Australian cricket Board: অ্যাসেজ সিরিজ শুরুর আগে মহাফাঁপড়ে অজি ক্রিকেট বোর্ড

Australian Cricket Board

Australian cricket Board
Sports desk: চলতি বছরের ডিসেম্বরে ৮ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে অ্যাসেজ সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে। ইতিমধ্যেই ইংল্যান্ড ক্রিকেট টিম গাব্বার মাটিতে এসে অনুশীলন শুরু করে দিয়েছে, কেননা প্রথম টেস্ট ম্যাচ হচ্ছে ব্রিসবেনের গাব্বায়।

কিন্তু ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (Australian cricket Board) পড়েছে মহা ফাঁপড়ে টিম পেইন ইস্যুতে। পেইনের বিরুদ্ধে 2017 সালে একজন মহিলা সহকর্মীর কাছে পাঠানো যৌনতাপূর্ণ টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে, ফলে চলতি মাসের শুরুতে অধিনায়কের পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন টিম পেইন। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলে টিম পেইন ছিলেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান।

এখনও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অ্যাসেজ সিরিজে জন্য দল ঘোষণা করেনি। তবে পেইনের জায়গায় ফাস্ট বোলার প্যাট কামিন্স অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং প্রাক্তন অধিনায়ক তথা ব্যাটসম্যান স্টিভ স্মিথকে সহ-অধিনায়ক পদে কাজ করবেন তা অফিসিয়ালি ঘোষণা করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া বোর্ড। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া এখনও নতুন কিপার ঘোষণা করেনি।

প্রাথমিকভাবে অ্যাসেজের জন্য অস্ট্রেলিয়া দলে একমাত্র উইকেটরক্ষক ছিলেন টিম পেইন এবং নির্বাচনের জন্য যোগ্য ছিলেন। কিন্তু ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে দল ঘোষণা না করা পর্যন্ত তিনি (পেইন) খেলা থেকে অনির্দিষ্টকালের বিরতি নিচ্ছেন।

এই অবস্থায় ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অ্যাসেজ সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার কিপার কে হবে এই ইস্যুতে জস ইঙ্গলিস এবং অ্যালেক্স ক্যারির নাম উঠে আসছে৷ ডানহাতি ব্যাটসম্যান জস ইঙ্গলিস অস্ট্রেলিয়ার পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী দলের একজন সদস্য ছিলেন, কিন্তু টুর্নামেন্টে একটিও ম্যাচ খেলেননি এবং এখনও তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি।

বছর 26’র ইঙ্গলিস অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকি 45 টি প্রথম-শ্রেণীর ম্যাচে 34.03 গড়ে 2,246 রান করেছেন, তিনটি সেঞ্চুরি যা গত বছরের শেফিল্ড শিল্ডে করেছিলেন। 30 বছর বয়সী অ্যালেক্স ক্যারির এখনও টেস্ট ফর্ম্যাটে অভিষেক হয়নি, তবে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে 45 টি একদিনের আন্তজার্তিক ক্রিকেট এবং 38টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার অভিঞ্জতা রয়েছে।

এদিকে, অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তী ক্রিকেটার রিকি পন্টিং, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট এবং শেন ওয়ার্ন জস ইঙ্গলিসের সমর্থনে আওয়াজ তুলেছে। কিংবদন্তী ক্রিকেটারদের পাশে এসে দাঁড়ানো নিয়ে জস ইঙ্গলিসের প্রতিক্রিয়া,”আপনি এটিতে খুব বেশি পড়তে চান না কারণ তারা সিদ্ধান্ত নেয় না।” ইঙ্গলিস আরও বলেন,”কিন্তু তাদের জন্য আমার সম্পর্কে কিছু সত্যিই চমৎকার জিনিস বলতে শুনতে ভালো লাগে।”

এখন অ্যাসেজ সিরিজ শুরুর আগে অস্ট্রেলিয়ার কিপিং গ্লাভস পড়ে কে নামবে তা পুরোটাই নির্ভর করছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া নির্বাচক কমিটির সিদ্ধান্তের ওপর। আপাতত কিপিং গ্লাভসের দৌড় চলছে অ্যাসেজের আগে জস ইঙ্গলিসের সঙ্গে অ্যালেক্স ক্যারির মধ্যে তা জলের মতো পরিষ্কার।

ঘরোয়া ক্রিকেটে অপরাজিত থেকে কোয়াটার ফাইনালে গেল বাংলা

Bengal

Sports Desk, Kolkata: ভ্যানিতা ভি আর (১০৭) এবং রুমেলি ধরের (১০৪) জোড়া সেঞ্চুরিতে ভর করে হায়দরাবাদকে (Hyderabad) ১৭৫ রানে হারিয়ে দিল বাংলা (Bengal) মহিলা সিনিয়র দল। বল হাতে দুই উইকেট নেন সুকন্যা পরিধা। প্রসঙ্গত, বেঙ্গালুরুতে বিসিসিআই পরিচালিত উইমেনস সিনিয়র ওয়ান ডে টুর্নামেন্টের এলিট গ্রুপ ‘বি’ সবকটি ম্যাচে অপরাজিত থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে চলে গেল বাংলা (Bengal)।

বাংলা (Bengal) টসে জিতে ব্যাটিং’র সিদ্ধান্ত নেয়। অধিনায়ক রুমেলি ধরের এই সিদ্ধান্ত ম্যাচে ক্লিক করে। পিপি পাল (২৯), পি বালা ৪০ রানে নট আউট থাকে, সঙ্গে মমতা ১ রানে নট আউট। বাংলা (Bengal) ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ৩২২ রান তোলে।

হায়দরাবাদের (Hyderabad) হয়ে বড় রান করেন অনুরাধা নায়েক ১২৪ বলে ৫৪ রান ভঙ্কা পুজা ১৩৮ বলে ৭৫ রান নট আউট। অনুরাধা এবং ভঙ্কা বাংলার (Bengal) বিরুদ্ধে ক্রিজে থেকে লড়াই করলেও শেষ রক্ষা করতে পারেননি। হায়দরাবাদের (Hyderabad) গোঁড়ায় গলদ! ওপেনার কীর্তি রেড্ডি রানের খাতা না খুলেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন এবং অঙ্কিতা কে ১ রানে আউট।

হায়দরাবাদের (Hyderabad) দুই ওপেনারকে ২.৬ ওভারে বিধ্বংসী স্পেলে প্যাভিলিয়নের রাস্তা দেখিয়ে দেন বাংলার (Bengal) বোলার সুকন্যা পরিধা। ৫০ ওভারে ৩ উইকেটে হায়দরাবাদ (Hyderabad) ১৪৭ রানে লড়াই থেমে যায়। বাংলার (Bengal) হয়ে গৌহর সুলতানার ১ উইকেট।

ইডেন গার্ডেন পরিদর্শনে এলেন নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেট প্রতিনিধি দল

New Zealand cricket delegation visits Eden Gardens

Sports desk: আগামী ২১ নভেম্বর কলকাতার (Kolkata) ইডেন গার্ডেনে আয়োজিত হবে ভারত (India) বনাম নিউজিল্যান্ডের (New Zealand) মধ্যে তৃতীয় তথা শেষ টি টোয়েন্টি ম্যাচ। তাই করোনা বিধি মেনে ইডেন গার্ডেনে মাঠ এবং পরিকাঠামো পরিদর্শন করতে শুক্রবার এলেন নিউজিল্যান্ড (New Zealand) ক্রিকেট বোর্ডের প্রতিনিধি দল।

