New Year: অন্তর্বাসে বরণ হয় বছর, আরও চমক আছে

Underwear is welcome year

News Desk: কথায় আছে, যস্মিন দেশে যদাচার। নববর্ষকে (New Year) বিশ্বের বেশিরভাগ দেশেই বিবেচনা করা হয় সুখ ও সমৃদ্ধির বছর হিসেবে। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে বিশ্বের অনেক দেশেই অভিনব কিছু বিশ্বাস রয়েছে। জেনে নিন, এমনই কিছু দেশ, যেখানে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয় অনন্য পদ্ধতিতে…

ডেনমার্ক : ডেনমার্কে অনন্য পদ্ধতিতে উদযাপন করা হয় নববর্ষ। এখানকার মানুষ সারা বছর অব্যবহৃত প্লেট সংগ্রহ করে। এরপর নতুন বছর উপলক্ষে সেগুলো ভেঙে দেন অতিথি ও পরিবারের সদস্যদের সামনে। কথিত আছে, এই কাজের মধ্যে দিয়ে নববর্ষ উপলক্ষে ঘরে সমৃদ্ধি আসে।

ইতালি : ইতালির রীতিও বেশ অন্যরকম। সেখানে নববর্ষ উপলক্ষ্যে লোকেরা তাদের জানালা থেকে পুরনো ঘরের জিনিসপত্র এবং আসবাবপত্র ফেলে দেয়। সেখানকার মানুষের বিশ্বাস, এতে ভাল হয় নতুন বছরের শুরুটা । সেখানকার মানুষ কম্বল থেকে শুরু করে বালিশ পর্যন্ত ফেলে দেয়।

আর্জেন্টিনা : আর্জেন্টিনায় নতুন বছর উদযাপনের রীতিও কিছুটা ইতালির মতোই। ইতালিতে লোকেরা বাড়ির জিনিসপত্র জানালা দিয়ে ফেলে দেয় আর আর্জেন্টিনায় লোকেরা তাদের বাড়িতে রাখা পুরনো নথি এবং কাগজপত্র ফেলে দেয়।

ব্রাজিল : একেবারেই ভিন্নরকম এই দেশে উদযাপনের স্টাইল। এটা বিশ্বাস করা হয় যে নতুন বছর কেমন হবে তা নির্ধারণ করা হয় একজন ব্যক্তির রঙিন আন্ডারওয়্যার দিয়ে। এসব দেশে নববর্ষ উদযাপনের আগেও রং বেছে নেওয়া হয়।

জাপান : সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে শুরু হয় জাপানে নতুন বছরের উদযাপন । জাপানে, রাস্তায় ১০৮ বার ঘণ্টা বাজানো হয় নববর্ষের রাতে। এটি বৌদ্ধ ধর্মের সঙ্গে জড়িত একটি ঐতিহ্য। এটা বিশ্বাস করা হয় যে ঘণ্টা বাজানোর ফলে মানুষের পাপ দূর হয় এবং ঘরে সুখ ও সমৃদ্ধি আসে। নতুন বছরের নিরিখে এই প্রথাকে খুবই শুভ বলে মনে করা হয়।

বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে ১১৬ টি দেশের মধ্যে ভারত ১০১ নম্বরে স্বীকার করল কেন্দ্র

World Hunger Index

Kolkata24x7 Desk: সাম্প্রতিক বিশ্ব ক্ষুধা সূচকের (world hunger index) তালিকায় দেখা গিয়েছে ১১৬ টি দেশের মধ্যে ভারতের (india) স্থান ১০১ নম্বরে। মূলত অপুষ্টি, শিশুমৃত্যু, শিশুদের স্বাস্থ্য ও দারিদ্র্যের (poverty) মত কয়েকটি মানদণ্ডের নিরিখে এই তালিকা প্রস্তুত করা হয়।

