরকারের যেকোনও পরীক্ষায় বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক করার দাবিতে বাঙালির দীর্ঘমেয়াদি জনমত তৈরি করার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করা হয়৷

garga chatterjee

এদিনের পথসভায় বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বাংলা ও বাঙালির শত্রু বিজেপি যেভাবে দিনের-পর-দিন বাংলা ভাগের ষড়যন্ত্র করছে এবং দলীয় সাংসদ বিধায়কদের কাজে লাগিয়ে দিনের-পর-দিন বাংলা ভাগের উস্কানি দিচ্ছে, এটা বাঙালি কোন ভাবে মেনে নেবে না৷ একইসঙ্গে ডানকুনি থেকে শ্রীরামপুর, শিলিগুড়ি পশ্চিম বর্ধমান সহ বিভিন্ন জায়গায় একের পর এক শিল্প নগরী গড়ে উঠেছে৷ সেখানে লক্ষ লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে৷ এই কর্মসংস্থানে ৮৬% চাকরি বাঙালির হতে হবে৷ একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরিতে বাঙ্গালিদের বেদখল করার জন্য বাংলা ভাষায় পরীক্ষা নেওয়া হয় না৷ অথচ হিন্দিতে পরীক্ষা নেওয়া হয়৷ আমরা কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরিতে বাংলা ভাষায় পরীক্ষা দেওয়ার অধিকার চাই।

Koushik Maity

বাংলা পক্ষ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কৌশিক মাইতি জানিয়েছেন, ভারতের প্রায় প্রতিটি রাজ্যে নূন্যতম ৭৫ শতাংশ ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন পাস হয়েছে বা তার খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। বাংলা ভারতের অবিচ্ছেদ্য একটি অংশ৷ তাই সব জায়গায় যে বাস্তবতা, সেই বাস্তবতা বাংলাতেও চাই। বাংলা ভাগ করে বাঙালিকে আর্থিকভাবে দুর্বল করার যে ষড়যন্ত্র দীর্ঘদিন ধরে হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী বিজেপি করে চলেছে, তার বিরুদ্ধে বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য জেলায় জেলায় বাংলা পক্ষ লড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের সমস্ত পরীক্ষায় সেভাবেই হিন্দি বাধ্যতামূলক, সেভাবে বাংলা ভাষাতেও পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে। বাংলা পক্ষ সমস্ত বিষয়গুলো বাঙালির সামনে তুলে ধরেছে।

বাংলা পক্ষ কেন্দ্রীয় কমিটির আরেক সদস্য তথা বাংলা পক্ষ হুগলি জেলার অন্যতম মনন মন্ডল জানিয়েছেন, বাংলা ভাগের চক্রান্ত হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের দীর্ঘদিনের। বাঙালিকে যেনতেন প্রকারে দুর্বল করে সেই জায়গায় বাইরে থেকে নিজেদের লোক এনে বসিয়ে বাংলার সবকিছু দখল করার চেষ্টায় বহিরাগত শক্তিরা অবিরত কাজ করে যাচ্ছে। বাংলার মাটিতে যদি বাঙালি জাতির প্রতিনিধিত্ব সুনিশ্চিত করতে হয়, তাহলে আমাদের সবকিছুকে যদি আমাদের নিজেদের করে সামলে যত্নে রাখতে হয় তাহলে চাকরি বাজার পুঁজি ব্যবসা টেণ্ডার লাইসেন্স সমস্ত কিছুকে নিজেদের হাতে রাখতে হবে এবং তার জন্য প্রত্যেকদিন একে অপরকে সাহায্য করে যেতে হবে। না হলে প্রতিদিন দখলদারি বাড়বে৷ বাঙালি তার মাটিতে সংখ্যাধিক হলেও, আমাদেরকে প্রতিদিন পরাস্ত করার চেষ্টা. আমাদেরকে প্রতিদিন দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক করে তোলার প্রক্রিয়া বহিরাগত হিন্দি সাম্রাজ্যবাদীরা চালিয়ে যাবে।