সিএবি’র তরফ থেকে ইডেন গার্ডেনে নিউজিল্যান্ডের (New Zealand) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি অভিষেক ডালমিয়া, সহ সভাপতি নরেশ প্রভুলাল ওঝা, সচিব স্নেহাশিষ গঙ্গোপাধ্যায়, কোষাধ্যক্ষ দেবাশিষ গাঙ্গুলী, যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাস, ট্যুর-ফিক্সার এবং টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান শুভঙ্কর ঘোষ দস্তিদার, ইডেন গার্ডেনের পিচ কিউরেটর সুজন মুখার্জ্জী, এবং শান্তনু মিত্র, রঞ্জন সাহা, অধিরাজ দত্ত সহ অন্যান্য কর্তারা।

প্রসঙ্গত, চলতি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতীয় সিনিয়র ক্রিকেট দলের হেড কোচ হিসেবে রবি শাস্ত্রীর কাজের মেয়াদ পূর্ণ হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসি আই) টিম ইন্ডিয়ার পরবর্তী হেড কোচ হিসেবে কিংবদন্তী ক্রিকেটার রাহুল দ্রাবিড়ের নাম আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করে দিয়েছে।

আগামী নভেম্বর মাসে নিউজিল্যান্ড (New Zealand) ভারত (India) সফরে আসবে, ভারতের (India) সঙ্গে তিনটে টি টোয়েন্টি ম্যাচ এবং দুটি টেস্ট ম্যাচের সিরিজ খেলতে।

প্রথম টি টোয়েন্টি ম্যাচ ১৭ নভেম্বর জয়পুরে(Jaipur) হবে, দ্বিতীয় ম্যাচ ১৯ নভেম্বর রাঁচি (Ranchi) এবং সিরিজের তৃতীয় তথা শেষ টি টোয়েন্টি ম্যাচ হবে ২১ নভেম্বর কলকাতার(Kolkata) ইডেন গার্ডেনে। এই সিরিজে দুটি টেস্ট ম্যাচ ভেন্যুর প্রথম টেস্ট শুরু হবে ২৫ নভেম্বর কানপুরে(Kanpur) এবং দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ মুম্বই’তে(Mumbai), ৩ ডিসেম্বর আয়োজিত হবে।

করোনাকালে ক্রিকেটের নন্দনকানন ইডেন গার্ডেনে দর্শকভর্তি স্টেডিয়ামে আন্তজার্তিক ক্রিকেট ম্যাচ ফিরতে চলেছে। ফলে স্বভাবতই খুশি ক্রিকেট ভক্তের দল।

Yuvraj Singh: বাইশ গজে ব্যাট হাতে তাণ্ডব করতে মাঠে নামছেন যুবরাজ সিং

yuvraj singh

Sports Desk: চলতি টি -২০ বিশ্বকাপের মাঝেই ভারতীয় ক্রিকেট ভক্তদের জন্য সুখবর। যুবরাজ সিং (Yuvraj Singh ) নিজের অবসর ভেঙে মাঠে নামতে চলেছেন, আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে।

গভীর রাতে ইন্সটাগ্রামে বোমা ফাটিয়ে ভারতীয় অলরাউন্ডার যুবির পোস্ট, “ঈশ্বর আপনার ভাগ্য নির্ধারণ করেন!!জনসাধারণের দাবিতে আমি ফেব্রুয়ারী মাসে মাঠে ফিরে আসব! এই অনুভূতির মত কিছুই না! আপনাদের ভালবাসা এবং শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ, এটা আমার কাছে অনেক কিছু! সমর্থন করতে থাকুন 🇮🇳 এটা আমাদের দল এবং একজন সত্যিকারের ভক্ত তার দেখাবে কঠিন সময়ে সমর্থন #জয়হিন্দ”।

২০১৯ জুনে ভারতের তারকা অলরাউন্ডার যুবরাজ সিং বিশ্বকে চমকে দিয়েছিলেন যখন তিনি একটি সাংবাদিক বৈঠকে এসে তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করেছিলেন। বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যানকে সেই সময়ে বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান হিসাবে ধরা হতো, এবং সেই সময়ে তিনি যখন দলের মধ্যে ছিলেন এবং বাইরে ছিলেন, এবং তার সেরা বছরগুলি তার পিছনে ছিল, অনেকে বিশ্বাস করেছিলেন যে যুবরাজ এখনও খেলতে পারেন। আরও একটি সিরিজ খেলে নিজের স্টাইলে অবসর ঘোষণা করতে।

কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ভক্তরা ভারতের নীল জার্সিতে যুবরাজকে দেখতে পাননি এবং এর পরেই তিনি ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণাও দেন। হার্ড-হিটিং ব্যাটসম্যানরা ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই) থেকে অনুমতি পাওয়ার পরে বিশ্বজুড়ে টি-টোয়েন্টি লিগে অংশ নিয়েছিল এবং যুবরাজ সিং এই বছর রোড সেফটি টি-টোয়েন্টি সিরিজে তার বিপজ্জনক ব্যাটিং দক্ষতাও প্রদর্শন করেছিলেন।

তবে এখন মনে করা হচ্ছে যুবরাজ সিং আবারও ক্রিকেটে ফেরার জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন। তার ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা গভীর রাতের বোমাশেলে, ৩৯ বছর বয়সী ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিনি আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে ক্রিকেটে ফিরতে পারেন।

তবে এখনও পরিষ্কার নয় যে যুবরাজ ভারতের হয়ে খেলবেন না-কি; টি-টোয়েন্টি লিগে। এদিকে ভক্তরা এখন উচ্ছ্বসিত যে তারা ক্রিকেটের মাঠে তারকা ব্যাটসম্যানকে আরও একবার দেখতে পাবেন।

রাহুল দ্রাবিড় ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য একটি ব্লুপ্রিন্ট নিয়ে আসবেন: আকাশ চোপড়া

Rahul Dravid - Akash Chopr

Sports Desk: ক্রিকেটার থেকে ধারাভাষ্যকার আকাশ চোপড়া সম্প্রতি টিম ইন্ডিয়ার প্রধান কোচ হিসেবে রাহুল দ্রাবিড়ের সম্ভাব্য নিয়োগের বিষয়ে কথা বলেছেন। গত সপ্তাহে, প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধান কোচের পদের জন্য আবেদন করেছেন। গুজব রটেছে যে তিনিই (রাহুল দ্রাবিড়) বোর্ডের পছন্দের লোক।

ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই) আগেই বলেছিল যে তারা দলের জন্য একজন ভারতীয় কোচ নিয়োগ করতে ইচ্ছুক। ভারতের প্রাক্তন ওপেনার আকাশ চোপড়ার মতে, দ্রাবিড় দীর্ঘ সময়ের জন্য হেড কোচ হিসেবে থাকবেন। তিনি আরও মনে করেন যে ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক একটি প্রক্রিয়া নিয়ে আসবেন এবং সঙ্গে করে নিয়ে আসবেন টিম ইন্ডিয়ার সাফল্যের নীলনকশা।