বিশ্ব ক্ষুধা সূচক তালিকার বিষয়ে এদিন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাংসদরা (opposition mp) একযোগে কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রকের কাছে একাধিক প্রশ্ন রাখেন। তাঁরা জানতে চান, দেশের শিশু ও মহিলাদের অপুষ্টিজনিত সমস্যা দূর করতে সরকার কি কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে? বিশ্ব ক্ষুধা সূচকের তালিকায় দেখা যাচ্ছে, ২০২০ সালে দেশের শিশুদের স্বাস্থ্য যেমন ছিল ২০২১ সালে তেমনই রয়েছে।

এটা কি ঠিক? অপুষ্টিজনিত সমস্যায় ভোগা শিশু ও মহিলাদের শারীরিক অবস্থার উন্নয়নে সরকার কি কোনও পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে? অপুষ্টিজনিত কারণে মৃত্যু ঠেকাতে সরকারের কি কোনও পরিকল্পনা আছে? দেশের একজন মানুষও যাতে খাবারের অভাবে না ভোগেন এবং বিশ্ব ক্ষুধা সূচকের তালিকায় নিজের অবস্থান আরও সামনের দিকে আনতে সরকারের কি কোনও পরিকল্পনা আছে?

বিরোধী সাংসদদের তোলা এই প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী জুবিন ইরানি বলেন, বিরোধীরা ঠিক কথাই বলছেন। অর্থাৎ সম্প্রতি প্রকাশ হওয়া বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে ভারত ১১৬ টি দেশের মধ্যে ১০১ নম্বর স্থান পেয়েছে। ভারতের প্রাপ্ত নম্বর ২৭.৫। অপুষ্টি, শিশুদের বৃদ্ধির হার, শিশু মৃত্যু এবং বয়স অনুযায়ী শিশুদের ওজনের মত একাধিক বিষয়ের উপর নির্ভর করে এই তালিকা তৈরি করা হয়। তবে এই তালিকায় ভারতের অবস্থান দেখে দেশের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে ধারণা করা যাবে না।

কারণ এই তালিকায় দেশের প্রকৃত চিত্র কখনওই ধরা পড়ে না। কারণ যে ৪টি মানদণ্ডের উপর নির্ভর করে এই তালিকা তৈরি করা হয় তার মধ্যে একমাত্র অপুষ্টি সরাসরি ক্ষুধার সঙ্গে জড়িত। অন্যদিকে শিশুদের বৃদ্ধির হার এবং শিশু মৃত্যুর বিষয়টি একাধিক বিষয়ের উপর নির্ভর করে। যার মধ্যে রয়েছে উপযুক্ত শৌচালয়, জিনগত চরিত্র, পরিবেশ এবং পুষ্টিকর খাদ্যের উপযুক্ত ব্যবহার প্রভৃতি। তবে মন্ত্রী এটা স্বীকার করে নেন যে, শিশু মৃত্যুর হার বিষয়টি কিছুটা হলেও ক্ষুধার সঙ্গেও জড়িত।

মন্ত্রী আরও জানান, মানুষের পুষ্টি-বৃদ্ধি, বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে সরকার নিয়মিত ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভে চালিয়ে থাকে। সাম্প্রতিক করা সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে শিশুদের উপযুক্ত বৃদ্ধি না হওয়ার হার ৩৮.৪ শতাংশ থেকে কমে ৩৫.৫ শতাংশ হয়েছে। শারীরিক দুর্বলতার কারণে বহু শিশুর বয়স অনুপাতে ওজন ঠিক থাকে না। কিন্তু সাম্প্রতিক সমীক্ষায় দেখা গেছে সেক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে। ২০১৫-১৬ সালে কম ওজনের শিশুর সংখ্যা ছিল ৩৫.১ শতাংশ। ২০২০-২১ সালে যা কমে হয়েছে ৩২.১ শতাংশ।

শিশুদের অপুষ্টি ও অন্যান্য সমস্যা দূর করতে কেন্দ্রীয় সরকার একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। শিশুদের অপুষ্টি জনিত সমস্যা দূর করতে কেন্দ্র মিশন পোষণ-২ প্রকল্প চালু করেছে। অপুষ্টি এবং দুর্বলতাজনিত বিভিন্ন রোগব্যাধি থেকে শিশু ও মহিলাদের রক্ষা করতে প্রতিটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে আয়ুষ প্রকল্প কার্যকর করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শিশু ও মহিলাদের অপুষ্টি দূর করতে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির মাধ্যমে কাজ চালানো হচ্ছে।

মন্ত্রী এদিন আরও বলেন, পাঁচ বছরের নিচে শিশুদের মৃত্যুর ক্ষেত্রে অপুষ্টি সরাসরি কোনও কারণ নয়। তবে শিশুদের অপুষ্টি দূর করা গেলে কিছুটা হলেও মৃত্যু হার কমতে পারে। কারণ শিশু যদি সুস্থ ও সবল হয় তাহলে তার মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। তুলনায় অপুষ্টিতে ভোগা শিশুরা সহজেই বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। গোটা দেশে ২০১৫-১৬ সালে যেখানে অপুষ্টিজনিত কারণে শিশু মৃত্যুর হার ছিল ৪৯.৭ শতাংশ সেটা ২০২০-২১ সালে কমে হয়েছে ৪১.৯ শতাংশ।

মন্ত্রী জুবিন ইরানি আরও বলেন দেশের একজন মানুষও যাতে ক্ষুধার্থ না থাকেন সেজন্য ন্যাশনাল ফুড সিকিউরিটি আইন বা জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ এলাকার ৭৫ শতাংশ এবং শহরতলী এলাকার ৫০ শতাংশ মানুষকে ভর্তুকি মূল্যে খাদ্য সরবরাহ করা হয়। এই হিসেবে বর্তমানে গোটা দেশের ৮১.৩৫ শতাংশ মানুষ ভর্তুকি মূল্যে খাদ্যশস্য পেয়ে থাকেন। আর্থিক সমস্যার কারণে দুঃস্থ মানুষের যাতে রেশনের পণ্য পেতে কোনও সমস্যা না হয় সেজন্য অন্তঃদয় অন্ন যোজনা চালু করা হয়েছে। অন্তঃদয় অন্য যোজনা প্রকল্পে দেশের হতদরিদ্র প্রতিটি পরিবারকে মাসিক ৩৫ কেজি খাদ্যশস্য দেওয়া হয়। প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই প্রকল্প চালু আছে। সরকারের লক্ষ্য হল, প্রতিটি মানুষের মুখে পর্যাপ্ত পরিমাণে অন্ন তুলে দেওয়া।

Omicron: ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে আসা ৬ যাত্রী করোনা পজিটিভ, ফের আতঙ্ক মহারাষ্ট্রে

panic in Maharashtra

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: ভারত সরকারের ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে চিহ্নিত করা দেশ থেকে আগত ৬ পর্যটক করোনা পজিটিভ (corona positive)। তবে আক্রান্তরা ওমিক্রন ভেরিয়েন্টে (Omicron varient) আক্রান্ত হয়েছেন কিনা সেটা এখনও জানা যায়নি। ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে আসা ৬ যাত্রী করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবরে নতুন করে মহারাষ্ট্রে (maharastra) উদ্বেগ ছড়িয়েছে।

মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, সম্প্রতি কেন্দ্র নির্দেশে দিয়েছে বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের বিমানবন্দরেই করোনা পরীক্ষা (corona test) করতে হবে। সেই পরীক্ষা করার পরেই ৬ যাত্রীর করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। ওই ছয়জনের মধ্যে দু’জনের শরীরে মৃদু উপসর্গ ছিল। বাকিরা অবশ্য উপসর্গহীন। স্বাস্থ্য দফতর আরও জানিয়েছে আক্রান্তদের সোয়াবের নমুনা ইতিমধ্যেই জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে কারা এসেছিলেন তা জানতে খোঁজ শুরু হয়েছে।