আকাশ চোপড়া তার ইউটিউব শো ‘সুপার ওভার’এ বলেছেন,”তাহলে, ভারতীয় দলে কী আসবেন রাহুল দ্রাবিড়? আমি মনে করি তিনি একটি প্রক্রিয়া আনবেন। ভারতীয় দল ইতিমধ্যেই বেশ সফল। এটা এমন নয় যে তারা ভালো পারফর্ম করছে না। এই দলটি অস্ট্রেলিয়ায় অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে ভালো হয়েছে, এবং ইংল্যান্ডে ইংল্যান্ডকে হারানোর সম্ভাবনাও রয়েছে।”

প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা ধারাভাষ্যকার আকাশ চোপড়া অত্যন্ত জোরের সঙ্গে দাবি করে বলেছেন, “কিন্তু, রাহুল দ্রাবিড়ের সাথে, আমি আগামী পাঁচ বছরের জন্য একটি নীলনকশা দেখতে পাচ্ছি। তিনি কখনই স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে আসছেন না, তবে তিনি আগামী পাঁচ থেকে ১০ বছরের জন্য টিম ইন্ডিয়ার জন্য একটি নীলনকশা নিয়ে আসবেন।”

রাহুল দ্রাবিড় অনূর্ধ্ব-১৯’র পাশাপাশি জাতীয় ক্রিকেট একাডেমি (এনসিএ) এর সাথে জড়িয়ে থেকে তাঁর কাজের জন্য প্রচুর প্রশংসা কুড়িয়েছেন। চোপড়া মনে করেন, রোহিত শর্মা (সাদা বলের ক্রিকেটে) এবং বিরাট কোহলির (টেস্ট ক্রিকেটে) সঙ্গে দ্রাবিড় জুটিকে দেখাটা আকর্ষণীয় হবে।

আকাশ চোপড়া আত্মবিশ্বাসী ঢঙে বলেছেন ” আমরা ‘R’ এবং ‘R’-এর একটি জুটি দেখতে পাচ্ছি, রাহুল দ্রাবিড় এবং রোহিত শর্মা সংক্ষিপ্ত ফর্ম্যাটের জন্য এবং টেস্ট ক্রিকেটে কোহলির সাথে দ্রাবিড়। এটা খুবই উত্তেজনাপূর্ণ হতে চলেছে। যদি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধান কোচের পদের জন্য আবেদন করেন, অন্যান্য আবেদনগুলিও বিবেচনা করা হবে না। এটি এমন একটি প্রতিযোগিতা যেখানে অন্য কোন কোচ জিততে পারবেন না।”

‘দাদার মগজশাস্ত্রে’ ভরসা, ভারত ‘বাউন্স ব্যাক’ করবে বিশ্বাসী আজ্জু

azahar with sourav ganguly

Sports Desk: বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট তথা ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টি-২০ বিশ্বকাপের নক আউট ম্যাচে টিম বিরাটের নামার আগেই সতর্ক করে বলেছিলেন, “পাকিস্তানও একটি ভালো দল। এক বা দুইজন খেলোয়াড় ক্লিক করলে যা কিছু ঘটতে পারে। মানসিক লড়াই জেতা জরুরী। আমি মনে করি এটি একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ হবে।”

“যেখানে প্রাপ্য সেখানে ক্রেডিট দিন। পাকিস্তান আজ ভালো খেলেছে। এটি একটি সম্পূর্ণ দলগত প্রচেষ্টা ছিল। ভারতের জন্য কিছুই হারায়নি এখনও এই ভুলগুলি থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় আছে।

#IndvPAK #T20WorldCup” এমন ভাবেই রবিবার টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে ভারতের হারের মূল্যায়ন করে টুর্নামেন্টে প্রত্যাবর্তনের আশা প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দীন।
পাকিস্তান ১০ উইকেটে জিতেছে,ভারতীয় বোলিং লাইন আপকে পিটিয়ে ক্লাব স্তরে নামিয়ে এনে। মহম্মদ রিজওয়ান ৫৫ বলে ৭৯ সঙ্গে বাবর আজম ৫২ বলে ৬৮ রান, দুই পাক ওপেনার অপরাজিত থেকে ম্যাচ ভারতের থেকে ছিনিয়ে জয় হাসিল করেছে তাইই নয়, নয়া ইতিহাস গড়ে তুলেছে।

বিশ্বকাপের মঞ্চে পাকিস্তানের প্রথম জয় ভারতের বিরুদ্ধে অধিনায়ক বাবর আজমের নেতৃত্বতে,১২-১।তার আগে টসে জিতে পাকিস্তান বোলিং’র সিদ্ধান্ত নেয়। টিম ইন্ডিয়ার গর্বের ব্যাটিং লাইন আপ শাহিন আফ্রিদির ঝড়ের কবলে পড়ে দুমড়ে মুচড়ে যায়। তাই ‘দাদার’ কথা অক্ষরে অক্ষরে ফলে গেল, বলতেই হচ্ছে,”পাকিস্তানও একটি ভালো দল। এক বা দুইজন খেলোয়াড় ক্লিক করলে যা কিছু ঘটতে পারে। “

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লজ্জার হার ভারতের,হতশ্রী পারফরম্যান্স, তীব্র সমালোচনার ঢেউ, এতকিছু সত্ত্বেও প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক আজহারউদ্দীন ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিরাটের ভারতকে। বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট তথা প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় টি-২০ বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বলেছিলেন, টিম ইন্ডিয়াকে বিশ্বকাপ জিততে হলে অনেক বেশি ‘ম্যাচিওর’ হতে হবে। বোর্ড প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্য উঠে আসার পরেই টিম ইন্ডিয়ার মেন্টর হিসেবে এম এস ধোনির রিক্রুটমেন্ট হয়।

তাই মহম্মদ আজহারউদ্দীন ৩১ অক্টোবর, রবিবার নিউজিল্যান্ড ম্যাচে টিম ইন্ডিয়ার প্রত্যাবর্তনে বিশ্বাস রাখছেন তা অমূলক নয়। কেননা ‘দাদার’ মগজশাস্ত্রে ভরসা দেশের তামাম ক্রিকেট ভক্তদের।

#indvpak: শাহিন আফ্রিদি স্পেলে বেসামাল বিরাটের ভারত

latest update of India-Pakistan cricket match

Sports Desk: ইতিহাস হচ্ছে ইতিহাস, আমরা নিশ্চিত এবার আমরা ভারতকে হারাবো,পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম আগেই বলেছিলেন। ১৯ রান ২ উইকেট শাহিন আফ্রিদির, বাহাতি মিডিয়াম ফাস্ট বোলারের। রোহিত শর্মা এবং কে এল রাহুল আফ্রিদির শিকার।

হিটম্যান রোহিত শর্মা রানের খাতা না খুলেই এলবিডব্লু আর রাহুল (৩) বোল্ড আউট,২.১ ওভারে ভারত তখন দুই উইকেট খুঁইয়ে স্কোরবোর্ডে ৬ রান। খাঁদের কিনারা থেকে তোলার জন্য মাঠে অধিনায়ক বিরাট কোহলি আর সূর্যকুমার যাদব। জুটি গড়ে উঠেছিল দুজনের,কিন্তু৫.৪ ওভারে হাসান আলির বলে সূর্যকুমারের বিদায়১১ রানে। ভারত তিন উইকেটে ৩১ রান। ক্রিজে ঋষভ পহ্ন।

১৩-০ বিশ্বকাপের রেকর্ড পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। এবার কি ইতিহাসের স্রোত উল্টো খাতে বইতে চলেছে। ক্যাপ্টেন কোহলি ক্রিজে ২৫ রানে, পহ্ন ১৩। ভারতের সর্বশেষ স্কোর তিন উইকেটে ৫৯ রান