স্বাস্থ্য দফতর আরও জানিয়েছে, আক্রান্তদের মধ্যে তিনজন মুম্বইয়ের কল্যান-ডোম্বিভ্যালির বাসিন্দা। চতুর্থজনের বাড়ি পুণে। বাকি দু’জন নাইজেরিয়ার নাগরিক। ওমিক্রন ভেরিয়েন্ট ঠেকাতে বুধবার থেকেই দেশের সমস্ত বিমানবন্দরে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে আগত যাত্রীদের করোনা পরীক্ষা শুরু হয়ে গিয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে আসা কোনও ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হলে তাঁকে সঙ্গে সঙ্গেই কোয়ারেন্টাইনে রাখার কথা বলেছে কেন্দ্র।

কেন্দ্রের পাশাপাশি করোনা রুখতে মহারাষ্ট্র সরকারও নতুন করে বেশ কিছু নির্দেশিকা জারি করেছে। মহারাষ্ট্র সরকার তার নির্দেশে জানিয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে কোনও যাত্রী এলে তাঁকে বাধ্যতামূলক ভাবে সাতদিন কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে। বিমানবন্দরে পরীক্ষার সাত দিন পর ফের ওই যাত্রীর করোনা পরীক্ষা করা হবে। রাজ্য সরকার তার নির্দেশে আরও জানিয়েছে, যারা বিদেশ থেকে আসবেন তাদের বিগত ১৫ দিনের ভ্রমণের বিস্তারিত বিবরণ বা ট্রাভেল হিস্ট্রি জানাতে হবে। অর্থাৎ তাঁরা ওই সময়ের মধ্যে অন্য কোনও দেশে গিয়েছে কিনা, গিয়ে থাকলে কতদিন সেখানে ছিলেন সে বিষয়ে জানাতে হবে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে। যদি কোনও যাত্রী বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষকে ভুল তথ্য দিয়ে থাকেন তবে তাঁর বিরুদ্ধে বিপর্যয় মোকাবিলা আইনে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Omicron: প্রধানমন্ত্রকে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল বন্ধের অনুরোধ কেজরির

Arvind Kejriwal urges PM Modi to ban flights from affected countries

New Delhi: মাত্র ২৪ ঘন্টা আগে কেন্দ্রীয় সরকার আন্তর্জাতিক উড়ান (international flight) পরিষেবার চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) অবিলম্বে আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা বন্ধ রাখার জন্য অনুরোধ জানালেন দিল্লির (Delhi) মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Aravind Kejriwal)। মুখ্যমন্ত্রী এদিন প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্জি জানান, যে সমস্ত দেশে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টের (Omicron) খোঁজ মিলেছে সেই সমস্ত দেশের সঙ্গে বিমান চলাচল শুরু করার কথা ভাববেন না।

উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহেই দক্ষিণ আফ্রিকায় নতুন ভ্যারিয়েন্ট বি ১.১.৫২৯ বা ‘ওমিক্রন’ ভ্যারিয়েন্টের খোঁজ মিলেছে। এই ভ্যারিয়েন্ট অতি মারাত্মক। কারণ টিকাও এই ভ্যারিয়েন্টের কাছে কোনও কাজে আসছে না। সে কারণেই বিশ্বের প্রায় সব দেশেই নতুন করে ওমিক্রন আতঙ্কে ভুগছে। কিভাবে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের মোকাবিলা করা হবে তা নিয়ে আলোচনা করতে জরুরি বৈঠক ডেকেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

অনেকেই মনে করছেন, ওমিক্রনের জেরে বিশ্বের অর্থনীতিতে বড় মাপের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। শনিবার সকালে কেজরিওয়াল এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে টুইট করেন, মোদিজির কাছে আমার অনুরোধ, যে সমস্ত দেশে করোনার নতুন স্ট্রেনের খোঁজ মিলেছে সেই সমস্ত দেশ থেকে কোনও বিমানকে যেন ভারতে আসার অনুমতি দেওয়া না হয়। আপনি ভালই জানেন, বহু কষ্টে এবং অনেক সর্তকতা অবলম্বন করে তবেই আমরা করোনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে পেরেছি। তাই আমাদের আরও সতর্ক হতে হবে। নতুন ভ্যারিয়েন্ট যাতে কোনওভাবেই ভারতে প্রবেশ করতে না পারে সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

কেজরিওয়াল আরও জানিয়েছেন, করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করতে সোমবার তিনি স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও গবেষকদের নিয়ে একটি জরুরি বৈঠক করবেন। ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট থেকে কী ধরনের বিপদ হতে পারে তা নিয়েই তিনি আলোচনা করবেন। একই সঙ্গে এই ভ্যারিয়েন্ট থেকে রক্ষা পেতে কী করা দরকার সে বিষয়েও পরামর্শ চাইবেন বিশেষজ্ঞদের। রাজধানীকে কিভাবে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের এর হাত থেকে বাঁচানো যায় সে ব্যাপারেও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ জানতে চাইছেন কেজরিওয়াল।

বিশ্বে বন্দিত: দেশে বিস্মৃত ভারতের প্রথম কম্পিউটার এই বাঙালি

samarendra-K-maitra

বিশেষ প্রতিবেদন: কম্পিউটার ছাড়া এখন দিন অচল। ‘টেক-স্যাভি’ জেনারেশনের কাছে চার্লস ব্যাবেজ, স্টিভ জোবস্ বা বিল গেটস্‌-এঁরাই ভগবানতুল্য। ভাগ্যিস এই আবিস্কার হয়েছিল, না হলে কে জানে কি হত! কিন্তু কতজন জানেন, ভারতের প্রথম কম্পিউটার নির্মাতা এক বাঙালি। তিনি বৈজ্ঞানিক সমরেন্দ্র কুমার মিত্রকে।

সমরেন্দ্র মিত্র কলকাতার ‘কম্পিউটিং মেশিন ও ইলেক্ট্রনিক্স’ বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম বিভাগীয় প্রধান ছিলেন। ১৯৫৪ সালে ভারতের প্রথম দেশীয় ইলেক্ট্রনিক অ্যানালগ কম্পিউটারটির নক্সা তৈরি ও নির্মাণের কাজ করেছিলেন। তাঁর তৈরি সেই কম্পিউটার ১০টি চলরাশিযুক্ত সরল সমীকরণ ও তৎসংক্রান্ত গণনার কাজ অনায়াসেই করতে পারত এবং এতে ‘গাউস-সেইডেল পুনরাবৃত্তি প্রক্রিয়া’র একটি পরিবর্তিত সংস্করণের প্রয়োগ করা হয়েছিল। বউবাজার হাইস্কুল ও প্রেসিডেন্সি কলেজের এই প্রাক্তনীর নেতৃত্বে ১৯৬৩ সালে আইএসআই ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ প্রচেষ্টায় ভারতের প্রথম দ্বিতীয়-জেনারেশন দেশীয় ডিজিটাল কম্পিউটার তৈরির কাজ শুরু হয়। এই যন্ত্রের নক্সা ও নির্মাণের কাজ করেছিলেন সমরেন্দ্রবাবু নিজে। ট্রানজিস্টর-মাধ্যমে তৈরি এই কম্পিউটারটির নাম রাখা হয়েছিল ‘আইএসআইজেউ-১’ এবং এই কম্পিউটারটি কার্যকরী হয় ১৯৬৪ সালে।

samarendra-K-maitra

সমরেন্দ্র কুমার মিত্র ছিলেন একজন স্বশিক্ষিত স্কলার। তাঁর আগ্রহের পরিধি ব্যাপৃত ছিল গণিত, ফিজিক্স, রসায়ন, প্রাণীবিদ্যা, পোল্ট্রি-বিজ্ঞান, সংস্কৃত, দর্শন, ধর্ম, সাহিত্য ইত্যাদি নানা বিষয়ে। ১৯৩৫ সালে রসায়নের জন্য তাঁকে কানিংহ্যাম পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৩৭-এ রসায়নে ও ১৯৪০-এ ফলিত গণিত বিষয়ে তিনি এম.এসসি ডিগ্রি লাভ করেন। কিছু বছর পর মেঘনাদ সাহার তত্ত্বাবধানে ফিজিক্সে পিএইচডি করতে শুরু করলেও ১৯৫৬-এ মেঘনাদ সাহার প্রয়াণের পর সেই কাজ থেকে তিনি সরে আসেন।