টি-২০ ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক সাকিব আল হাসান

Shakib Al Hasan

স্পোর্টস ডেস্ক: বাংলাদেশের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান পুরুষদের টি-২০ আন্তজার্তিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক হয়েছেন। নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের মাইকেল লিস্ককে আউট করে সাকিব এই অনন্য মাইলস্টোনের মালিক।

এই রেকর্ডের সঙ্গেই সাকিব শ্রীলঙ্কার বোলার লাসিথ মালিঙ্গার টি-২০ আন্তজার্তিক ক্রিকেটে ১০৭ উইকেট নেওয়ার রেকর্ডকে ভেঙে চুরমার করে দিয়েছেন। লং অফে লিস্ককের ড্রাইভ শট লিটন দাসের হাতে জমা পড়তেই সাকিব আল হাসান ১০৮ টি উইকেট পকেটে পুরে ফেলেন।

৮৯ টি-২০ ম্যাচ খেলে বা হাতি স্পিন অলরাউন্ডার সাকিব মালিঙ্গার রেকর্ড ব্রেক করেন। চলতি বছরের শুরুতে বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১০০ তম উইকেট শিকার করেন। একই সঙ্গে সাকিব টি -টোয়েন্টিতে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ১০০০ রান এবং ১০০ উইকেট নেন। সাম্প্রতিক সময়ে সাকিব আল হাসান আইসিসির টি -২০ অলরাউন্ডারদের র‍্যাঙ্কিং’এ প্রথমে রয়েছেন এবং আইসিসি’র ওয়ানডে অলরাউন্ডারদের তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন।

জুলাই মাসে সাকিব ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক হন। সাকিবের টিমমেট মাশরাফি মুর্তজার দেশের হয়ে ২৬৯ উইকেট সংগ্রহ করেছেন (এবং এশিয়া একাদশের জন্য একটি)। তিনি ইতিমধ্যেই টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী। বিশ্বের মাত্র চার অলরাউন্ডারের মধ্যে রয়েছেন যিনি ৬০০০ এর বেশি রান করেছেন এবং ওয়ানডেতে ২৫০’র বেশি উইকেট নিয়েছেন।

টি -২০ ক্রিকেটে বর্তমানে মোট উইকেট তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে সাকিব, ৩৫৬ ম্যাচে ৩৮৮ উইকেট নিয়ে। সাকিব আল হাসান টি -২০ ক্রিকেটে মাত্র চারজন খেলোয়াড়ের একজন কায়রন পোলার্ড, ব্রাভো এবং আন্দ্রে রাসেল এবং অন্য ক্রিকেটারেরা – ৫০০০ রান, ৩০০ উইকেট এবং ৫০ টি ক্যাচ আছে।

করোনাকালে ক্রিকেট পুনরুদ্ধারে প্রোটিয়ার্সদের কাছে ভারত সফর সঞ্জীবনী সুধা

south africa cricket team

স্পোর্টস ডেস্ক: ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার (South Africa) পরিচালক গ্রেম স্মিথ করোনা কালে চলতি বছরের শেষের দিকে ভারতের বিরুদ্ধে হোম সিরিজের বিষয় নিয়ে মুখ খুলেছেন। ভারতীয় দল ডিসেম্বর ২০২১ থেকে জানুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে তিন টেস্ট, তিন ওয়ানডে এবং চারটি টি -টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবে।

গত বছরের নভেম্বরে কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে ইংল্যান্ড দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে অস্বীকার করে। ফলে সিএসএ’কে বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল। এরপর অস্ট্রেলিয়া তিনটি টেস্টের জন্য সিরিজে খেলতে অস্বীকার করে। এই কারণে স্মিথ মনে করেন, ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার পুনরুদ্ধারের জন্য ভারত সফর একটি বড় ব্যাপার।

করোনা সংক্রমণ কালে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথমবারের মতো সফল হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ভারতীয় দলের যাত্রা তাৎপর্যপূর্ণ হবে বলে বিশ্বাস করেন গ্রেম স্মিথ। স্মিথের বিশ্বাস, দর্শকদের উপস্থিতি এমন পরিস্থিতিতে একটি দর্শনীয় সিরিজ তুলে ধরবে এবং আশা করা হচ্ছে এর ফলে সিএসকে’কে অর্থাৎ ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকাকে আর্থিক ক্ষতি থেকে পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করবে।

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন অধিনায়ক গ্রেম স্মিথের বয়ানে উঠে এসেছে, “এই বছরের শেষে আমাদের এখানে ভারত সফর একটি বড় সফর হতে চলেছে। এটা শুধু ক্রিকেটের দৃষ্টিকোণ থেকেই নয়, যেখানে সময়ের সাথে সাথে তাদের ফলাফল দেশের মাটিতেও উত্তেজনাপূর্ণ হয়েছে, যা ভারতীয় দলের জন্য দারুণ। ভারত দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে কোনও দিনই সিরিজ জিততে পারেনি এবং এই বিষয়টি টেস্ট সিরিজের উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।” তিনি আরও বলেন, “এটি সিএসএ’র জন্য একটি বড় সিরিজ, যা চ্যালেঞ্জিং সময়ের মধ্যে নিজেদের পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে। এই বিষয়ে চেয়ারম্যান ও বোর্ডের মধ্যে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমরা এই সিরিজের জন্য দর্শকদের মাঠমুখী করার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা জারী রয়েছি।” ভারত এখনও পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় কোনো টেস্ট সিরিজ জিততে পারেনি। বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল জয়ের আশা করতে পারে, কারণ সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশের মাটিতে ভারতীয় দলের দুর্দান্ত রেকর্ড রয়েছে।

কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন নিয়ে গ্রেম স্মিথ বলেন, তিনি দৃঢ়প্রতিঞ্জ বছরের শেষে দর্শকদের স্টেডিয়ামে ফিরে আসতে কোনও বাধা থাকবে না। তিনি মনে করেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় গনটিকাকরণের প্রচেষ্টা সফল হয়েছে।
স্মিথ বলেন, “আমি সেমিনারের প্রথমদিকের কিছু ভিডিও দেখেছি এবং পুরো স্টেডিয়াম, শক্তি এবং বর্তমানে দেশের মানুষের জীবনযাত্রা দেখে আমরা বছরের শেষে ক্রিকেটকে ফিরিয়ে আনতে চাই ।” আমরা মানুষকে টিকা দেওয়ার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি এবং আশা করছি বছরের শেষ নাগাদ দর্শকরা স্টেডিয়ামে ফিরে আসবে।

ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া সফর বাতিল হওয়ার পর দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান সিরিজ খেলে গিয়েছে। তবে বেশিরভাগ ম্যাচ ক্লোজড ডোর অর্থাৎ দর্শকশূন্য খেলা হয়েছিল এবং দর্শকদের অনুমতি দেওয়া ম্যাচের সংখ্যাও খুব বেশি ছিল না। তাই সব মিলিয়ে ভারতের দক্ষিণ আফ্রিকা সফর যদি সঠিক কোভিড-১৯ প্রটোকল মেনে এগিয়ে যায় এবং মাঠে বল গড়ায় তাহলে তা ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা বোর্ডের কাছে করোনা কালে সঞ্জীবনী সুধা হতে চলেছে।