সমরেন্দ্রবাবু ১৯৪৪ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত সিএসআইআর-এর তত্ত্বাবধানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পালিত ফিজিক্স ল্যাবরেটরিতে রিসার্চ ফিজিসিস্ট-রূপে ‘এয়ার-ড্রিভেন আল্ট্রাসেন্ট্রিফিউজ’-এর নক্সা ও গঠন নিয়ে কাজ করেছিলেন। আমেরিকা ও ইংল্যান্ডের উচ্চগতির কম্পিউটিং মেশিন বিষয়ে শিক্ষালাভের জন্য তাঁকে ইউনেস্কো কর্তৃক স্পেশাল ফেলোশিপ প্রদান করা হয় ১৯৪৯-৫০ সালে এবং তিনি সেইসময় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, প্রিন্সটনের ইন্সটিটিউট অফ অ্যাডভান্স স্টাডিজ ও কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাথামেটিক্যাল ল্যাবরেটরিতে কাজ করেছেন। প্রিন্সটনে কর্মরত থাকাকালীন তাঁর সঙ্গে আইনস্টাইন, উলফগ্যাং পাউলি, জন ভন নিউম্যান প্রমুখ ফিজিসিস্ট ও গণিতজ্ঞদের পরিচয় হয়। পাশাপাশি বিজ্ঞানী নীলস্‌ বোর ও রবার্ট ওপেনহাইমারের প্রচুর বক্তৃতায় তিনি আমন্ত্রিত ছিলেন।

samarendra-K-maitra

১৯৫০ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত তিনি আইএসআই-তে বিভিন্ন পদে কাজ করেছেন – কখনও অধ্যাপক, কখনও ডিরেক্টর হিসেবে। তিনি ইউনাইটেড নেশন্স টেকনিক্যাল অ্যাসিস্টেন্স অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-এর অ্যাডভাইজার হিসেবে কাজ করেছেন এবং ১৯৫৫ সালে তাঁর নেতৃত্বেই তৎকালীন সোভিয়েত রাশিয়া থেকে ১ কোটি টাকার এক বিরাট ‘টেকনিক্যাল-এইড’ ভারতে এসেছিল।

সারাজীবনে সমরেন্দ্র মিত্র অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ছিলেন, সেগুলির মধ্যে ১৯৫৯ সালে ‘ব্যালেস্টিক ট্রাজেক্ট্রি’ বিষয়ে ভারত সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের উপদেষ্টার পদ, ১৯৬২-৬৪ সালে ‘ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কমিটি ফর স্পেস রিসার্চ’-এর সদস্যপদ এবং ১৯৬৯-৭৬ সালে ভারত সরকারের ‘ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন’-এর টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজারের পদ অন্যতম। তিনি ‘ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অফ সায়েন্স’ ও আমেরিকার ‘অ্যাসোসিয়েশন ফর কম্পিউটিং মেশিনারি’ প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানের সদস্য ছিলেন। ‘এন.আর সেন্টার ফর পেডাগজিক্যাল ম্যাথামেটিক্স’-এ প্রফেসর এবং ‘ক্যালকাটা ম্যাথামেটিক্যাল সোসাইটি’র চেয়ারম্যান এবং এমেরিটাস প্রফেসরও ছিলেন সমরেন্দ্র কুমার মিত্র। গণিত, থিওরেটিক্যাল ফিজিক্স ও কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়ে তাঁর প্রচুর গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছিল।

সমরেন্দ্রবাবু ভারত সরকারের নানাবিধ রিসার্চ ও ডেভেলপমেন্ট কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯৬৫ সালে ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইন্সটিটিউটে আয়োজিত ‘কম্পিউটার সোসাইটি অফ ইন্ডিয়া’র প্রথম বার্ষিক সম্মেলনের বাস্তবায়নের পিছনে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।

আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্টেন ভিউ-এ যেখানে গুগল, মাইক্রোসফটের মত আজকের বিশ্বের তাবড় তাবড় টেক-জায়ান্ট সংস্থার মুখ্য কার্যালয়, সেখানেই ‘কম্পিউটার হিস্ট্রি মিউজিয়াম’-এ রয়েছে সমরেন্দ্র মিত্রের নামে স্মৃতিফলক। দুনিয়া যাঁকে স্বীকৃতি দিয়েছে, বাঙালি তাঁকে ভুলে গিয়েছে।

আফগান তালিবান সরকারকে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের হুশিয়ার

president vladimir putin

নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin) ১৩তম ব্রিকস সম্মেলনে আফগানিস্তান ইস্যু নিয়ে জোর আলোচনা করলেন৷ তিনি তালিবান সরকারকে হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আফগানিস্তান যেন তার প্রতিবেশী দেশগুলোর কাজে হুমকির কারণ হয়ে না ওঠে৷ তিনি বলেন, ” প্রতিবেশি দেশগুলোতে যেন সন্ত্রাসবাদ, মাদক পাচারের মতো বিপদ তৈরি না করে আফগানিস্তান৷’

আরও পড়ুন: তালিবান সরকার ইস্যু: পুতিন-মোদী আলোচনার পর প্রশ্ন ‘সমর্থন ইঙ্গিত’

ব্রিকস সন্মলনে পুতিন আরও বলেন, ‘আমেরিকান সেনাবাহিনী এবং তাদের মিত্র বাহিনী প্রত্যাহারের পর আফগানিস্তান একটি নতুন ট্র্যাজেডিতে জড়িয়ে পড়েছে। এখনও পরিষ্কার নয় যে এটি কীভাবে বিশ্ব এবং অঞ্চলের নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করবে। আমাদের সব দেশ এই বিষয়ে বিশেষ মনোযোগ দিয়েছে।

president vladimir putin with Modi

রাশিয়ার এই মন্তব্যটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনেই করা হচ্ছে৷ কারণ, মস্কো থেকে তালিবানদের সমর্থন পাওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। রাশিয়া ছাড়াও চিন থেকে তালিবানদের প্রতি সহায়ক মনোভাব দেখানো হয়েছে। তালিবান প্রীতি সম্পর্কে পাকিস্তানের ভুমিকা বিশ্বের সামনে প্রকাশ্যে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে পুতিনের এই কঠোর মন্তব্য বড়সড় প্রভাব ফেলতে পারে।

আরও পড়ুন: আফগান সংকটমোচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত মিলছে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১৩ তম ব্রিকস সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রী মোদী বৈঠকে বলেন, ‘সম্প্রতি প্রথম “ব্রিকস ডিজিটাল স্বাস্থ্য সম্মেলন” আয়োজন করা হয়েছিল। প্রযুক্তির সাহায্যে স্বাস্থ্য সুবিধা বাড়ানোর জন্য এটি একটি উদ্ভাবনী পদক্ষেপ। নভেম্বরে ভারতের জলসম্পদমন্ত্রী প্রথমবারের মতো ব্রিকস ফরম্যাটে মিলিত হবেন। আমরা ব্রিকস সদস্যরা ‘কাউন্টার টেরোরিজম অ্যাকশন প্ল্যান’ অর্থাৎ সন্ত্রাসবিরোধী কর্মপরিকল্পনাকেও সমর্থন করেছি।

G-7 Summit: তালিবানের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবে বিশ্বের ‘সুপার পাওয়ার’ দেশ