স্টিভ-পন্টিংদের পেশাদার ক্রিকেটের পথপ্রদর্শক এই ক্রিকেটার

Ian chappell

বিশেষ প্রতিবেদন: সত্তরের দশকে ক্রিকেট বেশিরভাগটাই আটকে লাল বলের ক্রিকেটে (cricket)। পেশাদারিত্ব নিয়ে কীভাবে ক্রিকেটটা খেলতে হয় তা তখনও দেখেনি ক্রিকেট বিশ্ব। দেখালেন ইয়ান চ্যাপেল। অধিনায়কত্বেও আনলেন পেশাদারিত্বের ছোঁয়া। এভাবেই বিশ্ব ক্রিকেটে তিনি রাজ করেছেন ১৬টা বছর।

অন্যতম বড় প্রমাণ নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেই বিখ্যাত ম্যাচ। ভাই গ্রেগকে নিয়ে দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি করেন তিনি। এমন ইনিংস টেস্ট ক্রিকেট আর হয়নি। দুই ভাই দুই ইনিংসেই নাকি সেঞ্চুরি। বেসিন রিজার্ভের উইকেট এমনিতে পেসারদের জন্য স্বর্গ। তার উপর সেদিন চলছিল ঝড়ো বাতাস। ফলস্বরূপ ম্যাচের প্রথম ঘন্টাতেই দুই অজি ওপেনারের ড্রেসিংরুমে বিদায়।

Ian chappell

প্রথম উইকেট পড়তেই ব্যাট করতে নামেন ইয়ান পরে দ্বিতীয় উইকেট যেতেই নামেন গ্রেগ। বড় ভাই ইয়ান চ্যাপেল (Ian chappell) দ্রুত সেঞ্চুরিতে পৌঁছে যান। করেন ১৪৫ রান। সঙ্গে দুরন্ত গ্রেগ। ২৪৭ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। দ্বিতীয় ইনিংসেও সেঞ্চুরি করেন দুজনে। বড় ভাই ইয়ান চ্যাপেল খেলেন ১২১ রানের ক্লাসিক ইনিংস। অন্যদিকে স্বভাবসুলভ আক্রমণাত্নক ছিলেন গ্রেগ। মাত্র দু’ঘন্টায় পৌঁছে যান থ্রি মার্ক ফিগারে। শেষপর্যন্ত আউট হন ১৩৩ রান করে। ম্যাচটি ড্র হলেও ওই ইনিংস আজও রেকর্ড।

৭৬ টেস্টে ৪২.৪২ গড়ে ৫৩৪৫ রান করেছেন ইয়ান, সাথে ১৪টি শতরান। টেস্টে চতুর্থ ক্রিকেটার হিসেবে ১০০ ক্যাচ ধরার রেকর্ড তাঁরই দখলে। তিনি মোট ৩০টি টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়কত্ব করেন, তার মধ্যে ১৫ টি ম্যাচ জেতেন। এটাও একসময় রেকর্ড ছিল। পড়ে স্টিভ , পন্টিং জমানায় তো অজিরা শাসন করেছিল বিশ্ব ক্রিকেটকে। চরম পেশাদারিত্ব, যা তাঁরা পেয়েছিলেন ইয়ান চ্যাপেলের সূত্রেই।

Ian chappell

পাশাপাশি একদিনের ম্যাচও খেলেছেন বড় চ্যাপেল। তখন সবই টেস্ট ম্যাচ। ওয়ানডে হাতে গুনে। ১০ বছরে মাত্র ১৬টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে খেলেছেন, কিন্তু করেছেন প্রায় ৪৯ গড়ে ৬০০ এর বেশি রান। ১৬টি ইনিংসের মধ্যে ৮টি অর্ধ শতরান করেন তিনি। প্রসঙ্গত, এই যে আজ ব্যাটসম্যানস গেম ক্রিকেটে এত ছয় ছক্কার বন্যা , শুরুটা হয়েছিল ইয়ান চ্যাপেলের হাত ধরে। একদিনের ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম ছয়টি এসেছিল তাঁর ব্যাট থেকেই। অস্ট্রেলিয়া দলের প্রথম একদিনের ম্যাচের অধিনায়কও ছিলেন তিনিই। প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটে ১৯,০০০ এর বেশী রান করেছেন, রয়েছে ৫৯টি শতরান।

ক্রিকেট পরিবারে জন্ম ইয়ানের। তার দাদু ভিক রিচার্ডসন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলেছেন এবং ভাই গ্রেগ চ্যাপেলও জাতীয় দলে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তার আরেক ভাই ট্রেভর চ্যাপেলও অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টেস্ট ও একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন।

ক্রিকেটে অভিষেক ১৯৬৪ সালে ,মেলবোর্নে। সফরকারী পাকিস্তানের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত একমাত্র টেস্টে খেলার জন্য তাকে অস্ট্রেলিয়া দলে নেওয়া হয়। ব্যাটে মাত্র ১১ রান করলেও চারটি ক্যাচ নিয়েছিলেন। প্রথমে সাত নম্বরে ব্যাটিং করলেও ও পরে উঠে আসেন তিন নম্বরে। এই পজিশনেই নিজের ছন্দ খুঁজে পান ইয়ান। তারপর থেকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি। তিনি পেশাদারি ক্রিকেট দেখিয়ে গিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট তা রন্ধ্রে রন্ধ্রে রপ্ত করেছে।

এবার সফর বাতিল করতে পারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, চাপ বাড়ছে পিসিবির

স্পোর্টস ডেস্ক: পাকিস্তানের ক্রিকেট আকাশে নিম্নচাপ অক্ষরেখা ক্রমেই গভীর নিম্নচাপের রুপ ধারণ করেই চলেছে। নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে পাকিস্তান সফর বাতিল করেছে। আগামী বছর অর্থাৎ ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি -মার্চ মাসে অস্ট্রেলিয়ার পূর্ণাঙ্গ পাকিস্তান সফরসূচী রয়েছে। এখন এই সফরসূচী ঘিরেও টালবাহানা দেখা দিয়েছে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে,আমরা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি। আবার ওয়েস্ট ইণ্ডিজের পাকিস্তান সফর রয়েছে ডিসেম্বরে।

ওয়েস্ট ইণ্ডিজ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৯ থেকে ডিসেম্বর সফর শুরু করবে। সফর তিন ওডিআই এবং সমসংখ্যক টি-২০ ম্যাচ খেলবে, সফরসূচী এইভাবেই নির্দিষ্ট রয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে যেভাবে পাক মাটিতে নিউজিল্যান্ড, ইংল্যাণ্ড সিরিজ খেলা নিয়ে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে তাতে করে অস্বস্তির মধ্যে রয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। এখন ক্রিকেট ওয়েস্ট ইণ্ডিজ বোর্ডের মুখ্য কার্যকারী আধিকারিক জনি গ্রেব খোলসা করতে গিয়ে জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ে পাকিস্তান সফর নিয়ে তারা পিসিবি’র সঙ্গে যোগাযোগে রয়েছে।

অন্যদিকে পিসিবি সূত্রে খবর,তারা আশাবাদী ক্যারিবিয়ান সফর হবে নির্দিষ্ট সময়ে।নিউজিল্যান্ড এবং ইংল্যাণ্ড পাকিস্তান সফর বাতিল করায় পাক ক্রিকেট বোর্ডকে বড়সড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে।