G-7 Summit

বিশেষ প্রতিবেদন: আফগানিস্তান দখলের পর তালিবানের ভবিষ্যৎ কী হবে? তাদের উপর অনেক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে? নাকি বিশ্বের পরাশক্তি দেশগুলো এই তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দেবে? সবটাই নির্ভর করবে আজ, মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া G-7 বৈঠকের অবস্থানের উপর। আমেরিকা এবং তার মিত্ররা এই বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

তালিবানরা যেভাবে আফগানিস্তান দখল করেছে, তাতে অনেক দেশ ক্ষুব্ধ। জি-7 বৈঠকে হয়তো বিশ্ব থেকে তালিবানকে বিচ্ছিন্ন করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে সূত্রের মতে, জো বাইডেন আফগানিস্তানে ৩১ আগস্টের পরেও কিছু সময়ের জন্য আমেরিকান এবং ন্যাটো দেশের বাহিনী ফেরত আনার বন্ধ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

আন্তর্জাতিক নিয়ম মানার ক্ষেত্রে সকলে সহমত হতে পারে
জি-7 দেশের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি, কানাডা এবং জাপান। এটা মনে করা হচ্ছে, সমস্ত দেশ একত্রে বেশ কয়েকটি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে তালিবানকে স্বীকৃতি দেওয়ার মনোভাব গ্রহণ করবে। এক ইউরোপীয় কূটনীতিক বলছেন, জি-7 দেশগুলো আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে চলার এবং মহিলাদের তাদের অধিকার দেওয়ার শর্ত তালিবানকে দিতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত কারেন পিয়ার্স বলেছেন, বরিস জনসন বৈঠকে কিছু সমাধান নিয়ে আসতে পারেন। রাষ্ট্রসংঘে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং রাষ্ট্রসংঘে মহাসচিব জেন স্টলটেনবার্গও বৈঠকে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

আজ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া G-7 ভার্চুয়াল বৈঠকের আয়োজক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডে৷ জি-7 এর এই সভা আহ্বানের দাবি ব্রিটেনের পক্ষ থেকে করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জেন ​​সাকি তার বিবৃতিতে বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জি-7 দেশের নেতাদের সঙ্গে ২৪ অগস্ট ভার্চুয়াল বৈঠক করতে পারেন। এই নেতারা আফগানিস্তানের ব্যাপারে সমন্বয় বাড়াতে এবং পশ্চিমের দেশগুলিকে সমর্থনকারী আফগানদের তাড়িয়ে দিতে আলোচনা করবেন। সাকি বলেন, জি-7 নেতারা আফগান শরণার্থীদের মানবিক সহায়তা প্রদানের পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করবেন।

বরিস জনসনের বক্তব্য
এর আগে টুইটারে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছিলেন, ‘আফগান জনগণকে নিরাপত্তা দিতে, মানবিক সংকট রোধ করতে এবং গত ২০ বছরের কঠোর পরিশ্রমকে সুরক্ষিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আফগান জনগণকে সমর্থন করার জন্য একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’ এই বছর জি-7 দেশগুলোর নেতৃত্ব দিচ্ছে ব্রিটেন। এই গ্রুপে রয়েছে ব্রিটেন, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান এবং যুক্তরাষ্ট্র।

আফগান নীতি সম্পর্কে অভিন্ন পদ্ধতির প্রয়োজন
হোয়াইট হাউসের মতে, জো বাইডেন এবং বরিস জনসন জি-7 এর ভার্চুয়াল বৈঠকের কথাও বলেছিলেন৷ দুই নেতা আফগানিস্তানের পরিস্থিতি মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতা এবং অভিন্ন পদ্ধতির বিষয়ে আলোচনা করেন। আফগানিস্তানের নীতি নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার ওপরও জোর দিয়েছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, আফগানিস্তান থেকে আমেরিকান বাহিনী প্রত্যাহারের জন্য বাইডেন প্রশাসন তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে৷