জনি গ্রেব বলেন,পাক ক্রিকেট বোর্ডের সিইও ওয়াসিম খানের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে।সঙ্গে গ্রেব জুড়ে দিয়েছেন,ক্যারিবিয়ান পুরুষ এবং মহিলা দলের সফরের আগে পাকিস্তানের মাটিতে টিমের নিরাপত্তা বিষয়ে খুঁটিনাটি সবকিছুর খোঁজখবর নেওয়া হবে। জনি গ্রেব এও বলেন,”মঙ্গলবার ওয়াসিম খানের সঙ্গে আমার টেলিফোনে কথা হয়েছে।গত সপ্তাহে যা কিছু হয়েছে,তা নিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছিলাম। এই সপ্তাহের মধ্যে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।আমরা পুরুষ এবং মহিলা দলের নির্দিষ্ট সফরসূচী নিয়ে চিন্তাভাবনা করবো।”

জনি গ্রেব আরও জানিয়েছেন, “এন্টিগাটে ক্যাম্প করা হবে,এখানে টি-২০ বিশ্বকাপ এবং টেস্ট দলের সদস্যরা ক্যাম্পে যোগ দেবে।এরপর শ্রীলঙ্কা সফরে যাওয়া হবে। ওয়েস্ট ইণ্ডিজের পুরুষ ক্রিকেট দল ৯ ডিসেম্বর থেকে সফর শুরু করবে পাকিস্তানে, তাই হাতে এখনও সময় আছে চিন্তা করার। আমরা সফর কালে কোভিড-১৯ বিধিনিষেধ এবং কোয়ারিন্টিন নিয়ে বিশেষভাবে নজর দিচ্ছি।আইসিসি’র নিয়ম মেনে প্রত্যেক টিমের জন্য বিশেষ আলাদা ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে কথাবার্তা চলছে।”

পিসিবি আশাবাদী নির্দিষ্ট সময়ে ক্যারিবিয়ান সফর পাক মাটিতে হলে অস্ট্রেলিয়াও পাক সফরে আসতে মন থেকে রাজি হবে।ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে, তারা পাকিস্তান সফরে টিম পাঠাতে চায়, কিন্তু পরিস্থিতির কারণে অনিশ্চয়তার কালো মেঘ ঘনীভূত হয়ে রয়েছে পাক ক্রিকেটের আকাশে। 

পাক ক্রিকেটের আকাশে গভীর নিম্নচাপের সম্ভাবনা

স্পোর্টস ডেস্ক: পাকিস্তানের ক্রিকেট আকাশে নিম্নচাপ অক্ষরেখা ক্রমেই গভীর নিম্নচাপের রুপ ধারণ করতে চলেছে। নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে পাকিস্তান সফর বাতিল করেছে।আগামী বছর অর্থাৎ ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি -মার্চ মাসে অস্ট্রেলিয়ার পূর্ণাঙ্গ পাকিস্তান সফরসূচী রয়েছে। এখন এই সফরসূচী ঘিরেও টালবাহানা দেখা দিয়েছে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, আমরা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার মুখপত্র কোল হিচকক বলেছেন, “আমরা পরিস্থিতির ওপর নজরদারি রেখেছি এবং সঠিক সময়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলা হবে।” অন্যদিকে পাক ক্রিকেট বোর্ডের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান রামিজ রাজা আশঙ্কিত। তাঁর আশঙ্কা যে, অস্ট্রেলিয়া হয়তো নিউজিল্যান্ড এবং ইংল্যাণ্ডের দেখানো পথ অনুসরণ করতে পারে।

এই প্রসঙ্গে রামিজ রাজা জানিয়েছেন,ইংল্যাণ্ডের না খেলা অত্যন্ত নিরাশাজনক। রামিজের কথায়, তবে একটি বিষয় পরিষ্কার যে দুর্ভাগ্যবশত পশ্চিমী জোট একে অপরের সমর্থনের প্রচেষ্টাতে একজোট হয়ে যায়। ইংল্যাণ্ড টিমের পাক সফর বাতিলের কোনও ন্যায্য কারণ ছিলনা, পাকিস্তান ক্রিকেট জয়লাভ করবে। প্রসঙ্গত, পিসিবি চেয়ারম্যান রামিজ রাজা চেয়ারে বসতেই নিউজিল্যান্ড এবং ইংল্যাণ্ড সফর বাতিল হয়েছে।

Pakistan Cricket Board bankrupt? PCB asks players to pay for own  coronavirus tests

পাক ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান আরোও জানিয়েছেন,যদি আমরা বড় ক্রিকেট বোর্ড হতাম তাহলে সকল টিম আমাদের সাথে খেলার জন্য রাজি থাকতো। আমাদের জন্য এটা একটা সবক যে আমাদের একটা মজবুত টিম এবং বড়ো ক্রিকেট অর্থব্যবস্থা তৈরি করতে হবে। এরফলে আমাদের সঙ্গে খেলার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাবে। রামিজ রাজা এও বলেছেন যে, ইংল্যাণ্ড এবং অস্ট্রেলিয়া এখনও নিজের সফরসূচীতে কোনও পরিবর্তন আনে নি।যদি ওনারা বুঝতেন পাক সফরে কোনও রকমের ঝুঁকি রয়েছে তাহলে সংশ্লিষ্ট দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড সবার আগে সফরসূচীর বদল ঘটাতেন।

যদি শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট টিম পাকিস্তান সফরে আগামী বছর আসে তাহলে ১৯৯৮ সালের পর তা হবে প্রথম অজি সফর। এখন দেখার পাকিস্তানের ক্রিকেট আকাশে নিম্নচাপ অক্ষরেখা আদৌ গভীর নিম্নচাপের আকার ধারণ করে কিনা!

Cricket: পাকিস্তান ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন ওয়াসিম আক্রম

Wasim Akram

#WasimAkram
স্পোর্টস ডেস্ক: নিউজিল্যান্ড সিরিজের বাতিলের হতাশার ধাক্কা এখনও সামলে উঠতে পারে নি পাকিস্তান ক্রিকেট। এরই মধ্যে আবার ইংল্যান্ডও পাক সফর বাতিলের ঘোষণা করে দিল।স্বভাবতই হতাশ পাক ক্রিকেট মহল। এই নিয়ে নিজের ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা প্রাক্তন অধিনায়ক ওয়াসিম আক্রম।

ওয়াসিমের আক্রম নিউজিল্যান্ড এবং ইংল্যান্ড সফর বাতিল প্রসঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন,”সারা জীবন ভেড়ার চেয়ে এক দিনের জন্য সিংহ হওয়া ভালো। দুর্ভাগ্যবশত আমরা এমন একটি বিশ্বে বাস করি যেখানে সন্ত্রাসের হুমকি প্রতিটি দেশে খেলাধুলা এবং বিনোদনকে হতাশ করে। তার চেয়ে অন্য কিছু নয় … “। প্রসঙ্গত, ইংল্যান্ড এণ্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড(ইসিবি) এক প্রেস বিবৃতি জারি করে পাকিস্তান সফর বাতিলের ঘোষণা করেছে।

ইসিবি পাক সফর বাতিলের জন্য ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা জনিত সমস্যাকে সামনে এনেছে।নিজেদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ইসিবি বিবৃতি প্রকাশ করে জানিয়েছে, ‘পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হতে চলা পুরুষ ও মহিলা দলের ম্যাচগুলো নিয়ে চলতি সপ্তাহে আলোচনায় বসেছিল ইসিবি। অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও দুই দলের অক্টোবরের সফর প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড।” প্রেস বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, ‘নিজেদের দেশে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরানোর জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাওয়া পিসিবির জন্য এই সিদ্ধান্ত অনেক বড় ধরনের হতাশার।
এখানেই থেমে না থেকে ইসিবি তরফ থেকে এও জানানো হয়েছে,

এটি আমরা বুঝতে পেরেছি। এর আগের দুই গ্রীষ্ম মরশুমে ইসিবির প্রতি তাদের সমর্থনের সঙ্গে বন্ধুত্বের অনেক বড় একটি প্রদর্শন হয়েছে। তাই পাকিস্তান ক্রিকেটে এইভাবে (সফর বাতিল) প্রভাবের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। ২০২২ সালে আমাদের মূল সফর পরিকল্পনা মতোই এগিয়ে যাবে।’ স্বভাবতই এই সফর বাতিল হওয়ায় পাকিস্তান ক্রিকেট মহল তেঁতে রয়েছে।

Chris Gayle: চালসে হয়েও ‘দ্য ইউনিভার্সাল বস’

বিশেষ প্রতিবেদন: তিনি বস নন। তিনি ইউনিভার্সাল বস। সময় পেরোয়, কিন্তু তিনি সেই একইরকম। মাঠের মধ্যে চির যুবক। ব্যাট করতে নামলে চল্লিশ পেরিয়ে যাওয়া বুড়ো ব্যাটসম্যানকে আজও ভয় পায় বোলাররা, কারণ তিনি ক্রিস গেইল (Chris Gayle)।

আরও পড়ুন অধিনায়কোচিত মনোভাবের অভাব, বিরাটের বিরুদ্ধে নালিশ গেল শাহের কাছে

চল্লিশে বেশিরভাগ ক্রিকেটারই সাজঘরে তুলে রাখেন নিজের জার্সি, কিট। কিন্তু তিনি তা মনেই করেন না। তিনি যে চির যুবক। ক্রিস্টোফার হেনরি গেইল , দ্য ইউনিভার্স বস তিনি সেদিনও ছিলেন, আজও আছেন, পরেও থাকবেন।

Chris Gayle

 

তাঁকে শুধু টি-টোয়েন্টির রাজা বললে ভুল হবে, কারণ তাই যদি হয় তাহলে ৪২ গড়ে ১০০র বেশি টেস্ট খেলে রান ৭২১৫ রান করা যায় না। ১৫টা টেস্ট সেঞ্চুরি এমনি এমনি হয় না সঙ্গে আবার দুটো ট্রিপল সেঞ্চুরি। একদিনের ক্রিকেটেও ১০হাজার ৪৮০ রানে রয়েছে ২৫টি সেঞ্চুরি। হ্যাঁ, টি টোয়েন্টি ক্রিকেট তাঁকে অন্যমাত্রা দিয়েছে। কিন্ত তা বলে ধুমধারাক্কা মারমার কাটাকাট ক্রিকেট খেলেন বলেই তিনি টি-২০ ক্রিকেটার, এই তকমাটা দিয়ে দেওয়া যায় না।

তবে এটাও বাস্তব যে, ২০ ওভারের ক্রিকেটে তিনি ১৩ হাজার রান করেছেন। ধারের কাছেও কেউ নেই। এর মধ্যে ছয় হাজার রানের বেশি এসেছে বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠিয়ে। টি-টোয়েন্টিতে ছক্কার সংখ্যাই এক হাজারের বেশি। এই ফরম্যাটে চারও আছে তাঁর এক হাজারের ওপর।

কেন তিনি এই ফরম্যাটের রাজা তা বোঝা যায় এই পরিসংখ্যান থেকেই। ও সব ছুটে, খেটেখুটে রান বানানোয় তিনি বিশ্বাসী নন। বল আসবে, তিনি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তা বাউন্ডারির ওপারে পাঠিয়ে দেবেন। কখনও কখনও মাঠের বাইরে ফেলে দেবেন। মিস টাইম শট ছয় হয়ে যাবে। মারতে শুরু করলে ছেলেখেলা শুরু করবেন বোলারদের নিয়ে। এটাই তার বসিং স্টাইল ক্রিকেট।

chris-gayle - The Cricket Lounge

বয়সের সাথে সাথে স্ট্রাইক রেটে কম হয়েছে। ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেটের মালিকরা তাঁকে মাঝে মাঝে বসিয়ে রাখেন। প্রিয় ওপেনিং স্লট থেকে সরিয়ে তিন নম্বরে নামিয়ে নিয়ে আসে ম্যানেজমেন্ট। এসব দেখে তিনি মনে মনে হাসেন। তারপর যেদিন সুযোগ মেলে, বিপক্ষকে খুন করে ফেরেন সাজঘরে। ফেরেন ঢিমে তালে, রাজার হালে… কেন এখনও ‘বস’ গেইল? বিশেষজ্ঞদের সহজ ব্যাখ্যা, মাঠে নেমে কিছু করে দেখানোর খিদেটা এখনও কমে যায়নি গেইলের।

ওই স্পার্টান আজও তাঁর হাতে যেন খাপখোলা তরবারি, দানবীয় শরীর, হিমশীতল দুই চোখ আজও বোলারকে খুন করার জন্য তাকিয়ে থাকে। চল্লিশোর্ধ্ব ক্রিস্টোফার হেনরি গেইল আজও মেরুদণ্ডে ভয়ের শীতলতা আনতে সক্ষম।

তার প্রমাণ দিচ্ছে তাঁর রেকর্ড বুকও

টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এখনও পর্যন্ত মাত্র ৪ জন ব্যাটসম্যান দু’বার করে ট্রিপল সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। যার মধ্যে গেইল একজন। বাকিরা হলেন ডন ব্র্যাডম্যান, ব্রায়ান লারা এবং বীরেন্দ্র সহবাগ। ৫০ ওভারের ওয়ার্ল্ড কাপে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিও তিনি হাঁকিয়েছিলেন। ২০১৫ সালের বিপক্ষে জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে তিনি ১৩৮ বলে ২১৫ রান করেছিলেন, যা একদিনের ক্রিকেটের ইতিহাসে দ্রুততম ডবল সেঞ্চুরি।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম সেঞ্চুরিটি এসেছিল বসের ব্যাট থেকেই। ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরূদ্ধে করা বিস্ফোরক মাত্র ৫৭ বলে ১১৭র রেকর্ড কোনও দিন কেউ ভাঙতে পারবে না। গেইল বিশ্বের একমাত্র ব্যাটসম্যান যার টেস্টে ট্রিপল সেঞ্চুরি, ওয়ানডেতে ডাবল সেঞ্চুরি এবং টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সেঞ্চুরি রয়েছে। তিনিই বিশ্বের প্রথম ব্যাটসম্যান যিনি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের মাইলস্টোন স্পর্শ করেন।

https://twitter.com/AbdullahNeaz/status/1440157416247619594?s=20

বাইশ গজের ফাঁসে তালিবান, মুচকি হাসি নারী অধিকার কর্মীদের

Taliban cricket

নিউজ ডেস্ক: তালিবান সরকারের গলায় চেপে বসছে বাইশ গজের আন্তর্জাতিক নিয়মের ফাঁস। হয় নিয়ম মেনে মেয়েদের মাঠে নামাও না হলে পুরো পুরুষ দলটাই নিষিদ্ধ হয়ে যেতে পারে।

সামনেই একগুচ্ছ টুর্নামেন্ট, বিশ্বকাপ। তালিবান শাসিত আফগানিস্তান ক্রিকেট দল তাতে অংশ নিতে মরিয়া। তালিবান জঙ্গি গোষ্ঠীর দ্বিতীয় দফার সরকার চাইছে তাদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল দেখাতে।

তবে আফগানিস্তানে ছেলেদের জন্য বিভিন্ন খেলার ছাড় দেওয়া হলেও মহিলাদের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে তালিবান সরকার। এই তালিকায় রয়েছে ক্রিকেট। খেলার অনুমতি নেই আফগান জাতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের।
গত সপ্তাহে তালিবানের সাংস্কৃতিক কমিশনের উপ প্রধান আহমদুল্লাহ ওয়াসিক বলেছেন, মেয়েদের জন্য খেলা জরুরি নয়। ক্রিকেট খেলতে হলে, তাদের মুখ ও সারা শরীর ঢেকে রাখা সম্ভব নয়।

মেয়েদের ক্রিকেট খেলা নিয়ে তালিবানের উপর চাপ বাড়ছে। কারণ, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) নিয়মে প্রতিটি দেশ যারা পুরুষদের ক্রিকেট খেলে, তাদের মহিলা দল বাধ্যতামূলকভাবে রাখতে হবে।  তাদের টেস্ট ম্যাচ খেলতে হবে।

এদিকে আফগান পুরুষ দলকে অনুমতি দিলেও দেশের মহিলাদের খেলার বিষয়ে রাজি নয় তালিবান সরকার। তবে ভবিষ্যতের কথা ভেবে হয়ত সরকার কিছুটা নিয়ম বদলাবে এমনই আশা করেন

আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট আজিজুল্লাহ ফজলি। তিনি বলেছেন, মেয়েদের ক্রিকেট খেলার ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।

তালিবান সরকারের ফরমান সাঁতার ফুটবল, অশ্বারোহন, ক্রিকেট সহ মোট ৪০০ রকমের খেলায় অংশ নিতে পারবেন আফগান পুরুষরা। দেশটির ডিরেক্টর জেনারেল অফ স্পোর্টস বসির আহমেদ রুস্তমজাই সংবাদসংস্থা

এএফপিকে জানান মেয়েদের খেলার ব্যাপারে শেষ সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়মের প্যাঁচে পড়ে তালিবান সরকার হতচকিত। তাদের আইনে মেয়েদের খেলা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই নিয়ম চললে পুরো ক্রিকেট থেকেই মুখ ঘুরিয়ে নিতে হবে। কারণ, আইসিসি নিয়ম মেনে মেয়েদের টিম না থাকলে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে নিষিদ্ধ হতে পারে আফগান দল।

ক্রিকেট কূটনীতিতে তালিবান 2.0! পরপর টার্গেট ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশ

taliban sendin cricket diplomacy

#Afghanistan
নিউজ ডেস্ক: কাবুল জুড়ে এখন ব্যাস্ততা তুঙ্গে। সরকার গড়ার কাজ চলছে। এই সরকার তালিবান জঙ্গিদের। দ্বিতীয়বার আফগানিস্তানের কুর্সিতে জঙ্গিরা বসতে চলেছে। প্রথম তালিবান সরকার (১৯৯৬-২০০১) পর্যন্ত যেমন খেলা বিনোদন সবকিছুই অ-ইসলামিক বলে নিষিদ্ধ করেছিল তালিবান জঙ্গিরা, এবার তারা স্পষ্ট জানিয়েছে অনেকাংশে নরম মনোভাব থাকবে। সেই সূত্রে আফগানিস্তানের পুরুষ ক্রিকেট দলকে আগামী কয়েকটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নিতে বলেছে তালিবান নেতৃত্ব।

এখানেই শুরু তালিবান ক্রিকেট কূটনীতির পর্ব। যে তালিবান কড়া শরিয়তি আইনে মাথা কাটার ফরমান দেয় তারা নিজেদের নরম দেখাতে বাইশ গজের খেলাকে প্রাধান্য দিতে শুরু করেছে।

তালিবান জানিয়েছে, ২০২২ সালে প্রথমদিকে ভারতের সঙ্গে একটি টেস্ট সিরিজ খেলা অনুষ্ঠিত করতে চায়। সরকার গড়ার পর আফগানিস্তান ও ভারতের মধ্যে এই টেস্ট ক্রিকেট খেলায় তীব্র ইচ্ছে তালিবানের। এমন বার্তায় লাগল চমক। তবে বিসিসিআইয়ের পক্ষ এখনও এই বিষয়ে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কিন্তু আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের তরফে এসেছে ইঙ্গিত। তালিবান যেভাবে ভারতের প্রতি একটার পর একটা কূটনৈতিক বার্তা দিচ্ছে তাতে স্পষ্ট তারা নয়াদিল্লির সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে মরিয়া। তবে এই কূটনৈতিক বার্তার পিছনে তালিবান নেতা তথা আশির দশকে দেরাদুন মিলিটারি একাডেমির প্রাক্তনী শের মহম্মদ আব্বাস স্তানেকজাইয়ের (শেরু) ভূমিকা আছে বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল। সম্প্রতি তার সঙ্গেই কাতারের রাজধানী দোহা শহরে ভারতের রাষ্ট্রদূত দীপক মিত্তল কূটনৈতিক আলোচনা করেন।

দক্ষিণ এশিয়ার ক্রিকেট কূটনীতির নতুন সদস্য তালিবান!
দক্ষিণ এশিয়ার তিনটি প্রতিবেশি দেশ ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সরকার সময় বিশেষে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে গতি আনতে ক্রিকেট কূটনীতির প্রয়োগ করে। নয়াদিল্লি-ইসলামাবাদ, বা নয়াদিল্লি-ঢাকা কিংবা ইসলামাবাদ-ঢাকা এই ক্রিকেট কূটনীতির বহুল প্রয়োগকারী। সেই তালিকায় তালিবান অধিকৃত কাবুল এসে জুড়ে যাচ্ছে এবার।

কূটনৈতিক মহলের ধারণা, নিজেদের গ্রহণযোগ্য করে তুলতে ভাবমূর্তি উজ্জ্বল বানাতে মরিয়া তালিবান। তাদের নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে গণহত্যা, গণধর্ষণ সহ বহু নারকীয় ঘটনা। যেহেতু কাবুল দখল করার পরেই তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছিল, এই তালিবান আগের মতো নয়। সেই বার্তার পরেই নিজেদের নতুন করে তুলে ধরতে মরিয়া জঙ্গি সংগঠনটি।

কূটনৈতিক মহলের আরও ধারণা, তালিকার ঘোষিত বন্ধু দেশ পাকিস্তান তো রয়েইছে, ভারতের সঙ্গে একটি খেলা হলেই তাদের পোয়াবারো। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি ক্রিকেট কূটনীতির বার্তা দিতে চলেছে তালিবান।

আফগান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী হামিদ শিনওয়ারি বলেছেন, তালিবান সরকার ক্রিকেটকে সমর্থন করছে এবং আমাদের সমস্ত ক্রিকেট নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। ২০২২ সালের শুরুতেই ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ করা যেতে পারে৷

তিনি আরও জানান, আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে আফগানিস্তান। তবে আফগানিস্তানে মহিলা ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে৷